বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের করা প্রতিক্রিয়া..
এদিকে, কলকাতায় বেসরকারি স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে আসা কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা সচিব অনিল স্বরূপের মন্তব্য, স্কুলে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পড়ুয়াদের নিরাপত্তার দিকটি সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি স্কুলে সিসিটিভি থাকা বাধ্যতামূলক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একটি বেসরকারি স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে কেষ্টপুরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা মন্ত্রকের সচিব।
সাবধান ৪২ টি চাইনিস অ্যাপ ব্যান্ড,জেনে নিন সেগুলি..
ডেস্ক:ডোকালাম এ ভারতের কাছে হেরে যাওয়া চিন এখন মোবাইল অ্যাপস এর সাহায্য নিয়ে ভারতের গোপন তথ্য চুরি করার চেষ্টা করছে।আপনারা হয়তো শুনেছেন কিছুদিন আগে গুগল, চিনের uc browsaer কে ব্যান করেছিল ডেটা চুরি করার অভিযোগে।সেই চুরি করার অভ্যাস তারা এখনো ত্যাগ করতে পারিনি।এখন চিন তাদের মোবাইল ডিভাইস,মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় সেনা অফিসার এবং সেনাদের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি করার চেষ্টা করছে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো কর্তৃপক্ষ ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ৪২ টি ফোন অ্যাপ্লিকেশন ডিলিট করার জন্য সতর্ক করেছে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এর তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে,কিছু বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ করে চিন ও পাকিস্তান থেকে বিশেষ কিছু অ্যাপ ছড়াচ্ছে যেগুলো স্মার্টফোনের ডেটা চুরি করতে পারে।এই অ্যাপ ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে নিজের পার্সোনাল সমস্ত ডেটা পৌঁছে যেতে পারে চিনা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে,যেটা দেশের নিরাপত্তার খাতিরে খুবই ভয়াবহ ব্যাপার।সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এইসমস্ত অ্যাপ গুলিকে আনইনস্টল করে ফোনকে ফরমেট করতে।
মনে করা হচ্ছে এই সমস্ত অ্যাপস এর মধ্যে স্পাইওয়ের ব্যবহার করে ফোনের ডেটা চুরি করছে চিন।ট্রু কলার, ক্লিন মাস্টার, 360 ডিগ্রি,বিউটি প্লাস, উই চ্যাট,ইউসি নিউজ,শেয়ার ইট, এক্সএন্ডার,ডিইউ স্পিড বুস্টার, Mi কমিউনিটি,Mi স্টোর, CM ব্রাউসার,ওয়েইবো,বাইডু ম্যাপস,নিউজ ডগ, প্যারালাল স্পেস, ফটো ওয়ান্ডার,এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপ গুলিকে এই ৪২ টি অ্যাপস এর মধ্যে ধরা হয়েছে।এই অ্যাপস গুলি ভারতে প্রচুর পরিমানে ব্যাবহৃত হয় এবং এগুলি চিন কর্তৃক বানানো যার ফলে ভারতের জাতীয় স্তরে নিরাপত্তা বিঘ্ন হতে পারে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এলএসি(লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) এবং ভারত চিন বর্ডারে থাকা সৈনিকদের জানিয়েছে যে তাদের কাছে থাকা চাইনিজ অ্যাপস বা চিনা ডিভাইস দ্বারা সাইবার এট্যাক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।এতে চিন ভারতীয় সেনাদের মধ্যে হওয়া গোপনীয় তথ্য আদান প্রদান এর কথা জেনে যেতে পারে।তাই অ্যাপস আনইনস্টল করে ফোন ফরমেট করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু অ্যাপসই নয় যদি কোনো চাইনিজ লিংক চোখে পড়ে তাতেও না ক্লিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সেনাদের সাথে সাথে ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষেরও উচিত ওই সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন গুলিকে আনইনস্টল করা।কারণ চিন ভারতের ডেটা চুরি করে ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে ছোট করার চেষ্টা করছে এবং ভারতের এলাকা দখলেরও চেষ্টা করছে।তাই দেশের স্বার্থে প্ৰত্যেক ভারতবাসীর উচিত চিনা অ্যাপ্লিকেশন গুলি ডিলেট করা।
বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য অমিতাভ ব নেতাজির মধ্যে গভীর সম্পর্ক…
আধার লিঙ্কের ঝামেলা থেকে মুক্তি। কেন্দ্র সরকারের এক বড়ো সিদ্ধান্ত..
আপনি কি এখনো আপনার মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করেন নি? কিংবা কোনো কাজের মধ্যে পড়ে আধার লিঙ্ক করার সময় পাননি? তাহলে র চিন্তা নেই। আপনাকে ফোনের নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করার জন্য আর ছোটাছুটি করতে হবে না।
এখন থেকে আপনি বাড়িতে বসেই আধার লিঙ্ক যোগ করতে পারবেন আপনার নম্বরের সাথে। এমনই ঘোষণা করেছেন টুইটারে ইউ.আই.ডি.এ.আই.(ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি)।এতদিন মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করানোর জন্য অনেক ঝামেলা পোয়াতে হতো। প্রথমে রিটেলারের কাছে যাও, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও, আধার নম্বর বলো ইত্যাদি। মূলত, বয়স্ক ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা যেত। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ হতে চাইতো না।কিন্তু এখন থেকে মোবাইলে ওটিপি-এর (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডের) সাহায্যে আধার লিঙ্ক করা যাবে, এমনটিই জানিয়েছে ইউ.আই. ডি. এ. আই। কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনি নিজেরই করতে পারবেন আধার লিঙ্ক। জানতে চান পদ্ধতিগুলো??
১. ইউ.আই.ডি.এ.আই ভয়েস কল বা এসএমএসের সাহায্যে আপনার ফোনে একটি ওটিপি পাঠাবে।
২. এসএমএস-এর সাহায্যে ওটিপি পেতে হলে আপনাকে আগে সার্ভিস প্রোভাইডারকে আধার নম্বর এসএমএস করে পাঠাতে হবে।
৩. এরপর ইউআইডিএআই ওটিপি আপনার ফোনে পাঠাবে।
৪. তারপর আপনাকে ওটিপিএর সঙ্গে আধার নম্বর ম্যাচ করতে হবে। একেই বলা হয় ই-কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।এর পরেই আপনার নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।
Love Jihad এর পাল্টা জবাব দিতে RSS করতে চলেছে এমন কাজ যেকারণে জিহাদিরা রেগে লাল…
হিন্দু মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছেন মুসলিম যুবকেরা এবং বিয়ের কিছুদিন পর তাদেরকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে।ইসলাম গ্রহণ না করলে মেয়েদের উপর অত্যাচারও করা হচ্ছে এই অভিযোগের ভিত্তিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে কেরল রাজ্যে।লাভ জিহাদ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মামলা চলছে কেরল রাজ্যে,এমত অবস্থায় রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে আরএসএস। আরএসএস এর শাখা হিন্দু জাগরণ মঞ্চ থেকে ঘোষিত হয়েছে,পরের সপ্তাহ থেকে দুহাজার মুসলিম যুবতীর সাথে হিন্দু যুবকদের বিয়ের পিঁড়িতে বসাবেন তারা।হিন্দু জাগরণ মঞ্চ ‘বেটি বাঁচাও,বহু লাও’ নামে এক নতুন কর্মসূচি শুরু করেছেন।
কর্মসূচীর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে,হিন্দু ছেলেদের সাথে মুসলিম মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হবে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে এই বিয়ের আয়োজন করবে আরএসএস এর শাখা সংগঠন হিন্দু জাগরণ মঞ্চ।শুধু তাই নয় বিয়ের পর দম্পতির আর্থিক,সামাজিক নিরাপত্তার ও সমস্ত দায়িত্ব নেবে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা।কিন্তু এক্ষেত্রে হিন্দু রীতি মেনে বিয়ে হলেও ,মুসলিম মেয়েদের হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করার জন্য কোনো চাপ দেওয়া হবে না।হিন্দুত্ববাদী সংগঠন কেন এরকম কর্মসূচির আয়োজন করল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উত্তরপ্রদেশের হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রধান অজ্জু চৌহান বলেছেন, এই কর্মসূচিও এক ধরণের লাভ জেহাদ ।কিন্তু এক্ষেত্রে মুসলিম মহিলারাই হিন্দু যুবকদের বিয়ে করবেন।তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন,’লাভ জিহাদে শুধু মাত্র হিন্দু মেয়েদেরই নিশানা করা হচ্ছে।হিন্দু মেয়েদের এই ফাঁদে ফেলবার জন্য মুসলিম যুবকরা পৈতেও ব্যবহার করছে,মাথায় তিলক আঁকছে এমনকি হনুমান চল্লিশাও পাঠ করছে।তাই আমরা ওদের ভাষায় ওদেরকে শিক্ষা দেব।’গত বছর থেকে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ উত্তরপ্রদেশে ‘সেভ হিন্দু গার্ল’ নামে প্রচারঅভিযানও শুরু করেছে ,যেখান স্কুলে স্কুলে গিয়ে ছাত্রীদের বোঝানো হয় মুসলিম যুবকদের বিয়ের কুফল।এখন সেই অভিযানকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন কর্মসূচির আয়োজন করলো আরএসএস।
মুকুল বার করলো আরো এক নতুন তথ্য, শুরু হল আবার এক জল্পনা || Supravat.in
বিশ্ব বাংলার নাম নিয়ে ব্যবসা জানালেনমুকুল রায়। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর কথায় যথেষ্টই অসঙ্গতি রয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া দরকার।বুধবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিশ্ব বাংলা লোগো আর নাম আমার তৈরি। ২০১৩ সালে এই লোগো তৈরি করি। রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তা ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে।”বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দাবিকে কার্যত ‘মিথ্যা’ বলে বিজেপি নেতা মুকুল রায় প্রশ্ন তোলেন, ‘‘বিশ্ব বাংলা লোগো যদি মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি হয়, তা হলে ২০১৩-র ২৬ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববাংলা লোগোর ট্রেডমার্কের জন্য আবেদন জানালেন কী ভাবে?’’
চীনকে পেছনে ফেলে বিরোধীদের মুখে ফের চুনকালি মাখালেন মোদী সরকার,কিভাবে জানলে চমকে যাবেন !!
নরেন্দ্র মোদীর গুজরাটের নির্বাচনী প্রচারণার একটি বড় উৎসাহের মধ্যে, ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দ্বিতীয় চতুর্থাংশে জুলাই-সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় চতুর্থাংশ থেকে 2013 সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরে 6.3% পর্যন্ত প্রত্যাবর্তন করে, কারণ ব্যবসার একটি ঘনবসতিপূর্ণ উত্সব ঋতু রয়েছে অর্থনৈতিকভাবে আউটেজ কার্যকলাপ এবং জিএসটি বাস্তবায়নের পর জায়িষ নির্মাণের জন্য ত্বরান্বিত উত্পাদন। দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এপ্রিল-জুনে 5.7% থেকে বাড়িয়ে 6.3% এবং জানুয়ারী – মার্চ এ 6.1% বৃদ্ধি পায়, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অফিসের তথ্য দেখায়। যাইহোক, জুলাই-সেপ্টেম্বরের প্রবৃদ্ধির গতি ছিল 7.3% যা আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।এমনকি প্রত্যাশার জয়ের ফলে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে চীন, ভারত এখনও ড্যাগানের পিছনে দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রমবর্ধমান প্রধান অর্থনীতির দেশ। গত অর্থবছরে চতুর্থ কোয়ার্টারে চীনে দ্রুততম বর্ধমান প্রধান অর্থনীতির তালিকায় শীর্ষ স্থানটি ভারতকে দিয়েছে, যখন দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি 6.1 শতাংশে নেমেছে। জিএসপি-র প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির কারণে জিডিপি প্রবৃদ্ধি 5.7 শতাংশে নেমে এসেছে এবং জিএসপি-র প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় বাজারের অগ্রগতির অগ্রগতির অগ্রগতির অগ্রগতির জন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসেছে,
মুখ্যমন্ত্রী কি শুধুমাত্র নিজের পরিবারের স্বার্থরক্ষার্থেই বিশ্ব বাংলা লোগো তৈরি করেছেন ?
মুখ্যমন্ত্রী কি শুধুমাত্র নিজের পরিবারের স্বার্থরক্ষার্থেই বিশ্ব বাংলা লোগো তৈরি করেছেন ?? তিনি কি পরিবার ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না? বিশ্ব বাংলার মানুষ বলতে কি শুধু তার পরিবার কেই বোঝানো হয়?? মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভায় বসে বিশ্ব বাংলা লোগো ইস্যুতে এই প্রশ্ন তুলে ধরলেন বিজেপির মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।বিজেপির নেতা মুকুল রায় রানি রাসমণি রোডের জনসভা থেকে অভিযোগ করেছিলেন যে, “বিশ্ব বাংলা লোগো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব মালিকানা হয়ে উঠেছে, সেটা আর রাজ্য সরকারের নেই।” এর পরিণতিতে সাংবাদিকদের ডেকে, এক বৈঠক আয়োজন করে মুকুল রায়কে মিথ্যা প্রমান করা হয়। এবং মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন অভিষেক।অবশ্য এর উপযুক্ত পাল্টা জবাবও দিয়েছেন মুকুল রায়।
টানা ১৯ দিন ধরে চলে আসছে এই বিতর্ক। মঙ্গলবার কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়ে জানিয়েছেন (প্রায় হুমকিই বলা চলে) যে, “যদি মুকুল রায়ের এই অভিযোগ প্রমান হয়ে যায় তাহলে, তিনি আর রাজনীতির জগতে পা রাখবেন না। কিন্তু যদি এই অভিযোগ প্রমান না হয়, তাহলে মুকুল রায় কে বাংলা ছাড়তে হবে।এতদিন নিশ্চুপ থাকা মুখ্যমন্ত্রী শেষে মুখ খুললেন। তিনি বললেন, ” আমার তৈরি বিশ্ব বাংলা লোগো। আমি এই লোগো তৈরি করেছিলাম ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং ১৪ সালে সরকারি ঘোষণাপত্র দ্বারা জারি হয় যে, যতদিন চাইবে ততদিন এই লোগো সরকার ব্যবহার করতে পারবে।” তিনি আরো বলেন যে, “এই লোগো যদি সরকার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে তা আবার তাঁর নিজের কাছেই ফিরে আসবে। স্বপ্নের কোনো মূল্যে হয় না। আর এই লোগো হচ্ছে আমার স্বপ্ন।” আসলে এটা বলে তিনি এটাই প্রমান করতে চাইলেন যে বিশ্ব বাংলার আর্থিক দিক থেকে তিনি কোনো ভাবে সাহায্য লাভ করেন না।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির নেত্রী লকেট মন্তব করেন যে, তাহলে তো মুকুল রায় এর কথাটাই ঠিক। মুখ্যমন্ত্রী তো নিজেই স্বীকার করলেন। তাঁর কথার মনে তো এটাই দাঁড়াচ্ছে যে তিনি সরকার কে সামনে রেখে পারিবারিক ব্যবসা করতে চাইছেন। লকেট আরো বলেন যে, উনি বললেন যে আমার লোগো। আমার না বলে তো উনি আমাদের বা সকল বাংলার মানুষের কথা বলতে পারতেন। তাঁর একথা থেকেও বোঝা যায় যে, তিনি বিশ্ব বাংলার নাম নিয়ে শুধু নিজের পরিবার গোছাতেই ব্যস্ত। লকেট চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁদের আন্দোলন ধারাবাহিক ভাবেই চলবে।
ইন্দিরা গান্ধীর নীতিতে করা জবাব PM মোদীর, দেখুন এই রাজনৈতিক মহলের গরম প্রতিবেদনটি..
ছেড়ে দেওয়ার বান্দা নন কেউই, গুজরাতের ভোটের প্রচার দেখে তা টের পাওয়া যাচ্ছে বিলক্ষণ। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ হানতে রীতিমতো অস্ত্র শানিয়ে মাঠে নেমেছে দু’পক্ষই। গতকাল প্রধানমন্ত্রী কে জিএসটি খোঁচায় বিঁধেছিলেন রাহুল গান্ধী। ‘গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স’কে ফের ‘গব্বর সিংহ ট্যাক্স’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল। সেই কটাক্ষের জবাবে বুধবার মোরবির জনসভা থেকে কংগ্রেসকে পাল্টা আক্রমণ করে মোদী বলেন, ‘‘দেশকে যাঁরা লুঠ করেছেন, ডাকাতির কথা তো তাঁদের মনেই আসবে।’’ তবে এখানেই শেষ নয়। কংগ্রেস যে কোনওদিনই মোরবির মানুষদের কথা ভাবেনি, ইন্দিরা গাঁধীর প্রসঙ্গ টেনে চোখে আঙুল দিয়ে সেটাই দেখিয়ে দিতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। কয়েক দশক আগে একটি সাময়িকপত্রে প্রকাশিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীর একটি ছবির কথা মনে করিয়ে দিলেন। সেখানে দেখা গিয়েছিল, মোরবির রাস্তার কটূ গন্ধ আড়াল করতে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে ঢুকছেন ইন্দিরা।










