সরকারি স্কুলকে করা হয়েছিল মাদ্রাসা! যোগী আদিত্যানাথ এর কড়া পদক্ষেপে বিরোধ কংগ্রেসের।

উত্তরপ্রদেশের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব সব কাজে নিজের অবদান দেখান কিন্তু সরকারি স্কুলের ইসলামিকরণ হচ্ছিল সেই ব্যাপারে তিনি এখন চুপ করেই আছে। উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীয় আমলে যা অবস্থা হয়েছিল তার থেকেও খারাপ অবস্থা হয়েছিল অখিলেশ যাদবের আমলে। এটা তো উত্তরপ্রদেশের জনগণের ভাগ্য ভালো যে এখন রাজ্যে যোগী শাসন এসেছে নাহলে রাজ্যের ইসলামিকরনের পক্রিয়া খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল। কোনো রাজ্যে সরকারি স্কুলে বা সরকারি অন্য কাজে সরকারের বা স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি বা সাহায্য ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আর সেই মতো অখিলেশ আমলে উত্তরপ্রদেশের বেশকিছু স্কুলের নাম পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছিল।

সরকারি স্কুলের নামের আগে যোগ করে দেওয়া হয়েছিল ইসলামিয়া শুধু তাই নয়, প্রত্যেক সরকারি স্কুল যেখানে রবিবার ছুটি থাকে সেখানে মুসলিম বহুল এলাকায় এই স্কুলগুলিতে রবিবারের বদলে ছুটি থাকতো শুক্রু বার। এমনকি স্কুলে সমস্তকিছু পড়ানো হতো উর্দু ভাষায়। উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলায় এইরকম বেশকিছু স্কুল নজরে আসে যোগী প্রশাসনের। আর তৎক্ষনাৎ শুরু হয় কড়া পদক্ষেপ।

যোগী সরকারের নির্দেশে সাথে সাথে পেইন্টার এনে মুছে ফেলা হয় ইসলামিয়া শব্দগুলি। সমস্ত বিষয় হিন্দিতে পড়ার সাথে সাথে শুক্রু বারের বদলে রবিবার ছুটির নির্দেশও দেওয়া হয়।আশ্চর্যের বিষয় এই যে এলাকার স্থানীয় লোকজনেরা একবারের জন্যেও স্কুলের নাম নিয়ে প্রতিবাদ করেনি।

যদিও কংগ্রেস যোগী সরকারের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। কংগ্রেসের এক বরিষ্ঠ নেতার। বক্তব্য ওই এলাকাগুলিতে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেশি তাই ওই নিয়ম ছিল সরকারের সেই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এখনো পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে এইরকম ৪৬ টি স্কুল পাওয়া গেছে। একটা বিষয় পরিষ্কার যে আগের সরকারের আমলে রাজনেতারা ভোটের জন্য এই স্কুলগুলিকে বিনা বাধায় সারিয়া নিয়ম লাগু করে মাদ্রাসার ধাঁচে চলতে দিয়েছিল এবং উত্তরপ্রদেশ ইসলামিকরনের দিকে ধাপে ধাপে এগোচ্ছিল। যদিও এখনো কিছু স্কুলের নাম থেকে ইসলামিযা নাম মুছতে বাধা প্রদান করছে স্থানীয় লোকজন তাদের দাবি এই নাম বহুদিন ধরে রয়েছে।

The post সরকারি স্কুলকে করা হয়েছিল মাদ্রাসা! যোগী আদিত্যানাথ এর কড়া পদক্ষেপে বিরোধ কংগ্রেসের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2K2APYx
24 ghanta

আবার দেশভাগের হুমকি দিলেন কট্টরপন্থী নেতা মুজফফর হুসেইন বৈগ ।

কিছুদিন আগেই ভারতকেও বিভক্ত করার হুমকি দিয়েছিলেন জম্মুকাশ্মীরের মুসলিম ধর্মগুরু তথা গ্রান্ড মুফতি, যা নিয়ে সারা দেশে হৈচৈ শুরু হয়েছিল। জম্মুকাশ্মীরের গ্রান্ড মুফতি নাসির উল ইসলামের বক্তব্য ছিল যদি সরকার দেশে শরিয়া আদালত তৈরি করতে না দেয় তাহলে মুসলিমদের উচিত ভারতকে ভেঙে নতুন দেশের দাবি তোলা। সেই বিতর্কের জের কাটতে না কাটতেই আবার এক কট্টরপন্থীর দেশভাগের হুমকি দেশবাসীকে চিন্তায় ফেললো। আসলে মুজফফর হুসেইন বৈগ নামে এক নেতা জম্মু কাশ্মীরের পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (PDP)-র সাথে বহু দিন ধরে যুক্ত। তিনি এখন সেই পার্টির একজন নাম করা নেতাও ।

মুজফফর হুসেইন বৈগ এক সভায় মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি দেওয়ার জন্য বলেন যে “দেশ কে আবার ভাগ করে দিতে হবে, যদি এই ভাবে মুসলিম হত্যা বন্ধ না করা হয়।” তিনি এই দিন জম্মু কাশ্মীরের শ্রীনগর এলাকাভুক্ত একটি জায়গায় জনসভা করে, সেখানে তিনি নিজের বক্তৃতায় বলেন যে, যদি গো-হত্যার নামে মুসলিম দের যেভাবে হত্যা করা হচ্ছে সেটা যদি অতিসত্বর বন্ধ না করা হয় তাহলে দেশের সরকারকে এর খেসারত দিতে হবে।

সেই সঙে তিনি ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের কথা মনে করিয়ে দেন। সেই বয়ান যখন তিনি দিচ্ছিলেন তখন মঞ্চে উপস্থিত ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। পিডিপির নেত্রী মেহবুবা মুফতির সামনেই বিতর্কিত বক্তব্য রাখেন।

উনি বলেন যে এর আগে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুভাগ হয়েছিল। সেই রকমই দেশকে আবার ভাগ করে দেওয়া হবে যদি মুসলিমদের উপর হামলা বন্ধ না হয়। গোরক্ষার নাম করে যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে তার বিরোধীতা করতে গিয়ে তিনি এই বিতর্কিত বক্তব্য রেখেছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post আবার দেশভাগের হুমকি দিলেন কট্টরপন্থী নেতা মুজফফর হুসেইন বৈগ । appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LY6LPC
24 ghanta

বিকাশের জোয়ার উত্তরপ্রদেশে! যোগী রাজ্যে ৬৩০০০ কোটি টাকার শিল্যানাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৫ দিনের আফ্রিকার সফরের পর কাল সকালে ভারতে ফিরেছেন। আফ্রিকার রাবান্দা ও ইউগান্ডা এই দুই দেশকে ভারত ৪০ ও ১০ কোটি ডলার ঋণ প্রদান করেছে। ভারত এখন অন্যদেশকে ঋণ দেওয়ার মতো অর্থনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করেছে। আফ্রিকা থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার একই মেজাজে বিকাশের কাজে নেমে পড়েছেন। আফ্রিকা থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী দুইদিবসের যাত্রার জন্য উত্তরপ্রদেশে রওনা দিয়েছেন। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশের লখনউ যাবেন সেখানে তিনি একসাথে প্রায় ৬৩ হাজার কোটি টাকার ৯৯ টি পরিকল্পনার শিল্যানাস করেছেন। এটা নিজে নিজেই একটা ঐতিহাসিক সময়ের সৃষ্টি করবে। আগে কখনো একসাথে এত বিশালকায় কার্যক্রম হয়নি।

নরেন্দ্র মোদী গ্রাম বিকাশ পরিকল্পনায় অংশ নিয়েছিলেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আজ দুপুরে রাজ্য সরকারের গ্রাউন্ড ব্রেকিং সেরমনির সময় প্রধানমন্ত্রী ৬৩,০০০ কোটি টাকার পরিকল্পনার শিল্যানাস করেন।প্রধানমন্ত্রী এই গ্রাউন্ড ব্রেকিং সেরমনিকে, রেকর্ড ব্রেকিং সেরমনি বলে আখ্যা দেন। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের এই সফরে বিভিন্ন জেলার আবাস যোজনায় লাভর্থীদের হাতে চাবি তুলে দিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

আজকের সেরমনিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের বিভিন্ন শিল্পপতিদের উৎসাহিত করেন এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের অবদানের সুনাম করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের উপর আক্রমণ করে বলেন যদি উদেশ্য সৎ হলে শিল্পপতিদের সাথে থাকলে দাগ লাগে না। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, আগে কিছুলোক পর্দার পেছনে শিল্পপতিদের সাথে বৈঠকে বসতেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যদি শিল্পপতির অসৎ কাজ করে তাহলে হয় তারা দেশ ছাড়বে অথবা জেল যাবে।

শুধু এই নয় প্রধানমন্ত্রী বলেন আমার আলোচনা করার আগে মনে রাখবেন দেশে বাকি থাকা কাজের জন্য আমার খাতায় ৪ বছর আছে কিন্তু বাকিদের খাতায় ৭০ বছর রয়েছে। নরেন্দ্র মোদী এই অনুষ্ঠানে থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের খুব প্রশংসা করেন এবং উত্তরপ্রদেশের দ্রুতগতিতে চলা বিকাশ কাজের জন্য যোগী সরকারকে অভিনন্দন জানান।

The post বিকাশের জোয়ার উত্তরপ্রদেশে! যোগী রাজ্যে ৬৩০০০ কোটি টাকার শিল্যানাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2NTiijE
24 ghanta

মমতা ব্যানার্জীর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করা উচিত বলে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি মন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর শাসনকালে প্রথম দিকে রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক রং উঠে না এলেও। বর্তমানে মমতা ব্যানার্জীর সরকারের উপর মুসলিম তোষণের অভিযোগ বার বার করছে বিরোধীরা। বিশেষ করে রাজ্যে বিজেপি শক্তিশালী হওয়ার মূল কারণ তৃণমূল সরকারের মুসলিম তোষণ। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ মমতা ব্যানার্জীর পার্টি। সম্প্রতি মমতা তোষণের উপর মুখ খুললেন
বিজেপির এক বড়ো নেতা। মমতা ব্যানার্জীকে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করার কথা বললেন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিং যাদব। তিনি মমতা কে হিন্দুত্বের প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করলেন, সেই পাশাপাশি তিনি জানান যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে দেওয়া উচিৎ। সেই সাথে বিজেপি নেতা যশবন্ত সিং যাদব প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রীর মানসিক সুস্থতা নিয়েও।
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডানপন্থী সংগঠনদের নিয়ে একটি মন্তব্য করেন।

সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজস্থানের শ্রমমন্ত্রী যশবন্ত সিং যাদব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশ প্রেম ও জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। তিনি বলেন যে একজন সাধারন মানুষের দেশের প্রতি যে ভালোবাসা থাকা দরকার সেটাও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। তিনি বলেন যে হিন্দু সংগঠন কে নিয়ে মমতাজি মন্তব্য করেন যে “সব হিন্দু সংগঠন নাকি উগ্রবাদী৷” তাই এই বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া হল যে যদি সব হিন্দুরা উগ্রবাদী হয় তাহলে উনি কেন এখনও এই হিন্দু ধর্মে আছেন। কেন তিনি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে দিচ্ছেন না।
আসলে, গত ২১ শে জুলাই তৃনমূলের তরফ থেকে একটি জনসভার আয়োজন করা হয় শহিদ দিবসকে উপলক্ষ্য করে।

সেখানে বক্তৃতা দেবার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণপিটুনি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে বিজেপি ও আরএসএসকে আক্রমণ করেন। তিনি সেখানে বলেন যে, আরএসএস দেশ জুড়ে বিনা কারনে গণপিটুনির মত ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা সাধারণ মানুষ কে উগ্রপন্থার দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু এখানেই থেমে যান নি, সেই দিনের মঞ্চ থেকে তিনি বিজেপি ও আরএসএস সংগঠনের বেশ কিছু নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে তারা নাকি ধর্মকে ব্যাবহার করে নোংরা খেলা খেলছেন।

রাজস্থানের শ্রমমন্ত্রী জানান যে তিনি নিজেও গোরক্ষার নামে গণপিটুনিকে সাপোর্ট করেন না। কিন্তু তিনি বলেন যে এইভাবে বেআইনি ভাবে যে ব্যাবসা চলছে গো মাংস বিক্রির নাম করে এটা যদি বন্ধ না হয় তাহলে সরকার বা সংগঠন আইন করে এই গণপিটুনির মত ঘটনা গুলি বন্ধ করতে পারবে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই অবৈধ ব্যাবসা বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। তিনি আরও বলেন তাই বলে এই ভাবে অন্য ধর্ম কে আঘাত করা উচিৎ কাজ নয়। অন্য ধর্মের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লাগে এমন কোনো মন্তব্য করা উচিৎ নয়। যেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন হিন্দু ধর্মের মানুষকে নিয়ে।
#অগ্নিপুত্র

The post মমতা ব্যানার্জীর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করা উচিত বলে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি মন্ত্রী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vhoIl2
24 ghanta

অবৈধ জবাইখান বন্ধ করার পর চমৎকার বক্তব্য দিলেন যোগী আদিত্যানাথ।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিজেপি ভারতের শাসনকার্য তাদের হাতে নিয়েছিল। কেন্দ্রে বিজেপি আসার পর থেকে বিজেপি রাজ্যগুলিতে এমনভাবে বিস্তার করেছে যে দেশের প্রায় ৮০% স্থানে বিজেপি ও তার সহযোগীদের শাসন রয়েছে। গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের সসক্তিকরণ করার জন্য মোদী সরকার দেশে বহু বড় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যা দেশের অবস্থার অনেকটা পরিবর্তন করেছে। এখন দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে বিজেপি সরকার থাকার জন্য দেশের বিকাশ এখন বহু দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরপ্রদেশে দেশের সবথেকে বড় রাজ্য যেখানে আগের বছর নির্বাচনে জনগণ বিজেপির উপর ভরসা করে প্রচন্ড বহুমতের সাথে জিতিয়েছিল। এই জয়লাভের পর উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যোগী আদিত্যনাথকে নির্বাচন করা হয়েছিল।

উত্তরপ্রদেশের শাসন ক্ষমতা নিজের হাতে পাওয়ার পর যোগী আদিত্যনাথ এমন এমন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন যা সকলকে দেশবাসীকে চমকে দিয়েছিল। আর সেই কারণেই যোগী আদিত্যনাথ প্রধানমন্ত্রী মোদীর পর দেশের ২ য় সকবথেকে জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। যোগী আদিত্যনাথের সেইসব সিদ্ধান্তের মধ্যে অবৈধ জবাইখানা বন্ধ করা, সমস্ত ধার্মিক স্থলথেকে লাউড স্পিকার সরিয়ে ফেলা, মেয়েদেরকে খারাপ ব্যাক্তিদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য আন্টি রোমিও স্কোয়াড গঠন করা এবং রাজ্যে গুন্ডাগিরি বন্ধ করতে পুলিশকে মজবুত করা ছিল অন্যতম।

যোগী আদিত্যনাথ টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে এক ইন্টারভিওতে জানিয়েছেন যে যদি উত্তরপ্রদেশে অবৈধ জবাইখানা বন্ধ না করা হতো তাহলে সেখানে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা বহু সংখ্যায় ঘটতো। যোগীজি বলেন, দেশের যেকোনো জায়গায় এই ধরণের ঘটনা ঘটলে রাজ্য সরকারের উচিত কড়া শাসন প্রয়োগ করা।তিনি বলেন, একই সাথে জনগণের উচিত একে অপরের ভাবনার সম্মান করা ।

যোগী আদিত্যনাথ তার কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন যে অবৈধ জবাইখানা বন্ধ করলে মব লিনচিং এর মত ঘটনা অনেক কমে যাবে এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থেকে এড়ানো যাবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যোগী সরকারের বড় বড় সিদ্ধান্তের কারণে যে উত্তপ্রদেশে আগে দাঙ্গা লেগেই থাকতো সেখানে এখন একটাও বড় দাঙ্গা ঘটেনি।

The post অবৈধ জবাইখান বন্ধ করার পর চমৎকার বক্তব্য দিলেন যোগী আদিত্যানাথ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2uYKwCV
24 ghanta

চীন ও শিকাগোর পর এবার দিল্লীতেও বাতিল মমতার অনুষ্ঠান।

একদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যখন নরেন্দ্র মোদীকে কেন্দ্র থেকে সরানোর জন্য সকল বিরোধীদের ডাক দিয়েছেন।তখন ফের আরও একবার ধাক্কা খেতে হলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আবার একবার তার অনুষ্ঠান বাতিল করল আয়োজক কতৃপক্ষ। আগামী ১ ই অগাস্ট দিল্লির খ্যাতনামা সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবার কথা ছিল মূখ্যমন্ত্রী মমতার। কিন্তু নানান নিয়মকানুনের কথা মাথায় রেখে কলেজ কতৃপক্ষ সেই কর্মসূচি বাতিল করেছে। তবে এই প্রথম নয়, গত কয়েক মাস ধরে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকটি কর্মসূচি বতিল হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল চিন সফর। গত মাসে তার চিন সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটা বাতিল করে দেওয়া হয় চিনা সরকারের তরফ থেকে।

তারা জানান যে, তারা এখনও ঠিক করতে পারেন নি যে কোন প্রতিনিধি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাই এই সফর তারা বাতিল করতে বাধ্য হয়। যদিও রাজ্য সরকার বিদেশমন্ত্রকের উপর অভিযোগ আনেন যে, বিদেশমন্ত্রক মমতার সফর নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখায় নি তাই এই সফর বাতিল হয়েছে। পরে অবশ্য সুষমা স্বরাজের দফতর সেই অভিযোগ খারিজ করে দেন।

এর পর তার চিকাগো সফরে যাওয়ার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতার, কিন্তু সেই সফরও বাতিল হয়ে যায়। এবার স্বামী বিবেকানন্দের চিকাগো বক্তৃতার ১৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই উপলক্ষ্যে সেখানে এই বছরে অগাস্টের শেষে একটি অনুষ্ঠান করবেন বলে জানা গেছিলো। তাই সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতার বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও পরে সেটা বাতিল হয়ে যায়। অনেকের দাবি প্রবাসী বাঙালিদের একাংশের মতবিরোধের জন্যই মুখ্যমন্ত্রীর সেখানকার সফর বাতিল করে দেন কতৃপক্ষ। তবে রামকৃষ্ণমিশনের এক সন্ন্যাসীর অকাল প্রয়াণে কারন দেখিয়েই উদ্যোক্তারা সেই সফর বাতিল করেন।

এবার দিল্লির সেন্ট স্টিফেনস কলেজের অনুষ্ঠান বাতিল হল। তারা জানিয়েছেন যে প্রোটোকলের বাধ্যবাধকতায় এই অনুষ্ঠান তারা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন। পরে এই জন্য কলেজ কতৃপক্ষ ক্ষমা চেয়ে নেয় তার কাছে। একে একে এই ভাবে একের পর এক সফর বাতিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর আর তাতে ক্রুদ্ধ তৃণমূলের কার্যকর্তারা। মমতা ব্যানার্জীর অনুষ্ঠান সভা বাতিল হওয়ার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে তৃণমূলের একাংশ।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2NP5n2i
24 ghanta

২০১৯ এ নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত,৫ বছর যথেষ্ট নয়:কঙ্গনা রানাউত।

এমনিতে বলিউড পাকিস্থান প্রেমী ও হিন্দুবিদ্বেষী মানুষের জন্য পাকে পরিনত হয়েছে ,কিন্তু কোথায় আছে পাকে পদ্মও ফোটে। এই বলিউডে কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা যুক্তিযত কথা বলেন এবং দেশের হিতে কথা বলেন। বলিউডের এইরকম মানুষদের একজন কঙ্গনা রানাউট যিনি আগেও দেশের হিতে কথা বলেছেন। কাল মুম্বাইতে চলো জিততে হ্যায় নামক একটা স্ক্রিনিংয়ে অমিত শাহ, পীযুষ গোয়েলের সাথে বলিউডের কঙ্গনা রানউট, অক্ষয় কুমার, আমিশা প্যাটেল এবং খেলার জগতের থেকে শচীন টেন্ডুলকার সহ বেশকিছুজন উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বায়োপিক নিয়েও আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন এক সাংবাদিকের কাছে কঙ্গনা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সম্পর্কে যা বলেন তা মনকে ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।

কঙ্গনা বলেন, মোদী দেশের জন্য সবথেকে ভালো বিকল্প। মোদী নিজের খানদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী হননি বরং উনি উনার কঠোর পরিশ্রম ও ক্ষমতার কারণে এই স্থানে পৌঁছেছেন। একই সাথে কঙ্গনা বলেন, দেশ যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থা থেকে দেশকে ঠিক করার জন্য ৫ বছর খুব কম সময় তাই মোদীজিকে আবার প্রধানমন্ত্রী পদে বসানো উচিত। কঙ্গনার কথায় যে যুক্তি রয়েছে একথা অস্বীকার করা যায় না কারণ নরেন্দ্র মোদী একটা দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছেন এবং উনার পরিবার আজও গুজরাটে সাধারণ জীবনযাপন করে।

কিন্তু বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী কেন রাজনীতির সাথে যুক্ত তা নতুন করে বলার কিছু নেই। আর দেশের অবস্থার দিক দেখলে প্রধানমন্ত্রী পদে যখন থেকে নরেন্দ্র মোদী বসেছেন তখন থেকে দেশের GDP বহু শক্তিশালী দেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।আপনাদের জানিয়ে রাখি কঙ্গনা এর আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে তার বক্তব্য পেশ করেছিলেন এবং তিনি নিজেকে মোদীজির বড় ভক্ত বলে দাবি করেছিলেন।

শুধু এই নয় যখন ভারত পাকিস্থান সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় পাকিস্থানি আর্টিস্টদের ভারতে ব্যান করার কথা উঠছিল সেই সময় পাকিস্থানপ্রেমী কিছু বলিউড অভিনেতা এর বিরোধিতা করেছিলেন। কঙ্গনা সেই সময়যেও ভারতের সেনাদের পক্ষ নিয়ে পাকপ্রেমীদের কড়া জবাব দিয়েছিলেন।

from India Rag https://ift.tt/2vbcCKk
24 ghanta

সোনু নিগমের পর এবার রাজ ঠাকরে! নামাজ পড়া নিয়ে বড়ো প্রশ্ন তুললেন নব নির্মাণ সেনার সভাপতি।

মহারাষ্ট্রের নবনির্মাণ সেনা প্রমুখ রাজ ঠাকরে প্রায় তার বিতর্কিত বয়ানের জন্য সংবাদে জুড়ে থাকেন। এখন আরো একবার রাজ ঠাকরে চরম বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচকদের মধ্যে হৈচৈ মাতিয়ে তুলেছেন। রাজ ঠাকরে মুসলিমদের আজান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে লউডস্পিকারে আজান পড়ার উপর প্রশ্ন করে বসেছেন।

ঠাকরে মুসলিম সম্প্রদায়ের উদেশ্য বলেন আজান বাড়িতে পড়ুন, রাস্তায় কেন পড়া হচ্ছে? গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষে এক সমাবেশকে সম্বোধন করে রাজ ঠাকরে আমি আজ মহারাষ্ট্র ও দেশের মুসলিমদের বলতে চাই যে সকালের আজানের জন্য তোমাদের লাউডস্পিকার কেন চাই? কাকে জানাতে চাও? শুধু এই নয় রাজ ঠাকরে বলেন নামাজ পড়তে চাও তো ঘরে পড়ো রাস্তায় কেন পড়ো? সকলে নিজের নিজের দায়িত্ব নিজে বুঝে নাও।

যাতে দেশ বা রাজ্যে কোনো প্রকারের সংঘর্ষ না বাঁধে। রাজ ঠাকরে মারাঠা আন্দোলনকে সমর্থন করে বলেন যে সরকারের উচিত সুরক্ষার সুবন্দোবস্ত করা। এই ব্যাপারে সরকারের উপর আক্রমণও করেন রাজ ঠাকরে। উল্ল্যেখ, বিখ্যাত গায়ক সোনু নিগমও একবার এই আজান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য দিয়েছিলেন।

সোনু নিগম ২০১৭ তে লাউডস্পিকারে আজান পড়া নিয়ে নিজের আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন। সোনু নিগম বলেছিলেন, আমি মুসলিম নয় তা সত্ত্বেও আমাকে আজানের শব্দে ঘুম থেকে উঠতে হয়, এটা ঠিক নয়।

সেই সময় সোনু নিগমের বক্তব্যের পর দেশজুড়ে বেশ ভলোরকম বিতর্ক শুরু হয়েছিল এমনকি সোনু নিগমের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছিল এক মৌলবী।আর এখন আর একবার রাজ ঠাকরে আজান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিষয়কে উস্কে দিলেন।

from India Rag https://ift.tt/2vcEwFK
24 ghanta

মোদী v/s মনমোহন: প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রা নিয়ে বেরিয়ে এলো চমক দেওয়া তথ্য।

কেন্দ্রে বিজেপি সরকার এই ৪ বছরে আসা হয়েছে। আর এই কয়েক বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত যেভাবে বিকশিত হয়েছে তা এখন পুরো বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি বড়ো বড়ো উন্নত দেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। আজ ভারত আন্তর্জাতিক স্তরে যে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে তার পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অটুট পরিশ্রম রয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রার খরচ নিয়ে বহুবার নরেন্দ্র মোদীজিকে আক্রমণ করেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর বিদেশ যাত্রার খরচের পরিসংখ্যান বেরিয়ে এসেছে যা এবার বিরোধীদের মুখে লাগাম লাগানোর জন্য যথেষ্ট।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর থেকে বেশিদিন বিদেশ যাত্রা করেছেন ঠিকই কিন্তু মোদীজি উনার তুলনায় কত খরচ করেছেন সেটা এড়িয়ে যাওয়ার বিষয় নয়। একোনোমিস টাইমস নরেন্দ্র মোদী ও মনমোহন সিং এর সময়ের বিদেশ যাত্রার সমীক্ষা করেছে। একোনোমিস টাইমস মনমোহন সিং এর প্রথম ৪ বছর এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৪ বছরের যাত্রার অধ্যয়ন করেছে।

বিরোধীরা মোদীজির বিদেশ যাত্রা নিয়ে হট্টগোল করলেও অবাক করার বিষয় যে দুই প্রধানমন্ত্রীর ৪ বছরের যাত্রায় সমান খরচ হয়েছে। শুধু এই নয় এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটের ব্যাবহারও সমান হয়েছে। প্রথমের ৪ বছরে দুই প্রধানমন্ত্রী এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩৮৭ কোটি দিয়েছেন।

ইউপিএ সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ৩৬৮.৩৫ কোটি টাকা প্রদান করেছে সেখানে মোদী সরকারও প্রায় একই পরিমান টাকা এযার ইন্ডিয়াকে প্রদান করেছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিবেশী দেশের ভ্রমণের জন্য ৫ বার bbj বিমান ব্যাবহার করেছেন।আপনাদের জানিয়ে দি, ইউপিএ আমলে মনমোহন সিং ৩৮ টি বিদেশ যাত্রা করেছিলেন সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৪৩ বিদেশ যাত্রা করেছেন। জানলে অবাক হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন একজন নেতা যিনি তার বিমানেই তার ঘুম সেরে নেন যেকারণে একটা অতিরিক্ত খরচ এবং অতিরিক্ত সময় তিনি বিদেশ যাত্রা কালে বাঁচাতে সক্ষম হন।

from India Rag https://ift.tt/2M10UJe
24 ghanta

নরেন্দ্র মোদীর একটা অটোগ্রাফের জন্য লাগাতার বিয়ের প্রস্তাব আসছে রীতার কাছে।

কিছু দিন আগে মেদিনীপুরে মোদীজি একটি জনসভা করেন। সেখানে অনেক মানুষ যান। খুব ভিড়ের জন্য সেখানকার প্যান্ডেলের কিছুটা অংশ ভেঙে পড়ে। তার ফলে সেখানে উপস্থিত কয়েক জন মানুষ আহত হয়। তাদের কে নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে। সেই আহত ব্যাক্তিদের মধ্যে ছিলেন ‘রীতা মুদি নামে এক তরুনী। তাদের কে সেখানে দেখতে যান দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। তিনি সেখানে তাদেরকে দেখতে গিয়ে ‘রীতা মুদি নামে ওই তরুণীকে একটা কাগজে অটোগ্রাফ দিয়ে আসেন এবং সেই কাগজে লিখেন যে, ‘রীতা মুদি তুমি সুখে থাকো’। শুধু এইটুকু লিখাই এখন বদলে দিয়েছে বাঁকুড়ার তরুণীর জীবন। এক মুহুতে পালটে যায় তার জিবনের সমীকরন। কারন তাকে যে ব্যাক্তি অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন তিনি হলে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শ্রীযুক্ত নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী।

১৯ বছর বয়সি রীতা মুদির জীবন পালটে দিয়েছেন মোদী হাতে লেখা সেই কয়েক টি শব্দ। রাতারাতি তিনি খ্যাতনামা হয়ে উঠেছেন। রানিবাঁধের শালগেড়ার বাসিন্দার রীতা মুদির জিবনে সেই খ্যাতির সাথে এসেছে সামান্য পরিমানে বিড়ম্বনাও। আর সেই বিড়ম্বনা হল সেই দিনের পর থেকে একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব আসছে তার কাছে। এত ভালো ভালো ফ্যামিলির প্রস্তাব পেয়ে তিনি কি করবেন খুঁজে পাচ্ছেন না।রীতা মুদি বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজের ছাত্রী। বরাবরই তিনি মোদী ভক্ত। তাই মোদী আসার খবর পেয়ে মা ও বোনকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে। সেখানে গিয়ে তিনি মোদীজির ভাষন শুনছিলেন এমন সময় প্যান্ডেল ভেঙে পড়ায় তিনি আহত হন নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তার সাথে আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। তাদের দেখতে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালে যান। যেই মানুষটিকে এতদিন টিভিতে দেখেছেন তাকে নিজের চোখের সামনে দেখে রিতা আর নিজেকে সামলাতে না পেরে অটোগ্রাফ চেয়ে বসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রথম দিকে একটু দ্বিধাবোধ করলেও সেই মেয়েকে শেষ অব্দি অটোগ্রাফ দেন প্রধানমন্ত্রী।

একটি কাগজে প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেখা সেই কয়েকটি শব্দ এক নিমেষে রিতা এবং তার পরিবারের জীবন ঘুরিয়ে দেন ১৮০ ডিগ্রিতে। রীতার মা সন্ধ্যাদেবী জানান, যে সেই ঘটনার পর তারা বাড়ি ফেরার সঙে সঙেই বাড়িতে আসতে থাকেন অনেক মানুষ। পাড়া প্রতিবেশির সাথে আসেন অনেক অচেনা লোকজন। অনেক আত্মীয় আসেন বাড়িতে। তারা বাড়িতে এসেই প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেখা কাগজটি দেখতে চান। রিতাকে তার সেই দিনের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখার অনুভুতি সব কিছু সবাই কে বলতে হয়।

তার মা বলেন যে সারা দিন বিয়ের প্রস্তাব আসছে আমার মেয়ের জন্য। পাত্রদের মধ্যে কেউ সরকারি চাকরিজীবী, কেউ আবার প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। সবার একটাই ইচ্ছা যে রীতা তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাক। রীতাকে পাত্র পছন্দ করার জন্য ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে, এখন এই সব নিয়ে কিছুই ভাবতে চাই না। এখন আমার একটাই ইচ্ছা সেটা হল ভালো ভাবে পড়াশোনা করে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে চান। পরে মা বাবার পছন্দ করা পাত্রের গলাতেই বরমাল্য দেবেন এই মোদিভক্ত কন্যা।
#অগ্নিপুত্র

from India Rag https://ift.tt/2AfFYNj
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started