‘বাংলায় বিজেপি এলে NRC করে গলা ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হবে অনুপ্রবেশকারীদের।’

সারা দেশের জাতীয় রাজনীতি এখন একটা বিষয় নিয়েই তোলপাড় সেটা হল জাতীয় নাগরিক পঞ্জি ইস্যু। পিছিয়ে নেই বাংলাও। আমাদের রাজ্য রাজনীতি এই বিষয় নিয়ে সরব হতে বেশি সময় নেই নি। তৃণমূল থেকে বামপন্থী সকলেই বিরোধতা করছে এই পদক্ষেপের। ঠিক তখনই সেই বিষয় নিয়ে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পাল্টা সুর চড়ালেন। সোমবার বিধানসভা শেষ হবার পরে দিলীপ ঘোষ একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন সেখানে তিনি মন্তব্য করেন যে, ” পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই রাজ্যেও করানো হবে এনআরসি”। তারপর অনুপ্রবেশকারী হিসাবে যাদের নাম উঠে আসবে তাদের কে গলা ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশ পাঠানো হবে। এবং তিনি এটাও বলেন যে যারা তাদেরকে সাপোর্ট করবে তাদেরকেও ছেড়ে কথা বলব না।

তাঁর কথায়, ভোটের লোভে সেই বাম আমল থেকে ভারতবর্ষতে অনুপ্রবেশ শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র নিজেদের গদির লোভে সেই সময় কোনো প্রতিবাদ করেন নি বামফ্রন্ট সরকার। ঠিক সেই একই কারনে বর্তমান শাসক দল তৃনমূল সরকার এখন কোনো প্রতিবাদ করছে না। সোমবার আসমে চুড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখান দেখা গেছে অসংখ্য বাঙালি সহ ৪০ লক্ষ মানুষের নাম নেই সেই নাগরিকপঞ্জিতে। এর পরেই রাজনৈতিক মহল তোলপাড় হয়ে উঠেছে সেই বিষয় কে কেন্দ্র করে। সংসদে এই বিষয় নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা নিয়ে বিজেপির উপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিন্তু বিজেপি কোনো সমালোচনা তে কান দিতে রাজি নয়। উলটে এই দিন দিলীপ বাবু অভিযোগ করেন কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এবং এই বিষয় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ঘাড়ে দায় চাপান তিনি। তিনি তার বক্তব্যে পরিষ্কার ভাবে বলে দেন যে কংগ্রেস এটা চালু করে আমাদের ক্ষমতায় আসার আগে। এবং তিনি আরও বলেন যে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ মেনেই এই কাজ করা হয়েছে।

এই দিন বিজেপিকে তোপ ডেকে সিপিএম ও কংগ্রেস দলের নেতারা বলেন যে বিজেপি পার্টি হল একটা বাংলা বিরোধী দল। কিন্তু তাদের কথায় কোনো গুরুত্ব না দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন যে কংগ্রেস ও সিপিএম এর অভিযোগের কোনো মূল্য নেই। তিনি আরও বলেন যে কংগ্রেসের আমলে যখন লক্ষ্য লক্ষ্য হিন্দুকে কাশ্মীর থেকে অত্যাচার করে তাড়ানো হয়েছিল তখন এই কংগ্রেস- সিপিএম কোথায় ছিল? সেই সময় তো তাদের কোনো প্রতিবাদ করতে দেখা যায় নি।

সেই সাথে তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন যে ১ কোটির বেশি অবৈধ নাগরিক বাংলাতে প্রবেশ করেছে তাদের সবাইকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। অনেকের মতে বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলার কারন হল বিজেপি যেভাবে বাংলায় তাদের প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে তাতে তৃনমূলের অসুবিধা হচ্ছে এবং ২০১৯ নির্বাচন নিয়ে ভয় পাচ্ছেন তৃনমূল। অপর দিকে বিজেপি এখন বাংলায় প্রধান বিরোধী দল তাই তাদের এই উত্থান কে আটকাতে কংগ্রেস ও সিপিএম মোদী-অমিত শাহকে বাঙালি বিরোধী হিসাবে প্রচার করছেন।

কিন্তু ঘরোয়া আলোচনায় বিজেপির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই ব্যাপারে বিরোধীরা যতই পরিকল্পনা করুক তাদের কোনো পরিকল্পনা আর সফল হবে না। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা যেগুলি বাংলাদেশ লাগোয়া সেই সব জেলার মানুষ অনুপ্রবেশের কারনে এখন তৃণমূল সরকারের উপর চটে রয়েছেন। বিজেপি নেতাদের কথায়, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠ্যালায় পরেছেন তাই বাঙালি বাঙালি করছেন। কারন অসমে যাদের নাম উঠে এসেছে অনুপ্রবেশকারী হিসাবে তারা বেশির ভাগই বাংলাদেশি মুসলিম। কিন্তু উনি সরাসরি সেই কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। সরাসরি মুসলিমদের সাপোর্ট করতে ভয় পাচ্ছেন। কারন উনি জানেন যে উনি যদি এই সময় মুসলিমদের সাপোর্ট করে কিছু বলেন তাহলে বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের ভোটের একটা বড়ো অংশ তার দলের বিরুদ্ধে চলে যাবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, আসামের জনগনের একটা বড়ো অংশ বহু দিন ধরেই এই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে ছিল তাই বিজেপি জাতীয় পঞ্জিকরণের মাধ্যমে তাদের নাম প্রকাশ করে একটা বড়ো অংশের সমর্থন নিজেদের দিকে টেনে নিলো। সঙে বাংলার বিজেপির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে অসমের অনুপ্রবেশকরিদের যদি বাংলায় আশ্রয় দেওয়া হয় তাহলে তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলবে। সব মিলিয়ে ধরে নেওয়া যায় যে এই বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত থাকবে অসম ও বাংলার রাজ্যের রাজনীতি ২০১৯ অব্দি। অপর দিকে এই উত্তাপ জিইয়ে রাখতে চাইবে বিজেপি।
#অগ্নিপুত্র

The post ‘বাংলায় বিজেপি এলে NRC করে গলা ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হবে অনুপ্রবেশকারীদের।’ appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Kdf1cM
24 ghanta

পাকিস্থানে ইমরান খানের ঘোষণায় সমস্যায় পড়লেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

পাকিস্থানে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং পাকিস্থানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ইমরান খান। ইমরান খানের দল তেহেরেকি এ ইনসাফ বহুমতের সাথে পাকিস্তানে ক্ষমতায় আসতে আসতে চলেছেন। নির্বাচনে জেতার পরেই ইমরান খান বড়ো ঘোষণা করেছেন। ইমরান খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হলে উনি সরকারি আবাসনে থাকবেন না যাতে দেশের VIP সংস্কৃতি শেষ হয়। এখন যেই ইমরান খান ঘোষণা করেছেন যে উনি সরকারি বাংলোয় থাকবেন না সেই মাত্র এই নিয়ে ভারতের তুমুল চর্চা শুরু হয়ে গেছে। আপনি রাজনৈতিক জগৎ সম্পর্কে সক্রিয় হয়ে থাকলে জানবেন যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার আগে এমন ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই সব ঘোষণা ভুলে যান কেজরিওয়াল।

কেজরিওয়াল নির্বাচনের আগে বলেছিলেন যে উনি মুখ্যমন্ত্রী হলে সরকারি বাংলো, সরকারি গাড়ি, সিকিউরিটি গার্ড বা অন্য কোনো ধরনের সরকারি সাহায্য নেবেন না। কিন্তু হলো ঠিক ঘোষণার বিপরীত। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার সাথে সাথে উনি সরকারি আবাসে শিফট হয়ে যান এবং আরো অন্যান্য সুবিধাও নিতে থাকেন যাতে সবার কাছে হাসির পাত্রে পরিণত হন আপ নেতা কেজরিওয়াল।এখন ইমরানের ঘোষণার পর কেজরিওয়ালের উপর আক্রমণ করেছেন কুমার বিশ্বাস।

কুমার বিশ্বাস লিখেছেন ‘ পাকিস্থান নির্বাচন জেতার পর ইমরান খান সরকারি বাংলো নেবেন না।’ কবি কুমার বিশ্বাসের কথার রাজনৈতিক মনে বোঝার সাথে সাথে লোকে রিটুইট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেজরিওয়ালের মজা উড়াতে শুরু করেছেন। কেজরিওয়াল যে প্রতিশ্রতি দিয়ে রাখেননি সেই বিষয় আরো একবার দিল্লিতে উঠলে উঠেছে।

ইমরান খান বলেছেন, আমাদের পার্টি পিএম আবাস নেব না এই আবাসে থাকলে আমি লজ্জিত বোধ মরবো তাই এটাকে কোন শিক্ষাকেন্দ্রে বা সাঙ্গাস্কৃতিক কেন্দ্রে তৈরি করে কাজে লাগানো হবে।এর ইমরান খানের এই বক্তব্যের পরেই ভারতে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে শুরু হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ যা এখনো থামবার নাম নিচ্ছে না।

The post পাকিস্থানে ইমরান খানের ঘোষণায় সমস্যায় পড়লেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2M1C8sF
24 ghanta

তৃণমূলকে উপড়ে ফেলতে আগস্ট মাস থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য বিজেপির মাস্টারপ্ল্যান।

রাজ্যে এখন অন্য বিরোধী দল থেকে যে ভাবে মানুষ বিজেপিতে যোগদান করছেন তা দেখে খুশি কেন্দ্র বিজেপি। রাজ্যের মানুষ যে ভাবে বিজেপিকে গ্রহন করছেন সেটা খুবই ভালো খবর বিজেপি দলের কাছে। তাই তারা ২০১৯ শে আমাদের রাজ্য থেকে অনেক বেশি পরিমানে আসন দখল করার জন্য। এবং রাজ্যে তাদের ফল আরও ভালো করবার জন্য এবার তারা নিয়ে চলেছে বড়ো পদক্ষেপ। ২০১৯ শের লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যের শাষক দলকে পুরোপুরিভাবে কোণঠাসা করার জন্য এবার বিজেপি নেতারা জেলায় জেলায় কর্মসূচি করবেন। রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ এর বিভিন্ন গ্রাম গুলি তে গিয়ে গিয়ে কর্মসূচি করবেন দলের রাজ্য নেতৃত্ব বৃন্দ। শুধু তাই নয় তাদের সাথে সেই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন কেন্দ্রের বিজেপি নেতারাও। সেই কর্মসূচি চলবে পুরো অগাস্ট মাস জুড়ে। এই একমাস জুড়ে টানা যে কর্মসূচি গ্রহন করা হচ্ছে সেখানে মূলত তুলে ধরা হবে বর্তমান রাজ্য সরকারের কাজের ব্যর্থতার নানান দিক গুলি।

অন্যদিকে এই কর্মসূচিতে তুলে ধরা হবে মোদী সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প গুলির কথা, যেগুলির ব্যাবহার করে দেশের অনেক গরিব মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তাদের লক্ষ্য এই প্রকল্প গুলি সম্পর্কে মানুষকে জানানো এবং এর মাধ্যমে দলের জনসংযোগ বাড়ানো। আসলে গ্রামগুলিতে কেন্দ্র সরকার দ্বারা যে কাজ গুলি করা হয়েছে অনেক স্থানীয় নেতা সেগুলি তৃণমূলের কাজ বলে প্রচার করছে যাতে ভোটব্যাঙ্ক নষ্ট হচ্ছে বিজেপির।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মনে করছেন যে টানা অগাস্ট মাস জুড়ে প্রতিটি জেলাতে পড়ে থাকলে এবং সেখানে বিজেপির নানান উন্নয়ন মূলক প্রকল্প গুলি মানুষের মধ্যে তুলে ধরা যাবে যাতে ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের আগের সুবিধা হবে বলে। এছাড়াও জেলা ও মন্ডল কমিটি গুলি সাংগঠনিক ভাবে আরও শক্তিশালী হবে বলেও মনে করা হচ্ছে বিজেপি পার্টির তরফ থেকে। তাছাড়া যেসব এলাকাতে দলের গোষ্ঠীকোন্দল চোখে পড়েছে সেগুলিও ঠিক হয়ে যাবে যদি জেলা ও রাজ্যের নেতারা মিলেমিশে কাজ করেন পুরো অগাস্ট মাস জুড়ে। এছাড়াও, এই যে জেলা সফর হবে সেখানে দিল্লির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন কৈলাস বিজয়বর্গিয় যিনি বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক।

এছাড়াও থাকছেন শিবপ্রকাশ সহ সুরেশ পূজারি যারা এখন বিজেপি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাংগঠনিক দিক দিয়ে। এই কর্মসূচিগুলি জেলায় জেলায় গ্রহন করা হবে তাই বিজেপির তরফ থেকে এর নাম দেওয়া হয়েছে “জেলা ভ্রমন”। এই কর্মসূচির বিষয়ে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা সূরেশ পূজারিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মানুষ সর্বত্র এখন বিজেপিকেই চাইছেন, কারন তারা এখন শাসক দল তৃনমূলের বিকল্প খুঁজছেন।

আর সেই কারনেই এখন এই কর্মসূচি গ্রহন করা হচ্ছে কারন বিজেপি পার্টি পুরো রাজ্যের সব জেলার সমস্ত মানুষের কথা শুনতে চাইছেন। এবং বিজেপি বরাবরের মত এবারও সাধারন মানুষের কথা শুনেই কাজ করতে চায়। তাই এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারন মানুষের সাথে তারা সরাসরি যোগাযোগ করতে চাইছেন, সেই সাথে তারা সাধারন মানুষের সমস্ত অসুবিধার কথা জানতে চাইছেন। যেটা তৃনমূল সরকার পারে নি সেটা তারা মানুষের সাথে থেকে মানুষের হয়ে কাজ করতে চাইছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post তৃণমূলকে উপড়ে ফেলতে আগস্ট মাস থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্য বিজেপির মাস্টারপ্ল্যান। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2NYyekY
24 ghanta

পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই সার্ভেতে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদী! বাকিরা কত ভোট পেলেন জানলে অবাক হবেন।

২০১৯ এ দেশে লোকসভা নির্বাচনে আর সেই হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলি কেন্দ্রের ক্ষমতা নিজেদের হাতে পাওয়ার জন্য প্রচারে নেমে পড়েছে। দেশে প্রধানমন্ত্রীর পদ একটা হলেও এর দাবিদার অনেকে উঠে আসছে। একদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী নিজেকে নরেন্দ্র মোদীর সাথে টক্কর নেওয়ার জন্য সবথেকে উপযুক্ত মনে করছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সমর্থকরা মমতা ব্যানার্জীকে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার স্বপ্ন দেখছেন। পিছিয়ে নেই কেজরিওয়াল, মায়াবতীরাও। এই অবস্থায় দেশের এক বড় রাজনীতিকার ও বিশেষজ্ঞ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সার্ভে করছে। এই সার্ভে অনুযায়ী এখন পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান সামনে এসেছে তা অবাক করার মতো।

সার্ভের পরিসংখ্যান দেখে বিরোধীদের রাতের ঘুম উড়ার অবস্থা হয়েগেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের বড়ো রাজনীতিবিদ প্রশান্ত কিশোর তার ওয়েবসাইট ‘ন্যাশনাল এজেন্ডা ফোরাম’ এর মাধ্যমে নির্বাচনে নেমে পড়েছে। এই সার্ভেতে দেশের সবথেকে পছন্দের নেতা এবং দেশের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলির ব্যাপারে মানুষের কাছে রায় চাওয়া হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটে এর সার্ভেতে এখনো পর্যন্ত যা পরিস্থিতি রয়েছে সেই অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদীকে নিজের নেতা মনে করা ভোট পড়েছে ৪৩.৯% অন্যদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর ভোট সোনিয়া গান্ধীর চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে। রাহুল গান্ধী ভোট পেয়েছেন ১৮.১% যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্ধেকও নয়। তবুও রাহুল গান্ধী দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল ৮.৬% ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। নীতিশ কুমার এই লড়াইয়ে ৬.১% পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী(TMC) ৫.২% ভোট পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। এর পরে যথাক্রমে অখিলেশ যাদব, সীতারাম ইয়েচুরি, নভীন পাটনাইক, এইচ ডি ডেভগড়া, এবং মায়াবতী রয়েছেন যারা যথাক্রমে ৪.৭%, ৩.৫%, ২.৪%, ২.১%, ১.৯% ও ১.৮% ভোট পেয়েছেন।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এই সার্ভে চলতে থাকবে আর তারপর ফলাফল সামনে আসার পর প্রশান্ত কিশোরের টিম সবথেকে বেশি ভোট প্রাপ্ত নেতার দলের কাছে গিয়ে নির্বাচনের ইস্যুগুলি সম্পর্কে আরো জানাবেন। সার্ভে থেকে এটা নিশ্চিত যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগে দেশের কোনো নেতা টিকতে পারবেন না।

The post পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই সার্ভেতে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদী! বাকিরা কত ভোট পেলেন জানলে অবাক হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OtLUFD
24 ghanta

‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভয়ে লুকিয়ে বেড়াতেন ইমরান খান।’

পাকিস্থানের প্ৰধানমন্ত্রী পদে আসতে চলেছেন পাকিস্থানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইমরান খান পাকিস্থানকে ভারতের মতো করে সাজানোর স্বপ্ন দেখিয়ে এবং কাশ্মীরকে পাকিস্থানের অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশত্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছেন। ইমরান খান পাকিস্থানীদের কাছে যে শুধু ভারতবিরোধী কথা বলে ভোটে জিতেছেন এই নয়, একইসাথে ভোটের প্রচারের প্রথম দিকে মোদীর সততা ও কাজের সুনাম করে ভোট চাইতেন এই ইমরান খান। তবে ইতিহাসে এমন সময় পেরিয়েছে যখন এই ইমরান খান নরেন্দ্র মোদী থেকে লুকিয়ে বেড়িয়েছেন। ইমরান খান যে নরেন্দ্র মোদীর থেকে এড়িয়ে চলতেন তা ইমরান খানের উপর লেখা পুস্তক ‘ইমরান vs ইমরান দা আনটোল্ড স্টোরি’ এ প্রকাশিত করা হয়েছিল।

উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি ঘটনাকেও তুলে ধরা হয়েছে ইমরান খানের উপর লেখা বইতে। ২০০৬ সালে যখন নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় এক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইমরান খান। ওই সম্মেলনে বক্তা হিসেবে নরেন্দ্র মোদী ও ইমরান খানকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। ইমরান খান জানতেন না যে ওই সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী থাকবেন। ইমরান খান যখন আসনে বসেন তখন দেখেন যে নরেন্দ্র মোদী তার দিকে এগিয়ে আসছে। ওই অবস্থায় সম্পূর্নভাবে হচকচিয়ে গিয়েছিলেন ইমরান খান। নরেন্দ্র মোদীর থেকে চোখ এড়ানোর চেষ্টা করলেও মোদী আচমকায় এসে ইমরান খানের সাথে হাত মেলান। শেষমেষ না চেয়েও হাত মেলাতে হয় ইমরানকে। নরেন্দ্র মোদীকে এইভাবে সামনে দেখে অস্বস্তি বোধ করছিলেন ইমরান খান।

নরেন্দ্র মোদী ইমরান খানের সাথে কথা বলে তাকে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ইমরানের উপর লেখা ওই বইতে বলা হয়েছে যে ইমরান খানের কাছে ওই সময় খুব ভয়ভীতি ও অসস্থিপূর্ন ছিল। কোনো প্রকার নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন ইমরান খান। কিন্তু সেই সময় তিনি দেখেন কিছু সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফার ওই স্থানে উপস্থিত হয়ে ফটো তুলেছেন যা দেখে ইমরান খানের অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে উঠে।

আসলে নরেন্দ্র মোদীর ছবি পাকিস্থানে খুব খারাপ ছিল কারণ ২০০২ এর দাঙ্গা নিয়ে সেই সময় নরেন্দ্র মোদীর নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিল অনেকে যার প্রভাব পাকিস্থানে বেশ ভলোরকম পড়েছিল। আর ইমরান খান এই বিষয়ে বেশ ভয়ভীতি ছিলেন যে যদি মোদী ও ইমরান খানের ছবি কোনো প্রকারে পাকিস্থানের খবরের কাগজে বা পাকিস্থানের মিডিয়ার কাছে পৌঁছে যায় তাহলে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার খারাপ হয়ে যাবে এবং পাকিস্থানের মুসলিমরা কোনোভাবেই ইমরানকে ভোট দেবেন না।

The post ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভয়ে লুকিয়ে বেড়াতেন ইমরান খান।’ appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vgthwc
24 ghanta

ভারতের নাগরিকত্ব হারালেন ৪০ লক্ষ অবৈধ বাংলাদেশি! এবার কি পদক্ষেপ নেবে ভারত?

আজ আসামে ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন এর দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকা অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ ভারতের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন। আগে আসামের জনসংখ্যা ছিল ৩ কোটি ২৯ লক্ষ তা এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮৯ লক্ষতে। আসলে আসাম এ বহু বছ ধরে অবৈধ বাংলাদেশি প্রবেশের দাবি উঠে এসেছে। শুধু তাই নয় স্থানীয় নেতা মন্ত্রীরা অবৈধ বাংলাদেশিদের ভোট দেওয়ার ব্যাবস্থাও করে দিয়েছিল যাতে ক্ষতি হচ্ছিল ভারতের। এখন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পর বৈধ ভারতীয়দের নাম বের করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলো। এই বিষয় নিয়ে যেতে কেউ গুজব রোটাতে না পারে সেই জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। ১৪ টি স্পর্শকাতর জেলায় নিযুক্ত করা হয়েছে ২০ টি কোম্পানির অর্ধসেনা বাহিনী।

রাজনাথ সিং জানিয়েছেন যাদের নাম তালিকায় নেই অথচ তারা নিজেদের বৈধ বলে মনে করেন তাদের জন্য অনেকগুলি সুযোগ থাকবে উপযুক্ত প্রমানপত্র পেশ করার। ৩০ আগস্ট থেকে ২৮ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনগণের কাছে সময় থাকবে উপযুক্ত প্রমানপত্র পেশ করে বৈধ দাবি করার। এখন প্রশ্ন হচ্ছে অন্তিম পর্যায়ে যারা অবৈধ বলে ঘোষিত হবে তাদের কি করা হবে?

আপনাদের জানিয়ে দি, ২৪ মার্চ ১৯৭১ এর রাতের পর যারা বা যাদের পূর্বপুরুষরা ভারতে প্রবেশ করেছিলেন তাদের সম্পুর্নরূপে বিদেশি বলে ঘোষণা করা হবে। এই পর সম্ভবত ভারতে ভোট দেওয়ার যে অধিকার বিদেশিদের কাছে থাকবে তা বাতিল করা হবে। এই বিদেশিদের জন্য ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করে সেখানে এই বিদেশিদের থাকার ব্যাবস্থা করা হতে পারে।

সেই সাথে চালু হতে পারে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ভারতের কথাবার্তার পক্রিয়া। এই সমস্ত পক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে চলবে বলে মনে করা হচ্ছে কারণ বিদেশিদের ভেরিফাই করার জন্য বাংলাদেশের সরকার সময় নেবে। তারা যাচাই করবে যে ভারতে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিরা সত্যিকারের বাংলাদেশি কিনা। এই ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা এরিয়াকে চিহ্নিত করার পর তাদের ভোট অধিকার বাতিল করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

The post ভারতের নাগরিকত্ব হারালেন ৪০ লক্ষ অবৈধ বাংলাদেশি! এবার কি পদক্ষেপ নেবে ভারত? appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2K973kX
24 ghanta

যোগী আদিত্যনাথের চলন্ত গাড়ি দেখে ডাক দেন এই বৃদ্ধা মহিলা, তারপর যোগীজি যা করলেন তা আপনার মন জয় করবে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ যিনি দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পর দ্বিতীয় সবথেকে জনপ্রিয় নেতা। আদিত্যানাথ যোগী গোরক্ষনাথ ধামের সবথেকে মহন্ত এবং একজন হাট যোগী একথা সকলেই জানেন। কিন্তু আজ যোগী আদিত্যানাথের এমন এক ঘটনা জানাব যে রূপ আপনারা যোগীজির দেখেননি। এই ঘটনার পর আপনারও বুঝতে পারবেন যে যোগী আদিত্যানাথ সাধারণ মানুষের জন্য শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন বরং একজন সেবক। ঘটনাটি ১৬ জুলাইয়ের , যেদিন যোগী আদিত্যানাথ গোরক্ষনাথ সাংকৃত বিদ্যাপীঠে ভূমি পূজন করার পর ফিরে যাচ্ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর কাফিলা রাস্তায় এগিয়ে যাচ্ছিল সেই সময় এক বৃদ্ধ মহিলা উনাকে ডাকতে শুরু করেন।

আওয়াজ শোনার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর কাফিলা দাঁড়িয়ে যায় এবং যোগী আদিত্যানাথ নিজের গাড়ি থেকে নেমে ওই বৃদ্ধ মহিলার কাছে যান। একটা ডাকে মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে তার কাছে চলে আসা দেখে মুখ্যমন্ত্রী ভাবুক হয়ে পড়েন এবং যোগীজির হাত ধরে কাঁদতে শুরু করেন। আসলে যোগী আদিত্যানাথ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে উনি গোরক্ষপুর থেকে সাংসদ ছিলেন যার কারণে উনি এই এলাকার মানুষদের খুব কাছের মনে করেন।

এই এলাকার প্রত্যেকে জনমানুষের সুখ দুঃখকে নিজের মনে করে তাদের কাছে ভাগিদারী হতে ক্যাহ্ন যোগীজি। এমনকি যোগীজির প্রতি গোরক্ষপুরের মানুষের অনেক সন্মান রয়েছে। যেভাবে যোগীজি ওই বৃদ্ধা মহিলার কাছে যান তা প্রদর্শন করে যে , আপনি যত বড়ই পদে থাকুন না কেন জনতার থেকে বড় হওয়ার অধিকার আপনার নেই।

হ্যাঁ দেশে এমন অনেক নেতা রয়েছে যারা নিজেদের সুখের অনেক বেশি খেয়াল রাখেন এবং শাসকের আসনে নিজেকে চিটিয়ে রাখেন। এই ঘটনা খবরে ছাপার পর মুখ্যমন্ত্রীর আধিকারিক টুইটার হ্যান্ডেল থেকেও টুইট করা হয়েছিল।

The post যোগী আদিত্যনাথের চলন্ত গাড়ি দেখে ডাক দেন এই বৃদ্ধা মহিলা, তারপর যোগীজি যা করলেন তা আপনার মন জয় করবে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2K3vws1
24 ghanta

“২০২২ এর মধ্যে প্রত্যেক গরিব ব্যাক্তিদের কাছে থাকবে পাকা বাড়ি।”

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হবার পর দেশের প্রধানমমন্ত্রী পদে বসেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। প্রধানমন্ত্রী হবার আগে তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন ১৫ বছর। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি গরিবদের জন্য অনেক কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করেন যে কারণে গোটা দেশের সবথেকে জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেশে নাম ছড়িয়ে পড়ে। প্ৰধানমন্ত্রী বরাবরই গরিবদের পাশে দাঁড়ানোর ইস্যুকে প্রধান লক্ষ রেখে কাজ করার কথা বলে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রে আসার পরেই আবাস যোজনা চালু করেছিলেন যার মূল্য উদেশ্য দেশের গরিব মানুষদের জন্য বাড়ি প্রদান করা। শনিবার প্রধানমন্ত্রী লখনউতে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। সেখানে তিনি তার বক্তৃতা রাখার সময় বলেন যে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের সমস্ত গরিব মানুষকে তাদের নিজের বাড়ি করে দেবে কেন্দ্র সরকার।

কাউকে আর রাস্তাঘাটে দিন কাটাতে হবে না। ঠাণ্ডায় আর কোনো গরিব মানুষের কষ্ট হবে না। সবার জন্য মাথা গোঁজার মত আশ্রয় করে দেবে মোদী সরকার। ২০২২ সালে পরে কেউ আর গৃহহীন থাকবেন না।এই বছর অম্রুত, স্মার্ট সিটি প্রকল্প ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তিন বছর পূর্তি হয়েছে। সেই উপলক্ষ্যে লখনউতে ‘ট্রান্সফর্মিং আরবান ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

সেখানে নিমন্ত্রণ পেয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লখনউতে আসেন মোদীজি। সেখানে মোদীজি জানান যে দেশের সমস্ত গরিব মানুষের জন্য নিজস্ব বাড়ি তৈরীর জন্য যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল তার লক্ষ্যে সরকার ক্রমাগত কাজ করে চলেছেন।
সেই পরিকল্পনা ২০২২ সালের মধ্যেই সফল হয়ে যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও জানান যে ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকার দেশের বিভিন্ন শহরে গরিব মানুষদের জন্য ৫৪ লক্ষ এবং গ্রাম অঞ্চলে এক কোটি বাড়ি তৈরির অনুমোদন দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী দু-দিনের সফরে এসেছেন যোগীজির রাজ্যে। সেখানে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের শিলান্যাস করেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি দেশের সমস্থ রাজ্যগুলির মধ্যে উত্তরপ্রদেশে আবাস যোজনা ও শৌচালয় তৈরির কাজ সবচেয়ে দ্রুতগতিতে চলছে। গত দেড় বছর যোগী সরকার মোট ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার বাড়ি তৈরি করেছে এবং একই সাথে ১০ লক্ষের বেশি শৌচালয় তৈরি করে রেকর্ড গড়েছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post “২০২২ এর মধ্যে প্রত্যেক গরিব ব্যাক্তিদের কাছে থাকবে পাকা বাড়ি।” appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Lyqutc
24 ghanta

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বড়ো ভবিষ্যতবাণী করলেন বিখ্যাত জ্যোতিষীচার্য! যোগী আদিত্যানাথকে নিয়েও করলেন মন্তব্য।

২০১৯ এ নির্বাচন যতই সামনে আসছে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির লড়াই আরো তীব্র হয়ে উঠছে। ২০১৯ প্রধানমন্ত্রী পদে বসার জন্য মায়াবতী থেকে মমতা, কেজরিওয়াল থেকে রাহুল গান্ধী সকলেই জোরদার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। নরেন্দ্র মোদীর সাথে নির্বাচন লড়াইয়ে পারা যাবে না একথা স্বীকার করে তারা মহাজোটবন্ধন গড়তেও উদ্যেগ নিয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে দেশের বিখ্যাত জ্যোতিষী লাস্তুর বেজান দারুযালা এমন ভবিষৎবাণী করেছেন যা শোনার পর বিরোধীদের চিন্তা দ্বিগুন হয়েছে। আমেদাবাদের এক কলেজের ইংরাজীর অধ্যাপক এই বিখ্যাত জ্যোতিষী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২০১৯ এর সময়কাল নিয়ে বড় ভবিষ্যতবাণী করেছেন। দারুয়লা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩ মার্চ ২০১৯ থেকে আরো শক্তিশালী নেতা রূপে মাঠে নামবেন।

জ্যোতিষীচার্য এটাও জানান যে নির্বাচনের সময় গ্রহ নক্ষত্র নরেন্দ্র মোদীর সাথে থাকবে আর এই গ্রহ নক্ষত্রের তেজ এতটাই প্রবল যে এটা ভাঙার শক্তি বিরোধীদের কাছে নেই। জ্যোতিষী বেজান দারুয়ালা জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদীর কুন্ডলি বৃশ্চিক লগ্নের সেইমতো এই বৃশ্চিকে কেতু খুব লাভবান হবে। বৃশ্চিক লগ্নের জন্য বৃহস্পতি পঞ্চমেশে থাকবে এই স্থিতি যে জাতকের মধ্যেই থাকবে তার শক্তি খুবই প্রবল হয়ে থাকে।

দারুয়ালা এটাই বলেন যে নির্বাচনের সময় গ্রহ,নক্ষত্র মোদীর সাথে থাকায় ২০১৯ এ মোদীকে হারানো প্রায় অসম্ভব থাকবে। তবে শুধু প্রধানমন্ত্রীর নয়, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথেরও ভবিষ্যতবাণী করেন বিখ্যাত এই জ্যোতিষীচার্য। জ্যোতিষীচার্য জানান, যোগীজির জন্মকুণ্ডলীর সাথে শুক্র এর সাথে মঙ্গল থাকায় রাজনীতি জগতে আদিত্যানাথ আরো ক্ষমতাশালী নেতা রূপে হাজির হবেন। যেহেতু মঙ্গল নবগ্রহের সেনাপতি তাই রাজনীতিতে যোগী আদিত্যানাথ বড়ো সাফল্য পাবে।

বেজান দারুয়ালার এই ভবিষ্যতবাণী একদিকে যেমন মোদীভক্তদের মুখে হাসি এনেছে সেই একইভাবে বিরোধীদের চিন্তা বাড়িয়ে রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে।

The post প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বড়ো ভবিষ্যতবাণী করলেন বিখ্যাত জ্যোতিষীচার্য! যোগী আদিত্যানাথকে নিয়েও করলেন মন্তব্য। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LOxRfc
24 ghanta

ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ঘোষণা: ভারতীয় নাগরিকদের আর প্রয়োজন হবে না এয়ারপোর্ট ট্রানসিস্ট ভিসা।

মনমোহন সরকারের আমলে আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমি দেশের সামনে দুর্বল বলে পরিচিত ভারতকে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কতটা মজবুত করেছে তার তাজা উদাহরণ ফ্রান্সের একটা সিধান্ত থেকেই বোঝা যায়। ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত বামপন্থী ও কংগ্রেসিদের মাথা নত করিয়ে দেবে যারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ যাত্রায় হওয়া খরচকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এইসব বামপন্থী ও কংগ্রেসিরা তো কখনো বিদেশ যাত্রা থেকে পাওয়া সুফলের প্রশংসা করেই না উল্টে বিদেশ যাত্রার খরচ নিয়ে মেতে থাকে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি, সম্প্রতি বিদেশ যাত্রা সম্পর্কিত যে রিপোর্ট বেরিয়েছে সেই অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ৪ বছরে যা খরচ করেছে তা পূর্ব প্রধানমন্ত্রীর ৪ বছরের বিদেশ যাত্রার খরচের সমান। যদিও নরেন্দ্র মোদী, মনমোহন সিং এর থেকে বেশিদিন বিদেশে সফর করেছেন।

ফ্রান্স ভারতের যাত্রীদের নিয়ে একটা বড় সিধান্ত নিয়েছে। এই সোমবার থেকে ফ্রান্স ঘোষণা করেছে যে, দেশে হয়ে গমন করার সময় ভারতীয় পাসপোর্ট ধারকদের আর এয়ারপোর্ট ট্রান্সিট ভিসার প্রয়োজন হবে না। আপনাদের জানিয়ে রাখি ট্রানসিস্ট ভিসা খুব বেশি ৫ দিনের জন্য মান্যতা থাকে। এই ভিসা তখন জারি করা হয় যখন কোনো ব্যক্তিকে তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যেতে হয়।

ভারতে ফ্রান্সের রাজদূত আলেকজান্ডার জেইগলার টুইট করে বলেন যে “আমার এই বিষয়টি জানাতে খুব খুশি হচ্ছে যে কোনো এয়ারপোর্টের ইন্টারন্যাশনাল জোন দিয়ে পার হওয়ার সময় ভারতীয় পাসপোর্ট ধারকদের আর ATV অর্থাৎ এয়ারপোর্ট ট্রানসিস্ট ভিসার প্রয়োজন হবে না।” ফ্রান্সের সেগিন এরিয়ার সাথে ২৬  দেশ সামিল রয়েছে। ফ্রান্সের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতীয়দের বহু টাকা বেঁচে যাবে।

তবে শুধু ফ্রান্স নয় সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতীয় নাগরিকদের ৪৮ ঘন্টা ফ্রী ট্রানসিস্ট ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সুবিধা দুবাই ও আবুধাবীর মতো বড় শহরের গমনের জন্য অনেক লাভজনক হবে। ভারতের নাগরিকদের জন্য এমন এমন সুবিধাদান প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের ফল একথা অস্বীকার করার নয়।

The post ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ঘোষণা: ভারতীয় নাগরিকদের আর প্রয়োজন হবে না এয়ারপোর্ট ট্রানসিস্ট ভিসা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2mOr0nY
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started