দেখেনিন বিরাটের গোপন বিয়ের কিছু ফটো..
অবশেসে বিয়ে হলো তাদের অনেক দিন সোনা কথা কাল পূরণ হলো,আসা করি তাদের এই নতুন জীবন খুব সুখী হবার কামনা,সুপ্রভাত এর পুরো টিমের তরফ থেকে আন্তরিক ভালবাসা রইলো,সপ্তাহখানেক সারা ভারতকে জল্পনায় রেখে ইতালির তাসকানিতে একটি কান্ট্রিসাইট রিসর্টে চার হাত এক হল ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার বিরাট কোহলি ও বলিউড অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মার। দীর্ঘদিনের প্রেমপর্ব শেষে অবশেষে নতুন জীবনের উদ্দেশ্যে পা বাড়ালেন তাঁরা।
নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে বলিউড থেকে ক্রিকেট দুনিয়া, সকলে যেমন উৎসাহী হয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় ভিড় জমিয়েছে। তেমনই সাধারণ মানুষের আগ্রহও দুই প্রিয় তারকাকে নিয়ে কম নেই। গোপনে হওয়া এই বিয়েতে বিরুষ্কা ও তাঁদের পরিবারের কিছু অদেখা ছবি দেখে নেওয়া যাক।
মোদীজী হটাৎ টুইট করে যুবরাজ রাহুলকে দিলেন ছোট্ট ধামাকা !!
রাহুল যতই মোদিকে অপমান করছে মোদী ততই রাহুল এর দীর্ঘ জীবনের জন্য মঙ্গল কামনা করছেন, আজ এর প্রমান দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই,১৯ বছর ধরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সনিয়াই দলের সভাপতি হিসেবে কাজ চালাচ্ছিলেন।কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই সর্বসম্মতভাবে সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাহুল গান্ধী। তাঁকে কেউ চ্যালেঞ্জ করেননি। কোনও চ্যালেঞ্জ ছাড়াই দলের সর্বোচ্চ পদে আসীন হলেন তিনি। কিন্তু, গুজরাত ভোটের আগে রাহুলের রাজনৈতিক ওজন আরও বাড়াতে চেয়েছিল কংগ্রেস।এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাহুল গান্ধীকে টুইট করে সুবেচ্ছা যানান,তিনি টুইটে লেখেন কংগ্রেস এর নতুন যুব সভাপতিকে সাগত,তার দীর্ঘ জীবনের পার্থনা করেন এবং তার সাথে তিটি সুবেচ্ছা ও ভালবাসা দেন, দেখুন সেই টুইট,
দলের সভাপতি পদে রাহুলের অভিষেকের পথ চওড়া করতে গত মাসেই ওয়ার্কিং কমিটির বিশেষ বৈঠক ডেকেছিলেন সনিয়া গাঁধী। সভাপতি পদের নির্বাচনের জন্য গত ১ ডিসেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৪ ডিসেম্বর। কিন্তু, রাহুল ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল আজ। পূর্ব ঘোষণা ছিল, প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে সোমবার বিকেল ৪টের সময়। কিন্তু, আর কেউ প্রার্থী না হওয়ায় এ দিন সভাপতি হিসেবে রাহুলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে কিন্তু এটা কোনো নতুন না সবাই আগে থেকে জানত,কংগ্রেস সূত্রে জানা যায় আগামী ১৬ তারিখ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার নেবেন তিনি।
Big Breaking – এদিকে ভারতীয় সেনারা গুলি খাচ্ছে , ওদিকে কংগ্রেস নেতারা পাকিস্তানিদের সাথে…
গুজরাটে বিজেপিকে হারাতে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কনগ্রেস গোপন সূত্রে খবর জানিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন প্রস্ন তোলেন, এই প্রসঙ্গ ওঠার মূল কারণ
এমন প্রশ্ন তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন মোদী, তার পর থেকেই রাজনৈতিক মহল এই নিয়ে খুব গরম, বিজেপি মনে করছে গুজরাট ভোটে জেতার জন্যই এমন কান্ড করছে কনগ্রেস, ধীরে ধীরে দেশ থেকে যে হারে কনগ্রেস নিজের ক্ষমতা হারছে তার জন্যই কি এমন কান্ড,এক দিকে ভারতীয় সেনারা দেশ এর জন্য মরছেন, আর একদিকে দেশে থেকে দেশের নুন খেয়ে দেশের বিরুদ্ধে মিটিং করছে এমন করা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,বিজেপিকে হারিয়ে কংগ্রেসের আহমেদ পটেলকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হস্তক্ষেপ পাকিস্তান।
কি যুগ এলো – এবার মোদিকে ভোটে হারানোর জন্য বিরোধীদের হয়ে বলছে পাকিস্তান !
পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হাতিয়ার করেছিলেন কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ারের বাড়িতে গোপন বৈঠক প্রসঙ্গ।গুজরাটে বিজেপিকে হারাতে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কনগ্রেস গোপন সূত্রে খবর জানিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন প্রস্ন তোলেন, এই প্রসঙ্গ ওঠার মূল কারণ ,
মোদীর হবু জামাই ! দাবি রাখি সাবন্তের দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও..
চীনকে চাপে ফেলতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ যা জানলে আপনি বিস্মিত হবেন..
উপরে চলছে সুদীর্ঘ সেতু নির্মাণের কাজ জোর কদমে চলছে সেই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্রের তলায় এ বার সুড়ঙ্গ বানাবে মোদী সরকার,যাতে সেনা যাতায়াত আরো ভালো হয়।ব্রহ্মপুত্রের উপরকার সেতু যদি কোনও ভাবে ধ্বংস হয়ে যায়, তা হলেও অস্ত্রশস্ত্র, সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে সেনা যাতায়াত কোনরকম ভাবে যাতে বন্ধ না হয় তার জন্যই এত বড় কদম ভারত সরকারের।রবিবার ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দিবস উপলক্ষে সেনাবাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তার ফাঁকে এ কথা জানা গেছে তবে ব্রহ্মপুত্রের কোন এলাকায় সুড়ঙ্গ বানানো হবে তা এখনও সঠিক ভাবে জানা যায়নি তবে একাধিক সুড়ঙ্গ তৈরির পথেই এগোচ্ছে মোদী সরকার।সেনা সূত্রের খবর এই সবই হচ্ছে চিনের কূটনীতির কথা মাথায় রেখে,চিনের পরিকল্পনা প্রথম থেকেই ভারতের ক্ষতি করার, কিন্তু ভারতীয় সেনার এই অগ্রগতিতে বর্তমান চীন ও এখুন ভারতকে ভয় পাচ্ছে।
তরমুজ না এবার কুমড়ো খুঁজতে তদন্ত কমিটি তৃণমূলের..
এখুন রাজ্যে কুমড়ো এবং তরমুজ এই দুটি ফলের নাম চরমে,সাধারণ মানুসের জন্য এই কুমড়ো ও তরমুজ কেনায় দামের অকাল তাই এদের নিয়েও এখুন রাজনীতি খুব গরম, যাঁরা ‘কুমড়ো’ অর্থাৎ বাইরে তৃণমূল কিন্তু মনোভাবে বিজেপি,রাজ্যে বিজেপি বাড়ছে গতিকে সেই গতিকে tmc সামলাতে পারছে না বলে দাবি বিজেপির, সূত্রের খবর, তৃণমূলে থাকা মুকুল রায়ের অনেক পুরনো অনুগামীই দিনের বেলায় চায়ের দোকানে কিংবা ছোট বৈঠকে মুকুল রায় সম্পর্কে নানা সমালোচনা করেছেন। দলের অন্দরে তাঁদেরকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।দলের কাজে গুটিয়ে যাওয়া নেতাদের নিয়ে টেনশনে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁরা কি পুরো গুটিয়ে গিয়েছেন, নাকি মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তা নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।পশ্চিমবঙ্গে বাম শাসনের সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে তরমুজ শব্দটি বারবার এসেছে। বাইরে সবুজ হলেও, ভিতরে লাল। বাইরে কংগ্রেসি রাজনীতি করলেও, ভিতরে ভিতরে বামেদের সহযোগিতা করে গিয়েছেন অনেক কংগ্রেস নেতা।সেই বাম শাসন শেষ হয়ে গিয়েছে ছয় বছরেরও বেশি সময় আগে। ফলে বঙ্গ রাজনীতিতে তরমুজ শব্দটি আর উঠে আসে না। তবে মুকুল রায়ের দলবদলের পর বঙ্গ রাজনীতিতে কুমড়ো শব্দের আগমণ হয়েছে। অর্থাৎ বাইরে সবুজ বলেও, ভিতরে গেরুয়া। মুকুল রায় নিজে দলবদলের সময় কাউকে সেরকম নাম করা কাউকে নিয়ে দলবদল করতে পারেননি। তবে অনেকের সঙ্গেই মুকুল রায়ের যোগাযোগ রয়েছে। আর মুকুল রায় যখন বলেন, সব তৃণমূল কর্মীই তাঁর অনুগামী, তখন, ভিতরে ভিতরে তৃণমূলের অন্দরে চাপ বাড়তে বাধ্য। সূত্রের খবর, যেহেতু সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন মুকুল রায়, সেই জন্য রাজ্যের সব জেলাতেই সন্দেহজনকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।
চাঞ্চল্যকর ঘটনা স্বামীকে খুনের পর দেহ লুকিয়ে সেই বাড়িতেই চলত স্ত্রীর মধুচক্রের আসর..
13 বছর কেটে গেছে। 13 বছর পর সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হলো সহদেবের মৃত দেহ। সহদেবের স্ত্রী সবিতা স্বীকার করেছে যে, সে নিজে ও তার বিবাহবহির্ভুত প্রেমিক মিলেই সহদেবকে হত্যা করেছিল। 2008 সালে সবিতা ও তার প্রেমিক যখন ঘনিষ্ট অবস্থায় থাকে, তখন সহদেব সেই দৃশ্য দেখে ফেলে। তারপরই প্রেমিক কমলেশের সঙ্গে স্বামীকে খুন করে সবিতা। খুন করে মৃতদেহ ঢুকিয়ে দেয় সেপটিক ট্যাঙ্কে এবং ট্যাঙ্কটা ভালো করে সিমেন্ট দিয়ে চাপা দিয়ে দেয়।মুম্বাইয়ের বয়সার এই ঘটনায় চঞ্চল হয়ে ওঠে। স্বামীকে খুন করে, দেহ লুকিয়ে, সেই বাড়িতেই চলত প্রেম প্রেম খেলা। কেউ স্বামীর কথা জিজ্ঞাসা করলে সবিতা বলতো, তার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে গেছে। সে মাতাল হয়ে গেছে।এই 13 বছর ধরে মৃত সহদেবের স্ত্রী সবিতা সেই বাড়িতেই রমরমিয়ে জমাত মধুচক্রের আসর। কিছুদিন আগেই গ্রেফতার হয় 42 বছর বয়সী সবিতা। সবিতা পুলিশের কাছে তার অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয়। সবিতা আরও জানিয়েছে, আরও দুজন ব্যক্তিকে সে হত্যা করেছে। গত 4 ডিসেম্বর সবিতাকে গ্রেফতার করে তার কবজা থেকে বহু যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশের কাছ থেকে খবর পাওয়া গেছে, এই সবিতার কাছে নানা রাজ্য থেকে লোপাট হওয়া যুবতীকে আনা হতো।

















