দিল্লি মেট্রোয় হেনস্থা ভারতীয় সেনা দেখুন ভিডিও..

সবার সামনে ভারতীয় সেনাকে অপমান করলো এক যুবক তা সত্তেও সাধারণ মানুস জন কিছু করলেন না যিনি বাক্যবাণ বর্ষণ করে চলেছেন তিনি এক জন যুবক তারপর কটূক্তি বাক্য প্রয়োগ, একের পর এক ক্ষুরধার বাক্যবাণে বিদ্ধ হয়ে চলেছেন কয়েক জন সেনা জওয়ান।

প্রত্যেকেরই পরণে সেনার পোশাক। মুখে স্মিত হাসি।মাঝে মাঝেই তেড়ে যাচ্ছেন জওয়ানদের দিকে। সঙ্গে অশ্রাব্য গালিগালাজ।ঘটনাস্থল দিল্লি মেট্রো। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে সম্প্রতি যা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মেট্রোয় সওয়ার কয়েক জন জওয়ানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে চলেছেন এক যুবক। যুবককে ধরে রাখার চেষ্টা করছেন যাত্রীরা।গোটা ভিডিওয়ে যে বিষয়টি নজর কেড়েছে তা হল জওয়ানদের নীরবতা।তারা সেই ছেলে টাকে কিছু না করে নিজেরা নিজেদের অপমান ঠান্ডা মনে সহ্য করলেন এবং একটিও শব্দ উচ্চারণ করেননি কেউ।

দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিওটি 

ভারতের চাপে পড়ে কুলভূষণের স্ত্রীর জুতো বাজেয়াপ্ত করা নিয়ে মুখ খুলতে হলো পাকিস্তানকে।

কেন্দ্রর অনেক প্রচেষ্টার পর কুলভূষণ যাদবের সাথে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিল কুলভূষণের মা এবং স্ত্রী।জানা গেছে এই সাক্ষাত ছিল প্রায় ৪০ মিনিটের এবং সাক্ষাতে নিজের মাতৃভাষা ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ ছিল।সাক্ষাতের বেশিরভাগ সময়টাই কেটেছিল চোখের জলে।কুলভূষণ এর সাথে তার মা ও স্ত্রী দেখা করার আগে তাদের পরনের সমস্ত গয়না খুলে নেওয়া হয়েছিল।সাক্ষাত সময়কালে কুলভূষণ এবং তার পরিবারের মাঝে ছিল কাঁচের দেয়াল। এমনকি কুলভূষণের স্ত্রীর জুতো পর্যন্ত নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বাজেয়াপ্ত করেছিল পাকিস্তান।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় ছিল জুতো ছাড়া সমস্ত কিছুই ফেরত পেয়েছিল কুলভূষণ যাদবের স্ত্রী চেতনা।এই খবর পাওয়া মাত্র শোরগোল শুরু হয়ে যায় ভারত জুড়ে।

অনেকে বলে পাকিস্তান জুতো নিয়েছে কারণ জুতোকে ব্যবহার করে কুলভূষণকে দোষী প্রমান করার জন্য।
যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় চাপে পড়ে পাকিস্তানের মুখ্যপাত্র মোহম্মদ ফয়জল জানান,জুতোতে একটা কিছু ছিল।তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এবং কুলভূষণের স্ত্রীকে নতুন জুতো দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানকে সমর্থন করে এই নেতা যা বললেন শুনলে আপনি রেগে লাল হয়ে যাবেন !!

কুলভূষণ যাদবের মা ও স্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের দূরব্যবহার করার পর সারা দেশ পাকিস্তানকে নিয়ে সারা দেশের মানুসের রাগ,এর মধ্যে ও কিছু রাজনৈতিক পার্টির সদস্য এমন মন্তব্য করলেন যা খুবই লজ্জা জনক, সপার রাজ্যসভার সাংসদ নরেশ আগরওয়াল তিনি বলেন পাকিস্তানের কাছে কুলভূষণ একজন জঙ্গি তাই তারা যা করেছে বেশ করেছে।

দেখুন সেই ভিডিওটি  

আমাদেরও জঙ্গিদের সঙ্গে একইরকম ব্যবহার করা উচিত। তার সাথে তিনি এও বলেন কুলভূষণকে নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এত বাড়াবাড়ি কেন করছে জানি না। পাক জেলে তো আরও কত ভারতীয় নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন। তাঁদের নিয়ে তো কোনও মাথা ব্যাথা নেই তাদের।সোমবার ইসলামাবাদে কুলভূষণের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর স্ত্রী ও মা। সাক্ষাতের আগে তাঁদের টিপ, চুড়ি ও মঙ্গলসূত্র খুলতে বাধ্য করে পাক বিদেশমন্ত্রক। খুলে নেওয়া হয় জুতোও। বাকি সরঞ্জাম ফিরিয়ে দিলেও জুতোজোড়া বাজেয়াপ্ত করে পাক কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সুব্রমনিয়ম স্বামী।

আজ পাকিস্তানকে কড়া জবাব দিলেন বিজেপি নেতা সুব্রমনিয়ম স্বামী তিনি বলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা উচিত ভারতের এবং দরকারে চার টুকরো করতে হবে পাকিস্তানকে। আসলে পাকিস্তান চাই না ভারত শান্তি থাকুক তাই এবার সময় এসেছে পাকিস্তানকে তার ভাসায় জবাব দেবার।

বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপি নেতা সুব্রমনিয়ম স্বামীর।সুব্রমনিয়ম বলেন, “কুলভূষণের স্ত্রী এবং মায়ের সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে, তা মহাভারতের দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সমতুল্য।”পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার এটাই সঠিক সময় বলে দাবি করেন বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা।এটা দুর্ভাগ্যের বিষয়। এমন ব্যবহারে আমরা আহত। পাকিস্তানে বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার সময় এসে গিয়েছে। দরকার হলে চার টুকরো করে দিতে হবে পাকিস্তানকে।মঙ্গলবার কুলভূষণের স্ত্রীকে অবমাননার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেন স্বামী। কুলভূষণের সঙ্গে সাক্ষাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী এবং মা-কে যেভাবে হেনস্থা করেছে পাকিস্তান, তাকে মহাভারতের দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।

মুকুল রায়ের বক্তব চিন্তার তৃণমূল, কি বললেন তিনি জেনে নিন..

মুকুল রায় এবার ঝুলি থেকে বের করতে চান তৃণমূলের কেষ্ট-এর কেলেঙ্কারি। তাই অভিষেকের পর তাঁর নিশানা হচ্ছে অনুব্রত মন্ডল। মুকুল রায় জানিয়েছেন, ‘এবার এমন কথা ফাঁস হবে যে, তৃণমূল ওঁকে দলেই রাখবে না।’ বীরভূম তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে দাঁড়িয়েই হুঙ্কার তুলেছেন মুকুল। এবারে অনুব্রতকে একেবারে অন্য চ্যালেঞ্জ দিলেন মুকুল। মুকুল রায়ের এই চ্যালেঞ্জ শোনার পর অনুব্রতও পাল্টা চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, “মুকুল রায় বীরভূমে এলেই ৪০ হাজার লোক দিতাম। আগে এই জেলায় আসে সেইরকম সমাগম করে দেখান, তারপর তো যুদ্ধ জয় করবেন।”
রবিবার সাঁইথিয়ার জনসভায় তিনি অনুব্রতকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এখানকার তৃণমূল জেলা সভাপতি শুধু বড়ো বড়ো কথাই বলেন। আমি আজ ওঁকে নিয়ে একটি কথাও বলবো না। বলবো, কিন্তু পরের মিটিংয়ে।” মুকুল অনুব্রতর নাম একবার উচ্চারণ করেননি। কিন্তু তাঁর নিশানায় যে অনুব্রত মন্ডলই রয়েছেন তা তিনি কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন।মুকুল রায় জোর গলায় বলে গেলেন, “পরের মিটিংয়ে এমন একটি তথ্য ফাঁস করবি যে ওঁর পদটাই আর থাকবে না। হয় ওঁকে দল সরিয়ে দেবে, আর সেটা না হলে ও নিজেই দল থেকে সরে যেতে বাধ্য হবে। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম।”
তিনি আরও বললেন, “অনুব্রত বলেছিলেন, এই জেলার একটি আসনেও বিজেপি প্রার্থী দিতে পারবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, অন্য জেলায় না হোক এই জেলা পরিষদ বিজেপি দখল করবেই। সাধ্যি থাকলে আটকে দেখান।”

রাহুল গান্ধীর মন্দিরে যাওয়া নিয়ে মুখ খুললেন যোগিজি।দেখুন সেই ভাইরাল ভিডিও..

যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই কিন্তু তাই বলে  তিনি গোরখপুরের মঠ যাওয়া বন্ধ করেননি।এখনও সুযোগ পেলেই চলে যান গোরক্ষপুর যেখানে তিনি মন্দিরে সময় কাটান।যোগিজির এর গোরক্ষপুর যাওয়া নিয়ে ajtak এর একটি ইন্টার্ভিউতে প্রশ্ন তোলা হলে যোগিজি এমন জবাব দেন যাতে দর্শকগনদের মধ্যে তালি শুরু হয়ে যায়।যোগিজির এই ইন্টারভিউ এ উনাকে নানা রকম পেঁচালো প্রশ্ন করা হচ্ছিলো কিন্তু যোগিজি খুবই পারদর্শিতার সাথে প্রশ্নের উত্তর দেন।যোগিজিকে এ বলা হয় উনি রহুল গান্ধী এখন বিজেপির দেখা দেখি খুব মন্দিরে যাচ্ছে ,এই বিষয়েও যোগিজি দারুণভাবে উত্তর দেন যার জন্য স্টুডিওতে উপস্থিত মানুষজন যোগিজিকে সর্মথন করার জন্য হাততালি দেয়।এমনকি তিনি রাহুল গান্ধীকেও  এক্সপোজ করেন।ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে।দেখুন সেই ভিডিও-

পাকিস্তান কুলভূষণের মা ও স্ত্রীকে অপমান করায় , ভারত দিল তাদের কড়া জবাব !!

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, কুলভূষণের মা ও স্ত্রীয়ের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক বিশ্বাসকে সাংঘাতিক ভাবে আঘাত করেছে পাকিস্তান। সাক্ষাৎকারের আগে তাঁদের বাধ্য করা হয়েছে মঙ্গলসূত্র এবং বালা খুলে ফেলতে। কপালের টিপ খুলে ফেলতেও বাধ্য করা হয়েছে।যে পোশাক পরে তাঁরা গিয়েছিলেন, সেই পোশাকেও আপত্তি জানানো হয়েছে।পোশাক বদল করে কুলভূষণের মুখোমুখি হতে দেওয়া হয়েছে অবন্তী এবং চেতনকুলকে।

কুলভূষণের মা নিজের ভাষাতে কথা বলতে চান তাই তিনি ছেলের সঙ্গে মাতৃভাষাতেই কথা বলার চেষ্টা করছিলেন। বার বার তাতে বাধা দেন পাক কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত থামিয়েই দেওয়া হয় অবন্তী যাদবকে, আর কথা বলতে দেওয়া হয়নি।কুলভূষণ যাদবের মা অবন্তী যাদব এবং স্ত্রী চেতনকুলকে সোমবার সরাসরি কুলভূষণের মুখোমুখি হতে দেওয়া হয়নি। কাঁচের দেওয়ালের দু’পাশে মুখোমুখি বসানো হয়েছিল তাঁদের। ইন্টারকমের মাধ্যমে কথা বলতে হয়েছে। মিনিট ৪৫-এর সাক্ষাৎকারে সারাক্ষণই কুলভূষণকে এবং তাঁর মা ও স্ত্রীকে ঘিরে ছিলেন পাক প্রশাসনিক কর্তারা। নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলতে দেওয়া হয়নি তাঁদের।আসলে পাকিস্তান এই মিথ্যে ঘটনা কি করে লোকাবে সেটাই ভাবছে তার।ভারতের মানবিকতার ফায়দা লুটছে পাকিস্তান,এই মানবিকতার অঙ্ক শেষ হবার পর এখুন ভারত আর চুপ থাকবে না সেটা কড়া জবাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে বুঝিয়ে দিয়েছে,পাকিস্তানকে পাকিস্তানের ভাষায় জবাব দিতে হবে আর এখন ভারত সরকার সেই দিকে এক বড়ো পদক্ষেপ নিতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি।

ক্রিকেটার কাইফ বড়দিন পালন করেছিলেন , আর তারপর উনার সাথে যা হলো জানলে আপনিও রেগে যাবেন।

ধর্মনিরপেক্ষতার দেশ ভারতবর্ষে সকল ধর্মের মানুষ সব উৎসবকেই শ্রদ্ধা করে এবং পারলে আনন্দউৎসবে যোগদান করেন।এই চিন্তা ভাবনা নিয়েই ক্রিস্টমাস পালন করছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার মোহম্মদ কাইফ।নিজের স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে বেশ ভালোভাবেই ক্রিস্টমাস দিনের আনন্দউপভোগ করছিলেন মোহম্মদ কাইফ। নিজের বাড়িতে ক্রিস্টমাস এর জন্য ক্রিসমাস ট্রি, ক্রিস্টমাস উপহার দিয়ে সাজিয়েছিলেন কাইফ।এমকি নিজে সান্তা টুপি পরে সপরিবারে ছবিও তুলেছিলেন কাইফ এবং সেই ছবি ছেড়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবি ছাড়ার সাথে সাথে ইসলাম কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়তে হয় মোহম্মদ কাইফকে।একাধিক জন কট্টরপন্থীর দাবি ক্রিসমাস উৎসব পালন করে ইসলাম বিরোধী কাজ করেছেন কাইফ।অনেকে প্রশ্ন করে বলেছেন কাইফ নাকি যীশুকে আল্লাহর থেকে এগিয়ে রেখেছেন ।

একজন বলেছেন  মুসলিম টুপির পরিবর্তে তার মাথায় শান্তার টুপি শোভা পাচ্ছে! যদিও কিছু জন কাইফের সমালোচনা ছেড়ে তার সুনাম করেছেন।অনেকে বলেছেন,কাইফ ক্রিস্টমাস পালন করে একজন ভালো মানুষের পরিচয় দিয়েছেন।

তবে এই প্রথমবার নয় এর আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সূর্য প্রণাম এর ছবি পোস্ট করে কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে।সমালোচণা করে অনেকে বলেছিল সূর্য প্রনাম ইসলাম বিরোধী।শুধু তাই নয় ছেলের সাথে দাবা খেলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়ে হেনস্থা হতে হয়েছিল কাইফকে।কট্টরপন্থীদের দাবি ছিল দাবা খেলা ইসলামে হারাম।প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে এইরকম মানসিকতা নিয়ে কিভাবে এগোবে ভারতবর্ষ।কোথায় ধর্মনিরপেক্ষতা?

হিন্দুত্ববাদীরা গেরুয়া পতাকা তুলে দেখালো আসাউদ্দিন ওয়েসীর বাড়িতে | দেখুন ভিডিও ।

কিছুদিন আগেই এ আই এইম আই এর প্রেসিডেন্ট একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন।তিনি বলেছিলেন ইনশা আল্লাহ,আমাদের সবুজ রঙের কাছে কোনো রং টিকবে না। শুধু গোটা দেশ সবুজ আর সবুজ হবে।সবুজ বলতে তিনি ইসলামের রংকে বুঝিয়েছিলেন।এইরকম উস্কানি মূলক মন্তব্য করার পর থেকে প্রতিবাদ করেন নেটিজনেরা।এমনকি মামলাও করা হয় উনার বিরুদ্ধে।অনেকে বলেছেন আসাউদ্দিন হিন্দুস্থানকে পাকিস্তান বা বাংলাদেশ তৈরী করার কথা ভাবছে। আসাউদ্দিম ওয়েসির বিতর্কিত মন্তব্যের পর এক দল হিন্দু সংগঠন উনার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানতে উনার বাড়ির সামনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান এবংভারত মাতার জয় ও জয় শ্রী রাম স্লোগান দেন।দেখুন সেই ভিডিও-


Breaking – ভারতীয় সেনা করল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক পার্ট – 2 | কিভাবে জানেন ?…

সম্প্ৰতি পাকিস্তানী সেনারা কাপুরুষের মতো আমাদের ৪ জন ভারতীয় সেনাকে হত্যা করেছিল।তারই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল ভারতীয় সেনারা।রবিবার সকালে ভারতীয় চেকপোস্টের দিকে তাক করে থাকা এক পাকিস্তানি উড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা।কিন্তু তখন শান্ত হয়নি ভারতীয় সেনারা।তাই সেনারা কাল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে পাকিস্তানী সেনাদের উপর।

জানা গেছে ভারতীয় সেনারা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য Loc পেরিয়ে ৬ জন পাকিস্তানী সেনাকে হত্যা করে এবং ৫ জন পাকিস্তানী সেনাকে আহত করে।পাকিস্তানী মিডিয়া ইন্টার সার্ভিস রিলেসন পক্ষ থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।যদিও পাকিস্তানী সেনার বক্তব্য, ৬ জন নয় ৩ জন সেনা নিহত হয়েছে এবং ১ জন সেনা আহত হয়েছে।এই ঘটনাটি ঘটেছে ঠিক সেই সময় যখন কুলভষণ এর পরিবার কুলভূষণের সাথে দেখা করে রওনা দিছিলেন।পাকিস্তানের এক অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে খবর রাওয়ালকোটের চাকরি সেক্টরে সোমবার ফায়ারিং হয়।এই ঘটনাকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক২ বলে অবিহিত করা হচ্ছে ,কারণ আবারও পাকিস্তানের ঘরে ঢুকেই পাকিস্তানকে মার দিলো ভারত।

Design a site like this with WordPress.com
Get started