ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই গেরুয়া রঙের প্রভাব যেভাবে মানুষের উপর পড়েছে,তা সবাই জানে।এতদিন পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগী এবং উনার মন্ত্রীমন্ডলকে গেরুয়া বস্ত্রে দেখা যেত।কিন্তু এবার থেকে যোগিজির অফিসও গেরুয়া রঙে রঞ্জিত হবে বলে জানা গিয়েছে।রঙের কাজকর্ম শুরু হয়েগেছে।লখনৌ এর লাল বাহাদুর ভবনে গেরুয়া রং করা শুরু হয়ে গিয়েছে।এই বিল্ডিংএর রং আগে ছিল সাদা বর্তমানে তা গেরুয়া রং করা হচ্ছে এবং বিল্ডিংএর দেওয়াল লাল রঙের করা হচ্ছে।কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশ সরকার বেশ কয়েকটি বাসেও গেরুয়া রং দিয়েছে।উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলা মেজিস্ট্রেট এর অফিসএ গেরুয়া রং করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর বসার চেয়ার এর উপর গেরুয়া বস্ত্র বিছানো থাকে।এমনকি জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের বিছানার চাদরও গেরুয়া রঙের করা হয়েছে।কিন্তু এরকম ভাবে নিজের দলের রঙের ব্যবহার এই প্রথম নয়,এর আগে আখিলেশের শাসনকালে সমস্ত কাজ সবুজ রঙে এবং মায়াবতীর শাসনকালে নীল রং এর ব্যবহার হয়েছে।
বিশ্বের দরবারে নতুন আবিষ্কার-অষ্টতম মহাদেশ,পড়ুন চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পৃথিবীতে আজকেও এমন জায়গা আছে যেগুলোর নাম ভূগোলের ম্যাপে এখনও লেখা হয়নি কিন্তু বিশ্বের ভ্রমণপ্রিয় মানুষেরা এবং বিজ্ঞানীরা বার বার নতুন জায়গার অস্থিত বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন।কিন্তু এবার যে ক্ষেত্রের খোঁজ পাওয়া গেছে তা পুরো বিশ্বকে চমকে দেওয়ার মতো।এখনো পর্যন্ত আমরা জেনে এসেছি পৃথিবীতে ৭ টি মহাদেশ বর্তমান।কিন্তু এবার আপনার ধারণা বদলাতে চলেছে কারণ বিজ্ঞানীরা প্রশান্ত মহাসাগরে এক নতুন মহাদেশের খোঁজ পেয়েছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে জিলান্ডিয়া মহাদেশ।
এই মহাদেশের বেশিরভাগ অংশ জলের নিচে থাকলেও মহাদেশ হবার জন্য সমস্ত বৈশিষ্ট এই মহাদেশে বর্তমান।আপনাদের জানিয়ে রাখি,একটা মহাদেশ হবার জন্য ওই মহাদেশে তিন ধরণের শিলা(আগ্নেয় শিলা,পাললিক শিলা,রূপান্তরিত শিলা) বর্তমান থাকতে হবে,সামুদ্রিকপৃষ্ঠ থেকে উঁচু হতে হবে এবং ক্ষেতের আয়তন বিশালাকার হতে হবে।
এই মহাদেশের মধ্যে প্রায় সব বৈশিষ্ট বর্তমান।মহাদেশেটির ৯৪ শতাংশ এলাকা সমুদ্রের নিচে অবস্থিত।এই মহাদেশের চারিপাশে প্রচুর পরিমানে জীবাশ্ম ও খনিজ দ্রব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।এই মহাদেশটি প্রায় ভারতীয় উপমহাদেশের আয়তনের সমান বলে জানা গিয়েছে।প্রায় ৫ মিলিয়ন বর্গ কিমি জুড়ে রয়েছে এই মহাদেশ।ভুবিজ্ঞানীদের মতে জিলান্ডিয়ার ৫ শতাংশ অংশ পূর্বে ভারতের অংশ ছিল।১৯৯৫সালে ব্রুফ নামক এক বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম জিলান্ডিয়া নামটি ব্যবহার করেছিলেন।এই মহাদেশের আবিস্কারের বিশ্বের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
কামাখ্যা মন্দিরের রহস্য-জানলে অবাক হবেন।
কামাখ্যা: কামাখ্যা এমন একটা মন্দির যেখানে যোনির উপাসনা করা হয়।আসামের নিলাঞ্চল পাহাড়ের কাছে গুহাটি রেলস্টেশন থেকে ১০ কিমি দূরে এই মন্দির অবস্থিত যেখানে ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে একটা।আপনাদের জানিয়ে রাখি, এটা সবচেয়ে পুরানো শক্তিপীঠ এবং এখানে সতীমা এর যোনি কামাখ্যাতে পড়েছিল যার জন্য এখানে যোনি পুজো করা হয়।ধর্মপুরানে এর অনুসারে বিষ্ণু দেবতা মা সীতার প্রতি ভগবান শিবের মোহ ভঙ্গ করার জন্য দেবীর ৫১টুকরো করেছিলেন তারই মধ্যে যোনি ভাগ এখানে পড়েছিল। কামাখ্যা মন্দিরের কাছে প্রত্যেক বছর একটা মেলার আয়োজন করা হয় যেটা টেক্সটাইল মেলা বলা হয়।
মন্দিরের মাঝখানে যোনির আকারের কুন্ড জায়গা আছে যেখান থেকে সবসময় জল বয়ে যায়।এই মন্দিরের ভেতরে বিশেষত্ব হলো এখানে দেবী বা সতী মায়ের কোনো মূর্তি নেই।প্রতি বছর জুন মাসে এখানে অনেক সন্ন্যাসীরা আসেন এবং পুজো করেন।কামাখ্যা কে সমস্ত সৃষ্টির নির্মাণকেন্দ্র বলা হয় কারণ মায়ের যোনি থেকেই সবার জন্ম।অম্বুবাচি মেলার সময় কামাখ্যা মন্দিরের কাছে থাকা ব্রহ্মপুত্র নদীর জল বছরের তিনদিন লাল হয়ে যায় এটার কারণ কামাখ্যা দেবীর মাসিক ধর্ম।এই তিন দিন দেবীর রজঃস্বলা হন তাই মন্দির প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে এই তিনদিন। কামাখ্যাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তন্ত্রবিদ্যা শিক্ষার জায়গা হিসেবে মনে করা হয়।
শিবের প্রার্থনা না নামাজ? কি হবে ভবিষ্যতে তাজমহলে!
আগ্রা: তাজমহলকে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এই নিয়ে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন সমিতির সচিব ড. বালমুকুন্দ পাণ্ডে ।শুক্রবার ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে বলেছেন, ‘তাজ হল একটি জাতীয় ঐতিহ্য। কেন সেটিকে মুসলিমদের ধর্মীয় ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে? আগ্রার তাজমহলে নমাজ পাঠের অনুমোদন প্রত্যাহার করে নেওয়া উচিত।’ বিতর্ক আরও উসকে দিতে তিনি বলেছেন, তাজমহলে নমাজ পড়া হলে, শিবের পুজোও করতে দিতে হবে।পাণ্ডের দাবি, ‘এমন অনেক প্রমাণ রয়েছে যে তাজমহল একটা শিবমন্দির ছিল। আর এটি তৈরি করেছিলেন এক হিন্দু রাজা। তাজ মোটেই ভালোবাসার প্রতীক নয়। সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী মুমতাজ মহলের মৃত্যুর চার মাসের মধ্যেই ফের বিয়ে করেছিলেন। আমরা সমস্ত তথ্য-প্রমাণ জোগার করছি। খুব শিগগিরই সব জড়ো করতে পারব।’
কয়েকদিন আগেই হিন্দু যুব বাহিনীর সমর্থকরা তাজের ভেতরে দাঁড়িয়ে শিব চালিসা পড়তে গেলে তাঁদের বাধা দিয়ে বের করে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। হিন্দু বাহিনীর সমর্থকদের দাবি ছিল, তাজ সমাধিক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার আগে শিব মন্দিরই ছিল।হিন্দু যুব বাহিনীর বক্তব্য হয় ওখানে নামাজ পড়া বন্ধ হোক নতুবা শিবের প্রার্থনা করতে দেওয়ার অনুমুতি দেওয়া হোক।
ধর্মীয় বক্তৃতার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে উস্কানি দেওয়ায় চার্জশিট জমা জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে
জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা জাকির নায়েক এর বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট জমা দিয়েছে।আদালতের মতে ইছাকৃতভাবে অন্য ধর্মকে অপমান করেছেন এবং সন্ত্রাসবাদ কে উসকেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের আদালতে জমা দেওয়া চার্জসিটে সন্ত্রাসবাদ কাজে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করা এবং একই সঙ্গে অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ করেছে জাকির নাইক এর বিরুদ্ধে।জাকির নাইক কে পলাতক হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।
কাশ্মীরের হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানিও নিজেকে জাকির নায়েকের অনুগামী বলে জানিয়েছিল৷ সেনা অভিযানে খতম করা হয় বুরহানকে৷ এনএইএ জানিয়েছে শুধু উত্তেজিত ভাষণ নয়, জাকির নায়েক সংস্থার মাধ্যমে দিয়ে বহু যুবক ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনে জড়িয়েছে ৷ আইনের হাত থেকে বাঁচতে ২০১৬ সালে ভারত থেকে পলাতক জাকির নায়েক।বাংলাদেশের এক বেকারিতে হওয়া সন্ত্রাসবাদী হামলা তেও জাকির নায়েক এর নাম জড়িয়েছে।
বাংলার হয়ে ফুটবল মাঠে খেলবে আসানসোলের পাঁচ কন্যা
পশ্চিম বর্ধমান: মনিপুরে অনুষ্ঠেয় মহিলাদের জাতীয় সাব-জুনিয়র ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলা দলে খেলার ডাক পেল আসানসোলের সালানপুর ব্লকের রূপনারায়নপুর এলাকার পাঁচ স্কুল ছাত্রী।সুযোগ পাওয়া রুপালি বাউরি,পূজা মুর্মু,সুপ্রিয়া হাঁসদা,অদ্রিজা সরখেল ও মোনালিসা মারান্ডিরা রয়্যাল বেঙ্গল চ্যালেঞ্জআর বা রূপনারায়ানপুর মানবহাল এমআরবিসি ক্লাবের সদস্য।সালানপুরের বিডিও তপন সরকার বলেন, ‘এটা আমাদের ব্লকের গর্ব।’ছাত্রীরা রাজ্য দলে সুযোগ পাওয়ায় খুব খুশি তাদের কোচ সঞ্জীব বাউড়ি।তিনি বলেন,হিন্দুস্তান ক্যাবলস মাঠে এদের নিয়ে নিয়মিত কোচিং করি।কিন্তু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাঠের ঠিকমতো রক্ষনাবেক্ষন হচ্ছে না।এর আগে আমরা এদের নিয়ে মহকুমা,জেলা পর্যায়ে খেলে জাতীয় চ্যাম্পিয়ান হয়েছি।সুব্রত কাপেও ওরা খেলেছে।তবে এবারের আনন্দটাই আলাদা।বেলঘরিয়া তে টীম নির্বাচন হয়েছে।সেখানেই মেয়েরা ট্রায়াল দিয়েছে।ওরা সুযোগ পাওয়ায় আমি খুব খুশি।বাংলার হয়ে যারা খেলবে তারা পাঁচজনেই রূপনারায়নপুরের।’তবে শুধু অংশ পাওয়ায় নয়,বাংলা দলের অধিনায়কও রূপনারায়নপুরের রুপালি।এছাড়া গোলকিপার অদ্রিজা এখানকারই।ফলে স্বভাবতই আনন্দ আরো বেশি।অনূর্ধ্ব ১৪ মহিলাদের জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় দেশের ১৬ টি রাজ্য অংশ নিচ্ছে।প্রাথমিক পর্যায়ে ৪ টি গ্রুপে দল রাখা হয়েছে।এ গ্রুপে রয়েছে বাংলা দল।২৭ অক্টোবর মিজোরামের সঙ্গে বাংলার প্রথম ম্যাচ।২৯ ও ৩১ তারিক এ বাংলা খেলবে মনিপুর ও পদুচেরির সঙ্গে।নকআউট পর্যায় নিশ্চিত করতে অন্তত দুটো ম্যাচ জিততে হবে বাংলা কে।অদ্রিজার মা সোমা সরখেল বলেন,’আমরা মেয়ে আছড়া হাইস্কুলে পড়ে।ভালো লাগছে এই ভেবে যে গত কয়েক বছরের পরিশ্রমএর ফসল পেল মেয়ে।জাতীয় প্রতিযোগিতায় রাজ্য দলের হয়ে গোলকিপিং করার সুযোগ পেল ও।ওদের সাথে হলদিয়া,বজবজ এর এলাকার মতো অনেকে সুযোগ পেলেও একসঙ্গে পাঁচজন কোথাও সুযোগ পাইনি।আশা করি,ওরা ভালো ফল করবে।’
Source-eisamay
সুষমা স্বরাজের কাছে আবারও উপকৃত হলেন এক দম্পতি জানুন….
ভারতের সরাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশের একটি রাজ্য থেকে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনন চেয়েছে।সুইজারল্যান্ডের লাউসের কাছ থেকে আসা দম্পতি রোববার ফতেহপুর সিক্রিতে যুবকদের একটি দলকে মারধর করে।এই হামলাটি দম্পতির হাত থেকে ছিটকে পড়েছিল। আগ্রার কাছ থেকে দম্পতির পরে চিকিত্সার জন্য দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার একটি গুরুতর বলে,সুষমা স্বরাজ টুইটারে বলেছিলেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে এই দম্পতিকে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পূর্ণ সাহায্য প্রদান করা হবে।কুইন্টিন জেরেমি ক্লারক এবং মারি ড্রেক্সজ নামে পরিচিত এই দম্পতি 30 শে সেপ্টেম্বর ভারতের আসেন এবং শনিবার আগ্রা পৌঁছেছেন।তাজমহল ভ্রমণের পর, তারা রোববার ফতেহপুর সিক্রি পৌঁছেছেন তারা রেল স্টেশনের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।যুবকরাও দম্পতির উপর ক্ষুব্ধ মন্তব্য করে এবং তাদের ফোনের ছবি তুলতে শুরু করে।
4 জন যুবক এক তারপর কুইন্টিন তার মাথায় বেশ কয়েকবার আঘাত। গ্রুপটি মারিয়া আক্রমণ করে, তারপর একটি এলার্ম উত্থাপিত হয় এবং এলাকার মানুষ তাদের সহায়তায় ছুটে আসে, যখন দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় দম্পতি তখন চিকিত্সা জন্য একটি কাছাকাছি হাসপাতালে rushed ছিল। এএনআই আজ দাবি করেছে যে চারটি অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি FIR নিবন্ধিত হয়েছে এবং তাদের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আগ্রা পুলিশ কর্তৃক।
ঐতিহাসিক চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজোর রোড ম্যাপ …
![]() |
চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পূজোর রোড ম্যাপ :
মানকুন্ডু স্টেশনে নেমে স্টেশন রোড ধরে সোজা জ্যোতির মোর পর্যন্ত আসুন, দেখুনঃ- #মানকুন্ডু_স্পোর্টিং_ক্লাব #নতুন_পাড়া #নিওগী_বাগান #বালক_সংঘ #সার্কাস_মাঠ #চারা_বাগান জ্যোতির মোর থেকে ডান দিকে ভদ্রেশ্বরের দিকে জি.টি. রোড ধরে যান, দেখুনঃ- #ছুঁতর_পাড়া #অরবিন্দ_সংঘ #বারাসাত_ব্যানার্জি_পাড়া #বারাসাত_চক্রবর্তী_পাড়া #বারাসাত_গেঁট চন্দননগরের শেষ, আবার জ্যোতির মোরের দিকে ফিরে আসুন, দেখে নিনঃ- #গোপাল_বাগ এইবার জ্যোতি সিনেমা হল থেকে #তেমাথা_শিব_মন্দির দেখে সোজা রাস্তা ধরে গন্দলপাড়া এর দিকে এগিয়ে যান, দেখুনঃ- #অম্বিকা_অ্যাথলেটিক্স #এ_সি_চ্যাটার্জি_লেন #মরান_রোড #মনসাতলা #সাতঘাট #কাছারিঘাট #নতুন_তেলি_ঘাট #চার_মন্দির_তলা #বেশোহাটা এইবার ডানদিকে স্ট্রান্ড রোড দিয়ে সোজা আসুন, দেখুনঃ- #দৈবক_পাড়া #নোনাটোলা #বড়বাজার তারপর রানিঘাট থেকে সোজা উদ্দিবাজার হয়ে লক্ষিগঞ্জ বাজারে চলে আসুন জি.টি. রোডে, দেখুনঃ- #আদি_মা (চাউল পট্টি) #মেজো_মা (কাপড় পট্টি) #সরিষা_পাড়া জি. টি. রোড ধরে সোজা চুঁচুড়ার দিকে এগিয়ে যান, দেখুনঃ- #বোড়ো_সার্বজনীন #বোড়ো_কালিতলা #চাঁপাতলা #বোড়ো_দিঘির_ধার #বোড়ো_তালদাঙ্গা #উত্তরাঞ্চল_চরকতলা #বিবিরহাট #হরিদ্রাদাঙ্গা #সন্তান_সংঘ #হেলাপুকুর #ধারাপাড়া #পালপাড়া বিদ্যালঙ্কার মোরে পৌঁছবেন, তারপর দেখুনঃ- #বিদ্যালঙ্কা #বাগবাজার #তালপুকুর বাগবাজার মোরে এসে বাম দিকে, দেখুনঃ- #বাগবাজার_চৌমাথা #বাগবাজার চন্দননগর স্টেশনের দিকে চলুন, রাস্তায় দেখুনঃ- #মধ্যাঞ্চল #ফটকগোরা #আপনজন #খলিসানি চন্দননগর স্টেশনের ওপারে দেখুনঃ- #কলপুকুর_ধার #শীতলাতলা #বউবাজার #সুভাষ_পল্লী #ব্রাম্ভিন_পাড়া চলে আসুন চন্দননগর স্টেশন… একটি অন্য রুট গাইড – জ্যোতির মোর থেকে বাগবাজারের দিকে যান, দেখুনঃ- #লিচুতলা #কাপালি_পাড়া #সাহেব_বাগান #রথেরসারক #পাদ্রী_পাড়া #কালিতলা #ডুপ্লেক্স_পট্টি #ষষ্টি_তলা #হালদার_পাড়া #লালবাগান_পাদ্রীপাড়া সেখান থেকে বিদ্যালঙ্কাতে আসতে পারেন ও ওপরের বর্ণিত রুটে ঠাকুর দেখতে পারেন। বিঃদ্রঃ মোটামুটি এই রুট অনুসরণ করলেই সব বড় ঠাকুর ও লাইট দেখা হয়ে যাবে। তবে এই রুট একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়, ২-৩ দিন লাগবে
রেলওয়েতে নতুন প্রযুক্তি মোদী সরকারের জানুন…
নয়াদিল্লি: সুপ্রভাত যাত্রী সেবা নিশ্চিত করার জন্য ভারতীয় রেলওয়ে তার বর্তমান ওয়েবসাইটটি পুনর্বিন্যস্ত করতে নতুন অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ভারতীয় রেল কেটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি) মোবাইল অ্যাপ আনতে যাচ্ছে।
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত এবং সহজ টিকিট বুকিং নিশ্চিত করা হবে, রিপোর্টে বলেন। নতুন রেল ওয়েবসাইট সহজে লগ ইন এবং নেভিগেশনের মাধ্যমে ক্লাস্টার-ফ্রী হবে, টিকিট বিক্রির সময় গ্রাহকদের সময়সীমার বাইরে যাওয়ার সমস্যা দেখা হবে না। এখানে এমন কয়েকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা রেলওয়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে আনতে হবে – নিশ্চিত টিকিট প্রদর্শন। – যাত্রীদের জন্য যাত্রা আরও ভাল করার জন্য তারিখগুলি প্রদর্শন করা। – তথ্য বিশ্লেষণের উপর নির্ভর করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন যাতে তত্কালের অপব্যবহারের সুবিধাগুলি পরীক্ষা করা যায়। – আসল সময় ভিত্তিতে ট্রেনের আগমন এবং প্রস্থান সংক্রান্ত বার্তাগুলি পাবেন। – যাত্রার বিলম্বের ক্ষেত্রেও সতর্কতা পাওয়া যাবে। – উপগ্রহের সাহায্যে সত্যিকারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ইসরো থেকে সাহায্য গ্রহণের জন্য অ্যাপ্লিকেশন।
রুদ্ধ গাড়ুইকে গতি দিতে চাই আসানসোল পৌরনিগম
আসানসোল: বৃষ্টি হলেই বন্যার ভ্রূকুটি গাড়ুই নদীতে।বর্ষা বা ভারী বৃষ্টি হলেই জবরদখল গাড়ুই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।নদীর দুই পাড় এ নির্মাণের সঙ্গে শহরের আবর্জনা ফেলার জায়গায়ও হয়েউঠেছে গাড়ুই।দীর্ঘদিনের রুদ্ধ গতির গাড়ুই কে এবার মুক্তি দিতে চাই আসানসোল পুর-প্রশাসন।গাড়ুই সংস্কারে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকার পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট রিপোর্ট(ডিপিআর) রাজ্য সেচদপ্তর কে পাঠালো আসানসোল পুরসভা।মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি জানান,গাড়ুইএর সৌন্দর্যকরণ, জঞ্জাল সাফাইয়ের মতো বিষয় ডিপিআর এ রাখা হয়েছে।সেচ দপ্তর সবুজ সংকেত দিলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে পুরসভা এর নিজস্ব কর্মী দিয়ে জঞ্জাল সাফ করার কাজ শুরু হয়েছে।
আসানসোল শহরের ৩৪ কিমি দূরত্ব জুড়ে রয়েছে গাড়ুই ও নুনিয়া নদী।নিয়ামতপুরে জাতীয় সড়ক পেরিয়ে পুরএলাকায় ঢুকেছে গাড়ুই।এরপর কাল্লার কাছে নুনিয়া নদীর সাথে মিশে রাণীগঞ্জ এর জামানিয়া হয়ে দামোদরে মিশেছে।নদীর দুই পাড়ে গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য বাড়ি।মানুষের ব্যবহার করা যাবতীয় আবর্জনা নদীতে ফেলা হচ্ছে।ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নদীর জল উপচে শহরে ঢুকছে।জানা গেছে প্রথম পর্যায়ে কল্যাণপুর থেকে দমহানী পর্যন্ত ৪ কিমি এলাকা দ্রুত কাজ করার কথা ভাবছে পুরসভা।পুরসভার এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন,’নদীর পাড় উঁচু করে বোল্ডার ও ফেন্সিং করে দেওয়া হবে।ফলে ভূমিক্ষয় হবে না।’















