Exclusive Breaking News গুজরাট নির্বাচনের সেরা এক্সিট পোল চমকাতে চলেছে পুরো ভারতবাসী দের..

বিজেপির জিত পাকা করেদিলেন সব সমীক্ষা, CSGS মতে বিজেপি যদি ১২৫ টি সিট্ পরতে পারে তাহলে সমীক্ষা বলছে বিজেপি ১৩৫ থেকে ১৪০ ও পেরোতে পারে,প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে ২২ বছর পরও ক্ষমতায় আসতে পারছে না কংগ্রেস। মন্দিরে মন্দিরে ঘুরেও গুজরাটে এবারও শেষ হাসি হাসতে পারছেন না রাহুল গান্ধী।    

নিউজ ২৪-টুডেজ চাণক্য

বিজেপি- ১১০-১২০
কংগ্রেস- ৬৫-৭৫

টাইমস নাও-ভিএমআর
বিজেপি- ১০৯
কংগ্রেস- ৭০

রিপাবলিক টিভি
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস- ৭৪

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়াবিজেপি- ৯৯ থেকে ১১৩
কংগ্রেস- ৬৮ থেকে ৮২

নিউজ ১৮-সি ভোটার
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস-৭৪

এবিপি-সিএসডিএস
বিজেপি- ১১৭
কংগ্রেস-৬৪।

আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতীয় নৌসেনাকে এক নতুন গুপ্ত অস্ত্র দিলেন,দেখুন..

আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতীয় নৌসেনাকে এক নতুন প্রযুক্তির সাবমেরিন দিলেন,যা PM মোদী গত এক বছরের মধ্যে তৈরী করেছিলেন,আজ তার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই,

জাতির উদ্দেশে এই সাবমেরিনকে উৎসর্গ করে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি হল ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এতে দেশের নৌসেনা আরও শাক্তিশালী হবে।

ভারতীয় নৌসেনায় যাত্রা শুরু করল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সাবমেরিন আইএনএস কলবরি। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের নৌবন্দরে এর সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।নৌসেনার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, আইএনএস কলবরি হল নন-নিউক্লিয়ার সাবমেরিনগুলির মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন হলেও এটি নিঃশব্দে জলের তলায় চলতে পারে। ১২.৩ মিটার উচ্চতার এই সাবমেরিনটি ৬৭.৫ মিটার দীর্ঘ।প্রজেক্ট ৭৫’-এর অঙ্গ হিসেবে ভারতীয় নৌসেনার জন্য এ রকম ছ’টি স্করপেন ক্লাস সাবমেরিন তৈরির বরাত পেয়েছে সংস্থাটি। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে এ ধরনের আরও পাঁচটি সাবমেরিন যুক্ত হবে ভারতীয় নৌসেনা বাহিনীতে।

breaking news – দিল্লি হাইকোর্ট চত্বরে মমতাকে ফাস করলেন মুকুল, কী বললেন তিনি..


মুকুল রায় কটাক্ষ করলেন যে, তৃণমূলের এটা অনেক আগের স্বভাব। ব্যক্তি বিশেষের উপর নজর রাখা। মুকুল রায় প্রশ্ন তোলেন, পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আদৌ সুস্থ আছে তো?
মুকুল রায় তাদের কাছে জানতে চাইলেন তাঁদের কোনো প্রশ্ন আছে কিনা। কিন্তু গোয়েন্দারা জানালেন তাঁদের কোনো প্রশ্ন নেই।

মুকুল রায়ের গতিবিধি লক্ষ রাখার জন্য আদালত চত্বরে উঁকিঝুঁকি মারছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু তাঁকে মুকুল রায় চিনে ফেললেন। সেখানেই উঠলো নজরদারির নতুন অভিযোগ। মমতার হাটে হাড়ি ভাঙার উপক্রম তৈরি হলো। মুকুল রায় গোয়েন্দা অধিকারিদের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করলেন, ভালো আছেন? মুকুল রায় বললেন যে, তাঁদের কোনো দোষ নেই। তারা কাঠের পুতুল মাত্র। দড়ি উপর ওয়ালার হাতে। কাল ফোন ট্যাপিং মামলার শুনানিতে দিল্লি হাইকোর্টে গিয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায় সনাক্ত করলেন তিনজন গোয়েন্দাকে। মুকুল রায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর ৪টি ফোনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নজরদারি চালাচ্ছে। এই ব্যাপারে তিনি কোর্টে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মমতাকে গোল দিলেন। তিনি আদালতে গিয়ে সেই চত্বরে সনাক্ত করে ফেললেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন গোয়েন্দাকে।

নতুন যুগলবন্ধি তৃণমূলের সঙ্গে সিপিএমের, কি হতে চলেছে ভবিষ্যত জেনে নিন..

বিজেপি যে হারে বাড়ছে তার ফলে রাজ্যে এখুন দুই মূখ পার্টি লাইন স্থির করতেই দিন করতে পারছে না। বিজেপিকে হারাতে এখুন হতে পারে জোট এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক জন, হারের মুখে দেখেছে ২০১১-তে, তারপর থেকে একের পর এক হার থেকেও শিক্ষা নিচ্ছে না সিপিএম। পার্টি লাইন নিয়ে দ্বন্দ্বে জেরবার দল। নিজেরাই বারবার জড়িয়ে পড়ছে নিজেদের দন্ধে। আর এরই মাঝে অবাস্তব এক বার্তাও উঠে এল। কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে বিরোধিতা করতে গিয়ে উঠে এল তৃণমূলের সঙ্গে জোটের তত্ত্বও। সদ্য শেষ হওয়া দিল্লির বৈঠকে ঠিক কী প্রস্তাব দিয়েছেন কারাত? সিপিএমের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির মতো তিনিও মনে করেন, বামেদের এই মুহূর্তে বড় শত্রু বিজেপি।তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই দুই শীর্ষনেতার। যত সমস্যা শত্রুকে মোকাবিলা করার পদ্ধতি নিয়ে। কোন পথে শত্রু দমন করা হবে, তা নিয়ে দুই লবির দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসছে বারবার।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেভাবে প্রতিটি নির্বাচনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে কমিউনিস্ট পার্টিটা, ২০২১-এর নির্বাচনের পর তাদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। আর কারাতের প্রস্তাব মেনেচললে, ২০১৯-এই সাইনবোর্ড হয়ে যাবে সিপিএম। তাই সীতারাম ইয়েচুরির কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে, তাঁর পূর্বসূরি প্রকাশ কারাতই।

শুনলে অবাক হওয়ারই কথা! তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আবার জোট হতে পারে নাকি সিপিএমের! সাপে-নেউলে সম্পর্ক যাদের, তারা কী করে একসঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে। আসল বিজেপি-র মোকাবিলা করতে গিয়ে এমনই আজব এক প্রস্তাব রেখেছেন স্বয়ং প্রকাশ কারাত। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের পদে না থাকলেও, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে এখনও তাঁর লবিই শক্তিধর। তাঁর লবির সিদ্ধান্তই তাই অধিকাংশক্ষেত্রে দল মেনে নিতে বাধ্য হয়। না, তিনি সরাসরি তৃণমূলকে জোটের প্রস্তাব দেননি। দিতে পারেন না, দেবেনও না। কিন্তু তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে বঙ্গ সিপিএমের জোট রুখতে যে প্রস্তাব রেখেছেন, তার মানে করলে দাঁড়ায় রাজ্যে বিজেপির মোকাবিলায় সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেসকে জোট বেঁধে লড়তে হবে। তবেই বিজেপির মতো সাম্প্রদায়িক শক্তির মোকাবিলা করা সম্ভব।
24 ghanta live news




রামের অস্তিত্ব নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলতেন তাদের মুখ পুড়লো।রাম সেতুর নিয়ে ভাইরাল নাসার ভিডিও।

রামসেতু অর্থাৎ যে  সেতু দ্বারা রামায়ণকালে দক্ষিণ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কাকে যুক্ত করা হয়েছিল।মহাকাব্য অনুসারে এই সেতু নির্মাণ করেছিলেন হনুমান এবং ভগবান রামের বিশাল সেনা সীতামাকে সমুদ্র পেরিয়ে উদ্ধার করে আনার জন্য।

যদিও এই বিষয় নিয়ে তর্ক হয়েছে বহুবার ,কিছু বিশেষ রাজনৈতিক দল তাদের রাজনৈতিক ফায়দা উঠবার জন্য সরাসরি তো এমনও মন্তব্য করেছেন যে রাম সেতু কেন রামেরও কোনো অস্তিত্ব ছিল না।কিন্তু হিন্দুত্ববাদীরা বরাবরই মনে প্রাণে বিশ্বাস করেএসেছেন যে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরানো ধর্ম তথা হিন্দু ধর্মে রামের ভগবান অস্তিত ছিল।যাইহোক রামভক্তরাই জয়ী হলেন আরো একবার প্রমান করে যে হিন্দু ধর্ম যতটাই পুরানো ততটাই বিজ্ঞানসম্মত ।আসলে NASA এর তরফে জানানো হয়েছে রাম সেতুর অস্তিত্ব কোনো মিথ্যা নয় এটা ধ্রুব সত্য।এই সম্পর্কিত একটা ভিডিও প্রকাশ করেছে তারা।নাসা এটাও নিশ্চিত করেছে যে রামসেতু হাতে তৈরীকরা এবং সেতুটি কোনো মহামানবের দ্বারা তৈরি ।সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয় সেতু নির্মাণে ব্যাবহৃত ই ধরণের পাথর ওই এলাকায় পাওয়া যাই না এবং পাথর গুলির বয়স পাথরের নিচে থাকা বালির থেকে বেশি অর্থাৎ পাথর গুলির বয়স ৭০০০ বয়স যেখানে তার নিচে থাকা বালির বয়স ৫০০০ বছর। এমনকি নাসা এটাও অনুমান করেছে যে, পাথরগুলি অতীতে ভাসমান অবস্থাতেই ছিল।
দেখুন সেই ভিডিওটি

                                    

প্রধানমন্ত্রীকে খুব কটু ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা।তার উত্তর প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দিলেন তা জানলে আপনার মনে মোদীজির প্রতি শ্রদ্ধা জাগবে।

একবার স্বামী বিবেকানন্দ দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছিলেন, ভূলিও না—তোমার সমাজ সে বিরাট মহামায়ার ছায়ামাত্র ; ভুলিও না— নীচজাতি, মুখ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই।এখন সেই বিবেকানন্দের শিক্ষার পরিচয় দিয়েই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী কংগ্রেসের মনিশঙ্কর আইয়ারকে দিলেন উপযুক্ত জবাব।যা অবশ্যই লজ্জায় ফেলবে পুরো কংগ্রেস দলকে।

আসলে কংগ্রেসএর প্রবীণ নেতা মনিশঙ্কর আইয়ার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে উদেশ্য করে বলেন,’ নরেন্দ্র মোদী খুবই নীচ, তার মধ্যে এতটুকুও সভ্যতা নেই।মোদী যে রাজনীতি করেন তা অসভ্যতার সমান।’
এরপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া,রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন শুরু হয়ে যায়।রাহুল গান্ধী মনিশঙ্কর কে ক্ষমাও চাইতেও বলেন মোদীজির কাছে।কিন্তু মোদীজি কংগ্রেসের মতো এর কোনো পাল্টা কটু ভাষায় আক্রমণ করেননি।বরং তিনি যা বলেছেন তাতে তিনি দেশের মানুষদের মন জয় করে নিয়েছেন। নরেন্দ্রমোদী বলেন, ‘কংগ্রেসের নেতারা আমাকে নীচে বলতেই পারেন কারণ আমি সেই সমাজের প্রতিনিধি যেখানে গরিব,দলিত,তফসিলি জাতি উপজাতিরা বাস করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ কংগ্রেসের উচ্চ নেতারা আমাকে কটু ভাষায় আক্রমণ করেনা।

ফ্যামিলি,আমার ব্যাকগ্রাউন্ড, আমার জাতি কোনো কিছু আক্রমণ করতে ছাড়েননি তারা।কিন্তু আমার কিছু বলার নেই।কিন্তু আমি লক্ষ্য শুধু ভারতবর্ষের ১২৫ কোটি মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে।যদিও কংগ্রেস নিজেদের মান রক্ষার জন্য ওই প্রবীণ নেতাকে আপাতত সাসপেন্ড করেছ।

বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে কালো টাকা উদ্ধারে বড় সাফল্য সরকারের..

কালো টাকা এখুন ও যে পরিমানে বেরচ্ছে তার প্রমান পাওয়া গেল আবার গুজরাট থেকে,এখুন গুজরাট  বিধানসভা নির্বাচনের প্রথমপর্বের নির্বাচনের মধ্যেই গুজরাটের  ভারুচে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এই টাকা ভারুচের এক দফতর থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। দেশে কালো টাকা উদ্ধারে এটি একটি বড় ঘটনা বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

                 আরও পড়ুন ফের দেশবাসীর জন্য সুখবর মোদী সরকারের নীতি, কি বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ রিপোর্টে দেখুন..


এখুন সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ডিরেক্টরেট অব রেভনিউ ইন্টালিজেন্স ভারুচের ওই অফিস চত্বরে পৌঁছলে, সেখান থেকে বাতিল হওয়া ৫০০ টাকার নোট ও ১০০০ টাকার নোটের নতুন নোটের বেশ কয়েকটি বান্ডিল পাওয়া যায়। 

এই কাণ্ডের সাথে যেই জড়িয়ে থাকুক  তাঁর বিরদ্ধে স্পেসিফায়েড ব্য়াঙ্ক নোটস অ্যাক্ট ২০১৭ এর আওতায় ৫ ও ৭ ধারায় মামলা লাগু হবে। উল্লেখ্য, উদ্ধার হওয়া নোটির অঙ্ক ৪৮.৯১ কোটি টাকা। অভিযুক্তকে এই টাকার অঙ্কের পাঁচগুণ থেকে দশগুণ টাকা জরিমানা দিতে হবে।

ফের দেশবাসীর জন্য সুখবর মোদী সরকারের নীতি, কি বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ রিপোর্টে দেখুন..

নরেন্দ্র মোদী সরকারকে রাষ্ট্র্রসঙ্ঘ গুজরাটের দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেই দিল একটি সুখবর। রাষ্ট্রসঙ্ঘের অনুমান আগামী বছর রাজস্ব ঘাটতি ৩.২ শতাংশে সীমিত থাকবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৮-এ আর্থিক বৃদ্ধির হার হবে ৭.২ শতাংশ এবং ২০১৯-এ বৃদ্ধি হবে ৭.৪ শতাংশ। মোদী বিরোধীরা নোটবাতিল ও জিএসটিকে হাতিয়ার বানিয়ে গুজরাট ভোটের প্রচারে নেমেছিল। 


কিন্তু সে গুড়ে বলি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের ঘোষণা, ভারতের অর্থনীতিতে এই দুই সংস্কার ইতিমধ্যেই প্রভাব ফেলেছে। সারাবিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ যে রিপোর্ট তৈরি করেছে, তাতে ধরা পড়েছে ভারতের আর্থিক ব্যবস্থার যে পরিকাঠামোগত সংস্কার মোদী করেছে, তাতে বিনিয়োগ তো বেড়েছেই, আবার সাধারণ মানুষ মুক্তহস্তে নিজের জন্য মুক্তহস্তে খরচও করতে পারছে।


শেসে ভগবানের দরজা মনমোহনকে, কেন পড়ুন..

                                   

জাভেদ আখতার ইনি সবসময় কিছু না কিছু বাপরে চর্চায় থাকেন,আজ তিনি এক কান্ড করে বসলেন যার জন্য তিনি এখুন আবারও চর্চায়,খ্যাতনামা কবি ও গীতিকার জাভেদ আখতার, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে দেবীর সমতুল্য বলে বিতর্ক ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তার মন্তব্যটি এখন স্পষ্ট হয়েছে। টুইটারে, প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ এমপি বলেন যে তিনি দুটি সমীকরণ করেননি বরং ঈশ্বরের দ্বারা প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য কেবল নিরীক্ষণের জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন না।


তার সমালোচকদের উপর আঘাত হানতে আখতার টুইট করেছেন, “আমি আশ্চর্যের বিষয় যে মানুষ সত্যিই ভুল বোঝাবুঝি করে বা তা করার চেষ্টা করে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ধারণার সমালোচনা করে আমি লক্ষ্য করলাম যে আমরা আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মতো খারাপ প্রশাসনের মতো মানুষকে দোষারোপ করি না, কিন্তু কখনই ঈশ্বর নেই যখন সমগ্র বিশ্ব বিশৃঙ্খলা ও অপব্যবহারের মধ্যে রয়েছে। “

ক্ষমা চেয়ে নিন মোদী, কিন্তু ক্ষমা কার চাওয়া উচিত ?? বিস্তারিত জানুন..

মোদীর উপর ক্ষীপ্ত হচ্ছেন সকলেই। রাহুল গান্ধী তো বটেই, পাশাপাশি মনমোহন সিংহ ও। মোদী এখন ঘরে-বাইরে আক্রমণের মুখে। মোদী কি সত্যিই তাদেঁর ক্ষীপ্ত করার মতো কোনো কাজ করেছেন? নাকি সত্যি কথা বলার জন্য তাঁরা ক্ষীপ্ত হচ্ছেন ?


যার এতদিন মুখ্ বন্ধ ছিল সেও আজ কথা বলছে, কংগ্রেসের এমন জায়গায় মোদী আঘাত করেছেন যার ফলে কংগ্রেস এখুন পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে আগে করেছে, মোদীকে আক্রমণ করার কোনো সুযোগই বাদ দেননি পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মনমোহন মোদীকে অপমান করার জন্য বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী গুজরাটে হারের ভয়ে খড়কুটো আঁকড়ে ধরতে চাইছেন।” মনমোহন আরও বললেন, “আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তাঁর পদের মর্যাদা রক্ষা করবেন এবং তাঁর পদের যোগ্য পরিনতিবোধ ও গরিমা রাখবেন।” এর উত্তরে মোদী বলেছেন,

নিজের পদের মর্যাদা রক্ষা করতে আমি জানি।” রবিবার গুজরাটের প্রচারে মোদী অভিযোগ করেন, গুজরাটের ভোটে পাক সেনার প্রাক্তন ডিজি নাক গলাচ্ছেন। পাকিস্তানের লোকেরা বৈঠক করছেন মনিশঙ্কর আইয়ারের বাড়িতে।” আর তার পরই মোদীকে নীচ বলেন মনিশঙ্কর। এটা একটু সন্দেহ জনক ব্যাপার। মোদীর এই বক্তব্যে রাহুল গান্ধী ক্ষীপ্ত হয়ে বলেন, “গুজরাটের ভোটে গুজরাটকে নিয়ে কিছু বলুন। পাকিস্তান বা চীন বা জাপানকে টেনে আনছেন কেন?”মন্ত্রকের মুখপাত্র মহম্মদ ফয়সল বললেন, “চক্রান্তের বানানো অভিযোগও বন্ধ হোক। পাকিস্তানকে ভোটের তর্কে টানা বন্ধ করুক ভারত।” এর জবাবে আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বললেন, “পাকিস্তান কিভাবে সন্ত্রাস ছড়ায় তা গোটা বিশ্ব জানে।”

Design a site like this with WordPress.com
Get started