বিরোধীদের চিন্তা বাড়িয়ে মোদী সরকারের সাথেই শিব সেনা?

আগে দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি ও শিবসেনা একসাথে জোটে ছিল। কিন্তু কিছুমাস যাবৎ শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপির সাথে একমত হতে না পেরে বিজেপির বিরোধিতা করতে শুরু করেন। এই সময় বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবে শিবসেনা কোন দিকে ভোট দেয় সেটা নিয়েই একটি ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েচিল। কিন্তু সেই ধোঁয়াশাকে গুরুত্ব না দিয়ে শিবসেনার তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল যে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে তাদের কোনো রকম আগ্রহ নেই তাই অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধেই ভোট দিবে তারা।

এবার অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটি শুরু হবে। তাই শিবসেনা তাদের দলের প্রত্যেক এম পি কে নির্দেশ দেন আজ সংসদে হাজির থাকার জন্য। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউট পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেন যে তাদের লোকসভার ১৮ জন সদস্য প্রত্যেকেই বিজেপি কে সাপোর্ট করবেন। এই ভাবে শিবসেনা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়াতে স্বস্তিতে বিজেপি।

গতকাল সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিজেপির প্রাক্তন শরিক তেলেগু দেশম পার্টি সরকারের প্রতি অনাস্থা আনে, সেটা গ্রহণও করেছেন স্পিকার। তবে এই সকল অনাস্থাপ্রস্তাব কে গুরুত্ব দিতে নারাজ সরকার। তাদের দাবি তারা ৩১৪ জন সদস্যের সমর্থন পাবে লোকসভাতে। তবে এইসবের মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় পরিষ্কার হলো যে মোদি সরকারের পাশেই থাকবে শিবসেনা। আপনাদের জানিয়ে দি বিজেপির সাংসদ সুব্রামানিয়াম স্বামী আগেই ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন যে শিবসেনা কখনোই বিজেপিকে ছেড়ে যাবে না আর সেই দাবিই আজ সঠিক হলো।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2Lz1z4D
24 ghanta

রুশে শরিয়া আদালতের দাবি উঠার পর কট্টরপন্থীদের উদেশ্য রাষ্ট্রপতি পুতিন যা বলেছিলেন…

কোনো দেশ কখনো নিজে নিজে মহান হয়ে যায় না, দেশ তখনই মহান হয় যখন সেই দেশ শক্তিশালী নেতা পায় আর শক্তিশালী নেতা তখনই হয় যখন দেশের জনগণ শক্তিশালী হয়ে একতা ও রাষ্ট্রবাদী হয়ে কাজ করে। তবে যে সমাজ পেট্রল আর পেঁয়াজের দামের ভিত্তিতে ভোট প্রদান করে সেই সমাজে শক্তিশালী নেতা থাকা খুবই কঠিন। আজ কাল আমাদের দেশের কিছু কট্টরপন্থী শরিয়া আদালতের দাবি তুলেছে এমনকি নতুন দেশ তৈরীর দাবি তুলেছে।

এই কট্টরপন্থী মানুষের সংখ্যা যতই বাড়বে ততই এদের দাবি প্রবল হবে। তবে এই ধরণের কট্টরপন্থী যে শুধু ভারতে আছে ইটা নয়, এইরকম কট্টর মানসিকতার লোক রুশেও আছে কিন্তু সেখানে বহুসংখক সমাজ তাদের সাথে অত্যন্ত শক্তভাবে ব্যাবহার করে। রুশেও একবার শরিয়া আদলতের দাবি উঠেছিল কিন্তু সেইসময় রুশের রাষ্ট্রপতি লাদিমির পুতিন এমন বক্তব্য রেখেছিলেন যার পর থেকে আর কারোর মুখে শরিয়া আদালতের কথা শোনা যায় না।

পুতিন বলেছিলেন,
যাদের শরিয়া চাই তারা রুশ থেকে বেরিয়ে যান কারণ এখানে শরিয়া পাবেন না।
আমরা অল্পসংখ্যকদের জন্য আলাদা করে কোনো সুবিধা দেবো না।
রুশে কট্টরপন্থী অল্পসংখকদের কোনো প্রয়োজন নেই বরং অল্প সংখ্যকদের রুশকে প্রয়োজন।
এখনে কোনো শরিয়া বা বাড়তি সুবিধা দেওয়া হবে না তাতে তারা যতই চিৎকার করুক বা ভেদভাব করার জন্য সরকারকে দোষারোপ করুক।

from India Rag https://ift.tt/2LpQoOT
24 ghanta

যোগী রাজে ভোলার ভক্তদের জন্য বিশেষ ঘোষণা!! পুলিশ ছড়াবে ফুল, ডিজে বাজানোর ছাড়।

শ্রাবন মাস আসার সাথে সাথে এবার বাবা ভোলা নাথের যাত্রা শুরু হবে। আর সেই উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বড়ো সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছেন। আসলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন কাবাড় যাত্রা উপলক্ষে ভক্তদের জন্য সমস্থ রকমের বন্দোবস্ত করা হবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যোগী আদিত্যনাথ এর সরকার আসার আগে বাবা ভোলে নাথের ভক্তদের উপর নানরকমের প্রতিবন্ধকতা লাগানো হতো কিন্তু এবার যোগী আদিত্যনাথ সেই সমস্থ প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিয়েছেন। অখিলেশ ও মায়াবতীর আমলে বাবা ভোলে নাথের ভক্তদের এক বিশেষ সম্প্রদায়ের এলাকা দিয়ে যেতে দেওয়া হতো না।

কিন্তু এবার যোগী আদিত্যনাথ পরিষ্কার জানিয়েছেন যে ভক্তরা সমস্থ জায়গা দিয়ে হেঁটে আসতে পারেন আর এর জন্য সরকার ভক্তদের পুলিশের সুরক্ষা দেবে। আগে সরকারের আমলে ডিজে চালানোর উপরেও প্রবন্ধ লাগানো হয়েছিল সেই প্রতিবন্ধক তুলে দিলেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি জানিয়েছেন ভক্তরা অবশ্যই ডিজে চালাবে। ‘কাবাড় যাত্রা ডিজে চালাবে না তো কি শব যাত্রায় ডিজে চালাবে?’- এই বলে বিরোধীদের চরম আক্রমন করেন যোগী আদিত্যনাথ। কাবাড় যাত্রার ভক্তদের উপর আগের সরকার পুলিশ দিয়ে অত্যাচার চালাতো, শুধুমাত্র সংখ্যালঘু তোষণের জন্য। কিন্তু এবার যোগী সরকার জানিয়েছে ভক্তদের জন্য পুলিশ সুরক্ষার কাজ করবে এবং ভক্তদের উপর ফুল ছড়ানো হবে।

ভক্তদের উপর ফুল ছড়ানোর জন্য হেলিকপ্টার এর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন অনেকে। ভক্তদের জন্য সমস্থ জায়গায় মেডিক্যাল টীম ও অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। যদি কোনো ভক্ত অসুস্থ হয়ে যায় তাদেরকে সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ। শুধু এই নয় রাস্তায় রাস্তায় জল খাওয়ানোর জন্য ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন যোগীজি। যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তে রাজ্যজুড়ে প্রশংসার মহল সৃষ্টি হয়েছে এবং ভক্তরা নিশ্চিত যাত্রা করতে পারবেন বলেও তাদের আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

from India Rag https://ift.tt/2uNGFHB
24 ghanta

৩০ টি অবৈধ চ্যানেলকে বন্ধ করলো কেন্দ্র। মোদী সরকারের পদক্ষেপে রেগে লাল কট্টরপন্থীরা।

জম্মুকাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন চালু হওয়ার পর থেকে পাথরবাজ ও আতঙ্কবাদীদের সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো সমস্যা হয়ে উঠেছে। মেহবুবা মুফতি আমলে যেখানে পাথরবাজরা সেনার কাজে বাধা সৃষ্টি করতো তারাই আজ সেনার মারের ভয়ে দৌড় দিচ্ছে। কাশ্মীর ঘাঁটিতে যেসব কট্টরপন্থী চিন্তাধারার প্রচারকরা যুবকদের মধ্যে হিংসা ঢুকিয়ে দিত তাদেরকেও শিক্ষা দিতে শুরু করেছে সেনা। কাশ্মীর ঘাঁটিকে সম্পুর্নরূপে শান্তিস্থল পরিণত করতে উঠেপড়ে লেগেছে মোদী সরকার।

সম্প্রতি মোদী সরকার একটা বড়ো সিধান্ত নিয়েছে যা কট্টরপন্থীদের চোখ কপালে তুলেছে। আসলে কেন্দ্র সরকার জম্মুকাশ্মীরে অবৈধভাবে চালিত ৩০ টিরও বেশি চ্যানেলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে। মোদী সরকার জম্মুকাশ্মীরের ৩০ টি চ্যানেলকে সম্পুর্নরূপে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এই চ্যানেলগুলি কাশ্মীরে অশান্তি ছড়ানোর মুখ্যভূমিকা পালন করতো বলে মনে করা হচ্ছে। এই চ্যানেলগুলি ইসলামিক দেশ পাকিস্থান ও সৌদি আরব থেকে বিনা অনুমতিতে জম্মুকাশ্মীরে চলছিল এবং ভারত বিরোধী প্রচার চালাতো। এই চ্যানেলগুলি ভারতের সেনাবিরোধী প্রচারও চালাতো বলে জানা গিয়েছে যার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে যুবসমাজ সেনাদের উপর পাথরবাজি করতে উস্কানি পেত। নিষিদ্ধ চ্যানেলগুলির মধ্যে পাকিস্থানের পিস টিভি, জিও,এআরওয়াই এর মতো চ্যানেলগুলি রয়েছে। জম্মুকাশ্মীরের কেবেলস অপারেটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা কোনোভাবে ওই চ্যানেল না প্রদান করে।

কিছুদিন আগেই কেন্দ্র সরকার কিছু হোয়াটআপ গ্রুপের উপর কড়া নজর রেখে তাদের এডমিনদের উপর পদক্ষেপ নিয়েছে। আসলে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপের মাধমে কিছু মানুষ জম্মুকাশ্মীরে হিংসা ছড়ানোর কাজ করতো তাদের উপর লাগাম লাগাতেই এই ব্যাবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপগুলিতে রেগে লাল হয়ে রয়েছে দেশে ও ঘাঁটিতে থাকা মেহবুবার মতো কিছু কট্টরপন্থীরা। মেহবুবা তো বিজেপির উপর আক্রমণ করতে গিয়ে গোটা দেশে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার মতো হুমকি দিয়েছে।

from India Rag https://ift.tt/2mtIfL4
24 ghanta

আমিরের পর এবার সাইফ !! ভারতকে ভয়ঙ্কর দেশ বলে অভিহিত করলেন সাইফ আলী খান।

সাইফ আলী খান সেই বলিউড অভিনেতা যার বিবি কিছুমাস আগে কাঠুয়া কান্ড নিয়ে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে প্রচার করছিলেন এবং গোটা বিশ্বকে জানাচ্ছিলেন যে ভারতে মন্দিরে ধর্ষণ করা হয়েছে। এবার সাইফ আলী খানও ভারত সম্পর্কে তার ধারণ জানিয়ে দিয়েছে। সাইফ আলী খান ভারতকে খুব ভয়ঙ্কর ও হিংসরো দেশ বলে দাবি করেছে।

সাইফ আলী খান দাবি করেছে যে বর্তমানে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললে মেরে ফেলা হয়, শুধু তাই নয় সাইফ আলী এর বক্তব্য দুটি আলাদা সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়ে বিয়ে করলে সেই বিষয়েও হস্তক্ষেপ করছে সরকার। আপনাদের জানিয়ে রাখি এটা সেই সাইফ আলী খান যিনি কাঠুয়ার সাজানো ঘটনায় পতিবাদ করতে বেরিয়ে পড়লেও গীতা বা পূজা কারোর ক্ষেত্রেই প্রতিবাদে নামেনি। শুধু তাই নয় কিছু মাস আগে যখন ভারতের বন্ধু দেশ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু ভারত সফরে এসেছিলেন সেই সময় তিনি বলিউড অভিনেতাদের সাথে দেখা করার জন্য একটা সভার আয়োজন করেছিলেন। সেখানে বলিউডের অমিতাভ বচ্চন সহ বড়ো অভিনেতারা উপস্থিত থাকলেও কোনো খান উপস্থিত ছিলেন না। এর কারণ একটাই ইজরায়েল ইহুদিদের দেশ যারা কট্টরপন্থী মুসলিম দেশগুলিকে দাবিয়ে রেখেছিল। আসলে এই সব খান অভিনেতারা পাকিস্থানিদের বন্ধু(পাকিস্থানি অভিনেতাদের) হতে পারলেও ভারতের সবথেকে ভালো বন্ধু ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে পারেন না। এমনকি তুর্কির কট্টরপন্থী জিহাদি রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করার মতো সময় এদের কাছে থাকে কিন্তু ভারতের সবথেকে ভালো বন্ধু ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এর সাথে দেখা করার সময় নেই। যেখানে ইজরায়েলের মতো দেশ প্রত্যেক যুদ্ধে ভারতকে লেজার গাইডেড মিসাইল দিয়ে ভারতের সাহায্য করেছিল সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণকে প্রত্যাখান করে এরা পাকিস্থানি অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেশে ডাকতে তৎপর হয়ে উঠে। ভারত সেই দেশ যেখানে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির মাকে নিয়েও খারাপ কথা বলে, প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করে অপমান করে। ভারত সেই দেশ যেখানে সাইফ আলী খানের বিবি কারিনা খান মন্দিরে ধর্ষণ হয়েছে বলে অপ্রপচার করে বেড়াই। সেই দেশে সম্পর্কেই এখন সাইফ আলী খানের দাবি যে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে বললে নাকি মেরে ফেলা হয়। প্রশ্ন উঠছে ভারত ও ভারতের সরকার এতটাই অসহিষ্ণু হলে তারা এখনো বেঁচে আছেন কিভাবে?

সাইফ আলী খান দাবি করেছে যে দুটি অন্য সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়ে বিয়ে করলেও সরকার নাক গলায়। এখন আপনাদের মনে করিয়ে দি সাইফ আলী খান দুদুটো হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করলো তাদের ইসলামিকরণ করলো, সরকার কি সাইফ আলী খানকে কোনো সাজা দিয়েছে? এমনকি সাইফ আলী খানের বর্তমান বিবি তো তার মেয়ের বয়সী সেই নিয়েও তো সরকার সাইফ আলী খানকে সাজা দেয়নি। আপনাদের জানিয়ে রাখি সাইফ আলী খানের প্রথম বিয়ে অমৃতার সাথে হয়েছিল সেই সময় কারিনা কাপূর এতটাই ছোট ছিল যে কারিনা সাইফকে বিয়ে নিয়ে অভিনন্দন জানালে সাইফ কারিনাকে ‘ধন্যবাদ ব্যাটা’ বলে উত্তর দিয়েছিল। আর এখন সেই কারিনাকে বিবি বানিয়ে নিশ্চিতে দেশের নান প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এমনকি কারিনা ও সাইফ আলী খান তাদের ছেলের নাম দিয়েছে তৈমুর, যে তৈমুর কোটি কোটি হিন্দুর বিনাশ করেছিল। সরকার যদি এতটাই অসহিষ্ণু হতো তাহলে কেন তার ছেলের নাম পরিবর্তন করতে চাপ দিলো না একথা কি মাথায় আসেনি সাইফ আলী খানের? তবে এই প্রথম নয় এর আগেও বলিউডের খানের দল ভারতকে অসহিষ্ণু বলে অপমান করেছে আবার কখনো পাকিস্থানীদের জন্য মরাকান্না কেঁদেছে। যে দেশের সংখ্যাগুরু সমাজ(হিন্দুরা) এই খানদের বিশ্বে জনপ্রিয় করে তুললো আজ সেই হিন্দুবহুল দেশকেই এদের ভয়ঙ্কর মনে হতে শুরু করেছে।

from India Rag https://ift.tt/2zRRvSJ
24 ghanta

মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী তার বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন জানলে আপনিও অবাক হবেন।

এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বিজেপির তরফ থেকে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। সেই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষন দিচ্ছিলেন ঠিক সেই সময় সেখানকার অস্থায়ী প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনার পড়েও প্রধানমন্ত্রী তার ভাষন বন্ধ করেন নি বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও আসল সত্য এই যে মোদীজি ভাষণ কিছুমুহূর্তের জন্য বন্ধ করেন এবং আবার ভাষণ শুরু করেন।
এই ভাষন চালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু সংবাদ মাধ্যম মোদীর অমানবিক আচরণ বলে দাবী করছে। অপর দিকে বিষেষজ্ঞরা মোদীজির এই ব্যাপারটিকে সমর্থন করছেন। তাদের দাবি প্রধানমন্ত্রী মোদীজি যে সময় ভাষন দিচ্ছিলেন তখন সেখানে লক্ষ লক্ষ লোক ছিল। সেখানে তিল ফেলার মত যায়গা ছিল না। উদ্যোক্তারা যতটা পরিমাণ আসা করেছিল ভিড় তার থেকে অনেক বেশি পরিমানে হয়ে গিয়েছিল। সেই ভিড়ের চাপ সহ্য করতে না পেরেই প্যান্ডেলের ছাদ ভেঙে যায় এবং অনেক লোক আহত হন। কিন্তু সেই সময় যদি সেই দুর্ঘটনার কথা মঞ্চ থেকে জানানো হত তাহলে তখন মাঠে হুড়োহুড়ি বেঁধে যেত তার ফলে বহু লোকের প্রান যেত পারত। তাই মোদীজি সেই সময় মঞ্চ থেকে কিছু না বলে তার ভাষন চালিয়ে যান। মোদীজি তার ভাষণকে খুবই বুদ্ধিমত্তার সাথে নিয়ন্ত্রণ করেন। আসলে প্যান্ডেল ভাঙার সাথে সাথে মোদীজি শান্তভাবে ভাঙা প্যান্ডেলের উপর চেপে পড়া ব্যাক্তিদের নামতে বলেন এবং NSG কামান্ডোদের ডেকে আহতদের সাহায্যের নির্দেশ দেন কিন্তু এই নির্দেশ তিনি মাইকের কাছে না দিয়ে কামান্ডের কানে দেন যাতে দূরে থাকা মানুষদের মধ্যে কোনো হৈচৈ শুরু হয়ে যায়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণ চালিয়ে যান।
বিশেষজ্ঞরা মোদীজির ২০১৩ সালের পাটনা সভার কথা মনে করিয়ে বলেন যে সেই সময় মোদীজির সভা চলাকালীন সেখানে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরন হয়েছিল তার ফলে ৬ জন বিজেপি সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিল প্রায় শতাধিক। কিন্তু সেই সময় মোদীজি মঞ্চ থেকে সকল জনগনকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন তার সুবুদ্ধির জন্যই সেই দিন বহু মানুষ পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
একই ভাবে মোদীজি সোমবারের জনসভাতেও ঠিক একই ভাবে বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনে মানুষের মধ্যে গুজব ছড়াকে আটকান এবং অনেক মানুষকে রক্ষা করেন। তাই বিশেষজ্ঞরা মোদীজির উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেন।
#অগ্নিপুত্র

24 Ghanta

আসাউদ্দিন ওয়েসি নতুন জিন্না!! সেনাকে ধর্মের সাথে টেনে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করায় আসাউদ্দিনকে আক্রমণ করলেন সম্বিত পাত্র।

২০১৯ নির্বাচন সামনে আসে সাথে সাথে দেশের রাজনীতি উথাল হতে শুরু করেছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দল নিজের নিজের ভোটব্যাঙ্কে তৈরির জন্য মাঠে নেমে পড়েছে। একদিকে যেখানে কংগ্রেস ‘হিন্দু পাকিস্থান’ এর মতো দেশবিরোধী মন্তব্য করে এক সম্প্রদায়কে তোষণ করা শুরু করেছে তেমনি AIMIM এর প্রধান আসাউদ্দিন ওয়েসিও আবার সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করা শুরু করেছে। AIMIM দেশের এমন একটা রাজনৈতিক দল যারা শুধুমাত্র মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক এর জন্য রাজনীতি করে এবং খোলাখুলি হিন্দুদের মারার হুমকি দেয়।
আসাউদ্দিন ওয়েসীর ভাই আকবর উদ্দিন খোলাখুলি সাম্প্রদায়িক কথা বলে হিন্দুদের শেষ করার হুমকি দিয়েছিলেন। এবার আরো একবার ভোট সামনে আসতেই আসাউদ্দিন ওয়েসি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করেছেন। সম্প্রতি একসভায় ভারতের সেনাবাহিনী ও বিএসএফ নিয়ে রাজনীতি করে বসেন। ওয়েসি বলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ৪ বছরে কতজন মুসলিমকে সিআরপিএফ এ নিযুক্ত করেছে সরকার? ওয়েসি সেনাবাহিনীতে মুসলিম সংখ্যা কথা তুলে ধর্মের রাজনীতি শুরু করেন। এর প্রতিবাদে অবশ্য দেশের সেনা জানিয়েছে যে সেনাকে নিয়ে ধর্ম ও রাজনীতির খেলা খেলবেন না। আমাদের একটাই পরিচয় আমরা ভারতীয় সেনা। আর বিষয় নিয়েই গতকাল এক ডিবেটে বিজেপি এর প্রবক্তা সম্বিত পাত্রে আসাউদ্দিন ওয়েসীর নিন্দা করেন এবং তাকে নতুন জিন্না বলেও কটাক্ষ করেন।আসলে মোহম্মদ আলী জিন্না যেভাবে ধর্মের নাম দেশকে বিভক্ত করেছিল আসাউদ্দিন ওয়েসি সেইভাবেই দেশকে ধর্মের নাম ভেতর থেকে ভেঙে ফেলছেন সেই ভিত্তিতেই আসাউদ্দিন ওয়েসিকে আক্রমণ করেন সম্বিত পাত্র।
তিনি বলেন মাতৃভূমি রক্ষা পরমধর্ম এখানে ওয়েসি রাজনীতি শুরু করেছেন যা সম্পুর্নভাবে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি দেয়। ডিবেটে এক মৌলানা আসাউদ্দিন ওয়েসীর পক্ষ নিয়ে বলছিলেন তাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আজ যে মৌলানা সেনায় অংশ চাই বলে রাজনীতি সামপ্রদিকতার রাজনীতি করছে তারাই কাল আরো একটা পাকিস্থান চাই বলে দাবি জানাছিল। সেনা দেশের সবার, হিন্দু,মুসলিম,শিখ বা খ্রিস্টানদের নয় তাই সেনাকে ধর্ম নিয়ে টানা মানে ভণ্ডামি করা। দেখুন ভিডিও-

24 Ghanta

দেশবিরোধী অভিযোগে স্বামী অগ্নিবেশকে পেটালেন বিজেপির যুবমোর্চার ছেলেরা।

স্বামী অগ্নিবেশ যিনি নিজেই নিজের নামের আগেই স্বামী লাগিয়ে নিজেকে হিন্দুদের স্বামী বলে প্রচার করেন। আজ স্বামী অগ্নিবেশকে ঝাড়খণ্ডে বিজেপির যুবা মঞ্চের যুবকে পিটিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর এই বিষয় নিয়েই মিডিয়া বিজেপি বিরোধী প্রচার শুরু করে দিয়েছে। আসলে কিছু মিডিয়া ও বিরোধীরা প্রচার করছে এই যে বিজেপি একটা হিন্দু স্বামীজিকে পিটিয়েছেন। আর এই অপপ্রচার চালিয়ে তারা প্রমান করতে ব্যাস্ত হয়েগিয়েছে যে বিজেপি একটা হিন্দু বিরোধী পার্টি যারা একটা গেরুয়া বস্ত্র পরা ব্যাক্তিকে পিটিয়েছে।

আসলে এই অগ্নিবেস এর অভিযোগ ছিল যে তিনি খ্রিস্টান মিশনারিদের সাথে মিলে আদিবাসীদের উস্কানি দিচ্ছিলেন দেশ বিরোধী কাজ করার জন্য। হ্যাঁ এটা ঠিক যে গনতান্ত্রিক দেশে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া উচিত নয়। তবে এই হিন্দু নামধারী এই অগ্নিবেসের বিরুদ্ধে এমন কিছু তথ্যে রয়েছে যা জানার পর আপনিও রেগে যাবেন। আসলে আপনার যদি আগে কখনো এই অগ্নিবেস এর নাম শুনে থাকেন তাহলে জানবেন যে ইনি বেশিরভাগ সময় কংগ্রেসের পক্ষ নিয়েই কথা বলতেন এবং কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নবাদী নেতাদের সাথে এনার খুব কাছের সম্পর্ক ছিল। জানলে অবাক হবেন স্বামী অগ্নিবেশ ইয়াসিন মাল্লিকের এর সাথে হাঙ্গার স্ট্রাইক এ বসেছিলেন। পাকিস্থানি সমর্থক ইয়াসিন মাল্লিকের বক্তব্য ছিল যে কাশ্মীরি পন্ডিতদের যেন কাশ্মীরে ফিরিয়ে আনা না হয়। আসলে মোদী সরকার জানিয়েছিল যে কাশ্মীরে কাশ্মীরি পন্ডিতদের জন্য একটা টাউন তৈরী করে সেখানে তাদের ফেরানো হবে। কিন্তু হিন্দুবিরোধ ইয়াসিন মাল্লিক কাশ্মীরি পন্ডিতদের না ফেরানো জন্য স্ট্রাইক এ বসেন আর তার সাথে বসেন এই হিন্দু নামধারী স্বামী অগ্নিবেশ।

শুধু এই নয় স্বামী অগ্নিবেস সংখ্যালঘু যুবকদের বন্দেমাতারম না বলার জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন। এমনকি অমরনাথ যাত্রার বিরুদ্ধেও মন্তব্য করেছিলেন এই স্বামী অগ্নিবেশ। এইসকল তো বাদ দিন স্বামী অগ্নিবেশ বিদেশেও ভারতবিরোধী কার্যকলাপের জন্য কুখ্যাত হয়েছেন। স্বামী অগ্নিবেশ বিদেশে গিয়ে ভারতের এমন মানচিত্র দেখান যেখানে কাশ্মীরকে ভারত থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন এই বিষয় পরিষ্কার যে স্বামী অগ্নিবেশ কি ধরণের স্বামী ছিলেন।

from India Rag https://ift.tt/2uJBYP4

ভারতের ইসলামিক পতাকার সাথে পাকিস্থানের পতাকার মিল থাকায় পতাকা ব্যান করতে কড়া পদক্ষেপ নিলেন রিজভী।

মুসলিম এলাকা গুলিতে সাধারণত বাঁকা চাঁদ যুক্ত সবুজ রং এর পতাকা উড়তে দেখা যায়। এই পতাকা মূলত পাকিস্তানকেই ইঙ্গিত করে এমনি দাবি করে আদালতের দারস্ত মুসলিম সমাজের একাংশ। তাই সুপ্রিমকোর্ট এর একটি মামলার নিরিখে সেই দৃশ্য এবার বন্ধ হতে যাবার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। পাকিস্তানের মত পতাকা এবার ভারতবর্ষতে নিষিদ্ধ হতে চলেছে। মুসলিম সমাজের একাংশের দাবি, পাকিস্থানের জাতীয় পতাকার মতোই(একটু আলাদা)দেখতে ভারতের ইসলামিক পতাকা। আর তাই এই ব্যাপারটিকে না মানতে পেরে মুসলিম সমাজের একাংশ সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছে। এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার আগে শীর্ষ আদালত পুরো বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চেয়েছেন। অনেক সময় অন্য সম্প্রদায়ের মানুষ ইসলামিক পতাকাকে পাকিস্থানি পতাকা ভেবে ভুল করে নিজেদের মধ্যে বিভেদকারী মানসিকতা তৈরী করে বলেও দাবি অনেকের।

মুসলিম সমাজের একাংশের দাবি যে মুসলিম প্রধান এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কিংবা বাড়িতে এই ধরনের পতাকা দেখা যায়। এটা আসলে ইসলামিক ফ্ল্যাগ নামে পরিচিত। এই পতাকা কোনো ভাবেই পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে না। কিন্তু সিয়া ওয়াকফ বোর্ডের তরফে সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলেন যে, এই পতাকা সরাসরি পাকিস্তানের নয় এটা ঠিক কিন্তু এই পতাকার মিল রয়েছে মুসলিম লিগের পতাকার সাথে। আর এই মুসলিম লিগ পাকিস্তানের অন্তর্গত, তাই তার প্রশ্ন তাহলে এই পতাকা কেন ভারতে উড়ানো হবে? তিনি আরও বলেন যে এই পতাকা মুম্বাই সহ দেশের অনেক অংশেই উড়তে দেখা যায়। এই পতাকা সাম্প্রদায়িকতা বাড়াতে সাহায্য করে। এই পতাকা উড়ালে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ প্রকোট রুপ ধারন করে।

তাছাড়া তিনি আরও বলেন যে এই পাকিস্তান আমাদের শত্রু দেশ। ক্রমাগত তারা ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। ভারতকে আক্রমণ করছে বিভিন্ন ভাবে। তাই তাদের দেশের সাথে সাদৃশ্যযুক্ত কোনো পতাকা আমাদের দেশে উড়ানো উচিৎ নয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন যে অনেকে ধর্মীয় বিশ্বাসের ফলে ইসলামিক ফ্ল্যাগের দোহাই দিয়ে মুসলিম লীগের পতাকাই উড়িয়ে ফেলেন। যার ফলে বিভাজনের ইতিহাসকে বর্তমান সমাজে টেনে আনা হচ্ছে। সুতরাং ভারতবর্ষে নিষিদ্ধ হওয়া উচিত এই ধরনের পতাকা। এই সব নানান দাবি তিনি সুপ্রিমকোর্টে পেশ করেন। বিচারপতি এ কে সিকরি ও অশোক ভূষণের ডিভিশন বেঞ্চ এই পুরো ব্যাপারটি শোনেন এবং এই ব্যাপারে কেন্দ্রের মতামত জানতে চেয়েছেন তারা। কেন্দ্রের মত থকলে ভারতবর্ষে খুব তাড়াতাড়ি এই ধরনের পতাকা বন্ধ হতে চলেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

Video-

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2ur8lD8

মোদী বিরোধী জোটে বড়ো ফাটল!! ২০১৯ নির্বাচনের আগেই কি হার মেনে গেল বিরোধীরা?

একদিকে যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের গরিবি, দুর্নীতিকে হারানোর জন্য নিজের সমস্থ শক্তি প্রদান করেছেন সেইসময় দেশের বিরোধীদলগুলি মোদীকে হারানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু ২০১৯ এর নির্বাচনের আগে মোদী বিরোধীরা জোট হয়ে মোদী বিরোধীতা করা তো দূর, নিজের এক হতে পারবে কিনা সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেগেছে। আসলে কিছুমাস আগে কর্নাটকে ডি কুমারস্বামী শপদ গ্রহণের সময় যেভাবে সোনিয়া, মায়াবতী, মমতা এক হয়েছিল তাতে মনে করা হচ্ছিল যে বিরোধীরা জোট হয়ে মোদী বিরোধতায় নামতে পারবে।

কিন্তু এখন যা খবর সামনে আসছে তাতে মহাজোটবন্ধন গড়ে উঠবে কিনা তাই নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ হচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে সোনিয়া ও মায়াবতী কিছুমাস আগে গলাগলি করে মহাজোটবন্ধন করার গল্প বলছিলেন তারাই আজ একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। মায়াবতী সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর উপর আক্রমন করে যা বলেছেন তাতে তোলপাড় পুরো রাজনৈতিক মহল। আসলে বসপা এর সুপ্রিমো মায়াবতী রাহুল গান্ধীর উপর আক্রমণ করে বলেন রাহুল গান্ধী কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। কারণ তার চেহেরার তার বাবার থেকে বিদেশি মায়ের ছাপ বেশি। বসপার মতে ইতালির এন্টোনিয়া মিয়ানোর(সোনিয়া গান্ধী) এর ছেলে কখনো মোদীর সাথে পেরে উঠবেন না। মোদীকে টক্কর দিতে পারলে একমাত্র মায়াবতীই পারবেন। মায়াবতীর এই মন্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে মোদী বিরোধী কে জোটবন্ধনের কথা বলা হচ্ছিল তা সম্ভবত হয়ে উঠবে না।

অন্যদিকে কর্নাটকে কংগ্রেস ও জেডিএস যে জোট বন্ধন করেছে সেখানেও ফাটল ধরেছে বলে জানা গিয়েছে। এখন বাকি বলতে কেজরিওয়াল ও মমতা যাদের সমর্থকরা তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।কিন্তু অন্যদিকে রাহুল গান্ধী এই মহাজোটবন্ধনের নেতৃত্ব দেবেন বলে ঠিক করেছে কংগ্রেস। তাই ২০১৯ এর নিবার্চনের আগে এই জোটবন্ধন নিজেদের একত্র করতে পারবে কিনা তাই নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে শুরু করেছে।

from India Rag https://ift.tt/2uF7i1v

Design a site like this with WordPress.com
Get started