Big Breaking আজ রাহুল গান্ধী নিজেই প্রমান করে দিলেন তিনি হিন্দু নয়, সত্য তথ্যটি জানলে চমকে যাবেন..

গুজরাট ভোটের ঠিক আগে এক নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হলো।কংগ্রেসের যুবনেতা রাহুল গান্ধী।তিনি আজ এমন এক ঘটনা করলেন যা বিরোধীদের হাতে এক নতুন অস্ত্র।আসলে আজ রাহুল গান্ধী এবং তার সঙ্গে কংগ্রেসের এক দল সোমনাথ মন্দির দর্শন করতে গিয়েছিল।আর এখানে ঢুকতে গিয়েই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে গেল,
আসলে 2015 সাল থেকে মন্দির কর্তৃপক্ষ এক নতুন নিয়ম চালু করে যেখানে অন্যান্য জাতির কেউ মন্দিরে ঢুকতে চাই তাহলে তাকে মন্দিরের রেজিস্টারে নাম লেখাতে হবে। আজ কংগ্রেসের দলে একমাত্র আহমেদ প্যাটেল ছিলেন মুসলিম,কিন্তু রেজিস্টারে দেখা যায় প্রথমে রাহুল গান্ধীর নাম এবং তার পর আহমেদ প্যাটেলের নাম লেখা।এর পরেই বিজেপির তরফ থেকে শুরু হয়েছে নানা মন্তব্য আর আগে বিজেপি নেতা সুব্রমনিয়াম স্বামী দাবি করেন রাহুল শিষ্ট্রেন এবং তার বাড়িতে ভেতরে চার্চ বানানো আছে।গুজরাট ভোটে ঘোষণা হবার পর থেকেই রাহুল গান্ধী নিজেকে আসল হিন্দু প্রমান করার জন্য সমস্ত মন্দিরে যাচ্ছেন যা তার বা তাদের পরিবারের ভাব মূর্তির সাথে কোনোভাবেই খাপ খায়না।এমনকি অন্যবারের মত এবারও দাঙ্গা নিয়েও পাটির তরফে থেকে কোন মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না।এমন অবস্থায় আজকের এই ঘটনা কংগ্রেসকে একটু হলেও ব্যাক ফুটে ফেলে দিলো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল

৩৫ বছর পর এমন কি হতে যাচ্ছে নেহরু-গান্ধী পরিবারে যার জন্য রাজনৈতিক মহল গরম জানলে..

কংগ্রেসের অন্দরমহলের সূত্র থেকে জানা গেছে যে, বরুন গান্ধী ২০১৯ -এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বিষয়টি নিয়ে কথা চালাচ্ছেন।

উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বিজেপি সংসদ হচ্ছে বরুন গান্ধী। সঞ্জয় গান্ধী ও মেনকা গান্ধীর একমাত্র পুত্র বিজেপির সাইডলাইনে। বিশেষ সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে, সভাপতি হওয়ার পরই বরুন গান্ধীকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন রাহুল গান্ধী।দলে নাকি এখন কেউই বিশেষ গুরুত্ব দেন না বরুনকে। এমনটিই জানিয়েছেন সুলতানপুরের মুসলিম নেতা হাজি জামিলুদ্দীন। আর একটি সূত্রেও জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়া আর কেউই সেরকম গুরুত্ব দেন না। উত্তরপ্রদেশে বিজেপির একটা বড়ো অংশ বিধানসভা নির্বাচনের পর বরুণকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে দেখতে চেয়েছিলেন।কিন্তু তাদের সে দাবি উপেক্ষা করে যোগী আদিত্যনাথকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসানো হয়।”২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই বরুণকে নেওয়া হবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটিতে”, একথা দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা মনসুন আহমেদ। রাহুল এবং বরুণকে মিলিয়ে একটি বড়ো শক্তিতে পরিণত হবে কংগ্রেস। আর তা হলে প্রায় ৩৫ বছর পর আবার একত্রিত হবে নেহেরু-গান্ধী পরিবার।

চীন ও পাকিস্তানের চাপ, ভারত ও আমেরিকা সত্যিকারের বন্ধু প্রমান করলেন PM মোদী..

ভারত-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এত সুদৃশ্য কোনও দিন ছিল না। হায়দরাবাদে পা রেখেই মন্তব্য ইভাঙ্কা ট্রাম্পের। বিশ্ব শিল্পোদ্যোগী সম্মেলনে (জিইএস-২০১৭) যোগ দিতে ভারতে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে তথা অন্যতম প্রধান পরামর্শদাতা ইভাঙ্কা। এর আগেও ভারত সফরে এসেছেন তিনি। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়ে বা অন্যতম প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম ভারত সফর। ৩৫০ জনের মার্কিন প্রতিনিধি দল নিয়ে জিইএস-২০১৭-তে যোগ দিচ্ছেন ইভাঙ্কা। সম্মেলন শুরু আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়ে। উদ্বোধনী ভাষণে জানালেন, হায়দরাবাদের মতো একটা ঐতিহাসিক শহরকে তথ্যপ্রযুক্তির মহানগরীতে পরিণত হতে দেখে তিনি অভিভূত।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সঙ্গে ইভাঙ্কার বৈঠক নির্ধারিতই ছিল। জিইএস-২০১৭-তে যোগ দেওয়ার আগে এ দিন সেই বৈঠক হয়।

 ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েই মোদীর সঙ্গে ইভাঙ্কার আলোচনা হয় বলে খবর। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের মধ্যে ইভাঙ্কাই সবচেয়ে প্রভাবশালী। তাই হোয়াইট হাউজে ইভাঙ্কা ট্রাম্প একটি অত্যন্ত ক্ষমতাশালী নাম। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়েও ইভাঙ্কার মতামত তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন প্রশাসনের কাছে।এ বারের বিশ্ব শিল্পোদ্যোগী সম্মেলনে ১৫০০ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। তাঁদের অন্তত অর্ধেকই মহিলা। জিইএস-২০১৭-র থিম হল ‘উইমেন ফার্স্ট, প্রসপারিটি ফর অল’। অর্থাৎ ‘মহিলাদের অগ্রাধিকার, সকলের জন্য সমৃদ্ধি’। সেই কারণেই সম্মেলনে আমন্ত্রিত প্রতিনিধিদের অন্তত অর্ধেকই এ বার মহিলা।প্রধানমন্ত্রী মোদী, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিনিয়র অ্যাডভাইসর ইভাঙ্কা এবং তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও একসঙ্গে উদ্বোধন করেন জিইএস-২০১৭-র। ইভাঙ্কা নিজের ভাষণে বলেন, ‘‘ভারতের মানুষ আমাদের অনুপ্রাণিত করে।’’ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের দ্রুত অগ্রগতির প্রশংসা করতে গিয়ে ইভাঙ্কা বলেন, ‘‘তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে ভারতীয় শিল্পদ্যোগীরা রয়েছেন, তাঁরা ভারতের প্রসিদ্ধ বিরিয়ানির খ্যাতিকেও হারিয়ে দিতে পারেন।’’ভারত এবং আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে এই প্রথম বার আয়োজিত হল বিশ্ব শিল্পোদ্যোগী সম্মেলন। 
এই সম্মেলনে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিন ইভাঙ্কা, এই প্রস্তাব খোদ মোদীই দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। প্রধানমন্ত্রীর মোদীর নিমন্ত্রণ সাগ্রহে গ্রহণ করে হোয়াইট হাউজ। ইভাঙ্কাই জিইএস-২০১৭-তে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে ওয়াশিংটন জানিয়ে দেয়। ইভাঙ্কার বহুপ্রতীক্ষিত সেই সফর আজই শুরু হল। হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে সাদর অভ্যর্থনা পেলেন প্রেসিডেন্ট-কন্যা। অভিভূত ইভাঙ্কার টুইট, ‘‘এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। জিইএস-২০১৭-র জন্য ভারতের হায়দরাবাদে এসে আমি উচ্ছ্বসিত।’’নিজের ভাষণে ভারতের প্রশংসার পাশাপাশি মজবুত ভারত-মার্কিন মৈত্রীর বার্তাও দিয়েছেন ইভাঙ্কা ট্রাম্প। ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে ইভাঙ্কা বলেছেন, ‘‘হোয়াইট হাউজে ভারতের একজন সত্যিকারের বন্ধু রয়েছেন।’’ ইভাঙ্কার ইঙ্গিত যে তাঁর বাবা তথা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকেই, তা স্পষ্ট। ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর তত্ত্বাবধানে ভারত অত্যন্ত দ্রুত এগোবে’’, মন্তব্য ইভাঙ্কা ট্রাম্পের।

ভারত এসেই ইবাঙ্কা ট্রাম্প দিলেন বড়সড় ধামাকা ! বললেন মোদীজী ..

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রামের কন্যা ইবাঙ্কা এবং তার উপদেষ্টা ইভাঙ্ক ট্রাম্প তিনদিনের সফরে ভারতে এসেছেন। গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজরশিপ সামিটে অংশগ্রহণের জন্য ইবাঙ্কাকে ভারত পৌঁছেছেন। কিছু সময় পূর্বে, হায়দরাবাদে ‘রোবট’ মিত্রের বোতামটি টিপে GES এর উদ্বোধন করেন মোদিজি ও ইওয়াক ট্রাম। উদ্বোধনের পর একটি বৃহৎ অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য মোদীকে ধন্যবাদ জানান এবং তিনি দেশের জন্য যা কাজ করছেন তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রামের কন্যা মোদীজীর প্রশংসা করে বলেন, “ভারতবর্ষের জন্য আপনি যা করছেন, তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমেরিকার মানুষ ভারতীয়দের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নেয়, আমেরিকা ভারতের একজন প্রকৃত বন্ধু ” পরে তিনি বলেন, “আপনি চা বিক্রেতা বিক্রেতার কাজ করেও প্রধানমন্ত্রী হয়েছি দেশের মানুসের ভালবাসাতে,কিছু ভাবুন দেশের বিসয় আর লেগে পড়ুন আপনিও পারবেন দেশকে ভালকিছু দিতে, আপনারও চেষ্টা করলে সবকিছুই সম্ভব হবে।এর পর, তিনি হায়দ্রাবাদকে ধন্যবাদ জানান এবং একই সাথে বলেন, “হায়দ্রাবাদ দ্রুত একটি নতুন শহর হয়ে উঠার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ। আপনি যা চেষ্টা করেছেন তা এক গর্ভের বিসয়। আপনি লাখ লাখ মানুষের জীবনে পরিবর্তন করছেন। এখানে অর্থনীতি খুব দ্রুত “ক্রমবর্ধমান হয়।শুধু তাই নয়, মোদীর নেতৃত্বের অধীনে ভারতের উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন এবং নারী উদ্যোক্তাদের সাহসী সাহসের প্রশংসা করেছেন। ১২৭ টি দেশের বিশ্ব উদ্যোক্তা সম্মেলন ২০১৭ সালে অংশগ্রহণ করেছে। এই সামিটে ১২০০ এর বেশি উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছেন। এই ১২০০ উদ্যোক্তাদের মধ্যে, ভারত প্রায় ৪০০ প্রবর্তক। মার্কিন থেকে প্রায় ৩৫০ উদ্যোক্তা আছে চূড়ান্ত আলোচনায় চারটি ক্ষেত্রে আলোচিত হবে জ্বালানি ও পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য ও জীববিজ্ঞান, আর্থিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতি এবং মিডিয়া ও বিনোদন।

এক্সক্লুসিভ: গুজরাট নির্বাচনে অমিত শাহের করা জবাব, যা বিরোধীদের চিন্তায় ফেলবে..

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি অমিত শাহ আজ এক সম্বেলনে তিনি বলেন গুজরাট বিধানসভার নির্বাচনে ১৫০ টি আসন বিজেপি জিতবেই, গুজরাটের শীর্ষ সম্মেলনের জহির সম্পাদক-ইন-চিফ সুধীর চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললে শাহ বলেন, যদি বিজেপি জয়লাভ করে তবে সংখ্যা ১৬০ এর বেশি হতে পারে।“গত তিন বছরে বেশ কয়েকটি নির্বাচন হয়েছে এবং ২০১৪ সাল থেকে আমরা সারা ভারতে সংখ্যায় পেয়েছি … যদি আমরা জয়লাভের ধারাবাহিকতা বজায় রাখি, আমরা ১৫০ টি আসন কম পাবে না, যা আদর্শভাবে ১৬০ এর বেশি হতে হবে,” শাহ।গুজরাটের ক্ষমতাসীনরাও কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে আক্রমণের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, তিনি উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিষয়ে তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।“রাহুল গান্ধী আসছেন এবং গুজরাটে কর্মসংস্থান সম্পর্কে কথা বলছেন, আর আমেথিতে লোকেরা চাকরির জন্য গুজরাট আসছে”, আমিত শাহ বলেন।

চা বেচেছি দেশকে নয়, কেন এই পাল্টা জবাব মোদীর রাহুলকে দেখুন…

‘চা-ওয়ালা’ কটাক্ষের জবাব এদিন দিয়েছেন মোদী। সৌরাষ্ট্রের এক সভায় তিনি বলেন, ‘‘হ্যাঁ, আমি চা বিক্রি করতাম। কিন্তু, দেশকে বিক্রি করিনি।’’ এর পরেই মোদীর বার্তা, ‘‘এ ভাবে আমার দারিদ্র নিয়ে কটাক্ষ করবেন না।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আসলে কংগ্রেস আমাকে অপছন্দ করে। কী ভাবে একটা দল এতটা নীচে নামতে পারে? হ্যাঁ, দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে আমার মতো এক জন দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এ জন্য কিছু গোপন করার নেই।’’

এ দিন মোদী এই বার্তারই জবাব দিতে চেয়েছেন। পাশাপাশি, তিনি ভারতে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাহুলের দেখা করা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। ভুজের জনসভায় মোদী গুজরাতি ভাষাতেই ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেই ভাষণই ইংরেজি তর্জমা করে তাঁর টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করা হচ্ছিল। সেখানে মোদী বলেন, ‘‘পাকিস্তানি আদালত এক জঙ্গিকে মুক্তি দিয়েছে, আর কংগ্রেস তা উদ্‌যাপন করছে। অবাক হয়েছিলাম, কেন! এই কংগ্রেসেই তো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে আমাদের সেনার উপর বিশ্বাস রাখতে চায়নি। বরং তার থেকে বেশি বিশ্বাস করতে চেয়েছিল চিনের রাষ্ট্রদূতের উপর।’’ রাহুলের ‘হাগপ্লোম্যাসি’ জবাবে মোদী বলেন, ‘‘ডোকলামে যখন ৭০ দিন চিনা সেনার সঙ্গে সঙ্গে চোখে চোখ রেখে টক্কর দিচ্ছিল ভারতীয় সেনা, তখন চিনের রাষ্ট্রদূতকে আলিঙ্গন করেছিলেন কেন!’’

এ দিন মোদীর ভুজের জনসভায় বিপুল জনসমাগম হয়। সেখানে তিনি মুম্বই এবং উরি হামলা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘২৬/১১-য় এবং উরিতে ভারতের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। আপনারা দেখেছেন দু’টি ক্ষেত্রে ভারত কী ভাবে তার জবাব দিয়েছে। আর সেটাই বুঝিয়ে দেয়, ওদের সরকার এবং আমাদের সরকারের পার্থক্য।’’ উচ্চারণ না করেও মোদী মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা।আসলে, মোদী জবাবটা দিতে চেয়েছেন রাহুল গাঁধীকে। কারণটা অবশ্যই মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদ। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি হাফিজকে গৃহবন্দি করেছিল পাক সরকার। গত বুধবার তাকে মুক্তি দিয়েছে লাহৌর হাইকোর্টের বিচারবিভাগীয় বোর্ড। শুক্রবার লাহৌরের বাড়ি থেকে বাইরে পা দিয়েছেন এই জঙ্গি নেতা। তার পরেই রাহুল গাঁধী টুইট করে ব্যঙ্গ করেন, ‘‘নরেন্দ্র ভাই বাত নেহি বনি। টেরর মাস্টারমাইন্ড এখন ফ্রি। ‘হাগপ্লোম্যাসি’ ফেল করল। আরও আলিঙ্গনের প্রয়োজন রয়েছে।’’

‘হ্যাঁ আমি চা বিক্রি করতাম, কিন্তু দেশ বিক্রি করিনি..

সোমবার সকালে কচ্ছের ‘আশাপুরা মাতা’ মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রচারাভিযান শুরু করেন। তার আগে আগামী দু’সপ্তাহে তিনি ৩০-টিরও বেশি নির্বাচনী সভা করবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এ দিন ভুজ ছাড়াও আরও দু’টি জায়গায় মোদীর নির্বাচনী সভা হয়েছে। তার একটি সৌরাষ্ট্রে এবং অন্যটি দক্ষিণ গুজরাতে।প্রথম দফার ভোটের বাকি আর মাত্র ১২ দিন। নির্বাচনী প্রচারে এত দিন শাসক-বিরোধী— দু’পক্ষের বিষয়ই ছিল গুজরাত অস্মিতা। কিন্তু, প্রথম দিন ভোট প্রচারের ময়দানে নেমেই নরেন্দ্র মোদী সেখানে জাতীয়তাবাদের দামামাটা বাজিয়ে দিলেন। গুজরাতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তুললেন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক প্রসঙ্গ। পাশাপাশি একের পর এক বাক্যবাণে বিদ্ধ করতে চাইলেন কংগ্রেসকে।

এই প্রথম বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে গুজরাতে ভোট প্রচারে মোদী। এর আগের গুজরাতের একাধিক নির্বাচনে তিনি প্রচার করেছেন, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে। ২০০১ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মোদী। সে বছর কেশুভাই পটেলকে সরিয়ে মোদীকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। ছ’মাসের মধ্যে মোদীকে মণিনগর থেকে উপনির্বাচনে জিতিয়ে আনা হয়েছিল। তার পর থেকে ২০১৪ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে অবধি এই গুজরাতেরই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি।এ দিন মোদীর ভুজের জনসভায় বিপুল জনসমাগম হয়। সেখানে তিনি মুম্বই এবং উরি হামলা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘‘২৬/১১-য় এবং উরিতে ভারতের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। আপনারা দেখেছেন দু’টি ক্ষেত্রে ভারত কী ভাবে তার জবাব দিয়েছে। আর সেটাই বুঝিয়ে দেয়, ওদের সরকার এবং আমাদের সরকারের পার্থক্য।’’ উচ্চারণ না করেও মোদী মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা।এর আগে কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গাঁধী গুজরাতে একাধিক বার প্রচারে এসেছেন। নানা বিষয়ে মোদীকে তিনি আক্রমণ করেছেন। এ দিন মোদী নিজের ইনিংস-এর শুরুতেই সেই রাহুলকে জবাব দিতে চেয়েছেন। গুজরাত নির্বাচনের আগে রাহুলকে তাঁর দল যে সভাপতি পদে নির্বাচিত করছে, তা নিয়েও মোদী কটাক্ষ করেছেন। তাঁর মতে, এ বারের লড়াই ‘উন্নয়ন বনাম পরিবার তন্ত্রের’ লড়াই। ‘চা-ওয়ালা’ কটাক্ষের জবাব এদিন দিয়েছেন মোদী। সৌরাষ্ট্রের এক সভায় তিনি বলেন, ‘‘হ্যাঁ, আমি চা বিক্রি করতাম। কিন্তু, দেশকে বিক্রি করিনি।’’ এর পরেই মোদীর বার্তা, ‘‘এ ভাবে আমার দারিদ্র নিয়ে কটাক্ষ করবেন না।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আসলে কংগ্রেস আমাকে অপছন্দ করে। কী ভাবে একটা দল এতটা নীচে নামতে পারে? হ্যাঁ, দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে আমার মতো এক জন দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এ জন্য কিছু গোপন করার নেই।’’

ভারতীয় সেনাকে অপমান করলেন কংগ্রেস নেতা , শুনলে আপনিও রেগে লাল …

আজ ভারতীয় সেনা বাহিনীর এক প্রতিনিধি যিনি কার্গিল যুদ্ধ লড়েছিলেন দেশের জন্য আজ তিনি বক্তব্য রাখাকালীন  কিছু প্রশ্ন কংগ্রেস আমলের জিগাসা করেন, তিনি বলেন কংগ্রেসের  আমলে কেন সার্জিকাল স্ট্রাইক করা হয়নি সব সুজক থাকার পরও ? গত ৩ বছরে যত অতঙ্গবাদী মরেছে তা এতদিন কংগ্রেসের আমলে হয়নি কেন ? এমন কিছু প্রশ্ন করার পর রেগে  গুরুতর ভাবে অপমান করলেন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি রাজীব তিয়াগী , তিনি গুরুতর ভাবে অপমান করলেন এবং বলেন ইনি কে প্রশ্ন তুললেন খুব লজ্জা জনিত ভাবে,

দেখুন সেই ভিডিওটি

                                     

কার্গিল যুদ্ধের সেনাপ্রধানকে এমন ভাবে অপমান করলেন কংগ্রেস নেতা দেখলে রেগে লাল হয়ে যাবেন !

আজ ভারতীয় সেনা বাহিনীর এক প্রতিনিধি যিনি কার্গিল যুদ্ধ লড়েছিলেন দেশের জন্য আজ তিনি বক্তব্য রাখাকালীন  কিছু প্রশ্ন কংগ্রেস আমলের জিগাসা করেন, তিনি বলেন কংগ্রেসের  আমলে কেন সার্জিকাল স্ট্রাইক করা হয়নি সব সুজক থাকার পরও ? গত ৩ বছরে যত অতঙ্গবাদী মরেছে তা এতদিন কংগ্রেসের আমলে হয়নি কেন ? এমন কিছু প্রশ্ন করার পর রেগে  গুরুতর ভাবে অপমান করলেন কংগ্রেসের এক প্রতিনিধি রাজীব তিয়াগী , তিনি গুরুতর ভাবে অপমান করলেন এবং বলেন ইনি কে প্রশ্ন তুললেন খুব লজ্জা জনিত ভাবে,

দেখুন সেই ভিডিওটি

                                     

ফের ‘লভ জিহাদ’: হাদিয়ার বক্তব্য শুনবে এবার সুপ্রিম কোট..

সত্যিই কি তাঁকে মুসলিম হতে কেউ বাধ্য করেননি ? নিজের ইচ্ছাতেই মুসলিম হয়েছিলেন হাদিয়া?
তাঁর ধর্মান্তকরণ কি ঘটেছিল তাঁর বিয়ের দু’বছর আগেই ?
সরাসরি হাদিয়ার মুখ থেকে আজ, সোমবার সেই সব কথা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। প্রকাশ্য এজলাসে।
শীর্ষ আদালতে তাঁর ‘লভ জিহাদ’ মামলার জন্য গত শনিবার কোচি থেকে বিমানে কড়া পুলিশ পাহারায় হাদিয়াকে নিয়ে আসা হয়েছে দিল্লিতে। সঙ্গে রয়েছেন হাদিয়ার মা, বাবাও।যাঁকে ঘিরে ‘লভ জিহাদ’ বিতর্কে আপাতত তোলপাড় কেরল, সেই হাদিয়া অবশ্য গত শনিবার দিল্লি রওনা হওয়ার আগে কোচি বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘‘আমি মুসলিম। নিজের ইচ্ছাতেই মুসলিম হয়েছি। কেউ আমাকে বাধ্য করেননি মুসলিম হতে। আমি স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাই।’’
গত শুক্রবার হাদিয়ার স্বামী শাফিন জাহান অভিযোগ করেন, হাদিয়াকে এখন চাপ দিয়ে হিন্দু বানানোর চেষ্টা হচ্ছে। গত বছর শাফিনকে বিয়ে করার সময় হাদিয়ার বয়স ছিল ২৪। নামও ছিল আকিলা অশোকান।বিয়ের পরেই হাদিয়ার বাবা কেরল হাইকোর্টে একটি মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, জঙ্গিরাই চক্রান্ত করে তাঁর কন্যা আকিলার (এখন হাদিয়া) ধর্মান্তকরণ ঘটিয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) এখন তার তদন্ত করছে।হাদিয়ার বাবার আর্জির ভিত্তিতে কেরল হাইকোর্ট হাদিয়ার বিয়ে বাতিলের নির্দেশ দেয়। যাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান হাদিয়ার স্বামী শাফিন। শীর্ষ আদালতে হাদিয়ার স্বামী জানান, বিয়ের দু’বছর আগেই স্বেচ্ছায় মুসলিম হয়েছিলেন হাদিয়া। তাঁকে মুসলিম হতে কেউ বাধ্য করেননি।হাদিয়ার বাবা চেয়েছিলেন, গোপন কক্ষে হাদিয়ার বক্তব্য শুনুক শীর্ষ আদালত। কিন্তু সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
Design a site like this with WordPress.com
Get started