রক্ষামন্ত্রী জানালেন ভারত বানালো আরেক বিশ্বরেকর্ড ! পাকিস্তান থেকে চীন সব অবাক..
ধর্ম নিরপেক্ষতায় বারবার গর্জেছেন মমতা ,বাংলায় মুক্তি পদ্মাবতী..
পদ্মাবতী এখুন খবরের এক বড় অংশ, ধীরে ধীরে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই চলচিত্রের উপর বেন্ড করেছেন, কিন্তু বাঙ্গালার মুখ্যমন্ত্রী একদম তার উল্টো করতে চলেছেন, কারণটা রাজনৈতিক দিক থেকে দেখলে বিজেপির বিরুদ্ধে যাবার জন্য হতে পারে, পুরো রাজনৈতিক মহল গরম এই সময়ে পদ্মাবতী সিনেমায় রানি পদ্মিনীর সঙ্গে আলাউদ্দিন খিলজির সম্পর্ক নিয়ে এমন ঘটনা দেখানো হয়েছে যার সঙ্গে ইতিহাসের মিল নেই। অর্থাত ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ করেছে কারনি সেনা। যা নিয়ে প্রথম থেকেই তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সেই ঘটনাই এখন রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে ফের কেন্দ্র বনাম বিরোধী ঝগড়া বেঁধে গিয়েছে।কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, সঞ্জয় লীলা বনশালী ও তাঁর পদ্মাবতী দলকে তিনি দরাজ হস্তে স্বাগত জানাচ্ছেন। তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতেও তিনি তৈরি।মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাত, এমনকী পাঞ্জাব সরকার পদ্মাবতীর মুক্তি নিয়ে বেঁকে বসেছে। একই অবস্থা মহারাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি বিজেপি শাসিত রাজ্যে। এই অবস্থায় বিজেপি বনাম অন্য দলগুলির বিরোধ শুরু হয়েছে।কেন্দ্র বিরোধিতায় সুর সপ্তমেই চড়ুয়ে রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও ইস্যুই বাদ দিচ্ছেন না। বলিউড সিনেমা পদ্মাবতী নিয়ে সারা দেশে হইচই প্রসঙ্গে ফের বিজেপি বিরোধিতায় স্টেপ আউট করে ছক্কা হাঁকালেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি জানিয়ে দিলেন, দেশের অন্য রাজ্যে পদ্মাবতী মুক্তি বাধা দেওয়া হলে বাংলায় তা রিলিজ করা হোক।সারা দেশে অন্য রাজ্যগুলিতে পদ্মাবতী রিলিজ করতে না পারলে বাংলায় তা রিলিজ করা হোক। তৃণমূল সরকার পদ্মাবতীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করবে খুশি মনে ও গর্বের সঙ্গে। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।
কলকাতায় বেশকিছু ব্লগারকে খুনের পরিকল্পনা আল-কায়েদা-র! জঙ্গি গ্রেফতারে চাঞ্চল্যকর তথ্য..
কলকাতায় বেশকিছু ব্লগারকে খুন-এর ষড়যন্ত্র করেছে আল-কায়েদা। দিন কয়েক ধরে এসটিএফ-এর জালে ধরা পড়া তিন আল-কায়েদা জঙ্গিকে গ্রেফতার করে এমনই তথ্য সামনে এল। কলকাতা পুলিশের এসটিএফ সূত্রে খবর, কলকাতার বুকে ১০ জন মুক্তমনা ব্লগারকে খুনের পরিকল্পনা এঁটেছিল আল-কায়েদার ছায়া সংগঠন আনসারুল্লা। এই ব্লগারদের নাম-পরিচয় এখনও সামনে আনা হয়নি। তবে, জেরায় ধৃত জঙ্গিরা জানিয়েছে, কলকাতা শহরের এই ১০ ব্লগারকে খুন করা ছাড়াও তারা আরও ৭৫ জন ব্লগারকে খুনের পরিকল্পনা করেছিল। এই ৭৫ জন ব্লগার-ই বাংলাদেশের। শুক্রবার ভোররাতে শিয়ালদহের জগত সিনেমার কাছে একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার হওয়া আল-কায়েদা জঙ্গি শাহাদাত হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসটিএফ। তার কাছ থেকে মেলে ব্লগার-দের তালিকা। আর তাতেই মেলে কলকাতার ১০ ব্লগারের নাম।
শাহাদাত-কে জেরা করে এসটিএফ আরও জেনেছে যে সম্প্রতি হাওড়াতে তার সাহায্য়েই ঘাঁটি গেড়েছিল আরও দুই আনসারুল্লা জঙ্গি। স্বপন বিশ্বাস এবং নয়ন গাজি নামে এই দুই জঙ্গি। বাংলাদেশে একাধিক ব্লগার খুনে এই দুজনেই অভিযুক্ত। শাহাদাতের সাহায্যেই স্বপন ও নয়ন গাজি সীমান্ত পেরিয়ে কলকাতায় এসেছিল। হাওড়ার ডবসন রোডের শিবা লজে এই দু’জনকে রাখা হয়েছিল। শিবা লজের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্বপন বিশ্বাস ও নয়ন গাজিকে চিহ্নিত করা হয়। সেখানকার কর্মীরা জানিয়েছেন স্বপন ১ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল। পরিচয়পত্র হিসাবে স্বপন আধার কার্ডও দিয়েছিল। আধার কার্ডে উত্তর ২৪ পরগনার বাজিতপুরের ঠিকানা লেখা ছিল। বর্তমানে স্বপন ও নয়ন কলকাতা বা সংলগ্ন এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছে বলে এসটিএফ জানতে পেরেছে। স্বপন ও নয়ন গাজির ছবিও এদিন প্রকাশ করেছে এসটিএফ। এই দুই ব্যক্তি সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে পারলে আর্থিক পুরস্কারও দেওয়া হবে জানিয়েছে তারা। শাহাদাত এদেশে বেশকিছু লিঙ্কম্যানও তৈরি করেছে। কলকাতা শহরেই রয়েছে তার একাধিক লিঙ্কম্যান। এসটিএফ এখন এই লিঙ্কম্যানদেরও জালে ফেলতে চাইছে। শাহাদাত আরও জানিয়েছে যে, বাংলা ছাড়াও হিন্দু, তেলেগু-তেও ওয়েব সাইট খুলে মুসলিম তরুণদের সন্ত্রাসের দীক্ষা দিচ্ছে আল-কায়েদা। আলা-বালা নামেও একটি জেহাদ ওয়েবসাইটেরও খোঁজ মিলেছে। কলকাতায় আনসারুল্লা-র কাজ কর্ম বৃদ্ধির পিছনে আরও এক জঙ্গির নাম পাওয়া গিয়েছে। জিয়াউল হক নামে এই জঙ্গি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মী। ২০১২ সালে বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থানে সে জড়িত ছিল।
কিন্তু, এই বিদ্রোহ সেভাবে জোরদার না হওয়ায় সেনা বাহিনী ছেড়ে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেয়। বর্তমানে এই জিয়াউল আনসারুল্লার শীর্ষ জঙ্গি নেতা এবং সেই শাহাদাত, তনবীর, রিয়াজুলদের নিয়ন্ত্রণ করে। এসটিএফ সূত্রে খবর, তনবীর, রিয়াজুলরা যে দেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং রাসায়নিক সংগ্রহের চেষ্টা করছিল তা আসলে হিট লিস্টে থাকা কলকাতা শহরের ব্লগারদের খুনের জন্য। জেরায় যে সব তথ্য সামনে এসেছে তা সাজিয়ে এমনই সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাচ্ছে এসটিএফ।বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে মুক্তমনা ব্লগারদের খুনে বারবার আনসারুল্লার নাম জড়িয়েছিল। কিন্তু, সীমান্ত পেরিয়ে হঠাৎ করে এদেশে ঢুকে ব্লগার হত্যার ষড়যন্ত্র কেন কষেছিল আল-কায়েদার ছায়া সংগঠন আনসারুল্লা? গোয়েন্দা সূত্রে যা খবর তাতে প্রাথমিকভাবে এই ব্লগার খুনের মাধ্যমে আল-কায়দা ভারতের বুকে তাদের উপস্থিতি জানান দিতে চাইছে। এরপর আরও বড় অপারেশনের পরিকল্পনা করে রেখেছে তারা। কিন্তু, কি ধরনের সেই অপারেশন তার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি
নেতাজির আজাদ হিন্দ ফৌজ এর ধন সম্পত্তি কারা লুঠ করেছিলো জানলে অবাক হয়ে যাবেন !
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এর সঙ্গে জড়িত অনেক রহস্য এখনো মানুষের কাছে অজানা।সম্প্ৰতি ইন্ডিয়া টুডে এইরকম এক রহস্য ফাঁস করার পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে যা ভারতবর্ষের প্রত্যেক দেশপ্রেমিক অবাক করার সাথে সাথে তাদের আঘাত করে।আসলে বিষয় টা হলো নেতাজির জমা করা টাকা -পয়সা ও ধন সম্পত্তি নিয়ে।সেই টাকা-পয়সা যেটা দেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ের জন্য তিনি সংগ্রহ করেছিলেন।কিন্তু নেতাজির মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর থেকে ওই টাকা-পয়সা লুটে নেওয়ার জন্য লেগে পড়ে কিছু লোক।
এবার পদ্মাবতী মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ালো জানুন এই চান্চলোকর তথ্য..
জয়পুর: সঞ্জয় লীলা ভানসালির ছবি পদ্মাবতী বিতর্কের মধ্য দিয়ে রাজস্থানের নাহার গড়ের ফোর্টে একটি মৃতদেহ পাওয়া গেছে ঝুলন্ত অবস্তায়, পাশাপাশি পাথরের গায়ে লেখা আছে ধমকি, ধমকিতে লেখা আছে যারা পদ্মাবতী নিয়ে বিরোধিতা করছেন তাদের এই কান্ড সেখানে লেখা আছে,তারা সাবধান হয়ে যান নয়তো তাদের ও এমন অবস্তা হবে,এত বড় কান্ড হবার পর সেখান কার স্থানীয় মানুস পুলিসকে খবরটি দেন, পুলিস তদন্ত করে জানায় এটি কোনো চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত নয় হয়তো কেউ এই হত্যাকে লোকাবার জন্য পুলিসকে ভুল পথে যাবার ইঙ্গিত দিয়েছেন,কিন্তু সাধারণ মানুস মনে করছেন এই চলচ্চিত্রের জন্যই এই খুন,কিন্তু কিছু মানুস মনে করছেন এই আন্দোলন বন্ধ করার জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়েছেন,রাজপূত সমাজকে অপমান করার জন্য এমন করা হয়েছে, পদ্মাবতী নিয়ে এই যে আন্দোলন এটি এই ঘটনার পর আরো বড়,
হটাৎ করে মসজিদ যাওয়া ও টুপি পরা কেন ছেড়ে দিল রাহুল গান্ধী জানলে চমকে যাবেন !
ভারতে রাহুল গান্ধীকে তার রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা যতটা বোকা মনে করেন অতটা বোকা উনি নন।আপনি এটা পড়ার পর একটি বিষয় বুঝতে পারবেন যে রাহুল গান্ধী একটি ধর্মের লোকেদের বেশ ভালোভাবে বোকা বানাচ্ছে।
আপনি হয়তো লক্ষ করেছেন,বিগত কয়েকমাস ধরে রাহুল গান্ধী বিদেশে ভ্রমণ একদম বন্ধই করে দিয়েছেন ,বিগত কয়েকমাস ধরে উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি বেশি টুইট করছেন ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিগত কয়েকমাসে তিনি মসজিদ ভ্রমণ একেবারে বন্ধ করে দিয়েছেন এবং গুজরাট অভিযানে তিনি একবারও কোনোজায়গাতে মুসলিম ধর্মে ব্যাবহৃত টুপি ব্যবহার করেননি।
গুজরাটে মুসলিম পপুলেশন প্রায় ৫০ লক্ষ্যের কাছাকাছি এবং রাজ্যের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।এর আগের নির্বাচন পর্যন্ত রাহুল গান্ধী হিন্দুদের একটু অন্য চোখে দেখতেন।এমনকি তিনি হিন্দু যুবকদের অনেকবার উগ্রপন্থী বলেও কটাক্ষ করেছেন।কিন্তু হটাৎ করে যেন ইউটার্ন নিয়েছেন ।এই নির্বাচনে পুরো ব্যাপারটা যেন উল্টে গেছে।রাহুল গান্ধী নিজেকে এখন নিজেকে শিবভক্ত বলছেন।
হটাৎ করে হিন্দু ধর্মের প্রতি রাহুল গান্ধীর এত শ্রদ্ধা আসছে কেন?
একসময় রাহুল গান্ধীর পার্টি ভগবান শ্রী রামকে খলনায়কের চরিত্র বলতেন।এমনকি রাহুল গান্ধী নিজে আমেরিকায় বলেছিলেন যে, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি সমাজে ও মুসলিম সম্প্রদায়এ ধর্মের নামে লড়াই সৃষ্টি করে।
এটা কেন হিন্দুদের জন্য একটা বড় জয়লাভ?
দিল্লিতে অভিষেকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা মুকুলের, বিস্তারিত জেনে নিন..
ফের রাজনীতি গরম,বাঙ্গালার রাজনীতি এখুন খুব গরম কারনটা সবার জানা আছে,মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের এক আদালত জানায় ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুকুল রায় জাগো বাংলা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা মুকুল রায়ে। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে মামলা দায়ের করা হবে। অভিষেকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মানহানির মামলা দায়ের হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সোম মণ্ডল।তবে এই আদেশ দেওয়ার সময় মুকুল রায়ের কোনও আইনজীবী ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে।এ সম্পর্কে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুকুল রায়। ভারতের সংবিধান বাক স্বাধীনতা দিয়েছে। তাই তিনি য়থ সময়ে মুখ খুলবেন এবং তাঁর প্রতিক্রিয়া জানাবেন বলে জানিয়েছেন মুকুল রায়।দিল্লিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা সম্পর্কে মুকুল রায়ের তরফে ব্যাখ্যা হল, জনসভায় মুকুল রায় যা বলেছিলেন, তা নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করেছেন অভিষেক। তার সঙ্গে মুকুল রায়ের বক্তব্যের ফারাক রয়েছে। এবিষয়ে রাজ্য বিজেপিও মুকুল রায়ের পাশেই রয়েছেন। রাজ্য সভাপতি দিলীপ রায় বলেছেন মামলা করে মুখ বন্ধ করা যাবে না।
নির্বাচনের আগে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নিলেন এক এমন সিধান্ত যা…
সঞ্জয় লীলা ভান্সালি নির্দেশিত চলচ্চিত্র পদ্মাবতী নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে, এই চলচ্চিত্র রাজপূত সমাজের মানুষকে অত্যন্ত তিক্ত করে তুলেছে।এই ছবির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং মানুষদের অনুভূতি বুঝতে পেরেছে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি এই চলচ্চিত্রটি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি বুধবার এক প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন, রাজপূত সাম্রাজ্য এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মুভির রিলিজের বিষয়ে তার উদ্বেগের কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, গুজরাত সরকার সঞ্জয় লীলা ভান্সালির পরিচালিত চলচ্চিত্র পদ্মাবতী ব্যান্ড করার সিধান্ত তিনি নেন। তিনি বলেন যতক্ষণ এর কোনো সমাধান হয় ততদিন চলচ্চিত্রটি ব্যান্ড থাকবে গুজরাটে,
তিনি আরও বলেন, হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে যে কোনও রকম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দিক ভেবে পদ্মাবতী চলচ্চিত্রকে দেখানো হয়নি। এই প্রেস কনফারেন্সের পরে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি একটি টুইটও করেছেন।
এই টুইটটিতে তিনি লিখেছেন, “সরকারি রাজপুত সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য মুভিটি মুক্তির অনুমতি গুজরাট সরকার দেবেনা।আমরা বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী, কিন্তু আমাদের মহান সংস্কৃতি নিয়ে কোনো অবমাননা আমি সহ্য করতে পারছি না “
নারী সুরক্ষা নিয়ে মোদী সরকারের এক বড় কদম, জেনে নিন কি সেটি…
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, নারী সুরক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বুধবার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব গৌবা। বৈঠকে ছিলেন পুরসভাগুলির কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, রাজ্য সরকারগুলির উচ্চপদস্থ আধিকারিক। সেই বৈঠকেই নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এ দিনের বৈঠকে নারী নিরাপত্তার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা, থানায় মহিলাদের নিয়োগ, সাইবার অপরাধ রোধ করা, পরিকাঠামো উন্নয়ন, অপরাধপ্রবণ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কলকাতা ছাড়া এই তালিকাভুক্ত শহরগুলি হল দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, অমদাবাদ, লখনউ ও হায়দরাবাদ।বৈঠকে পুলিশি নজরদারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এক মাসের মধ্যে সেই পরিকল্পনা পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির কাছে। তার পরই এই কমিটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য পরামর্শ দেবে।













