সমীক্ষা বলছে ,গরিব দিদির সাংসদরা কোটিপতি! কিন্তু কিভাবে ?

মুখ্যমন্ত্রীর সাংসদরা কোটিপতি এমন কথা উঠে এল একটি সমীক্ষা থেকে। সমীক্ষাটি করে বেসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর), বর্তমানে দেশের সব মুখ্যমন্ত্রী ও সাংসদের সম্পত্তি ও তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে সমীক্ষা চালায় তাই এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা।

পশ্চিমবঙ্গের ধনী সাংসদদের তালিকায় রয়েছে অনেক তার মধ্যে সবাই মুখ্যমন্ত্রীর দলের নেতা। রিপোটে বলা হচ্ছে ত্রিপুরার মানিক সরকারের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের দ্বিতীয় গরিব মুখ্যমন্ত্রী, ওনার মোট সম্পতি ৩০ লক্ষ টাকা।এবার পালা ওনার সাংসদের, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ৫৭ জন সাংসদের মধ্যে কোটিপতি সাংসদের সংখা ৩৫ জন।এর মধ্যে ২৯ জনই তৃণমূলের সাংসদ।

Anandabazar Patrika

কোটিপতি তালিকায় সবথেকে প্রথমে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ কে ডি সিংহ তাঁর সম্পত্তি ৮৩ কোটি টাকা ও তার পর রয়েছেন অভিনেতা দেব ওনার সম্পত্তি ১৫ কোটি টাকা এবং সবথেকে কম সম্পত্তি ররেছে ঝাড়গ্রামের উমা সোরনের, ৪.৯৯ লক্ষ টাকা। এই সমীক্ষায় মামলায় অভিযুক্ত সাংসদের মধ্যে রয়েছেন তাপস পাল ৪ টি মামলা এবং কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী ১৬ টি মামলা।

এই তৃণমূল বিধায়কের কথা ভুল প্রমাণ করে পৌরসভার জলে মিললো ব্যাক্টিরিয়া..

কলকাতা মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় সোমবার বলেছিলেন পৌরসভার জলে কোনো জীবানু নেই। কিন্তু তার কথা দিন গড়াতে না গড়াতে ভুল প্রমান হয়ে গেল। কলকাতা পৌরসভা এলাকার জলে মিলল কলিফর্ম ব্যাক্টিরিয়া যা মানুসের শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকারক।

 এরমধ্যে রয়েছে যে যে ওয়ার্ড সেগুলি হলো ২৮, ২৯, ৫৮, ৫৯ ও ৬৬। ডায়রিয়া আক্রান্ত ১০ জন রোগীর মলের নমুনা পাঠানো হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। হাসপাতাল কর্তিপক্ষ যানান কজনের মলে কলেরার জীবাণু মিলেছে। এর পর সেই রিপোট পাঠানো হয় স্বাস্থ্য দফতরে। পৌরসভার তরফ থেকে বলা হয়েছে ওই সব এলাকায় মানুষদের জল ফুটিয়ে খাওয়ার জন্য।জল সরবরাহ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তিনটি নমুনার একটি সংগ্রহ করা হয়েছিল একটি বাড়ির ভিতরের চৌবাচ্চা থেকে যেখানে পাম্পিং করে জল সরবরাহ করা হচ্ছিল চৌবাচ্চা থেকে,আরেকটি নমুনা দেখা যায় জল সংগ্রহ করা হয়েছিল কলকাতা পুরসভার নলকূপ থেকে। আর তৃতীয় নমুনাটি ছিল বাজারে বিক্রি হওয়া জল এর বোতল তবে এই জলটি পৌরসভার কল থেকে নেওয়া হয়।

দেশের সবথেকে ধনী মুখ্যমন্ত্রী কে? মমতা ব্যানার্জী বা কত নাম্বারে জেনে নিন সব এক ক্লিকে..

নির্বাচনের আগে প্রার্থী হিসেবে এই মুখ্যমন্ত্রীরা যে সম্পত্তির তালিকা তৈরী করে এডিআর।সংগঠনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশের সবথেকে ধনী মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে প্রথম ১৭৭ কোটি টাকার মালিক ও তার নাম চন্দ্রবাবু নাইডু (অন্ধ্রপ্রদেশ),
তার পর দ্বিতীয় ১২৯ কোটি টাকা পেমা খান্ডু (অরুনাচল প্রদেশ),এবং তৃতীয় ৪৮ কোটি টাকা অমরিন্দ্রর সিংহ (পাঞ্জাব)।আর সবথেকে দরিদ্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি নিয়ে আছে প্রথমে মানিক সরকার (ত্রিপুরা),দ্বিতীয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ৩০ লক্ষ টাকা মমতা বেনার্জী,তৃতীয় ৫০ লক্ষ টাকা মেহবুবা মুফতি (জম্বু কাশ্মীর)।সংগঠনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই গণনা এর জন্য সুপ্রভাত কোনো রকম দায় নেবে না।
Today Bengali News

২০১৮ চাকরি প্রার্থীদের জন্য দারুণ সুখবর নিয়ে এল মোদী সরকার। পড়ুন চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি..

চাকরি চাই তাহলে এটা আপনার, চাকরিপ্রার্থীদের জন্য দারুন সুখবর, সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ইন্ডিয়া স্কিল রিপোর্ট। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট তাই দেশে কর্মসংস্থানে দিকে নজর কেন্দ্র সরকারের। 
বলা হচ্ছে দেশে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ চাকরি নিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।দেশে টেকনোলজি সলিউশন সংস্থার চাকরির হার বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।তবে দুঃখের খবর হলো পশ্চিমবঙ্গে চাকরির হার খুবই কম। কারণ, সব থেকে বেশি কর্মসংস্থানের হিসেবে প্রথম ১০ রাজ্যের তালিকায় নেই বাংলা। তাই বাংলার জন্য চাপ রয়ে যাবে,আইটির দিক থেকে দেখতে গেলেও বাংলার নাম নেই প্রথমে রয়েছে বেঙ্গালুরু ও পরে চেন্নাই, ইনদৌর, লখনউ, মুম্বই এবং নাগপুর। তাই বাংলার জন্য কোনো খুশির খবর নেই। 

রাজনীতির বর্তমান ভাসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী!! পুরো বিসয়টি পড়ুন এবং অবশ্যই আপনার মূল্যবান মতামতটি যানান..

এমন এক সময় ছিল যে সময় সারা বিশ্বে ভারতের স্থান অনেকটা নড়বড়ে ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার আসার পর তা পূরণ হয় এক শক্তিতে যা এখন সারা বিশ্বে রাজ করছে,তিনি আর কেওনা তিনি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার নাম এখন বিশ্বের সব বড় বড় দেশে।

তিনি ভারতকে বিশ্বের দরবারে এমন ভাবে দেখিয়েছেন তার পর সারা বিশ্ব এখন ভারততের মতে চলতে চাই।নরেন্দ্র মোদী হলো বর্তমান রাজনীতির এক ভাসা যা বলে বোঝানো যায়না। বর্তমান রাজনীতিতে তার বিকল্প নেই বা বলা যেতে পারে তাকে টক্কর দেবার মতো কেও নেই।মোদী ম্যাজিক এই ভাসা তার কর্ম ও কার্যক্রমের কেন্দ্রে। এই ম্যাজিক তৈরি করতে হিমসিম খায় সব রাজনেতা কিন্তু তিনি করে দেখিয়েছেন,তার ব্যক্তিত্ত এমন যা সাধারন মানুসের মন কেড়ে নেয়।আর তাকে পেয়ে উল্লাসে মাতোয়ারা গোটা বিজেপি দল।

অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি মেরে পলাতক এই সিপিএম নেতা,দেখুন চাঞ্চলকর তথ্যটি..

রাজনীতির চরম সীমায় চলে গেছে এই রাজনৈতিক দলটি,মত্ত অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলার পেটে লাথি মারার অভিযোগ কেরলের এক সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে।ঘটনার পর পুলিস এক জনকে গ্রেফতার করে কিন্তু মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিস। 
এরপর রক্তপাত শুরু হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপতালে ভর্তি করে সাধারণ মানুস। কিন্তু মহিলাকে বাচানো গেলেও অন্তঃসত্ত্বাকে বাচাতে পারিনি হাসপতাল কর্তিপক্ষ।আসল ঘটনটি হলো প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁদের ঝামেলা শুরু হয় এবং ওই ঝামেলার সময় মহিলার স্বামীকে অপমান করতে দেখে সে পতিবাদের জন্য সেখানে হাজির হয় ও ঠিক সেই সময় সিপিএম নেতা ওই মহিলার পেটে লাথি মারেন বলে অভিযোগ।

প্রিয়া প্রকাশের ভাইরাল গান সাম্প্রদায়িক বলে ঘোসনা এই মুসলিম যুবকের!! দেখুন পুরো বিসয়টি..

দুইদিন ধরে ভাইরাল এই তরুণী,যে সোসাল মিডিয়া খুলুননা কেন সব জায়গায় ভাইরাল এই তরুণী।কে এই তরুণী কথা থেকেই বা আসলো। আসলে এই তরুনীটি হলো মালয়ালম অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ বারিয়ার, বয়স মাত্র ১৮।রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছেন ১৮ এই প্রিয়া। 

তার কাজল টানা চোখ দেখে সবাই তার ভক্ত। কিন্তু এই সবের মধ্যেও চলে এল সাম্প্রদায়িকতা। অভিযোগ আসে এই মালয়ালম গানটির অর্থ বোঝার জন্য গুগল সার্চ করেছিলেন কিছু মানুস সেখানেই গানের ইংরেজি অনুবাদ পড়ে তাঁর মনে হয় গানটি মুসলমান সম্প্রদায়ের আঘাত করছে। এর মধ্যে হায়দরাবাদের থানায় গানের নির্মাতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন মুকিত খান নামে এক যুবক।এর পর ধমকি আর ধমকি প্রিয়া প্রকাশের বিরুদ্ধেও ধমকি আসা শুরু হয়ে যায়।

ওয়েসির সাম্প্রদায়িক মন্তব্যে কড়া জবাব দিয়ে ভারতীয় সেনা যা বলল তা শুনলে আপনিও চমকে যাবেন…

সব সময় কিছু সাম্প্রদায়িক মন্তবের জন্য সবসময় শিরোনামে থাকেন ইনি।ইনি কে ইনি আর কেউ না ইনি হলেন আসাউদ্দিন ওয়েসির। 

এবার তিনি যাদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক আগুন জালালেন তারা ভারতকে রক্ষা কবজ ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনা কোনদিন রাজনৈতিক মহলের সাথে যুক্ত না তা সত্তেও তাদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব করা উচিত ? তিনি বলেন সাম্প্রতিক জঙ্গি হানায় কতজন মুসলিম শহিদ হয়েছেন মঙ্গলবার সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন এআইএমআইএম-এর প্রধান আসাউদ্দিন ওয়েসি। এমন বক্তবের পর ভারতীয় সেনার তরফ থেকে নর্দান কম্যান্ডের চিফ জেনারেল দেবরাজ আনবু বলেন শহিদদের নিয়ে সাম্প্রদায়িকতা করবেন না।

সরকারি কর্মীদের ডিএ নাও দিতে পারে রাজ্য সরকার!! পড়ুন চাঞ্চলকর তথ্যটি..

ডিএ নিয়ে বিতর্ক এখন চিন্তায় রাজ্যে কর্মচারী। ২০০৯ সালের আইনে বলা রয়েছে রাজ্য সরকার ডিএ দিতে বাধ্য কিন্তু তা সত্তেও রাজ্য সরকার এখন বলছে হাইকোর্টে ফের রাজ্য জানাল সরকারি কর্মীদের আইনি অধিকার নেই ডিএ-র উপর সরকারের যদি ইচ্ছে হয় তাহলেই সরকার তা প্রদান করবে।
হাইকোর্ট জানতে চায় ২০০৯ সালের রোপা আইনে বলা রয়েছে রাজ্য সরকার ডিএ দিতে বাধ্য তাহলে আপনি কি মনে করছেন রোপা থাকা সত্ত্বেও ডিএ-র আইনি বৈধতা নেই? মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের করা ডিএ মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি তাতেই এমন কথা উঠে আসে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতনের তুলনায় রাজ্য সরকার বেতন তুলনামূলক খুবই কম।সেই কারণেই এর জন্যই ডিএ আদায়ে হাইকোর্টে যান সরকারী কর্মচারীরা। বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন ডিএ সরকারের এক্তিয়ার তাই এই নিয়ে সিধান্ত নেবে রাজ্য সরকার।

অবশেষে শ্রীনগর সংঘর্ষের শেষে বড় সাফল্য ভারতীয় সেনার…

অবশেসে আজ শেষ হলো জঙ্গি।গতকাল শ্রীনগরের কর্ণনগরে সিআরপিএফের শিবিরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। শিবিরের কাছে সংঘর্ষে নিহত হন এক সিআরপিএফ জওয়ান।আজ সকালে জঙ্গিদের খতম করতে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে সিআরপিএফ ও জম্বু পুলিশ। 
শ্রীনগরে সংঘর্ষ শেষ হওয়ার আগেই আজ ভোরে জম্মুর দোমানায় সেনা ঘাঁটি লক্ষ করে গুলি চালায় জঙ্গিরা।তবে শিবিরে ঢুকতে পারেনি তারা।এই হামলার দায় নেয় লস্কর জঙ্গি সংঘঠন তবে সেনা জানিয়েছে দুই মোটরবাইক আরোহী জঙ্গি শিবিরের মূল ফটকের দিকে এগোলে তাদের থামতে বলেন রক্ষীরা আর তখনই গুলি চালায় জঙ্গিরা।তার জবাব দেয় ভারতীয় সেনা আরঅবশেসে খতম করা হয় দুই জঙ্গিকে ও তার সাথে এই মিসন শেষ হয় ভারতীয় সেনার।
Design a site like this with WordPress.com
Get started