কংগ্রেস সমর্থনকারী গুজরাটের নির্দলীয় বিধায়ক জিগনেশ মেবানী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীকে ব্যাক্তিগত আক্রমণ করে উনাকে অপমান করেন।এক ইংরাজি নিউস চ্যানেলের ইন্টারভিউতে তিনি গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ১০০ থেকে কম আসন পাওয়া নিয়ে কথা তুলেন এবং সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার কথা বলেন।এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ৫৬ ইঞ্চি বুকের ছাতি এই নিয়েও জিগনেশ আক্রমণ করেন।জিগনেশ বলেন গুজরাটে বিজেপির ১৫০ টি আসন আসেনি তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীর হিমালয়ে চলে যাওয়া উচিত।এই সব মন্তব্য করার পর ক্ষোপে ফেটে পড়ে মোদীজির ভক্তরা।অনেক বলেছেন জিগনেশ নিজে মানুষের মন জয় করতে পারছেনা বলে বোকার মতো মোদীজিকে আক্রমণ করছে।সোশ্যাল মিডিয়াতেও পাতিবাদের ঝড় উঠে,অনেকের দাবি মোদীজি একটা মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে তাই উনাকে নিয়ে কংগ্রেস থেকে নির্দল সবাই কটাক্ষ করে।যদিও জিগনেশ বলেছেন উনি নিজের মন্তব্য থেকে দূরে সরবেন না।
বাংলায় নজর দিতে শুরু করল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব অমিত শাহ, কি বলছেন তিনি জেনে নিন..
গুজরাটের জেতার পরে এবার বাংলায় নজর দিতে শুরু করল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব অমিত শাহ। বর্তমান এখুন ১৯ টি রাজ্যে বিজেপি সরকার তৈরী করেছে যার ফলে বিজেপি ক্ষমতা পরিমান বেড়েছে,এখুন এই জয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে এখুন বাংলাও যেটা বিজেপির খুব দরকার তার কাজ শুরু করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, আগামী মাসেই বাংলায় পা রাখতে চলেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। রাজ্য নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে প্রতি জেলায় তাঁর এই বার্তা পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন,আর গ্রাম থেকেই যদি সেই ধাক্কা শুরু করা যায়, তবে তার থেকে আর ভালো কিছু হবে না বলেই মত অমিত শাহদের।
cource
নয়ডা যাচ্ছেন যোগী , তাহলে কি বাকিদের মত যোগিজির ও হবে পদত্যাগ ? পড়ুন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি !!
নয়ডা নিয়ে একটা কুসংস্কার প্রচলিত আছে। সেখানে গেলে নাকি আর ক্ষমতায় ফেরা যায় না। লখনৌয়ের অন্দর মহলেও এমন ধারণা প্রচলিত। তাই সেখানে পা রাখার সাহস হয়নি মায়াবতী ও অখিলেশের। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ এসবে বিশ্বাস করেন না। তিনি সত্যিই যোগী। তাই তাঁর কিছু হারানোরও ভয় নেই। তিনি কুসংস্কারে বা ভ্রমে বিশ্বাস করেন না। অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে ২৫ ডিসেম্বর নয়ডায় মেট্রোর সূচনা নরেন্দ্র মোদী। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পরই ঘোষণা করেন, রাজ্যের ৭৫টি জেলাতেই তিনি যাবেন এবং খতিয়ে দেখবেন সেখানের আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের কাজকর্ম কেমন চলছে।
সেনাকে যোগ্য সম্মান দিতে মোদি সরকার নিলো এক বড় সিদ্ধান্ত ,জানলে খুশি হবেন |
সেনা জওয়ানদের জীবনে সংগ্রামের কথা সবার জানা।প্রতিটি মুহূর্তই তাদের কাটাতে হয় জীবনের সাথে লড়াই করে।দেশের এই মহান বীরদের লড়াইকে সন্মান জানানোর এবার জওয়ানদের ভাতা দ্বিগুন বাড়ালো কেন্দ্র।পতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে এতে জওয়ানদের কিছুটা হলেও উৎসাহ বাড়বে।বহুদিন থেকেই এর দাবি জানিয়েছিল সাধারণমানুষ।পতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে জানা গিয়েছে, এখন সিয়াচেনের সেন অফিসারদের প্রতিমাসে ভাতা ২১,০০০ টাকা এবং জুনিয়র অফিসারদের ভাতা ১৪,০০০ টাকা দেওয়া হয় ।এবার থেকে সেই ভাতা বাড়িয়ে অফিসারদের ভাতা ৪২,০০০ টাকা এবং জুনিয়র অফিসারদের ভাতা ৩০,০০০ টাকা দেওয়া হবে।এছাড়ও নৌবাহিনী অফিসার ভাতা বাড়িয়ে ৪২,০০০ টাকা করা হয়েছে এবং জুনিয়র নৌঅফিসার দের ৩০,০০০ করা হয়েছে।যা আগে ছিল যথাক্রমে ২১,০০০ এবং ১৪,০০০ টাকা।সাবমেরিনের সমস্ত অফিসারদের ভাতা বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা এবং নাবিকদের ১৭৫০০ টাকা দেওয়া হবে।এক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যেসব অঞ্চল জওয়ানদের জন্য খুবই রিস্কই এবং চ্যালেঞ্জের সেখানে পোস্টিং থাকা সেনাদের ভাতা ১৬৮০০ থেকে বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা করা হবে।কেন্দ্রর এই সিদ্ধান্তে খুশি সাধারণ মানুষ।অনেকে বলেছেন এই সিদ্ধান্ত খুবই ভালো সিদ্ধান্ত কারণ যারা দেশের জন্য নিজের প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন করতে পারে তাঁদের কথা অব্যশই সরকার এবং দেশের মানুষের ভাবা দরকার।
মোদি সরকার 176 জন অধিকারিককে বার করে দিলো কারণ জানলে আপনিও চমকে যাবেন !
কেন্দ্রে নরেন্দ্রমোদী সরকার আরো একবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে।সরকার জানিয়েছে কেন্দ্রে যেসব বড় বড় পদে সরকারি আধিকারিকরা আছেন তারা যদি তাদের কাজে অবহেলা করেন তাহলে তাদের কোনো মাফ করা হবে না।কর্মীকে মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন,প্রথম ধাপে ১১৮২৮ জন কর্মকর্তার রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।যাদের মধ্যে আইএএস,আইপিএস এবং ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস সহ সমস্ত অলইন্ডিয়া সার্ভিস এর ২৯৫৩ জন আধিকারিক আছেন।এছাড়ও দ্বিতীয় ধাপে ১৯৭১৪ জন কর্মকর্তাদের পরিষেবার রেকর্ড পর্যালোচনা করা হবে।প্রধানমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন যারা দেশের সেবার কাজে ফাঁকি দেবেন তাদেরকে অবসর দিয়ে দেওয়া হবে।কেন্দ্র সরকারের সাথে সাথে যোগী আদিত্যনাথও ঘোষণা করেছিলেন যেসব কর্মকর্তারা কাজ করবেন না বা কাজে ফাঁকি দেবেন তাদের প্রত্যেককেই বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হবে।কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ,সরকার কাজে ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে ১৭৬ জন কর্মকর্তাকে অবসর দিয়েছেন।এর আগেও মোদী সরকার অনেক মন্ত্রীকে বদল করেছেন।নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে,তার উদেশ্য ভারতকে শ্রেষ্ঠ করা এবং এই পথে যারাই বিঘ্ন ঘটাবে তাদের শাস্তি পেতেই হবে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ ব্যাপার হলো মোদী সরকারের মতো এত কড়া পদক্ষেপ আগে কোনো সরকার নিতে পারেননি শুধু মাত্র ভোট ব্যাংকের দিকে নজর দিয়ে।
আরও একবার সবার প্রথমে মোদী,রাহুল গান্ধী আছেন দ্বিতীয় স্থানে!
আরো একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী সবাইকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন।কিন্তু হ্যাঁ কংগ্রেস এর রাহুল গান্ধী অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর ঠিক পেছনেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।বিষয়টা হলো, টুইটার গুজরাট নির্বাচন নিয়ে কয়েকটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।এখান থেকে জান গিয়েছে যে গুজরাটনির্বাচনের পুরো সময়কালে যে ব্যাক্তির নাম সবচেয়ে বেশি বার উল্লেখ করা হয়েছে উনি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী তারপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেস এর সভাপতি রাহুল গান্ধী।এরপরে তৃতীয় স্থানে আছেন অমিত শাহ এবং চতুর্থ স্থানে আছেন হার্দিক প্যাটেল।পুরো সোশ্যাল।মিডিয়ায় বিজয় রূপানির নাম সবচেয়ে বেশি বার উল্লেখিত ছিল এবং তারপরেই দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে ছিল জিগনেশ মেবানি এবং আলপেশ ঠাকুর।
টুইটার ১ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত গুজরাট নির্বাচন ২০১৭ এর বিশ্লেষণ করে যেখানে এইসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।জানলে অবাক হবেন,এই তথ্য অনুযায়ী প্রকাশ পেয়েছে গুজরাট নির্বাচন নিয়ে ২০ লক্ষ বার উল্লেখ করা হয়েছে এবং উন্নয়ন নিয়ে সবচেয়ে বেশি বার টুইটার এ আলোচনা করা হয়েছে।এই তথ্য থেকে আরো জান গিয়েছে যে, নির্বাচন সময়কালে ধর্ম এবং হিন্দুত্ব নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা করা হয়েছিল টুইটার এ।এছাড়ও GST, নোটবন্দি নিয়েই চর্চা হয়েছিল টুইটারএ।এমনকি এই প্রথমবার টুইটার ভারতের নির্বাচনের জন্য লাইভ স্ট্রিমিং চালু করেছিল যেখানে সাধারণমানুষ নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত সমস্ত খবর পাচ্ছিলো।টুইটারএর তরফে জানানো হয়েছে যে, ‘আমাদের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে প্রচুর মানুষ হিন্দিতে টুইট এর উত্তর দিচ্ছেন এবং নেতারা সরাসরি টুইটার এর মাধমে নিজেদের ভাষণ এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন।’শুধু তাই নয় ভারতবর্ষ ছাড়াও অন্য দেশের থেকেও মানুষ টুইটার এর মাধমে গুজরাটের নির্বাচনের উপর নজর রাখছিলেন।
জিও নিয়ে এলো আবারও এক নতুন ধামাকা দেখে নিন কি পাবেন
জিও দিলো এক লোভনীয় ও অবিশ্বাস্যকর অফার। যত টাকার রিচার্জ করবেন তার তিনগুন ফেরত পাবেন। এই অবিশ্বাস্যকর অফারটির সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হলো। জিও প্রাইম মেম্বারদের জন্য এই ট্রিপল ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছিল ১০-২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমায়। তারপর এর সময়সীমা বাড়িয়ে ১৫ ডিসেম্বর করা হয়েছিল। কিন্তু এখন এই বিশেষ অফারটি বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ বড়দিন পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। জিও কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের মধ্যেই দুবার বাড়ালো অফারের সময়সীমা। জিও’র ঘোষণা অনুযায়ী এই লোভনীয় অফারটি প্রাইম গ্রাহকরা ২,৫৯৯ টাকা পর্যন্ত রিচার্জে পেতে পারেন।
মথুরাকে পবিত্রস্থান বানাতে যোগীজি নিলেন এমন এক সিদ্ধান্ত জানলে প্রতিটি হিন্দু গর্ব বোধ করবেন..
উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার আসার পর থেকে যেভাবে উন্নতি হচ্ছে তা সবার জানা।একদিকে পশ্চিমবঙ্গ ঋণের চাপে পড়ে বার বার কেন্দ্রকে ঋণ মুকুব করার আর্জি জানাচ্ছে অন্যদিকে যোগী সরকার কেন্দ্রকেই অনুদান দিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।আসলে উত্তরপ্রদেশে যোগী সরকার আসার পর থেকে একের পর এক উন্নয়নমূলক কর্মসূচী শুরু করেছে।সম্প্রতি বৃন্দাবনকে সরকারিভাবে পবিত্র পুন্যস্থান ঘোষণা করেছে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার এবং সরকার এটাও ঠিক করেছে যে মুথুরার পুলিশের উর্দিতে দেওয়া হবে ভগবান কৃষ্ণের ছবি আঁকা ব্যাচ।যেখানে লেখা থাকবে পর্যটন পুলিশ,যাতে মথুরার সাথে বাইরে থেকে আগত মানুষদের সম্পর্ক আরো নিবিড় হয়।মথুরার সুপারেন্টেন্ড অফ পুলিশ এর তরফে জানানো হয়েছে পুলিশকে আরও পর্যটকবান্ধব করার জন্যই এই লোগো ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে।যদিও যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা শুরু করেছে বিরোধীরা। কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র বিবেক বনসাল এই ব্যাপারে সমলোচনা করে বলেছেন, একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র এ কখনোই এইভাবে কোনো ধর্মের প্রচার করা উচিত নয়।বিরোধীদের আরো দাবি এই লোগো ব্যবহারের জন্য পুলিশএর ধর্মনিরপেক্ষতার ভাবমূর্তিতে আঘাত লাগবে।অনেকে বিরোধীতা করে এটাও বলেছেন যে, বৃন্দাবন পর্যটন কেন্দ্র শুধু হিন্দুদের জন্য নয়,বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাস লোকেরা এখানে আসেন,এতে ধর্মনিরপেক্ষতাই আঘাত লাগবে।যদিও এতে দোষের কিছু দেখছে না সাধারণ মানুষ এবং বিজেপি সরকার।বিজেপির এক শীর্ষ নেতা পরিষ্কার বলেছেন, সবাই জানে বৃন্দাবন,মথুরা কৃষ্ণের জন্মস্থানের জন্য বিখ্যাত,তাই দেবতার ছবি আঁকা লোগোতে আপত্তির কিছু থাকা উচিত নয়।
GST নিয়ে সরাসরি Exposed কংগ্রেসকে,দেখুন সেই ভিডিও..
পেট্রোপণ্যের জিএসটি-র অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সরব বিরোধীরা। তাদের দাবি, পেট্রোল-ডিজেলের উপরে জিএসটি লাগু হলে জ্বালানির দাম কমবে। মঙ্গলবার বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি এদিন বলেন, ‘এখন দেশের ১৯টি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে। তাহলে পেট্রোপণ্যে জিএসটি লাগু করতে বাধা কোথায়? এনিয়ে জিএসটি কাউন্সিল কি কোনও ব্যবস্থা নেবে?’
ভারতের ভূমি হিন্দুদের, আর কী বললেন আরএসএস প্রধান
ভারতের ভূমি হিন্দুদের। আগরতলায় এমনই মন্তব্য করলেন মোহন ভাগবত আরএসএস প্রধান। সারা পৃথিবী থেকে নিপীড়িত হিন্দুরা আশ্রয়ের আশায় ভারতে আসছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।হিন্দুধর্ম থেকে হিন্দুত্ব আলাদা। পশ্চিমী বিশ্ব ভারতের হিন্দু ধর্ম এবং তার দর্শন থেকে শিক্ষা নিতে চায় বলেও মন্তব্য করেছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তাঁর মতে হিন্দু ধর্মের শিকড় রয়েছে সনাতন ধর্মের মধ্যে। সারা পৃথিবী থেকে নিপীড়িত হিন্দুরা আশ্রয়ের আশায় ভারতে আসছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ভাগবতের চার দিনের ত্রিপুরা সফর উপলক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে হাজির ছিলেন বহু সাধু-সন্ত।
আরএসএর প্রধান খারাপের বিরুদ্ধে হিন্দুদের একজোট হওয়ার ডাক দেন। একইসঙ্গে আরএসএস-এর শাখার মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন তিনি। এর মাধ্যমে দেশ গঠন এবং নিজের উন্নতির সম্ভব বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।পশ্চিমমী বিশ্বও এরই মাধ্যমে তাদের সমাজকে পুপনরুজ্জীবিত করতে চায়। তাই তাদের আশাকে পরিপূর্ণ করতে হিন্দুধর্ম আজ আরও প্রাসঙ্গিক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আগরতলার স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে ভাষণ দিতে গিয়ে আরএসএস প্রধান বলেন, ভারতের ভূমি হিন্দুদের। আগরতলায় এমনই মন্তব্য করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। আরএসএস প্রধানের মতে, আগে হিন্দুধর্ম ছড়িয়ে ছিল আফগানিস্তান থেকে বার্মা পর্যন্ত। যা কোনও ধর্মের পক্ষেই হুমকি সূচক ছিল না বলেও মন্তব্য করেছেন ভাগবত। তিনি আরও বলেন, বহু ধর্ম এবং বহু বর্নের ভারতীয় সমাজে, প্রত্যেক দেশবাসীর অধিকার রয়েছে, তাঁদের নিজেদের ধর্ম পালন করার। তবে তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমির প্রতি অনুগত থাকবে বলেই মন্তব্য করেছেন আরএসএস প্রধান। হিন্দুদের সংগঠিত হওয়ার ডাক দিয়েছেন আরএসএস প্রধান।










