দীপিকা বলেছে দেখি কে আটকায় পদ্মাবতী মুক্তি হওয়া থেকে, তাই দেখে সুব্রমানিয়ম উত্তর দেয়..


বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন তার আসন্ন সিনেমা ‘পদ্মাবতী’ এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আজ, এই চলচ্চিত্রের মুক্তির আগেও এই বিষয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের সময়ও সারা দেশে চলচ্চিত্রের বিরোধিতা হচ্ছে। কিছু লোক ভানসালির উপর ও আক্রমণ করে। মানুষ এই ঘটনা নিয়ে রাগান্বিত যে তারা মনে করে যে আমাদের ইতিহাসকে উল্টো ভাবে পস্তুত করা হয়েছে এই চলচ্চিত্রেদীপিকা চলচ্চিত্রের প্রধান নায়িকা, টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে একটি কথোপকথনে বলেন: “এটা সম্পূর্ণভাবে দরিদ্র। আমরা কোথায় এসেছি? আমরা একটি জাতি হিসাবে কোথায় এসেছি? আমরা সত্যিই পরিবর্তন করছি? দীপিকা বলেন যে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানটি যার জন্য আমরা জবাব দিহিতা হয় সেন্সর বোর্ড এবং আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত যে কোনও চলচ্চিত্র মুক্তি পায় না। এই চলচ্চিত্রটি এই শিল্পের জন্য বড় জয় হয়ে দাঁড়াবে যেমনটি বড় পর্দায় প্রদর্শিত হবে।

আবারও দিল্লির ট্যাক্সিতে গণধর্ষন এক মহিলার..

মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে এক মহিলাকে গণধর্ষণের পর তাঁর গয়না, টাকা, ফোন লুঠ করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ট্যাক্সিচালক ও তার সঙ্গীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার গভীর ঘটনাটি ঘটে গ্রেটার নয়ডায়।মহিলার পরিবার ও বন্ধুদের দাবি, ওই দুই অভিযুক্ত ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ডিংও করে রাখে। পুলিশের কাছে গেলে সেই ভিডিও বাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও মহিলাকে হুমকি দেয় তারা।

মহিলা পুলিশকে জানান, রোহিনিতে যাওয়ার জন্য দিল্লির হজ খাস এলাকা থেকে একটি ট্যাক্সিতে ওঠেন তিনি। ধৌলা কুঁয়া থেকে ট্যাক্সিতে আরও এক ব্যক্তিকে গাড়িতে তোলে চালক। কিছু দূর এগোতেই হঠাত্ই গাড়ির মুখ ঘুরিয়ে গ্রেটার নয়ডার পারি চক এলাকায় একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় সে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চালক এবং গাড়িতে থাকা ওই ব্যক্তি তাঁর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তাঁর পরনের গয়না, ১২ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় তারা। বুধবার ভোর ৫টায় কোনও রকমে নিজের বাড়িতে পৌঁছন মহিলা। তার পরই তাঁর পরিবার পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানিয়ে অপহরণ এবং গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন ট্যাক্সিচালক ও তার সঙ্গীর বিরুদ্ধে। দিল্লি পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিসিপি (দক্ষিণ) চিন্ময় বিসওয়াল বলেন, “হজ খাস থানায় একটি গণধর্ষণ ও ডাকাতির মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার জন্য একটা বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।”

মোদী আমলে মুডিজে বাড়লো ভারতের রেটিং- কিভাবে লাববান হবেন আপনি জানুন একপলকে …

শুক্রবার আমেরিকার এই সংস্থাটি ভারতের ক্রেডিট রেটিং আপগ্রেড করে। সেই রেটিং অনুযায়ী ভারতের অবস্থান এখন ‘বিএএ2’। প্রায় 13 বছর পর ভারতের ক্রেডিট রেটিং বাড়াল মুডি’জ। 2004-এ যখন শেষ আপগ্রেড হয়েছিল, তখন ভারতের রেটিং ছিল ‘বিএএ৩’। নিম্নতম লগ্নিকে এই রেটিংয়ের পর্যায়ে ফেলা হয়।নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশের আর্থিক পরিকাঠামোর উন্নয়নে নন-পারফর্মিং লোন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতি এবং ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার-এর মতো যে সব নীতি গ্রহণ করেছে সেগুলির প্রশংসা করে মুডি’জ জানিয়েছে, কেন্দ্র যদি এ ধরনের সংস্কারগুলো বজায় রাখতে পারে, তা হলে আগামী দিনে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি একটা বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছবে।মুডি’জ-এর এই রেটিং বৃদ্ধির খবর আসতেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। দিনের শুরুতেই প্রায় 400 পয়েন্ট ওঠে সেনসেক্স।নরেন্দ্র মোদী সরকারের ব্যাপক আর্থিক ও প্রতিষ্ঠানগত সংস্কারের নিরিখে এ বার ভারতের ক্রেডিট রেটিং করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মুডি’জ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিএসটি, নোটবন্দি-সহ বেশ কিছু আর্থিক সংস্কারের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি এখন বেশ ভাল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেটা প্রত্যাশিত আশার মাত্রাও ছাড়িয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। শুধু তাই নয়, এমন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ভারত সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে, যেগুলো মনে করা হচ্ছে, দেশের বাণিজ্য, উত্পাদন, দেশি ও বিদেশি লগ্নির ক্ষেত্রে উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

breaking news – সঞ্জয় লীলা ভানসালির ‘পদ্মাবতী’ রিলিজের তারিখ পরিবর্তন হতে চলেছে কেন জানুন..


সঞ্জয় লীলা ভানসালির ‘পদ্মবতী’ চরিত্র নিয়ে এখুন সারা দেশ থেকে এক গুরুতপূর্ণ বিবাদ তৈরী হয়েছে, এখুন আর বেশি সময়নেই সিনেমাটি রিলিজ হবার জন্য 1 ডিসেম্বর 2017 তারিখে নির্ধারিত করা হয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে চলচ্চিত্রটি মুক্তি নাও হতে পারে এই দিন। নতুন উত্স অনুযায়ী, ছবিটি বিলম্বিত হতে পারে এবং আগামী বছরের 12 জানুয়ারি মুক্তি পারে। পদ্মবতীর উপর নিষেধাজ্ঞা দাবির জন্য নির্দিষ্ট ফাঁকফোকর গোষ্ঠীর ব্যাপক বিক্ষোভ হয়।রাজপুত কার্নি সেনা সদস্যরা খোলাখুলিভাবে এই চলচ্চিত্রের বিরোধিতা করেছেন এবং এই বিতর্কের ওপর সিনেমার মূল চরিত্র করার জন্য প্রধান অভিনেতা দীপিকা পাড়ুকোনকে নিন্দা করা হচ্ছে। সর্বশেষটি হল এই সিনেমার পুনর্বিবেচনা করার জন্য সিন্সার বোর্ডে ফেরত পাঠানো হয়েছে।এর আগে, এএনআই উদ্ধৃত করে রাজশাহী কর্ণী সেনা প্রধান লোকেন্দ্র সিং কালভি বলেন, এই সত্যটি কে সহ্য করবে যে রাণী পদ্মাবতীকে আল্লাদিন খিলজীর প্রেমিক হিসেবে দেখানো হচ্ছে ? দীপিকা তার বিবৃতিতে, বলেন যে তিনি এই জাতির সভাপতি নন যে সে আমাদের বিরক্ত করার চেষ্টা করছে তার পর আবারও রাজপুত কার্নি সেনার প্রতিষ্ঠাতা বলেন আমি, রাজপুত কার্নি সেনার প্রতিষ্ঠাতা, বলছি যে এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাবে না। এই চলচ্চিত্রে রণবীর সিংহ এবং আলাউদ্দিন খিলজি এবং শহীদ কাপুরের মহৎ রত্ন সিংকে ভূমিকায় অভিনয় করেন তাদেরও এক মত দীপিকার সাথে।

জম্মু ও কাশ্মীরে আরো কতো সামরিক বাহিনীর ব্যবহার হতে চলেছে ? জানুন পুরো বিসয়টি..


নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীরে আরো সামরিক বাহিনীর ব্যবহার এই বেপারে অধিকাংশ ভারতীয় এটাকে সমর্থন করেছে, পিউ সার্ভের এমন দাবি,এমন সময় যখন সমাজের অনেক অংশে জম্মু ও কাশ্মীরের কিছু অঞ্চলে এফএসপিএর অপসারণের দাবি জানাচ্ছে, 60 শতাংশের বেশি জরিপকারীরা বিশ্বাস করে যে কেন্দ্রকে রাষ্ট্রের আরও সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা উচিত, আমেরিকান টেক্ট টাঙ্ক শুক্রবার শুক্রবার পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়।


জম্মু ও কাশ্মীরের বিতর্কিত সীমান্ত অঞ্চলগুলির সাথে কথা বলার সময়, ভারতীয় জনসাধারণ একটি আগ্রাসী মনোভাবের পক্ষে সমর্থন করে। 63 শতাংশ বিশ্বাস করে সরকারকে আরো সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা উচিত। কিছুটা বলছে ভারতকে কম বল প্রয়োগ করা উচিত বা এমনকি একই পরিমাণ ব্যবহার করা উচিত যা বর্তমানে ব্যবহার করছে, পিউ জরিপ প্রতিবেদনটি বলেছে।গত বছরের জুলাই মাসে নিরাপত্তা বাহিনী হিজবুল মুজাহিদীনের জঙ্গি বোরহান ওয়ানিকে হত্যার পর থেকেই রাজ্যের প্রান্তে এসে পড়েছে। তখন থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী ও বেসামরিক মানুষদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ দেখা দিয়েছে।জরিপে দেখা যায়, ভারতীয়রা পিউ রিসার্চ সেন্টার জরিপের ক্ষেত্রে নেতিবাচক রেটিং দিলেও 2017 সালে তাদের অনীহা বেড়ে গেছে। ভারতে ছয় ইঞ্চি-তে (64 শতাংশ) পাকিস্তানে অত্যন্ত প্রতিকূল দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে , গত বছর 55 শতাংশ থেকে বেড়েছে।বিজেপি এবং কংগ্রেস দলের সমর্থকরা ভারতের দীর্ঘমেয়াদী বিদেশী প্রতিপক্ষ (70 শতাংশ বিএসএফ 63 শতাংশ খুব অপ্রত্যাশিত) এর জন্য নেতিবাচক মনোভাবের অনুরূপ মাত্রার প্রকাশ করে।21 শে ফেব্রুয়ারি এবং 10 মার্চ মধ্যরাতের জরিপে সারা দেশের 2,464 জন মানুষ শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকায় মতামত চেয়েছিল।

রাহুল গান্ধীর হাস্যকর নাম পাপ্পু এর পরিবর্তে নতুন নাম কি জানেন ? জানলে হেসে হেসে….

রাজনীতিতে নেতা নেত্রীদের নাম পরিবর্তন করে তাদের কটাক্ষ করার প্রচলন অনেকদিনের।আর সেই প্রচলনের শিকার হয়েছেন রাহুল গান্ধীও
আসলে এতদিন কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে পাপ্পু বলে কটাক্ষ করতেন বিজেপি এর নেতা কর্মীরা।আসন্ন গুজরাট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টান টান উত্তেজনার মধ্যে রাহুল গান্ধীকে আপাতত পাপ্পু বলে কটাক্ষ না করার অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।কিন্তু তাই বলে বিজেপি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করা ছেড়ে দেবে তা তো হয় না।তাই এবার রাহুল গান্ধীকে নতুন নামে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে বিজেপি নেতা নেত্রীরা এবং বিজেপি সমর্থকেরা।রাহুল গান্ধীকে এখন বিজেপির নেতারা ‘যুবরাজ’ নামে কটাক্ষ করা শুরু করেছেন।রাহুল গান্ধীকে পাপ্পু বলে কটাক্ষ করে অনেক ভিডিও বিজ্ঞাপনিতে বিজেপি রাহুলকে খোঁচা মেরেছে কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় বন্ধ হয়ে যায় কটাক্ষ ।তাই এবার বিজেপি আবারও নতুন  নাম দিয়ে কটাক্ষ করে তার ভিডিও বিজ্ঞাপনী দেওয়া শুরু করে দিয়েছে।যদিও ‘যুবরাজ’ নামে কোনো আপত্তি দেখায়নি নির্বাচন কমিশন। তাই এই নতুন নামকে কেন্দ্র করে বিজেপি শুরু করে দিয়েছে তাদের প্রচার এবং একইসঙ্গে রাহুল গান্ধীকে খোঁচা মারা।

দেখুন রাহুলকে কটাক্ষ করা ভিডিও বিজ্ঞাপন

মার্কিংযুক্তরাস্ট্রের সমীক্ষায় মোদীর পপুলারিটি বর্তমানে কতো ? পড়ুন এই বিশেষ প্রতিবেদনটি..


সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অর্থনীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের ইতিবাচক মনোভাবের কারণেই জনপ্রিয়তা বেড়েছে নরেন্দ্র মোদির। দশের জন্য আট জনই বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভাল। বস্তুত, 2014 লোকসভা ভোটের পর যত সংখ্যক মানুষ দেশের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন, তার থেকে এখন 19 শতাংশ বেশি মানুষ মোদির অর্থনৈতিক নীতিকে সমর্থন জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, প্রাপ্তবয়স্কদের বড় অংশই আবার বলছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব ভাল। গত তিন বছরে সেই সংখ্যা বেড়েছে প্রায় তিনগুণ হারে। সবমিলিয়ে দশ জনের ভারতীয়ের মধ্যে সাতজনই যেভাবে দেশ চালাচ্ছেন মোদি, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।গত বছরের নভেম্বরে রাতারাতি নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এবছর চালু হল জিএসটি। এই দুটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দেশজুড়ে এখন মোদি বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। তাঁদের অভিযোগ, নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ব্যর্থ। আর জিএসটি-র ক্ষেত্রে অযথা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, ঘটনা হল, এতকিছুর পরেও এখনও এদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিটি হল নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদিই। জনপ্রিয়তার বিচারে কংগ্রেস সহ-সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি, সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কয়েক যোজন পিছনে ফেলে দিয়েছেন তিনি। একটি মার্কিন সংস্থার সমীক্ষায় এমনই তথ্য মিলেছে।ভোটমুখী গুজরাটে রাহুল গান্ধীর সক্রিয়তা নজর কে়ড়েছে রাজনৈতিক মহলের। বস্তুত, জিএসটি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুদ্ধ সুরাতের বস্ত্র ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশ। এসব দেখে অনেকেই বলছেন, নিজের রাজ্যেই বিধানসভা ভোটে রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছেন মোদি। প্রশ্ন উঠছে, 2019 সালে লোকসভা ভোটে কী কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে মোদিকে? তাঁর নেতৃত্বে কী আস্থা হারাচ্ছেন দেশবাসী? তবে মোদির জনপ্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করা তো অনেক দূরের ব্যাপার, তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেননি রাহুল গান্ধী। অন্তত এক মার্কিন সংস্থার সমীক্ষা তো তাই বলছে। চলতি বছরের ফ্রেরুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এদেশে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল মার্কিন সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার। সেই সমীক্ষা দেখা গিয়েছে, এখনও দেশের 88 শতাংশ মানুষই মোদির উপর আস্থা রাখছেন। রাহুল গান্ধীর প্রতি আস্থাশীল মোটে 58 শতাংশ মানুষ। আর কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সমর্থন করেছেন যথাক্রমে 57 শতাংশ ও 39 শতাংশ মানুষ।সুতরাং, সমীক্ষা থেকে এটা পরিস্কার, গত তিন বছরের শাসনকালে দেশে মোদির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। কিন্তু, রাজ্যওয়াড়ি বা অঞ্চলভিত্তিক জনপ্রিয়তার বিচারে মোদির অবস্থান ঠিক কেমন? সমীক্ষা বলছে, 2015 সাল থেকে উত্তর ভারতে মোদির জনপ্রিয়তা মোটের উপর একই আছে। তবে পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে প্রধানমন্ত্রী জনপ্রিয়তার কিছুটা বেড়েছে। তুলনামূলকভাবে পূর্ব ভারতে মোদি ততটা জনপ্রিয় নন।

মোদীজী কি সত্যিই সকলকে 15 লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন ? আসল সত্য কি দেখুন ভিডিও |

2014 সালে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদি তখন ঝড়ের বেগে গোটা দেশে জনসভা করে বেড়াচ্ছিলেন। এমনই এক সভায় তিনি বিদেশে ভাতীয়দের গচ্ছিত কালো টাকার প্রসঙ্গ তোলেন। সেখানে তিনি মোট টাকার পরিমাণ বোঝানোর জন্য একটি উদাহরণ দেন -” এত কালো টাকা বিদেশী ব্যাঙ্কে আছে যে দেশে ফেরাতে পারলে এক এক জনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-এ 15-18 লাখ টাকা হবে” । অর্থাৎ বিদেশে জমানো কালো টাকার পরিমাণ এতটাই বড়।

দেখুন সেই ভিডিওটি 

কিন্তু সেদিনকার ভাষণ শুনে এমন কোথাও দেখা যাচ্ছেনা যে তিনি সবার অ্যাকাউন্ট-আ ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু বিরোধী পার্টি এবং এক শ্রেণীর মিডিয়া এই বক্তব্যটাকেই নিজেদের মত করে জনতার কাছে প্রচার আজও করে চলেছেন। এবং আজও বিকেলের টিভি বিতর্কে আসা বিজেপির প্রতিনিধিকে চুপ করানোর জন্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা এই প্রশ্নটাই করেন।ভারতের রাজনীতিতে ভোটের জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রতি দেওয়া বা কোন কথাকে ভুল ব্যাখ্যা করে প্রচার করা নতুন কিছু না। অহু বছর ধরেই সেটা হয়ে আসছে। তবে আগের সময় আর এখনকার সম্য আলাদা। আগে শুধু মাত্র সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমেই লোকে খবর জানতে পারতো। কিন্তু বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যেকোন খবর এক মুহুর্তেই সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং জথারীতি এই আধুনিক যোগাযোগের মাধ্যমকে ভালো খারাপ দুই কাজেই ব্যবহার করাও হচ্ছে। বর্তমানের দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল এর মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে । সোশ্যাল মিডিয়াকে অপব্যবহার করার তালিকায় আছে ডান বাম সমস্ত দলই।

বিজেপি সমর্থকরা সাবধান হোন কিছু ভুয়ো নেতা নেত্রী দের থেকে- পড়ুন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি

সোশ্যাল মিডিয়া  থেকে সাবধানতা অবলম্বন করতে বললেন বিজেপি বঙ্গ ব্রিগেড।তাদের মতে কিছু লোক সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের এমন ভাবে প্রচার করছেন যেন তাঁরা বিজেপির প্রতিনিধি।অথচ এরাই কিছুদিন আগে বিজেপি নিয়ে বাজে মন্তব্য করতে পিছুপা হতো না।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির মতে এরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাবে নিজেদের নিজস্বী তুলে প্রচার করছেন যেন তারা বিজেপির কোনও বড় নেত্রী বা নেতা।এক বিজেপি নেতার অভিযোগ রানী রাসমণি রোডে বিজেপি সভার দিন ২ জন সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলফি তুলে নিজেদের বিজেপি নেতা বলে দাবি জানিয়েছিল।উক্ত দুই ব্যাক্তি নাকি মুকুল রায় এর হাত ধরেও বিজেপিতে ঢোকার চেষ্টা চালাচ্ছিল এবং এখনও চেষ্টা চালাচ্ছে,কিন্তু সংগঠনের তৎপরতায় তা হতে দেওয়া হয়নি। ২০১৪ সালের গেরুয়া ঝড়ের পর ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যেতে থাকে বিরোধী দলগুলি।এই সময় কিছু দালাল লোক পদ পাওয়ার জন্য বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিশেষ পদের দাবি জানতে শুরু করেছিল যার ধারা এখনো শেষ হয়নি।বিজেপির মতে এদের আসল উদ্দেশ পদ দখল করা।উন্নয়নের জন্য এরা যোগদান করতে চাই না।যেটা বিজেপি কোনোদিনই মেনে নেয়নি। বিজেপির মতে,পশ্চিমবঙ্গে যেহেতু বিজেপির শিকড় দিন দিন শক্ত হচ্ছে তাই এবার ভুয়ো ব্যাক্তিরা উঠে পড়ে লেগেছে বিজেপিতে যোগ দিয়ে দলটাকে নষ্ট করতে ।সেটা যাতে না হয় তাই আগে হতেই সাবধান করল বঙ্গ বিজেপি।

ফের ধাক্কা কেরলের বাম সরকার, জমি কেলেঙ্কারিতে ইস্তফা কোন মন্ত্রীর জানুন…


ফের ধাক্কা খেল কেরলের বাম সরকার। এক বছরের মধ্যে পদত্যাগ করতে হল পিনারায়ি বিজয়ন সরকারের তৃতীয় মন্ত্রীকে। জমি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানো সত্ত্বেও মন্ত্রিত্ব ধরে রাখতে মরিয়া ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী টমাস চান্ডি। দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রিত্ব ছাড়তে রাজি ছিলেন না কেরল বিধানসভার সবচেয়ে ধনী এই সদস্য। বাদ সাধল হাইকোর্ট। নিজের সরকারকেই চ্যালেঞ্জ করছেন চান্ডি, ক্যাবিনেটের যৌথ দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করছেন তিনি— এই ভাষাতেই মঙ্গলবার পরিবহণ মন্ত্রীকে ভর্ৎসনা করেছে করেছে কেরল হাইকোর্ট। তার পরই আজ মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দিয়েছেন টমাস চান্ডি।

আলাপ্পুঝার জেলাশাসকের দেওয়া এক রিপোর্টেই টমাস চান্ডির বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। ওই জেলায় ব্যাকওয়াটারের ধারে টমাস চান্ডির একটি রিসর্ট রয়েছে। তিরুঅনন্তপুরম থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী ওই রিসর্টের জন্য পার্কিং লট এবং একটি রাস্তা বানাতে পরিবহণ মন্ত্রী টমাস চান্ডি একটি জলাশয়ের পথ বদলে দিয়েছেন এবং একটি কৃষিজমিকে অবৈধ ভাবে দখল করেছেন বলে গত মাসে দেওয়া ওই রিপোর্টে জানান জেলাশাসক।জেলাশাসকের রিপোর্ট মানতে চাননি মন্ত্রী। তিনি হাইকোর্টে এই রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ জানান। কিন্তু কেরল হাইকোর্ট মঙ্গলবার যে পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করে, তা জেলাশাসকের রিপোর্টের পক্ষেই যায়। নিজের সরকারের দেওয়া রিপোর্টের বিরুদ্ধেই কী ভাবে মামলা করছেন মন্ত্রী? বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত। ‘‘মন্ত্রী যা করছেন, তা ক্যাবিনেটের যৌথ দায়বদ্ধতা লঙ্ঘন করার সামিল।’’ মঙ্গলবার জানায় হাইকোর্ট।আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পরে মন্ত্রিত্বে টিকে থাকা তাঁর পক্ষে যে কঠিন, কেরলের শাসক জোট বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের শরিক এনসিপি-র বিধায়ক টমাস চান্ডি তা বুঝে গিয়েছিলেন। তাই আজ তিনি মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দিয়েছেন। স্বজনপোষণ বা দুর্নীতির দায়ে গত এক বছরে এই নিয়ে তিন জন মন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হল পিনারায়ি বিজয়নের ক্যাবিনেট থেকে।
Design a site like this with WordPress.com
Get started