বিজয় বর্গী আজকের সভায় মমতা ও তার ভাইপোর ওপর মারলো বড়সড় তোপ !! দেখুন ভিডিও

বিজয় বর্গী আজকের সভায় মমতা ও তার ভাইপোর ওপর মারলো বড়সড় তোপ !!

 দেখুন ভিডিও

breaking news – জনগণের স্বার্থে মোদী সরকার  জিএসটিতে করতে চলেছে এর যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখুন।


জনগণের স্বার্থে মোদি সরকার জিএসটিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে চলেছে , শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জিএসটি স্থগিত করার সম্ভাবনা রয়েছে,একটি অফিসিয়াল মতে, মাত্র 62 শতাংশই জিএসটি স্ল্যাবের মধ্যে হতে পারে এই পরিবর্তটি।
সরকার 165 টি আইটেম নিয়ে আসতে পারে নতুন রেট, যার মধ্যে 28 শতাংশ জিএসটি, 18 শতাংশ জিএসটি বিভাগে থাকবে, এর মধ্যে আইটেম গুলি বেশিরভাগই ভ্যাকুম ক্লীনার্স, ডিজিটাল ক্যামেরা, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, শেভিং ক্রিম, পেইন্টস এবং বার্নিশ, সিগার, প্যান স্পাইস, চকলেট ইত্যাদির, এর মধ্যে ইলেকট্রনিক আইটেম রয়েছে। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জনগণের জন্য এগুলি কমাতে পারে কেন্দ্র সরকার
জিএসপি হার পরিবর্তনের পর, কিছু রাজ্য দাবি করে যে সাধারণ পণ্যগুলির জিএসটি হার কম হওয়া দরকার সেই নিয়েও আলোচনাহবে এই বৈঠকে, এই বিবেচনায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার, এই রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী, 18 শতাংশ এবং 12 শতাংশ জিএসটি আপনি বিভাগ আইটেম পরিবর্তন করতে পারেন। মঙ্গলবার এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বৈঠকে বলেন, আমরা জিএসটি হার 28 শতাংশ থেকে 100 টির বেশি আইটেম সরিয়ে দিয়েছি এবং 12 শতাংশের মধ্যে 18 শতাংশ বা 18 শতাংশেরও বেশি সামগ্রী তুলেছি। বিরোধী দলগুলি জিএসএসের হারে সরকারকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করছে কিন্তু সরকার এই নিয়ে বলেন জনগণ আমাদের সাথে আছে আরতার জন্যই এত বড় কদম নিতে চলেছে মোদী সরকার, জিএসটি হলো সরকারি স্বার্থে তৈরী করা কিন্তু এই সময়ে জনসাধারণের ভালোর জন্য জিএসটিতে বড় পরিবর্তন করতে পারে

পাকিস্তানি হিন্দু মহিলা গুজরাটে বিজেপি কে জেতানোর জন্য নিতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা! কিন্তু কেন ,জানলে চমকে যাবেন ..

ডিম্পল বিরান্দানী ১৯৯০ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে পাকিস্তান থেকে ভারতের গুজরাটে চলে আসে।এরপর সে বছরের পর বছর ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে।কিন্তু নরেন্দ্রমোদী সরকার আসার আগে পর্যন্ত কোনো লাভ হয়নি উনার।নরেন্দ্র মোদী সরকার আসার পর ডিম্পল বিরান্দানী যার বয়স এখন ৪১ বছর ,এখন ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছেন।তিনি স্পষ্টই জানিয়েছেন কংগ্রেসের  আমলে প্রতিবেশী দেশ থেকে চলে আসা হিন্দুদের কোনো গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস সরকার।ডিম্পল বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ডিম্পল বলেন,২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার এক সংশোধনী তৈরী করেন যার ফলে প্রতিবেশী দেশর সংখ্যা লঘু হিন্দুরা যারা ভারতে চলে আসে তাদের অনেক সাহায্য হয়েছে।যেখানে কংগ্রেস আমলে দীর্ঘমেয়াদি আবেদন করার পরও কিছু ফল হয়নি।

এক ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এখন ডিম্পল পাকিস্তান ,বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের জন্য একটি হেলপিং সেন্টার খুলেছেন।যেখানে থেকে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য তাদের সাহায্য করা হয়।সে আরো বলেছেন,’যে কিভাবে মোদী সরকার অন্য দেশ থেকে আগত হিন্দুদের জন্য স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করেছেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলাস্তরে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যও ব্যবস্থা করেছে।’এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘আমেদাবাদে প্রায় ১০,০০০ পাকিস্তানি হিন্দু রয়েছে যারা বিজেপি আমলে নিজেদের নিরাপদ মনে করেন।অধিকাংশ পরিবার বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার গুলি পাকিস্তানে তাদের ছেলে মেয়েকে নিয়ে নিজেদের নিরাপদ মনে করেন না।তাই তারা ভারতে পালিয়ে এসেছেন।মোদী সরকার তাদের অব্যশই তাদের সাহায্য করবে।’

breaking news – জনগণের স্বার্থে মোদী সরকার  জিএসটিতে করতে চলেছে এর যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখুন।


জনগণের স্বার্থে মোদি সরকার জিএসটিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে চলেছে , শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জিএসটি স্থগিত করার সম্ভাবনা রয়েছে,একটি অফিসিয়াল মতে, মাত্র 62 শতাংশই জিএসটি স্ল্যাবের মধ্যে হতে পারে এই পরিবর্তটি।
সরকার 165 টি আইটেম নিয়ে আসতে পারে নতুন রেট, যার মধ্যে 28 শতাংশ জিএসটি, 18 শতাংশ জিএসটি বিভাগে থাকবে, এর মধ্যে আইটেম গুলি বেশিরভাগই ভ্যাকুম ক্লীনার্স, ডিজিটাল ক্যামেরা, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, শেভিং ক্রিম, পেইন্টস এবং বার্নিশ, সিগার, প্যান স্পাইস, চকলেট ইত্যাদির, এর মধ্যে ইলেকট্রনিক আইটেম রয়েছে। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জনগণের জন্য এগুলি কমাতে পারে কেন্দ্র সরকার
জিএসপি হার পরিবর্তনের পর, কিছু রাজ্য দাবি করে যে সাধারণ পণ্যগুলির জিএসটি হার কম হওয়া দরকার সেই নিয়েও আলোচনাহবে এই বৈঠকে, এই বিবেচনায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার, এই রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী, 18 শতাংশ এবং 12 শতাংশ জিএসটি আপনি বিভাগ আইটেম পরিবর্তন করতে পারেন। মঙ্গলবার এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বৈঠকে বলেন, আমরা জিএসটি হার 28 শতাংশ থেকে 100 টির বেশি আইটেম সরিয়ে দিয়েছি এবং 12 শতাংশের মধ্যে 18 শতাংশ বা 18 শতাংশেরও বেশি সামগ্রী তুলেছি। বিরোধী দলগুলি জিএসএসের হারে সরকারকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করছে কিন্তু সরকার এই নিয়ে বলেন জনগণ আমাদের সাথে আছে আরতার জন্যই এত বড় কদম নিতে চলেছে মোদী সরকার, জিএসটি হলো সরকারি স্বার্থে তৈরী করা কিন্তু এই সময়ে জনসাধারণের ভালোর জন্য জিএসটিতে বড় পরিবর্তন করতে পারে

breaking news – জনগণের স্বার্থে মোদী সরকার জিএসটিতে করতে চলেছে এর যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখুন।


জনগণের স্বার্থে মোদি সরকার জিএসটিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে চলেছে , শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জিএসটি স্থগিত করার সম্ভাবনা রয়েছে,একটি অফিসিয়াল মতে, মাত্র 62 শতাংশই জিএসটি স্ল্যাবের মধ্যে হতে পারে এই পরিবর্তটি।
সরকার 165 টি আইটেম নিয়ে আসতে পারে নতুন রেট, যার মধ্যে 28 শতাংশ জিএসটি, 18 শতাংশ জিএসটি বিভাগে থাকবে, এর মধ্যে আইটেম গুলি বেশিরভাগই ভ্যাকুম ক্লীনার্স, ডিজিটাল ক্যামেরা, রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, শেভিং ক্রিম, পেইন্টস এবং বার্নিশ, সিগার, প্যান স্পাইস, চকলেট ইত্যাদির, এর মধ্যে ইলেকট্রনিক আইটেম রয়েছে। জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে জনগণের জন্য এগুলি কমাতে পারে কেন্দ্র সরকার
জিএসপি হার পরিবর্তনের পর, কিছু রাজ্য দাবি করে যে সাধারণ পণ্যগুলির জিএসটি হার কম হওয়া দরকার সেই নিয়েও আলোচনাহবে এই বৈঠকে, এই বিবেচনায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার, এই রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী, 18 শতাংশ এবং 12 শতাংশ জিএসটি আপনি বিভাগ আইটেম পরিবর্তন করতে পারেন। মঙ্গলবার এক বৈঠকে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বৈঠকে বলেন, আমরা জিএসটি হার 28 শতাংশ থেকে 100 টির বেশি আইটেম সরিয়ে দিয়েছি এবং 12 শতাংশের মধ্যে 18 শতাংশ বা 18 শতাংশেরও বেশি সামগ্রী তুলেছি। বিরোধী দলগুলি জিএসএসের হারে সরকারকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করছে কিন্তু সরকার এই নিয়ে বলেন জনগণ আমাদের সাথে আছে আরতার জন্যই এত বড় কদম নিতে চলেছে মোদী সরকার, জিএসটি হলো সরকারি স্বার্থে তৈরী করা কিন্তু এই সময়ে জনসাধারণের ভালোর জন্য জিএসটিতে বড় পরিবর্তন করতে পারে

জাকির নায়েককে নিয়ে উঠে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।এবার কি তাহলে গ্রেপ্তার হবে জাকির নায়েক?

ডেস্কঃ ভারতে ইসলাম ধর্মের প্রচারক জাকির নায়েককে নিশ্চয় ভুলে যাননি।জাকির নায়েক যিনি ইসলাম প্রচারের নামে মানুষের মধ্যে হিংসা ছড়াতেন, এবং অন্য ধর্মের বিরোধিতা করতেন।  তিনি এখন ভারত থেকে পলাতক এবং তার বক্তৃতাও এখন শোনা যাচ্ছে না।এক সূত্রের খবর অনুযায়ী তিনি এখন মালেশিয়ায় লুকিয়ে আছেন।সম্প্রতি মালেশিয়া সরকার বলেছে যদি ভারত থেকে প্রত্যর্পণের আবেদন আসে তাহলে জাকির নায়েককে তারা ভারতের হাতে হস্তান্তরিত করবে।এর জন্য ভারতের  আবেদন অবশ্যই প্রয়োজন।মালেশিয়া সরকার এটা মেনে নিয়েছে যে জাকির নায়েক ভারত থেকে পালিয়ে এসে বর্তমানে মালেশিয়াতে লুকিয়ে আছে।সম্প্রতি জাকির নায়েককে এক মালয়েশিয়ার এক মসজিদএ দেখতে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বলেন যদি ভারত জাকির নায়েককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন পত্র দেয়,তাহলেই আইনের সহায়তায় জাকির নায়েককে ভারতের হাতের তুলে দেবে নাহলে নয়।জাকির নায়েকের মালেশিয়ায় নাগরিকত্ব থাকায় সেখানে সে নিশ্চিন্তে ঘুরছে কিন্তু তার নাগরিকত্ব আপাতত কেড়ে নেওয়া হবে না কারণ মালেশিয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো কেস নেই।তবে চিন্তার কারণ নেই কারণ ভারতের বিদেশ মন্ত্রকলয়ের প্রবক্তা রবিশ কুমার বলেন যে ভারত জাকির নায়েককে ভারতে আনার জন্য দরকারি সমস্ত রকমের আবেদন পত্র তৈরী করছে এবং খুব তাড়াতাড়ি জাকির নায়েক ভারতে এনে গ্রেপ্তার করা হবে।

যোগীজি হিন্দুদের জন্য নিলেন এক বড় সিদ্ধান্ত, গড়লেন এক দারুন ইতিহাস | কিভাবে জানলে গর্বিত হবেন ..

ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তার রাজ্যে এমন এমন কাজ করেছেন যা আখিলেশের আমলে কল্পনা পর্যন্ত করা যেত না।যেখানে আখিলেশের আমলে পুলিশরা আতংকবাদের ধারেকাছে যেত না সেখানে যোগী আমলে আতঙ্কবাদদের এনকাউন্টার করা হচ্ছে।অন্যদের আমলে যেখানে খোলাখুলি অযোধ্যায় হিন্দুভক্তদের উপর গুলি চালানো হতো সেখানে যোগী যুগে মুথুরার,বৃন্দাবনের সাথে সাথে রাধার জন্মস্থানকে তীর্থস্থান বলে ঘোষণা করে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আপনাদের জানিয়ে রাখি এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে কোনো ধার্মিকস্থলকে তীর্থস্থান এর মর্যাদা দিয়েছে।সব চেয়ে বেশি আনন্দের বিষয় হলো দুই জায়গাতেই মাংস,মাছ,ডিম,মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আপনাদের আরও জানিয়ে রাখি বৃন্দাবন ক্ষেত্র ভগবান শ্রী কৃষ্ণ এর
জন্মস্থান এবং উনার বড় দাদা বলরামের খেলার জায়গা হিসেবে খ্যাত।হিন্দুদের জন্য এই দুটি স্থানই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।প্রতি বছর বৃন্দাবনে প্রায় ১.৫ কোটি এবং বার্সানতে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ আসেন।রাজ্যের ভ্ৰমণমন্ত্রক বিষয়ক আধিকারিকরা জানান যে এখানে ঢেলে সাজানো হবে তবে এখন বিষয়টি মন্ত্রীসভা ক্যাবিনেটে সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

রাহুলের ভাসনের জবাবে সম্বিত পাত্র যা বললেন শুনলে আপনারও হেসে হেসে পেট ছিরে যাবে..


কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী, যিনি বারবার তাঁর বক্তব্যের কারণে সবার কাছে হাসির পাত্র হয়ে ওঠেন, তিনি আবারও এক কান্ড করলেন, হিমাচল এর নির্বাচনের দিকে দৃষ্টিপাত করে রাহুল এর বক্তব দিনের পর দিন বিজেপি সরকারকে ইঙ্গিত করেই করছেন তিনি। তিনি ভারত সরকারের মেড ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প কে ছোট করার ইঙ্গিত নিয়েই প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে তিনি নিজেই হাসির পাত্র হলেন,এই সময় তার বিরোধতা এবং বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জবাব দেন। প্রকৃতপক্ষে, হিমাচলে একটি বক্তিতায় রাহুল বলেছিলেন, আমি সেই দিনগুলি দেখতে চাই, যখন চীনা তরুণরা সেলফি নিলে ভারতের একটি ছেলের রোজগার হবে
টুইটারে সম্বিত পাত্র
                              
তিনি এমনি কান্ড করেছেন উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে, একটি সভায় তিনি বলেন তিনি চাইবেন যখন একজন ভারতীয় ব্যক্তি বিদেশে সাধারণ মানুষকে কিনে নেয়, তার সাথে বলেন উত্তরপ্রদেশকে তৈরী করবে বিদেশে লখনৌ বানানে সারা দেশে এমন আবোলতাবোল বক্তিতা দিতে দিতে তিনি বুজতে পারেন তিনি ভুল ভাল বলছেন তার পর এই নিয়ে তিনি ক্ষমাও চান,সভায় বসে থাকা লোকেরা এক সাথে নিস্তব্দ হয়েযায় করে। কংগ্রেস ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী প্রতিশ্রুতি দেন যে তাঁর সরকার গঠিত হলে উত্তর প্রদেশে তৈরি করা হবে সারা পৃথিবীতে। এই সাধারণ জেট সরাসরি উত্তর প্রদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাবে

যোগীজি হিন্দুদের জন্য নিলেন এক বড় সিদ্ধান্ত, গড়লেন এক দারুন ইতিহাস | কিভাবে জানলে গর্বিত হবেন ..
ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তার রাজ্যে এমন এমন কাজ করেছেন যা আখিলেশের আমলে কল্পনা পর্যন্ত করা যেত না।যেখানে আখিলেশের আমলে পুলিশরা আতংকবাদের ধারেকাছে যেত না সেখানে যোগী আমলে আতঙ্কবাদদের এনকাউন্টার করা হচ্ছে।অন্যদের আমলে যেখানে খোলাখুলি অযোধ্যায় হিন্দুভক্তদের উপর গুলি চালানো হতো সেখানে যোগী যুগে মুথুরার,বৃন্দাবনের সাথে সাথে রাধার জন্মস্থানকে তীর্থস্থান বলে ঘোষণা করে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আপনাদের জানিয়ে রাখি এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে কোনো ধার্মিকস্থলকে তীর্থস্থান এর মর্যাদা দিয়েছে।সব চেয়ে বেশি আনন্দের বিষয় হলো দুই জায়গাতেই মাংস,মাছ,ডিম,মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আপনাদের আরও জানিয়ে রাখি বৃন্দাবন ক্ষেত্র ভগবান শ্রী কৃষ্ণ এর
জন্মস্থান এবং উনার বড় দাদা বলরামের খেলার জায়গা হিসেবে খ্যাত।হিন্দুদের জন্য এই দুটি স্থানই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।প্রতি বছর বৃন্দাবনে প্রায় ১.৫ কোটি এবং বার্সানতে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ আসেন।রাজ্যের ভ্ৰমণমন্ত্রক বিষয়ক আধিকারিকরা জানান যে এখানে ঢেলে সাজানো হবে তবে এখন বিষয়টি মন্ত্রীসভা ক্যাবিনেটে সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

যোগীজি হিন্দুদের জন্য নিলেন এক বড় সিদ্ধান্ত, গড়লেন এক দারুন ইতিহাস | কিভাবে জানলে গর্বিত হবেন ..

ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তার রাজ্যে এমন এমন কাজ করেছেন যা আখিলেশের আমলে কল্পনা পর্যন্ত করা যেত না।যেখানে আখিলেশের আমলে পুলিশরা আতংকবাদের ধারেকাছে যেত না সেখানে যোগী আমলে আতঙ্কবাদদের এনকাউন্টার করা হচ্ছে।অন্যদের আমলে যেখানে খোলাখুলি অযোধ্যায় হিন্দুভক্তদের উপর গুলি চালানো হতো সেখানে যোগী যুগে মুথুরার,বৃন্দাবনের সাথে সাথে রাধার জন্মস্থানকে তীর্থস্থান বলে ঘোষণা করে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আপনাদের জানিয়ে রাখি এই প্রথমবার উত্তরপ্রদেশে কোনো ধার্মিকস্থলকে তীর্থস্থান এর মর্যাদা দিয়েছে।সব চেয়ে বেশি আনন্দের বিষয় হলো দুই জায়গাতেই মাংস,মাছ,ডিম,মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আপনাদের আরও জানিয়ে রাখি বৃন্দাবন ক্ষেত্র ভগবান শ্রী কৃষ্ণ এর
জন্মস্থান এবং উনার বড় দাদা বলরামের খেলার জায়গা হিসেবে খ্যাত।হিন্দুদের জন্য এই দুটি স্থানই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।প্রতি বছর বৃন্দাবনে প্রায় ১.৫ কোটি এবং বার্সানতে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ আসেন।রাজ্যের ভ্ৰমণমন্ত্রক বিষয়ক আধিকারিকরা জানান যে এখানে ঢেলে সাজানো হবে তবে এখন বিষয়টি মন্ত্রীসভা ক্যাবিনেটে সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় সেনা কিভাবে পাকিস্তানের সাহায্য করলো জানলে অবাক হবেন।


ডেস্কঃ ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যখনই সম্পর্ক ভালো করার কথা উঠে আসে তখনই তাদের মধ্যে আরো যেন বিরোধীপনা চলে আসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্বের উপর অনেকগুলি চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়েছে। ভারত প্রায়ই পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে উন্নয়নে কথা বলে কিন্তু পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে শান্তি চায় না। এর একটি বড় উদাহরণ ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর দিয়েছে।
আসলে পাকিস্তানের এক ছেলে উট চরাতে চরাতে বর্ডার সীমা পার করে ভারতে ঢুকে গেছিলো।সে বুঝতেই পারেনি যে সে ভারতীয় সীমায় ঢুকে পড়েছে।সেখানে থাকা ভারতীয় জওয়ানরা তাকে দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় সে তার বাবার সাথে উঠ চারণ করছিল এবং সে ভুলে এখানে চলে আসে।তদন্ত সম্পন্ন করার পর, যখন ছেলেটির কাছে কিছু পাওয়া যায়নি তখন ভারতীয় বিএসএফ পাকিস্তানি সেনাদের এই ব্যাপারে কথা বলে।
পাকিস্তানের সেনা বাহিনী স্বীকার করে যে ছেলেটি পাকিস্তানের এবং ভুল করে সে ভারতীয় এলাকায় ঢুকে পড়েছিল।এরপর ভারতীয় জওয়ানরা ছেলেটিকে পাকিস্তানের হাতে দেয়।এইভাবে বার বার ভারত পাকিস্তানের উপকার করলেও পাকিস্তান আমাদের সেনাদের মাথা কেটে নিয়ে যায় এবং অমনুষত্বের পরিচয় দেয়।

বিদ্যা বালন সেনাবাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে করলেন এক গুরুতর অভিযোগ,যা শুনলে আপনিও বিশ্বাস করবেন না।

ডেস্ক: বলিউডে হট রোল করার জন্য খ্যাত বিদ্যা বালন সেনাদের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ আনেন।সম্প্রতি হিন্দি নিউসপেপার নব ভারত টাইমসের এক ইন্টারভিউতে বিদ্যা বলেন,যৌন শোষণ অনেক দিন ধরে চলে এসেছে কিন্তু আজ মানুষ এই বিষয় নিয়ে কথা বলছে এবং নিজেদের সাথে হওয়া যৌন শোষণ এর ঘটনাগুলি তুলে ধরছেন।এখন মেয়েরা নিজেদের আর একা মনে করে না।এখন মেয়েরা দোষীদের শাস্তির জন্য লড়াই করে।এই ইন্টারভিউ চলাকালীন যখন ওনাকে মিটু ক্যাম্পেইন এর ব্যাপারে মতমত জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তিনি কথা প্রসঙ্গে আর্মির এক জওয়ানএর উপর গুরুতর অভিযোগ আনেন।তিনি বলেন যে আর্মির এক জওয়ান নাকি উনার বুকের দিকে তাকিয়ে ছিলেন এবং কিছক্ষন পর সেই জওয়ান নাকি উনাকে চোখ ইশারা করেন।তিনি বলেন ,কলেজের দিনগুলিতে আমি লোকাল ট্রেনে যাওয়া আসা করতাম তখন ওখান কেউ আমাকে চিমটি কাটতো কেউ বা পেছনে লাগতো।ওই সময়েই একদিন একজন আর্মি আমার বুকের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং অনেকে চোখ ইশারা করেছিল।তিনি আরো বলেন,’আমি ওই আর্মিকে বলেছিলাম যে আপনি আমাদের দেশের জওয়ান,আমাদের রক্ষাকর্তা।এটাই কি আপনার দায়য়িত্ব?’ তখন ওই জোয়ান লজ্জা পেয়ে চোখ নিচে করেন।

আপনাদের জানিয়ে রাখি বিদ্যা বালন বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তার বোল্ড রোলের জন্য খ্যাত।এই কারণে এই নিউজ ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই অনেকে বলেছেন,যে বিদ্যা বালন জওয়ানের উপর মিথ্যা আরোপ করেছেন, এবং শুধু মাত্র নিউজের শিরোনামে আসার জন্য তিনি কাল্পনিক একটি গল্প বলেছেন।

মোদীজির গুজরাট দেখার পর অভিনেতা "নাগার্জুনা" যা বললেন শোনার পর বিরোধীরা রেগে লাল,দেখুন ভিডিও

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে আক্কিনেনি নাগার্জুনা দিলেন এক অসাধারণ ইন্টারভিউ,তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী তার কাছে এক বিশিষ্ট মানুষ,এবং তার নীতি খুব অসাধারণ হয়,তিনি তার সাথে বলেন যে মোদীর সব ভাষন নীতি শোনেন আর এই ভাসন গুলি শুনে তিনি প্রভাবিত খুব, নাগার্জুনা এর মতে, তিনি এমন একজন নেতাকে দেখাতে চেয়েছিলেন যিনি দেশকে পরিবর্তন করতে পারে এবং তিনি সেটি করে দেখিয়েচেন।তিনি এর সাথে গুজরাট বিধানসভাও নির্বাচনের কথা বলেন,

গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার পর, নতুন সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করা হচ্ছে, যদিও নির্বাচনটি এখনও একটি মাস বাকি থাকে তবে গুজরাটের নির্বাচনে রাজনীতি এখুন খুব গরম হতে শুরু হয়েছে। এই নির্বাচনী জরিপের প্রভাবগুলিও নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করবে।

কংগ্রেস বিজেপির সম্ভাবনা শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জনসাধারণ সচল করতে সক্ষম হয়েছে না এমনকি কংগ্রেস গুজরাটের সরকার মোকাবেলা হয়। রাহুল গান্ধীর মত কংগ্রেসের কোন প্রবীণ প্রচারক নেই। গুজরাতের কংগ্রেস রাহুল গান্ধীর উপর নির্ভরশীল বিখ্যাত তেলেগু অভিনেতা নাগার্জুনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাত করেছেন। নাগার্জুন গুজরাটে উন্নয়নের রসাস্বাদন সঙ্গে আমার চিন্তা শেয়ার করতে বড় সুযোগ ছিল এবং বলেন যে সভায় মোদি তাদের বাস। নাগার্জুনা নিজেই আত্মনির্ভরশীল ও টেকসই উন্নয়নের জন্য মোদীর দৃষ্টিপ্রদত্ত প্রশংসা করেছেন।

দেখুন ইন্টারবিউ ভিডিও,


নোটবাতিল নিয়ে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে বিরোধী দলগুলি, এই নিয়ে বিশেষজ্ঞদের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য যা..


8 ই নভেম্বর থেকে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির কাছে টেলিভিশনের ভাষণ ঘোষণা করেন, তখন থেকে উচ্চ মুদ্রা নোট নিষিদ্ধ করার শক সিদ্ধান্তের অবিরাম সমালোচনা হয়েছে। যদিও মোদি তার সিদ্ধান্ত থেকে নির্বাচকমণ্ডলীয়ভাবে লাভ করেছেন বলে মনে হয়, জনপ্রিয় সমর্থনকে নির্দেশ করে, তিনি চাকরির ক্ষতির জন্য বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের দ্বারা দায়বদ্ধ হন, জিডিপির নিচে নেমে আসেন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোকে তার অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ক্ষতবিক্ষত করেন। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের সাবেক প্রধান রঘুরাম রাজনের মতো বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও কথা বলেছেন। কিন্তু এক বছর পর – বিক্ষোভের ফলাফল দেখার জন্য যথেষ্ট সময়-বেশি লোক মোদির সমর্থনে তাদের সমর্থন করে, যারা তাদের সমালোচনা করে।এক সপ্তাহের বিক্ষোভ: ভারত কিভাবে আমাদের বিশেষ কাভারেজে ধরে রেখেছে তা পড়ুন,মোদীর বিতর্কিত পদক্ষেপের জন্য প্রত্যন্তীকরণের বার্ষিকীটি চিহ্নিত করার জন্য ইকনকলাইমস.কম দ্বারা পরিচালিত একটি অনলাইন জরিপ উল্লেখযোগ্যভাবে সমর্থন করে। প্রশ্নের উত্তরে, ‘মোটামুটিভাবে, আপনি কিভাবে নগদীকরণের হার দিচ্ছেন?’, 38% বলেছেন যে এটি সফলতা ছিল। 30% বলেছেন মিশ্র ফলাফল ছিল। শুধুমাত্র 32% বলেন এটি ব্যর্থতা ছিল।জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় 10,000 টি অনলাইন পাঠক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।শুধুমাত্র 26 শতাংশ মনে করেন যে অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী মেয়াদকালের ক্ষতি হয়েছে। 32% বলেছেন অর্থনীতি আরও স্বচ্ছ হয়ে গেছে এবং 42% বলেছেন যে এটি অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ করেছে কিন্তু কিছু সমান্তরাল ক্ষতি সঙ্গে। মোদীর সমালোচকদের জন্য চাকরির গতিপথের প্রভাব-একটি হট-বোতাম ইস্যু-মাত্র 23% বলে তিনি চাকরির উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে বলেছিলেন। 45% বলেন যে এটি স্বল্প মেয়াদে চাকরি হ্রাস করে এবং 32% বলেছে যে এটি চাকরির উপর কোন প্রভাব ফেলেনি। 77% নগদীকরণের কারণে কোন দীর্ঘমেয়াদী চাকরি হারানো দেখায় না দেখায় যে অধিকাংশ লোক এই বিতর্কের মধ্যে ক্রয় করে না যে, বিক্ষোভকারীরা চাকরিগুলি খুন করে।এটা স্পষ্ট নয় যে, মোদী তার পক্ষের মানুষকে তার চরিত্রগত অলঙ্কারশাস্ত্র দিয়ে রেখেছেন, যদিও মুঠোফোনের ব্যর্থতা বা তার প্রতিপক্ষের সমান ভুল ছিল, কিন্তু মানুষ ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ভেঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হিসাবে প্রত্যক্ষদর্শী দেখতে পান না।এই প্রশ্নে প্রতিক্রিয়া থেকে আরও স্পষ্ট হয়, ‘যদি মোদি 2000 মুদ্রা নোটের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন, তাহলে কীভাবে অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে?’ 56% বলেছে যে এটি কালো টাকা জালিয়াতি আঘাত করবে। 31% বলেছে যে এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে আসবে। 13% বলছেন এটা নির্দোষ সৎ ব্যবসাগুলিকে প্রভাবিত করবে। এর অর্থ যদি মোদী অন্য একটি রাষ্ট্রে বিক্ষোভ করেন, তবে তিনি নিশ্চিতভাবে কিছু জনপ্রিয় সমর্থন পাবেন।

Design a site like this with WordPress.com
Get started