প্রায় দু’দশক বাদে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী,তারপর দেখুন..

অর্থনীতিতে  বদল মোদীর সব থেকে বড়ো কদম তার জন্যই তিনি এবার  বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিতে যাচ্ছেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রায় দু’দশক বাদে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মঞ্চে যোগ দিতে চলেছেন।প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, গোটা জানুয়ারি মাস জুড়েই একাধিক কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। 

তার উপর ২৬ তারিখ সাধারণতন্ত্র দিবস। সে দিন রাজধানীতে রয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সুইৎজারল্যান্ডে বসবে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন। জানুয়ারি মাসের ২৩ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন।সেখানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীও। এরই মধ্যে সময় বার করে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিতে যাবেন তিনি।বিগত কয়েক বছরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে অর্থনৈতিক দিক থেকে মজবুত হয়েছে ভারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ভারতের সেই অগ্রগতির কথাই তুলে ধরবেন মোদী।

মোদী – যোগী যুগলবন্ধীর এক বড়ো কদম যা দেশে এই প্রথম,দেখুন আপনিও..

মোদী- যোগী যুগলবন্ধী আজ এক ইতিহাস গড়বে দেশে এই প্রথম চালক বিহীন মেট্রোর উদ্বোধন করবে, আজ এই দিনে আরো এক চমক দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী তিনি আজ যা করবেন তা দেশে এই প্রথম ডিজিটাল যুগে ডিজিটালি ভাবে ভাবেই এই কদম যা সাধারণ মানুসের জন্য,এবং নয়ডার মধ্যে যোগাযোগ পরিষেবার উন্নতি এবং উন্নত পরিকাঠামো গড়ে নগরায়নের পথকে অগ্রসর করতেই মেট্রোর ম্যাগনেট লাইনের কাজকে ত্বরান্বিত করতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদী।

 সেহেতু চলতি বছরের শেষে বড়দিনেই তার সূচনা করতে চলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিয়ে কড়া নিরাপত্তা গোটা দিল্লি সহ নয়ডায়।মেট্রো ম্যাগনেট লাইনের উদ্বোধন নিয়ে নরেন্দ্র মোদী টুইটে জানিয়েছেন,”শহরাঞ্চলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা কতটা আধুনিক হতে পেরেছি, এটা তারই একটি উদাহরণ। আমি মেট্রো সফরও করব (উদ্বোধনের পর)। এর আগে এই বছরেই কোচি এবং হায়দরাবাদের মেট্রো উদ্বোধনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে।”

বড়ো দিনে বড়ো উপহার মোদী সরকারের যা এই দেশে প্রথম,কি আছে এর মধ্যে জেনে নিন..

আজ থেকে মুম্বাইয়ে চালু হচ্ছে এসি মেট্রোর মতো এসি লোকাল ট্রেন। এবার থেকে রোজকার ধাক্কাধাক্কি ও ভিড়ভট্টা রেহাই পাওয়া যাবে। আপাতত চার্চগেট থেকে বরিভালি পর্যন্ত চলবে এই লোকাল ট্রেন।

পশ্চিম রেল সূত্র থেকে জানা গেছে, এই ১২ বগির এসি লোকাল আজ দুপুর ২টো ১০ মিনিটে প্রথম যাত্রা শুরু করবে। পশ্চিম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবীন্দার ভাকর সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, “মুম্বাইবাসীদের বড়দিনের উপহার হিসাবে এই এসি লোকাল চলবে আজ থেকে। তবে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা একই থাকবে”এই নতুন লোকাল ৫,৯৬৪ জন যাত্রী বহনে সক্ষম। কিন্তু বসতে পারবেন ১০২৮ জন। এই লোকালেও মেট্রো রেলের কামরার মতোই সয়ংক্রিয় দরজা আছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার। প্রতিদিন ১২টি এই এসি লোকাল চলবে। সাধারণ লোকাল ট্রেনের মতোই এই লোকালে থাকছে মান্থলি টিকিটের ব্যবস্থা। তবে এর দাম সাধারণ লোকালের থেকে একটু বেশি। রেল সূত্রে খবর, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও সেকন্দ্রাবাদের মতো শহরেও এই ধরনের এসি লোকাল চালানোর পরিকল্পনা চলছে।

স্কুলের সব ছাত্রছাত্রী সেন্টা ড্রেস এ গেলেও এই স্বয়ংসেবক এর মেয়ের ড্রেস সকলকে চমকে দিলো …

কয়েকদিন ধরে দেশে বড়দিন এর উৎসবের পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।স্কুল হোক বা কোনো শপিং মল চারদিকেই ক্রিস্টমাস এর সাজসজ্জা ও পোশাক নজরে পড়ছে।ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ায় পর থেকে এক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হওয়ায় পরিচয় দিয়েছে ।যার জন্য যে কোনো ধর্মেরই উৎসব পূর্ণ উদ্যোগের সাথে দেশজুড়ে পালিত হয়।
কিন্তু এই ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে দেশে বার বার প্রশ্নও উঠেছে।প্রশ্ন হলো এই ধর্মনিরোপেক্ষতার চাপে পড়ে ভারতবর্ষ এর নিজস্ব সংস্কৃতি কি পেছনে পড়ে রয়ে যাচ্ছে না!ভারতীয়রা কি নিজের সভ্যতা ভুলে পাশ্চাত্য সভ্যতায় মজে উঠছে না! এই বিষয়কে মাথায় রেখে সুরাট এর সেচ্ছাসেবক আশীষ সুরেভানিশ এক দারুন কাজ করে সবার নজর কেড়েছেন।

আসলে ক্রিস্টমাস উপলক্ষে সবাই যখন নিজেদের বাচ্চাদের সান্তার পোশাকে স্কুলে পাঠিয়েছিলেন,সেখানে আশীষ বাবু তাঁর মেয়েকে আরএসএস  সংঘের পোশাকে স্কুলে পাঠিয়েছিলেন। এবং এই বিষয়ে উনাকে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, আপনাদের অনুরোধ করছি বাচ্চাদের সান্তা এর পোশাক এর বদলে আরএসএস সংঘের পোশাক দিন ।

বলা বাহুল্য আশীষ বাবুর মেয়েকে সংঘের পোশাকে সবার চেয়ে সুন্দর লাগছিলো।আশীষ বাবুর এই চিন্তা ভাবনা দেশের জন্য একটা বড় উদাহরণ নিজের দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতি সবার সামনে তুলে ধরা।

চলছে প্রবল গুলি বর্ষণ – এরই মাঝে ভারতীয় সেনা একজন পাকিস্তানি কে 72 হুরের কাছে পাঠিয়ে দিলো !

ভারতের সাথে মুখোমুখি হয়ে কখনো জয়ী হয়নি পাকিস্তান , তাই বার বার কাপুরুষের মতো পেছন থেকে আক্রমণ করে নিজেদের বীরত্ব দেখাবার চেষ্টা করে জঙ্গিরদেশ পাকিস্তান।আবারও নিজেদের কাপুরুষতার প্রমান দিলো পাকিস্তান। 

বর্ডারে কর্মরত টহলদারি বীর সেনাদের উপর কাপুরুষের মতো আক্রমণ করে মেজর সহ চার বীর জওয়ানকে হত্যা করে পাকিস্তানী সেনারা।এর প্রতিবাদে গর্জে উঠে ভারতীয় সেনারা এবং আজ সকাল থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন চেকপোস্টকে টার্গেট করে গুলি বর্ষণ শুরু করে ভারতীয় বীর সেনারা। সেনা কর্তৃপক্ষ থেকে জানা গেছে আজ সকাল থেকে পাকিস্তানী চেকপোস্টের দিকে শুরু করা হয়েছে স্পেশাল এটাক এবং বেলা ১১ টায় ১ পাকিস্তানী যে ভারতীয় চেকপোস্টের দিকে তাক করছিল তাকে গুলি করে নিহত করে ভারতীয় সেনা।৪ জন ভারতীয় বীর সেনার প্রাণ যাওয়ায় শোকাহত ভারতীয়রা এর মধ্যেও ১পাকিস্তানী কে মেরে প্রতিশোধ নেওয়ার পথে ভারতীয় বীর সেনারা।  যদিও এতে শান্ত হয়নি ভারতীয় সেনা পাকিস্তানী চেকপোস্টের উপর গুলি বর্ষণ এখনো জারি রয়েছে।

সবং উপনির্বাচনে হারলেও একদিকে জয় পেল বিজেপি , জানেন কিভাবে ?

বিজেপি যে দিন দিন পশ্চিমবঙ্গে নিজের শিকড় মজবুত করছে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই।বিজেপির শক্তিশালী হওয়ার প্রমান আবারও পাওয়া গেল আজকে সবং এর উপনিবাচনে।আগের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৫৬১০ টি ভোট যা এবারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৭৪৬টি যা শাসক দলের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।কারণ সবং এ বিজেপির  কোনো সংগঠন নেই তা সত্ত্বেও ভালো ভোট পেয়েছে বিজেপি এর ভোট বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিজেপি সমর্থকেরা বক্তব্য তাহলে গুজরাটে কংগ্রেসের নৈতিক জয়ের পর সবং এ বিজেপির নৈতিক জয় হলো।

আসলে কিছুদিন আগে গুজরাট ভোট কংগ্রেস ভালোভাবে হারার পরও মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন গুজরাটে কংগ্রেসের নৈতিক জয় হলো। যদিও হিমাচল প্রদেশে জেতার বিষয়ে মুখ খোলেননি মমতা ব্যানার্জি। সেটারই উত্তরে কটাক্ষ করে বিজেপি সমথকেরাও জবাব দিতে শুরু করেছে।বিজেপি সমর্থকের বক্তব্য তারা সবং এর ফলাফলে খুশি কারণ সবং বুঝিয়ে দিলো পশ্চিমবঙ্গ খুব তাড়াতাড়ি বিজেপির দখলে আসছে।

বিজেপি সংসদ করলেন এমন এক মন্তব্য ,যেজন্য মৌলবী রেগে একাকার..

ভারতবর্ষের জনসংখ্যা যে হারে বেড়ে চলেছে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয় এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য খুব বড় বিপদ।এই বিষয়ে বিজেপির এক সাংসদ রাঘব লক্ষণ পাল সংসদে এক প্রাইভেট মেম্বার বিল তৈরী করে আনেন যেখানে উনি বলেন দেশের জনসংখ্যা খুব দ্রুতগতিতে বেড়েচলেছে এবং তিনি উত্তরপ্রদেশের কিছু জেলার নাম করে বলেন যে ওই জেলাগুলিতে মুসলিম জনসংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে ।রাঘব লক্ষণ পাল বলেন এইভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে হিন্দুরাই হিন্দুস্থানে সংখালখু হয়ে পড়বে।বিজেপি সাংসদের বক্তব্য জনসংখ্যার বিষয়ে সরকারের কঠোর নীতি জারি করা দরকার। দেশে জনসংখ্যা নীতি চালু করা হোক যেখানে বলা হবে কোনো দম্পতি ২ এর  থেকে বেশি সন্তান নিলে তাঁদের সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং ৩য় সন্তান কোনো রজনৈতিক কার্যকলাপ এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।এই বিষয়ে ওই বিজেপি সাংসদের উপর সম্প্রদায়ইক রাজনীতির অভিযোগ আনলে উনি বলেন ,’এক বিশেষ সম্প্রদায় এইভাবে বৃদ্ধি পেলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকারক,১৯৪৭ সালে এক বিশেষ সসমপ্রদায় অন্য রাষ্ট্র চেয়েছিল বলেই দেশের বিভাজন হয়েছিল এবং বর্তমানে কাশ্মীরে এক বিশেষ সম্প্রদায় বেড়ে যাওয়ার জন্য হিন্দু পন্ডিতদের নিজের বাড়ি ছাড়া হতে হয়েছে।’ যদিও বিরোধীরা বলেছেন উনি সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করছেন।এক ইসলামিক স্কলার আব্দুল রহমান এই বিষয়ে বলেন মুসলিম জনসংখ্যা সেভাবে বাড়েনি এবং সরকারের এরকম কোনো জনসংখ্যা নীতি তৈরী করা উচিত নয়।এখন দেখার এবিষয়ে সরকার কি পদক্ষেপ নেয়।

রাম রহিমের পর এবার দেব বাবা , এনার কান্ড জানলে আপনারাও চমকে যাবেন !

ধর্মের নামে ভণ্ডামি নিয়ে রামরহিম বাবার পর উঠে এলো আরেক নাম।দিল্লির বিজয় বিহার অঞ্চলে আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি দালান তুলেছেন এক ভন্ড বাবা।যার নাম বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত।আসলে এই বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত নিজেকে কৃষ্ণ বা শিব বলে প্রচার করেন এবং হিন্দু ধর্মের নামে ভুল ধারণা মেয়েদের মধ্যে ঢুকিয়ে তাদের শোষণ করতেন।বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত এর এই বিশ্ববিদ্যালয় এ মেয়েদের ব্রেন ওয়াস করা হয় বলে অভিযোগ এনেছেন অনেক।পুলিশ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এলে তদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় ,এরপর যখন পুলিশ জোর করে প্রবেশ করে তখন দেখা যায় এই বিল্ডিংএর প্রতিটি ঘর খুবই ছোট ছোট এবং এই ঘরের বাইরে বেরোনোর আদেশ নেই কারোর।এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেয়ে জানান যে তাকে রাতে সবাই গুমিয়ে যাওয়ার পর ডাকা হয় এবং রেপ করা হয়।এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে পুলিশ আরো কয়েকটি জায়গায় তদন্ত শুরু করে।যদিও বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতকে এখনো খুঁজে বের করা যায়নি।জানা গেছে দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ৩০ বছর ধরে চলছে।তাহলে এখন বড় প্রশ্ন ৩০ বছর ধরে কি এই কুকীর্তি প্রশাসনের নজরে পড়েনি!পুলিশ এর প্রচেষ্টায় অনেক মেয়েকে উদ্ধার করা হয়েছে।এখণ দেখার কত দূর জল গোড়ায় বাবার এই কুকীর্তির।

নোটবন্দী ফলে এক নতুন সুখবর যা আপনাকেও খুশি করতে পারে, জানতে দেখুন এই প্রতিবেদনটি !!

মোদী যুগে এই কদম সবাই মনে রাখবে যার ফলে আজ এক খুশির খবর এল,নোট বাতিলের পর দেশে বৃদ্ধি হয়েছে করদাতার সংখ্যা। চলতি অর্থবর্ষে নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩.৮৯ কোটি টাকা আয়কর ই-রিটার্ন দাখিল হয়েছে। রিটার্ন পেশের হার বেড়েছে ১৯.৫ শতাংশ। 

সংসদে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শিবপ্রতাপ শুক্লা।অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শিবপ্রতাপ শুক্লা শুক্রবার লোকসভায় জানিয়েছেন, চলতি বছরে একইসময়ে (এপ্রিল-নভেম্বর) জমা পড়েছিল ৩.২৫ কোটি টাকার আয়কর রিটার্ন। চলতি আর্থিক বছরে নভেম্বর পর্যন্ত প্রত্যক্ষ কর আদায়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪.৮ লক্ষ কোটি টাকা। গত আর্থিক বছরে একই সময়ে তা ছিল ৪.২ লক্ষ কোটি টাকা। বৃদ্ধি ১৪.৩ শতাংশ। কালো টাকা উদ্ধার ও কর ফাঁকি রুখতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ করেছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ”৫০ হাজারের বেশি নগদ ব্যাঙ্কে জমার উপরে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে প্যান। ২০১৬-২০১৭ সালে ৮,৪৯,৮১৮ কোটি টাকা প্রত্যক্ষ কর আদায় করা হয়েছে। বাজেটে ধরা হয়েছিল ৮,৪৭,০৯৮ কোটি টাকা।”

আসাউদ্দিন ওয়েসী করলেন এমন এক মন্তব্য শোনার পর প্রতিটি হিন্দু রেগে লাল..দেখুন ভিডিও ||

এ আই এম আই এম সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়াইসি মন্তব্য করলেন, “আর গেরুয়া নয়। এবার গোটা দেশ হবে সবুজে সবুজ। এটাকে এক ধরনের হুমকি বা উস্কানিও বলা যেতে পারে। ফের সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক মন্তব্য করলেনএর আগেও একাধিক বার তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন। এই জন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও এই সাংসদ সংযত হননি।আসাউদ্দিন ওয়াইসি বললেন, “আপনারা গেরুয়া পড়লে কিছুই হয় না। কিন্তু আমরা সবুজ পরে সব সবুজ করে দেব। ইনসা আল্লাহ, আমাদের সবুজ রঙের কাছে কোনো রং টিকবে না। মোদীর রংও না আর কংগ্রেসের রংও না।”এর আগেও একাধিক বার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন ওয়াইসি। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও সংযত হননি এই সাংসদ।

   দেখুন সেই ভিডিওটি 
Design a site like this with WordPress.com
Get started