অর্থনীতিতে বদল মোদীর সব থেকে বড়ো কদম তার জন্যই তিনি এবার বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় দু’দশক বাদে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মঞ্চে যোগ দিতে চলেছেন।প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, গোটা জানুয়ারি মাস জুড়েই একাধিক কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মোদী – যোগী যুগলবন্ধীর এক বড়ো কদম যা দেশে এই প্রথম,দেখুন আপনিও..
মোদী- যোগী যুগলবন্ধী আজ এক ইতিহাস গড়বে দেশে এই প্রথম চালক বিহীন মেট্রোর উদ্বোধন করবে, আজ এই দিনে আরো এক চমক দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী তিনি আজ যা করবেন তা দেশে এই প্রথম ডিজিটাল যুগে ডিজিটালি ভাবে ভাবেই এই কদম যা সাধারণ মানুসের জন্য,এবং নয়ডার মধ্যে যোগাযোগ পরিষেবার উন্নতি এবং উন্নত পরিকাঠামো গড়ে নগরায়নের পথকে অগ্রসর করতেই মেট্রোর ম্যাগনেট লাইনের কাজকে ত্বরান্বিত করতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদী।
বড়ো দিনে বড়ো উপহার মোদী সরকারের যা এই দেশে প্রথম,কি আছে এর মধ্যে জেনে নিন..
আজ থেকে মুম্বাইয়ে চালু হচ্ছে এসি মেট্রোর মতো এসি লোকাল ট্রেন। এবার থেকে রোজকার ধাক্কাধাক্কি ও ভিড়ভট্টা রেহাই পাওয়া যাবে। আপাতত চার্চগেট থেকে বরিভালি পর্যন্ত চলবে এই লোকাল ট্রেন।
পশ্চিম রেল সূত্র থেকে জানা গেছে, এই ১২ বগির এসি লোকাল আজ দুপুর ২টো ১০ মিনিটে প্রথম যাত্রা শুরু করবে। পশ্চিম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবীন্দার ভাকর সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, “মুম্বাইবাসীদের বড়দিনের উপহার হিসাবে এই এসি লোকাল চলবে আজ থেকে। তবে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা একই থাকবে”এই নতুন লোকাল ৫,৯৬৪ জন যাত্রী বহনে সক্ষম। কিন্তু বসতে পারবেন ১০২৮ জন। এই লোকালেও মেট্রো রেলের কামরার মতোই সয়ংক্রিয় দরজা আছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার। প্রতিদিন ১২টি এই এসি লোকাল চলবে। সাধারণ লোকাল ট্রেনের মতোই এই লোকালে থাকছে মান্থলি টিকিটের ব্যবস্থা। তবে এর দাম সাধারণ লোকালের থেকে একটু বেশি। রেল সূত্রে খবর, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও সেকন্দ্রাবাদের মতো শহরেও এই ধরনের এসি লোকাল চালানোর পরিকল্পনা চলছে।
স্কুলের সব ছাত্রছাত্রী সেন্টা ড্রেস এ গেলেও এই স্বয়ংসেবক এর মেয়ের ড্রেস সকলকে চমকে দিলো …
আসলে ক্রিস্টমাস উপলক্ষে সবাই যখন নিজেদের বাচ্চাদের সান্তার পোশাকে স্কুলে পাঠিয়েছিলেন,সেখানে আশীষ বাবু তাঁর মেয়েকে আরএসএস সংঘের পোশাকে স্কুলে পাঠিয়েছিলেন। এবং এই বিষয়ে উনাকে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, আপনাদের অনুরোধ করছি বাচ্চাদের সান্তা এর পোশাক এর বদলে আরএসএস সংঘের পোশাক দিন ।
বলা বাহুল্য আশীষ বাবুর মেয়েকে সংঘের পোশাকে সবার চেয়ে সুন্দর লাগছিলো।আশীষ বাবুর এই চিন্তা ভাবনা দেশের জন্য একটা বড় উদাহরণ নিজের দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতি সবার সামনে তুলে ধরা।
চলছে প্রবল গুলি বর্ষণ – এরই মাঝে ভারতীয় সেনা একজন পাকিস্তানি কে 72 হুরের কাছে পাঠিয়ে দিলো !
ভারতের সাথে মুখোমুখি হয়ে কখনো জয়ী হয়নি পাকিস্তান , তাই বার বার কাপুরুষের মতো পেছন থেকে আক্রমণ করে নিজেদের বীরত্ব দেখাবার চেষ্টা করে জঙ্গিরদেশ পাকিস্তান।আবারও নিজেদের কাপুরুষতার প্রমান দিলো পাকিস্তান।
সবং উপনির্বাচনে হারলেও একদিকে জয় পেল বিজেপি , জানেন কিভাবে ?
বিজেপি যে দিন দিন পশ্চিমবঙ্গে নিজের শিকড় মজবুত করছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই।বিজেপির শক্তিশালী হওয়ার প্রমান আবারও পাওয়া গেল আজকে সবং এর উপনিবাচনে।আগের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৫৬১০ টি ভোট যা এবারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৭৪৬টি যা শাসক দলের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।কারণ সবং এ বিজেপির কোনো সংগঠন নেই তা সত্ত্বেও ভালো ভোট পেয়েছে বিজেপি এর ভোট বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিজেপি সমর্থকেরা বক্তব্য তাহলে গুজরাটে কংগ্রেসের নৈতিক জয়ের পর সবং এ বিজেপির নৈতিক জয় হলো।
বিজেপি সংসদ করলেন এমন এক মন্তব্য ,যেজন্য মৌলবী রেগে একাকার..
ভারতবর্ষের জনসংখ্যা যে হারে বেড়ে চলেছে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয় এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য খুব বড় বিপদ।এই বিষয়ে বিজেপির এক সাংসদ রাঘব লক্ষণ পাল সংসদে এক প্রাইভেট মেম্বার বিল তৈরী করে আনেন যেখানে উনি বলেন দেশের জনসংখ্যা খুব দ্রুতগতিতে বেড়েচলেছে এবং তিনি উত্তরপ্রদেশের কিছু জেলার নাম করে বলেন যে ওই জেলাগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে ।রাঘব লক্ষণ পাল বলেন এইভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে হিন্দুরাই হিন্দুস্থানে সংখালখু হয়ে পড়বে।বিজেপি সাংসদের বক্তব্য জনসংখ্যার বিষয়ে সরকারের কঠোর নীতি জারি করা দরকার। দেশে জনসংখ্যা নীতি চালু করা হোক যেখানে বলা হবে কোনো দম্পতি ২ এর থেকে বেশি সন্তান নিলে তাঁদের সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং ৩য় সন্তান কোনো রজনৈতিক কার্যকলাপ এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।এই বিষয়ে ওই বিজেপি সাংসদের উপর সম্প্রদায়ইক রাজনীতির অভিযোগ আনলে উনি বলেন ,’এক বিশেষ সম্প্রদায় এইভাবে বৃদ্ধি পেলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকারক,১৯৪৭ সালে এক বিশেষ সসমপ্রদায় অন্য রাষ্ট্র চেয়েছিল বলেই দেশের বিভাজন হয়েছিল এবং বর্তমানে কাশ্মীরে এক বিশেষ সম্প্রদায় বেড়ে যাওয়ার জন্য হিন্দু পন্ডিতদের নিজের বাড়ি ছাড়া হতে হয়েছে।’ যদিও বিরোধীরা বলেছেন উনি সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করছেন।এক ইসলামিক স্কলার আব্দুল রহমান এই বিষয়ে বলেন মুসলিম জনসংখ্যা সেভাবে বাড়েনি এবং সরকারের এরকম কোনো জনসংখ্যা নীতি তৈরী করা উচিত নয়।এখন দেখার এবিষয়ে সরকার কি পদক্ষেপ নেয়।
রাম রহিমের পর এবার দেব বাবা , এনার কান্ড জানলে আপনারাও চমকে যাবেন !
ধর্মের নামে ভণ্ডামি নিয়ে রামরহিম বাবার পর উঠে এলো আরেক নাম।দিল্লির বিজয় বিহার অঞ্চলে আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি দালান তুলেছেন এক ভন্ড বাবা।যার নাম বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত।আসলে এই বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত নিজেকে কৃষ্ণ বা শিব বলে প্রচার করেন এবং হিন্দু ধর্মের নামে ভুল ধারণা মেয়েদের মধ্যে ঢুকিয়ে তাদের শোষণ করতেন।বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত এর এই বিশ্ববিদ্যালয় এ মেয়েদের ব্রেন ওয়াস করা হয় বলে অভিযোগ এনেছেন অনেক।পুলিশ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এলে তদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় ,এরপর যখন পুলিশ জোর করে প্রবেশ করে তখন দেখা যায় এই বিল্ডিংএর প্রতিটি ঘর খুবই ছোট ছোট এবং এই ঘরের বাইরে বেরোনোর আদেশ নেই কারোর।এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেয়ে জানান যে তাকে রাতে সবাই গুমিয়ে যাওয়ার পর ডাকা হয় এবং রেপ করা হয়।এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে পুলিশ আরো কয়েকটি জায়গায় তদন্ত শুরু করে।যদিও বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতকে এখনো খুঁজে বের করা যায়নি।জানা গেছে দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৩০ বছর ধরে চলছে।তাহলে এখন বড় প্রশ্ন ৩০ বছর ধরে কি এই কুকীর্তি প্রশাসনের নজরে পড়েনি!পুলিশ এর প্রচেষ্টায় অনেক মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে।এখণ দেখার কত দূর জল গোড়ায় বাবার এই কুকীর্তির।
নোটবন্দী ফলে এক নতুন সুখবর যা আপনাকেও খুশি করতে পারে, জানতে দেখুন এই প্রতিবেদনটি !!
মোদী যুগে এই কদম সবাই মনে রাখবে যার ফলে আজ এক খুশির খবর এল,নোট বাতিলের পর দেশে বৃদ্ধি হয়েছে করদাতার সংখ্যা। চলতি অর্থবর্ষে নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩.৮৯ কোটি টাকা আয়কর ই-রিটার্ন দাখিল হয়েছে। রিটার্ন পেশের হার বেড়েছে ১৯.৫ শতাংশ।
আসাউদ্দিন ওয়েসী করলেন এমন এক মন্তব্য শোনার পর প্রতিটি হিন্দু রেগে লাল..দেখুন ভিডিও ||
এ আই এম আই এম সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়াইসি মন্তব্য করলেন, “আর গেরুয়া নয়। এবার গোটা দেশ হবে সবুজে সবুজ। এটাকে এক ধরনের হুমকি বা উস্কানিও বলা যেতে পারে। ফের সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করলেনএর আগেও একাধিক বার তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। এই জন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই সাংসদ সংযত হননি।আসাউদ্দিন ওয়াইসি বললেন, “আপনারা গেরুয়া পড়লে কিছুই হয় না। কিন্তু আমরা সবুজ পরে সব সবুজ করে দেব। ইনসা আল্লাহ, আমাদের সবুজ রঙের কাছে কোনো রং টিকবে না। মোদীর রংও না আর কংগ্রেসের রংও না।”এর আগেও একাধিক বার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন ওয়াইসি। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও সংযত হননি এই সাংসদ।











