অরুন জেটলি রাহুলকে দিলেন এমন কড়া যোগ্য জবাব, যে শোনার পর বিরোধীরা পুরো চুপ ! দেখুন সেই ভিডিও

সনিয়া গাঁধীর পাল্টা জবাব দিলেন অরুণ জেটলি।গুজরাতের ভোটের আগে বিরোধীরা যাতে মোদী সরকারের কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে, সে জন্যই আজেবাজে কারণ দেখিয়ে সরকার সংসদের অধিবেশন এড়িয়ে যেতে চাইছে বলে অভিযোগ এনেছেন সনিয়া। এই আক্রমণের মুখে কংগ্রেসের অতীতকে টেনে এনেই আজ পাল্টা তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জেটলি। তাঁর দাবি, ভোটের আগে সংসদের অধিবেশন বসার দিন এদিকওদিক করার ব্যাপারটা আগে অনেকবারই ঘটেছে।সাধারণ ভাবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বসে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে থাকে অধিবেশন। এ বার এই সময়টাতেই এসে গিয়েছে ভোট। গুজরাতের বিধানসভা ভোট দুটি পর্বে, ডিসেম্বরের ৯ ও ১৪ তারিখে। সূত্রের খবর, সরকার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের দিন কাঁটছাট করে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে দশ দিনের জন্য অধিবেশন বসাতে চলেছে। ভোটের আগে এ ভাবে সংসদকে পাশ কাটানোর উদ্যোগ নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

তবে জেটলি এ দিন দাবি করেন, ভোটের সময়ে সংসদের অধিবেশন যাতে না বসে, বিভিন্ন সময়ে সেই উদ্যোগ কংগ্রেসও নিয়েছে। ২০১১ সালে সনিয়া গাঁধীর দল যখন ক্ষমতায়, তখনই এমন ঘটনা ঘটেছিল। তখন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, সংসদ চললে ভোটের প্রচারে অসুবিধা হবে। সাংবাদিকদের কাছে জেটলি দাবি করেন, এ বার সংসদের অধিবেশনে কংগ্রেসের চরিত্রকে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে। কারণ, ‘‘দশ বছর ধরে এ দেশে সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্থ সরকার ছিল কংগ্রেসের। আর নরেন্দ্র মোদীর সরকার সব থেকে সৎ। সত্যিকে জোর করে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরতে চাইলেই তা মিথ্যা হয়ে যায় না,

দেখুন সেই ভিডিওটি

                               
                                   

ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম বিশ্বাসযোগ্যতায় বিশ্বে তৃতীয় স্থান মোদী সরকারের জানুন বিস্তারিত..

মুডিজ-এর পর এ বার ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম (ডব্লুইএফ)। প্রায় ১৩ বছর পর ভারতের রেটিং বাড়িয়ে গুজরাত ভোটের আগে বিজেপিকে কিছুটা অক্সিজেন দিয়েছিল মুডিজ। আর এ বার বিশ্বাসযোগ্যতার নিরিখে মোদী সরকারকে তিন নম্বরে রেখে আরও কিছুটা স্বস্তি দিল ডব্লুইএফ।তাদের সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে ডব্লুইএফ জানিয়েছে, বিশ্বাসযোগ্যতার নিরিখে বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় মোদী সরকার।তালিকায় সুইৎজারল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়া পরেই রয়েছে ভারতের স্থান।বিশ্বব্যাপী এক সমীক্ষা চালায় অর্গানাইজেশন ফর ইকনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি)। সেই সমীক্ষার উপর ভিত্তি করেই বিশ্বাসযোগ্য দেশের তালিকার প্রকাশ করেছে ডব্লুইএফ। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  বিশ্বের অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য সরকারের প্রধান। প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভারতীয় জানিয়েছেন,সরকারের উপর তাঁদের আস্থা রয়েছে।’’ ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার দুর্নীতি রুখতে যে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং কর ব্যবস্থার সংস্কার করেছে, তার ফলে দেশের আমজনতার আস্থা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রায় ৭৪ শতাংশ ভারতীয় জানিয়েছেন, তাঁরা মোদী সরকারের কাজে খুশি।সাড়ে তিন বছর কেটে গেলও বর্তমান এনডিএ সরকার দেশের মানুষের অনেক আশা পূরণ করতে পারেনি, এমন অভিযোগে সরব বিরোধীরা। দুর্নীতি দমনে ব্যর্থতা-সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছে তারা। আর এই তখনই মুডিজের পর ওইসিডি-এই রিপোর্ট মোদী সরকারের হাত অনেকটাই শক্ত করবে, মত বিশেষজ্ঞদের।ওইসিডি-র রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই তা টুইট করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তিনি লেখেন, ‘গত কয়েক বছরে দেশের মানুষ সরকার ও রাজনীতিবিদদের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন। নরেন্দ্র মোদীর নীতি ও নেতৃত্বে সেই আস্থা ফিরে এসেছে। এটা গণতন্ত্রের ভিত্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন ভারতের স্বপ্ন দেখতে পাচ্ছেন প্রত্যেক ভারতীয়।’

মুখ্যমন্ত্রীর বঙ্গবাসী দের গরু প্রদান করার পেছনের কারণটি জানলে আপনি চমকে যাবেন !!

গো-মাতা, গোশালা, গোরক্ষকের রাজনীতির সুফল গো-বলয়ে পেয়েছে বিজেপি। এ রাজ্যেও বাড়ছে তারা। তাই গো-মাতার গুণগ্রাহীদের ধাক্কা দিতে তৃণমূলের বাজি সেই গরুই! অপেক্ষা শুধু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনের। তা মিললে পঞ্চায়েত ভোটের আগেই জেলায় জেলায় গরু বিলিতে নামবে রাজ্যের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দফতর। তবে কোন জেলায় কত গরু, কী ভাবে, কোন শর্তে দেওয়া হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।দফতরের এক কর্তার কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিলে এবং অর্থ দফতর টাকা দিলে প্রকল্প জেলা স্তরে শুরু করতে সময় বেশি লাগবে না। সংশয় একটাই। এত দুধেল গাই আসবে কোথা থেকে?’’ তবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে গরুর এই রচনা ঠিকমতো লিখতে পারলে গেরুয়া শিবিরের গো-মুখী হওয়া তেমন কাজে লাগবে না বলেই মনে করছেন শাসক দলের অনেকে।

গত সপ্তাহে বীরভূমে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ পালনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। সেখানেই প্রথম তিনি গরু বিলির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ভাবে জেলা পিছু এক হাজার গরু দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দফতরের। কিন্তু তা হবে ব্যয়সাপেক্ষ। কারণ, উন্নত মানের দুধেল গাই সারা রাজ্যে বিলি করার মতো পাওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। যদি ভিন্ রাজ্য থেকে গাই কিনে এনে এ রাজ্যে বিলি করতে হয়, তা হলে তার খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে অবশ্য বিকল্প হিসাবে বকনা বাছুর দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপনবাবু বলেন, ‘‘দুধেল গাই না মিললে বকনা বাছুর দেওয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। যে সব দরিদ্র পরিবার গরু পালন করে, সেই গরুর দুধ নিজেরা খায় এবং বিক্রিও করে, তাদের বেছে ওই বাছুরগুলি বিলি করা হবে। এতে ওই পরিবারগুলির দুধের চাহিদা মিটবে এবং কর্মসংস্থানও হবে।দুধের চাহিদা বা কর্মসংস্থান, যে অছিলাই নেওয়া হোক না কেন, আসলে এর পিছনে গরু-রাজনীতি রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। তাদের মতে, এ রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক ময়দানে জাঁকিয়ে বসতে বিজেপি মরিয়া। তার জন্য আরএসএস-সহ গোটা সঙ্ঘ পরিবারের সাহায্য নিয়ে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের খেলায় নেমেছে তারা। হিন্দুদের মধ্যে গরু সংক্রান্ত ভাবাবেগ জাগানো এই কাজে তাদের অন্যতম পছন্দের হাতিয়ার। সেটা বুঝেই গরু-রাজনীতির প্রতিযোগিতায় তাদের হারানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। সেই জন্যই পঞ্চায়েত ভোটের আগে গরু বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।মন্ত্রী স্বপনবাবু অবশ্য এই ব্যাখ্যা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘ভোট বা রাজনীতির সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। আর এটা নতুন কোনও পদক্ষেপও নয়। আগেও এই কাজ হত গরিব পরিবারগুলির আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে।’’ দফতরের কর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, গরু বিলি করলেই যদি রাজনীতি করা হয়, তা হলে রাজ্য সরকার মুরগি-রাজনীতিও করেছে। এ বছরই ৬০ লক্ষ মুরগির ছানা রাজ্য জুড়ে বিলি করা হয়েছে। পোলট্রির ডিম তৈরির জন্য বিশেষ উৎসাহ ভাতা দিচ্ছে সরকার। বছর দুই পর আর দুধ-মাংসের চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ ভারতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।

Love Jihad – নতুন নতুন উপায়ে হিন্দু মেয়েদের শিকার করছে মুসলিম ছেলেরা !পড়ে অন্যদের সতর্ক করুন।

সম্প্রতি মুসলিম স্বামীর বিরুদ্ধে মারধর ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন মুম্বইয়ের  মডেল রশ্মি শাহবাজকের। উনি মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় উনার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাইয়ের করেছেন।তিনি অভিযোগ করেছেন উনার স্বামী উনাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ দিচ্ছে এমনকি মারধরও করছে।বিয়ের পরও রশ্মির স্বামী একটি হিন্দু মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে ইসলাম কবুল করিয়েছেন বলে দাবি রশ্মির।এ বার ‘লাভ জেহাদ’ নিয়ে সচেতন করতে বলিউডের মুসলিম তারকাদের ছবি দেওয়া প্রচারপত্র ও বই স্কুলের ছাত্রীদের হাতে তুলে দিতে চেয়ে বিতর্কের মুখে পড়ল রাজস্থান সরকারের শিক্ষা দফতর।

সূত্রের খবর, রাজ্যের ছাত্রীদের লভ জেহাদ নিয়ে সচেতন করতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। ফলে সরকারের তরফে নির্দেশিকা পাঠিয়ে বিভিন্ন স্কুলকে জানানো হয়েছে, ‘হিন্দু স্পিরিচুয়ালিটি অ্যান্ড সার্ভিস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংস্থার আয়োজন করা মেলায় ছাত্রীদের পাঠাতে। সেখানে বজরং দলের স্টলে রাখা আছে ওই প্রচারপত্র ও বই। ছাত্রী ও তরুণীরা নিজেদের কী ভাবে ‘লভ জেহাদ’ নামে মুসলিম ছেলেদের এই ফাঁদ থেকে বাঁচাবে, তারই বিবরণ রয়েছে তাতে।বইয়ে বলা হয়েছে, ‘হিন্দু বাড়িতে মুসলিম ছেলেদের নিত্য যাতায়াত, পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে গল্প করা, মা-বাবাকে মাতাজি-পিতাজি বলে ডাকা— সবই লভ জেহাদ নামক পরিকল্পনার অংশ। তার পর প্রেমে পড়ে ওই ছেলেকেই বিয়ে করার জেদ ধরে মেয়েটি। বাড়ি রাজি না হলে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। তার পর ধর্ম পরিবর্তন করে ফেলে।’ এ সংক্রান্ত অন্য একটি বইয়ে আবার লেখা, ‘বিয়ের পরে দেহব্যবসা বা জেহাদ ছড়ানোর জন্য কাজে লাগানো হয় মেয়েদের।’

     লাভ জিহাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে নীচে বর্ণনা করা হল :

লাভ জিহাদ এক অন্যতম উপায় হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ধর্মে টেনে আনার ! হিন্দু মহিলাদের ধর্ম পরিবর্তনে গত হাজার বছর ধরে লভ জেহাদকে ব্যবহার করে আসছেন মুসলিমরা। এর উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলিউড তারকা আমির খান ও সইফ আলি খানের নাম সহ অনেকে।এই দু’জনই হিন্দু স্ত্রীদের ত্যাগ করে আবার হিন্দু মহিলাদেরই বিয়ে করেছেন।

কিভাবে হিন্দু মেয়েদের ফাঁসানো হচ্ছে লাভ জিহাদে :

১. অনেক ক্ষেত্রে মুসলিম ধর্মের ছেলে হিন্দু ধর্মের মেয়েকে টাকার ও সম্পত্তির প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বিয়ে করে এবং তাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়।

২. হিন্দু বাড়িতে মুসলিম ছেলেদের নিত্য যাতায়াত, পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে গল্প করা, মা-বাবাকে মাতাজি-পিতাজি বলে ডাকা— সবই লভ জেহাদ নামক পরিকল্পনার অংশ।
 তার পর প্রেমে পড়ে ওই ছেলেকেই বিয়ে করার জেদ ধরে মেয়েটি। বাড়ি রাজি না হলে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। তার পর ধর্ম পরিবর্তন করে ফেলে।’

৩.অন্য ধর্মের যুবকরা সোশ্যাল মিডিয়াতেও ফেক আইডি বানিয়ে হিন্দু মেয়েদের সাথে কথা বলছে এবং তাঁদের প্রেমের ফাঁদে ফেলছে এবং পরে মেয়েটিকে বিবাহ করে তাঁকে ওই ছেলেটির ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।সম্প্রীতি পুলিশ অনেক এমন ছেলেকে গ্রেপ্তারও করেছে যারা ফেইসবুক বা অন্যত্র ফেক আইডি বানিয়ে হিন্দু মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলছে।

৪. অনেক সময় আত্মহত্যা করার ভয় দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেরা !!

৫. অনেক সময় টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা হয় এই সকল মহিলাদের !!

৬. অনেক সময় ভালো কোনো কিছু কাজ করে দেওয়ার পরিবর্তে এই ফাঁদে পড়ে যায় অজান্তে !!

সতর্ক কিভাবে করবেন হিন্দু মেয়েদের :

হিন্দু মেয়েকে এই লাভজিহাদের থেকে রক্ষা পেতে হলে অবশ্যই উপরের লেখাগুলি মাথায় রাখতে হবে এবং যদি আপনাকে অন্য ধর্মের কোনো ছেলে প্রেম বা বিয়ের প্রস্তাব দেয় তাহলে আপনি তাকে অব্যশই তাঁকে আপনার ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করার প্রস্তাব দেবেন।
এটা 100% যে তারা কখনোই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করবে না !! এর মানে সে কোনো ভালোবাসে
না এটা জেনে রাখবেন !!

ফলাফল :

প্রথমত মেয়েটিকে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করতে হয় ও সেই ধর্মের সব কিছু করতে হয় । তারপর আর কয়েকটি মুসলিম ছেলে জন্মগ্রহণ করে সেই মেয়ে থেকে !
লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে মেয়েটি যদি তার ধর্ম পরিবর্তনের বিরুদ্ধে যায় তাহলে তাকে শারীরিকজানলে আপনি রেগে লাল হয়ে যাবেন !  ও মানসিকভাবে অত্যাচার করা হয় যাতে সে ইসলাম কবুল করতে বাধ্য হয়।মেয়েটি যদি কোনো ক্রমেই ইসলাম না মেনে নেই তখন সেই মেয়েটিকে দেহ ব্যাবসার কাজে জোরজবস্তি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

এ সংক্রান্ত অন্য একটি বড় তথ্য হলো  ‘বিয়ের পরে দেহব্যবসা বা জেহাদ ছড়ানোর জন্য কাজে লাগানো হয় মেয়েদের।’আর যদি কোনোভাবে মেয়েটি ওই অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে তাহলে তখন তাঁকে তাঁর পরিবার মেনে নেয় না,কারণ সে অন্য ধর্মের ছেলের সাথে পালিয়ে বিয়ে করেছে ।এই অবস্থায় মেয়েটি আত্মহত্যা ছাড়া কিছু পথ খুঁজে পাই না।

১০০ বছরে তলিয়ে যাবে এই শহরগুলি ! বলছে নাসা …


১০০ বছরে তলিয়ে যাবে এই শহরগুলি !









Big Breaking – টুইটার ব্যান্ড করলো পাকিস্তানী সেনার ভেরিফাইড একাউন্ট , কিন্তু কেন ? … পড়ুন চাঞ্চল্যকর তথ্য !!


ফের মিথ্যা ছবি কাণ্ড, ফের ভারত সম্পর্কে অপপ্রচার পাকিস্তানের তরফ থেকে। তার জেরে পাকিস্তান ডিফেন্স-এর টুইটার হ্যান্ডলটাই সাসপেন্ড করে দিল কর্তৃপক্ষ। দিল্লির জামা মসজিদের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণীর ছবি নিজেদের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল পাকিস্তান ডিফেন্স। কিন্তু প্ল্যাকার্ডে আসলে যা লেখা ছিল, নিজেদের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা ছবিটিতে কারচুপি করে সেই লেখা বদলে দিয়েছিল পাকিস্তান ডিফেন্স। কারসাজি ধরা পড়তেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে টুইটারে। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয়েছে ‘ডিফেন্সপিকে’ নামের ওই টুইটার হ্যান্ডলটি।  দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কবলপ্রীত কউর নিজের একটি ছবি শনিবার শেয়ার করেছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল, তিনি দিল্লির জামা মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড রয়েছে, তাতে লেখা, ‘‘আমি ভারতের নাগরিক এবং আমি আমাদের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের পক্ষে।’ভারতীয় পড়ুয়ার এই ছবিকেই হাতিয়ার করে পাকিস্তান ডিফেন্স। নিজেদের হ্যান্ডলে এই ছবি টুইট করে তারা। কিন্তু ফোটোশপের কারসাজিতে প্ল্যাকার্ডের বিষয়বস্তু বদলে দেয়। সেখানে লেখা হয়, ‘‘আমি একজন ভারতীয়, কিন্তু আমি ভারতকে ঘৃণা করি কারণ ভারত হল একটি ঔপনিবেশিক অস্তিত্ব যারা নাগা, কাশ্মীরি, মণিপুরি, হায়দরাবাদ, জুনাগড়, সিকিম, মিজোরাম, গোয়ার মতো জাতিগুলিকে দখল করেছে।’’








Big Breaking – টুইটার ব্যান্ড করলো পাকিস্তানী সেনার ভেরিফাইড একাউন্ট , কিন্তু কেন ? … পড়ুন চাঞ্চল্যকর তথ্য !!

ফের মিথ্যা ছবি কাণ্ড, ফের ভারত সম্পর্কে অপপ্রচার পাকিস্তানের তরফ থেকে। তার জেরে পাকিস্তান ডিফেন্স-এর টুইটার হ্যান্ডলটাই সাসপেন্ড করে দিল কর্তৃপক্ষ। দিল্লির জামা মসজিদের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক তরুণীর ছবি নিজেদের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করেছিল পাকিস্তান ডিফেন্স। কিন্তু প্ল্যাকার্ডে আসলে যা লেখা ছিল, নিজেদের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা ছবিটিতে কারচুপি করে সেই লেখা বদলে দিয়েছিল পাকিস্তান ডিফেন্স। কারসাজি ধরা পড়তেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে টুইটারে। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয়েছে ‘ডিফেন্সপিকে’ নামের ওই টুইটার হ্যান্ডলটি।  দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী কবলপ্রীত কউর নিজের একটি ছবি শনিবার শেয়ার করেছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল, তিনি দিল্লির জামা মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড রয়েছে, তাতে লেখা, ‘‘আমি ভারতের নাগরিক এবং আমি আমাদের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের পক্ষে।’ভারতীয় পড়ুয়ার এই ছবিকেই হাতিয়ার করে পাকিস্তান ডিফেন্স। নিজেদের হ্যান্ডলে এই ছবি টুইট করে তারা। কিন্তু ফোটোশপের কারসাজিতে প্ল্যাকার্ডের বিষয়বস্তু বদলে দেয়। সেখানে লেখা হয়, ‘‘আমি একজন ভারতীয়, কিন্তু আমি ভারতকে ঘৃণা করি কারণ ভারত হল একটি ঔপনিবেশিক অস্তিত্ব যারা নাগা, কাশ্মীরি, মণিপুরি, হায়দরাবাদ, জুনাগড়, সিকিম, মিজোরাম, গোয়ার মতো জাতিগুলিকে দখল করেছে।’’

হয় জেল, না হয় এনকাউন্টার অপরাধজগতকে যোগীর হুঙ্কার দেখুন..

হয় জেল, না হয় এনকাউন্টার। রাজ্যের অপরাধ দমনে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।দিন দিন উত্তরপ্রদেশ অপরাধীদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হয়ে উঠেছিল। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও অভিযোগ বহু বছর ধরে। ক্ষমতায় আসার পরই আদিত্যনাথ আইন শৃঙ্খলাকে শুধরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শুক্রবার গাজিয়াবাদের রামলীলা ময়দানে গিয়ে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যে দুষ্কৃতীরাজ কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বলেন, “অপরাধীদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলব। ওদের জন্য দুটো জায়গা, হয় জেলে যাবে, না হয় পুলিশের এনকাউন্টারে যমের বাযোগী যখন দুষ্কৃতীদের রাজ্য থেকে সাফ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই মেরঠে বজরঙ্গ দলের সদস্যরা পুলিশ স্টেশনে ঢুকে ভাঙচুর চালাচ্ছিল। মারধর করে পুলিশকর্মীদেরও। দু’দিন আগেই গৌতম বুদ্ধ নগরে এক বিজেপি কর্মী ও তাঁর দুই সঙ্গীকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যা করে।বিরোধীরা ইতিমধ্যেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে যোগীর দাবিকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন। তাদের পাল্টা প্রতিক্রিয়া, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা যদি নিয়ন্ত্রণেই থাকত, তা হলে যোগী ক্ষমতায় আসার পরেও কেন রাজ্যে একের পর এক খুন, ধর্ষণ এবং গোরক্ষকদের তাণ্ডবের মতো ঘটনা ঘটছে?ড়ি যাবে।পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ২০১৭-র মার্চের আগে পর্যন্ত অপরাধীদের তাণ্ডবে শিল্পপতি, ব্যবসায়ীরা রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যেত। ভয়ে কেউ রাজ্যে লগ্নির আগ্রহও দেখাতেন না। কিন্তু এখন রাজ্য প্রশাসন অনেক কঠোর। লগ্নিও হচ্ছে। ওই দিন তিনি অবৈধ কষাইখানার প্রসঙ্গও তোলেন। এ ধরনের কষাইখানা বন্ধ করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলেও দাবি করেন যোগী।

পদ্মাবতীর ভবিষ্যত কি ? ব্যান্ড..

‘পদ্মাবতী’ নিয়ে আজও দিনভর উত্তাল থাকল দেশের নানা প্রান্ত। ছবিটি মুক্তি পেলে চিতোরগড় দুর্গ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে কালই হুমকি দিয়েছিল শ্রী রাজপুত করণী সেনা। আজ সেটাই করেছে তারা। কয়েকশো সেনা সমর্থক চিতোরগড় দুর্গের সামনে বিক্ষোভ দেখান। যাঁরা দুর্গ দেখতে এসেছিলেন, তাঁদের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এরই মধ্যে ছবিটির মুক্তি নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে আজ। ১ ডিসেম্বর ছবির মুক্তি আটকাতে ভারত বন্‌ধের ডাক দিয়ে রেখেছে করণী সেনা। আজ আবার সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) ছবিটি নির্মাতাদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। ছবিটি খতিয়ে দেখতে সম্প্রতি সিবিএফসি-র কাছে পাঠিয়েছিলেন নির্মাতারা। কিন্তু বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদনপত্রটি অসম্পূর্ণ। নতুন করে আবেদনপত্র লিখে তা ফের বোর্ডে পাঠানো সময় সাপেক্ষ বিষয়।করণী সেনা কাল ছবির মুখ্য চরিত্রাভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের নাক কাটার হুমকি দিয়েছিল। যা নিয়ে দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী টুইট করেছেন, ‘‘যদি আমরা রানি পদ্মাবতীর সম্মান রক্ষা নিয়ে এত কিছু করি, তা হলে অন্য নারীদের মর্যাদা রক্ষাটাও আমাদেরই দায়িত্ব। একজন অভিনেত্রীকে এ ভাবে অপমান করা অনৈতিক।’’ যদিও সেনা সভাপতি লোকেন্দ্র সিংহ কালভি ছবি মুক্তি পেলে দেশে আগুন জ্বলবে বলে আজ ফের হুমকি দিয়েছেন। বিতর্ক বাড়িয়ে বিজেপি ঘনিষ্ঠ অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহান বলেন, ‘‘নির্মাতারা ছবিটিকে কাল্পনিক বলে ঘোষণা করেননি। তাঁরা ছবিটির ঐতিহাসিক দিক নিয়েই কথা বলে আসছেন। দেশের মানুষ পদ্মাবতীকে রানি হিসেবেই দেখে এসেছেন। তিনি নর্তকী ছিলেন না। এ নিয়ে মানুষের ক্ষোভ তো থাকবেই।১৫৪০ সালে আওয়ধি ভাষায় লেখা কবি মালিক মহম্মদ জয়সির ‘পদ্মাবত’ কবিতার অনুপ্রেরণায় তৈরি হয়েছে ছবিটি। রাজপুত রানি পদ্মিনীকে নিয়েই লেখা হয়েছিল সেই কবিতা। রাজপুতরা মনে করেন, ত্রয়োদশ শতকে চিতোরগড় দুর্গে থাকতেন রানি পদ্মিনী। রানির স্মৃতি বিজড়িত সেই চিতোরগড় দুর্গই আজ কার্যত বন্ধ করে দেয় করণী সেনা। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আজ পর্যন্ত কোনও দিন ওই দুর্গ বন্ধ থাকেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে ছবিটি নিষিদ্ধ করার দাবিতে আজও নানা হাঙ্গামা হয়েছে। বারাণসীতে শিবসেনা আর মধ্যপ্রদেশে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ছবি মুক্তির বিরোধিতা করে হুমকি দিয়েছে। যদিও চিতোরের পুলিশ সুপার জানান, করণী সেনার তাণ্ডব রুখতে তাঁরা দুর্গের আশপাশে যথেষ্ট পুলিশ মোতায়েন করেছেন।ছবিটি ঘিরে প্রথম থেকেই বিতর্ক চলছে। ছবিটিতে পরিচালক সঞ্জয় ইতিহাস বিকৃত করেছেন বলে প্রথম অভিযোগ তোলে জয়পুরের রাজপুতদের সংগঠন করণী সেনা। তাদের অভিযোগ ছিল, রানি পদ্মিনীর সঙ্গে আলাউদ্দিন খিলজির ঘনিষ্ঠ দৃশ্য রয়েছে, যা রানির সম্মানে আঘাত করার পক্ষে যথেষ্ট। ছবির পোস্টার ও ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার পরে ছবিটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে বলে দাবি ওঠে। আজ এক আইনজীবী ছবির ‘আপত্তিকর’ দৃশ্যে কাটছাঁটের দাবিতে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন। সুপ্রিম কোর্ট তা শুনতে রাজি হয়েছে।

আবারও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে ফুটবলারের মৃত্যু, এর জন্য কে দায়ী ?

বেশ কয়েক দিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন। চিকিৎসাও চলছিল। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না। শনিবার সকালে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল ফুটবল খেলোয়াড় ভাস্কর ঘোষের (৩৬)। তাঁর ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে স্পষ্ট ভাবে ‘ডেঙ্গি’ শব্দটি লেখা রয়েছে।ভাস্করের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের রবীন্দ্রপল্লিতে। তাঁর পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, দিন দশেক ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। প্রথমে স্থানীয় বলরাম সেবা মন্দির স্টেট জেনারেল হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর রক্ত পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। এর পর জানা যায়, ভাস্করের রক্তে অনুচক্রিকা (প্লেটলেট)-র পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কম। তাঁকে এর পর ব্যারাকপুরের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়ওই নার্সিংহোমে থাকা অবস্থাতেই তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায়, ভাস্করকে কামারহাটিতে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানেও রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাঁর রক্তে এনএস-১ পজিটিভ। ওই চিকিৎসার পরিকাঠামো না থাকায় ভাস্করকে অন্য কোথাও স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর পরেই তাঁর পরিবারের লোকজন ওই ফুটবলারকে নিয়ে পানিহাটির একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। কিন্তু, পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁকে ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

আবারও গুরুঙ্গে নিয়ে মতভেদ রাজ্য সরকারের, কেন জানুন..

গুরুঙ্গের এই আবেদনে থামার কোনও ইচ্ছে অবশ্য বিনয়দের নেই। বিনয় এবং অনীত থাপা মিলে এক যৌথ বিবৃতিতে এ দিন জানিয়েছেন, আগামী ২০ নভেম্বর দার্জিলিঙের মারোয়াড়ি ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক হবে। তার আগের দিনই চকবাজারে দলীয় সমাবেশ থেকে শীর্ষ পর্যায়ে রদবদলের ইঙ্গিতও দেওয়া হবে বলে মোর্চা সূত্রে খবর। বিনয়-অনীতের আশা, ওই সমাবেশে চকবাজারে ভিড় উপচে পড়বে।দার্জিলিঙের সমাবেশ এবং মোর্চার কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই পাহাড়বাসীর প্রতি করুণ আবেদন ঝরে পড়ছে বিমল গুরুঙ্গের গলায়। শুক্রবারও তিনি একটি অডিও বার্তায় আবেগমথিত গলায় সকলকে জানান, কেউ যেন বিনয় তামাঙ্গদের সভায় না যায়!সোমবারের বৈঠকেই মোর্চা প্রধানের পদ থেকে বিমলকে সরিয়ে বিনয়ের অভিষেক হওয়ার কথা। আর সেই দিন যত ঘনীয়ে আসছে, ততই সুর নরম করছেন বিমল। এ দিনও প্রায় কাঁদো কাঁদো গলায় পাহাড়বাসীদের প্রতি তাঁর আর্জি, ‘‘১৯ নভেম্বর কালা দিবস। পাহাড় থেকে ওরা (বিনয়-অনীত) বিমল গুরুঙ্গের নাম মুছতে চায়। তাই ওই সভায় কেউ যাবেন না।’’ নিজেকে বাজি রেখে এর পরে তাঁর ফের ঘোষণা, ‘‘আমি দ্রুত জনতার মাঝে আসব।’’ বিনয়-অনীতকে আক্রমণও করতে ছাড়েননি তিনি। কিন্তু গুরুঙ্গের এই বিবৃতিতে হেলদোল নেই বিনয় শিবিরের। তাদের বক্তব্য, তাঁর প্রভাব যে দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, সেটা বুঝতে পেরেই এই সব কান্নাকাটির পথ নিয়েছেন গুরুঙ্গ। কিন্তু যে নেতা জঙ্গলে লুকিয়ে থাকেন, তাঁর কান্নায় আর ভুলছে না পাহাড়বাসী। তবে পাহাড়ের একাংশ বলছেন, গুরুঙ্গের আর্তি সরিয়ে চকবাজারে রবিবার কত লোক হয়, সেটাই বিনয়দের পরীক্ষা।
Design a site like this with WordPress.com
Get started