আবারও ডেঙ্গি জ্বরে মৃত তিনজন, দেখুন..

                                          

৮ নম্বর গলির পরে এ বার ১ নম্বর গলি। নিউ টাউনের প্রমোদগড়ের ৮ নম্বর গলির বাসিন্দা মাধুরী বৈদ্যর ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়েছিল গত বুধবার। সেই মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতে ফের সোমবার ডেঙ্গিতে মৃত্যু হল ১ নম্বর গলির বাসিন্দা বছর উনিশের রিয়া সরকারের।রিয়ার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের ৯ তারিখ জ্বর আসে তাঁর। রিয়ার মামা বুড়ো দাস বলেন, ‘‘১০ তারিখেই রিয়াকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। রক্ত পরীক্ষায় এনএস-১ পজিটিভ আসে।’’ বুড়োবাবু জানান, রিয়াকে আই ডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক আউটডোরে দেখে কিছু ওষুধপত্র দিয়ে ছেড়ে দেন। বাড়ি ফেরার পরে শনিবার জ্বর ছেড়ে যায়। কিন্তু রবিবার সন্ধ্যা থেকে ফের জ্বর আসে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রিয়ার হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায়। পেটে ব্যথার সঙ্গে শুরু হয় ডায়রিয়া। সোমবার সকালে রিয়াকে ফের আই ডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিজনেদের অভিযোগ, হাসপাতালে রিয়াকে বেশ কিছুক্ষণ ফেলে রাখায় ওর অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে। রিয়ার মামার অভিযোগ, ‘‘চিকিৎসকেরা রিয়াকে ডায়রিয়ার ওয়ার্ডে ঢুকিয়ে ডায়রিয়ার চিকিৎসা শুরু করেন। সাড়ে বারোটা নাগাদ মৃত্যু হয় রিয়ার।’’ মৃতার পরিবারের অভিযোগ, ডেঙ্গির উপসর্গ থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসকেরা ডেঙ্গি লিখতে রাজি হচ্ছিলেন না। রিয়ার মামা বলেন, ‘‘অনেক টালবাহানার পরে ডেথ সার্টিফিকেটে এনএস-১ লেখা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছ’মাস আগে রিয়ার বিয়ে হয়েছিল। এলাকাতেই তাঁর একটি পোশাক তৈরির দোকান ছিল। রিয়ার মা শ্যামলীদেবী এ দিন হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘‘ওকে ছাড়া একটা দিনও কী ভাবে বাঁচব জানি না।প্রমোদনগর এলাকায় একের পর এক ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ঘটনায় সত্যিই কতটা টনক নড়েছে পুরসভার? বিধাননগর পুরসভার অধীনে ওই এলাকার কাউন্সিলর চামেলি নস্করের দাবি, ‘‘পুরসভার তরফে নিয়মিত ব্লিচিং ছড়ানো ও মশার তেল স্প্রে করা হয়। মশা মারার কামানও দাগা হয়।’’ যদিও এলাকাবাসীর অভিযোগ, জঞ্জালের গাড়ি নিয়মিত আসে না। ঝোপজঙ্গল গজিয়ে কার্যত মশার আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। পুরসভা শুধু ব্লিচিং ছড়িয়েই দায় সারছে। এ দিনই রাজারহাটের কাদিহাটি এলাকায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় সুমন দে নামে বছর পঁয়ত্রিশের এক যুবকের। সুমনের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ অক্টোবর তাঁর জ্বর আসে। ২৭ তারিখ স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি রক্ত পরীক্ষা করতে বলেন। ২৮ তারিখ রক্ত পরীক্ষা করা হলে তাঁর এন এস ওয়ান পজিটিভ আসে। এর পরে ২৯ তারিখ সুমনকে বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর ডায়রিয়া শুরু হয়। আই ডি হাসপাতাল ডায়রিয়ার চিকিৎসা করে সুমনকে ৩০ তারিখ ছেড়ে দেয়। কিন্তু পরিজনেদের অভিযোগ, বাড়ি ফিরতেই সুমনের ফের জ্বর আসায় তাঁকে আবার নিয়ে যাওয়া হয় বাঙ্গুর হাসপাতালে। সেখানে কয়েক ঘণ্টা রাখার পরে সুমনকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন চিকিৎসকেরা। সুমনকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তার পর থেকে সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন সুমন। সুমনের দিদি শম্পা সরকার বলেন, ‘‘তিন দিন আগে ওকে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে দেওয়া হয়। ফের ভাইয়ের জ্বর আসে। ১০৪ ডিগ্রি জ্বরে প্রায় বেহুঁশের মতো হয়ে যায় ভাই। গত কাল সন্ধ্যা থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। রাত আটটা নাগাদ ভাইয়ের মৃত্যু হয়।’’ সুমনের ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে হাসপাতাল ডেঙ্গি লিখেছে।

কিছুদিন আগেই মুকুল রায়কে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে রাজনৈতিক মহলে…

কিছুদিন আগেই মুকুল রায়কে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দেয় রাজ্য বিজেপি কর্তৃপক্ষ।কিন্তু শুধু মুকুল যোগ করে থেমে থাকেনি বিজেপি কর্তৃপক্ষ।সূত্রে খবর এবার পালা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এক আত্মীয়ের।হ্যাঁ বিজেপি নেতৃত্ব এবার মুখ্যমন্ত্রীর খুব কাছের এক আত্মীয়কে দলে নিতে চলছে।তাঁর সাথে প্রাথমিক ভাবে আলোচনা করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ট আত্মীয় দেখা করেছিলেন ময়দানের এক পরিচিতি ক্লাবের হাত ধরে।তবে এক্ষনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রীর ওই আত্মীয় ,একটু সময় নিয়ে পা ফেলতে চান তিনি।তবে আপাতত মুকুল রায়এর সাথে তিনি যোগাযোগ রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।অর্থাৎ এক কথায় মুখ্যমন্ত্রীর অন্দরমহলে থাবা বসাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি।এখন শুধু দেখার কবে মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয় যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য – বড়দিনের মাসে মসজিদে মসজিদে ঘুরবে সঙ্ঘ পরিবার | কিন্তু কেন ? পড়ুন বিস্তারিত

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ সম্পর্কে অনেকের ধারণা অনেকরকমের।আসোলে আমাদের দেশের মানুষ সংঘের সম্পর্কে বিশেষ কিছু ধারণা রাখে না যার কারণে  তাঁরা অন্যের বলা সংঘ বিরোধী কথা বিশ্বাস করে নেই।রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের এক প্রবীণ নেতা আক্ষেপ করছিলেন যে অনেকে সংঘকে দাঙ্গাবাজ,মুসলিম বিরোধী বলে জানে।যা সংঘের জন্য খুবই দুখঃজনক বাপার।মানুষের এই ধারণা বদলাতে সফরে নামবে আরএসএস।তাঁরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মসজিদ,দরগা গুলিতে উপস্থিত হবেন।প্রথম পর্যায়ে সংঘ পশ্চিমবঙ্গ,গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে ভ্রমণ করবে।সংঘ এর অনেক কর্তার মতে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলরা আরএসএস নিয়ে মানুষকে ভুল তথ্য প্রচার করেছেন।সংঘ ডিসেম্বরের প্রথমদিকেই কলকাতা থেকে এই যাত্রার শুরু করবে বলে জানা গিয়েছে।

২০১৮ আগেই রাম মন্দির নির্মাণের জন্য বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নিতে চলেছে এক বড় পদক্ষেপ,জানলে হিন্দুরা গর্ব বোধ করবেন।

রাম মন্দির তৈরী নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের।রাম জনমিভূমির জন্য নব্বই দশক থেকে আন্দোলন করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।কিন্তূ আর আন্দোলন নয় এবার ২০১৮ এর মধ্যে রাম মন্দির তৈরী হবে এবং তার পরিকল্পনা তুঙ্গে বলে জানালো বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সুরেন্দ্র জৈন।২০১৮ সালের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য এই মাসেই শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে আলোচনা হবে সংগঠনের।অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ভুবেনশরে হবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাংগঠনিক সভা।২৭ শে নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওই সভায় যোগ দেবেন রাজ্যের সমস্ত প্রতিনিধিরা।এছাড়াও যোগ দেবেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।সুরেন্দ্র জৈন বলেন, আর আমরা রাম মন্দির তৈরিতে দেরি করতে চাই না।২০১৮ সালের মধ্যে রাম মন্দির সব রকম ভাবে যাতে সম্পুর্ন করা যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।সভায় জোর করে ধর্মান্তরিত করা,গোরক্ষা ,সন্ত্রাসবাদ নিয়েও আলোচনা হবে।
আপনাদের জানিয়ে রাখি, অযোধ্যার বিতর্কিত ভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে মামলা চলছে কিন্তু কোর্ট এবার আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।তাই এবার সভা সমাবেশ করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে কথা বলে ২০১৮ এর মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণ মিটিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

মুকুলেই তৃণমূল বধের স্বপ্ন দেখছে গেরুয়া শিবির।


কিছুদিন আগেই মুকুল রায়কে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দেয় রাজ্য বিজেপি কর্তৃপক্ষ।কিন্তু শুধু মুকুল যোগ করে থেমে থাকেনি বিজেপি কর্তৃপক্ষ।সূত্রে খবর এবার পালা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এক আত্মীয়ের।হ্যাঁ বিজেপি নেতৃত্ব এবার মুখ্যমন্ত্রীর খুব কাছের এক আত্মীয়কে দলে নিতে চলছে।তাঁর সাথে প্রাথমিক ভাবে আলোচনা করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ট আত্মীয় দেখা করেছিলেন ময়দানের এক পরিচিতি ক্লাবের হাত ধরে।তবে এক্ষনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রীর ওই আত্মীয় ,একটু সময় নিয়ে পা ফেলতে চান তিনি।তবে আপাতত মুকুল রায়এর সাথে তিনি যোগাযোগ রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।অর্থাৎ এক কথায় মুখ্যমন্ত্রীর অন্দরমহলে থাবা বসাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি।এখন শুধু দেখার কবে মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয় যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

মুকুল রায়কে সামনে রেখেই বাংলায় ক্ষমতা দখল করতে মরিয়া বিজেপি-র শীর্ষ নেতৃত্ব৷ সূত্রের খবর, এবিষয়ে মুকুলবাবুর ‘স্ট্যাজেডি’ মেনেই রাজ্য নেতৃত্বকে পরামর্শ দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ সূত্রের খবর, রবিবার রাতে এবিষয়ে দলের রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে অমিত শাহর৷ ফোনালাপে রানি রাসমনি রোডের জমায়েতের জন্য বাহবাও জানিয়েছেন রাজ্য সম্পাদককে৷এদিকে দলে যোগ দিয়েই গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়েছেন তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন চাণক্য৷ সূত্রের খবর, রবিবার দিলীপ ঘোষকে ফোন করার পাশাপাশি রাতে আমেদাবাদ বিমানবন্দরে মুকুলের সঙ্গে দেখা করেছেন অমিত৷ সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডের জমায়েত দেখে উত্ফুল্ল অমিত মুকুল রায়ের প্রশংসা করেছেন৷ এখনই রাজ্য সভাপতি পদে কোনও রদবদল না করা হলেও মুকুল রায়কে মাথায় রেখে শীঘ্রই একটি মনিটরিং কমিটি গড়তে চলেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা৷ দলীয় সূত্রের খবর, ওই কমিটিতে মুকুল রায়ের পাশাপাশি দলের এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলায় বিজয়বর্গী ও রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষকে রাখা হবে৷

দলের কেন্দ্রীয় স্তরের এক নেতা জানান, ‘‘আগামী বছর রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ মুকুল রায় দলবদল করার পর আমাদের টার্গেটও বদল আনা হয়েছে৷ এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট বুথের সংখ্যা 70হাজারের কিছু বেশি৷ অন্ততপক্ষে 30 হাজার বুথ দখলের লক্ষ্য নিয়েই আমরা ময়দানে নামছি৷’’ ইতিমধ্যেই রাজ্যের কোন বুথের রাজনৈতিক হাল কি, কার কোথায় ক্ষমতায় রয়েছে, কোন কোন বুথে তৃণমূলে ভাঙন ধরানো যেতে পারে – ইতিমধ্যে তার বিস্তারিত তথ্য অমিত শাহর কাছে দিয়ে এসেছেন মুকুল রায়৷দলের একটি সূত্রের খবর, মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদানের পর কলকাতা বিমান বন্দর থেকে বিজেপি-র রাজ্য অফিস পর্যন্ত মুকুল রায়কে ঘিরে যে উন্মাদনা দেখা গিয়েছে তাতে যারপরনাই আনন্দিত বিজেপি-র শীর্ষ নেতারা৷ কারণ, সাম্প্রতিক অতীতে গেরুয়া শিবিরের কোনও নেতাকে ঘিরে এমন সুনামী সুলভ মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের নজির নেই বললেই চলে৷ স্বভাবতই, মুকুল রায়কে সামনে রেখেই আগামী দিনে বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহেরা৷

breaking news – কার জন্য মমতা ব্যানার্জি লন্ডনে বাড়ি কিনতে চলেছে ? বিস্তারিত জানুন।


1912 সালে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লন্ডনের একটি বাড়িতে কয়েক মাস অতিবাহিত করেন এবং তাঁর বিখ্যাত ‘গীতাঞ্জলি’ অনুবাদ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর কাজকে ভালোবাসার জন্য ঘরটি কিনতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, রিপোর্ট করা হলে বিশ্বাস করা হয়, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান উত্তর লন্ডনে হ্যামস্টেড হিথের হিথ ভিলাস কেনার জন্য আগ্রহী এবং এটি একটি মিউজিয়াম-কম-স্মারক রূপে রূপান্তর করে।লন্ডনের একটি ঘন্টার বেশি সময় ধরে এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ব্রিটেনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, দিনাথ পাটনাককে অভিনন্দন জানান। তিনি বাড়ি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।ঘরটি 2.7 মিলিয়ন পাউন্ডের চেয়ে বেশি খরচ পরবে বলে জানা গেছে, এবং এই স্থানেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর সংগীতগ্রন্থ গীতাঞ্জলির অনুবাদ করেন, যা 1913 সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।এদিকে, ব্রিটেনে উইম্বলডনে সিদ্ধার্থ নিবেদিতার ঘরকে ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকা দেওয়া হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের জন্য রবিবার অনুষ্ঠিত হয় এবং বেনজির এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।

গুজরাট কার হবে – নরেন্দ্র মোদীর না রাহুল গান্ধীর ?


কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দোষের কারণেই হয়তো তিনি দোষীদের দমন করতে পারবেন না।কংগ্রেস নেতা বনশঙ্করান নির্বাচনে জনসভায় ভাষণকালে কংগ্রেস নেতা বলেন, “যখন মোদী বিরোধী ছিলেন, তখন তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান জানাতে চেয়েছিলেন।এটা আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য। মোদি আমাদের সম্পর্কে যা বলেছেন তা কোনও ব্যাপার না, আমরা কিছু নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে যেতে পারব না,

তিনি বলেন, কংগ্রেস পার্টি ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি )কে মোদীর ফল্টকে স্পর্শ করে বিরক্ত করতে পারে কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করবে না।তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “আমরা সত্য কথা বলি এবং এটাই সত্য যে গুজরাট আমার মধ্যে বিক্রম পাগল হয়ে গেছে।গান্ধী বংশোদ্ভুত রাজনৈতিক দলগুলোর উপর তাঁর টুইটগুলি তাঁর নিজের মতামত প্রকাশ করার সুযোগও ব্যবহার করেছেন। তবে তিনি 3-4 জনের একটি গ্রূপে পরামর্শ দিয়েছেন, যারা তাঁর পরামর্শকে যথাযথভাবে টিন করতে সহায়তা করে।
রাহুল গান্ধীর টুইটে আকস্মিক পরিবর্তনের পরিবর্তে সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে এবং তার ও অনুগামীদের মধ্যে একটি স্পাইকও রয়েছে।কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গুজরাট ও সার্ভিসেস ট্যাক্স (জিএসটি) নিয়ে তাঁর আক্রমণের পুনরাবৃত্তির পর এক দিন পর এই টুইট করেন, “ভারতকে গাবশর সিং ট্যাক্সের প্রয়োজন নেই। ভারত একটি গাববার সিং ট্যাক্স প্রয়োজন নেই। আমরা একটি সত্য জিএসটি চান। কংগ্রেস, ভারতের জনগণের সাথে, 28% ব্র্যাটের আইটেমগুলির হ্রাস এবং নিশ্চিত করে। পরবর্তী আমরা 18% একটি টুপি সঙ্গে, এক হার জন্য যুদ্ধ হবে। যদি বিজেপি তা করে না, তবে কংগ্রেস হবে। রাহুল গান্ধী তিন দিনের গুজরাটে সফর করছেন। শনিবার, তার সফরের প্রথম দিন, রাহুল গান্ধীনগরে সোহমানওয়ারণ্য অক্ষরধাম মন্দির ও অম্বা তীরে যান।গুজরাতের শনিবার সকালে পৌঁছানোর পর রাহুল গান্ধী সরাসরি গান্ধীনগরে অক্ষরধাম তীরে গিয়েছিলেন, এবং লর্ড,মনারায়ণের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। মন্দিরটিতে প্রার্থনা করে তাঁর ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাগ করা হয়েছিল।

ফারুক আব্দুল্লাহ কে সমর্থন করে ঋষি কাপুর করলেন এক বিস্ফোরক মন্তব্য ! পুরো ভারতবাসী রেগে লাল..


জম্মু কাশ্মীরের প্রাতন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ শনিবার এক দেশ বিরোধী বক্তব রেখেছিলেন, তিনি বলে ছিলেন PUK পাকস্তান এর মধ্যে পরে সেটি ভারতের নয়, ভারত হলো তার প্রতিবেশী দেশ।
এই রকম দেশ বিরোধী বক্তব্য রাখার পর দেশ এর এক বড় অভিনেতা ঋষি কাপুর তার সমর্থনে টুইট করেন, তিনি বলেন ফারুক আবদুল্লাজী সালাম জম্বু কাশ্মীর আমাদের কিন্তু PUK পাকিস্তানের, এর সাথে বলেন আমরা বসে পাকিস্তান এর সাথে কথা বলি আর PUK কে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেয়,তাহলে সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, তার সাথে বলে আমার বয়েস এখুন ৬৫ আমি মরার আগে পাকিস্তান দেকতে চাই,


দেখুন সেই টুইট
 


একজন পাকিস্তানী মন্ত্রী খুব ভালোভাবেই বলেছিলেন যে, আপনি যে অংশটি আপনার অংশটি অধিগ্রহণের একটি যন্ত্র দ্বারা অর্জিত হয়েছিল তা আপনি ভুলে গিয়েছেন যে আপনি প্রবেশপত্রের যন্ত্রটি ভুলে গিয়ে বলেছেন যে অংশটা আপনার। যদি আপনি এই বিষয়ে আপনার কথা বলেন তাহলে উপকরণটি মনে রাখবেন ভাল, “ন্যাশনাল কনফারেন্স সভাপতি যোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, “40 বছর আগে জাতীয় কনফারেন্সের স্বায়ত্তশাসনের দাবিটি ছেড়ে দেওয়ার পর শেখ আবদুল্লাহ নিজেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে পুনর্বহাল করেন এবং সুবিধামত ভারতীয় সংবিধানের সমস্ত বিধান গ্রহণ করেন।”মোদীর সরকার কর্তৃক নিযুক্ত দ্যসেন্দর শর্মা মন্তব্য করার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করলে আবদুল্লাহ বলেন, “আমি এ বিষয়ে অনেক মন্তব্য করতে পারি না। সংলাপ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু আলোচনা কেবল সমাধান নয়। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই সমস্যাটি রয়েছে। কাশ্মীরের অংশ হিসেবে দিল্লিকে ইসলামাবাদের সাথে সংলাপের আহ্বান করা উচিত।

আপনি কি জানেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল , রাহুল গান্ধীর এই ব্যাগে কি থাকে ??

দেশের আবার নির্বাচনের জন্য লড়াই এর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।পরের মাস গুলিতে হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাটে নির্বাচন শুরু হবে ,এর থেকে বোঝাই যাচ্ছে দেশের দুটি বড় পার্টি নির্বাচনের প্রচারে নেমে পড়েছে।এমত অবস্থায় রাহুল গান্ধীও গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নেমে পড়েছে।শোনা যাচ্ছে রাহুল গান্ধী যেখানে যাচ্ছেন সেদিকেই মানুষের নজর যাচ্ছে।কিন্তু আপনি কি জানেন রাহুল গান্ধীর মধ্যে সবচেয়ে নজর দেওয়ার জিনিস কি?তাহলে আপনাদের জানিয়েদি রাহুল গান্ধীর সবচেয়ে নজর কাড়া বিষয় হলো উনার পিঠে ঝুলে থাকা একটি ব্যাগ।যেটার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।নেতারা সাধারণত তাদের সুরক্ষার জন্য নিজেদের কাছে কিছু রাখে না কিন্ত রাহুল গান্ধীর এই বিশেষ বাগে এমন কি আছে কে জানে যার জন্য ব্যাগ টাকে তিনি নিজের থেকে দূরে রাখছেন না।শোনা যাচ্ছে রাহুল গান্ধী গুজরাটে এক সভার সময় এয়ারপোর্টে এই ব্যাগটি নিয়েছিলেন এবং তারপর থেকে তিনি যেখানেই গিয়েছেন ব্যাগটি নিজের সঙ্গ ছাড়া করেননি।এবং এই ব্যাপারটি এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব ভাইরাল হয়ে পড়েছে।নানাজন রাহুল গান্ধীর এই ব্যাগ নিয়ে নানান কথা বলছেন।কেউ বলছেন এটা তিনি নিজের সুরক্ষার জন্য রেখেছেন কেউ আবার বলছেন এইসব তার নাটকীয় ভঙ্গি।কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী ওই বাগে কিছু জামা কাপড় ও উনার নিত্য ব্যবহার্য জিনিস নিয়েছেন। যার মধ্যে উনার মোবাইল চার্জার এর মতো ব্যবহার্য জিনিসও আছে।আসলে এই বিষয়টাকে রাজনৈতিক এর সাথে জুড়ে দেখা হচ্ছে কারণ সামনে নির্বাচন।এর আগেও আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ওবামা এর মলে কেনাকাটা, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এর মেট্রোতে ভ্রমণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।

কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য যা  সারা ভারতবাসীর দুঃখের..


জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ এক ন্যাশনাল কনফারেন্সে শনিবার এক দেশ বিরোধী বক্তব রাখলেন, তিনি বলেন যে পাকিস্তানের মালিকানাধীন কাশ্মীরি পাকিস্তানের অংশ, তার প্রতিবেশী দেশ হলো ভারত ও চীন, এমন বক্তব রাখার পর থেকেই রাজনৈতিক মহল এর সাথে সারা ভারত বাসীর চিন্তার বিসয় যে একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমন বলতে পারেন কি করে , এখানেই শেষ নয় তার সাথে তিনি এও বলেন যদি ভারত সরকার শান্তি চায় তবে তাকে পাকিস্তানের সাথে কথা বলতে হবে,এবং এই সিদ্ধান্তে নিতে হবে,নরেন্দ্র মোদী সরকার দ্বারা নিযুক্ত দলিলের ভিক্তিতে মন্তব্য করার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করলে এনসিপির মহাপরিচালক বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারি না কারণ এটি দেশ বিরোধী বিসয়,সংলাপ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু আলোচনা কেবল সমাধান নয়। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই সমস্যাটি রয়েছে। এর আগেও আবদুল্লাহ বলেন, তিনি কংগ্রেস সভানেত্রী ও দিনাশওয়ার শর্মা এবং কাশ্মীরের একমাত্র পথটি রাষ্ট্রের স্বায়ত্তশাসনের পুনর্নির্মাণের বিষয়ে তার কোন আশা নেই। এদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ বলেন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশ্নের জবাবে মোদী সরকার যতদিন থাকবে ততদিন কাশ্মিরকে ভারতের সাথে থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না,

ভিয়েতনামে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ভাষণে মোদীজির সম্পর্কে বললেন এমন কিছু , শুনলে আপনিও .. | দেখুন ভিডিও

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর প্রচেষ্টায় আজকে ভারত বিশ্বের মধ্যে একটি প্রতিক হিসাবে পরিচিতি তৈরি করেছে। আজ বিশ্ব এর ছোট দেশ থেকে বিশ্বের বিশ্ব শক্তিসালী দেশ পর্যন্ত ভারতে গুরুত্বপূর্ণত এবং শক্তিশালী দেশ হিসেবে জানে , এটি পিএম মোদীর প্রচেষ্টার জন্যই সম্পর্ণ হয়েছে,জলজ্যান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিও ভিয়েতনামে এসে ভারতের অর্থনীতির প্রসংসা করলেন,এক দিকে যেখানে দেশে কিছু লোক পিএম মোদীর ওপর মিথ্যা অভিযোগ করে চলেছে সেখানেই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির রাষ্ট্রপতি পিএম মোদীর প্রসংসায় ভরিয়ে দেয়, ট্রামের ভাষণ থেকে পিএম মোদির বিরোধীদের সঠিক উত্তর পাবে।


দেখুন সেই ভিডিওটি 


চলমান এশিয়া প্যাসেজের অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতিনিধি পিএমমো।পঞ্জাব কেসিরি এর সংবাদ অনুযায়ী, ভিয়েতনাম চলমান এশিয়া প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার সমিতির মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রপতি মোদীর প্রশংসায় বলেন যে, তিনি একটি বৃহৎ দেশ এবং তাঁর জনসাধারণের সাথে সংযোগে সফলভাবে লাগছিল। বিষয়টি স্পষ্ট যে ভিয়েতনামও পিএম মোদীর নীতির সমর্থন করেছেন।
এপিইসি শিখর সম্মেলন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সভা অনুষ্ঠিত হয়, ত্রামপন্থী নেতৃবৃন্দ বলেন, এই গ্রুপের বাইরে থাকা দেশগুলোও হায়দ্র-প্রশান্তের নতুন চেতনায় দ্রুততর পদক্ষেপ এগিয়ে চলেছে। ট্রাম দ্বারা ভারত একটি সার্বভৌমিক ডেমোক্রেট বলা হয়। তিনি আরও বলেন যে ভারত দ্বারা তার অর্থনীতিকে খোলা পরে সেখানে জোরালো বৃদ্ধি ঘটেছে।ট্রামে সেখানেও এভাবে বলা হয়েছে যে, পূর্ব এশিয়ার শিখের সম্মেলনগুলিতে অংশগ্রহণের জন্য পিএম মোদি রওয়ানা হচ্ছেন। ট্রাম এও এই সম্মেলন অংশে অংশগ্রহণ করেছে তাই।

ইতিহাস রক্ষা করার জন্য পদ্মাবতী মুক্তি না করা উচিত ? পদ্মাবতী এখুন কি অবস্তা হতে চলেছে জানুন..


উদয়পুরের রাজকীয় সদস্য এম কে বিশ্বভারজ সিং, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিএলএফসি) প্রধান প্রসুন জোশি এবং অন্যান্যদের কাছে চিঠি লিখেছেন, তাদের অনুরোধ করে সার্টিফিকেশন ও মুক্তির জন্য আবেদন করেছেন সঞ্জয় লীলা ভাঁসালির পরিচালক পদ্মাবতীর ‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী প্রকাশ জাভাবেদকর, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভুন্দররা রাজী এবং পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টসও প্রাপকের তালিকাতে উল্লেখ করা হয়েছে।”আপনার অনুরোধকে আপনার বর্তমান ফর্মের প্রত্যয়ন বা অনুমোদন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়”, সিং বলেন, “আমাদের দেশের ইতিহাস ও তার নাগরিকদের মর্যাদা রক্ষায় সরকারের দায়বদ্ধতা এটি।”
ভানসালি, সম্প্রতি একটি ভিডিওতে, আশ্বস্ত করেছেন যে মহৎ কাজ নির্ভরযোগ্য উৎসের উপর ভিত্তি করে এবং রাজপুট রাণীের বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে, সিং এই আপত্তিটি তুলে ধরেছেন যে এই ফিল্মটি তাঁর পরিবারের এবং মওয়ারের ইতিহাসের একটি অধ্যায় সম্পর্কে রয়েছে, কিন্তু কেউ তাদের কাছে সত্য যাচাই করার জন্য অনুমতি দেয়নি।তিনি আরও বলেন, তিনি ‘পদ্মাবতী’তে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির নির্ভুলতা সম্পর্কে সন্দেহ করেন, কারণ এটি পদ্মভট্টের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে, সুফি কবিতার একটি কল্পবিজ্ঞান কবিতা যা চিন্তা ও কথাবার্তাও অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, চলচ্চিত্র নির্মাতারা “সুপ্রতিষ্ঠিত এবং গৃহীত ঐতিহাসিক উৎস” নিয়ে আসেনি এবং স্ক্রীনিং করা হলে এই ধরনের ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করা যাবে না। এই বিতর্কে যে কোনও সিনেমার বিচার না হওয়া পর্যন্ত চলচ্চিত্রটি বিচার করা যায় না, সিং বলেন, প্রথম গান ‘ঘুমার’ কেবল রানী পণ্ডামাটিকে ভুল চিত্র প্রদর্শন করে।”যদি চলচ্চিত্রটি ইতিহাস বলে প্রমাণিত হয় এবং তার সৃষ্টিকর্তা রেকর্ডে পরিণত হয় তবে তিনি দাবি করেন যে তিনি সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা মনে রেখেছেন, এটি একটি শৈল্পিক এবং ঐতিহাসিক জালিয়াতি। “চলচ্চিত্রটি উপাসনা পরিশোধ করতে সম্মত হয়,” তিনি লিখেছিলেন।রয়াল সদস্য ভবিষ্যতে প্রজন্মের উপর চলচ্চিত্র প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ উদ্বেগ, যারা একটি বিকৃত ইতিহাস দেখতে হবে। “জনসাধারণের একটি প্রশ্ন ক্ষমতা এবং উদ্দেশ্য করতে আগে আমাদের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি এই পদ্ধতিতে হলে অনুমতি সরকার, “তিনি বলেন। সিং বলেছেন যে জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং একটি সম্প্রদায়ের অনুভূতি আঘাত করা ভারতীয় সংবিধানের অধীন অপরাধ, তবে সমগ্র পরিস্থিতি শুধুমাত্র প্রস্তুতকারকদের বিনামূল্যে প্রচার প্রদান করেছে।শেষ পর্যন্ত, সিং বলেন, “জাতীয় স্বার্থ ও ঐতিহ্যের পবিত্রতা ওভাররাইড করতে বাণিজ্যিক স্বার্থগুলিকে সরকার সরকারের ব্যর্থতা এবং সময়ের সাথে সাথে ভালভাবে চলবে না”।বন্টী রানী মুনীরী সিং ভানসালির সমর্থনে এসেছিলেন এবং “চলচ্চিত্রের মুক্তি প্রথম” বলে চিঠির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই চিঠি আসে।ঐতিহাসিক ঘটনাগুলির সাথে তর্কবিতর্ক করার জন্য শ্রী রাজপুত্তুর কর্ণ সেন সহ বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক দলগুলির প্রতিবাদে দীপিকা পাড়ুকোন, রণবীর সিং, এবং শহিদ কাপুরের অভিনয় নিয়ে চলছে নাটক। কার্নি সেনা, যা জয়পুরের মুভিতে ছিটকে পড়ে এবং গত মাসে আবারও ভানসালীকে মারধর করে, পরিচালককে সতর্ক করে দেয় যে, চলচ্চিত্রটি ঐতিহাসিক তথ্য বিকৃত হয়ে গেলে সে তার পরিণতির মুখোমুখি হবে। ছবিটি ডিসেম্বর 1 তারিখে থিয়েটারে আঘাত করার জন্য প্রস্তুত।

Design a site like this with WordPress.com
Get started