ব্যবস্থা না নিলে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেবো, কে দিল এমন হুমকি ?


পাকিস্তান যদি জঙ্গিদের নিরাপদ স্থান নিয়ে কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তবে তাদের ধংস নিশ্চিত করতে যা যা ব্যবস্থা করতে হয়, তাই করবে তারা। এমনটাই হুমকি দিয়েছেন সিআইএ-র প্রধান।মেরিকার ডিফেন্স সেক্রেটারি জেমস ম্যাটিস-এর পাকিস্তান সফরের দিনদুয়েক আগেই এই মন্তব্য করেছেন সিআইএ-র ডিরেক্টর মাইক পম্পেও। পম্পেও জানিয়েছেন, সফরকালে ম্যাটিস পাকিস্তানকে খুব ভালভাবে বলবেন। তিনি বলেন, ডিফেন্স সেক্রেটারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তাও পাকিস্তানের বর্তমান শাসকদের হাতে তুলে দেবেন। কেননা ট্রাম্পও জঙ্গিদের বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। পাকিস্তান যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, জঙ্গিদের স্থায়ী আস্তানা গুড়িয়ে দিতে যা যা ব্যবস্থা নিতে হয়, তাই তাই করবে আমেরিকা। 


এমনটাই জানিয়েছেন সিআইএ-র ডিরেক্টর। ইসলামাবাদে পৌঁছেই ম্যাটিস পাকিস্তানের সেনাকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আফগানিস্তান নিয়ে কথা বলবেন। আমেরিকা দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তান আফগান তালিবানদের আশ্রয় দিচ্ছে। আফগানিস্তানে হামলায় হাক্কানি নেটওয়ার্ককেও প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করেছিল আমেরিকা। এবছরের অগাস্টে, ট্রাম্প পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জঙ্গি গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। আরও অভিযোগ ছিল জঙ্গিরা আমেরিকানদের মারার চক্রান্ত করছে। তারা পাকিস্তানকে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কোটি কোটি বিলিয়ন ডলার দিচ্ছেন, একই সময়ে পাকিস্তান জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে, যার বিরুদ্ধে লড়াই আমেরিকা। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার বলে জানিয়েছেন সিআইএ-র ডিরেক্টর।

মধ্যপ্রদেশ মন্ত্রীসভা এক চমৎকার আইন পাশ করল!!জানলে আপনিও খুশি হবেন।

করা আইন নিয়ে এল মোদী সরকার, মধ্যপ্রদেশে ১২ বছর বা তার কম বয়সীদের ধর্ষণের শাস্তি হতে চলেছে মৃত্যুদণ্ড। এ সংক্রান্ত বিলটিতে আগেই সিলমোহর দিয়েছিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সোমবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভাতেও সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়ে গেল বিলটি।এ বার বিলটিকে আইনে পরিণত করার জন্য দরকার রাষ্ট্রপতির অনুমোদন। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, শীঘ্রই বিলটি অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।বিলটি পাশ হওয়ার পরই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। তিনি বলেন, ‘‘যারা শিশুদের ধর্ষণ করে, তারা মানুষ নয়, তারা পিশাচ। তাই তাদের বেঁচেথাকারও কোনও অধিকার নেই।’’ পাশাপাশি, মহিলাকে বার বার উত্যক্ত করলে তা নতুন আইনে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘মহিলাদের সম্মান না করে যারা অসম্মান করে, তাদের শাস্তি হবেই।’’

রাহুল গান্ধী গড়তে চলেছেন এক বিশ্ব রেকর্ড ।যা শুনলে আপনিও হেসে ফেটে পড়বেন।

২০১৩ সাল থেকে রাহুল গান্ধী সব নির্বাচনে হেরে যাওয়ার জন্য অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় এবং বার বার তিনি সংবাদের শিরোনামে এসেছেন।কিন্তু এবার রাহুল গান্ধী অন্যভাবে সংবাদে এসেছেন এবং তিনি এমনকিছু অর্জন করেছেন যা সম্ভবত কোনো রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব অর্জন করেননি।আসলে বিশাল দেওয়ান নামের মধ্যপ্রদেশের এক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া  যুবক গিনিস বুকে রুহুল গান্ধীর নাম নথিভুক্ত করার জন্য আবেদন পাঠিয়েছেন।তাঁর কথা অনুযায়ী রাহুল গান্ধী ৫ বছরে ২৭ বার নির্বাচনে হেরেছেন যেটা গিনিস বুকে নাম নথিভুক্ত করার জন্য যথেষ্ট।দেওয়ান তার ইচ্ছে পূরণ করার জন্য গিনিস বুকার এডমিনিস্টারকে চিঠি লিখেছেন এবং একই সঙ্গে এনরোলেমেন্টের টাকাও পাঠিয়েছেন।কিন্তু এখনো পর্যন্ত গিনিস বুকের তরফ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।অন্য দিকে নরেন্দ্র মোদী তার ভালো কাজের জন্য ইতিমধ্যেই নিজের নাম গিনিস বুকে তুলেছে যার জন্য ভলোরকম নিন্দার মুখে পড়তে হচ্ছে রাহুল গান্ধীকে।

সেনাবাহিনীর ভয়ে কিভাবে জঙ্গিরা পালাচ্ছে জানলে ইন্ডিয়ান আর্মিকে স্যালুট জানাবেন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভয়ে এখন ভীত জঙ্গিরা।সেনা অফিসাররা জানিয়েছেন যে, জঙ্গিরা এখন পাহাড়ি রাস্তার বদলে জনপথই ব্যবহার করছে।পাখরপোরাতে একটি ধর্মস্থানে বহু মানুষ যাতায়াত করেন। সেই ভীড়েরই সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গিরা। ওই এলাকার রাস্তায় ব্যারিকেড বসানোর প্রস্তাব দিয়েছিল সেনা। কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি রাজ্য সরকার।জঙ্গিদের খোঁজে উত্তর কাশ্মীরেও ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। কাশ্মীরে ‘তোরা বোরা’ নামে পরিচিত বাদগামের পাখরপোরাতেও বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে চার জইশ জঙ্গি। গোয়েন্দাদের মতে, এই এলাকার গভীর জঙ্গল অনেকটা তোরা বোরার গুহার মতোই। আল কায়দা নেতা ওসামা বিন লাদেন এই গুহার গোলকধাঁধাতেই দীর্ঘ দিন আত্নগোপন করেছিল বলে তাঁদের দাবি।এটাই বলেছেন সেনা অফিসাররা।জঙ্গিরা ক্রমশ দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীরের দিকে পালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি পুলিশ ও সেনাদের।

কারণ দক্ষিণ কাশ্মীরে বাড়ছে বাহিনীর সংখ্যা। সেনা অফিসারদের মতে, স্থানীয় মানুষদের একাংশের সাহায্যে দক্ষিণ কাশ্মীরের বড়ো বড়ো বাগিচা ও নির্মীয়মান বাড়িতে গ্রীষ্মে আশ্রয় পেয়েছিল জঙ্গিরা। কিন্তু এখন দক্ষিণ কাশ্মীরে থাকা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তাদের কাছে দক্ষিণ কাশ্মীর ছেড়ে উত্তর কাশ্মীরে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।সেনার ‘কিলো ফোর্স’-এর কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল এ.কে. সিংহের মতে, লোলাব, রামহল, উত্তর কাশ্মীরের শালবাটু, হাফারুদা, দারিয়েঙ্গারদির মতো এলাকার জঙ্গলে ক্রমাগত তল্লাশি চলছে। সেনা অফিসারদের দাবি, মধ্য কাশ্মীরের বাদগামের পাখরপোরা এলাকা দিয়েই দক্ষিণ থেকে উত্তর কাশ্মীরে যাতায়াত করে জঙ্গিরা।

আন্তর্জাতিক মহলে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ভারত।এই অজানা তথ্য জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

ভারতের টাকায় নির্মীয়মাণ ইরানের ছাবাহার সমুদ্রবন্দরের একটি অংশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়ে গেল রবিবার।দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে আর পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার না করে আফগানিস্তান, ইরান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য-সম্পর্ক জোরদার করে তুলতে ইরানের ছাবাহারে সমুদ্রবন্দর গড়ে তুলতে ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে ভারত।প্রাথমিক ভাবে ছাবাহার বন্দরের যে অংশটির কাজ শেষ হয়েছে, তার নাম দেওয়া হয়েছে, শাহিদ বেহেস্তি বন্দর। এখন ওই বন্দরের দু’টি বার্থ ব্যবহার করবে ভারত। আজ ওই বন্দরের উদ্বোধন করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। হাজির ছিলেন ভারত, আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির প্রতিনিধিরাও।

আগামী বছরের শেষাশেষি মাল ওঠা-নামার কাজ শুরু হয়ে যাবে ওই বন্দরে। কাজ কেমন এগিয়েছে, তা দেখতে রাশিয়া সফর শেষে ভারতে ফেরার পথে শনিবার তেহরান ছুঁয়ে আসেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। ঘুরে দেখার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী জাভেদ জারিফও।পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলে ইরানের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশের ছাবাহারে বন্দর গড়ে ওঠায় এ বার পাক ভূখণ্ড ব্যবহার না করেই পশ্চিম উপকূল থেকে ভারত ব্যবসা, বাণিজ্য চালাতে পারবে আফগানিস্তান, ইরান ও মধ্য এশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ দেশগুলির সঙ্গে।গত অক্টোবরেই ভারত জাহাজে চাপিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠিয়েছিল ছাবাহার বন্দর দিয়ে। ওই বন্দর নির্মাণের জন্য ভারত ও ইরানের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল গত বছরের মে মাসে। সেই সময় ইসলামাবাদের তরফে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করার লক্ষ্যেই ভারতের এই পদক্ষেপ।

অমিত শাহের হিন্দুত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি!কিন্তু কেন?

ডেস্কঃ গুজরাট নির্বাচনের মুখে বিজেপিকে টার্গেট করলেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি।উনার কথা অনুযায়ী বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে।এমনকি তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহকে টার্গেট করে বলেন, ‘উনি হিন্দু নন,কিন্তু নিজেকে হিন্দু বলে প্রচার করছেন।’ এই মন্তব্য করার নেটদুনিয়ায় বিজেপি ভক্তদের ক্ষোপের মুখে পড়তে হয় উনাকে। আসাদুদ্দিন ওয়াইসি নরেন্দ্রমোদিকেও আক্রমণ করে বলেন,প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন বলেন ‘আমি হিন্দু’, সেটা ঠিক আছে। তবে তিনি যখন বলেন ‘আমি মুসলিম’, সেটা মোটেই ঠিক নয়।সম্প্রীতি সোমনাথ মন্দিরে গিয়ে রাহুল গান্ধীর নাম লিখাতে গিয়ে যে বিতর্ক তৈরী হয়েছিল,সেই প্রসঙ্গেই তিনি নিন্দা করেন বিজেপি।সোমনাথ মন্দিরে দর্শনার্থীদের জন্য হিন্দু ও অহিন্দুদের জন্য আলাদা দুটি খাতায় নাম রেজিস্টার করাতে হয়।রাহুল গান্ধী ও তার সহসঙ্গী আহমেদ প্যাটেল অহিন্দুতে নাম নথিভুক্ত করান।যার পর থেকে শুরু হয়ে যায় বিতর্ক।

মোদী গর্জন চাপে ফেললো কংগ্রেসকে! কি বললেন মোদী অবশ্যই জানুন।

বিশ্বের সব থেকে লোক প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর পপুলারিটি এক্ষুন ও অনেক আছে,আজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে যে  গর্জন করেছেন তা  গুজরাট ভোটে বিজেপিকে যেটাতে সাহায্য করবে, আজ সোনা গেল মঞ্চ থেকে গর্জন,আজ  গুজরাট সুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সোনার জন্য যে পরিমানে ভির উভরে পরেছিল তাতে মনে করা যায় বিজেপি ক্ষমতা এবং তার সাথে নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমতা, আর টানা ২২ বছর বিজেপি-র হাতে থাকা নিজের রাজ্য গুজরাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রচারে ‘মডেল’ হিসেবে তুলে ধরলেন উত্তরপ্রদেশকে। উত্তরপ্রদেশে সদ্য শেষ হওয়া পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল দেখিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন উত্তরপ্রদেশই ভাইব্র্যান্ট আপাতত শাসক দল বিজেপি-র কাছে! যেখানে একেবারেই ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস।এর পরেই আসে মোদীর খোঁচা, ‘‘কংগ্রেসকে হাড়ে হাড়ে চেনে উত্তরপ্রদেশ।

 গুজরাতও চেনে!’’ দু’দিনে দক্ষিণ গুজরাত ও সৌরাষ্ট্রে ৭টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। গুজরাতে এত দিন বিজেপি’র ভোট ব্যাঙ্ক ছিলেন যে পটেল সম্প্রদায় বা পাতিদাররা, তাঁদের একটি বড় অংশের মানুষ থাকেন সৌরাষ্ট্রে। হার্দিক পটেলের সৌজন্যে যে পাতিদার ভোট নিয়ে এ বার ভাবতেই হচ্ছে বিজেপিকে। সৌরাষ্ট্রের রাজকোট ও সুরেন্দ্রনগরে দু’টি জনসভা করবেন মোদী। ভালসারের ধরমপুরের সভা দিয়ে শুরু করে আগামীকাল সৌরাষ্ট্রের ভাবনগর, জুনাগড় ও জামনগরে মোট ৪টি জনসভা করেবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী শনিবার পয়লা দফায় ভোট হবে সৌরাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাতের ৮৯টি জেলায়।

পাকিস্তানের নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছে মুম্বই হামলার মূল অভিযুক্ত হাফিজ সঈদ..


২৬ /১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী হফিজ সঈদকে কিছুদিন আগেই গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করেছে পাকিস্তান। এরপর, এই জঙ্গিনেতাকে নিয়ে মার্কিন চাপ কার্যত অগ্রাহ্য করে , তাকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সামিল হওয়ার অনুমতি দিতে চলেছে পাকিস্তান। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রের এমনটাই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা।এর আগে অগাস্ট মাসে , হাফিজ সঈদের জামাত উদ দাওয়ার তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে মিল্লি মুসলিম লিগ নামের এক নতুন রাজনৈতিক দল তারা গঠন করতে চলেছে। যার প্রেসিডেন্ট হবে সইফুল্লা খালিদ নামের জনৈক শিক্ষাবিদ। 


আর সেই পার্টির হয়েই এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন আগেই হাফিজ সঈদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়েছে। এই জঙ্গিকে বন্দি করার বিষয়েও পাকিস্তানের ওপর বিস্তর চাপ সৃষ্টি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।মুম্বই হামলা সহ ভারতে একাধিক নাশকতার ছক কষা এই জঙ্গি আপাতত স্বাধীনভাবে চলা ফেরা করছে পাকিস্তানের বুকে। এই হাফিজ সঈদ পাকিস্তানে সাংবাদিকদের জানিয়েছে, মিল্লি মুসলিম লিগ পার্টির হয়ে সে পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে। তবে কোন কেন্দ্র থেকে সে ভোটে দাঁড়াবে সেবিষয়ে যদিও সে কিছু বলেনি।

পাকিস্তান ও চীনের উপর গুরুতর আঘাত হানার পক্রিয়া শুরু করেছে ভারত।কিভাবে জানলে গর্বিত হবেন।

ভারতীয় নৌবাহিনীর মূল উদ্দেশ্য দেশের সামুদ্রিক সীমানাগুলিকে বাহ্যিক আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা এবং সেই কাজে নৌবাহিনী নিজেদের আরও শক্তিশালী করতে এগিয়েই চলেছে।দেশেকে বাহ্যিক আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা ছাড়াও নৌবাহিনীকে জয়েন্ট এক্সারসাইজ,গুডউইল ভিজিট,হিউম্যানিটেরিয়ান মিশন এবং মানুষকে দুর্যোগের সময় রক্ষা করা সহ অনেক কাজ পালন করতে হয়।এমনকি দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্ক কেমন থাকবে সেটাও অনেক সময় নৌবাহিনীর উপর নির্ভর করে।তাই বর্তমান সরকার নৌবাহিনীর উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ছয়টি নিউক্লিয়ার পাওয়ার এটাক সাবমেরিন নির্মাণ করতে চলেছে।যা তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করবে একই সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকায় ভারতের শক্তির ভালো রকম প্রভাব পড়বে যা পাকিস্তান ও চিনকে টলমলিয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।নেভির মুখ্য সেনাপতি সুনীল লানবা এক প্রেস কনফারেন্স এ জানিয়েছেন যে নিউক্লিয়ার পাওয়ার সাবমেরিন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে গেছে।ভারতের নিরাপত্তার খাতিরে এবং চিন ও পাকিস্তানের মতো দেশকে মার দিতে এই সাবমেরিনের গুরুত্ব তিনি পরিষ্কার করে দেন।এই সাবমেরিনগুলি খুবই উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে।মনে করা হচ্ছে ২০১৯ সালের মধ্যে নৌবাহিনীর কাছে নতুন ১৫০ টি জাহাজ এবং ৫০০ টি এয়ারক্র্যাফট থাকবে এবং একই সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাদাতে একটা উভচর warefare ফ্যাসিলিটিও প্রতিস্থাপন করা হবে।

দেখুন নতুন যুগলবন্দী মমতা – অখিলেশ, জল কত দূর গড়াবে জানুন এই তথ্যে..

বিজেপি  যে হারে বাঙ্গালায় বাড়ছে সেই দিক মাথায় রেখে বর্তমান সরকার বিজেপি বিরোধী পার্টি গুলির সাথে যোগ সাধন করছে মমতা সরকার, এ দিন বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ দলীয় সাংসদ কিরণময় নন্দকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতার বাড়িতে যান অখিলেশ।বিজেপি বিরোধিতার মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকবেন বলে জানালেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। শনিবার মমতার কালীঘাটের বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করার পরে তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষ এবং কৃষকদের পাশে আছেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ নেত্রী। বিজেপি বিরোধী ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ে আমরা নিশ্চয়ই তাঁর সঙ্গে থাকব।কলকাতার মহাজাতি সদনে এ দিন দলের রাজ্য সম্মেলনে যোগ দিয়ে অখিলেশ দেশ থেকে বিজেপি হঠানোর ডাক দেন।উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহও এ দিন কলকাতায় এসেছিলেন ব্যক্তিগত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। তার ফাঁকে তিনি বলেন, ‘‘আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ দিতে চাই, অখিলেশের সঙ্গে জোট করবেন না। করলে ওঁর অবস্থা হবে কংগ্রেসের মতো, যারা অখিলেশের সঙ্গে জোট করে উত্তরপ্রদেশে লড়েছিল।’’

 তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সাম্প্রদায়িক এবং ভয়ঙ্কর মিথ্যাবাদী দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, কালো টাকা দেশে ফেরাবেন। কিন্তু নোট বাতিলের পর এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কালো টাকা ফেরত আসেনি! সুতরাং, এমন দলকে এক বিন্দুও এগোতে দেওয়া যাবে না। এই প্রেক্ষিতেই অখিলেশ বলেন, ‘‘ধর্মনিরপেক্ষতার কোনও লড়াইকেই আমরা দুর্বল হতে দেব না। দিদিকে সমর্থন দিতে গেলে পশ্চিমবঙ্গে যদি আমাদের দল না-ও বাড়ে, তা-ও ওঁকেই সমর্থন দেব। ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য সংগ্রামের রাস্তাই দেশকে বাঁচানোর রাস্তা।আপনি সব সময় কৃষক ও গরিব মানুষদের পাশে থাকেন। তাই আপনার এই ধর্ম নিরপেক্ষতার এই লড়াইয়ে আমি আপনার পাশে আছি।”

Design a site like this with WordPress.com
Get started