তাজমহলের পর এবার জামা মসজিদ নিয়ে শুরু বিতর্ক।জামা মসজিদ না যমুনা মন্দির ! কি বললেন বিজেপি নেতা ?

জামা মসজিদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার।তিনি বলেন, মোঘল সম্রাটরা প্রায় ৬০০০ ঐতিহাসিক সৌধ ভেঙে গুড়িয়ে দেন যার মধ্যে ছিল অনেক মন্দিরও।’ উনার মতে দিল্লির জামা মসজিদ আসলে ছিল যমুনা দেবীর মন্দির এবং তাজ মহল ছিল তোজো মহালয়া।তিনি আরও বলেছেন, মুসলিমরা দেশের বহু ঐতিহ্যশালী মন্দির,ইমারত ভেঙে ফেলেছে। তার মধ্যে হিন্দুরা রাম জন্মভূমি বা শ্রী কৃষ্ণের জন্মভূমি মুথুরার মতো কিছু জায়গাকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছিল।

রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মানের দাবি থেকে বিজেপি যে কোনোমতেই সরে আসবে না সেটাও স্পষ্ট করে দেন বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার। কাটিয়ারের নেতা ইমাম রশিদী এর সমালোচনা করে বলেছেন, বিজেপি সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে দেশে।তিনি আরোও বলেন, ভারতবর্ষ কখনোই হিন্দুরাষ্ট্র হতে পারে না।কারণ এখানে অনেক ধর্ম,বর্ন ও সম্প্রদায়এর মানুষ বাস করে।রশিদী আরো খোঁচা মেরে বলেন, অযোধ্যা ইস্যু বর্তমানে মিটবার পথে,তাহলে কি এবার কাশী বা জামা মসজিদ নিয়েও বিজেপি বিদ্বেষ করবে। যদিও বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কংগ্রেস ভগবান রামের জায়গায় মসজিদ করার চেষ্টা করছে,কিন্তু সেটা আমরা কখনোই হতে দেব না।

source

মন্দির না মসজিদ কী চায় অযোধ্যার বাসিন্দারা ?

অযোধ্যা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সরযূ নদীর নতুন ঘাটে যখন গিয়েছিলাম, তখন বেলা প্রায় দুটো বাজে। বেশ রোদ রয়েছে। শীতের আমেজের মধ্যে হাল্কা রোদে ঘোরাঘুরি করছিল কয়েকজন অল্পবয়সী ছেলে-মেয়ে। তাদের দেখেই কথাটা মাথায় এসেছিল, এই যে ৬ ডিসেম্বর হলেই অযোধ্যায় প্রচুর মিডিয়া কর্মী ভিড় করে জমা হন – কীভাবে দেখে এই কিশোর – তরুণরা?শুধুমাত্র খবরের কাগজ বা টেলিভিশন চ্যানেলেই এ নিয়ে বিতর্ক দেখতে পাই,” বলছিল সুধাংশু মিশ্র। মন্দির-মসজিদ নিয়ে যে আইনি লড়াই, সে বিষয়েও সুধাংশু খুব একটা কিছু জানে না। শুধু জানে যে বছর পচিশের আগে করসেবকরা বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে দিয়েছিল।

 সে অবশ্য এটা বোঝে যে বাইরের কিছু নেতাই এই সমস্যার সমাধান চান না।দেবেশ নামের আরেক ছাত্র বলছিল যে অযোধ্যার বাসিন্দা হয়েও সে কখনও রাম জন্মভূমি পরিসরে যায় নি।  হাতে গোটাকয়েক খাতা নিয়ে কলেজ থেকে ফিরছিল সুধাংশু রঞ্জন মিশ্র। একটু হেসেই সে বলছিল, “আমার তো খেয়ালই ছিল না ৬ ডিসেম্বর তারিখটা।” সুধাংশু বি এস সি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করে। ও অযোধ্যার সেই প্রজন্মের কিশোর, যাদের জন্ম হয়েছে ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে। “মন্দির তো হওয়াই উচিত। কারণ ওই জায়গাটাতেই তো ভগবান রামচন্দ্র জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সত্যি কথা বলতে আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা বা গল্প আড্ডার সময়ে ওই বিষয়টা নিয়ে মোটেই আলোচনা করি না।

আমার তো মনে হয় এসব করে আসলে রাজনৈতিক রুটি সেঁকা হচ্ছে – সমাধান কেউই চায় না।” নতুন ঘাটে ততক্ষণে আরও বেশ কিছু মানুষ জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন মন্দির তৈরির স্বপক্ষে বেশ আবেগ তাড়িত হয়ে কথা বলতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু আমি আলোচনাটা শুধুই কমবয়সী ছেলেমেয়েদের সঙ্গেই করতে চাইছিলাম। তাই অন্যদের কথায় খুব একটা আগ্রহ দেখালাম না। আমি কথা বলতে এগিয়ে গিয়েছিলাম সাকেত কলেজের বি কমের ছাত্র রাকেশ মিশ্রর সঙ্গে কথা বলতে। সে বলছিল, “আমরা তো ছোটবেলা থেকেই মুসলমান ছেলেদের সঙ্গে পড়াশোনা করি, মিলে মিশে থাকি। কখনই লড়াই ঝগড়া হয় নি তো! রাম জন্মভূমি আমরা শুধু টিভিতেই দেখি। শুধু এটা জানি যে ওখানে রামলালা নাকি একটা তাঁবুর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন। আর তাই নিয়েই এত ঝগড়া-বিবাদ,” বলছিল কলেজ ছাত্র দেবেশ। সে অবশ্য এটা বোঝে যে এই বিবাদ সহমতের ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমে মিটে যাবে। তার কথায়, “জমিটা তো অযোধ্যার। ঝগড়া হলে তো এখানকার হিন্দু আর মুসলমানের মধ্যে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা হিন্দু-মুসলমান সবাই তো এখানে বেশ স্বচ্ছন্দেই আছি। বাকি দেশে হিন্দু আর মুসলমানদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলছে। সে আরও বলছিল, “অযোধ্যায় তো একটা মন্দির নেই। 
অনেক মন্দির রয়েছে, মসজিদও আছে অনেক। জানি না কেন মানুষ এটা নিয়ে লড়াই করছে। একই জায়গায় মন্দির আর মসজিদ তৈরি হওয়া কঠিন। তবে আমাদের অযোধ্যার বেশীরভাগ লোকই মনে হয় ওখানে মন্দির হোক এটাই চায়।” ওখানেই আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল অযোধ্যা রেলস্টেশন লাগোয়া এলাকা কুটিয়া মহল্লার বাসিন্দা মুহম্মদ ইফতিয়ারের সঙ্গে। তার গায়ের হাতকাটা জ্যাকেটের ওপরে বড় বড় করে লেখা ছিল ‘১৯৯২’। জানতে চেয়েছিলাম কারণ। সে জবাব দিয়েছিল,   মন্দির-মসজিদের কথাও ওঠে ঠিকই কিন্তু টিভি চ্যানেলের বিতর্কগুলোতে যেরকম গরমগরম আলোচনা হয়, সেরকম আলোচনা কখনই আমাদের মধ্যে হয় না।” নতুন ঘাটের কাছেই মোটরসাইকেল থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল এক কিশোরী। সে তার নাম বলল আঞ্চল যাদব। দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী সে। সটান বলে দিল, “আমাদের বাড়িতে তো মন্দির-মসজিদ নিয়ে সেরকম আলোচনাই হয় না। আর স্কুলে তো এ নিয়ে আলোচনা করার প্রশ্নই ওঠে না। 
আমরা পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকি। মন্দির বা মসজিদ – যারা বানাতে চায়, এটা তাদের মাথাব্যথা, আমাদের নয়। “যখন মসজিদ ভাঙ্গা হল, তখন আমার বয়স ছিল এক সপ্তাহ। ৯২-তেই জন্ম আমার।” সে এম কম পড়ছে আর পরে গবেষণা করতে চায়। “তরুণ বা যুবকদের এই ব্যাপারটায় খুব একটা মাথাব্যথা নেই। আমার অনেক হিন্দু বন্ধু আছে, কই তাদের সঙ্গে তো এ নিয়ে কখনও ঝগড়া-বিবাদ হয় নি আমার! আর সবথেকে বড় কথা এখানে কখনও হিন্দু আর মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা হাঙ্গামা হয় নি। যা হয়েছে, সেগুলো বহিরাগতরা এসে বাঁধিয়েছিল,” বলছিল ইফতিয়ার।

গুজরাট ভোটে বাংলার বদল..

অমদাবাদ থেকে রাজকোট, অহমেদ শাহর নগরী থেকে সৌরাষ্ট্র অঞ্চল— সর্বত্রই যেন ‘পরিবর্তন’-এর আগে পশ্চিমবঙ্গের চেনা ছবি। বাম জমানার শেষ পর্বের সঙ্গে মিল।আবার অমিলও। অমিল হল, রাহুল গাঁধী বিজেপির পায়ের তলার জমি কাড়ছেন ঠিকই, কিন্তু গুজরাতে কংগ্রেসের কাছে কোনও ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ নেই। যিনি শেষ ধাক্কাটা দেবেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভরতসিংহ সোলাঙ্কি রয়েছেন। শক্তিসিংহ গোহিল, অর্জুন মোডওয়ারিয়া, সিদ্ধার্থ পটেলের মতো পোড়খাওয়া সেনাপতিরাও হাজির। পিছনে ‘চাণক্য’ অাহমেদ পটেল। কিন্তু পুরনো অমদাবাদের জুহাপুরার মহম্মদ আসিফের মনে সংশয়, ‘‘বিনি সুতোর মালা গাঁথা যাবে না তো।’’ সোলাঙ্কি আশঙ্কা হেসে উড়িয়ে দিলেন— ‘‘পাঁচটা আঙুল মিলেই তো মুষ্টিযোগ হয়। তা ছাড়া অঙ্ক আমাদের পক্ষে।’’

টাইম মেশিনে চেপে যেন গুজরাত থেকে ২০১১-র আগের পশ্চিমবঙ্গে চলে এসেছি।অমদাবাদের এলিস ব্রিজের বছর একুশের তরুণ কুণাল পটেল বলছেন, ‘‘বাইশ বছর বিজেপি ক্ষমতায়। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে একই সরকার দেখছি। এ বার পরিবর্তন দরকার।’’কথাটা শুনলে কংগ্রেস নেতাদের মুখে হাসি ফুটতে বাধ্য। কিন্তু সবরমতীর ঘোর কংগ্রেস সমর্থক নীলেশ ঠাকুর দোনামনা করে বলেন, ‘‘বিজেপির আসন কমবে ঠিকই। কিন্তু ওরা কি ভোটে হারবে! কেন জানি বিশ্বাস হয় না।’’

কী সেই হিসেব? ২০১২-র বিধানসভা ভোটে ৪৮ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজেপি ১১৫টি আসন জিতেছিল। ১৮২ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেসের ছিল ৪০ শতাংশ ভোট। তবে জিতেছিল ৬১টা আসনে। সে বার ২৮টি আসনে কংগ্রেসের হারের ব্যবধান ছিল ৪ হাজার ভোটেরও কম। এ বার কংগ্রেসের তূণীরে নতুন তিন অস্ত্র— হার্দিক পটেল, অল্পেশ ঠাকুর ও জিগ্নেশ মেবাণী। অন্তত ৬০টি আসনে ১৫ শতাংশ পাতিদার ভোটার। সেই ভোট কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়লে খেলা ঘুরতে বাধ্য। সেই সঙ্গে কংগ্রেস বোঝাচ্ছে, এ বার ‘বদল’ দরকার। গুজরাতের মানুষ অবশ্য পরিবর্তন নিয়ে সে ভাবে মুখ খুলছে না। ঠিক যেমনটা হতো ২০১১-র আগের বাংলায়। ভয়ে তখন মুখ খুলতেন না গ্রামের মানুষ।‘পরিবর্তন’-এর ঢেউ আছড়ে পড়ার আগেই বাঁধ দিতে নেমেছে বিজেপি। মোদী বলছেন, কংগ্রেস বরাবরই গুজরাতি-বিদ্বেষী। আর রূপাণীর যুক্তি, নরেন্দ্রভাইয়ের জমানায় গুজরাতের আরও উন্নতি ঠেকায় কে! এই সুযোগ কি হারানো উচিত!

ফারুক আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জ এ জিতে শিবসেনা দেখিয়ে দিলেন ভারতীয়দের দম! কিভাবে জানলে গর্বিত ..

কাশ্মীর ইস্যুতে এবার মুখোমুখি শিব সেনা এবং পাকিস্তানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা।সম্প্রতি কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবদুল্লা বলেছিল, পাকঅধিকৃত কাশ্মীর তো দূর, শ্রীনগরের লালচকে ভারতীয় পতাকা উড়াবার ক্ষমতা নেই পাকিস্তানের। কিন্তু এবার লালাচকে ভারতীয় তেরঙা উড়িয়ে উল্টে আবদুল্লাকে চ্যালেঞ্জ এর মুখে ফেলে তাকে যোগ্য জবাব দিলো শিব সেনা।

বুধবার দিন শ্রীনগরের এক ব্যাস্ততম এলাকায় শিবসেনার সদস্যরা একত্র হন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন শিব সেনার জম্মু কাশ্মীর এলাকার সদস্যরা। শিবসেনার জম্মুকাশ্মীর রাজ্য সম্পাদক  বলেন, ‘আজ এখানে পতাকা তুলছি,সেইদিন দেরি নেই যখন আমরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পতাকা তুলবো। স্পষ্টতই,ফারুক অবদুল্লাকে জবাব দিতেই এই কর্মসূচি করেছে শিবসেনা ।
এক কনফারেন্স এ বলেন, ‘সরকার ও বিজেপি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে তেরঙা উড়াবার কথা বলে কিন্তু আমি বলছি ওদের পিওকে তো দূর শ্রীনগরে পতাকা উড়াবার ক্ষমতা নেই।অথচ তারা পিওকে নিয়ে মন্তব্য করছে।’ এই বিস্ফোরক মন্তব্য করার পর থেকেই বাঁধে বিতর্ক। ফারুক অবদুল্লা এর আগেও মন্তব্য করেছিলেন যে,পাক অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ ,যতই লড়াই হোক,সেটা পাকিস্তানেরই থাকবে। এখানেই থামেননি ফারুক অবদুল্লা, তিনি আরো বলেন যে,চিনকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কোনো শক্তি নেই ভারতের।এই ধরণের মন্তব্য করার পর থেকেই মাঠে নেমে পড়ে শিবসেনা।ভারতের নামে অযৌক্তিক মন্তব্যের জবাব দিতেই লালচকে ভারতীয় পতাকা উড়ায় শিবসেনা।

বাবুল সুপ্রিয় রাজ্য সরকারের রেশন নীতি নিয়ে ফাঁস করলেন এমন এক তথ্য জানলে আপনিও চমকে যাবেন !

আসানসোলের এমপি বাবুল সুপ্রিয়  অনেক বার মমতা ব্যানার্জির সরকারকে আক্রমণ করেছেন রাজ্যের দুর্নীতি নিয়ে। আসানসোলে কেন্দ্রের তৈরী রাস্তা ও পানাগড়ে কেন্দ্রের তৈরী বাইপাস তৃণমূল নিজেদের নাম নিয়ে উদ্বোধন করা নিয়েও তিনি অনেকবার টুইট করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।বর্তমানে তিনি আবারও রাজ্যসরকারকে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রর কাজ নিজেদের নামে চালানো রেশন দুর্নীতির জন্য।আসলে বাবুল এক প্রেস কনফারেন্সএ জানান,রাজ্য সরকার প্রতিনিয়ত মানুষদের ২ টাকা কিলো চাল দিচ্ছি বলে মিথ্যা রটাচ্ছে।তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের যে চাল দেওয়া হয় সেটার আসল মূল্য ৩৩ টাকা প্রতি কিলো।এই ৩৩ টাকার মধ্যে কেন্দ্র সরকার দেয় ২৯ টাকা ৬৭ পয়সা প্রতি কিলোতে।অর্থাৎ রাজ্য দিচ্ছে মাত্র ১ টাকা আর বাকি ২ টাকা দিচ্ছে সাধারণ মানুষ কেনার সময়।’তিনি আরো বলেন,২ টাকা চাল মমতা ব্যানার্জি দিচ্ছেন এটা তো মিথ্যা কথা, একই সাথে রাজ্য সরকার নিজে দিচ্ছে ১ টাকা আর মানুষের কাছে নিচ্ছে ২ টাকা।বাবু সুপ্রিয় বলেন এই ভাবে রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষকে ঠকাচ্ছে কিন্তু মানুষ এর টেরও পাচ্ছে না।

সবাইকে পিছুনে ফেলে ফের শীর্ষে মোদী, কিসে মোদী শীর্ষ স্থানে জেনে নিন..


বাকি সবাইকে পিছনে ফেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটারে শীর্ষে। ২০১৭ সবথেকে বেশি ফলো নিয়ে রেকর্ড করলেন। টুইটার আজ একটি তালিকা প্রকাশ করে তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফলোয়ার সবথেকে বেশি।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফলোয়ার সংখ্যা ৩৭.৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার।এবং দ্বিতীয় স্থানে অমিতাভ বচ্চন।

আজ সুপ্রিমকোর্টের রামমন্দির মামলার আপডেট দেখে নিন..

আবেদনকারীদের আর্জি মেনে পিছিয়ে গেল অযোধ্যা মামলার চূড়ান্ত শুনানি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি।অযোধ্যার বিতর্কিত জমি কার? এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয় আজ, মঙ্গলবার। এ দিন বেলা ২টো থেকে শুরু হয় শুনানি।

• সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মামলার নথিপত্র পেশ করার জন্য আবেদনকারীদের কাছে এটিই শেষ সুযোগ। এর পরে আর শুনানি পিছনো হবে না।

• সুপ্রিম কোর্ট জানাল, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা মামলার শুনানি।

• সুপ্রিম কোর্টের কাছে পর্যাপ্ত সময়ের আর্জি জানালেন এই মামলার আবেদনকারীরা। ইলাহাবাদ হাইকোর্টে দাখিল সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথিপত্রের অনুবাদ ও রেকর্ড করার জন্য এই সময়ের আর্জি জানান তাঁরা।

• ওয়াকফ বোর্ড ও বাবরি অ্যাকশন কমিটি-র দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বা সাত সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি হোক। অন্যথায় এ দিনের শুনানি বয়কট করবে তারা।

• সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।

• লোকসভা নির্বাচনের পর শীর্ষ আদালতে শুনানি করার আবেদন করল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।

ঔরঙ্গজেবের শাসন চাইনা, চাই সবকা সাত সবকা বিকাস..

যিনি গত লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে চা-ওয়ালা বলে খোঁচা দিয়েছিলেন। তবে এটা বলে তিনি বিজেপির অনেকাংশে উপকারই করেছেন। যখন রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের সদর দন্তরে বসে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন, তখনই নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের ভালসাদে বাজিমাত করলেন। গুজরাটে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী খোঁচা দিয়ে বললেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে তাঁরা মুঘলদের থেকে কিছু কম যান না। সেটা কংগ্রেস নেতারা প্রমান করে দিলেন। আমরা ঔরঙ্গজেবের শাসন চাই না। কংগ্রেসকে আমরা এটার জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। তবে এই শাসন আমরা চাই না।’
প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করার কোনো সুযোগ ছাড়েন না নরেন্দ্র মোদী। এ দিনেও সেটা আবার প্রমান করলেন তিনি। প্রথম রাতে তিনি পিঁপড়ে মারার মতো রাহুল আর অভিষেকের প্রস্তুতিতেই আক্রমণটা শানালেন। তিনি বললেন, “যিনি জামিনে মুক্ত, যাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে, তিনি দলের সভাপতি হলেন। এই বার বুঝতে পারছি, ওরা কেমন সংস্কৃতি নিয়ে চলে।” মোদী এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছিলেন। কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রের উপর আঘাত ও গুজরাটের নির্বাচনী প্রচারে রাহুল গান্ধীর অভিষেককে মুঘল সম্রাটের সঙ্গে তুলনা করে মেরুকরণের প্রয়াসও করেছেন।

রাম মন্দির মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু হল আজ..

অযোধ্যার বিতর্কিত জমি কার? এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শুরু হল আজ, মঙ্গলবার। এ দিন বেলা দু’টো থেকে শুরু হয় শুনানি।বাবরি মসজিদরের  ২৫ বছর পূর্তির ঠিক আগের দিন এই মামলায় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ১৩টি আবেদন খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট এর  তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ। ২০১০-এর ৩০ সেপ্টেম্বর রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় রায় দেয় ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। ওই রায়ে আদালত বলে, অযোধ্যায় রামজন্মভূমি ও বাবরি মসজিদের ২.৭৭ একরের বিতর্কিত জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, এ দিন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি অশোক ভূষণ এবং বিচারপতি আব্দুল নাজিরের বিশেষ বেঞ্চে ওই মামলায় ১৩টি আবেদনের উপর শুনানি শুরু হবে। রামলালার তরফে কে পরাশরণ, সি এস বৈদ্যনাথন এবং সৌরভ শামশেরি, উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা শুনানির সময় উপস্থিত থাকবেন। অন্য দিকে, অল ইন্ডিয়া সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড ও নির্মোহী আখড়া-সহ অন্যদের তরফে থাকবেন কপিল সিব্বল, অনুপ জর্জ চৌধুরি, রাজীব ধবন ও সুশীল জৈন।

Big Breaking : গুজরাটের ফাইনাল অপিনিয়ন পোল এর ফলাফল এমন এলো যে, উড়ে গেল সকলের হুঁশ !

গুজরাট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল খুবই সক্রিয় হয়ে পড়েছে।একদিকে কংগ্রেস এর হয়ে রাহুল গান্ধী তো অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে মাঠে নেমে পড়েছেন।নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে এক হিন্দি নিউস চ্যানেল গুজরাট নির্বাচনের এক ওপিনিয়ন পোল বের করেছিল যেখানে খোলাখুলি মানুষের মতামত নেওয়া হতো নির্বাচন নিয়ে।এই ওপিনিয়ন পোল এর ফলাফল বেরোলে দক্ষ যায়,প্রত্যেকবারের মতো এবারেও বিজেপি জয়ী হয়।এই সার্ভের ফলাফল অনুযায়ী, ১৮২ সদস্যের গুজরাট বিধানসভার মধ্যে বিজেপি ৯১ থেকে ৯৯ টি আসন আসন পেতে পারে,যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৭৮ থেকে ৮৬ টি আসন।বাকি অন্যানরা পেতে পারে ৩ থেকে ৭ টি আসন।গড়ে বলতে হলে বিজেপি পেতে পারে ৯৫ টি আসন,কংগ্রেস ৮২ এবং অন্যানরা পেতে পারে ৫ টি আসন।

এখন যদি আপনি ভেবে থাকেন, বিজেপি খুব একটা বেশি মার্জিনে জিতছে না।তাহলে আপনাদের জানিয়ে দি এই নিউজ চ্যানেল গুলি যে রেজাল্ট বের করছে তা শুধু মাত্র মানুষদের ডাইরেক্ট প্রশ্নের উত্তর হিসেবে পাওয়া ফলাফল।আসলে  বিজেপির এই ৯৫ আসনের লিমিট প্রায় ১৫০ এর উপর যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসলে এরম মনে করার কারণ হল এইরকম ওপিনিয়ন পোল উত্তরপ্রদেশের জন্যও করা হয়েছিল।যেখানে ৪০২ টি আসনের মধ্যে বিজেপি  ১৬৪-১৭৬ আসন পাবার আশা করা গিয়েছিল।কিন্তু আসল নির্বাচনের ফলাফল বেরোনোর পর দেখা গেল বিজেপি প্রায় দ্বিগুন আসনে জিতেছে।বিজেপি ওই নির্বাচনে ৩২৫ টি আসন নিয়ে জিতে ছিল। গুজরাটের প্রথম পর্যায়ের ভোটের আর ৩ দিন বাকি।এইসময় এই ফাইনাল ওপিনিয়ন পোল পরিষ্কার বলে দিচ্ছে যে এবারেও গুজরাটে পদ্মফুল ফুটবে।।

Design a site like this with WordPress.com
Get started