ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ একের পর এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন করে চলেছেন।বর্তমানে তিনি আরেক যুগান্তিকারী পরিবর্তন আনতে চলেছেন।মাদ্রসা গুলিতে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও গণিত বই পড়া বাধ্যতামূলক করতে চলেছেন।অনেকের মতে আজ পর্যন্ত কেউ উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে এরম পরিবর্তন করতে সাহস করেনি কারণ ভোটব্যাংক ছিল তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রথমে সব মাদ্রাসাকে অনলাইন রেজিস্ট্রি করতে বলেন এবং বলা হয় যারা এই নির্দেশ মানবে না তাদের বাতিল করা হবে।উত্তরপ্রদেশের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী লক্ষী নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশ বোর্ড প্রস্তাব অনুযায়ী কাজ করছে,কাজ প্রাথমিক ভাবে শুরু হয়েছে।আমরা ধার্মিক পাঠ্যক্রমকে স্পর্শ করছি না,বরং মাদ্রসার শিক্ষাকে আরো উন্নত ও চাকরিভিত্তিক করার জন্য অতিরিক্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’তিনি আরো বলেন যে,’ব্যাপারটা মাদ্রাসা তে গণিত বা বিজ্ঞান বাধ্যতামূলক করা নিয়ে নয়।শিক্ষার এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে যাতে মাদ্রসা গুলি অন্যান্য স্কুলগুলির সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও মেডিকেল ,ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতো পেশার সাথে যুক্ত হতে পারে।’সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় এর মতে এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ মাদ্রসার শিক্ষার্থীদের অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করানো এবং তাদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কিন্তু বিরোধী দল এই বিষয়টা নিয়ে সংখ্যালঘুদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করবে।কিন্তু যোগী সরকারের পূর্ণবিশ্বাস মাদ্রাসাতে গণিত ও বিজ্ঞান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত সফল হবে কারণ ইতিমধ্যে ১৬,৫০০ মাদ্রসা অনলাইনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনএ নিবন্ধিত হয়েছে।এটাই ইঙ্গিত দেয় যে সংখ্যালঘুরা যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত।আপনাদের জানিয়ে রাখি প্রায় প্রতিটি সম্প্রদায় যোগী সরকারের সমর্থন করেছেন।মে মাসে যোগী বলেন, অনেক মুসলিম সংগঠন রাম মন্দির তৈরির জন্য ভুমিদানে প্রস্তুত।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী যখন দিল্লির সিংহাসনে বসেন তখন বিরোধী দল রটিয়েছিল ,সংখ্যালঘুরা বিশেষত মুসলিমরা তাঁর অধীন নিরাপদ নয়,কিন্তু তার কয়েক মাসে শাসনের মধ্যেই রটানো আখ্যা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।এই একই ধরণের অপ্রচার রটানো হয় যখন যোগিজি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন।
ভারতের সাথে সাথে আমারিকারও একমত দেখুন…
![]() |
| photo by google.com |
ভারতকে পরাস্ত করার জন্য চীনের কয়েকটি ভয়ানক পরিকল্পনা , জানলে রেগে লাল...
আন্তর্জাতিক মহলে চিনকে কূটনৈতিকভাবে ঘিরে ফেলবে ভারত ও আমেরিকা !কিভাবে জানলে অবাক হবেন…
ডেস্কঃসন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা ও ভারতের আধিকারিকরা।সূত্রের খবর আগামী ডিসেম্বর মাসে জঙ্গিদের তালিকা নিয়ে আলোচনা করবে দিল্লি-ওয়াশিংটন।তারপরেই সন্ত্রাসবাদীদের ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দেওয়ার জন্য একসঙ্গে আবেদন করবে ভারত-আমেরিকা।আল কায়দা,লস্কর,আইএস গোষ্ঠীগুলির উপর চাপ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।বেজিংয়ের দয়ায় আপাতত স্বস্তি মিললেও এবার চাপ বাড়বে জঙ্গি মাসুদের উপর।আব্দুল রাউফ আসগর ও ইব্রাহিম আঠার এই দুই ভাইয়ের নামও উঠে আসতে পারে রাষ্ট্রসংঘের আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমাই।বিমান অপহরণ মামলার মাথা আলভি সহ একাধিক পাক মদতপুষ্ট জঙ্গির নাম তুলবে আমেরিকা ও ভারত।এই পরিকল্পনার ফলে সমস্যায় পড়বে চিন, কারণ জঙ্গিদের হয়ে দাঁড়ালে নষ্ট হবে চিনের ভাবমূর্তি।মনে করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে চিনকে এইভাবে একঘরে করে দেবে আমেরিকা ও ভারত।চিনের নিরাপত্তা পরিষদে পার পেয়েছিল পাঠানকোট হামলার মাথা মাসুদ আজহার তাই এবার নয়া পন্থা নিয়েছে ভারত ও আমেরিকা।
হিন্দুস্থানেই ‘সংখ্যালঘু’ হিন্দুরা,বঞ্চিত অধিকার থেকে:দ্বারস্থ সুপ্রিম কোর্টের
ডেস্ক: হিন্দুরা হয়ে পড়ছে সংখ্যালঘু ।এক আধটা রাজ্যে নয়,দেশের ৮ টি রাজ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুরা তাই হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হোক বলে দাবি বিজেপি নেতার।হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিজেপি নেতা ও আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন।ওনার দাবি অনুযায়ী ২০১১ সালের জনগননার সংখ্যা তুলে ধরেন।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ,লাক্ষাদ্বীপ(২.৫),মিজোরাম(২.৭৫),নাগাল্যান্ড(৪.৭৫),মেঘালয়(১১.৫৩),পাঞ্জাব(৩৮.৪০) এবং জম্মু-কাশ্মীর(২৮.৪৪) হিন্দুরা সংখ্যালঘু। শুধু হিন্দুদের পক্ষে প্রশ্ন করেই থেমে থাকেননি তিনি।পশ্চিমবঙ্গ, বিহার,উত্তরপ্রদেশ,অসম এই রাজ্য গুলিতে প্রচুর পরিমানে মুসলিম থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে এই নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি ।উপাধ্যায় এর অভিযোগ হিন্দুদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম এর মতো রাজ্য গুলিতে।ফলে অবমাননা করা হচ্ছে সংবিধানের।
ভারতকে পরাস্ত করার জন্য চীনের কয়েকটি ভয়ানক পরিকল্পনা , জানলে রেগে লাল…
ডেস্ক: ভারত ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে বহু বছর ধরে।একদিকে ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে শান্তি চায় অন্য দিকে চীন ভারত কে দুর্বল করতে চায়।চীন ভারতকে চাপে ফেলার জন্য একসঙ্গে অনেকগুলো পরিকল্পনা উপর কাজ করছে বলে জানা গিয়েছেন।চীনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে জিনপিং বলেন সেনাবাহিনীকে যুদ্ধ জয়লাভের দিকে নজর দিতে হবে।ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে তিব্বতের বাসিন্দাদের তিনি বলেন তাঁরা যেন চীনের ভূখণ্ড রক্ষা করার জন্য তৈরী থাকেন।শোনাযাচ্ছে যে চীন ভারতকে চাপে ফেলতে ব্রহ্মপুত্র নদ এর উপর একটা ভয়ানক পরিকল্পনার ছক কষছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী চিন ১০০০ কিমি এর একটা টানেল তৈরী করতে চলেছে যার মাধ্যমে তিব্বত থেকে আসা ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে ফেলার চিন্তাভাবনা করছে চীন।ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে এসে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।চিন সুড়ঙ্গ তৈরির মাধ্যমে ওই নদকে জিনজিয়াং প্রদেশের দিকে চালনা করবে বলে জানাগিয়েছে।এর প্রভাব ভারত বাংলাদেশ দুটি দেশেই পড়বে।কিন্তু বর্তমানে এই পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।অন্যদিকে চিন ভারতের এলাকা দখল করার জন্য চীনের মেষপালকের অরুণাচল প্রদেশে পাঠিয়ে সেটা নিজেদের জায়গা বলে দাবি জানাচ্ছে।তবে ভারতীয় সেনা ও রাজনৈতিক মহল চীনের এইসব কূটনৈতিক চালের মোকাবিলা করতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যোগীর প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক , কিভাবে জানলে চমকে যাবেন…
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ 7 মাস আগে যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি দুর্নীতির জন্য শূন্য সহনশীলতার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর যোগী খারেও এই বিষয়ে অবতরণ করেছেন। দুর্নীতির উপর তার সর্বশেষ পদক্ষেপ নিন। সংবাদ যোগী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, দুর্নীতি ও রাষ্ট্র অনিয়মের কারণ বেশি 550 কর্মকর্তা কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে 250-260 কর্মকর্তা ও কর্মচারী আজ কর্ম বিভাগের চেয়ে বড় অর্ডার। তাদের ভিআরএস দেওয়া হচ্ছে
কর্মসংস্থানের অভাব এবং অভাবের কারণে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির কারণে 550 জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যোগসাজি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যোগ দেয়।উপ-মন্ত্রী কেওশভ প্রসাদ মৌর্য একটি পাবলিক কর্মবিভাগ বিভাগ (পিডব্লুডি) বিভাগ আছে। এই প্রক্রিয়ায় নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, নিকৃষ্ট প্রকৌশলী রয়েছে। এছাড়াও তিনি বিভাগ থেকে বেরিয়ে আসছেন। একই সময়ে, প্রায় 260-270 কর্মকর্তা জোরপূর্বক অবসর (ভিআরএস) এর অধীন হবে।
এই বিষয়ে পি.এড.ডব্লিউডি ইউপি প্রধান সচিব রাজিব কুমার এবং সিএম যোগি আদিত্যনাথের কর্মকাণ্ডের তথ্য পাঠিয়েছে। 392 টি পিডব্লিউডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীকে স্ক্রিনড করা হয়েছে। যার মধ্যে চার্জ প্রমাণিত হয়েছে।অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সাথে সাথে, তিনজন কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক অবসর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া 351 জন সহকারী প্রকৌশলীকেও স্ক্রিনিং করা হয়, যার মধ্যে 78 টি অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়। এরপর 78 জন অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত। বেসামরিক নাগরিকদের স্ক্রীনিংয়ের 151 নিকৃষ্ট প্রকৌশলীরা হল 116 এখান থেকে 116 জন সিনিয়র প্রকৌশলী অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন। 89 অধীন স্নাতক প্রকৌশলী মেকানিক্সের স্ক্রীনিংয়ে 71 টি প্রক্রিয়া করা হয়েছে।
যার মধ্যে 55 টি সার্ভিস বাতিল করা হয় এবং 16 টি পরিষেবা থেকে বরখাস্ত করা হয়।এটি রাষ্ট্রের দুর্নীতির রাজ্যে যে কোনও সরকারের সবচেয়ে বড় কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যোগী সরকার পরাস্ত উপস্থিত ভুলত্রুটি বসতে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা বললাম।
#৭০ বছরে এই প্রথম সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলকে তার ন্যায্য সন্মান দিলো কেন্দ্র সরকার।
# হিন্দুস্থানেই ‘সংখ্যালঘু’ হিন্দুরা,বঞ্চিত অধিকার থেকে:দ্বারস্থ সুপ্রিম কোর্টের
ডেস্ক: হিন্দুরা হয়ে পড়ছে সংখ্যালঘু ।এক আধটা রাজ্যে নয়,দেশের ৮ টি রাজ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুরা তাই হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হোক বলে দাবি বিজেপি নেতার।হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিজেপি নেতা ও আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন।ওনার দাবি অনুযায়ী ২০১১ সালের জনগননার সংখ্যা তুলে ধরেন।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ,লাক্ষাদ্বীপ(২.৫),মিজোরাম(২.৭৫),নাগাল্যান্ড(৪.৭৫),মেঘালয়(১১.৫৩),পাঞ্জাব(৩৮.৪০) এবং জম্মু-কাশ্মীর(২৮.৪৪) হিন্দুরা সংখ্যালঘু। শুধু হিন্দুদের পক্ষে প্রশ্ন করেই থেমে থাকেননি তিনি।পশ্চিমবঙ্গ, বিহার,উত্তরপ্রদেশ,অসম এই রাজ্য গুলিতে প্রচুর পরিমানে মুসলিম থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে এই নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি ।উপাধ্যায় এর অভিযোগ হিন্দুদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম এর মতো রাজ্য গুলিতে।ফলে অবমাননা করা হচ্ছে সংবিধানের।

৭০ বছরে এই প্রথম সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলকে তার ন্যায্য সন্মান দিলো কেন্দ্র সরকার।
হিন্দুস্থানেই ‘সংখ্যালঘু’ হিন্দুরা,বঞ্চিত অধিকার থেকে:দ্বারস্থ সুপ্রিম কোর্টের
ডেস্ক: হিন্দুরা হয়ে পড়ছে সংখ্যালঘু ।এক আধটা রাজ্যে নয়,দেশের ৮ টি রাজ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুরা তাই হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হোক বলে দাবি বিজেপি নেতার।হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিজেপি নেতা ও আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন।ওনার দাবি অনুযায়ী ২০১১ সালের জনগননার সংখ্যা তুলে ধরেন।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ,লাক্ষাদ্বীপ(২.৫),মিজোরাম(২.৭৫),নাগাল্যান্ড(৪.৭৫),মেঘালয়(১১.৫৩),পাঞ্জাব(৩৮.৪০) এবং জম্মু-কাশ্মীর(২৮.৪৪) হিন্দুরা সংখ্যালঘু। শুধু হিন্দুদের পক্ষে প্রশ্ন করেই থেমে থাকেননি তিনি।পশ্চিমবঙ্গ, বিহার,উত্তরপ্রদেশ,অসম এই রাজ্য গুলিতে প্রচুর পরিমানে মুসলিম থাকা সত্ত্বেও কেন তাদের সংখ্যালঘু মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে এই নিয়েও প্রশ্ন করেন তিনি ।উপাধ্যায় এর অভিযোগ হিন্দুদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম এর মতো রাজ্য গুলিতে।ফলে অবমাননা করা হচ্ছে সংবিধানের।
মোদীযুগে ভারতের অর্থনীতিতে বিশ্বের দরবারে নতুন চমক দেখুন।
অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি মঙ্গলবার বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্টের প্রশংসা করেন, যার ফলে ভারতীয়দের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাচ্ছন্দে ভারত এখুন 100 নম্বর দেশ,মোদী সরকার আসার আগে 2014 সালে ভারত ছিল 130 নম্বর দেশ। তিনি বলেন, এটি কার্যকর কয়েকটি নীতির ফলস্বরূপ, জেটলি আরও বলেছে যে কর্মক্ষেত্রের অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভারতকে এক শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ তৈরী করেছেন,শীর্ষ 50 টি আসরের স্বপ্ন বাস্তব সত্য করলেন।
ভারত 190 টি দেশের মধ্যে সব থেকে কম সময় 30 টি দেশকে পিচুনে ফেলে এখুন 100 নম্বর স্থানে, যা বিশ্বব্যাংক এর দ্বারা পরিচালিত হয়। পরবর্তী লক্ষ্য “আমরা 142 সালে 2014 সালে এবং 2013 সালের শেষের দিকে ব্যবসার তালিকাটি সহজ করে দিয়েছিলাম। এই বছর, আমরা একটি 30 পয়েন্ট লাফ নিয়েছি। তিনি বলেন, ভারতের ব্যবসায়ীরা স্বল্পতা জিএসটি বাস্তবায়নের ব্যাপারে একমত নন, যা আগামী বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
আমি বিশ্বাস করি যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের মতই প্রথম 50 দেশ এর মধ্যে ভারতকে স্থান নিতে হবে এবং এটি খুব তারাতারি হতে চলেছে। “এই দেখে ভারতকে ব্যবসা করার 10 টি উন্নত স্থানগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই তালিকার অন্য 9 টি দেশের (বিশেষ করে ক্রম) ব্রুনাই, জেরুসালেম, থাইল্যান্ড, মালাউই, থাইল্যান্ড, কসোভো, জাম্বিয়া, জিবুতি এবং এল সালভাদর।এই বছর কোনও দেশের জন্য ভারত এর র্যাঙ্কিং লাফ সর্বোচ্চ ছিল এবং ‘শীর্ষ রিফর্মার হিসাবে বৈশিষ্ট্য BRIC জাতি মধ্যে একমাত্র দেশ ছিল।
ধর্মীয় লাউড স্পিকারে যোগীর মন্তব্য
উত্তর প্রদেশের যোগী অদিত্যনাথ সরকার ধর্মীয় স্থানগুলিতে লাউডস স্পিকারের ব্যবহারে কঠোর আইন চালু হতে পারে।এই সম্পর্কে রাজ্য সরকার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনৌ বেঞ্চের এর সামনে এই বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে।
আগে হাইকোর্টের লখনৌ বেঞ্চের সামনে ধর্মীয় স্থানগুলোতে লাউডস স্পিকারের বন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে।
হাইকোর্ট আগে শুনানির সময় আদালতের মাধ্যমে রাজ্য সরকার এই প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছে।এর পরে আজ হজযাত্রী শুনানির সময় রাজ্য সরকারের কাছে আদালতের আইন সম্পর্কে তথ্য জানানো হয়েছে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির 13 নভেম্বর আগেকার গায়ক সোনু নিগম কর্পোরেশনে লাউডস স্পিকার সম্পর্কে বিতর্কে দাঁড়িয়েছিল তিনি একটি টুইট এ বলেছিলেন, ‘ঈশ্বর সব এর ভালো করুন। আমি মুজাহিদ নই, আবারও আমাকে আজান এর শব্দ থেকে রবিবার উঠতে হয়।ভারতবর্ষে ‘জবরদস্তির ধার্মিকতা’ কখন শেষ হবে?
অযোধ্যা বিবাদ: রামমন্দির বিতর্কে নতুন জল্পনা।অবশ্যই জানতে পড়ুন…
ডেস্ক: ইউপি শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান ওয়াসিম রিজভী মঙ্গলবারে শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের সাথে দেখা করেন।ওইদিন রিজভী বলেন অযোধ্যা বিবাদ খুব শীঘ্রই সমাধান হবে।রামের নামে কোনো বিবাদ হওয়া উচিত নয়।শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে এই বিবাদ মিটানোর কথা বলেছিলেন।রিজভী বলেন পুরো দেশ শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের সন্মান করেন এবং আমি আশা করছি এই বিবাদ মিটে যাবে।তিনি বলেন যে এই বিবাদ এর সমাধান আলোচনা শুধু মাত্র সেই সমস্ত লোকের মধ্যে হওয়া উচিত যারা এটার সমাধান চায় ।রিজভী এটাও বলেন যে আমরা ওই সব মৌলবীদের কথা মানিনা যারা এই বিবাদ বাড়াচ্ছে।তাদের জন্য আইন আছে।এর আগে ২৪ এ অক্টোবর, আধ্যাত্বিক গুরু রামমন্দির বিবাদ কে নিয়ে বলেন যে এখন সময় পরিবর্তন হয়েছে ও মানুষ শান্তি চায়।তিন সংবাদসংস্থা এএনআই এর সাথে কথোপকথনে জানান যে এখন সময় বদলে গেছে।এখন একটা মঞ্চের প্রয়োজন যেখানে উভয় সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজেদের কথা রাখতে পারে।।তিনি আরো বলেন যে ২০০৩-২০০৪ সালে এর প্রচেষ্টা করা হয়েছিল,কিন্ত বর্তমান পরিস্থিতি আরো ইতিবাচক হবে।আমি আমার ক্ষমতা অনুযায়ী চেষ্টা করবো যার মধ্যে কোনো রাজনীতি থাকবে না।বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটির সদস্য হাজি মেহবুব বলেছেন আমরাও রামমন্দিরের সমাধান নিয়ে কথা বলতে রাজি।
ভারতকে পরাস্ত করার জন্য চীনের কয়েকটি ভয়ানক পরিকল্পনা , জানলে রেগে লাল…
ডেস্ক: ভারত ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে বহু বছর ধরে।একদিকে ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে শান্তি চায় অন্য দিকে চীন ভারত কে দুর্বল করতে চায়।চীন ভারতকে চাপে ফেলার জন্য একসঙ্গে অনেকগুলো পরিকল্পনা উপর কাজ করছে বলে জানা গিয়েছেন।চীনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করে জিনপিং বলেন সেনাবাহিনীকে যুদ্ধ জয়লাভের দিকে নজর দিতে হবে।ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে তিব্বতের বাসিন্দাদের তিনি বলেন তাঁরা যেন চীনের ভূখণ্ড রক্ষা করার জন্য তৈরী থাকেন।শোনাযাচ্ছে যে চীন ভারতকে চাপে ফেলতে ব্রহ্মপুত্র নদ এর উপর একটা ভয়ানক পরিকল্পনার ছক কষছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী চিন ১০০০ কিমি এর একটা টানেল তৈরী করতে চলেছে যার মাধ্যমে তিব্বত থেকে আসা ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে ফেলার চিন্তাভাবনা করছে চীন।ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে এসে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।চিন সুড়ঙ্গ তৈরির মাধ্যমে ওই নদকে জিনজিয়াং প্রদেশের দিকে চালনা করবে বলে জানাগিয়েছে।এর প্রভাব ভারত বাংলাদেশ দুটি দেশেই পড়বে।কিন্তু বর্তমানে এই পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।অন্যদিকে চিন ভারতের এলাকা দখল করার জন্য চীনের মেষপালকের অরুণাচল প্রদেশে পাঠিয়ে সেটা নিজেদের জায়গা বলে দাবি জানাচ্ছে।তবে ভারতীয় সেনা ও রাজনৈতিক মহল চীনের এইসব কূটনৈতিক চালের মোকাবিলা করতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।









