পাকিস্থান নির্বাচনে হিন্দু নেতার দাপট! ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে তৈরি করলেন ইতিহাস।

কিছু দিন আগে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হয়েছে। তার ফলাফল প্রকাশ হল। সেখানে দেখা গেছে যে, প্রথমবারের জন্য কোনো হিন্দু নেতা পাকিস্তানে নির্বাচনী লড়াই করে ভোটে জিতেছে। পাকিস্তানের এই সাধারন নির্বাচনে দেখা গেল প্রথমবার হিন্দু নেতা জিতে এমপি হলেন। সেই হিন্দুনেতার নাম ডঃ মহেশ কুমার মালানি। তিনি একাই লড়াই করে নিজের ক্ষমতায় সেখানে জিতেছে। তিনি জয়লাভ করেছেন থারপরকার আসনে যেটা সিন্ধু প্রান্তে অবস্থিত। সেই অঞ্চলে অন্য কোনো ধর্মের চেয়ে হিন্দু ভোটার তুলনামূলক বেশি বলেই জানা গিয়েছে।

মালানি নামক যে নেতা সেখানে জিতেছেন তিনি সেখানে খুব জনপ্রিয় বলে জানা যায়। উনি যখন সেখানে নির্বাচনী সভা করতেন তখন সেখানে দেখার মত ভিড় হত। অন্য পার্টির নেতা দের তুলনায় তার জনসভাতে ভিড় বেশি হত। তার জনপ্রিয়তা শুধু মাত্র হিন্দুদের মধ্যের সীমাবদ্ধ হয়ে ছিল না, সেই এলাকাভুক্ত সমস্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যেও তার জনপ্রিয়তা ছিল সমান। বিজয়ী প্রাথি মালানি হল পাকিস্তান পিউপলস পার্টির নেতা। তিনি সেই পার্টি তে অনেক দিন ধরে আছেন।

তাই তার জনপ্রিয়তা এখন পুরো একালা জুড়ে। ভোটে জিতে যাবার পর তিনি তার ট্যুইটার অ্যকাউন্ডে লিখেন যে আমাদের দল কে সাপোর্ট করার জন্য পাকিস্থানবাসী কে ধন্যবাদ।যারা আমাদের ভোট দিয়ে জয়ী করলেন তারা এই ভাবেই সারা জীবন আমাদের পাশে থাকবেন। এবং সেই সাথে তিনি এটাও লিখেন যে, গোটা পাকিস্থান যে আমাদের পার্টির সমর্থনে আছেন সেটা আবার প্রমান হয়ে গেল এই নির্বাচনের মাধ্যমে।

২০০২ এ অমুসলিমরা পাকিস্থানের নির্বাচনে দাঁড়ানোর অনুমতি পায় তার পর এই প্রথম কোনো হিন্দু ন্যাশনাল এসেম্বলির নির্বাচন জিতেছেন। ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে জেতেন মহেশ মালানি। তবে এর আগে পাকিস্তান সেনেট ভোটে কৃষ্ণা কুমারী থারপার্কার আসনে জয় লাভ করেছিলেন।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2uWgpM7
24 ghanta

বেরিয়ে এলো সবথেকে জনপ্রিয় ব্যাক্তিদের লিস্ট! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্থান জানলে অবাক হবেন।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকপ্রিয়তা দেশ ও দেশের বাইরে দিন বেড়েই চলেছে যা দেখে সমস্যায় পড়েছে বিরোধী দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির লোকপ্রিয়তাকে নজরে রেখে আগে যে সার্ভে গুলি বেরিয়েছিল তা পুরো বিশ্বকে অবাক করেছিল। এবার আরো একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকপ্রিয়তা নিয়ে সার্ভে বেরিয়ে এসেছে যা বিরোধী নেতানেত্রীদের ঘুম করে নেবে। আসলে বিশ্বব্যাপী অনেক এজেন্সি বহ বিষয়ের উপর সার্ভে বের করে যার মধ্যে বিশ্বের জনপ্রিয় ব্যাক্তিদের উপরেও নিরীক্ষণ করে থাকে সংস্থাগুলি। এখন বিশ্বব্যাপী করা সার্ভেতে ভারতীয়দের স্থান থাকা দেশের জন্য গর্বের বিষয়। আর যদি সেই তালিকায় দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যাক্তির নাম থাকে তাহলে তো দেশের মানুষের গর্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি এমনি একটা সার্ভের সূচি প্রকাশিত হয়েছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী এমন স্থান পেয়েছে যা সকলকে চমকে দেওয়ার মতো।

আসলে ইউ গভ নামে একটা সংস্থা ভারতের সবথেকে প্রশংসিত ব্যাক্তিদের তালিকা বের করেছে। এই সার্ভে শুধুমাত্র রাজনীতির উপর করা হয়নি বরং সার্ভে দেশের রাজনৈতিক,ব্যাবসা বাণিজ্য,খেলাধুলা,সংগীত,সাহিত্যিকের মতো নানা বিষয়ে লোকপ্রিয় মানুষদের নিয়ে করা হয়েছিল। এই কারণে এই সার্ভের উপর বহু মানুষের নজর ছিল। কারণ সকলে সকলের পছন্দের ব্যাক্তিকে তালিকার উপরে দেখতে চাইছিল।

আপনাদের জানিয়ে দি, এই সার্ভের রেজাল্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের সবথেকে পছন্দের ব্যাক্তি হিসেবে সামনে এসেছেন সেখানে প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক কিরণ বেদি মহিলাদের তালিকায় সবথেকে উপরে উঠে এসেছেন এবং তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। বিখ্যাত গায়িকা লতা মঙ্গেশকর এই তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন এবং মহেন্দ্র সিংহ ধোনী তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন।

এই তালিকায় শচীন টেন্ডুলকার,রতন টাটা,অমিতাভ বচ্চন,সুষমা স্বরাজ, ঐশ্বর্য্য রায় বচ্চন এরও নাম রয়েছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার জনপ্রিয়তার জন্য পুরো বিশ্বে প্রসিদ্ধ। ভারতবাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অনেক সন্মান এবং ভালোবাসা দেন যার কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশ তথা বিশ্বের এক জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন।9

from India Rag https://ift.tt/2mLhimi
24 ghanta

হিন্দুদের আস্থার সন্মান রাখতে বড়ো পদক্ষেপ নিলেন যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

হিন্দুদের ইস্ট দেবতা ভগবান শিব। এই বাবা শিবের উপাসনা করার জন্য উনার ভক্তরা অনেকটা পথ অতিক্রম করে জল ঢালেন বাবার মাথায়। দেশের প্রায় সমস্ত জায়গায় হিন্দুরা বাবা শিবের পুজা করে থাকেন এই শ্রাবণ মাসে। ভক্তরা বাবা ভোলানাথের মাথায় জল দিয়ে পুণ্যলাভ করেন। সেই জন্যই বাবা শিবের মাথায় জল ঢালার জন্য কাওয়ার যাত্রা নামক একটি বিশেষ যাত্রা প্রচলিত আছে বিহার এবং উত্তর প্রদেশের এলাকাগুলিতে । সেটি আগামীকাল থেকে শুরু হতে চলেছে। দেশের সব জায়গা থেকে শিব ভক্তরা সেই যাত্রায় অংশগ্রহন করেন ভাগবান শিবের মাথায় জল ঢালার জন্য।
কিছু না খেয়ে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করে বাবা শিবের মাথায় জল ঢেলে পুন্যতা লাভ করা হয় এটাই দীর্ঘদিনের রীতিনীতি।

প্রতিবারের মতোই এবারও উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার নজর রাখছেন শিব ভক্তদের যাত্রা পথে। তাদের যাতে কোনো রকম অসুবিধা না হয় সেই দিকে নজর রাখা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। তবে এরার উল্লেখযোগ্য হল যে রাস্তা দিয়ে শিব ভক্তরা হেঁটে যান সেই রাস্তাতে সমস্ত মাংসের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। হিন্দুদের আস্থার উপর খেয়াল রেখেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

এছাড়াও যারা কাঁধে বাঁক নিয়ে হেঁটে যান মাইলের পর মাইল তাদের উপর বিশেষ নজর রাখছেন হেলিকপ্টার এবং ড্রোনের সাহায্য। তাদের যেন কোনো রকম অসুবিধা না হয় সেই সব দিকে খুব যত্নসহকারে নজর রাখছেন প্রশাসন। থাকছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যাবস্থা যাতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে খুব তাড়াতাড়ি তার চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়। থাকছে মেডিকেল ক্যাম্প।

আগের সরকারের আমলে DJ সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল,কিছু বিশেষ এলাকা দিয়ে পেরোতে দেওয়া হতো না ভক্তদের। এমনকি লাঠিচার্জও করা হতো। কিন্তু এবার যোগী সরকারের সিধান্ত অনুযায়ী ভক্তরা যেকোনো স্থান দিয়ে পেরোতে পারবেন এবং Dj বাজাতে পারবেন। শুধু এই নয় ভক্তদের উপর ফুল ছড়ানোর ব্যাবস্থা করবে পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2LwAX8e
24 ghanta

এক মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীকে নিয়ে রাহুল গান্ধীর দল এমন কুমন্তব্য করলো যা যেকোনো দেশভক্তকে আঘাত দেবে।

কংগ্রেস নেতারা লাগাতার বিজেপি সরকারের উপর আক্রমণ করছে এই বলে যে বিজেপি ইতিহাসকে অন্যভাবে পাঠ্যপুস্তকে পেশ করছে। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই আমাদেরকে যে ইতিহাস পড়ানো হয় সেখানে কংগ্রেসের মহিমামণ্ডপ ছাড়া আর কিছুই নেই। রাজনীতির খেলা কিভাবে ইতিহাসে খেলা হয় এটাও দেখার মতো বিষয়। যখন থেকে সঙ্ঘ স্থাপিত হয়েছে তখন থেকে কংগ্রেস স্বাধীনতা আন্দোলনে সঙ্ঘের অবদানকে মিথ্যা করার চেষ্টা করে আসছে এবং দেশের ইতিহাস এমনভাবে পেশ করছে যেন একটা পরিবার(গান্ধী/নেহেরু পরিবার) দেশকে স্বাধীন করেছে। এখন গোয়াতে পাঠ্যপুস্তকে বীর সভারকারকে যুক্ত করার পর থেকে কংগ্রেস আপত্তি প্রকাশ করতে শুরু করেছে। কারণ রাহুল গান্ধীর দলের ধারণা এই যে ভারতকে স্বাধীনতা একটা পরিবার দিয়েছে।

কংগ্রেস এর বক্তব্য আজ জওহরলাল নেহেরুকে সরিয়ে বীর সভারকারকে আনা হয়েছে তাহলে এবার মহাত্মা গান্ধীকেও সরিয়ে দেওয়া হবে। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি পাঠ্যপুস্তক থেকে ইংরেজদের সাথে লড়াই করা জওহরলাল নেহেরুর ছবি সরিয়ে নিজের মুক্তির জন্য ক্ষমা চাওয়া সভারকারের ছবি রাখা হয়ছে। এর জন্য কংগ্রেস একটা টুইট করেছে যেখানে তারা একদিকে জওহরলাল নেহেরুরু ছবি রেখেছে অন্যদিকে বীর সভারকার এর ছবি রেখেছে। জওহরলাল নেহেরুরু ছবির পাশে লেখা হয়েছে ইনি ইংরেজদের সাথে লড়াই করেছিলেন অন্যদিকে বীর সভারকারকে ছবির পাশে লেখা হয়েছে ইনি ইংরেজদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। কংগ্রেসের নিজের মতো করে বানানো ওই টুইট দেখে জনগণ রাগে ফেটে পড়েন কারণ কংগ্রেস জওহরলাল নেহেরুকে লড়াকু দেখানোর জন্য বীর সভারকারকে অপমান করেন। টুইটের কমেন্টে বহুজন স্বাধনীতা আন্দোলনে কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে এমন এমন প্রশ্ন তুলেন যার উত্তর হয়তো তাদের কাছে নেই।  

আপনাদের জানিয়ে রাখি, কংগ্রেস সভারকারকে নিয়ে মিথ্যা কুমন্তব্য করলেও ইনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করে দু দুবার আজীবন জেল গিয়েছিলেন। এই রাষ্ট্রভক্ত নেতার প্রতিবাদ এতটাই জোরালো ছিল যে ইংরেজরা প্রায় ৩০ বছর বীর সভারকারকে বন্দি বানিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছিল।

সভারকার সেই ব্যক্তি ছিলেন যিনি সর্বপ্রথম বিদেশী বস্তুর বয়কট করার আহ্বান করেছিলেন এবং বিদেশী বস্তুতে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। যার পর উনার উপর মামলা চালানো হয়েছিল এবং কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। শুধু এই নয় বীর সভারকারের লেখা বইগুলি ইংরেজ শাসনকে এমনভাবে কাঁপিয়ে তুলেছিল যে তারা বইগুলি ব্যান করে সভারকারকে বন্ধি বানিয়েছিল।

from India Rag https://ift.tt/2uVGQBB
24 ghanta

বিখ্যাত নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ২০১৯ নির্বাচন নিয়ে যা তথ্য প্রকাশ করলেন তা বিরোধীদের ঘুম উড়িয়ে দেবে।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি ভারতে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিল এবং পূর্ণ বহুমতের সাথে ভারতে সরকার বানিয়ে ছিল। ২০১৯ এ মোদী সরকারের ৫ বছর পূর্ণ হতে চলেছে আর সেই ভিত্তিতে ভারতে আরো একবার নির্বাচনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন ফলাফলের বিশেষজ্ঞ এবং এই জগতে চাণক্য নামে পরিচিত প্রশান্ত কিশোর ২০১৪ তে বিজেপি জেতার সংকেত দিয়েছিল আর সেইমতো বিজেপি পূর্ণবহুমতে জয়লাভ করেছিল। এখন নির্বাচন সামনে আসার সাথে সাথে রাজনীতির সাথে যুক্ত মানুষদের দৃষ্টি আরো একবার প্রশান্ত কিশোরের দিকে পড়েছে। আর সেই হিসেবে প্রশান্ত কিশোর জনগণের সাথে লাগাতার কথা বলছেন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের রায় শুনছেন।

দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই নিয়ে প্রশান্ত কিশোর যে তথ্য তুলে ধরেছেন তা দেশবাসীকে খুশি করে তোলার মতো। ন্যাশনাল এজেন্ডা নামক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশান্ত কিশোর দেশবাসীদের সাথে জুড়ে রয়েছেন এবং বহু মানুষের রায় নিচ্ছেন। এই সার্ভেতে যে ব্যাক্তি সবথেকে বেশি লোকপ্রিয় হিসেবে উঠে আসছেন উনি আর কেউ নন দেশকে বিকাশের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ব্যাক্তি এবং দেশের প্রধান সেবক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এখনো পর্যন্ত যে সার্ভে উঠে এসেছে তাতে দেশের বেশিরভাগ মানুষ চান নরেন্দ্র মোদী আরো একবার দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে আসুন। ২০১৯ এর নির্বাচনের জন্য প্রশান্ত কিশোর তার এই সার্ভেতে প্রধানমন্ত্রী সহ দেশের আরো কিছু নেতার নাম রেখেছেন। এবং সার্ভেযে উনি দেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় যেমন শ্রম,শিক্ষা, নারী সুরক্ষা, সাম্প্রদায়িকতা, উপজাতিদের সুরক্ষার মতো বিষয় রেখেছেন। যদিও এখনো সার্ভে শেষ হয়নি এবং সার্ভের অন্তিম রেজাল্ট বেরোইনি।

তা সত্ত্বেও আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই সমীক্ষায় নরেন্দ্র মোদী অন্যান্য নেতাদের থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছেন এবং রাহুল গান্ধী তো উনার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। অনুমান করা হচ্ছে, দেশে যেভাবে বিকাশ হয়েছে তার ভিত্তিতেই নারেন্দ্রি মোদী টপে রয়েছেন এবং ২০১৯ এ আরো একবার দেশের জনগণ নরেন্দ্র মোদীকে বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।

from India Rag https://ift.tt/2K1duqe
24 ghanta

“যুদ্ধ ঘোষণা হলেই পাকিস্থানকে চার টুকরো করুক ভারত”

এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছে ইমরান খান। এই ইমরান খান খুবই আক্রামনাত্বক তাই এবার হয়তো পাকিস্থান ভারতবর্ষের সাথে যুদ্ধ লাগতে পারে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির প্রবীন নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। আপনাদের জানিয়ে দি, সুব্রামানিয়াম স্বামী এমন একজন সাংসদ যিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে বহুবার দেশের সামনে তুলে ধরেছেন এবং পরবর্তীকালে তা সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। একটি সংবাদ মাধ্যমকে তার দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেছেন যে, এবার পাকিস্তান ভারতের সাথে যুদ্ধ লাগতে পারে। যদি তারা এটা করে তাহলে এটাই হবে তাদের ঐতিহাসিক ভুল। আমাদের দেশের সেনা জাওয়ানদের এই জন্য সব সময় তৈরি থাকতে হবে। আর এই সুযোগে পাকিস্তান কে টুকরো টুকরো করে দেওয়া উচিৎ। এই রকম সুযোগ খুব কম আসে তাই সুযোগ হাত ছাড়া না করে সরকারের উচিৎ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান কে শেষ করে দেওয়া।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নামে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হল ইমরান খান। বুধবার পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে ইমরানের দল কে জেতানোর জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়াটাই জালিয়াতিতে পরিপুষ্টি ছিল। এমনটাই দাবি করেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
স্বামী এদিন বলেন যে, পাকিস্তানের নেতা ইমরান খান হল নওয়াজ শরিফের মতই একজন পুতুল। কিন্তু তিনি সেটা সামনাসামনি দেখিয়ে দিয়েছেন এটাই তার ভালো দিক। তার মতে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ও সামরিক বাহিনী তাদের দেশের সমস্ত রাজনীতিবিদ দের নিজের হাতের পুতুল করে রেখেছে। তাদের কথাই সেখানে শেষ কথা।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পাকিস্থান সেনা দ্বারা নির্বাচিত সরকার কে সরিয়ে অন্য দলের উপর দেশ চালানোর দায়িত্ব তুলে দেওয়া হল। এই নির্বাচনিতে অংশ নিয়েছিল প্রায় ১২২টি রাজনৈতিক দল। ফলে তাদের মধ্যে প্রায়ই ভোট প্রচার নিয়ে ঝ্যামেলা লেগে থাকতো। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘটনা হল বালোচিস্তানের শক্তিশালী বিস্ফোরণে প্রায় ১৫০ জনের বেশি নিহত হন।

নির্বাচনের আগেই ইমরান খান প্রচার করেছিলেন যে যদি তার দল জয়লাভ করে তাহলে পাকিস্থানকে সম্পুর্ন কাশ্মীর দেওয়া হবে। এইরকম পরিস্থিতিতে এটা স্বাভাবিক যে পাকিস্থান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। আর যদি পাকিস্থান এমন করে সেই সুযোগে ভারতের উচিত পাকিস্থানকে টুকরো টুকরো করে ফেলা বলে মন্তব্য সুব্রামানিয়াম স্বামী।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2AbDGPg
24 ghanta

তৃণমূলের বিরুদ্ধে বঙ্গে Mega Rally! উপস্থিত থাকবেন অমিত শাহ।

এবার তৃনমূল সরকারের দূনীতির বিরুদ্ধে কলকাতা শহরের রাজপথে নামবেন রাজ্য বিজেপি। রাজ্য বিজেপির দাবি হল যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ২ টাকা কেজি চাল না দিয়ে আগে সাধারন মানুষের রুজিরোজগারের স্থায়ী ভাবে কিছু ব্যাবস্থা করুক। কারন মানুষ যদি রোজগার করতে না পারে তাহলে সেই চাল কেনার টাকা আসবে কোথা থেকে। এই দাবিতে আগামী  ১১ ই অগাস্ট কোলকাতার রাজপথে রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চা Mega Rally উদ্ধোগ করেছেন।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে সেই দিনের সেই Mega Rally তে পা মেলাবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ মহাশয়। শুধু তিনি একাই নন তাঁর সাথে থাকবেন পুনম মহাজন যিনি যুব মোর্চার জাতীয় সভানেত্রী। সেই সাথে থাকছেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব সহ হাজার হাজার দলীয় সমর্থক৷

কিছু দিন আগে জুলাই মাসে রাজ্য সফরে আসেন অমিত শাহ। তিনি কোলকাতার একটি প্রেক্ষাগৃহে বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গে দেখা করেন এবং কিছু ভাষন দেন। তারপর তিনি সেখান থেকে সোজা পুরুলিয়া চলে যান সেখানে গিয়ে রাজনৈতিক সভায় যোগদান করেন এবং সেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাষন দেন। কিন্তু তিনি সেই সময় কোলকাতাতে কোনো সভা করেন নি, তাই এবার রাজ্য যুব মোর্চার উদ্ধোগে এই Rally তে তিনি পা মেলাবেন। এই খবর পেয়ে রাজ্য বিজেপিতে খুশির হাওয়া। তিনি রাজ্য যুব মোর্চার সাথে পা মিলিয়ে বিধানসভা বা নবান্ন অভিযানে যাবেন ১১ ই অগাস্ট এমন খবরই পাওয়া যাচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, রাজ্যে অনেক আগে আসার কথা ছিল অমিত শাহ এর। তিনি এর আগে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে আসবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু নানান কারনে পঞ্চায়েত ভোট পিছিয়ে যাবার ফলে তিনি আসতে পারেন নি। তার মাঝে কর্ণাটকের বিধানসভা ভোট পড়ে যায় তাই তিনি নানা রকম ব্যাস্ততার কারনে আসতে পারেন নি। তবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ জুলাইতে রাজ্য সফরে এসেছিলেন এবং তিনি এসে তারাপীঠের মন্দির দর্শন করেন এবং সেখানে ভক্তিভরে পূজো দেন।

রাজ্য বিজেপির খবর অনু্যায়ী জানা যাচ্ছে যে অমিত শাহ এর এই কর্মসূচী ৩ ই অগাস্ট করার কথা থাকলেও সেই তারিখ টি বদল করা হয়েছে কারন সেই দিন তিনি মহারাষ্ট্রে যাবেন সেখানকার বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর জন্য।
দেবজিৎ সরকার যিনি রাজ্যে যুব মোর্চার সভাপতি তিনি বলেন যে, এই রাজ্যে সাধারন মানুষের রোজকার নেই। দিনের পর দিন রাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে চলেছে কিন্তু সেই দিকে তৃনমূল সরকারের নজর নেই কারন তিনি এখন ২ টাকা কেজি চাল দিয়ে নাম কামানোয় ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। উনার দাবি যে আমাদের লড়াই এই নোংরা রাজনীতি বিরুদ্ধে।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2mNHwVt
24 ghanta

দুর্নীতি ও ঘুষপ্রথাকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে নতুন আইন পাশ করালো মোদী সরকার।

স্বাধীনতার পর থেকে দুর্নীতি ভারতে বৃদ্ধির জন্য একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতে দুর্নীতি এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গেছিলো যে উচ্চপদস্থ থেকে নিন্মপদস্থ সমস্ত কর্মচারীরা দেশের সিস্টেমকে নষ্ট করে দিয়েছিলেন। তবে মোদী সরকার আসার পর থেকে দেশে বেশকিছু বড় পদক্ষেপ নেয় যার পর দুর্নীতি অনেকাংশে কমে। যেখানে কংগ্রেস আমলে দেশে কয়লা দুর্নীতি থেকে বফোর্স দুর্নীতির মতো একের পর এক বড় কেলেঙ্কারি সামনে আসতো সেখানে মোদী সরকারের ৪ বছরে কোনো দুর্নীতি সামনে আসেনি। তবে এখনো বিভিন্ন স্তরের মধ্যে ঘুষ দেওয়ার মতো নানান দুর্নীতি চলতেই থাকতে। এখন মোদী সরকার দুর্নীতিকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে অপেরাশন ব্ল্যাক আউট শুরু করে দিয়েছে।

আর এই অপেরাশনের ভিত্তিতে এক দারুন আইন নিয়ে এসেছে। নতুন আইন অনুযায়ী ঘুষ নেওয়া ব্যাক্তির সাথে সাথে ঘুষ দেওয়া ব্যক্তিকেও কঠোর সাজা দেওয়া হবে। মোদী সরকারের বক্তব্য যে ব্যাক্তি ঘুষ নেন তিনি যতটা অপরাধী ততটাই অপরাধী যিনি ঘুষ দেন তাই তাকেও কঠোর সাজা দেওয়া হবে। এই আইন দুই সাংসদেই পাশ হয়েগেছে বলে সূত্রের খবর।যদিও এই আইনের বিরোধিতা করেছে অনেকে।

আইন অনুযায়ী এবার থেকে দোষীদের ৩ থেকে ৭ বছরের সাজা দেওয়া হবে। শুধু এই নয় যদি কেউ তৃতীয় ব্যাক্তির মাধ্যমে ঘুষ নেন না দেন সেক্ষেত্রেও এই নিয়ম লাগু হবে এবং দোষীদের সাজা দেওয়া হবে। সংশোদন বিদায়ক এই সংক্রান্ত মামলা দুই বছরের মধ্যে মেটানোর নির্দেশ দেন।

দুর্নীতি দমনের জন্য মোদী সরকারের নীতি বরাবরই জিরো টলারেন্স এর ছিল। মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই ঘোষণা করেছিলেন ‘ না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা’। আর সেই কথা মতো প্রধানমন্ত্রী আধারলিংক ও নোটবন্দির মতো পদক্ষেপ নিয়ে দুর্নীতিবাজদের হাত কেটে ফেলেছিলেন। এবার মোদী সরকার এই আইনের দ্বারা দুর্নীতিবাজদের আরো একবার বড়ো ধাক্কা দিলেন।

from India Rag https://ift.tt/2Okf6yA
24 ghanta

রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য ফ্রিতে রেশন থাকলেও ক্ষুদার জ্বালায় মারা গেল ৩ শিশু।

তিনটি বাচ্চা যাদের বয়স যথাক্রমে ২ বছর, ৪ বছর ও ৮ বছর খিদের জ্বালায় ছটফট করে মারা গেল কিন্তু নিশ্চুপ মিডিয়া ও বিদ্ধিজীবীরা। আসলে ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির মন্দাবালি এলাকায়। এই ঘটনা যদি উত্তরপ্রদেশ বা ঝাড়খণ্ডের মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যে হতো তাহলে ডিবেট ও প্রতিবাদ করে করে দেশকে উত্তাল করে তোলা হতো। কিন্তু যেহেতু ঘটনাটি কেজরিওয়ালের শাসিত দিল্লীতে ঘটেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি এই ৩ টি বাচ্চার বাবা দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে রিক্সা চালান এবং এই কারণে কিছু দিন পর পর বাড়ি ফিরতেন। বাচ্চা তিনটির মা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। আজকাল শহরের এক প্রতিবেশী আরেক প্রতিবেশীর দিকে ঘুরেও দেখে না। কিন্তু এলাকায় প্রশাসন ছিল, অঙ্গনওয়ারি ছিল কিন্তু কেউ কোনো গুরুত্ব না দেয়ায় মারা গেল ওই ৩ টি ছোট বাচ্চা।

কেজরিওয়ালের আমআদমি পার্টি দিল্লির প্রত্যেক এলাকায় আমআদমি ক্যান্টিন খোলার কথা বলেছিল। কোথায় সেই ক্যান্টিন? লজ্জার ব্যাপার এই যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল দেশের প্রত্যেক ব্যাপারে টুইট করে মোদী বিরোধিতায় নেমে পড়ে কিন্তু এই ঘটনায় একবারের জন্যেও মুখ খোলনি তিনি। আপনাদের আরো জানিয়ে দি, দিল্লির যে এলাকায় তিনটি বাচ্চার মৃত্যু ঘটেছে ওই এলাকা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোধিয়ার বিধানসভা এলাকা। কেজরিওয়াল সরকার আসার সময় দাবি করেছিল যে প্রত্যেক দিল্লীবাসীর ঘরে ঘরে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রেশনের সমস্ত কিছু রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশীদের মধ্যে বিলি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল কেজরিওয়াল সরকার।

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী ভোজন প্রত্যেক ভারতীয়র জন্মগত অধিকার আর সেটা দেখাশোনা করার দায়িত্ব প্রত্যেক রাজ্য সরকারের। সরকারি টাকায় বিদেশ থেকে কেনা গাড়িতে চেপে ঘুরে বেড়ানোর সময় তো মনীশ সিসোধিয়ার কাছে আছে কিন্তু যাদের জন্য আজ তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী তাদের খেয়াল রাখার সময় উনার কাছে নেই।


আপনাদের জানিয়ে রাখি কেজরিওয়াল সেই মুখ্যমন্ত্রী যিনি ২ কোটি টাকার ইফতার পার্টি দিয়েছিলেন, অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিম ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য ঝুপড়ি বানিয়ে সেখানে সপ্তাহে রেশন পৌঁছানোর ব্যাবস্থা করেছেন।

এমনকি তাদের জন্য বিনামূল্যে জল ও আলোর পরিষেবা প্রদান করেছেন। কিন্তু মন্দাবালির ৩ হিন্দু মেয়ে খিদের যন্ত্রনায় ছটফট করে মারা গেলেও উনি খোঁজ খবর রাখেননি। অন্যদিকে মিডিয়া খবরটিকে চেপে বসে আছে অথচ দিল্লিতেই মিডিয়া সবথেকে সক্রিয় হয়ে থাকে। আসলে গরিব মাতা পিতার এই ৩ টি বাচ্চার ভুল ছিল যে তারা হিন্দু ভারতীয় ছিল যা কেজরিওয়ালের ভোটব্যাঙ্ক নয়।

from India Rag https://ift.tt/2LslIxm
24 ghanta

RSS কিভাবে ১৯৬২ এর ভারত-চীন যুদ্ধে ভারতীয় সেনাকে সাহায্য করেছিল জানলে আপনিও সঙ্ঘের উপর গর্ব করবেন।

কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সহ কিছু হিন্দুসংগঠনবিরোধী দলের সদস্যরা কোনো দিন আরএসএস এর শাখা গুলি তে পা রাখেননি এমনকি তাদের কাছে আর এস এস সম্পর্কে সঠিক কোনো ধারনা নেই। কিন্তু তারা সুযোগ পেলেই আর এস এস এর নামে কটুক্তি করতে ছাড়েন না। তারা সব সময় আর এস এস কে গেরুয়া সন্ত্রাস বলে দাবি করেন। তাদের মতে আরএসএস দাঙ্গা সমর্থন করে এবং দেশের মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃস্টি করে।বামপন্থী ও কংগ্রেসিরা কোনো দিন আরএসএস এর সমাজসেবামূলক কাজ ও দেশের হিতের কাজ গুলি সমর্থন করেনি। আরএসএস এর স্বেচ্ছাসেবকরা বার বার প্রাকৃতিক নানা কারনে বিপদজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সাধারন মানুষের পাশে গিয়ে দাড়িয়েছে। দেশের গরিব শিশু দের শিক্ষাদান করেছেন এই সব কথা কোনো দিন কংগ্রেস শিকার করবে না।

আজ আমরা আপনাদের এমন কিছু তথ্য দেব যেটা জানার পর আপনারাও RSS এর উপর গর্ব বোধ করবেন।আর এস এস অন্যসব দেশপ্রেমিকদের মতন নিজের মা এর মত দেশ কে ভালোবেসে চলেছে। দেশের খারাপ সময়ে সব সময় সবার আগে আরএসএস আগে এসে দাঁড়িয়েছে। এমন কি ১৯৬২ সালে যখন ইন্দো-চায়না যুদ্ধ হয় সেই সময় আর এস এস ভারতীয় সেনা জাওয়ান দের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। তারাও দেশের হয়ে নিজের রক্ত ঝড়িয়েছি। আপনারা জানলে অবাক হবেন, যে ইন্দো-চায়না যুদ্ধের সময় বামপন্থিরা চীনের দালালী করার জন্য ভারতীয় সেনার পাশে দাঁড়ানো তো দূর ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত দান করতেও অস্বীকার করেছিল বহু বামপন্থী।
আসলে তারা সেই সময় শুধু নিজের গদি দেখেছে।

এমন কি ইন্দো-চায়না যুদ্ধ যেখানে হয়েছিল সেখানে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল কিন্তু সেই সময় নেহেরু সরকার ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য সেনা জাওয়ান দের কোনো রকম গরম প্রসাক দিয়ে সাহায্য করেন নি। যুদ্ধের প্রয়োজনীয় অস্ত্র এর প্রয়োজন পর্যন্ত মেটাতে পারেনি কংগ্রেস। ফলে প্রান গিয়েছিল বহু সেনা জাওয়ানের। এই রকম পরিস্থিতিতে যখন সেনাদের সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে আসেন নি তখন আরএসএস তাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে সেনা জাওয়ান দের সাহায্য করতে এগিয়ে গিয়েছিল।

এর জন্য পরে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আর এস এস প্রশংসাপ্রাপ্ত হয় এবং RSS কে জওহরলাল নেহেরু প্যারেড এর জন্য আমন্ত্রিত করেন ১৯৬২ এর প্রজাতন্ত্র দিবসে। যে কংগ্রেস একদিন RSS এর উপর প্রতিবন্ধক এনেছিল তারাই সংঘের দেশপ্রেমের কাছে মাথানত করে প্রজাতন্ত্র দিবসে সয়ংসেবকদের আমন্ত্রণ করতে বাধ্য হয় । প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি কংগ্রেসের ভুল নীতি ও চীনের সাথে বেশি সুসম্পর্ক দেখাতে গিয়ে হারতে হয়েছিল ভারতকে।

#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2NPudz7
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started