ভারতবর্ষে গরু পাচারকারীদের যোগী আদিত্যনাথ দিলেন এক বড়সড় হুঁশিয়ারি ! বললেন..

বর্তমান সমাজে দিনের পর দিন গরু পাচার বেড়েই চলেছে। অনেক আইন করে দেওয়ার পরেও কোনো ভাবে এটা আটকানো যাচ্ছে না। এই গোমাতা সাধারন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনেক রকম ভাবে কাজে লাগে। শুধু তাই নয় ,এটা প্রতিটি ব্যক্তির জানা যে জন্মের পর শিশুরা মা এর ছাড়া কেবলমাত্র গরুর দুধ পান করতে পারে, তাই গরু আমাদের মা এর সমান।   বর্তমান কেন্দ্র তথা বিজেপি সরকার গরু পাচার বন্ধ করতে বিভিন্ন উদ্দ্যোগ নিলেও, গরুপাচার এখনো রমরমিয়ে চলছে !গরু রক্ষার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আরও একবার তাদেরকে হুঁশিয়ারি দিলেন যারা এই সমস্ত কাজকর্মের সাথে যুক্ত ! উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন যে, এই গরু পাচার করা বা গোহত্যা কোনো মতেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস এর বিষয়।হিন্দুরা গরুকে গোমাতা হিসাবে পুজো করেন। তাই গরু পাচার করা হলে সেটা হিন্দু ধর্মের বিশ্বাসের উপর আঘাত করা হবে। আর এই ভাবে কাউকে তার ধর্মের ব্যাপারে আঘাত করা উচিৎ নয়। উত্তরপ্রদেশ সরকার কোনো ভাবেই এটা মেনে নেবেন না।

তাই মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন যে উত্তরপ্রদেশে গোহত্যা এবং গরু পাচারের অনুমতি কোনো পরিস্থিতিতে কোন মতেই কাউকে দেওয়া হবে না।তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে অবাধ্য গরুর কারণে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে তিনি বলেন যে গরুর কারনে কোনো ভাবেই ফসলের ক্ষতি হচ্ছে না যদি সেটা হত তাহলে এবছর রেকর্ড পরিমাণে ফসল উৎপাদন হল কি করে। চাষিরা কেমন করে এত লাভবান হল।

যদি সেইরকম কিছু ঘটনা ঘটতো তাহলে চাষিরা সবার প্রথমে সরকারের কাছে অভিযোগ জানাতো কিন্তু এমন কোনো অভিযোগ আমরা পাই নি। শুধু মাত্র নিজেদের সুবিধার জন্য কিছু মানুষ এসি ঘরে বসে এই সব মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছেন। তাই তিনি পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেন যে এই সব মিথ্যা মন্তব্যে কেউ কান দেবেন না। সঙে তিনি এটাও বলেন যে সুবিধালোভীরা যতই চেষ্টা করুক উত্তরপ্রদেশ সরকার কোনো ধর্মকে আঘাত করে কোনো দিন গরু পাচার বা গোহত্যার অনুমতি দেবেন না।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2JTzHqf
24 ghanta

ভারতের রাষ্ট্রপতি উনার নাতি নাতনির সাথে দোকান যান এবং যখন বিল মেটানোর সময় আসে তখন কি করলেন দেখুন।

দেশের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ কিছুদিন হিমালচল প্রদেশের রাজধানী সিমলা সফরে যান এবং সেখানের বিখ্যাত মাল রোডে তিনি এমনভাবে ঘোরাফেরা করেন যে উনার আচরণ সকলকে আকর্ষিত করেছে। আসলে রাষ্ট্রপতি মহাশয় যে মাল রোডে একজন সাধারণ মানুষের মতো ঘোরাফেরা করেন এটাই নয় সাথে তিনি বুকস্টল থেকে কিছু বইও কেনেন। এরপর উনি একটা ক্যাফেটেরিয়াতে যান এবং সেখানে উনার পরিবারের সাথে কফি পানের আনন্দ উপভোগ করেন। সবথেকে উল্লেখ্য বিষয় এই যে রাষ্ট্রপতি মহাশয় বুকস্টল থেকে ক্যাফেটেরিয়া পর্যন্ত সমস্ত খরচটাই নিজের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে করেন। রাষ্ট্রপতির এইরকম হটাৎ আসা এবং বিল পেমেন্ট দেখে খুবই খুশি হন এবং রেস্টুরেন্টের প্রবন্ধক জানান যে অথিতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির আগমণ সত্যি অনেক বড় সম্মানের ব্যাপার ।

দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক হওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা পান এবং ভাতা পান। কিন্তু নিজের খরচের টাকা নিজের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে রাষ্ট্রপতি মহাশয় দেশের উদ্যেশে একটা স্পষ্ট এবং সঠিক পজিটিভ চিন্তাধারার বার্তা প্রদান করেন।

উনি নিজের বিল নিজের পেমেন্ট করে বোঝান যে রাষ্ট্রপতি একজন দেশের সাধারণ নাগরিকের মতোই হন। আধিকারিকরা জানান যে পিতারহফ থেকে ফেরার পথে রাষ্ট্রপতি মহাশয় রেস্টুরেন্ট যান এবং সেখানে উনি উনার পত্নীর সাথে চা ও স্ন্যাকস এর আনন্দ উপভোগ করেন।

রাষ্ট্রপতিকে দেখার জন্য বিশাল সংখ্যায় মানুষজন রেস্টুরেন্টের কাছে এসে জমা হন। রাষ্ট্রপতি মহাশয় উপস্থিত জনগণের সাথে দেখা করেন এবং বিল মেটান। রাষ্ট্রপতি মহাশয়ের গাড়ির কাফিলা রিং রোডে দাঁড়িয়ে ছিল।

রাষ্ট্রপতি মহাশয়ের গাড়ির কাফিলার জন্য সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে এটা উপলদ্ধি করার সাথে সাথে উনি গাড়ির সংখ্যা ১৭ থেকে কমিয়ে ৪ করার নির্দেশ দেন। পরে উনি মালরোড পুরো ঘুরে দেখেন এবং মিনেরভা বুকস্টল থেকে বই কেনেন।

from India Rag https://ift.tt/2uKlcQT
24 ghanta

প্রধানমন্ত্রী রাবান্দার ঐতিহাসিক সফরে এমন কিছু বললেন যাতে সকলেই হেসে পড়লেন।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পদে আসার পর থেকেই বিশ্বের সমস্ত দেশের সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য এবং ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে শক্তিশালী করার জন্য তিনি তার সমস্ত প্রচেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি বিশ্বের এমন এমন দেশে পা রেখেছেন যে দেশগুলিতে আগে ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রী পা রাখেননি। সম্প্রতি এমনি একটা ঐতিহাসিক সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীজি। আপনাদের জানিয়ে রাখি মোদীজি এখন রাবান্দা সফরে গিয়েছেন যেখানে আগে ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রী পা রাখেননি। প্রধানমন্ত্রী রাবান্দায় থাকা ভারতীয়দের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং উনাদের সম্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয়রা পুরো বিশ্বে তাদের ছবি চমকাচ্ছে এনারা সকলে ভারতের রাষ্ট্রদূত।

 

প্রধানমন্ত্রী ভাষণের শুরুতে বলেন, “আমাদের হাইকমিশনার বলছিলেন যে আমি আপনাদের জন্য সময় বের করতে পেরেছি কিন্তু বাস্তব এটা যে আপনারা আমার জন্য সময় বের করেছেন। আর এই ভালোবাসা ও আশীর্বাদের জন্য আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।” প্রধানমন্ত্রীর এই কথা শোনার পরেই জোরালো হাততালি দিতে থাকেন উপস্থিত ভারতীয়রা। মোদীজি বলেন, “রাষ্ট্রপতি পল কাগমে আমাকে বলছিলেন যে এখানে উপস্থিত ভারতীয়রা রাবান্দার বিকাশে খুব সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন এবং সমাজ সেবা মূলক কাজ করেন। আমি উনার কথা শুনে খুব খুশি হয়েছি।” প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে হাততালি ও হাসির শব্দে ভোরে উঠে সভা।

আপনাদের জানিয়ে রাখি রাবান্দা দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের সবথেকে দ্রুতগতিতে বিকশিত হওয়া একটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন বহুদিন থেকে ভারতীয়রা রাবান্দায় একটা উচ্চ কমিশন গঠন করার দাবি করেছিলেন। বহুদিনের এই চাহিদা পূরণ করা হবে যাতে আপনারা আরো ভালোভাবে ভারতের সাথে সম্পর্কে থাকতে পারেন, বলে জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রপতি কাগমের সাথে রক্ষা,কৃষি ও ব্যাবসার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সাহায্যের ব্যাপারে আলোচনা করেন। দেখুন ভিডিও-

 

from India Rag https://ift.tt/2NINlig
24 ghanta

মুসলিম যুবতীকে প্রেম করার অপরাধে দলিত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করলো মেয়ের পরিবার। নিশ্চুপ বলিউড থেকে বুদ্ধিজীবী সকলে।

আবার সেই গণপিটুনি, আর এই গণপিটুনির ফলে মৃত্যু যুবকের, এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানে। কিন্তু এবার এই গণপিটুনির কারন আলাদা যারা গণপিটুনিতে অভিযুক্ত তাদের হিন্দু নয়। তাই এবার আর এই খবর নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়নি, নিশ্চুপ বুদ্ধিজীবীরাও। পুরো দেশ এই খবর নিয়ে তোলপাড় হয়নি। কোনো মিডিয়া ব্রেকিং নিউজ করে দেখাইনি এই খবর। বুদ্ধিজীবীরা মোমবাতি মিছিল করেন নি। এখন কেউ সরকার কে প্রশ্ন করেননি। বিতর্কের সৃস্টি হয়নি। কারন একটাই সেটা হল এবার এই ঘটনার প্রেক্ষাপট আলাদা।

 

প্রাপ্ত খবর অনুয়ায়ী, রাজস্থান রাজ্যের বারমের জেলার ভিন্ডেকাপার গ্রামের বাসিন্দা খেতারাম ভিল, যার বয়স ২২ বছর। এই দলিত যুবকের প্রেম ছিল এক মুসলিম মেয়ের সাথে। শুধু মাত্র এই প্রেমের সম্পর্ক থাকার কারনেই এই দলিত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে সেই মেয়েটির পরিবার সহ একাধিক লোক। ঘটনা স্থলে পুলিশ পৌঁছে দেখে যে, যুবকটির মৃতদেহ ঘটনাস্থল থেকে ৫০০ মিটার দূরে পড়ে আছে। তারা জানান যে যুবকটিকে হত্যা করার সময় যুবকটির হাত এবং পা দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। এবং পরে পুলিশ মৃত দলিত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

মৃতের ভাই পুলিশকে জানান যে, সেই মুসলিম যুবতীর পরিবারের লোক তার দাদাকে আগেও অনেক বার মারার চেষ্টা করে। কিন্তু তখন সফল না হওয়ায় এবার তার দাদাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানকার কোনো এক ক্ষেতের মধ্যে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে তারাই এবার হত্যার কথা বলে যায় তাদের বাড়িতে এসে।

পরে তাদের পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে সেই মৃতদেহ দেখতে পায় এবং তারা পুলিশ কে খবর দেয়। আসলে বলিউড হোক বা বুদ্ধিজীবী এরা সকলেই ভন্ড যারা একমাত্র টাকার নিয়ন্ত্রণে প্রতিবাদে নামতে পারে।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2v3CCHj
24 ghanta

“প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য তন্ত্রমন্ত্র ও কুসংস্কারের সাহায্য নিচ্ছেন রাহুল গান্ধী।”

দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার জন্য পাগল হয়ে উঠেছেন রাহুল গান্ধী আর সেই জন্যেই ২০১৯ নির্বাচন সামনে আসার সাথে সাথে ভোটব্যাঙ্ক তৈরির জন্য মাঠে নেমে পড়েছে রাহুলের টিম। কিছুদিন আগেই মোদী সরকারকে টক্কর দেওয়ার জন্য রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগী দল কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস প্রস্তাব এনেছিল যদিও সেই ভোটাভুটিতে হেরেছিল রাহুল গান্ধীর দল। কিন্তু অবিশ্বাস প্রস্তাবের দিন এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল যা নিয়ে রাজনীতি এখনো চরমে। আসলে রাহুল গান্ধী অবিশ্বাস প্রস্তাবের দিন ভাষণের শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে গিয়ে গলায় জড়িয়ে পড়েন। রাহুল গান্ধির কান্ড দেখে চমকে যান প্রধানমন্ত্রী সহ উপস্থিত সকলে । শুধু তাই নয় এরপর প্রধানমন্ত্রীর গলায় পড়ার পর আসনে বসে তার এক সহযোগীকে চোখ মারেন রাহুল গান্ধী।

আর এই বিষয় নিয়ে এখন এমন রহস্য বেরিয়ে এসেছে যা সকলকে চমকে দিয়েছে। আসলে দিল্লির বিজেপির প্রবক্তা তেজেন্দ্র সিংহ জানিয়েছেন যে রাহুল গান্ধী এক তান্ত্রিকের কথা মতো প্রধানমন্ত্রীর গলায় পড়েছিলেন। তেজেন্দ্র সিংহ বলেন রাহুল গান্ধীকে তান্ত্রিক বলেছিলেন যে যদি তিনি প্রধানমন্ত্রীর আসন স্পর্শ করেন তাহলে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ মুজবুত হবে।

এক যুবা কংগ্রেসি সাংসদ একথা তেজেন্দ্র সিংকে জানিয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভাষণ শেষ হওয়া মাত্র প্রধানমন্ত্রীর আসন স্পর্শ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তান্ত্রিক বলে দাবি তেজেন্দ্র সিং এর। আপনাদের জানিয়ে রাখি এক মিডিয়ার কাছে এই তথ্য জানান উনি। তবে এখন অনেকের দাবি খ্রিস্টান ধর্মগুরুর কথা মতো ঐই কাজ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। কারণ রাহুল গান্ধী উপরে উপরে হিন্দু ধর্ম দেখালেও উনি একজন খ্রিস্টান ধর্মাবলী ব্যাক্তি।

তেজেন্দ্র সিং বলেন যদি যুব কংগ্রেসের ওই সংসদের কথা সঠিক হয় তাহলে শাসনক্ষমতার লোভে তন্ত্রমন্ত্র ও কুসংস্কার এর সাহায্যে নেওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়। তেজেন্দ্র সিং বলেন যে এব্যাপারে রাহুল গান্ধীর খোলাখুলি সাফাই দেওয়া উচিত কারণ তার দলের সংসদ এই কথা ফাঁস করেছেন।

from India Rag https://ift.tt/2NEZfK3
24 ghanta

মমতা ব্যানার্জীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

এবার রাজ্যের বিজেপির মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় তার দলের অর্থাৎ বিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ভাষন দেবার সময় সমহিমায় ফুটে উঠলেন। তিনি দলের কর্মসূচিতে গিয়ে কটাক্ষের সুরে আক্রমণ করলেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করার সাথে সাথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সমানভাবে আক্রমণ করলেন। সেই দিনের সভাতে বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী, রাজ্যের মহিলা নিরাপত্তার কথা তুলতে গিয়ে মনে করিয়ে দিলেন যে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে একজন মহিলা সেখানে এই রাজ্যের মহিলা নিরাপত্তা এত প্রশ্নের মুখে কেন? কেন মহিলারা তাদের নিজেদের মত জীবনযাপন করতে পারেন না এই রাজ্যে? বারবার এই রাজ্যে নারি নির্যাতনের মত ঘটনা কেন ঘটছে?

তাই তিনি মনে করেন যে নারীরা এবার নিজেদের সুরক্ষার জন্য তারা নিজেই এবার বিজেপিকে এই রাজ্যের ক্ষমতায় আনবেন। কিছু দিন যাবৎ বীরভূম জেলায় বেশ কয়েকটি নারী নির্যাতনের ও ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু জেলা প্রশাসন সেই সব ঘটনায় কোনো ব্যাবস্থা নেই নি। সোমবার দুপুরে সেই সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির তরফ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছিল সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতরের সামনে।সেখানে হাজির হয়েছিল রাজ্যের বিজেপি মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

তিনি এইসব মন্তব্য করেন সেখানকার ওই সভাতেই।সেই সঙ্গে তিনি বলেন যে ২১ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী শহিদ দিবসের নামে সভা করে শহিদের ভুলেই গিয়েছিলেন। শুধু বিজেপি বিজেপি করেই পুরো সময় শেষ করে দিলেন। মোদীজির মেদিনীপুর সভাতে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি কে কটাক্ষ করে বলেন যে, যারা প্যান্ডেল সামলাতে পারেন না, তারা দেশ সামলাবে কী করে৷ ঠিক তার পরের দিন দিঘায় বিশ্ববাংলার গ্লোব ভেঙে পড়ে।

সেই প্রসঙ্গ টেনে এবার লকেট বলেছেন যে, ‘‘যারা বিশ্ববাংলার লোগো সামলাতে পারে না, তারা বাংলা সামলাবে কী করে৷’’ আগে বাংলার অহংকার বিশ্ববাংলার লোগো সামলান তারপর বাংলা সামলাবেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিন তিনি তার সভা থেকে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন যে, নিজের জেলার মহিলাদের আগে নিরাপত্তা দিন তারপর অন্যকে বলবেন। এমনকি অনুব্রতর সম্পত্তির হিসেব দাবি করেন তিনি। কিন্তু তিনি অনুব্রতের নাম না করে তাকে গুন্ডা-বদমাশ বলে উল্লেখ করেছেন।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2NJEuNn
24 ghanta

কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী! সুইসব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমানো অর্থ কমেছে ৮০ শতাংশ।

কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিয়েই চলেছে। এক দিকে যেমন দেশের দরিদ্র মানুষদের জন্য নানা রকমের সুবিধা প্রদানের ব্যাবস্থা করছে তেমনি দেশের অসাধু মানুষদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্র। এক কথায় বলা যায় কেন্দ্রে মোদী সরকার আসার পর থেকে দেশের গরিবরা যেমন ভালো ভাবে রাতে ঘুমাতে পারছেন তেমনি দেশের অসাধু কালো টাকাওয়ালাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে মোদী সরকার। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর মোদী সরকারের প্রথম পদক্ষেপ ছিল কালো টাকার বিরুদ্ধে সচ্ছার হওয়া। সেই পথে মোদী সরকার অনেকটাই এগিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আসলে কিছু দিন আগে বিরোধীরা সরব হয়েছিল যে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের গচ্ছিত সম্পত্তির পরিমাণ মোদীর আমলে ৫০ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু পরে দেখা যায় এই তথ্যটি একদমই ভুল ছিল। এটা শুধু মোদী সরকারের নাম খারাপ করার কৌশল মাত্র। সম্প্রতি ভারতের অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েলকে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আন্দ্রেয়াস চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে, মোদী জামানায় ভারতীয়রা ইদানিং সুইস ব্যাংকে টাকা রাখা অনেক কমিয়ে দিয়েছেন। সেই টাকার পরিমান ৮০ শতাংশ কমেছে এমনটা দাবি করা হয়েছে সেই চিঠিতে এবং তারা এটাও জানান যে এখন যে টাকা রাখা হচ্ছে তার সমস্তটাই কালো টাকা নয়। এটা শুধুমাত্র মোদী সরকারের জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের মূল লক্ষ্য ছিল এই সুইস ব্যাংক এ জমানো কালো টাকার দিকে । তাই মোদীজি কেন্দ্রের দায়িত্ব পেয়েই প্রথমে সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলে একটি চুক্তি সাক্ষরিত করেন। সেই চুক্তিতে বলা হয় সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের খোলা একাউন্টের তথ্য সরাসরি পাবে ভারত সরকার। মূলত এর মাধ্যমের এখন সমস্তরকম তথ্য কেন্দ্রের হাতে আসছে। ফলে কেউ যদি কোনোরকম কালো টাকা সেখানে রাখে সেটা কেন্দ্র সরকার সহজেই জানতে পেরে যাবে। এই সব নানা তথ্যের মাধ্যমে এখন এটাই জানা যাচ্ছে যে মোদী সরকারের আমলে সুইস ব্যাংকে টাকা রাখার পরিমান ৮০% কমে গিয়েছে।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2uLopj4
24 ghanta

হিন্দু ধর্মের বদনাম করার জন্য জালি ছবি ব্যাবহার করলো টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

দেশে হিন্দুবিরোধী সংবাদ মাধ্যম ও মিডিয়ার সংখ্যার তালিকা বেশ লম্বা। আর হিন্দুদের সহিষ্ণুতার সুযোগ নিয়ে এরা তাদের বিচারধারা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে হিন্দুদের অসচেতনতার কারণে এরা দিন দিন শক্তিশালী ও সাহসী হয়েই যাচ্ছে। সম্প্রতি এমনি একটা ঘটনা সামনে এসেছে যা জানার পর আপনিও চমকে যাবেন। আসলে ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ নামক একটা অনলাইন নিউজ পোর্টাল একটা খবর পোস্ট করছে। খবরটির হেডলাইন এই যে মহারাষ্ট্রের একজন গডম্যান ধর্ষনে অভিযুক্ত হয়েছে। খবিরটিতে একটা ছবি ব্যবহার করা হয়েছে একজন ঋষি বা সাধুর।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে একজন হিন্দু মহাত্মা(ঋষি) যার লম্বা চুল,মাথায় লাল তিলক, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা এবং যে হাত দিয়ে আশীর্বাদ করতে যাচ্ছেন সেই হাতে রয়েছে হাতকড়ি। অর্থাৎ ছবি ও হেডলাইন দেখলে যেকোনো ব্যাক্তি ভাববেন যে কোনো হিন্দুধর্মের সাধু ধর্ষণে অভিযুক্ত হয়েছে। কিন্তু যদি ঐ খবর আপনি খুলে পড়েন তাহলে জানতে পারবেন যে ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই গডম্যান এর নাম আসিফ নুরি। নাম দেখেই বুঝতে পারছেন যে আসিফ নুরি হিন্দু ধর্মাবলির ব্যাক্তি নয় অথচ টাইমস অফ ইন্ডিয়া ছবি ও হেডলাইন এমনভাবে ব্যাবহার করেছে যাতে মানুষের মনে হিন্দু ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ জন্ম নেয়।

আপনাদের জানিয়ে রাখি ১০ দিন আগেও এই সংবাদ মাধ্যম এইরকম হিন্দুবিদ্বেষী খবর ছেপে ছিল। সংবাদের হেডলাইন এ ছিল যে ১১ বছরের এক বাচ্চাকে পাচারের হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছে মাদ্রসা ও বেদপাঠশালা থেকে। আপনাদের জানিয়ে রাখি হেডলাইনে বেদ পাঠশালার নাম থাকলেও বেদপাঠশালা এইসকলের সাথে জড়িত ছিল না। সমস্ত কিছুই ছিল মাদ্রাসা সংক্রান্ত। যদিও সেই সময় বিভোর আনন্দ নামে একজন ব্যক্তি টাইমস ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছিল। দেখুন ভিডিও-

 

from India Rag https://ift.tt/2NGfkis
24 ghanta

গোহত্যা বন্ধ হলে তবেই গণপিটুনি বন্ধ হবে- RSS নেতা ইন্দ্রেশ কুমার।

আরএসএসের শীর্ষ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার একটি সভাতে গিয়ে বললেন যে কোনো ধরনের গণ হিংসা সমর্থনযোগ্য নয়। তারা এই সব কিছু কে কোনো ভাবেই মেনে নেন না। তার মতে চারিদিকে যে গণপিটুনি হচ্ছে সেটা বন্ধ হবার একমাত্র পথ হল গরু খাওয়া বন্ধ করতে হবে। গরু খাওয়া বন্ধ করে দিলেই এটা বন্ধ হয়ে যাবে। আরএসএসের মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের মার্গদর্শক হলেন এই ইন্দ্রেশ কুমার। এই দিন রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি অংশগ্রহন করেন। সেখানে তিনি তার বক্তৃতা রাখতে গিয়ে বলেন যে, পৃথিবীতে যে এত গুলি ধর্ম রয়েছে তারা কেউই কিন্তু তাদের ধর্মস্থলে গোহত্যার কথা বলে না। কোনো ধর্মগ্রন্থে গোহত্যার কথা উল্লেখ নেই।

আপনার জাতিই হোক বা দল, পাড়াই হোক বা ঘর, কোনো স্থানেই তা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন যে খ্রিষ্টান ধর্মের দেবতা যীশুখ্রিস্টের জন্ম হয়েছিল গোয়ালে। সেখানেও গরুকে মা বলে গন্য করা হয়। এমনকি মক্কা, মদিনাতেও গোহত্যা অপরাধ। তিনি বলেন যে যেখানে সব ধর্মে গোহত্যার কথা নিষিদ্ধ সেখানে আমরা ইশ্বরের শ্রেষ্ঠ সন্তান মানুষ হয়ে কি এই গোহত্যার বন্ধ করতে পারি না। আসলে ইন্দ্রেশ কুমার বোঝাতে চান যে যখন কোনো ধর্মে গো মাতাকে অত্যাচার করতে বলা হয়নি তখন কেন কোনো ধর্মকে আঘাত করে গো হত্যা করা হচ্ছে হিন্দুবহুল ভারতে।

তিনি বলেন, আমারা কি নিজেদের এই অপরাধ থেকে বিরত রাখতে পারি না। কিছু দিন ধরে এই গণপিটুনিরর ফলে হত্যার মত কান্ড বেড়েছে ফলে সুপ্রিমকোর্ট কেন্দ্রকে বলেছে এই ধরনের বিনা কারনে গোহত্যার করার বিরুদ্ধে সংসদে আইন আনার জন্য। এই প্রেক্ষিতেই তিনি বলেন যে শুধু আইন করে এটা বন্ধ করা সম্ভব নয় তাই আমাদের নিজেদের উচিৎ এই গোহত্যার করার মত পাপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা। আর এই গোহত্যার বন্ধ হলেই এই হিংসা বন্ধ হয়ে যাবে বলে তার বিশ্বাস।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2AfWOfh
24 ghanta

শিবসেনাকে শিক্ষা দিতে নতুন পরিকল্পনা করলো মোদী ও অমিত শাহের জুড়ি।

NDA তে বিজেপির সাথে শিবসেনা যুক্ত থাকলেও নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দার জন্য শিবসেনা বহুবার বিজেপির বিরোধিতায় কথা বলেছে। এমনকি বিরোধীরা যখন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিশ্বাস প্রস্তাব এনেছিল তখন শিবসেনা বিজেপির সমর্থন করেনি। হ্যাঁ এটা ঠিক যে শিবসেনা অবিশ্বাস প্রস্তাবের সমর্থনও করেনি। অর্থাৎ বিজেপির বিরুদ্ধেও যায়নি এত বিজেপিকে সমর্থনও করেনি। কিন্তু বহুবার শিবসেনা ভালো কাজের নিন্দা করে বিজেপিকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়েছে। বিজেপির কাজের সমালোচনা করার সময় বিজেপি ততটা সক্রিয় না হলেও সাংসদে শিবসেনার সমর্থন না পাওয়ায় সচেতন হয়ে উঠেছে বিজেপি। আর তাই বিজেপি এবার শিবসেনার বিরুদ্ধে এমন রণনীতি তৈরি করছে যা তাদের অবশ করে দেবে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি মহারাষ্ট্রে বিজেপি ও শিবসেনার জোট সরকার রয়েছে কিন্তু শিবসেনা যেভাবে বিজেপির উপর প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে তাতে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ নতুন পরিকল্পনা করে ফেলেছেন। বিজেপির চাণক্য বলে পরিচিত অমিত শাহ শিব সেনার ধোকাবাজিকে জবাব দেওয়ার জন্য মুম্বাইতে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে একটা বৈঠক ডেকেছিলেন। এই বৈঠকে উনি বিজেপি কর্মীদের সম্বোধন করার পর বলেন, আমাদেরকে মহারাষ্ট্রে একার শক্তিতে নির্বাচনে জিততে হবে আর এই জন্য এটা খুবই আবশ্যক যে আমাদের কর্মীরা সকলে গ্রাউন্ড লেভেল কাজ করুক।

অমিত শাহ তার পরিকল্পনাকে বাস্তব করার জন্য মুম্বাই এসেছেন। শাহ বলেন আমাদেরকে মুম্বাইয়ের সমস্ত ৪৮ সিটে নির্বাচন লড়তে হবে এবং শুধু লড়াই নয় জিতও নিশ্চিত করতে হবে।আমাদেরকে প্রত্যেক বুথে কমপক্ষে ৫১% ভোট করাতে হবে। এর জন্য আমাদের দলের কার্যকর্তাদের অনেক সজাগ ও সক্রিয় হতে হবে। শাহ বলেন, আমরা যদি সমস্ত কিছু সময়মত করি তাহলে আগমনী লোকসভা নির্বাচনে আমাদের জিতকে কেউ আটকাতে পারবে না।

আর এর ফলস্বরূপ আমাদেরকে অন্য দলের উপর নির্ভরশীল হতে হবে না। আসলে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের জন্য ‘একলা চলো রে’ এর রণনীতি তৈরি করছেন। অমিত শাহ বলেন শিবসেনা রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য পার্টির উপর চাপ সৃষ্টি করে কিন্তু আমাদের দল কোনোরকম রাজনৈতিক স্বার্থের সমর্থন করে না। শিবসেনা যদি এইভাবে নিজেদের নীতিতে আটকে থাকে তাহলে তাদেরকে পরে ভুগতে হতে পারে।

from India Rag https://ift.tt/2LGvs2Z
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started