মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ক্ষমতায় এলেই রুখে দেওয়া হবে বুলেট ট্রেন নিয়ে মোদীর ড্রিম প্রোজেক্ট!

মুম্বাইঃ মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে শিবসেনা, কংগ্রেস আর এনসিপির মধ্যে একের পর এক বৈঠক আর চর্চা হয়েই চলেছে। তিনটি দল কমন মিনিমাম প্রোগ্রাম নিয়ে চর্চা করছে। আর এই চর্চায় কৃষকদের জন্য বড় বাংলা খবর ঘোষণা হতে আপ্রে। মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে বুলেট ট্রেনের জন্য দেওয়া টাকা এবার রাজ্যের কৃষকদের ঋণ মাফির জন্য করা হতে পারে।
সুত্র অনুযায়ী, কমন মিনিমাম প্রোগ্রামে তিনটি দলই এই ইস্যু নিয়ে চর্চা করছে। আপানদের জানিয়ে রাখি, বুলেট ট্রেন প্রোগ্রামে রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও পয়সা দেওয়া হয়, আর এই অংশীদারিতে এবার মহারাষ্ট্র সরকারের দেওয়া টাকা বন্ধ হতে পারে। বুলেট ট্রেনের জন্য ২৫ শতাংশ ফাণ্ড দিচ্ছে মহারাষ্ট্র সরকার।
জানিয়ে দিই, বুলেট ট্রেন প্রোজেক্ট হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ড্রিম প্রোজেক্টের মধ্যে একটি। দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন আহমেদাবাদ থেকে মুম্বাইয়ের মধ্যে চালানো হবে। এই ট্রেন জাপানের সাহায্য নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এই প্রোজেক্টের শিলন্যাস করেছিলেন।

from India Rag https://ift.tt/35hbl4S

বাংলা খবর, ভারত খবর, আজকের খবর, 24 ঘন্টার খবর

বুধবার হওয়া ক্যাবিনেট মিটিংয়ে মোদী সরকার আম জনতাকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য বড়সড় ঘোষণা করল। সরকার পিঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করার ১.২ লক্ষ মেট্রিক টন পিঁয়াজ আমদানি করার মঞ্জুরি দিয়ে দিয়েছে। এর জন্য প্রাইস স্টেবেলাইজেশন ফাণ্ডের ভারত খবর ব্যাবহার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকার বুধবার ঘরোয়া বাজারে পিঁয়াজের উপলব্ধতা বাড়ানোর জন্য ১.২ লক্ষ টন পিঁয়াজ আমদানি করার জন্য খাদ্য মন্ত্রালয়কে মঞ্জুরি দিয়ে দিয়েছে।

বৈঠকের পর অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এই কথা সংবাদ মাধ্যমকে জানান। খাদ্য এবং উপভোক্তা মামলার মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান ১৬ই নভেম্বর বলেছিলেন যে, সরকারি কোম্পানি এমএমটিস্যার মাধ্যমে সরকার এক লক্ষ টন পিঁয়াজের আমদানি করবে। এর ফলে পিঁয়াজের দাম অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা জাহির করেছিলেন তিনি।

সরকার পিঁয়াজের উপলব্ধতা আরও ভালো করার জন্য আমদানিকে মঞ্জুরি দিয়ে দিয়েছে এবং আমদানির জন্য সমস্ত প্রণালীকে আরও সহজ বানানো হয়েছে। সরকার এই পদক্ষেপ এমন সময় নিয়েছে, যখন ঘরোয়া বাজারে পিঁয়াজ কম থাকার কারণে, দাম আকাশ ছুঁয়েছে। দিল্লীতে পিঁয়াজ ৬০ টাকা প্রতি কেজি হয়ে গেছে। ২০১৯-২০ এর খরিফ মরশুমে পিঁয়াজের উৎপাদন ২৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। আর এই কারণে বাজারে পিঁয়াজের দামে আগুন। সরকার আমদানি সুনিশ্চিত করতে এবং ভাণ্ডারের সীমা নির্ধারিত করতে অনেক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

আপানদের জানিয়ে রাখি, পিঁয়াজের রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও নভেম্বর মাসের মধ্য থেকে বাজারে পিঁয়াজের দাম আবারও বেড়ে যায়। আপাতত এখনো অনেক জায়গায় পিঁয়াজ খুচরো ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দেশের রাজধানী দিল্লীতে এক সপ্তাহ আগে ১০০ টাকা কেজি দরে এক কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল।

from India Rag https://ift.tt/34aelQt

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে, মোদী সরকার কাশ্মীরকে ভারতের সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করেছেঃ আমেরিকার সাংসদউত্তর প্রদেশে ধর্ম পরিবর্তন বন্ধ করার জন্য আইন আনছে যোগী সরকার, দোষী প্রমাণিত হলে হবে কড়া শাস্তি

জম্মু কাশ্মীরে (Kashmir) মোদী সরকারের (Modi Sarkar) ৩৭০ ধারা (Article 370) খতম করার সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা হল আমেরিকার সংসদে। বুধবার হাউস অফ রিপ্রেসেন্টিভসে আমেরিকার সাংসদ পিট ওলসেন (pete olson) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠেন। আমেরিকার টেক্সাস-২২ থেকে সাংসদ আজকের খবর পিট ওলসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দিয়ে সেখানকার মানুষদের ভারতের মহান সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করেছেন।

আমেরিকার সাংসদ পিট ওলসেন বলেন, ৩৭০ ধারা একটি অস্থায়ী আইন ছিল, এর কারণে জম্মু কাশ্মীরের মানুষদের একটি আলাদা আইন পালন করার জন্য বাধ্য করা হয়েছিল। এখন সেখানকার মানুষদের কাছে অন্যান্য ভারতীয়দের মতই সমান অধিকার আছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, মোদী সরকার পাঁচই আগস্ট জম্মু আর কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেয়। এরপর জম্মু কাশ্মীর কেন্দ্র শাসিত রাজ্যের তকমা পায়। এবং জম্মু কাশ্মীর থেকে লাদাখকে আলাদা করে নতুন কেন্দ্র শাসিত রাজ্য বানানো হয়।

একদিকে যেমন মোদী সরকারের এই কাজে গোটা দেশের মানুষ খুশি। আরেকদিকে মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান রোজই নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। কখনো সীমান্তে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়ে, তো কখনো সীমান্ত দিয়ে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করিয়ে। যদিও ভারতের তঠস্থ সেনার কারণে পাকিস্তানের বেশিরভাগ ষড়যন্ত্রই ব্যার্থ হচ্ছে।

আরেকদিকে পাকিস্তানের গুলির জবাবে ভারতের সেনাও পাল্টা হানা চালাচ্ছে। এরফলে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন জওয়ানও মারা গেছে। এছাড়াও ভারতীয় সেনার গুলিতে খতম হয়েছে বহু পাক সমর্থিত জঙ্গিরা। এর আগে ভারত পাক সীমান্তে তংধার সেক্টরে ভারতীয় সেনা পালটা হানা চালিয়ে পাকিস্তানে থাকা বেশ কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। ভারতের সেই পালটা হানায়া পাক আর্মি আর জঙ্গি মিলিয়ে বেরসরকারি মতে প্রায় ২০ জন খতম হয়েছিল।

from India Rag https://ift.tt/2OadklW

পাঁচ আগস্টের পর কাশ্মীর থেকে পাঁচ হাজার আলগাঁওবাদী আর পাথরবাজদের গ্রেফতার করা হয়েছে

নয়া দিল্লীঃ কেন্দ্র সরকার বুধবার জানায় যে, জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর রাজ্যে শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে ৫১৬১ জন আলগাঁওবাদী আর পাথরবাজদের গ্রেফতার করা হয়েছে।  গৃহ রাজ্যমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘চার আগস্ট ২০১৯ থেকে কাশ্মীরে শান্তি ভঙ্গ করা দুষ্কৃতীদের দেশের সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকর আজকের খবর গতিবিধি গুলোকে থামানোর জন্য এবং রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা কায়েম রাখার জন্য ৫১৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাথরবাজ, জঙ্গি আর জঙ্গিদের প্রত্যক্ষ ভাবে সহয়াতা করা ব্যাক্তি, আলগাওবাদী, দুষ্কৃতী এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তিরাও ছিল।” গৃহ রাজ্য মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, জম্মু কাশ্মীরে আপাতত ৬০৯ জন মানুষ হেফাজতে আছে। আর তাঁদের মধ্যে প্রায় ২১৮ জন পাথরবাজ শামিল আছে।

আরেকটি প্রশ্নের জবাবে গৃহ রাজ্যমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি সংসদে বলেন, জম্মু কাশ্মীরে সমস্ত স্কুল এবং কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। আর এই স্কুল এবং কলেজে ৯৮ শতাংশ পড়ুয়ারা উপস্থিত থাকছে। গৃহ রাজ্য মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি জানান, জম্মু কাশ্মীরে সমস্ত হাসপাতাল এবং স্বাস্থ সেবা কেন্দ্র আগের মতই বিনা কোন বাধায় চলছে।

গৃহ রাজ্যমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, ‘জম্মু কাশ্মীর সরকার তথ্য দিয়েছে যে, প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর থেকে রাজে সমস্য স্কুল এবং কলেজ খুলে গেছে।” গৃহ রাজ্যমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, বর্তমানে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা চলছে, এছাড়াও স্কুল এবং কলেজে ৯৮ শতাংশ পড়ুয়ারা উপস্থিত থাকছে। উনি এও স্পষ্ট করে বলেন যে, উপত্যকায় পড়ুয়াদের গতিবিধিতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। মন্ত্রী বলেন, এছাড়াও রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল এবং স্বাস্থ কেন্দ্র গুলো খুলে গেছে। আর সমস্ত স্বাস্থ পরিষেবা বিনা কোন বাধায় প্রদান করা হচ্ছে।

from India Rag https://ift.tt/2D3Gc8U

বড় ঘোষণা অমিত শাহ’র! গোটা দেশে চালু হবে NRC, বাদ যাবেনা বাংলাও

রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ এনআরসি (NRC) নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব দেন। সাংসদদের প্রশ্নের জবা দিয়ে অমিত শাহ বলেন, NRC এর জন্য কোন ধর্ম বিশেষ মানুষদের ভয় পেতে হবেনা। বড় 24 ঘন্টার খবর ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, NRC এর মাধ্যমে নাগরিকদের পরিচয় সুনিশ্চিত করা হবে, আর NRC গোটা দেশে লাগু হবে।

উনি ধর্মের ভিত্তিতে NRC তে বৈষম্যের কথা অস্বীকার করেন। উনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের NRC লিস্টে যুক্ত করা হবে। NRC তে এমন কোন নিয়ম নেই যে, এর মাধ্যমে কোন ধর্ম বিশেষ মানুষদের এই সূচিতে যুক্ত করা হবেনা।

অমিত শাহ বলেন, সমস্ত নাগরিক তাঁদের ধর্ম যাই হোক না কেন, NRC লিস্টে যুক্ত হতে পারবেন। NRC একটি আলাদা প্রক্রিয়া আর নাগরিক সংশোধন বিল আলাদা প্রক্রিয়া। এই দুটি জিনিষকে একসাথে না দেখা মঙ্গল।

সৈয়দ নাসির হুসেইনের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ জৈন, ইসাই, পারসি শর্ণার্থীদের নাগরিকতা দেওয়া হবে। এর জন্য সিটিজেন অ্যামেডমেন্ট বিল আলাদা একটি প্রক্রিয়া, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ধর্মাবল্মবি মানুষদের নাগরিকতা দেওয়া হবে। এরা পাকিস্তান, বাংলাদেশ আর আফগানিস্তান থেকে শুধুমাত্র ধর্মের কারণে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসে মাথা গুঁজেছে।

from India Rag https://ift.tt/2QEmBnF

স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম দেশের মধ্যবিত্তদের জন্য সুখবর, মোদী সরকার দিতে চলেছে বড় উপহার

নয়া দিল্লীঃ কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার (Modi Sarkar) মধ্যবিত্তদের জন্য একটি বড়সড় উপহার দিতে চলেছে। সরকার এখন মধ্যবিত্তদের (Middle Class) জন্য নতুন করে স্বাস্থ পরিষেবা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পরিষেবা তাঁদের জন্য হবে, যারা এখনো পর্যন্ত কোন পাবলিক হেলথ কেয়ারের আওতায় পড়েনি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই অনুযায়ী, নীতি আয়োগ (Niti Ayog) এই পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করে নিয়েছে।

এই নতুন স্বাস্থ পরিষেবায় তাঁদের যুক্ত করা হবেনা, যারা আগে থেকেই আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা সেই সমস্ত দরিদ্র মানুষেরা নিচ্ছে, যারা নিজে থেকে ভারত কোনরকম স্বাস্থ বীমা করাতে পারবেননা। নীতি আয়োগের পরামর্শদাতা (স্বাস্থ) অলোক কুমার বলেন, ‘ দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ জনসংখ্যা এখনো পর্যন্ত কোন সার্বজনীন স্বাস্থ পরিষেবার সাথে যুক্ত নয়। আর সেই সব মানুষদের থেকে হাতে গোনা কিছু টাকা নিয়ে তাঁদের স্বাস্থ পরিষেবার সাথে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্প মিডিল ক্লাসদের স্বাস্থের দেখভাল করবে।”

 
File Pic

অলোক কুমার বলেন, মিডিল ক্লাস মানুষদের যদি দেশে উন্নত স্বাস্থ পরিষেবার নির্মাণের জন্য ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা দিতে হয়, তাহলে তাঁরা কোন সমস্যায় পড়বেনা। এই যোজনা কার্যকর হবে বলেন আশা করেন উনি। আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (আয়ুষ্মান ভারত) অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ সুবিধা পায়। এই যোজনা দরিদ্র মানুষদের জন্য আর এই যোজনা অনুযায়ী ৫ লক্ষ টাকার বীমা পাওয়া যায়।

যদিও সরকার মধ্যবিত্তদের জন্য এরকম কোন প্রকল্প চালু করেনি। তবে এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্রথম দেশের মধ্যবিত্তরা হেলথ কেয়ারের সুবিধা নিতে পারবে।

from India Rag https://ift.tt/2O6ZNv8

রামমন্দির নির্মাণ ট্রাস্টের সভাপতি পদে যোগী আদিত্যনাথকে রাখার দাবি! ট্রাস্টের নেতৃত্বেই হবে মন্দির নির্মাণ।

আদালত অযোধ্যা মামলায় রায় দিয়েছে, রায় অনুযায়ী  কেন্দ্রকে একটা ট্রাস্ট তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই ট্রাস্ট এর নেতৃত্বে তৈরি হবে রাম মন্দির। রাম জন্মভূমি নিয়াস বলেছেন যে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের নেতৃত্ব থাকা pratidin ট্রাস্টের দায়িত্ব উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে রাখা উচিত। ট্রাস্ট বলেছে যে আদিত্যনাথের উচিত মুখ্যমন্ত্রী নয়, গোরক্ষ পীঠের মহন্ত হিসাবে ট্রাস্টের সভাপতিত্ব করা উচিত। নিয়াস চেয়ারম্যান মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস বলেছেন, “রাম জন্মভূমি নিয়াস চান যোগীরা আদিত্যনাথ ট্রাস্টের প্রধান হন।

গোরক্ষপুরের প্রতিমূর্তিযুক্ত গোরক্ষনাথ মন্দিরটি গোরক্ষপীঠের অন্তর্গত এবং রাম মন্দির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মহন্ত দিগ্বিজয় নাথ, মহন্ত অবৈদ্যনাথ এবং এখন যোগী আদিত্যনাথ মন্দির আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি বলেন যে প্রস্তাবিত ট্রাস্ট এ নিয়াস মূল ভূমিকা নেবে। তিনি অবশ্য বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেননি। তিনি বলেন, “ট্রাস্টের অন্য সদস্যদের মধ্যে চম্পাত রায় (বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতি) এবং ওম প্রকাশ সিংহল (ভিএইচপি কোষাধ্যক্ষ) অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।”

এখন যোগী আদিত্যনাথকে ট্রাস্ট এর মুখ্য ভূমিকায় রাখার জন্য তীব্র দাবি উঠছে। জানিয়ে দি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজনীতিতে আসার পেছনে একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো রাম মন্দির। যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগেই বলেছিলেন যে তার জীবনে একটা বড়ো উদেশ্য হলো রাম মন্দির নির্মাণ। যোগী আদিত্যনাথের গুরুদেবও রাম মন্দির নির্মাণের জন্য সংঘর্ষ করেছিলেন। আর যোগী আদিত্যনাথও সেই পথেই নেমেছিলেন। যোগী আদিত্যনাথ একজন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথে একজন যোগী সন্ন্যাসী। উনি উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের এক সভায় বলেছিলেন যদি আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসে তবে রাম মন্দির হওয়া নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকবে না।

from India Rag https://ift.tt/2XqPZ20

দ্বিতীয় জাকির নায়েক হয়ে গেছে আসাদউদ্দিন ওয়াইসিঃ বাবুল সুপ্রিয়

ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) এর আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo) বলেন, অল ইন্ডিয়া মজলিস এ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM) এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি (Asaduddin Owaisi) দ্বিতীয় জাকির abp ananda live নায়েক হতে চলেছেন। বাবুল সুপ্রিয় বলেন, আসাদউদ্দিন ওয়াইসি প্রয়োজনের থেকে বেশি বলেন, আমাদের দেশে আইন-শৃঙ্খলা আছে, সেটার উপর ওনার বিশ্বাস রাখা আর নজর দেওয়া দরকার।

উল্লেখ্য, ওয়াইসি অযোধ্যা বিতর্ক নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর ট্যুইটারে লিখেছিলেন, ‘আমি আমার মসজিদ ফেরত চাই।” ওয়াইসির এই ট্যুইটের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় নিজের প্রতিক্রিয়া দেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, জাকির নায়েক হলেন এক বিতর্কিত ইসলামিক ধর্ম প্রচারক। যিনি গ্রেফতারির ভয়ে এখন ভারত ছেড়ে মালয়শিয়ায় গিয়ে ঘাঁটি গেঁড়ে বসে আছে।

২০১৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় হওয়া একটি জঙ্গি হামলায় জাকির নায়েকের নাম আসার পর, ভারতে সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা হয় জাকির নায়েক ও তাঁর সংগঠনকে। মুম্মবাইয়ের বাসিন্দা পিস টিভির সংস্থাপক জাকির নায়েক এখন ভারত ছেড়ে মালয়শিয়ায় বসবাস করছে। আর ভারত ওনাকে মালয়শিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আসার পর, আসদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, আমি আমার মসজিদ ফেরত চাই। আমার মনে হয় এই সিদ্ধান্ত স্বাক্ষ প্রমাণ না, বিশ্বাসের উপর ভরসা করে নেওয়া হয়েছে। যেসব মুসলিম এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন করেনি, মনে রাখবেন তাঁদের কন্ট্রোল করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদি ১৯৯২ সালে মসজিদ না ভাঙা হত, তাহলে আজ সিদ্ধান্ত অন্য রকম হত। এটা আমাদের অধিকারের লড়াই ছিল। আর থাকবে।

from India Rag https://ift.tt/37fr3PJ

৪০ হাজার সেনা আর ৪৫০ টি ট্যাঙ্ক নিয়ে পাক সীমান্তে নামল ভারতীয় সেনা

জয়সলমেরঃ  পাকিস্তান দুনিয়া জুড়ে ঘুরে ঘুরে ভারতকে একের পর এক হুমকি দিয়ে চলেছে, কিন্তু তাঁরা ভালো করে জানে যে, ভারতীয় সেনার ক্ষমতার কাছে তাঁদের সেনা কিছুই না। আর সেই ক্রমেই ভারতীয় সেনা নিজের মারক ক্ষমতাকে মজবুত abp ananda live tv  করার আরও একটি উদাহরণ পেশ করে ‘সুদর্শন শক্তি” অভ্যাস শুরু করে দিলো। প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনার এমন কিছু যুদ্ধ রণনীতি বাস্তবায়িত করার চেষ্টা জয়সলমের এর মরুভূমিতে করা হচ্ছে। জয়সলমের এর ভারতীয় সেনা বিশেষ ভাবে যুদ্ধ অভ্যাস করছে। এই যুদ্ধ অভ্যাসে বেশিরভাগই আধুনিক হাতিয়ার ব্যাবহার করা হচ্ছে।

পাকিস্তান বর্ডারের মরুভূমিতে চলা এই যুদ্ধ অভ্যাসের নাম ‘সুদর্শন শক্তি” দেওয়া হয়েছে। এটি এই যুদ্ধ অভ্যাসের দ্বিতীয় পার্ট। বৃহস্পতিবার বার থেকেই এই যুদ্ধ অভ্যাস শুরু করেছে সেনা। আগামী ৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই অভ্যাস। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, এই যুদ্ধ অভ্যাসের বায়ুসেনাও অংশ নিয়েছে।

শত্রুপক্ষকে যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য ৪০ হাজারের বেশি সৈনিক এবং ৪৫০ টি ট্যাঙ্ক এই যুদ্ধ অভ্যাসে অংশ নিয়েছে। এই যুদ্ধ অভ্যাসে প্রথমবার ভারতে নির্মিত কে-৯ বজ্র ট্যাঙ্ক নিজের জোরদার ক্ষমতা প্রদর্শন করছে। এই ট্যাঙ্ককে কিছুদিন আগেই ভারতীয় সেনায় যুক্ত করা হয়েছে। এটি ভারতীয় সেনায় সবথেকে বেশি দূরত্বে আঘাত হানা মিসাইল বলে গণ্য হয়েছে। এই ট্যাঙ্ক নিজের ক্ষমতা জাহির করার জন্য কৃত্রিম শত্রু ঘাঁটি গুলোতে অভেদ্য নিশানা বানিয়ে গোটা মরুভূমিতে হাহাকার সৃষ্টি করে দিয়েছে।

শুক্রবার এই অভ্যাসকে রিভিউ করার জন্য ২১ কপ এর জি.সি.ও লেফটিনেন্ট যোগেন্দ্র ডিমরি উপস্থিত ছিলেন। এই যুদ্ধ অভ্যাসের দ্বিতীয় পার্টের অন্তিম ভাগ জয়সলমের এর পোখরাণ ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এই যুদ্ধ অভ্যাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্থল সেনা প্রধান এবং অন্যান্য সেনা এবং বায়ুসেনা উচ্চ পদস্থ অফিসারেরা উপস্থিত থাকবেন।

from India Rag https://ift.tt/2XruTAB

সময়ের আগেই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে S-400 মিসাইল, পুতিনের ঘোষণা পর ঘুম ছুটল চীন আর পাকিস্তানের!

ওয়েব ডেস্কঃ রাশিয়ার (Russia) সেনার প্রতিরক্ষা কবচ S-400 মিসাইল সিস্টেম এবার খুব শীঘ্রই ভারতের হাতে আসতে চলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) বলেন, রাশিয়া নির্ধারিত সময়ের bartaman আগেই ভারতের হাতে S-400 ভূমি থেকে হাওয়ায় ফায়ার করা মিসাইল সিস্টেম ডেলিভার করে দেবে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পুতিন ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া থেকে এই কথা বলেন।

 
S-400

ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় দুই দিনের ব্রিকস সন্মেলন সম্পন্ন হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পুতিন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় বলেন, S-400 মিসাইল এর ডেলিভারি পরিকল্পনা মাফিক চলছে, আর আমরা খুব শীঘ্রই ভারতের হাতে এই মিসাইল তুলে দেব।

 
S-400

প্রসঙ্গত, ভারত রাশিয়ার সাথে ৫.২ বিলিয়ন ডলারের S-400 মিসাইল কেনার জন্য গত বছর চুক্তি করেছিল। আপনাদের জানিয়ে রাখি,  ইউক্রেন এবং সিরিয়ায় সৈন্য গতিবিধি এবং আমেরিকার নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার থেকে হাতিয়ার কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু ভারত আমেরিকার এই নিষেধাজ্ঞাকে অবজ্ঞা করে নিজেদের সৈন্য ক্ষমতা বাড়াতে রাশিয়ার সাথে চুক্তি করে।

জানিয়ে দিই, এই বছরের অক্টোবর মাসে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আমেরিকার তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞার পরেও রাশিয়ার থেকে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কেনার জন্য ভারতের অধিকারের রক্ষা করেন। ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, প্রতিরক্ষা উপকরণ কেনার জন্য আমরা স্বাধীন। এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, ভারত রাশিয়ার থেকে S-400 মিসাইল কেনার জন্য স্বাধীন।

from India Rag https://ift.tt/2NWX8Ef

Design a site like this with WordPress.com
Get started