মোদীজীকে অপমান করায় কংগ্রেস কে অনুপম খের দিলেন জবরদস্ত জবাব , আর তারপর তিনি…

মধ্য রাতের একটি নাটক, কংগ্রেস যুবনেতা এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এমপি পারেশ রাওয়াল ‘ইয়ুভ দেশ অবমাননা কর মেমে’ সম্পর্কে একটি টুইট লিখেছেন এবং মুছে দিয়েছেন। তবে, পরে তিনি ‘অনুভূতি আঘাত’ জন্য একটি ক্ষমা জারি।টুইটটি এখন মুছে ফেলা হয়েছে, তিনি লিখেছেন, “আমাদের চা -ওয়ালা সফর বার-ওয়ালার চেয়ে আর কোনদিনই ভালো,৬৭  বছর বয়সী অভিনেতা-সক্রিয় রাজনীতিবিদ ‘ভারতীয় যুব কংগ্রেস’ অনলাইন ম্যাগাজিন ‘ইউনাইভ দেশ’ এর প্রতি সাড়া দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর থেরেসা মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।যাইহোক, পরে তিনি একটি ক্ষমা জারি এবং লিখেছিলেন, “টুইটটি মুছে ফেলা হয়েছে কারণ এটি খারাপ স্বাদে আমি অনুভূতি আঘাত করার জন্য ক্ষমা চেয়েছি।”ইউওয়ান দেশ এর মেমে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ছবি দেখিয়েছেন, তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে যদি তারা বিভিন্ন ‘মেমে’ সম্পর্কে জানতে পারে, যা সোশাল মিডিয়ার দ্বারা প্রচারিত হয়টুইটটি পর পর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি নোট নিয়ে নেন এবং জিজ্ঞাসা করেন কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাহুল গান্ধীকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হবে কিনা।কংগ্রেস অমান্য করে এবং তার অনলাইন পত্রিকার অযৌক্তিক টুইটটি বাতিল করে বলেছে যে দলীয় সংস্কৃতিটি প্রধানমন্ত্রীর এবং সব রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধার জন্য।একই নোটে, এটি প্রথমবার নয় যে কংগ্রেস চা বিক্রেতা হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর শুরু করেছে।

পাক ও চিনের চাপ বাড়িয়ে এক বিশ্বরেকর্ড করলো ভারতীয় সশস্ত্র সেনাবাহিনী জানলে চমকে…

মোদী সরকারের আমলে চিন এবং পাকিস্তানের  দুশ্চিন্তা শেষ ছিলো না, এখুন আবারও এক বড় দুশ্চিন্তা  চিন এবং পাকিস্তানের উপর,বহুগুণ বাড়িয়ে বেনজির সাফল্য পেল ভারতের সশস্ত্র বাহিনী। পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস-কে নিয়ে আগে থেকেই চিন্তায় ছিল  ভারতের সব প্রতিপক্ষ ই চিন্তা আরও বাড়িয়ে সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে সফল ভাবে নিক্ষিপ্ত হল ব্রহ্মস। বুধবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেই এ কথা জানানো হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে ভাসমান নির্ধারিত লক্ষ্যে নির্ভুল আঘাত হেনেছে ব্রহ্মস, জানিয়েছে মন্ত্রক।সুখোই-৩০এমকেআই এই মুহূর্তে ভারতের হাতে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধবিমানগুলির অন্যতম। আর ব্রহ্মস শুধু ভারতের নয়, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বিরাট অংশই তেমনটাই মনে করেন। ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগে এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়েছিল। শব্দের গতির প্রায় তিন গুণ বেগে এই ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে যায় লক্ষ্যের দিকে।

 প্রথাগত বিস্ফোরক বা পরমাণু অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ৪৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে।আমেরিকার হাতে থাকা টোমাহক হল পৃথিবীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির অন্যতম। আফগানিস্তান, ইরাক এবং সিরিয়ায় ন্যাটোর বিমান বহর এই ক্ষেপণাস্ত্র সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছে। তালিবান বা আইএস-এর কাছে দুঃস্বপ্নের অন্য নাম হয়ে উঠেছিল ন্যাটোর ওই সব ক্ষেপণাস্ত্র। কিন্তু টোমাহক কোনও সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়। শব্দের চেয়ে বেশি বেগে সেটি ছোটে না। ভারতের ব্রহ্মস শব্দের বেগের তিন গুণ গতিতে ছোটে। তাই এই ক্রুজ মিসাইল ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বের সমীহ আদায় করে নিয়েছে। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্রহ্মসকে স্থল-জল-অন্তরীক্ষ, তিন অবস্থান থেকেই ছুড়তে পারবে ভারত— এর অর্থ কী, তা  ভালই বুঝছে বিরোধী দেশ গুলি। দেশের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞানীদের এবং বায়ুসেনার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা সশস্ত্র বাহিনী।স্থলভাগ থেকে এবং যুদ্ধজাহাজ থেকে ব্রহ্মস ছোড়া হয়েছিল আগেই। যুদ্ধবিমান থেকেও যাতে ছোড়া যায় পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটি, তার চেষ্টাও চলছিল বছর খানেক ধরে। সেই চেষ্টায় সফল হল ভারত। সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া হল ব্রহ্মস, বঙ্গোপসাগরের বুকে নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানল ক্ষেপণাস্ত্রটি।

breaking news – তানাসা হাফিজ সঈদকে গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্তি দিল পাকিস্তানি আদালত…


লাহোর: পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিচার বিভাগীয় রিভিউ বোর্ড গত বুধবার মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারীকে মুক্তি দিয়েছে এবং জামাত-উদ-দাউদ (জুডি) প্রধান হাফিজ সাঈদকে নিষিদ্ধ করেছে।জানুয়ারির পর থেকে জুডিয়া প্রধানকে গৃহবন্দী করা হয়েছে।পাঞ্জাবের হোম ডিপার্টমেন্টের অক্টোবরের ২৪ তারিখে একটি পাবলিক নিরাপত্তা আইনের অধীনে আরেক মাসের জন্য তার আটক রাখার প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করার জন্য আগেই লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সাইদ।আইন অনুযায়ী, পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন অভিযোগে তিন মাস পর্যন্ত একজনকে আটক করতে পারে কিন্তু আটক রাখার জন্য তাকে একটি বিচার বিভাগীয় রিভিউ বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন।হাফিজ সাঈদকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। তিন মাসের জন্য তার আটক রাখার প্রসিকিউশন প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান সরকার।“অন্য কোনও ক্ষেত্রে যদি তিনি চান না, তবে জিয়া-এর প্রধান হাফিজ সাঈদকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে” পিটিআই এর মতে, বোর্ড বলেছে।গত মাসে বোর্ডটি ৩০ দিন মেয়াদে সাঈদকে আটক রাখার অনুমতি দিয়েছে যা আগামী সপ্তাহের মেয়াদ শেষ হবে।বোর্ডের আদেশে সইদের অবিলম্বে মুক্তির জন্য রাস্তার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।৩১শে জানুয়ারী সাঈদ ও তার চার সহযোগীগণ – আবদুল্লাহ উবাইদ, মালেক জাফর ইকবাল, আবদুল রেহমান আবদ ও কজি কাশিফ হোসেনকে পাঞ্জাব সরকার ৯০ দিনের জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইন ১৯৯৭ এবং আটটি সন্ত্রাস বিরোধী আইন ১৯৯৭।অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সাঈদের চার ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের মুক্তি দেয়া হয়েছিল।
রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রামের মার্কিন প্রশাসন সাঈদকে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি উপহার প্রদান করেছে।জিয়াডিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত লস্কর-ই-তৈইবা (এলইটি) এর জন্য সামনে সংগঠন বলে মনে করা হয়, যা ২০০৮ সালের মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী।

গুজরাট ভোটে নতুন চমক বিজেপির, প্রচারে পেশাদার ম্যাজিশিয়ানরা…

প্রচারে চমক তো রয়েইছে, পাশাপাশি বিভিন্ন বিধানসভায় ঘুরে এই দলটি শুধুই ম্যাজিক দেখিয়ে মনরঞ্জন করবে না। ম্য়াজিকের সঙ্গে রাজ্যে উন্নয়ন কোন পথে হয়েছে সেই বার্তাও পৌঁছে দেবে।গুজরাত নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না বিজেপি। বিরোধী শক্তিরা জোট বেঁধেছে। এই অবস্থায় ক্ষমতা ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ বিজেপির সামনে। সেজন্য গুজরাতের ১৮২টি আসনে চমক দিতে ম্যাজিশিয়ানদের একটি দলকে ভাড়া করেছে বিজেপি।এর আগে ভোটের চমক হিসাবে পথনাটিকা, ধ্রুপদী নৃত্য, ৩ডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নয়নের প্রচার করেছে বিজেপি। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল নতুন চমক। এবার পথে পথে ম্যাজিক দেখিয়ে ভোটারদের টানার চেষ্টা করবে বিজেপি। দলীয় নেতা-কর্মীদের আশা প্রচারে এই নতুন সংযোজন ভোটারদের আকৃষ্ট করবে অনেকটাই।এদিন বুধবার থেকেই গুজরাতের গ্রামীণ এলাকাগুলিতে ম্যাজিশিয়ানদের ছড়িয়ে দেওয়া হবে। ভোটে জিততে বিজেপির নতুন প্রচার কৌশল ব্যুমেরাং হতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। কংগ্রেসের দাবি, রাহুল গান্ধী গুজরাতে আসায় ভয় পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। তাই ম্যাজিক দেখিয়ে ভোটে জিততে চাইছে। এই ছক এবারের ভোটে কিছুতেই কাজ করবে না বলে দাবি করেছে কংগ্রেস।গুজরাতের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভারতসিং সোলাঙ্কি বলেছেন, বিজেপির ২২ বছরের শাসনে নর্মদায় শাখা-খাল এখনও তৈরি হয়নি। ৫০ লক্ষ গরিবকে ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি যা রক্ষা করতে পারেনি। কাশ্মীরের অবস্থা বিজেপির আমলে অনেক খারাপ হয়েছে। এসবের জবাবই মানুষ নির্বাচনে দেবে।

আজ গুগল সার্চে এই ফটোটি সকলেই দেখেছেন কিন্তু জানেন ইনি কে বা কি করেছেন দেশের জন্য, জানুন…

রুখমাবাই রাউত (নভেম্বর ২২, ১৮৬৪ – ২5 সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫) একজন ভারতীয় মহিলা যিনি ঔপনিবেশিক ভারতে প্রথম অনুশীলনরত নারী ডাক্তারের একজন। যাইহোক, ভারতের প্রথম মহিলা চিকিত্সক ড। আনন্দি গোপাল জোশি, যিনি  ১৮৮৬ সালের ১১  মার্চ ডিগ্রী অর্জন করেন। কিন্তু ড। জোশি এক বছরেরও বেশি সময় অনুশীলন করতে পারছিলেন না, তাই আরও বেশি সময়কালের ভিত্তিতে প্রথম চিকিত্সক ভদ্র চিকিৎসক চিকিত্সার ডাঃ রুখমাবায় রাওয়াত, যিনি ১৮৮২সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যোগ দিয়েছিলেন এবং  ১৮৯৪  সালে ভারতে ফিরে এসেছিলেন। ডাঃ রাকমাবায়ে ভারতে ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে অনুশীলন করেছেনডাঃ রুখাম্বাই রাউট একটি ঐতিহাসিক আইন মামলায়ও ছিলেন, যার ফলে ১৮৯১  সালের এজ অফ কনসেন্ট্ট অ্যাক্টের আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। এগারো বছর বয়সে নবীন বছর বয়সী দাদাবি ভিকজী রাউতকে বিয়ে করেন তিনি। তবে তিনি তার বিধবা মা জয়ন্তেবীর বাড়িতে থাকতেন, যাঁর সাথে বিবাহিত সহকারী সার্জন সখারাম আঞ্জুণ রায়ত ছিলেন। যখন দাদাজি ও তার পরিবার রুখমবাঈকে তার বাড়ীতে যেতে বলেছিল, তখন তিনি তার পদক্ষেপ-পিতা কর্তৃক তার পছন্দ অনুসারে সমর্থিত হন। এর ফলে ১৮৮৪ সাল থেকে একটি দীর্ঘ মামলা কোর্টের মামলা হয়, বাল্যবিবাহ এবং নারী অধিকার সম্পর্কে একটি ব্যাপক জনসাধারণের আলোচনা। রুখমাবেই ছদ্মবেশী একটি হিন্দু লেডি নামে অনেক পত্রপত্রিকা লিখেছেন, তিনি অনেকের সমর্থন লাভ করেন এবং যখন তিনি ওষুধ অধ্যয়ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, ইংল্যান্ডের লন্ডন স্কুল অব মেডিসিনে তার ভ্রমণ এবং অধ্যয়নকে সমর্থন করার জন্য একটি তহবিল তৈরি করা হয়, ৫ বছর ডিগ্রী কোর্স. তিনি পরবর্তীতে ইংল্যান্ডে যান এবং একটি প্রথম যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিত্সক হিসাবে ভারত ফিরে যান এবং রাজকোট এবং সুরতে অনেক বছর ধরে কাজ করেন

পাহাড়ে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বানার্জীর কারনটা কি ?

গত তিনটি বৈঠকে ধীরে ধীরে পাহাড়কে স্বাভাবিক করার রূপরেখা তৈরি প্রশ্ন হচ্ছে, এ দিন মমতা কল্পতরু কেন? অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন বন্‌ধ চলার ফলে পাহাড়ে যাবতীয় ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ধাক্কা লাগে পাহাড়ের অর্থনীতিতে। তাকে চাঙ্গা করতে এবং পাহাড়বাসীর মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই দাবিগুলি প্রথম থেকেই করে আসছিলেন বিনয় তামাঙ্গরা। এ বারের বৈঠকে সেই দাবিদাওয়ার বেশিরভাগকে ছাড়পত্র দিয়ে সেই আস্থা ফেরানোর পথেই হাঁটতে চাইলেন মমতা।করেছে রাজ্য সরকার এবং পাহাড়ের দলগুলি। সে জন্য বিনয় তামাঙ্গদের তরফে বেশ কিছু দাবিদাওয়া করা হয়েছিল প্রথম বৈঠক থেকেই। এ দিন বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, সেই সব দাবির বেশির ভাগই মেনে নেওয়া হয়েছে। যেমন, পাহাড়ে আন্দোলনের সময়ে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের এককালীন অনুদান তো বটেই, পরিবারের এক জনকে চাকরি দেবে জিটিএ।

যে সব সরকারি কর্মী বন্‌ধের সময়ে কাজ করেছেন, তাঁদের জন্য থাকছে ছুটির ব্যবস্থা। আবার শিক্ষকদের বাড়তি ক্লাস করে সিলেবাস শেষ করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এ দিন বলেন, ‘‘আমরা পাহাড়ে যাব। উন্নয়নের সঙ্গে কোনও আপস হবে না।’’জুনের ৮ তারিখ দার্জিলিঙে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সময়ে শুরু হয় মোর্চার বিক্ষোভ। তার পরে ১০৪ দিনের টানা বন্‌ধে বিপর্যস্ত হয় গোটা পাহাড়। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে সেই পাহাড়ে আবার যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন শিলিগুড়ির কাছে পিনটেল ভিলেজে চতুর্থ সর্বদল বৈঠকের পরে তিনি জানান, জিটিএ-র পক্ষে তাঁকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ে এখনও বিমল গুরুঙ্গের প্রভাব রয়েছে। সদ্য সোমবারই তাঁকে সামান্য হলেও স্বস্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার পরে এ দিন অডিও-বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি শীঘ্রই দিল্লি যাবেন। নিজেকে ‘অধ্যক্ষ’ বলেও উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে তাঁর হয়ে সমানে মুখ খুলছেন বিজেপি নেতারা। এ দিন মুখ খুলেছেন মুকুল রায়ও। এই অবস্থায় মোর্চার নতুন প্রধান তথা জিটিএ-র কেয়ারটেকার চেয়ারম্যান বিনয় তামাঙ্গকে ভরসা জোগাতে তাঁদের দাবিগুলি মেনে নেওয়া জরুরি ছিল। সেই কাজটাই কৌশলে এ দিন সারলেন মমতা।

অনেকে বলছেন, পিনটেল ভিলেজ কিন্তু বহু স্মৃতির ধারক-বাহক। এখানেই এক সময়ে জিটিএ চুক্তি হয়েছিল রাজ্য সরকার ও মোর্চার মধ্যে। দরাজ হাতে গুরুঙ্গকে উন্নয়নের বরাদ্দ দিয়েছিলেন মমতা। তার পরে গুরুঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কের দীর্ঘ উত্থানপতন চলে সরকারের। তার পর সাম্প্রতিক বন্‌ধ-আন্দোলন পেরিয়ে আবার সেই পিনটেল ভিলেজ সাক্ষী থাকল আর এক বৈঠকের, আর এক দরাজ ঘোষণার। তবে সেখানে অন্য প্রান্তে আছেন বিনয় তামাঙ্গ।

গুরুঙ্গের ছায়া অবশ্য এখনও রয়েছে পাহাড়ে। সদ্য সোমবার তিনি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টে। যদিও তা নিয়ে এ দিন প্রশ্ন তোলেন বিনয়। তাঁর কথায়, যে হরিশ সালভে মামলা লড়ছেন গুরুঙ্গের হয়ে, তিনি দেশের সব থেকে দামি উকিল। তাঁর দাবি, ‘‘শুনেছি ওই মামলায় এখন অবধি ২ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। সেই টাকা গুরুঙ্গ পেলেন কোথায়?’’

দেখুন আবারও ডেঙ্গিতে মৃত্যু বিধাননগরে এক মহিলা..

বিধাননগর পুরসভার দাবি, মশাবাহিত রোগ, বিশেষ করে ডেঙ্গিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। মৃত্যুর ঘটনাও আর ঘটছে না। পুরসভার এই দাবি যে ভুল, ফের তা প্রমাণ হয়ে গেল। চার দিন ধরে জ্বর ও ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে ভুগছিলেন বাগুইআটির পূর্ব নারায়ণতলার গৃহবধূ, বছর পঁয়ত্রিশের শম্পা গোমস্তা। সোমবার রাত ১টা ৪০ নাগাদ দক্ষিণ শহরতলির বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হল তাঁর। শম্পাদেবীর ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গি লেখা রয়েছে। বিধাননগর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন করে এই মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিধাননগর পুরসভা।পূর্ব নারায়ণতলায় বহু মানুষ জ্বরে আক্রান্ত। গত সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমলেও তিন দিনের নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ফের কিছু জায়গায় জল জমায় এলাকার মানুষ ফের আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ফের ওই জমা জলে ডেঙ্গির মশা বংশবিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুরসভা কাজ করলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা কম। জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমার পরেই পুরসভা কাজে ঢিলে দিয়েছে। যদিও পুরসভার দাবি, মশা মারার তেল বা ব্লিচিং পাউডার নিয়মিত ছড়ানো হয়েছে।জুন থেকে এখনও পর্যন্ত বিধাননগর পুর এলাকায় প্রায় ছ’শতাধিক মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। পনেরো জনের ডেঙ্গিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে বাসিন্দাদের দাবি। যদিও এই পরিসংখ্যান মানতে রাজি নয় পুরসভা।বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) প্রণয় রায় বলেন, ‘‘মশাবাহিত রোগে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনায় কমেছে। শীতের মরসুমও প্রায় এসে গিয়েছে। তার মাঝে এই মৃত্যুর ঘটনা চিন্তা বাড়াচ্ছে। ওই এলাকায় নতুন করে মশার দাপট বাড়ল কি না, দ্রুত তা খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’’

তিন তালাকে করা আইন মোদী সরকারের দেখুন…

তিন তালাক নিষিদ্ধ করতে আইন আনার তোড়জোড় শুরু করল মোদী সরকার, তিন তালাক নিষিদ্ধ করতে দুটি পথ খোলা রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাত্ক্ষণিক তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করে আইন আনতে পারে তারা অথবা পুরনো আইন সংশোধন করে জারি হতে পারে নিষেধাজ্ঞা। বর্তমান আইনে তিন তালাক প্রাপ্ত কোনও মুসলিম মহিলার পুলিশে নালিশ জানানোর কোনও অধিকার নেই। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে না পুলিশও। গোটা বিষয়টিতে ফৌজদারি বিধির অধীনে আনতে তাই প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে সরকার। সম্ভবত সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পাশ হতে চলেছে এই আইন। তিন তালাক নিষিদ্ধ আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে মন্ত্রিগোষ্ঠী গঠন করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের ওপরেই থাকতে পারে আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্ব। আগেই আদালতে তিন তালাকের বিরোধিতা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সওয়ালে শিলমোহর দিয়ে তিন তালাককে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

breaking news – দেখুন কি করে পদ্মাবতীর সার্থে অপমানিত করলেন রাজপূত সমাজকে জাভেদ আক্তার..


জয়পুর: পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভানসালির বিরুদ্ধে বিতর্কিত চলচ্চিত্র পদ্মাবতীর বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের কারণে রাজপুতদের অপমানের অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন গীতিকার জাভেদ আক্তারের বিরুদ্ধে একটি পুলিশ অভিযোগ এখন দায়ের করা হয়েছে।রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জীবিত কিংবদন্তি হিসাবে আখতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ – সিন্ধি ক্যাম্প পুলিশ স্টেশনে জয়পুরকে দায়ের করা হয়েছে।রিপোর্ট অনুযায়ী, জাভেদ আক্তার বলেছিলেন যে রাজপুত রাজারা গত ২০০ বছরে কখনো ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি।আরও অভিযোগ করেন যে রাজপুতদের সাহসকে নিয়ে তিনি বলেন রাজপূত সমাজের কেও যদি সাহসী হত তাহলে ২০০ বছর ইংরেজদের শাসনে থাকতে হতো না।
“রাজপুত এবং রাজউ দাস ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কখনো যুদ্ধ করেনি এবং এখন তারা একটি চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। রাজস্থানের এই ‘রানাস’ রাজারা এবং ‘মহারাজা’ ব্রিটিশদের ২০০ বছরের শাসন মহলে চাকরি করত। কোথায় তাদের তখুন রাজপুত সম্মান এবং বীরত্ব, যে সময় যায় তারা ব্রিটিশদের সেবা করার জন্য তারা যেহেতু গ্রহণ করেছে তাই তারা হয়ে উঠেছে, “বলেছেন আখতার একটি সংবাদ চ্যানেলের সাথে কথা বলার সময় এই কথা বলেছিলেন।ছবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী এবং তার মুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা দাবির জন্য আখতারও সমালোচনা করেছেন।তবে, তাঁর মন্তব্য যে রাজপুত শাসকরা ব্রিটিশ বিরুদ্ধে যুদ্ধ কখনও কখনও রাজ্যগুলিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া ,চিত্তর শাসক রাওয়াল রতন সিংয়ের সরাসরি বংশধরদের মধ্যে একজন মহেন্দ্র সিং মওভার, খোকার চিঠিতে আখতারের মন্তব্যকে নিন্দা করেছেন।এদিকে, রাজস্থ করণ সেনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ সিং মকরন হঠাৎ আখতারকে রাজস্থানের প্রবেশে হতাশ করে তুলেছিলেন।আকতার আমাদের সম্মান হারিয়ে ফেলেছেন। এখন থেকে তিনি রাজস্থানকে নিষিদ্ধ করেছেন এবং যদি তিনি ভয় করেন তবে আমরা রাস্তায় তাকে মারধর করব,” মকরান বলেন।”রাজপুত ও রাজউদাস তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং তিনি আমাদের ইতিহাসের উপহাস করছেন এবং বলছেন যে আমরা ব্রিটিশদের সেবা করছি”।তিনি সাহিত্য উৎসবে অনেক কথা বলেছেন এবং পরবর্তীতে আমরা জয়পুরের কাছেও যেতে চাইব না।” মকরানা হুমকি দিয়ে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় হুমকি দিচ্ছিল যখন পুংলিঙ্গ পোড়াচ্ছে বিখ্যাত লেখক কবি এবং গীতিকারসালমান খান এবং আখতারের মতামত পতিতাবৃত্তির মতো, যেখানে অর্থের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি। তাদের ছবি সমস্ত ভারতীয় দ্বারা বয়কট করা উচিত।মাকরানারও কয়েকদিন আগে দীপিকা পাড়ুকোন এর নাক ও কান কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছে।

রাজ্যের দুই জায়গায় তৃণমূলের অফিসে উড়ল বিজেপির পতাকা, দেখুন..


মুকুলের সমর্থনে এখুন মুকুল সাপটাররা  এক বড় কান্ড করলেন বলছে বিরোধীরা কিন্তু পুরোটাই সাজানো হতে পারে বলে মনে করা হচেছ, সোমবার ৮, ১০ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে দলীয় পতাকা সরিয়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে তারা। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে বিজেপি ও তৃণমূল কিন্তু তৃণমূলের অভিযোগ, মুকুল অনুগামীরাই এই কাজ করেছে। যদিও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিকেলে কল্যাণী সেন্ট্রাল পার্ক এলাকায় বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের তরফে দাবি, সবে শুরু হয়েছে। এরপরে এই রকমের ঘটনা আরও ঘটবে।রাজ্যের দুই জায়গায় তৃণমূল অফিসে উড়ল বিজেপির পতাকা। একটি ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের। অপর ঘটনাটি কল্যাণীতে। দুইটি ঘটনাতেই চাপানউতোর শুরু হয়েছে দুইদলের। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই তো সবে শুরু।কুলতলির কুন্দখালিতে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিস। ব্লক সভাপতির উপস্থিতিতে রবিবার উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল ওই পার্টি অফিসের। মঞ্চও তৈরি। কিন্তু অনুষ্ঠানের হাজির হলেন না স্থানীয় কোনও বড় নেতা। সূত্রের খবর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই হাজিরা দিতে পারেননি ব্লক স্তরের নেতারা। এবার দলকেই উচিত শিক্ষা দিতে তৃণমূলের নিচুতলার নেতারা যোগাযোগ করেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে। সোমবার কাদা-মাটি দিয়ে অফিস থেকে তৃণমূলের নাম মুছে দেওয়া হয়। এরপর সেই অফিসেই তৃণমূলের পতাকা সরিয়ে তোলা হয় বিজেপির পতাকা। ঘটনায় দলের একস্তরের নেতা দুষছেন অপর স্তরের নেতাদের। অপর ঘটনাটি কল্যাণী পুরসভা এলাকায়।

Design a site like this with WordPress.com
Get started