আগের মুখ্যমন্ত্রীরা যা করতে পারেননি তা মাত্র ১৬ মাসে করে রেকর্ড গড়লেন যোগী আদিত্যানাথ।

দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে নরেন্দ্র মোদীজি আসার পর থেকে অনেক বড় বড় কাজ করে দেশবাসীকে চমকে দিয়েছেন। আর এই চমক দেওয়ার মধ্যে একটা ছিল উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে যোগী আদিত্যানাথকে নিয়ে আসা। আপনাদের জানিয়ে রাখি উত্তরপ্রদেশ দেশের সবথেকে বড় রাজ্য যেখানে গুন্ডামি ও অপকর্মের কাজ ছিল চরমে। সেই উত্তরপ্রদেশকে উত্তম প্রদেশে পরিণত করার জন্যে যোগী আদিত্যনাথকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়। আসলে আগের অখিলেশ ও মায়াবতীর আমলে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের অবস্থা এতটাই নীচে নেমেগেছিলো যে আইনকানুন ও শাসনব্যাবস্থার উপর থেকে জনগণের ভরসায় উঠেগেছিলো। কিন্তু যোগী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে উত্তরপ্রদেশে আবার সুশাসন ফিরে এসেছে। জানলে অবাক হবেন অন্য সরকারের আমলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাছা কয়েক জেলা ছাড়া আর কোথাও ভ্রমণ করতেন না কিন্তু এক্ষেত্রেও যোগী আদিত্যানাথ রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন।

যোগী আদিত্যানাথ তার ১৬ মাসে উত্তরপ্রদেশের ৭৫ টি জেলা ভ্রমণ করে ফেলেছেন। এক আধিকারিক জানান যোগী আদিত্যানাথ ১ মার্চ ২০১৭ টর মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব বসেছিলেন। আর তখন থেকেই তিনি সমস্ত জেলায় জেলায় গিয়ে সরকারের কাজের দেখাশোনা করতে শুরু করেছিলেন। আধিকারিক বলেন, গতকাল মুখ্যমন্ত্রী হাথেরাস সফরের পরেই মুখ্যমন্ত্রী ৭৫ টি জেলা সফর সম্পুর্ন করেন যা আগের কোনো মুখ্যমন্ত্রী করেননি।

যোগী আদিত্যানাথ এই জেলাগুলি ভ্রমণের সময় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নের ব্যাপারে স্থানীয় প্রসাশনকে সচেতন করতেন। আধিকারিক জানান যোগী আদিত্যনাথ যে শুধু ৭৫ টি জেলা ঘুরে চলে এসেছেন সেটা নয়, বরং প্রয়োজনে কিছু জেলা উনি বারবার গিয়ে ভ্রমণ করেছেন। জানলে অবাক হবেন আগের মুখ্যমন্ত্রীরা নয়ডা যেতেন না কারণ তাদের মধ্যে অন্ধবিশ্বাস ছিল যে নয়ডা গেলে মুখ্যমন্ত্রী পদ চলে যাবে কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ সেই নয়ডা ৪ বার গিয়ে অন্ধবিশ্বাসকে ভেঙে ফেলেছেন।

শুধু এই নয় যোগীজি তার জেলা সফরের সময় যদি কোনো জেলায় রাত কাটাতেন তাহলে তিনি ফাইভ স্টার হোটেলের বা অফিসের বদলে বেশিরভাগ মঠ বা মন্দিরের খোঁজ করতেন। আসলে মুখ্যমন্ত্রী একজন যোগী হওয়ার জন্য উনার মনে ভোগ বিলাসের বা লোভের কোনো স্থান নেই আর সেই জন্যেই তিনি মঠে বা মন্দিরে রাত কাটাতে পছন্দ করতেন। যোগী আদিত্যনাথ বিগত ২ দিনে ৭৪ তম ও ৭৫ তম জেলা সফর সম্পূর্ন করেছেন যার জন্য বিজেপির তরফে যোগী আদিত্যনাথকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়েছে, যে উনি জনকল্যাণকে লক্ষ রেখে এবং সাবকা সাথ সাবকা বিকাশকে নীতি করে কাজ করে চলেছেন।

from India Rag https://ift.tt/2LxGCKw
24 ghanta

জম্মুকাশ্মীরে সরকার ভাঙার পর কাশ্মীর ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে এল আতঙ্কবাদী হামলার রিপোর্ট।

জম্মুকাশ্মীরে ক্রমাগত বেড়ে চলা সন্ত্রাসবাদের উপর লক্ষ করেই বিজেপি, মেহবুবা মুফতির সাথে অর্থাৎ পিডিপির সাথে জোট ভেঙেছিল। যার পরে জম্মুকাশ্মীর রাজ্যে সরকার পড়ে যায় এবং রাজ্যপাল শাসন জারি হয়। পিডিপির উপর থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বিজেপি জানিয়েছিল সেনা আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে যে অপেরাশন করছে তাতে রাজ্য সরকার সাহায্য করছে না এবং পারথবাজদের উপরেও রাজ্যের প্রশাসনের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। অমিত শাহ জানিয়েছিলেন মেহবুবা মুফতি জম্মুকাশ্মীরের জম্মু ও লাদাক এলাকা নিয়ে ভেদাভেদ করছে অর্থাৎ কেন্দ্র লাদাক ও জম্মুর জন্য যে টাকা রাজ্যকে দিচ্ছিল তা খরচ হচ্ছিল না। এমনকি সেনার অল আউট অপেরাশন শুরু করতেও বাঁধা দিচ্ছিল মেহবুবা মুফতি। কিন্তু রাজ্যপাল শাসন শুরু হওয়ার সাথে সাথে সেনা একশন শুরু করে এবং আতঙ্কবাদীদের মেরে ফেলতে শুরু করে।

আপনি জানলে অবাক হবেন রাজ্যপাল শাসন জারি হওয়ার পর থেকে সেনার হাত খুলে যায় যার কারণে এখন আতঙ্কবাদী ও জিহাদিদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। রাজ্যপাল শাসন জারি হওয়ার পর থেকে ঘঁটিতে হওয়া ঘটনা নিয়ে যে রিপোর্ট সামনে এসেছে তা বিরোধীদের হোশ উড়াবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক দ্বারা জারি করা রিপোর্ট অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আতঙ্কবাদী আক্রমণ বড় সংখ্যায় কমে গেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী সেনার কাজে যে পাথরবাজরা বাধা প্রদান করতো তাদের উপরেও একশন নেওয়া হচ্ছে।

রমজানের সিজ ফাইয়ারের সময় আতঙ্কবাদীরা লাগাতার কাশ্মীর ঘাঁটিতে প্রবেশ করছিল কিন্তু এখন ঘাঁটিতে প্রবেশ করার আগে তারা ১০০ বার চিন্তা করছে বলে জানা গিয়েছে কারণ সেনা জওয়ানরা তাদের তৎকাল উপরের টিকিট ধরানোর জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। উল্লেখ মেহবুবা মুফতির সময় ১৬ মে থেকে রমজান শুরু হওয়ার পর আতঙ্কবাদী ঘটনা বেড়েই চলেছিল তাই বিজেপি পিডিপির উপর থেকে সমর্থন তুলেনিয়েছিল।

যার ফলস্বরূপ গত একমাসে ৪৭ টি আতঙ্কবাদী ঘটনা ঘটেছে যেখানে মেহবুবা সময় ১ মাসে ৮০টি আতঙ্কবাদী ঘটনা ঘটেছিল। আসলে এখন আতঙ্কবাদীরা ও পাথরবাজরা জিহাদি মেহবুবা মুফতির সমর্থন পাচ্ছে না এবং একই সাথে সেনার হাত খুলে দেওয়া হয়েছে তাই লাগাতার ঘাটির অবস্থা উন্নতি হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্র জম্মুকাশ্মীর থেকে উস্কানিমূলক ৩০ টি টিভি চ্যানেল বন্ধ করেছে এবং হোয়াটআপ গ্রুপের উপর নজরদারি রাখা শুরু করে দিয়েছে যাতে কাশ্মীর ঘাঁটিতে শান্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখা যায়।

from India Rag https://ift.tt/2NHnLdB
24 ghanta

কাশ্মীর থেকে বিতাড়িত হিন্দুদের বাড়ি ও ২১ লক্ষ টাকা দেওয়ার ঘোষণা মোদী সরকারের।

কিছু দিন আগে বিজেপি জম্মু-কাশ্মীর থেকে তাদের জোট সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিল। এখন সেখানে রাজ্যপাল শাসন জারি হয়েছে। এই সমর্থন তোলার মাধ্যমে বিজেপি সবাই কে বুঝিয়ে দিয়েবহিল যে এবার জম্মুকাশ্মীরে জিহাদি ও দেশবিরোধী শক্তিকে দমন করার সাথে সাথে ৯০ এর দশকে যে হিন্দুদের গণহত্যা করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তাদের জন্য সুব্যবস্থা করবে কেন্দ্রের মোদী সরকার। আর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কেন্দ্রের মোদী সরকার এবার এই কাশ্মীরের হিন্দু পন্ডিতদের জন্য নিতে চলেছে বড়ো পদক্ষেপ। জানা যাচ্ছে যে ৯০ এর দশকে কাশ্মীরে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে সেখানকার অনেক হিন্দু পরিবার সহ কাশ্মীরী পন্ডিত বা কাশ্মীরের ভূমিপুত্ররা কাশ্মীর ছাড়তে বাধ্য হয়। তাদের উপর তখন অকথ্য অত্যাচার করা হত। তাই তারা কাশ্মীর ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। আপনাদের জানিয়ে রাখি মোদী সরকার যখন কাশ্মীরি পন্ডিতদের জন্য আলাদা করে টাউনশিপ করার কথা বলেছিল সেই সময় কট্টরপন্থী জিহাদি ও বেশকিছু সেকুলারপন্থীরা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে পথে অনশনে বসেছিল যাদের মধ্যে আতঙ্কি সমর্থক ইয়াসিন মল্লিক ও ভন্ড স্বামী অগ্নিবেশও ছিলেন।

কিন্তু মোদী সরকার এই হিন্দু বিরোধীদের তোয়াক্কা না করেই কাশ্মীরি হিন্দু পন্ডিতদের আবার তাদের নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রের মোদী সরকার ইতিমধ্যে তাদের জন্য বাড়ির নির্মান করা শুরু করে দিয়েছেন। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী তাদের জন্য বাড়ি বানানো হবে উত্তরে বারামুলা, রাজ্যের দক্ষিনে অনন্তনাগ এবং কুপওয়ারাতে এই ক্লাস্টার বানানো হচ্ছে। এছাড়া এই ক্লাস্টার বানানো হচ্ছে শ্রীনগরের কাছেও। কাশ্মীরের চারিপাশে যেখানে যেখানে এই বাড়ি বানানো হবে সেখানে অন্য ধর্মের লোকেদের বাড়ী বানানো বা ঢোকা নিষিদ্ধ থাকবে। এখানে যত গুলি বাড়ি বানানো হবে সেই সব বাড়ি একই রকমের হবে।

জানা যাচ্ছে যে কাশ্মীরের হিন্দু পরিবার গুলি কে সুরক্ষিত করার জন্য এবং তাদেরকে আবার নিজেদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্যই কেন্দ্র সরকার সেখানকার রাজ্য সরকারের থেকে জোট প্রত্যাহার করে নেন। কারন সেখানকার মেহেবুবা সরকার কেন্দ্রের এই কাজে বাঁধা সৃস্টি করছিল। সেখানকার জঙ্গীদের নির্মূল করতে লাগাতার অপারেশন করা হয়। আরও জানা যাচ্ছে যে এদেরকে নতুন বাড়িতে পাঠানো হবে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগেই।

শুধু তাই নয় প্রত্যেক পরিবারকে ২১ লক্ষ টাকা করেও দেবে কেন্দ্র সরকার তাদের নুতন জীবন ভালো ভাবে শুরু করার জন্য। একটি পরিসংখ্যানে জানা যাচ্ছে যে সারা দেশে প্রায় ৬২ হাজার কাশ্মীরি হিন্দু ছড়িয়ে আছেন। ৯০ এর দশকে কংগ্রেস সরকারের সাহায্যে যাদের উপর গণহত্যা চালানো হয়। সেই সময়কার কংগ্রেস সরকারের কাছে কোনো রকম সাহায্য না পেয়ে প্রান বাঁচাতে তারা কাশ্মীর ছাড়তে বাধ্য হন। জানা যাচ্ছে যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে আগামী অক্টোবর মাসে এই প্যাকেজ ঘোষণা করা হতে পারে।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2NGcDNN
24 ghanta

দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখে ইউনাইটেড নেশন এর মন্তব্য প্রত্যেক দেশভক্তের বুক চওড়া করবে।

মোদী সরকার আসার পর থেকে ভারত বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ হিসেবে উপস্থাপিত হতে শুরু করেছে। বিশ্বের সবথেকে বড় এজেন্সির IMF এর দাবি চীনকে পেছনে ফেলে ভারত এখন বিশ্বের সবথেকে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থবাবস্থায় পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে ফ্রান্সকে পেছনে রেখে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বড়ো আর্থিক ব্যাবস্থায় পরিণত হয়েছে এই মাসেই। আজ বিশ্বে World Bank, IMF, WEF এর মতো  বড় বড় সংস্থা ভারতের দাপটকে মান্যতা দিয়েছে। কিন্তু ইতিহাসে এই প্রথমবার মোদী সরকারের নিয়ে সংযুক্ত রাষ্ট্র যে বার্তা দিয়েছে তা জানার পর প্রত্যেক দেশভক্তের বুক চওড়া হয়ে উঠবে। আজ  ভারতের সম্পর্কে সংযুক্ত রাষ্ট্র এমন কথা বলেছে যা আপনার বিশ্বাস করতে পারবেন না।

আজ সংযুক্ত রাষ্টের মন্তব্যের পর মোদী বিরোধীরা উপলদ্ধি করতে পারবে যে দেশ ৭০ বছর পর কত শক্তিশালী,মজবুত হাতে পড়েছে। ইউনাইটেড নেশন এর রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত শুধু এশিয়ায় নয় পুরো বিশ্বে ভারী পড়তে পারে। সংযুক্ত রাষ্টের একজন বরিষ্ট আধিকারিক জানিয়েছেন যে ২০৩০ এ বিকাশ এর জন্য যে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছেম। উনি বলেন ২০৩০ এর জন্য যে লক্ষ রাখা হয়েছে তার সফলতা শুধুমাত্র ভারতের উপর নির্ভর করবে। এর অর্থ ভারতের সফলতার উপরেই পুরো বিশ্বের সফলতা নির্ভর করবে।

এটা কোনো ছোটখাটো কথা নয় আর এটা কোনো ছোটখাটো ব্যক্তিও বলেননি। আমেরিকা, চীনকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ভারতের জন্য এমন মন্তব্য করা ভারতীয় জন্য একটা গৌরবের বিষয়। সংযুক্ত রাষ্টের মতো আন্তর্জাতিক ও শক্তিশালী সংগঠনের আধিকারিকের এমন বক্তব্য সত্যিই ভারতের মোদী সরকারের একটা বড় উপলদ্ধি। কারণ মোদী সরকার যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাতে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে ভারত খুব তাড়াতাড়ি শক্তিশালী দেশগুলিকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ক্ষমতা অর্জন করবে।

ব্যাপারটা ভেবে কিছুটা অবাস্তব লাগলেও মোদী সরকার যেভাবে ভারতকে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী করছে তাতে এ নিয়ে সন্দেহ করা উচিত নয়। যদিও কংগ্রেস এর বড়ো বড়ো অর্থশাস্ত্রীরা  ও অমর্ত্য সেনের মতো কংগ্রেস সমর্থনকারীদের এখনোও ভারতের অবস্থা খুব খারাপ ও দুর্দশাপূর্ন বলে মনে হচ্ছে। ভারত কিভাবে মজবুত অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে তা জানার জন্য এবার হয়তো তাদের সংযুক্তরাষ্ট্রের আধিকারিকের কথা শোনা উচিত।

from India Rag https://ift.tt/2NBaOSo
24 ghanta

এবার অন্য দল ছেড়ে বিজেপিতে কতজন যোগ দিল জানলে মোদীবিরোধীদের চোখ কপালে উঠবে।

দেশে বর্তমানে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে দেশের সকল মোদী বিরোধী পার্টির উপর থেকে তাদের নিজেদের কর্মী সমর্থকদেরই ভরসা উঠে যাচ্ছে। তাই সব পার্টি থেকে এখন বিজেপিতে যোগদান করছেন হাজার হাজার কর্মী সমর্থক।
দেশের যেসকল স্থান থেকে বিজেপির সদস্য সংখ্যা সবথেকে বাড়ছে তা হলো পশ্চিমবঙ্গ আর পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেও উত্তরবঙ্গের এলাকায় বিজেপি দিন দিন আর শক্তিশালী হচ্ছে। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের দুই জেলাতে দেখা গেল প্রচুর দলছাড়া মানুষ যাদের মধ্যে বিজেপিতে যোগদান করার এক প্রবল হিড়িক দেখা গেল। রবিবার বিজেপির তরফ থেকে একটা সভা অনুষ্ঠিত করা হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের করদহ হাইস্কুল মাঠে। সেখানে স্থানীয় আরএসপি’র সুব্রত বিশ্বাসের নেতৃত্বে আরএসপি’র লক্ষ্মী মুর্মু যিনি রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা, জেলাপরিষদের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান সহ প্রায় দশ হাজার কর্মী সমর্থক বিজেপিতে যোগদান করেন সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

অন্যদিকে আরেক জেলা মালদহ সেখানেও বিরোধ পার্টির অনেক নেতা বিজেপিতে আসেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর মালদহ জেলার গাজলে জেলার নাম করা সপা নেতা মিলন দাসের নেতৃত্বে একটি সভা করা হয় সেখানে প্রায় ৬০০০ কর্মী সমর্থক বিজেপি তে আসেন। সেই সাথে সমাজবাদী পার্টির বহু নেতা সেই দিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। করদহ হাইস্কুল মাঠে দিলীপ ঘোষ তার বক্তৃতা দেবার সময় বলেন যে ২১শে জুলাই শনিবার কলকাতাতে শহিদ দিবসের নাম করে সার্কাস হয়েছে। তিনি বলেন যে সেই দিন সেখানে অনেকে তৃনমূলে যোগদান করেন কিন্তু তাদের মধ্যে জনবল বলে কিছু নেই৷

তিনি তৃনমূলে যোগদান করা নেতাদের কটাক্ষের শুরে বলেন যে, যেসব নেতাদের তাদের পার্টি দল থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন, যাদের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয় না সেই সব বাকি খাতার নেতারা এখন তৃনমূলে যোগদান করছেন। এদেরকে আগামী নির্বাচনে ভোটে দাড় করালে নিজেদের পরিবারই তাদের ভোট দেবেন না। কিন্তু বিজেপিতে যারা যোগদান করছেন তাদের জনবল আছে। তবে শুধু উত্তরবঙ্গেয় নয়, একই সাথে দক্ষিণবঙ্গেও বিজেপিতে ব্যাপক হারে যোগ দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।

মাত্র কিছুদিন আগেই পুরুলিয়ার বলরামপুর এলাকায় তৃণমূল শুন্য করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে তৃণমূল নেতা কাউন্সিলার সহ হাজার খানেক কর্মী। এমনকি দক্ষিণ দিনাজপুরের পনিশালা থেকেও সিপিএম,কংগ্রেস ছেড়ে বহু নেতা কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছে। কংগ্রেস ও CPIM থেকে ২৫,০০ কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। বিশেষজ্ঞদের দাবি বিজেপি যে হারে রাজ্যে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে ২০২২ এর মধ্যে রাজ্যে বিজেপি শাসন আসার অনেকাংশে সুযোগ রয়েছে।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2Ljb77A
24 ghanta

মোদী সরকারের কূটনৈতিক প্রভাবে ভারত পেল এক বড়ো সাফল্য।

সাংসদে অবিশ্বাস প্রস্তাবে বাজিমাত করার পর মোদী সরকারের আরো একটা বড় সফলতা সামনে আসছে। এই সফলতা মোদী সরকারের কূটনৈতিক জয়ের একটা খবর। আসলে এশিয়ার একটা ছোট দেশ মালদ্বীপকে নিয়ে চীন অনেক কূটনৈতিক চাল খেলে আসছিল। আসলে চীনের উদেশ্য ছিল যে করেই হোক মালদ্বীপকে চীনের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া। তবে মোদী সরকারের কূটনীতিক চালের প্রভাব এবার দেখা যেতে শুরু করেছে। মোদী সরকারের কূটনৈতিক প্রভাব যেভাবে বিশ্ব স্তরের মধ্যে প্রভাব ফেলছে তাতে আপনাকেও মোদীজির সুনাম করতে হবে। কারণ মালদ্বীপ নিয়ে এবার যে খবর সামনে আসছে তা ভারতের জন্য অনেক বড়ো সফলতা। আপনাদের জানিয়ে রাখি কিছুমাস আগে মালদ্বীপ ভারতকে জানিয়েছিল যে ভারত যেন তাদের দুই ALH হেলিকপ্টার ও ৫০ কর্মীকে মালদ্বীপ থেকে সরিয়ে নেয়। ভারত সেইমতো দুই হেলিকপ্টার ও ৫০ কর্মীকে সরিয়ে আনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

কিন্তু এবার মালদ্বীপ তাদের মত পরিবর্তন করে জানিয়েছে যে ভারতের তাদের হেলিকপ্টার ও কর্মীদের মালদ্বীপে রাখতে পারে। এর অর্থ এই যে মালদ্বীপ সরকার ভারতের দুই হেলিকপ্টার ও কর্মীদের মালদ্বীপে রাখতে রাজি হয়েছে। মালদ্বীপের এই পদক্ষেপের পর দুই দেশের সম্পর্ক খুব ভালো হয়ে উঠছে যা ভারত সরকারের জন্য একটা বড়ো সাফল্য। আপনাদের আরো জানিয়ে দি, মালদ্বীপ সুমুদ্র তীরে অবস্থিত একটা দেশ, যার সামুদ্রিক সুরক্ষা ভারতীয় নৌসেনা করছে কিন্তু চীন চাইছিল যে ভারতের হাত থেকে যেভাবেই হোক মালদ্বীপ বেরিয়ে যাক।

আর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেখে সকলেই মনে করেছিল যে মালদ্বীপ ভারতের হাত থেকে চলে যাবে এবং সুমদ্রে চীনের দাপট আরো একবার বেড়ে যাবে কিন্তু মোদী সরকার তা হতে দেয়নি। মালদ্বীপ যেভাবে চীনের থেকে মুখ ঘুরিয়ে ভারতের দিকে তাকিয়েছে তাতে মোদী সরকারের জন্য একটা অনেক বড় সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।রাজনৈতিক ব্যাপার হোক বা পরিবেশজনিত কোনো সমস্যা সব ক্ষেত্রেই মোদী সরকারের আমলে ভারত মালদ্বীপকে সাহায্য করেছে যার ফলে আজ হাতেনাতে মিলছে। কিছুমাস আগেই যখন মালদ্বীপে পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছিল তখন ভারত মালদ্বীপের জন্য জলের ব্যাবস্থা করেছিল।

আসলে মোদী সরকার আসার পর থেকে যেভাবে ভারতের সাথে অন্যান্য দেশের সম্পর্ক ভালো হচ্ছে তাতে শত্রুদেশগুলির রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিদেশ ভ্রমণের মাধ্যমে সমস্ত দেশের সাথে সম্পর্ক ভালো করতে নেমে পড়েছে। এখন আপনারা জিজ্ঞাসা করতে পারেন যে এটা করে ভারতের কি লাভ হচ্ছে। আপনাদের জানিয়েদি আগে চীন যেসব ছোট প্রতিবেশী দেশদের কুদৃষ্টিতে দেখতো সেই দেশগুলোকে ভারতের বিরুদ্ধে উস্কে দিয়ে কাজে লাগাতে। কিন্তু এখন মোদী সরকার আসার পর ভারত সেই দেশগুলিকে নিজের পক্ষে করে নিয়েছে। নেপাল,ভুটান,মায়ানমার সেই দেশগুলির মধ্যে ছিল। আর এখন সেই লিস্টে মালদ্বীপ যোগ হলো।

from India Rag https://ift.tt/2O7Fg7X
24 ghanta

বহু জিনিসে GST এর হার কমিয়ে দেশবাসীকে বড়ো উপহার দিল মোদী সরকার।

সামনের বছর ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন। সেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে সব দল। কিন্তু এখন নিজেদের গদির কথা না ভেবে বিজেপি দেশের সাধারন মানুষের সুবিধার কথা ভাবছে। একদিকে যেখানে বিরোধীদলগুলি এক সম্প্রদায়ের তোষণ করে ও হিন্দুদের তালিবান,আতঙ্কবাদী ইত্যাদি তকমা দিয়ে ভোটব্যাঙ্ক তৈরির জন্য মেতে উঠেছে সেখানে মোদী সরকার দেশের জনগণের জীবনকে আরো সুন্দর করতে GST এর হার কমাতে চলেছে।
আসলে কিছুমাস আগে GST তে রেকর্ড সংখক অর্থ জমা হয়েছিল সেই সময়য় সাধারণ মানুষের জন্য কিছু উপহার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছিল। GST চালু হলেও বেশকিছু জিনিস ছিল যার দামের বোঝা মধ্যবিত্ত মানুষদের কাছে বেড়েই চলছিল সেটা থেকে সাধারন মানুষ কে রেহায় দিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এক ধাক্কায় জিএসটি-র হার কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

বেশ কিছু পণ্যের উপর থেকে GST এর হার কমানোর সিধান্ত ঘোষণা করেন শনিবার সন্ধেয় এবং তিনি তার সাথে এটাও ঘোষনা করেন যে এটি কার্যকর হবে ২৭ শে জুলাই থেকে। আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কোন কোন জিনিস। এবং তার উপর থেকে কত টা পরিমানে কর কমানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, টিভি, ভিডিও গেমস, ভ্যাকুম ক্লিনার, ওয়াশিং মেশিন, রেফ্রিজারেটর, মিক্সার গ্রাইন্ডার, ওয়াটার কুলার, শেভার ও হেয়ার ড্রায়ার, ইলেকট্রিক ইস্ত্রি, ওয়াটার হিটার, মোবাইলের লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি, উপর দশ শতাংশ জিএসটি ছাড় দেওয়া হবে। আগে এই সব পণ্যের উপর ২৮ শতাংশ হারে কর আদায় করা হতো কিন্তু এখন সেটা কমিয়ে জিএসটি ধার্য করা হবে ১০ শতাংশ হারে। দ্বিতীয়ত, এক হাজার টাকা পর্যন্ত দামের জুতোর উপর জিএসটি কমিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ হারে জিএসটি আদায় করা হবে।
রং, দেওয়ালের পুট্টি, বার্নিশের উপর জিএসটি কমিয়ে করা হল ১৮ শতাংশ যেটা আগে ২৮ শতাংশ ছিল। সব থেকে বড় সিদ্ধান্ত হল দেশের সাধারন মহিলাদের কথা ভেবে এবং মহিলাদের অনেক দিনের দাবি মেনে তাদের প্রত্যহ ব্যাবহারিক জিনিস স্যানিটারি ন্যাপকিনকে একেবারেই কর মুক্ত করে দেওয়া হল। এটার উপর আগে ১২% কর নেওয়া হত কিত্তু এবার থেকে সেটা একদম 0% করে দেওয়া হল। এ ছাড়াও কাঠের দেব-মূর্তি, মার্বেল পাথর, রাখী এবং ফর্টিফায়েড দুধকে করমুক্ত করা হল এতে গরিব শিশুদের খুব সুবিধা হবে।

এ ছাড়াও হ্যান্ড ব্যাগ, গয়নার বাক্স যেগুলি সাধারন মানুষের রোজগার প্রয়োজন হয় সেই সব জিনিসের উপর থেকে কর কমানো হয়েছে।সব রকম চর্মজাত পণ্যের উপর কর ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে দেওয়া হল এখন সেটা করা হয়েছে ১৮ শতাংশ। সর্বোপরি যারা ছোটো ব্যাবসায়ীদের ক্ষেত্রে এক বড় সুবিধা আনা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে কাউন্সিলের তরফ থেকে জিএসটি রিটার্নের পদ্ধতি এখন সহজ করে দেওয়া হয়েছে। যাদের ব্যবসার আয় ৫ কোটি টাকার কম তাদের এখন তিন মাস অন্তর রিটার্ন ফাইল করলেই চলবে যেটা তাদের আগে প্রতি মাসে করতে হত। এই সিদ্ধান্তের আগে জানুয়ারি মাসে কিছু জিনিসের উপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অনেকের মতে সামনেই লোকসভা ভোট তার আগে আরও কিছু জিনিসের উপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2LIrqqK
24 ghanta

আরো একবার ইতিহাস গড়তে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লাগাতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মোদী আমলে ভারত সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এতটাই শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে যে আমেরিকা ও চীনের মতো দেশগুলি ভারতের বৃদ্ধি পাওয়া শক্তিকে স্বীকার করতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয় IMF ও
World Bank এর মত সংগঠনও স্বীকার করেছে যে ভারত অত্যন্ত দ্রুতগতিতে অর্থনীতি বৃদ্ধি করে চলেছে। তবে এইসব সাফল্য একদিনে হয়নি , সমস্তটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির এবং তার টিমের পরিশ্রমের ফল। আপনাদের জানিয়ে রাখি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যতবার বিদেশ সফরে যান বিরোধীরা তা নিয়ে সমালোচনা শুরু করে। কিন্তু মোদিজি ভারতকে কূটনৈতিক ও আর্থিকদিক থেকে শক্তিশালী করতেই বিদেশ সফর যান।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরো একবার বিদেশ সফরে যাচ্ছেন যা নিয়ে সমলোচনা শুরু করেছে বিরোধীরা। আপনাদের জানিয়ে রাখি, মোদীজি দেশের প্রথম এমন প্রধানমন্ত্রী যিনি দক্ষিণ আফ্রিকা বিভিন্ন দেশ সহ রাবান্দা ভ্রমণ করে ইতিহাস গড়তে চলেছেন। সূত্রের খবর মোদিজি 23 জুলাই থেকে 27 জুলাই পর্যন্ত রাবান্দা, উগান্ডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলি ভ্রমণ করবেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি মোদিজির আফ্রিকার যাত্রা এই জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ মোদীজির একদিন আগেই চীনের রাষ্ট্রপতি আফ্রিকা সফরে থাকবেন।বিদেশ মন্ত্রণালয়ের থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম দুদিন ঐতিহাসিক রাবান্দা সফরে থাকবেন। আসলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাকৃতিক শক্তির উপর নজর পড়েছে আর ভারত এই ব্যাপারে কোনো অংশে চীনের থেকে পিছিয়ে থাকতে চাই না তাই চীনকে টক্কর দিতে ও ভারতের দাপট মজবুত করতে হাজির হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাবান্দার এক সম্মলেনে চীনের রাষ্ট্রপতির সাথেও দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

 

 

from India Rag https://ift.tt/2JLIYke
24 ghanta

এবার মমতার সততা নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা মুকুল রায় যা বললেন…

ভারতবর্ষের দিকে দিকে এখন সব দল থেকে বিজেপিতে ব্যাপকহারে যোগদান করছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি বালুরঘাট শহর থেকে বিরোধী দল থেকে অনেক কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করলেন। বালুরঘাট শহরে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট ছেড়ে আসা নেতৃত্বদের নিয়ে বেসরকারি একটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় দল বদলের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয় বর্গীয়। সেখানে ছিলেন একাধিক কংগ্রেস ও বামপন্থী নেতা কর্মীরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নীলাঞ্জন রায় যিনি জেলা কংগ্রেস সভাপতি তারা সকলেই সেই অনুষ্ঠানে বিজেপিতে যোগদান করেন। নয় বারের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুল করিম চৌধুরী এই দিন এনডিএ কে সমর্থন করে নিজের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে নেন।

এই দিন মমতার সততার প্রতীক নিয়ে কটাক্ষ করবার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও ছোড়েন মুকুল রায়। তিনি বলেন যে আগে ২০০৯ সালে রাজ্যের যেখানে সেখানে মমতার বড় বড় হোর্ডিং এর নীচে লেখা থাকতো সততার প্রতীক। কিন্তু এখন আর দেখা যায় না সেইসব হোর্ডিং কারন তার দলের লোকেরা এখন এতটা পরিমানে দুর্নিতির সাথে যুক্ত হয়ে পরেছেন যে এখন তার ভয় হয় এই সব শব্দ লিখতে। সেই সব নানান কারনেই এখন তার ছবির নিচে থেকে সেই সব শব্দ উঠে গেছে। তিনি চ্যালেঞ্জের শুরে বলেন যে যদি কোনো ব্যাক্তি সেই আগের মত হোর্ডিং এখন দেখাতে পারেন তাহলে তাকে আমি পুরস্কৃত করব।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2O9z8fi
24 ghanta

“উৎসবে DJ বাজবে না তো কি শব যাত্রায় বাজবে?”- সেকুলারপন্থীদের তীব্র আক্রমণ করলেন যোগী আদিত্যানাথ।

শ্রাবণ মাস আসার সাথে সাথে বাবার(ভোলেনাথ) দর্শন ও ভগবান শিবের মাথায় জল ঢালার জন্যে ভক্তদের মধ্যে উৎসাহ চরমে পৌঁছে যায়। আর উত্তরপ্রদেশেও সেই নিয়মের ব্যাতিক্রম হয় না। আপনাদের জানিয়ে রাখি উত্তরপ্রদেশে ভগবান শিবের মাথায় জল ঢালার জন্য কাবাড় যাত্রা করে শিবভক্তেরা। কিন্তু যোগী সরকার আসার আগে অর্থাৎ অখিলেশ ও মায়াবতীর আমলে সরকার শিবভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তো দূর বরং সংখ্যালঘু তোষণের জন্য সরকার শিবভক্তদের নানা সমস্যায় ফেলতো। অখিলেশ ও মায়াবতীর আমলে শিবভক্তদের অন্য সম্প্রদায়বহুল এলাকা দিয়ে যেতেও বাধা দান করত এবং বিনা কারণে পুলিশ ভক্তদের উপর লাঠিচার্জ করতো।

এমনকি শিবভক্তদের DJ বাজানো উপরেও নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল আগের সরকার। কিন্তু যোগী সরকার আসার পর থেকে হিন্দুদের উপর লাগানো সমস্ত রকমের লাগাম সরানো হচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ ঘোষণা করেছেন যে শিবভক্তরা যেকোনো এলাকা দিয়ে পদযাত্রা করতে পারে এবং তার জন্য পুলিশ তাদের সুরক্ষা প্রদান করবে। যোগীজি আগের সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন , ‘কোনো বাজনা বাজবে না তাহলে সেটা কাবাড় যাত্রা না শব যাত্রা?’ যোগীজি বলেন, এই বছর কাবাড় যাত্রার জন্য সমস্ত রকমের সুব্যবস্থা করা হবে। পদযাত্রার রাস্তায় মেডিক্যাল টিম ও পুলিশ নিযুক্ত করা হবে, এমনকি পুলিশ শিবভক্তদের উপর ফুল ছোড়াবে বলেও জানান যোগী আদিত্যানাথ। দেখুন যোগীজি বক্তব্য-

 

 

from India Rag https://ift.tt/2LiFuLK
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started