তাহলে কি এক নতুন যুগের শুরু, ভারতীয় নোটে নেতাজির ছবি ,পড়ুন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি !

নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনকে দেশপ্রেম দিবস বলে ঘোষণা করা  এবং ভারতীয় নোটে সুভাষ চন্দ্র বসুর ছবি রাখা হোক,এই স্বপ্ন বহুদিন থেকে দেখে আসছে ভারতীয়রা। এবার সেই স্বপ্ন পূরণের আশা পাওয়া গেছে কেন্দ্র সরকারের কাছে থেকে,এমনটাই জানালেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্য চন্দ্র কুমার বসু।জানা গেছে শুক্রবার দিন চন্দ্রকুমার বসু এবং উনার স্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে দেখা করতে যান।ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করেন চন্দ্রকুমার বসু।প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনার পর তিনি জানান ২৩ জানুযারিকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে ঘোষণা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে।চন্দ্রকুমার বসু বলেন বর্তমানের সরকার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে খুব অনুভূতিশীল ।বর্তমান সরকার সুভাষ চন্দ্র বসুর জীবন এবং উনার বিপ্লবী কর্মকান্ড বিষয়ে মানুষকে জানাতে খুবই আগ্রহী।

চন্দ্রকুমার বসু বলেন, “২৩ শে জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিবস।নেহেরুর জন্মদিন যদি শিশু দিবস হয়ে থাকে,রাধাকৃষনানের জন্মদিন যদি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়,সর্দার বল্লব ভাই প্যাটেল এর জন্মদিন যদি একটা দিবস হিসেবে পালন করা হয়,তাহলে নেতাজির জন্মদিন কেন দেশপ্রেম দিবস হিসেবে পালিত হবে না?” তিনি আরো বলেন যে এই দাবি কংগ্রেস সরকারের আমলেও করা হয়েছিল,কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ এই দাবি খারিজ করেন।চন্দ্রকুমার বাবু জানান ,আগামী ২৩ শে জানুয়ারি দেশজুড়ে পালিত হবে ১২১তম জন্মবার্ষিকী।তাঁর আগেই নেতাজির জন্মদিনকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় নোটে সুভাষ চন্দ্র বসুর  ছবি রাখা নিয়েও কেন্দ্র সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রকুমার বসু।তবে এইসবে অনেক আইনি পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়,তাই একটু ধর্য্য ধরার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী। তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী তিন তালাকএর বিষয় নিয়ে খুব চিন্তিত কারণ  বিলটি লোকসভায় পাস হলেও রাজ্য সভায় আটকে গেছে।এখন বিলটি সিলেক্ট কমিটির হাতে গেছে বিলটি।এত চিন্তার মধ্যে থাকা সত্ত্বেও খুব মনোযোগ সহকারে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি শুনেছেন বলে জানিয়েছেন চন্দ্রকুমার বাবু।

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারী মামলায় শেষ পর্জন্ত সাজা ঘোষণা হলো লালুর বিরূদ্ধে।জানেন কি সাজা হলো লালু প্রসাদ যাদবের?

প্রায় ২২ বছর আগের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় সাজা ঘোষণা করলো রাঁচির সিবিআই আদালত।পর পর তিন দিন সাজা ঘোষণা পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে লালুপ্রসাদ যাদব সহ বাকিদের বিরুদ্ধে সাজা শোনালো আদালত।পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় লালু প্রসাদের ৩ বছর জেল এবং ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।রাঁচির বীরসামুন্ডা সংশোধনাগার থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধমে এই সাজা শোনানো হয়েছে।যদিও এখনো পশুখাদ্য মামলায় আরো ৩ তিনটি ট্রায়াল চলছে।লালু সহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে  ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ এর মধ্যে দেওঘরএর বিশেষ ট্রেজারি থেকে ৮৯.২৭ লক্ষ টাকা লুটপাটের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।সেই ভিত্তিতেই লালুকে সাজা দিলো আদালত। এর আগে আদালতে লালুর আইনজীবি তার মক্কেলের বয়সের কথা মাথায় রেখে আদালতের কাছে নূন্যতম সাজার আবেদন করেন।
24 ghanta

মাসে ৭০ লক্ষ ঘুষ, এই তিন সেবি কর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু সিবিআইয়ে দেখুন..


সারদা কাণ্ডে তদন্তে সিবিআইয়ের স্ক্যানারে এবার তিন সেবি কর্তা। অভিযোগ, সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে মাসে ৭০ লক্ষ টাকা করে ঘুষ নিতেন ওই আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে চেয়ে সেবি-র চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে সিবিআই।


তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে, সে সময় কলকাতায় সেবি-র অফিসের তিন কর্তার উপরে দায়িত্ব বর্তায় নজরদারির। তাঁরা খোঁজখবরও নিতে শুরু করেন। পরে সিবিআইকে লেখা চিঠিতে সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন অভিযোগ করেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তা নীতু ওরফে দেবব্রত সরকার সেবি-র বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ করার জন্য মাসে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা করে টানা ১৫ মাস সুদীপ্তর থেকে টাকা নেন। পরে নীতুকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তিনি এখন জামিনে মুক্ত।

সরকারি লোগো নিয়ে মমতার বিরুদ্ধে এক গোপন তথ্য ফাস করলেন মুকুল রায় ..

গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বানার্জী সরকারি লোগো প্রকাশ করেছেন। এক নতুন লোগো শুরু হয়েছে বাংলায়, যা সরকারি সব জায়গায় এবার থেকে ব্যবহার করা শুরু হবে।আগে যেটা বিশ্ব বাংলার লোগোর চিহ্ন ছিল। সেটাতেই বিশ্ববাংলা সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লিখে নতুন লোগো তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববাংলার লোগোর সরকারি স্বীকৃতি ছিল না। 

আর সেজন্যই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন লোগো পেশ করা হল। সরকারি আধিকারিকদের দিয়ে জোর করে মিথ্যা কথা বলানো হয়েছে। এই নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। মুকুল রায় বলেছেন, চার-পাঁচ বছর ধরে বিশ্ববাংলার লোগো ব্যবহার করে সমস্ত সরকারি জায়গায় কাজে লাগানো হয়েছে।কেন তা ব্যবহার করা হল, কারা তার প্রকৃত মালিক, কাকা উপকৃত হল তা জানা প্রয়োজন। একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাতকারে মুখ খুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় তিনি বলেন সেই লোগো সরকারের নয়, কোনও ব্যক্তির ছিল। গোটা বিষয়টিতেই রহস্যের তাই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুকুল রায়।  তাঁর ইঙ্গিত মমতা বানার্জী  ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে।

দুর্গাপুর মিষ্টি উৎসব।জেনেনিন কি কি থাকছে এই উৎসবে।

শুক্রবার দুর্গাপুরে গান্ধী মোড় সার্কাস ময়দানে প্রতিবছরের মতো এই বছরও মিষ্টি উৎসবের সূচনা হয়েছে।শিল্পশহরে এই মিষ্টি উৎসব খুবই জনপ্রিয়।শুধু শিল্পশহরের মানুষই নয়,বাইরের শহর থেকেও প্রচুর মানুষ এসে ভিড় জমান এই বিশেষ মিষ্টি উৎসব। ৫ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এই উৎসব চলবে বলে জানা গিয়েছে।গীতাঞ্জলি নামের একটি সঙ্গস্কৃতিক সংস্থা এই মেলা আয়োজন করেছে।রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মিষ্টান্ন বিক্রেতারা নানান মিষ্টির সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছেন দুর্গাপুরের এই সুন্দর মেলায়।কৃষ্ণনগরের সরপুরিয়া,বেলিয়াতরের মেচা ,জয়নগরের মোয়া,বর্ধমানের সীতাভোগ, মিহিদানা,বড়জোড়ার মন্ডা,চন্দননগরের জলভরা সহ নানান মিষ্টান্ন নিয়ে হাজির হয়েছেন বিক্রেতারা।শুধু বাইরের বিক্রেতারাই নয়,প্রতিবেশি শহর আসানসোল,রাণীগঞ্জ,চিত্তরঞ্জনের নামী মিষ্টান্ন বিক্রেতারাও থাকছেন এই মেলায়।

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা নানা রকম পিঠেপুলি নিয়ে হাজির হয়েছেন দুর্গাপুরের এই মিষ্টি উৎসবে।শুধু মিষ্টি দেখা বা খাওয়া নয়।

একই সাথে সন্ধে বেলা আগত মানুষদের মনোরঞ্জনের জন্য থাকছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।এই উৎসবের আইয়োজনকারী গীতাঞ্জলি সংস্থা জানিয়েছে, শিল্পনগরীর মানুষের থেকে খুব ভালো সাড়া পাওয়া যায় এই মেলায়।তাছাড়া বিভিন্ন জেলার নামীদামি মিষ্টি কেউই হাতছাড়া করতে চান না আর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকলে তো   দারুন ব্যাপার।

মমতা ব্যানার্জী কেন প্রবাসী বাঙালি ও অসমিয়াদের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন ?

ভারতের বাংলাদেশ লাগোয়া কিছু অঞ্চলে অবৈধভাবে প্রচুর পরিমানে বাংলাদেশী ঢুকে পড়েছে  এবং ভোটব্যাংকের লোভে কিছু মতলবী নেতারা তাদের ভোটার কার্ড,পান কার্ডের ব্যাবস্থাও করে দিচ্ছিল।এমত অবস্থায় বিজেপি সরকার অসমে বাংলাদেশীদের চিহ্নিতকরণের কাজ চালাচ্ছে সুপ্রিমকোর্টের তত্ত্বাবোধন।সরকারের এই  কাজের সমালোচনা করে মমতা ব্যানার্জী এমন কথা বলেন যা থেকে রাজনৈতিক মহল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।আসলে মমতা ব্যানার্জী বলেন- বাঙালিদের অসম থেকে চক্রান্ত করে বের করার চেষ্টা করছে।এরপর থেকেই প্রতিবাদে ঝড় উঠে রাজনৈতিক মহল এবং সোশ্যাল মিডিয়ায়।অসমে মমতার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়।মমতা ব্যানার্জীর কুশপুতুলও পোড়ানো হয়েছে নানা জায়গায়।

অনেক বলেন, বাঙালি আর বাংলাদেশী দুটোই কি এক মনে করেন মমতা ব্যানার্জী ! অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী  তরুণ গৈগর বলেন, মমতার মন্তব্যকে আমি মোটেও সমর্থন করতে পারছি না।এমনকি অসমে বাঙালি সংগঠন গুলি মমতার সমালোচনা করে বলে, ‘অসমে বহু বছর ধরে অসমীয়া এবং বাঙালিরা শান্তিতে আছেন।মমতা ব্যানার্জী এখন সম্প্রদায় এর বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন।’

জিহাদি কট্টরপন্থীদের জেরে পোস্ট ডিলিট করতে বাধ্য হলে শামী ,কারণ জানলে অবাক হবেন।

কিছুদিন আগেই বড় দিন উৎসব পালনের জন্য মোহম্মদ কাইফকে কট্টর মৌলবাদীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল।এবারও নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য কট্টর পন্থীদের রোষের মুখে পড়তে হলো মোহম্মদ শামিকে।বর্তমানে দেশের মানুষ নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তা জানানোর জন্য বেছে নেন সোশ্যাল মিডিয়াকে।সব সাধারণ মানুষের মতোই মোহম্মদ শামিও নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাতে পোস্ট করেছিলেন টুইটারে ।কিন্তু পোস্ট করা মাত্র মৌলবাদীদের চাপে পড়ে পোস্ট ডিলেট করতে বাধ্য হন মোহম্মদ শামি।মোহম্মদ শামির যে ছবি পোস্ট করেছিলেন তাতে শিবলিঙ্গের উপর সুন্দর ভাবে ফুল দিয়ে সাজিয়ে ২০১৮ লেখা ছিল।

যা দেখে রোষে ফেটে পড়েন কট্টর মুসলিম মৌলবাদীরা।ফইজল খান নামে এক ব্যাক্তি বলেন,’নতুন বছরের শুভেচ্ছা দিলেন ঠিক আছে,তাই বলে শিবলিঙ্গকেও নিজেদের করে নিলেন।’ইনাম পাঠান নামের এক ব্যাক্তি টুইট করে খুব বাজে ভাষায় কটাক্ষ করেন মোহম্মদ শামিকে।শেষ পর্যন্ত চাপে পড়ে পোস্ট ডিলেট করতে বাধ্য হন তিনি।মনুষ্যত্বকে ধর্মের উপরে রেখে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন উদার মোহম্মদ শামি।কিন্তু তাঁর এই উদারতার জন্য যে এইভাবে তাকে হেনস্থা হতে হবে, তা কখনোই ভাবেননি মোহম্মদ শামি।

তৃণমূলের উপর আবারও এক বড়ো চাপ।জরিমানা দাবি আয়কর দপ্তরের।

দলীয় তহবিলের উৎস ঠিকমতো দেখাতে না পারার অভিযোগ তুলে তৃণমূলের কাছে ৭০ লক্ষ টাকা জরিমানা দাবি করল আয়কর দফতর।২০১০-’১১ সালের আয়কর রিটার্নের ভিত্তিতেই এই জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। সেই টাকা মেটানো হবে, না আইনি পরামর্শ নেওয়া হবে তা অবশ্য দল এখনও ঠিক করেনি।তৃণমূলের কাছে ২০১০-’১৪ সাল পর্যন্ত দলীয় তহবিলের হিসাব চেয়েছিল আয়কর দফতর। এর মধ্যে গত লোকসভা ভোটের সময় প্রচার খাতে ২৪ কোটি টাকা খরচের হিসাবও রয়েছে।মমতার আঁকা ছবি বিক্রি থেকে সংগৃহীত টাকা দলীয় তহবিলে রাখা হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল দলীয় মুখপাত্র বিক্রির টাকাও। সেই টাকাতেই দল ভোটের খরচ চালিয়েছিল। সেই সংক্রান্ত হিসাব না পাওয়ার বিষয়ে মুকুলকেই দায়ী করতে চায় তৃণমূল।যদিও বিশেষজ্ঞও দের দাবি মুকুল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার জন্যই তাঁর উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

কেন্দ্রের সাহায্যে বাংলাকে নতুন পরিচয় দিলেন মমতা বানার্জী,শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন..

এদিন বিশ্ববাংলা লোগোর উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। স্বাধীনতার ৭০ বছর পর আমরা নিজস্ব প্রতীক পেলাম।মুকলের কুরুক্ষেত্র-যুদ্ধে জল ঢেলে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁকা বিশ্ববাংলা লোগোকে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্বীকৃতিতে স্বাধীনতার ৭০ বছর পর নিজস্ব প্রতীক পেল বাংলা। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলেন রাজ্যের সরকারি প্রতীক বিশ্ববাংলা লোগোর। এখন থেকে অশোক স্তম্ভের সঙ্গে বিশ্ববাংলার লোগোও ব্যবহার হবে সরকারি নথিপত্রে। প্রত্যেক রাজ্যেরই একটা নিজস্ব পরিচয় থাকা উচিত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক স্বীকৃতি দেওয়ার পর রাজ্যের মুকুটে একটা নতুন পালক যুক্ত হল। এবার লক্ষ্য বাংলার নাম পরিবর্তন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজ্যের নিজস্ব প্রতীক থাকার বিষয়টি আগের কোনও সরকারই ভাবেনি। আমরা ভেবেছি, আবেদন করে তাঁর স্বীকৃতিও আদায় করে নিতে সমর্থ হয়েছি, এটা একটা শুভ মুহূর্ত। এখন থেকে সরকারি কাজে রাজ্যের আলাদা লোগো ব্যবহার করা হবে। অশোকস্তম্ভের পাশে থাকবে বিশ্ববাংলা লোগোও।’

source

আয়কর জরিমানা তৃণমূলের,দোষী মুকুল তারপর জানুন..

দলীয় তহবিলের উৎস ঠিকমতো দেখাতে না পারার অভিযোগ তুলে তৃণমূলের কাছে ৭০ লক্ষ টাকা জরিমানা দাবি করল আয়কর দফতর।২০১০-’১১ সালের আয়কর রিটার্নের ভিত্তিতেই এই জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। সেই টাকা মেটানো হবে, না আইনি পরামর্শ নেওয়া হবে তা অবশ্য দল এখনও ঠিক করেনি।তৃণমূলের কাছে ২০১০-’১৪ সাল পর্যন্ত দলীয় তহবিলের হিসাব চেয়েছিল আয়কর দফতর। এর মধ্যে গত লোকসভা ভোটের সময় প্রচার খাতে ২৪ কোটি টাকা খরচের হিসাবও রয়েছে।মমতার আঁকা ছবি বিক্রি থেকে সংগৃহীত টাকা দলীয় তহবিলে রাখা হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল দলীয় মুখপাত্র বিক্রির টাকাও। সেই টাকাতেই দল ভোটের খরচ চালিয়েছিল। সেই সংক্রান্ত হিসাব না পাওয়ার বিষয়ে মুকুলকেই দায়ী করতে চায় তৃণমূল।

source

Design a site like this with WordPress.com
Get started