ফের এমন ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করলো কংগ্রেস , দেখলে রেগে লাল..

মাঝে মাঝে রাজনৈতিক দল গুলি ভুলে যায় প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রী কারোর একার না,এমন অপমান করা মানে দেশকে অপমান করা তাদের সেটা ভাবা উচিত। কিছুদিন আগে কংগ্রেস সভাপতি বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে কোনো খারাপ আচরণ কংগ্রেস পার্টি করবে না আর কেউ যদি করে তাকে কংগ্রেস ক্ষমা করবে না।

এবার সেই বিতর্কে ফের কংগ্রেস দল,কংগ্রেস সভাপতিকে স্বাগত জানাতে আমেঠিতে চারিদিকে পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ। রামরূপী রাহুল বধ করছেন রাবণরূপী মোদীকে। ফের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রাবনের রূপে তৈরী করেছে কংগ্রেস।আমেঠির কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের কথায়, ২০১৯-এই আসবে রাহুলরাজ। আর সেকারণেই পোস্টারে পোস্টারে রামের অবতার নিয়েছেন রাহুল,রাজনীতি এক জায়গায় আর প্রধানমন্ত্রী তার থেকে অনেক  বড় পদ তাকে অপমান করা মানে দেশকে অপমান করা তাকে অপমান মানে সাধারণ মানুষকে অপমান করা তাকে অপমান করা মানে দেশের ভিতকে অপমান করা।

ইজরাইলের PM এর সাথে এসেছে এই ছোট্ট ছেলে , এর সাথে ভারতের সম্পর্ক জানলে আপনি চমকে উঠবেন !!

বর্তমানে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা সর্বত্র।আপনাদের জানিয়েদি ইজরায়েল এর প্রধানমন্ত্রীর সাথে এক জন বিশেষ অতিথি ভারতে এসেছেন যার সম্পর্কে সম্ভবত আপনারা জানেন না। ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী ও উনার স্ত্রীর সাথে একটা ১১ বছরের একটা ছেলেও এসেছেন ,যার সম্পর্কে জানলে আপনিও অবাক হবেন। প্রশ্ন উঠেছে এই বাচ্চাটা কে? কেনই বা বেঞ্জামিন নেতায়াহু ওই বাচ্চাকে ভারত সফরে এনেছেন? আপনাদের জানিয়ে দি যে বাচ্চাটা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে এসেছেন  তার মা বাবা ২০০৮ এর মুম্বাই জঙ্গি হামলায় মারা যায়। ছেলেটির নাম ল্যাটিন মোশি যে ৯ বছর পর মুম্বাইয়ের নারিমান হাউসে যাবে যেখানে তাঁর মা বাবা মারা গেছিলো।আপনাদের জানিয়ে রাখি যখন মুম্বাই হামলা হয়েছিল তখন এই বাচ্চাটা মাত্র ২ বছরে ছিল যে বর্তমানে ১১ বছরের।এই হামলা লস্কর ই তালিবান নামক জঙ্গি সংঘটন করেছিল।এই হামলা মুম্বাইয়ের আলাদা আলাদা জায়গায় করা হয়েছিল,যার মধ্যে মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল এবং ছত্রপতি শিবাজী রেলস্টেশন ও ছিল।এই জঙ্গি হামলায় প্রায় ১৬৬ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ।সেই সময় এই বাচ্চাটার জীবন এক ভারতীয় বাঁচিয়ে ছিল।মোশে ভারত আসার জন্য অনেকদিন থেকেই উৎসাহিত ছিল।মোশের পরিবারে লোকজন জানান,মোশে ভারত আসার জন্য খুবই উৎসাহিত এবং ভাবুক ছিল।১৫ তারিক সে মুম্বাইয়ের জন্য রওনা হবে।সে তাঁর জন্মস্থান ভারতে এসে সবকিছু দেখতে চাই।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী আগের বছর ইজরায়েল গিয়ে জানান, মোশিকে ও তার পরিবারকে দীর্ঘদিনের ভিসা দেওয়া হবে যাতে সে ভারতে ঘুরতে পারে।তারপরই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মোশেকে তার জন্মস্থান  ভারতে নিয়ে আসার কথা বলেছিলেন।

Source

এই মুসলিম ধর্মগুরু যা বললেন তাতে মুখথুবড়ে পড়লো রাষ্ট্রগীত বিরোধীরা।দেখুন ভিডিও!

বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব শুধু মাত্র নিজের স্বার্থের জন্য রাষ্ট্রগান ও রাষ্ট্রগীতের বিরোধিতা শুরু করেছেন।কিছু মানুষ রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য এতটাই নিচে নেমেগেছে যে ,’দেশ সবার আগে’ এই পরিভাষা ভুলে গেছে।তথাকথিত সেকুলার নামক মানুষজন ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে ‘বন্দেমাতরম’ ও ‘জনগণমন’ নিয়ে বিতর্ক শুরু  করছেন।কিছুমাস আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল সিনেমা হলে জাতীয় সংগীত চলাকালীন দাঁড়ানো উচিত।কিন্তু কিছু লোক এর বিরোধিতা শুরু করেন,যার জন্য চাপে পড়ে সুপ্রিম কোর্টকে সিদ্ধান্তও পাল্টাতে হয়।এমনকি স্কুলে বহুকাল থেকে হয়ে আসা পার্থনা কে হিন্দু ধর্মের প্রচার বলে ‘জনগণমন’ ও ‘বন্দেমাতারম’ এর বিরোধিতা শুরু করে।

অন্য দিকে এই ভিডিওতে দেখুন মুসলিম ধর্ম গুরু কিভাবে জাতীয় সংগীতের সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন । তিনি বলেন কেন আমাদের ‘জনগণমন’ সংগীতের সন্মান করা উচিত এবং কখনো এই সংগীত গাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত নয়।এটা শোনার পর সেই মানুষগুলির লজ্জা হওয়া উচিত যারা ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে জাতীয় সংগীতের বিরোধিতা করেন।তারা ধর্মের নামে জাতীয় সংগীতের বিরোধিতা করতে গিয়ে ভুলে যান,’দেশ সর্বোপরি’।তাদের এই মুসলিম ধর্মগুরুর কাছে থেকে কিছু শেখা উচিত।

Source

PM মোদীজির এই সত্য জানলে আপনিও স্যালুট জানাবেন..

নরেন্দ্রমোদী ভারতের ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী যারা পরিচয় সারা বিশ্বজুড়ে।মোদী ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এবং ওই কারণের জন্যই উনি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রচুর ভোট জয়ী হন।মোদীজির জন্ম ভারতের গুজরাট রাজ্যে ,ছোটবেলা থেকেই উনি সদেশপ্রেমী। মোদীজি সবসময় ‘দেশ প্রথম’ এই মনোভাব নিয়ে চলেন এবং এই মূলমন্ত্রকে সামনে দেশের সেবা করেন।প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আরেকটা কথা খুব শোনা যায় যে,মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ১ দিন নিজের জন্য ছুটি নেননি।এরপর আমরা মোদীজির নিয়ে এমন কিছু কথা বলতে যাচ্ছি যা জানলে আপনার মন নরম হয়ে যাবে।  শোনা যায় মোদীজি ছোটবেলা থেকেই বিশ্বের সবথেকে বড় সংঘঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক এর সাথে যুক্ত।মোদীজির জীবনকাল খুবই সংঘর্ষের মধ্যে কেটেছে।মোদীজির জন্ম গুজরাটের বড়নগর এলাকায় হয়েছিল,উনার পরিবারের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না।পরিবারের ওই দারিদ্রতার সময় মোদীজি কঠোর পরিশ্রম করতেন ।এমনকি মোদীজি নিজের পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য উনার বাবার সাথে রেলস্টেশনে চাও বিক্রি করেছেন। ২০০১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোদীজি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং অনেক উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য সারা দেশে উনার নাম ফুটেছিল।তারপর তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে আসেন এবং দেশের সেবা শুরু করেন।দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও নিজের স্বার্থের জন্য  কোনো কিছু তিনি করেননি।২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে  মোদীজির ভাই প্রলাহাদ মোদীর কন্যা নিখুঁজবেন(বিবাহিত,বয়স ৪০ বছর) হৃদ রোগে মারা যান এরপর যখন মোদীজির কাছে ওই খবর পৌঁছায় মোদীজির চোখ মানছিল না,তবুও প্রধানমন্ত্রী দেশের কাজের প্রতি নিষ্ঠা দেখান।প্রলাহাদ বাবুর মতে তার কন্যা মারা যাবার সময় মোদীজি চিনে G-20 সামিটে ভারতের হয়ে অংশ নিয়েছিলেন।ভারতে ফিরে এসেই মোদীজি নিখুঁজবেন এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং অন্তিমসংস্কারের পরও ফোনে খোঁজ নিয়েছিলেন।নিখুঁজবেন এর পারিবারিক অবস্থা খারাপ ছিল,উনি অবশ্য চাইলে উনার কাকা নরেন্দ্রমোদীর ভাইজি হিসেবে কারোর কাছে পরিচয় দেননি।এমনকি কারোর কাছে মোদীজির নাম নিয়ে সাহায্য পর্যন্ত চাননি।এটাই মোদীজির পরিবারের নিজস্ব গৌরব।

কেউ ভাবতেও পারেনি, ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রীর জন্য মোদীজি ভাঙবেন এত বড় প্রটোকল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী  ইজারায়েলর প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন এর জন্য একটা বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী বেঞ্জামিন ভারতে স্বাগত করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ।১৫ বছর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আরাল শ্যারন ভারতে এসেছিলেন।তারপর এই বেঞ্জামিন আসছেন ,যার জন্য প্রধানমন্ত্রী উনার এই ভারত সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে চান।ইজরায়েল এর প্রধানমন্ত্রী রবিবার দিন  উনার স্ত্রী সারার সাথে ভারতে আসছেন। ভারতে উনারা ৬ দিনের ভ্রমনে আসছেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার দিন প্রটোকল ভেঙে উনাদের এয়ারপোর্টে নিতে যাবেন।কারণ হিসেবে আপনাদের জানিয়ে রাখি,   আগের বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন।ইজরায়েলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীকে ধার্মিক গুরুর মতো স্বাগত করা হয়েছিল।এমনকি নরেন্দ্রমোদীজিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা করেছিলেন।আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন নরেন্দ্রমোদীজির আমন্ত্রণ দেখার মতো ছিল।জানা গেছে দুই প্রধানমন্ত্রী ৩ বছর শহীদ হওয়া ভারতীয় রেজিমেন্টের  স্মরণে পুষ্প সমর্পিত করবেন।জানা গেছে এই সফরে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজএর সাথে বেঞ্জামিন প্রথম দেখা করবেন তারপর রাষ্ট্রপতি ভবনে বৈঠক শুরু হবে।বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এর সফরে বড়ো বড়ো দেশের নজর ভারতের উপর থাকবে।

100 দিনের কাজে দুর্নীতি উধাও সাড়ে 5 কোটি ,করলো এই পার্টির নেতা…

একশো দিনের কাজে ফের দুর্নীতি, অভিযোগ কোচবিহারে সেখানে ৪ বছরে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ঘটালা হয়ে চলেছে এমনকি মৃত ব্যক্তির নামেও টাকা আসছে। আর সেই টাকা তুলে নিয়েছেন দিনের পর দিন পঞ্চায়েত উপপ্রধান।দিনহাটার দুই নম্বর আটিয়াবাড়ি পঞ্চায়েতের ঝুড়িপাড়া গ্রাম। গ্রামের ৮০০ মানুষের জব কার্ড রয়েছে। সরল বিশ্বাসে প্রায় সকলেই জব কার্ড জমা রেখেছিলেন পঞ্চায়েত উপপ্রধান আবদুল মান্নানের কাছে। অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা ৪ বছরে প্রত্যেক গ্রামবাসীর পোস্ট অফিসের অ্যাকাউন্টে গড়ে ৩০ হাজার টাকা করে জমা পড়ে কিন্তু এখনও কেও টাকা পায়নি অ্যাকাউন্ট থেকেই সেই টাকা উধাও। অন্যদিকে অভিযুক্ত উপপ্রধান আবদুল মান্না বলেন কার টাকা কে তুলছে তা দেখার দায়িত্ব পোস্ট অফিসের আমাদের না এসব দেখা কাজ।
বার বার তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় চাপে পড়েছে শাসকদল।

পাকিস্তান নিউক্লিয়ার ধমকি দিলে, ভারতের আর্মি চিফ এমন জবাব দিলেন যে পাকিস্তান চুপ !

পাকিস্তান তাদের নিচ কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকছে না। বর্তমানে পাকিস্তান বর্ডারে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে,যদিও ভারতীয় সেনারা তাদের ভালো রকম জবাব দিচ্ছে।কাশ্মীর ঘাঁটিতে ভারতীয় সেনারা একের পর এক জঙ্গিকে জন্নতে পাঠিয়ে দিয়েছেন।এমত অবস্থায় পাকিস্তান ভয়ে বিভ্রান্ত হয়ে ভারতকে পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়েছে। আর্মি প্রধান বিপিন রাওয়াত পাকিস্তানের এই বিশ্রী হুমকির জবাবে জানিয়েছেন,ভারত পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণের জবাব দিতে প্রস্তুত।আর্মি চিফ আরো বলেন,যদি সরকার আমাদের অনুমতি দেয় তাহলে আমরা সীমা পার করে এক্ষুনি যে কোনো রকমের অপারেশন করার জন্য প্রস্তুত।

এটা থেকে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে যে,ভারতীয় সেনা যেকোনো পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সাথে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত।আর্মি চীফের এই কোথায় পাকিস্তানের কথা বন্ধ করে দেয়।এক সংবাদ সংস্থার অনুসারে,সেনাপ্রধান রাওয়াত বলেন আমরা পাকিস্তানের প্রত্যেকটি মিথ্যার জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।উনি আরো বলেন,পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আমদের যেকোনো অপারেশন দেওয়া হয়েছে সবই আমরা কমপ্লিট করেছে।সেনা প্রধান বলেন, আমরা পাকিস্থানের নিউক্লিয় বিস্ফোরণের নামে মিথ্যাকে বিশ্বের সামনে আনতে চাই।সেনাপ্রধান জানান, ভারত ও আমেরিকা একসাথে পাকিস্তানের কার্যকলাপ নিয়ে বিবেচনা করছি।আমরা পাকিস্থানের সেইসব সেনাদের লক্ষ করছি যারা ভারতে জঙ্গি ঢোকাবার চেষ্টা করছে ।আমরা চাই জঙ্গিদের সাথে সাথে পাকিস্থানের আর্মিদেরও সেই ব্যাথা অনুভব হয়।

Source

রেকর্ড করলো এই বিজেপি রাজ্য একদিনে প্রায় 28000 চাকরি দিয়ে !

ভারতবর্ষে বেকার সমস্যা একটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের কাছে।অবশ্য বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিশেষ কিছু রাজ্য ছাড়া অন্য রাজ্যে বেকার সমস্যা অনেকটাই মিটছে।এই বেকারদের কাজ দিয়ে এক যুগান্তকারী রেকর্ড গড়ল ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সরকার।স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালনের মাধ্যমে ঝাড়খণ্ডের ২৭,৮৪২ জন বেকার যুবকদের হাতে জবের নিয়োগ পত্র তুলে দিয়ে রেকর্ড গড়লেন।ঝাড়খণ্ডের সরকার থেকে জানানো হয়,আমরা দেশের প্রথম রাজ্য যারা এই কাজ করতে পেরেছে।
 আরোও পড়ুন- অবশেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতিভেদ নিয়ে রাখলেন বড় মন্তব্য ! বললেন..

রাজ্যের পিছিয়ে পড়া কিছু জেলার তরুণ তরুণীদের সাহায্য করার জন্য অনেকদিন থেকেই চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস।বিবেকানন্দের জন্মদিনে সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন তিনি।জাতীয় যুব দিবসের দিনে প্রধানমন্ত্রী স্কিল ইন্ডিয়ার আওতায় ১ দিনে প্রায় ২৮,০০০ কাজ দিয়ে খুশি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রঘুরাম দাস বলেন,”আমরা আশা করছি পরের বছর আমরা ১ লক্ষ কাজ দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করবো।”মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, যুবকদের আগে অন্য শহরে বা অন্য রাজ্যে কাজের জন্য যেতে হতো সেই সমস্যা দূর করার জন্যই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতিভেদ নিয়ে রাখলেন বড় মন্তব্য ! বললেন..

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রুবার কর্নাটকে এক সভা করেন।সভায় নরেন্দ্র মোদী বলেন,”কিছু লোক দেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন।কিন্তু আমাদের দেশের তরুণরা ওইসব দেশদ্রোহীদের কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন।দেশের তরুণদের বিভ্রান্ত করা এত সহজ নয়।আমাদের জাতির বিষকে শেষ করতে হবে।” মোদীজি  বলেন,” বিবেকানন্দ একজন যোদ্ধা সন্ন্যাসী ছিলেন।উনি জাতির বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।স্বামীবিবেকানন্দ বলেছিলেন আমাদেরকেই  জাতির বিষ অপসারণ করতে হবে। ” উনি আরো বলেন, “এটা আমাদের সমাজের একটা বৈশিষ্ট যে,যখনই কোনো খারাপ জিনিস এসেছে,তখনই কেউ না কেউ এই খারাপ জিনিসের সংস্কারের জন্য নেমে পড়েছেন।” “দেশের সেবার জন্য নিয়োজিত প্রত্যেকটা মানুষই স্বামী বিবেকানন্দের ছোট রূপ। যারা দলিত,পীড়িত,শোষিত এবং বঞ্চিত মানুষদের জন্য কাজ করছেন তারা প্রত্যেকেই বিবেকানন্দের ছোট রূপ এবং এরাই বিবেকানন্দের স্বপ্নকে পূরণ করার সিপাহী” – বলেন মোদীজি।মোদীজি বলেন,”ভারতের এক রূপ ছিলেন বিবেকানন্দ,ভারতের সুখদুঃখকে  নিজের মনে করতেন সেই মহাপুরুষ ছিলেন বিবেকানন্দ,যদি বিবেকানন্দকে মানতে চান তাহলে ভারতের জাতিবিদ্বেষ,জাতিভেদের বিষকে শেষ করতে হবে।

আপনারা মোদীজির সাথে দেখা করছেন না কেন?প্রশ্নের উত্তরে মোদীজির ভাই যা বললেন তা আপনাকেও ভাবাবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদীজির ঘর পরিবার সমস্ত কিছুই গুজরাটের বরনগরে।খুব সাধারণ।মোদীজির ছোট ভাই একটি জব করেন।  মোদীজির বাড়ি থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির সভা হচ্ছিল। সমাবেশে প্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়ো হয়েছিল।এমনকি প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাইও ওই সমাবেশে হাজির হয়েছিলেন।সভায় পিছনে থাকা মিডিয়া ও নিউস চ্যানেলগুলো মোদীজির ভাইয়ের উপর লক্ষও রাখছিলেন।সমাবেশ শেষ হওয়ার সাথে সাথে মিডিয়া নরেন্দ্র মোদীজির ভাইয়ের কাছে এসে নানান প্রশ্ন করতে শুরু করেন।এই প্রশ্নের মধ্যে একটা প্রশ্ন ছিল, ‘মোদীজি তো সামনেই আছেন,উনার সাথে দেখা কেন করছেন না?মিডিয়া মোদীজির ভাইকে প্রশ্ন করে আপনি শেষ কখন আপনার ভাইয়ের সাথে দেখা করেছেন?এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান যখন মোদীজি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তখন উনার সাথে শেষবার দেখা হয়েছিল।মিডিয়ার পরবর্তী প্রশ্ন ছিল,আপনি আপনার দাদার কাছে থেকে সাহায্য কেন চাইছেন না? এই প্রশ্নের উত্তরে উনার ভাই জানান 

“উনি নিজে একজন সন্ন্যাসী,
উনি নিজের জন্য কিছু করেন না তো আমাদের জন্য কি করবেন!উনার উপর দেশের দায়িত্ব রয়েছে।যা দেবেন সবাইকে দেবেন।”
মিডিয়া উনাকে বলেন ,মোদীজি সামনেই আছেন আপনি উনার সাথে দেখা করতে পারেন।এর জবাবে উনার ভাই বলেন,”উনার(প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) এক একটা মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লি গিয়ে আপনি এবং আপনার পরিবার মোদীজির সাথে দেখা কেন করছেন না?হয়তো এতে আপনাদের কিছু সাহায্যও হয়ে যাবে। এর উত্তরে মোদীজির ভাই যা বলেছিলেন তাতে মিডিয়ারও চোখ নিচে নেমে গিয়েছিল, মোদীজির ভাই বলেন- 
“আজ পর্যন্ত দেশের মিডিয়া  আমাদের ভাইদের ও আমাদের পরিবারদের তাদের চ্যানেলে কখনো দেখায়নি।আমরা কি কাজ করি,আমরা কিভাবে জীবনযাপন করি,আমাদের সন্তানেরা কোথায় পড়াশোনা করে কোনো কিছুই মিডিয়া দেখাইনি কারণ,এগুলো দেখালে বিরোধী পার্টিদের মুখ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে এবং মানুষের মনে মোদীজির প্রতি শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যাবে।দিল্লি গিয়ে যদি দেখা করি তাহলে মিডিয়া সেটা নিয়ে ইস্যু করবে এবং বিরোধী পার্টির বলবে মোদীজি কোটি কোটি টাকা তাঁদের ভাইদের পাচার করছেন।আমার চাই না আমাদের জন্য নরেন্দ্রমোদির উপর কেউ আঙ্গুল তুলুক।” 
এটা বলার পর মোদীজির ভাই পার্কিংয়ে থাকা নিজের পুরানো স্কুটার নিয়ে চলে যান।মোদীজি এবং উনার পরিবারের এই মহানতা সবার পরিবার থেকে উনাদের আলাদা করে।এই বিশেষত্ব গুলো থাকার জন্যই হয়তো ইনাদের পরিবার লালু,কেজরিওয়াল বা অন্যান্য নেতা নেত্রীদের পরিবারের মতো প্রচুর টাকার মালিক বা ফুলে ফেঁপে উঠতে পারেনি।
Design a site like this with WordPress.com
Get started