JNU এর উপদ্রবী ছাত্ররা ভেঙে দিল স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি! ভাঙা মূর্তির উপর লিখলো অভদ্র শব্দ।

দেশ বিরোধী শ্লোগানবাজির জন্য JNU প্রায় সময় খবরের শিরোনামে থাকে। আর এখন আবারও JNU ছাত্রছাত্রীদের উপদ্রব সামনে এসেছে। প্রথমে JNU তে অযোধ্যা মামলার বিরোধ করে ছাত্র ছাত্রীরা উপদ্রব করেছিল। এরপর মানুষের bartaman patrika সমালোচনার মুখে পড়তেই সেই বিরোধ ঘুরে যায় হোস্টেল ফি বৃদ্ধি নিয়ে। JUN তে মাত্র ১০ টাকা ২০ টাকা ফি দিয়ে ফ্রীতে খাওয়া দাওয়া, ঘোরা ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে। সেই ফী সামান্য বৃদ্ধি করার কথা উঠলে JUN ছাত্র ছাত্রীরা উৎপাত শুরু করে দেয়।

আর এখন JNU থেকে যে খবর আসছে তা খুবই লজ্জাজনক। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, JNU ক্যাম্পাসে থাকা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভেঙে দিয়েছে উৎপাতকারীরা। নিউজ এজেন্সি ANI এর অনুযায়ী, উৎপাতকারীরা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির উপর ইট, পাথর ছুঁড়তে থাকে। শেষমেষ মূর্তিকে ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর ক্যাম্পাস কর্তৃপক্ষ মূর্তিকে ঢেকে রেখেছে। ঘটনাটিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ।

মূর্তি ভাঙার সাথে সাথে মূর্তির উপর অভদ্র শব্দ লিখে দেওয়া হয়। স্বামী বিবেকানন্দের এই মূর্তিটি জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রশাসনিক ব্লকের ডানদিকে এবং এর ঠিক সামনে রয়েছে জওহরলাল নেহেরুর একটি মূর্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্লকে কয়েকজন শিক্ষার্থী উপাচার্যের সাথে দেখা করতে তখন সেই ঘটনা ঘটে। ফি বৃদ্ধি নিয়ে কিছু ছাত্রছাত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দ এর মূর্তির সামনে উপস্থিত হয়েছিল। এরপর সেই উপদ্রবকারীরাই স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রশাসনিক ব্লকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের সাথে দেখা করতে আসলে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সেখানে অন্য কোনও আধিকারিককে না পেয়ে , তারা উপাচার্যের অফিসের কাছে দেয়ালে অভদ্র ভাষায় লেখা লেখি করে।

from India Rag https://ift.tt/2qqAMSB

বড় খবরঃ ১৫ জন বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে

ওয়েব ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্ট থেকে উপ নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার ১৭ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। কর্ণাটকের বিজেপির হেড কোয়ার্টারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই বিক্ষুব্ধ sangbad pratidin বিধায়কেরা দলে যোগ দেন। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের হাতে পতাকা তুলে দেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা এবং কর্ণাটক বিজেপির সভাপতি নলিন কুমার।  আগামী পাঁচ ডিসেম্বর ১৫ টি আসনে উপ নির্বাচন হতে চলেছে কর্ণাটকে। আর সেই উপ নির্বাচনে বিজেপি ১৩ জন প্রাক্তন বিধায়ককে টিকিট দিয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, বুধবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা শীর্ষ আদালত দ্বারা বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের উপ নির্বাচনে লড়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা আশ্বাস দেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি পাঁচ ডিসেম্বরে হওয়া উপ নির্বাচনে সমস্ত ১৫ টি আসনেই জয়লাভ করবে। উনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এর সিদ্ধান্ত প্রাক্তন বিধানসভার স্পীকার আর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিধারামাইয়ার বিরুদ্ধে এসেছে।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের পর অযোগ্য ঘোষণা হওয়া সমস্ত বিধায়ক খুশি জাহির করেন। জেডিএস এর বিধায়ক বিশ্বনাথ বলে, সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য খুব জরুরি ছিল। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। জেডিএস এর বিধায়ক বিশ্বনাথ ছাড়াও বাকি বিধায়কেরাও এই সিদ্ধান্তে নিজেদের খুশি জাহির করেন। এবং তাঁরা সবাই আগামী নির্বাচনে জয়ের দাবিও করেছেন।

বর্তমানে কর্ণাটক বিধানসভায় ২০৭ জন বিধায়ক আছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য চাই ১০৪ জন বিধায়ক। বিজেপির কাছে আছে ১০৬ জন বিধায়ক। আর জেডিএস এর কাছে ৩৪ জন বিধায়ক। এবং কংগ্রেসের কাছে ৬৬ জন বিধায়ক। কংগ্রেস এবং জেডিএস জোট করে কর্ণাটকে সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু ১৪ মাস সরকার চলার পর জেডিএস এর নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী জোট ভেঙে দেন।

from India Rag https://ift.tt/2OmxRm6

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য ২১০০ কেজির বিশালাকার পিতলের ‘ঘণ্টা” তৈরি করছে মুসলিমরা

অযোধ্যাঃ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফ থেকে রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে সিদ্ধান্ত শোনানোর পর, একদিকে যেমন অযোধ্যাতে মন্দির বানানোর কাজ শুরু হওয়ার দিকে, তেমনই অন্যদিকে মন্দিরের জন্য প্রয়োজনীয় sangbad সামগ্রীও প্রস্তুত করার কাজ চলছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অযোধ্যায় নির্মাণ হওয়া রাম মন্দিররের জন্য ‘এটাহ” (Etah) এর পিতল নগরীর নামে পরিচিত জলেসরে ২১০০ কেজির ঘণ্টা বানানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাম মন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আসার আগেই এই ঘণ্টা বানানোর অর্ডার দেওয়া হয়েছিল।

সবথেকে বড় কথা হল, এই ২১০০ কেজির ঘণ্টা পিতলের আর এর উচ্চতা ৬ ফুট এবং চওড়ায় ৫ ফুট। এই ঘণ্টার নির্মাণ করা কারখানার মালিক, জলেসর এর নগরপালিকার চেয়ারম্যান বিকাস মিত্তল জানান, এই বিশালাকার ঘণ্টা বানানোর জন্য মুসলিম কারিগর ইকবাল সহযোগিতা করছে। ঘণ্টার ডিজাইনিং এবং মসৃণ করার কাজ মুসলিম সমাজের ভাইয়েরা করছে। এই ঘণ্টার দাম প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা।

রাম মন্দির বানানোর রাস্তা পরিস্কার হওয়ার পরেই জলেসরে ঘণ্টা বানানোর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি ঘণ্টার অর্ডার দেওয়া হয়েছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে, কারখানার মালিক শ্রমিক সংখ্যাও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাম মন্দিরের জন্য বানানো এই বিশালাকার ঘণ্টার জলেসর এবং এটাহ এর নাম খোদাই করা থাকবে। অযোধ্যায় রাম মন্দির হওয়ার পর এই ঘণ্টা দেখলেই মানুষে জানতে পারবে যে, এই ঘণ্টা কোথায় বানানো হয়েছিল।

সবথেকে বড় কথা হল, রাম মন্দিরের শোভা বাড়ানোর জন্য নির্মাণ করা এই বিশালাকার ঘণ্টায় মুসলিম সমাজের মানুষেরাও সহযোগিতা করছে। এই ঘণ্টা সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য বজায় রাখার একটি প্রতীক চিহ্ন হিসেবে বিখ্যাত হবে। কারিগর ইকবাল জানান, তিনি ৪০ বছর ধরে এই কাজ করছেন। আর রাম মন্দিরের জন্য ঘণ্টা উনিই বানাচ্ছেন।

from India Rag https://ift.tt/2r38YDQ

ইউ টার্ন নিয়ে শরদ পাওয়া বললেন, বিজেপি-শিবসেনা জোট করে লড়েছে, এবার ওঁরা নিজেদের রাস্তা বেছে নিক

নয়া দিল্লীঃ কংগ্রেসের সভাপতি সনিয়া গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করার আগে রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস পার্টির (NCP) প্রধান শরদ (Sharad Pawar) পাওয়ার anandabazar সোমবারে শিবসেনার সাথে জোট নিয়ে ইউ টার্ন নিয়ে বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি আর শিবসেনা একসাথে নির্বাচনে লড়েছে, আর এবার তাঁরা নিজের রাস্তা নিজেরাই বেছে নেবে। সংসদে মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময় পাওয়ার বলেন, ‘বিজেপি – শিবসেনা একসাথে নির্বাচনে লড়েছে। আর আমরা কংগ্রেসকে সাথে নিয়ে লড়েছি। ওঁরা নিজেদের রাস্তা বেছে নিক, আর আমরা নিজেদের মতো রাজনীতি করব।”

উনি এও বলেন যে, মহারাষ্ট্রের আগামী রণনীতির জন্য উনি আজ সনিয়া গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করবেন। কংগ্রেস সুত্র অনুযায়ী, বৈঠকে জোটের দুই দলের মধ্যে মহারাষ্ট্রে আগামী পদক্ষেপ আর বিচারধারার বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা শিবসেনার সাথে জোট করা নিয়ে চর্চা হবে। মহারাষ্ট্রে গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল।

পার্টি সুত্র থেকে জানা যায় যে, কংগ্রেস আর এনসিপি এর জন্য মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে নানারকম আলোচনা চালানো হচ্ছে। কংগ্রেস সুত্র থেকে জানা যায় যে, শিবসেনা নিজেদের কট্টর বিচারধারা ছেড়ে অনেক ইস্যুতে ধর্মনিরপেক্ষ ভাব আপন করে নিয়েছে। সুত্র জানাচ্ছে যে, এনসিপিও চায় যে, কংগ্রেস সরকারে থাকুক।

from India Rag https://ift.tt/2KzdNvz

ভারতের বড় কোম্পানির CEO করলেন মোদী সরকারের প্রশংসা, আর্থিক অবস্থা নিয়ে দিলেন বড় বয়ান anandabazar patrika

নয়া দিল্লীঃ আর্থিক অবস্থা মন্দার (Economic Slowdown) সঙ্কেতের মধ্যে টাটা স্টিল (Tata Steel) এর প্রধান কার্যকারী আধিকারিক anandabazar patrika এবং প্রবন্ধ নির্দেশক টি ভি নরেন্দ্রন (TV Narendran) বড় বয়ান দিলেন। উনি বলেন, আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য সরকার দ্বারা নেওয়া কিছু পদক্ষেপের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। উনি বলেন, অটো সেক্টরে (Auto Sector) কিছুটা মন্দা আছে, কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রের অবস্থা স্বাভাবিক।

 
TV Narendran

উল্লেখনীয়, অটো সেক্টরে বিগত কয়েকমাস ধরেই মন্দা দেখা দিয়েছে। গাড়ি বিক্রি বিগত কয়েক মাসে অনেক কমেছে। কিন্তু অক্টোবর মাসে একটু ভালো চিত্র দেখা গেছে অটো সেক্টরে। টাটা স্টিলের তরফ থেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে টি ভি নরেন্দ্রনকে আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, দেশের আর্থিক অবস্থা স্বাভাবিক আছে। সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও উনি বলেন, অটো সেক্টরে সামান্য খারাপ অবস্থা চলছে। কিন্তু অন্যত্র সব ঠিক আছে।

প্রসঙ্গত, অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন মন্দা শেষ করতে অনেক কয়েকটি বড় ঘোষণা করেছেন। কর্পোরেট করে অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে। বড় ব্যাংক গঠনের জন্য কয়েকটি ব্যাঙ্কের বিলয় এবং এনবিএফসি খাতে স্বস্তি দেওয়ার জন্য পদক্ষেও নিয়েছে। এছাড়াও রিয়েল এস্টেটে আটকে থাকা প্রকল্প গুলো সম্পূর্ণ করার জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার ঘোষণা করেছেন।

এর আগে টি ভি নরেন্দ্রন বলেন, আমরা প্রতি বছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। এই বছর ১৮০ টির বেশি আদিবাসি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। উনি বলেন, টাটা স্টিলের এই মঞ্চ আদিবাসি সম্প্রদায়কে তাঁদের বক্তব্য রাখার অধিকার দেয়। নরেন্দ্রন আশা করে বলেন যে, এই সন্মেলন আদিবাসিদের সমস্যা গুলোর সমাধান করার সাহায্য করবে।

from India Rag https://ift.tt/2XpqkH0

মোঘলদের দেওয়া আগ্রা নাম পালটে ‘আগ্রাবান” করতে চলেছে যোগী সরকার

লখনউঃ যোগী আদিত্যনাথ এর আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, anandabazar patrika today মোঘলদের দেওয়া নাম তিনি পাল্টাবেন। তিনি সংসদ থাকাকালীন বলেছিলেন যে, মোঘলরা রাজত্ব করার সময় হিন্দু জায়গা গুলোর নাম পাল্টে মুসলিম নামে রেখেছিল। আর আই সেই জায়গা গুলোর নাম এবার পরিবর্তন করা উচিত। এটাই প্রথম না যে, যোগী সরকার নাম পরিবর্তন করতে চাইছে। ক্ষমতায় আসার পর এর আগেও বেশ কয়েকবার রাজ্যের কয়েকটি যায়গার নাম পাল্টেছে যোগী সরকার।

এবার যোগীর টার্গেট বিশ্ব বিখ্যাত তাজমহলের শহর আগ্রা। যোগী সরকার এবার আগ্রার নাম পালটে ‘আগ্রাবান” করতে চলেছে। এই বিষয়ে আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে যোগী সরকার। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কথা অনুযায়ী, আগ্রা শহরের ঐতিহাসিক দিক গুলো খতিয়ে দেখছে বিশেষজ্ঞরা। আগ্রা নাম হওয়ার পিছনে মোঘল সম্রাটের কোন হাত ছিল কিনা? এর আগে ওই শহরের কোন হিন্দু নাম ছিল কীনা? এসবের পিছনে সম্পূর্ণ ইতিহাস জানার জন্য অধ্যাপকেরা গবেষণা চালাচ্ছে।

সুত্রের খব অনুযায়ী, অনেকেরই বিশ্বাস যে আগ্রাবান নাম পালটে মোঘলরা আগ্রা নাম করেছিল। মোঘল সাম্রাজ্যের দেওয়া এই নাম পালটে আবার পুরনো নাম ফেরত দিতে চাইছে যোগী সরকার। এর আগে উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদের নাম পালটে ‘প্রয়াগরাজ” করেছিল যোগী সরকার। এরপর মুঘল সরাই স্টেশনের নাম পালটে ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়” করেছিল যোগী সরকার। তাই এবার যোগীর ইচ্ছেমোট আগ্রার নাম পালটে আগ্রাবান হতে হয়ত আর বেশিদিন সময় লাগবেনা।

from India Rag https://ift.tt/2Om6cl3

আমেরিকা এখন যেটা করতে চাইছে, সেটা আমরা পাঁচ বছর আগে দিল্লীতে করে দিয়েছিঃ কেজরীবাল

নয়া দিল্লীঃ আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী বর্ণি স্যান্ডার্স (Bernie Sanders) কিছুদিন আগেই ট্যুইট করে কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন eisamay। ওই প্রতিশ্রুতিতে দুর্ঘটনা বিমা এর স্বাস্থ সম্বন্ধীয় খরচের উল্লেখ ছিল। বর্ণি স্যান্ডার্স ওই ট্যুইটের পর দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) ট্যুইট করে বলেন, আমেরিকার দল গুলো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে, তাঁরা যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে এই কাজ গুলো সম্পূর্ণ করবে। আমরা সেই সব কাজ দিল্লীতে গত পাঁচ বছরে আমেরিকার (America) আগেই করে ফেলেছি।

অরবিন্দ কেজরীবালের কথা অনুযায়ী, কোন দুর্ঘটনা গ্রস্ত ব্যাক্তিকে হাসপাতালের বিল শোধ করা জন্য চিন্তা করতে হবেনা। ক্যান্সারের চিকিৎসা করার জন্য আর কাউকে ঘর বাড়ি বিক্রি করতে হবেনা। গুরুতর অসুস্থ ব্যাক্তিকে আর কোন ঋণের বোঝা ওঠাতে হবেনা। আমরা সমস্ত পুরনো বকেয়া মেডিকেল ঋণ খতম করব এবং সবাইকে স্বাস্থ পরিষেবা দেব।

আরেকদিকে কেজরীবাল সরকার অক্টোবর মাসে ফরিশতা দিল্লী প্রকল্প শুরু করেছে। এই প্রকল্প অনুযায়ী, দিল্লীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যাক্তিদের আর হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হবেনা। এর সাথে সাথে বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা ক্যাশলেস মানে কোন প্রাথমিক চার্জ জমা করা ছাড়াই করা হবে। এই প্রকল্প শুধুমাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য।

এছাড়াও অরবিন্দ কেজরীবাল সরকার দিল্লীতে মহল্লা ক্লিনিক প্রকল্প শুরু করেছি। এই প্রকল্প অনুযায়ী, দিল্লীর মানুষদের সমস্ত স্বাস্থ পরিষেবা একটি প্যাকেজের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

from India Rag https://ift.tt/2CSu4r9

পিঁয়াজের সঙ্কটে ভুগছে গোটা বাংলাদেশ, সেই কারণে খাওয়া ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকাঃ ভারতের অনেক জায়গায় পেঁয়াজের দাম মানুষের চোখ দিয়ে জল বের করে দিয়েছে। বর্তমানে দেশে এখন পিঁয়াজের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি হয়েছে। আর ভারতের প্রতিবেশী দের বাংলাদেশেও পিঁয়াজের দাম বেশ বেড়ে গেছে। বাংলাদেশের পিঁয়াজের দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) নিজের মেনু থেকে পিঁয়াজ বাদ দিয়ে দিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। পিঁয়াজের সঙ্কট মেটানোর জন্য উনি হাওয়াই মার্গে পিঁয়াজ আমদানি করতে চাইছেন। Ei samay বাংলাদেশের পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল ভারত। আমাদের দেশে পিঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ পাকিস্তান সহ সমস্ত দেশেই পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার আদেশ দিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। ভারতে অতি বৃষ্টির কারণে পিঁয়াজের ফসল খারাপ হয়ে যায়। আর সেই কারণে সেপ্টেম্বর মাস থেকে ভারত অন্য দেশে পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার রবিবার জানান, আকাশ পথে বাংলাদেশের পিঁয়াজ আনা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর আবাসে বিভিন্ন রকম ব্যাঞ্জনের মধ্যে একটিতেও পিঁয়াজ ব্যাবহার করা হয়নি। উনি জানান, পিঁয়াজের দাম এখন আকাশ ছুঁচ্ছে বাংলাদেশে।

সাধারণত বাংলাদেশে ৩০ টাকা প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়। কিন্তু এখন বাংলাদেশে প্রায় ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি পিঁয়াজ। স্থানীয় মিডিয়া অনুযায়ী, তুরস্ক, চীন আর মিশর থেকে পিঁয়াজের জাহাজ রবিবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। সরকারি সংস্থা গুলো রাজধানী ঢাকাতে ৪৫ টাকা কিলো পিঁয়াজ বিক্রি করছে। আর সেই পিঁয়াজ কেনার জন্য হাজার হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়াচ্ছেন।

from India Rag https://ift.tt/2XnJ9ut

আগামী দিনে দারিদ্রতা ঘুচিয়ে সবথেকে দ্রুত উন্নয়ন করবে ভারত, দেখবে গোটা বিশ্বঃ বিল গেটস

নয়া দিল্লীঃ নিজের ফাউন্ডেশনের কাজের সমীক্ষা করার জন্য ভারত সফরে আসা বিল গেটস ভারতকে দ্রুত গতিতে আর্থিক উন্নয়ন করার দেশ বলে আখ্যা দেন। eisamay epaper বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যাক্তি তথা মাইক্রোসফটের সহ সংস্থাপক বিল গেটস বলেন, ভারত আগামী দশকে চরম গতিতে আর্থিক উন্নয়ন করবে।

একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিল গেটস বলেন, দ্রুত গতিতে আর্থিক উন্নয়ন করে ভারত সরকার দেশ থেকে দারিদ্রতা মেটাতে পারবে। এর সাথে সাথে সরকার স্বাস্থ আর শিক্ষাতে বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে। এশিয়ার তৃতীয় ব্রিহত্তম আর্থিক অবস্থার দেশ ভারতে মন্দার প্রভাব দেখা দিয়েছে, আর বিগত কয়েকদিনে বেশ কিছু সেক্টর নিম্নমুখী। দেশের আর্থিক মন্দার সময় বিল গেটস এর এই কথা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিল গেটস বলেন, বর্তমানে কি হচ্ছে সেটা নিয়ে আমি বেশি কিছু জানিনা। কিন্তু আমি এটা বলতে পারি যে, আগামী দশক নিশ্চিত রুপে ভারতের হবে। আগামী দশকে ভারতীয় অর্থব্যাবস্থা দ্রুত গতিতে উন্নয় করবে। দ্রুত গতিতে উন্নয়ন করার মতো ক্ষমতা ভারতের কাছে আছে। উনি বলেন, এই কথা শুধু আমি না, সবাই বলবে আর মানবে।

উনি ভারতের আধার পরিচয় পত্রের সিস্টেম, আর্থিক পরিষেবা এবং ফার্মা সেক্টরের প্রশংসা করেন। উনি বলেন, আধার পরিচয় পত্রের মাধ্যমে ভারত অনেকটা এগিয়ে যাবে। ভারতে আধার আর ইউপিআই এর মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে, মানুষ এই সেবা ব্যাপক ভাবে ব্যাবহার করছে। আর এর পরিণামও আশ্চর্যজনক হবে।
আপানাদের জানিয়ে রাখি, গত শুক্রবার বিল গেটস বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যাক্তি হয়েছেন। উনি অ্যামাজন এর জেফ বেজোসকে পিছিয়ে ফেলেছেন। ওনার মোট সম্পত্তি ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৭.৮৯ লক্ষ কোটি টাকা)। বিল গেটস এখনো পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দারিদ্রতা কমানোর জন্য বিল আর মেলিন্ডা ফাউন্দেশনের মাধ্যমে ৩৫ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার দান করেছেন।

from India Rag https://ift.tt/2Kv2p40

অযোধ্যা মামলায় পুনর্বিচারের আবেদন নিয়ে দুভাগে বিভক্ত হল মুসলিম ল বোর্ড, সংঘাত এড়াতে সরানো হল বৈঠক!

লখনউঃ অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পুনর্বিচার আবেদন দাখিল করা নিয়ে মুসলিম পক্ষের বৈঠক হচ্ছে। ebela মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের (AIMPLB) এই বৈঠক সম্পন্ন হলেই, অযোধ্যা মামলায় পুনর্বিচারের আবেদন দাখিল হবে কি না, সেটা নিয়ে ঘোষণা হবে। যদিও AIMPLB এখন পুনর্বিচারের আবেদন দাখিল করা নিয়ে দুভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। AIMPLB কিছু সদস্য চাইছে যে, এই মামলা আবারও আদালতে তোলা হোক। আবার কিছু সদস্য চাইছে যে, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলা উচিত।

এর আগে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের বৈঠকের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছিল। এই বৈঠক প্রথমে নদবা কলেজে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সদস্যেরা একে একে জড় হওয়ার পর আচমকাই AIMPLB মিটিং এর জায়গা বদলে দেয়। এখন বৈঠক নদবা কলেজে না হয়ে, মুমতাজ পিজি কলেজে হচ্ছে। এই বৈঠক নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের একমাত্র মুসলিম মন্ত্রী মোহসিন রাজা প্রশ্ন তুলেছেন।

শোনা যাচ্ছে যে, মন্দির মামলায় উদার মনোভাব রাখা নাদবা কলেজের প্রোফেসর সালমান নদবির কারণেই AIMPLB বৈঠকের স্থান পালটে দেয়। নদবি সমেত অনেক কয়েকজন মুসলিম বুদ্ধিজীবী AIMPLB এর সদস্য, তাঁরা এই মামলা আবার আদালতে না নিয়ে যাওয়ার পক্ষে। এই বুদ্ধিজীবীদের অনুযায়ী, অনেকদিন আগেই মুসলিমদের ওই জমি হিন্দুদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত ছিল।

শোনা যাচ্ছে যে, যদি নাদবা কলেজে এই বৈঠক হত, তাহলে প্রফেশর সালমান নদবির সমর্থকেরা হাঙ্গামা করতে পারত। আর এই কারণে বৈঠক সরিয়ে নিয়ে মুমতাজ কলেজে রাখা হয়েছে। সাংসদ ওয়াইসি এই মামলায় কট্টর মনোভাব আপন করে নিয়েছেন। আরেকদিকে প্রফেসর সালমান নদবি সমেত অনেক কয়েকজন সদস্য উদার মনোভাব দেখাচ্ছেন।

তাঁরা এই মামলায় আগামী দিনে কোন পদক্ষেপ নিতে চাইছে না। তাঁরা চাইছে যে, সুপ্রিম কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটাকেই স্বীকার করে এগিয়ে যাওয়া হোক। মুমুতাজ কলেজ মুসলিম পক্ষের আইনিজিবি জফরইয়াব জিলানির। উনি সিদ্ধান্তের দিনই বলে দিয়েছিলেন যে, আমরা এই মামলায় সন্তুষ্ট না, আর পুনর্বিচারের আবেদন দাখিল করতে ইচ্ছুক।

from India Rag https://ift.tt/2QskHGD

Design a site like this with WordPress.com
Get started