দুরান্ত ৪০ জিবি ফ্রি অফার নিলে এল জিও,কি করে পাবেন দেখুন ভিডিওটি..
পশুখাদ্য দুর্নীতি মামলায় আজ কি দোষীসাব্যস্ত হবেন লালুপ্রসাদ?
১৯৯১-১৯৯৪ সালের মধ্যে দেওঘরের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে ক্ষতি হয় প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকা। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল আরজেডি প্রধানের। এর আগেও তিনি একটি পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। যার জন্য লালুকে খোয়াতে হয়েছিল লোকসভার সদস্য পদও। এমনকি ভোটে দাঁড়াতেও পারেননি তিনি। আবার তিনি একই কাজে অভিযুক্ত হলেন।
কিছুদিন আগে কংগ্রেস শিবিরে সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে টুজি কেলেঙ্কারিতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ রাজা, কানিমঝি সহ ১৭ জন বেকসুর খালাস পাওয়া স্বস্তি মিলেছে। একই রকম ভাবে কাল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোকের বিরুদ্ধে ওঠা আদর্শ দুর্নীতি মামলা খারিজ করলো বম্বে হাইকোর্ট। আবার স্বস্তি মেলে কংগ্রেস শিবিরে। আজ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানো আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবের রায় বেরোবে আদালতে। আজই কি লালুপ্রসাদ দোষী সাব্যস্ত হবেন?
লাভ জিহাদের পর এবার ল্যান্ড জিহাদ , পড়ুন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি !
লাভ জিহাদ তো শুনেছেন কিন্তু ল্যান্ড জিহাদ অর্থাৎ জমি জিহাদ শুনেছেন কখনও!উত্তর প্রদেশের মিরাটে শহরে এবার মুসলিম মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলো ল্যান্ড জিহাদএর অভিযোগ।আসলে রবিবার উত্তরপ্রদেশের মিরাটে শহরে মালিওয়াড়া এলাকায় উসমান নামের এক মুসলিম যুবক সঞ্জয় রোস্তগি নামে এক ব্যাক্তির থেকে একটি বাড়ি কেনেন।এরপর উসমান তাঁর পরিবারকে নিয়ে নতুন বাড়িতে প্রবেশ করতে এলে বাধা দেন ওই এলাকার প্রতিবেশীরা। প্রতিবেশীদের দাবি,কোনো মুসলিম পরিবারকে ওই এলাকায় বাড়ি বিক্রি করা যাবে না।তর্ক বিতর্কের মধ্যে পরিস্তিতি ঘোরালো হয়ে উঠে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।ওই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রধান দীপক শর্মার অভিযোগ মিরাট শহরে ক্রমাগতই হস্তগত করছে মুসলিমরা।এতে হিন্দুদের সংকটের মধ্যে পড়তে হতে পারে।কোনোক্রমেই এমনটা হতে দেওয়া যাবে না।অবশ্য এই বিষয়ে মুসলিম যুবক ওসমানের বক্তব্য , বাড়ি কেনার সাথে ধর্মের কি সম্পর্ক আমি বুঝতে পারছি না।বাড়ি ঢুকতে গেলে আমাকে জেহাদি বলে ডাকা হয়।আমি ঝামেলায় জড়াতে চাই না।টাকা পেলেই আমি বাড়ি ছেড়ে দেব।’ওসমান আরও বলেন তার বাবা এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত,সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে বাড়ি পেয়ে তিনি বাড়ি হাতছাড়া করতে চাইছিলেন না,এবং বিক্রেতার কাছেও তিনি টাকা পান।তাই এই বাড়িতে আসতে চেয়েছিলেন।স্থনীয় থানার এক অফিসার বলেন ওসমানের টাকা ফেরত দিয়ে দেবে বিক্রেতা।তাই দুই পক্ষ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।উল্লেখযোগ্য বিষয়, ১৯৮০ সালে দাঙ্গাস্থল এই হিন্দুপ্রধান মালিওয়াড়া অঞ্চল থেকেই।সেখানকার বাসিন্দাদের দাবি এলাকায় মুসলিম জনসংখা বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছে মুসলিমরা।উত্তরপ্রদেশে লাভজিহাদ করে হিন্দু যুবতী ধর্মান্তরিত করার ঘটনা প্রভাব ফেলেছিল রাজ্যে।যার জন্য জমি জিহাদের দ্বারা অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
কংগ্রেস বলতে না দিলেও শচিন মত প্রকাশ করলেন ফেসবুকে , দেখুন ভাইরাল ভিডিও
সাংসদে কথা বলতে দেওয়া হয়নি ভারতরত্ন প্রাপ্ত শচীন টেন্ডুলকরকে।তাই তাই বলে কি নিজের কথা প্রকাশ করবেন শচীন? তাই তিনি ফেসবুকে নিজের বক্তব্য পরিষ্কার করে বললেন।তিনি বলেছেন,’ আমার প্রিয় দেশবাসী, কাল যে কথাগুলি আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিলাম আজ সেগুলিই বলার চেষ্টা করছি। ক্রিকেটের ছোট ছোট পথ চলাই আজ আমাকে এই জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছে। জীবনের অনেক স্মৃতি আমি সংগ্রহ করেছি ক্রিকেট থেকেই। আমি সবসময় খেলতে ভালবাসি এবং ক্রিকেট আমার জীবন। আমার বাবা, অধ্যাপক রমেশ তেন্ডুলকর একজন কবি ছিলেন। তিনি লিখতেন। আমার বাবা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন।আমি যা করতে চাই তা করতে আমাকে সাহায্য করেছেন। বাবার থেকে পাওয়া আমার শ্রেষ্ঠ উপহার হল, খেলাধুলা করার স্বাধীনতা। সে জন্য আমি তাঁর কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশে এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলির ওপর আমাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত। অর্থনৈতিক উন্নতি, দারিদ্র, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি সব বিষয়েই আমাদের নজর দেওয়া উচিত। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমি খেলা, স্বাস্থ্য এবং ভারতের সুস্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলব।’তিনি এই সম্পর্কে আরো কিছু বলে ভিডিওতে।উনার বক্তব্য ভিডিওতে পরিষ্কার।কংগ্রেসের লোকজন সংসদে উনাকে কথা বলতে বাধা দিলেও নিজের কথা পরিষ্কার করলেন তিনি ভিডিওতে।
ফের সেঞ্চুরি গুজরাটে নিঃশর্ত অসম্ভবকে সম্ভব করলো মোদী ম্যাজিক তারপর..
গুজরাতে বিজেপি ১০০ সংখ্যায় পৌঁছল। মোদী ম্যাজিক এর পর এখুন নির্দল বিধায়কও বিজেপিকে সমর্থন করছে, ধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা ষষ্ঠবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি।
বিরুস্কাকে প্রধানমন্ত্রী মোদী কি উপহার দিলেন, দেখুন ভিডিওটি
প্রধানমন্ত্রীর রিসেপশনে পৌঁছনোর ভিডিওটি বর্তমানে খুব ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, উল্লাসে মোদীকে স্বাগত জানান অন্যান্য অতিথিরা। নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী ও দু’জনের হাতে উপহার তুলে দেন তিনি। ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে, ফুল উপহার দিয়েছেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে দৃশত্যই আপ্লুত বিরাট-অনুষ্কার। নবদম্পতির পরিজনদের সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। ফটোগ্রাফারদের আবদার রেখে বিরাট-অনুষ্কার সঙ্গে ছবিও তোলেন তিনি,প্রধানমন্ত্রী মোদী যাবার ফলে সব অতিথিরা খুব উল্লাস করে, দিল্লির পাঁচতারা হোটেলে বিয়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি-অনুষ্কা শর্মা। ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে রিসেপশনে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও
বাজপেয়ীর জন্মদিনে যোগীর এক ঐতিহাসিক সিধান্ত জানুন..
যোগীর সিধান্ত সবসমই খুব আকর্সন হয় যার ফলে তিটি আবারও এক ঐতিহাসিক সিধান্ত নিলেন যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে এটাই বোধহয় প্রথম, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে মুক্তধারায় ফিরতে চলেছে ৯৩ কারাবন্দি। ভারতরত্ন অটলবিহারী বাজপেয়ীর ৯৩-তম জন্মদিনে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জেলে বন্দি ৯৩ জন কারা আবাসিককে জীবনের পথে মুক্ত করতে চলেছে সে রাজ্যের সরকার। যোগী সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, যে কারা আবাসিকদের সাজা সম্পূর্ণ হয়েছে অথচ অর্থের অভাবে আদালতের নির্দেশিত ‘জরিমানা’ দিতে তারা ব্যর্থ, তাদের চিহ্নিত করেই স্বাভাবিক জনজীবনে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
তার এই কদম সাধারণ মানুস সমর্থন করছে,এমন ভাবে আগে কোনো মুখ্যমন্ত্রী আগে ভাবিনি কিন্তু যোগী কিছু নতুন করতে জানে তা তিনি এবারও প্রমান করে দিলেন,সেক্ষেত্রে সরকার দেখে নেবে, একটি সাজা শেষ করার পর দোষী সাব্যস্ত কারাবন্দি অন্য কোনও মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন কি না। সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন ইতিমধ্যেই ১৩৫ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকা থেকেই ৯৩ জন বন্দিকে কারামুক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, প্রশাসনের তরফে বেশ কয়েকটি সমাজসেবী সংগঠনের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে, যারা এই ৯৩ দোষীর ‘জরিমানা’ চুকিয়ে দেবে।
২০১৪ কিছু গোপন শক্তি প্রধানমন্ত্রী মোদীর যা এখুনও অজানা..
কিন্তু এর মধ্যে জড়িয়ে আছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও,কিন্তু কি করে তার আসল কারণ আপনি যদি মন দিয়ে দেখেন এই ছবিটি তাহলে বুজতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর ক্ষমতা।কিছু তথ্য এর মধ্যে দিয়ে জানা গেছে যে এই ছবিতে যে সময় এর কথা বলা হয়েছে সেই সময় মোদীর সেই ২০১৪ এর নির্বাচন জেতার ক্ষমতা ও তার ফলে ভারত এক শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছিল যার ফলে জঙ্গি সংগঠন গুলির ও ভয় হয়েছিল। ছবির গল্প একটি সত্যি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। ২০১৪ সালে ৪৬ জন নার্সকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আইএসআইএস জঙ্গি সংগঠন। ছবিতে ইরাকের সেই ঘটনাকেই তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখানো হয়, এই নার্সদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় ও ১৫ জন পাকিস্তানি নার্স রয়েছেন।২০১২ সালে ‘ এক থা টাইগার’ যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকেই ২০১৭ -তে শুরু হয়েছে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-এর গল্প। এই ছবির মূল আকর্ষণ অবশ্যই সলমান খান।









