বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা! গুরুতর অভিযোগ মমতা ব্যানার্জীর উপর।

একদিকে যখন আসামের জনগণের মানুষদের বহুদিনের দাবি মেনে বিজেপি সরকার NRC এর তালিকা বের করতে সক্ষম হলো তখন এই NRC নিয়ে কেন্দ্রের চরম বিরোধিতায় নেমে পড়েছে কংগ্রেস এবং বিশেষভাবে তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী। NRC তালিকা বেরোনার পর মমতা ব্যানার্জী এক পাবলিক মিটিং এ এই তালিকার বিরোধিতা করে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, বলেন,’মোদীর এত বড় সাহস কি করে হয়, ওদের একজনের গায়ে হাত লাগিয়ে দেখাক মোদী। আমাকে ওরা চেনে না’ আপনাদের জানিয়ে রাখি, মমতা ব্যানার্জী অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের বাঙালি বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। মমতা ব্যানার্জী তার ভাষণ এমনভাবে পেশ করেন যেন কেন্দ্র সরকার বাঙালি বিরোধী সরকার।

আসলে কেন্দ্র সরকার সেই সমস্ত বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করার জন্য NRC বের করেছে যারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছে। শুধু তাই নয়, সরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী এটাও জানিয়েছেন যে সরকার কোনোভাবেই হিন্দু শরণার্থীদের ভারত থেকে যেতে বলবে না। অর্থাৎ যে সকল হিন্দুরা ১৯৭১ এর আগে বা ১৯৭১ এর পরেও অত্যাচারিত হয়ে ভারতে ঠাঁই নিয়েছেন তাদের কোনোভাবেই ভারত ছাড়তে বলা হবে না। এখন জানলে অবাক হবেন, যে মমতা ব্যানার্জী আজ অবৈধ বাংলাদেশিদের হয়ে ন্যাকামো করছেন ঠিকই কিন্তু সেই বাংলাদেশিদের ভারত থেকে তাড়ানোর জন্য ১৩ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৫ সালে সাংসদে হৈচৈ করেছিলেন ইনি।বাংলাদেশিদের দেশ থেকে বের করার জন্য প্রতিবাদের ঝড় উঠিয়েছিলেন। কারণটা পরিষ্কার, ভোট ব্যাঙ্কের জন্যেই রূপ বদলাচ্ছে মমতা ব্যানার্জী। তবে শুধু অবৈধ বাংলাদেশিদের পক্ষে সমর্থন করেই থেমে জাননি মমতা।

তিনি বলেছেন অবৈধ বাংলাদেশিদের দেশ থেকে বের করলে রক্ত গঙ্গা বইবে, গৃহযুদ্ধ বাঁধবে দেশে। অর্থাৎ একভাবে দাঙ্গার জন্য উস্কে দেন মমতা ব্যানার্জী। মমতা ব্যানার্জীর এই বক্তব্যের পর তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজেপি নেতৃত্ব ও আসামের সাধারণ মানুষ। আসামের নিউজ চ্যানেলগুলি অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী, বিষকন্যা বিষবাষ্প ইত্যাদি নামকরণ করে অপমান করেছে মমতা ব্যানার্জীকে কারণ তাদের দাবি তিনি উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে আসামী ও বাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে চাইছেন তিনি। অর্থাৎ ভারতীয়দের সাথে ভারতীয়দের লড়াই লাগিয়ে দেওয়ার পথে কাজ করেছেন মমতা। অন্যদিকে বিজেপির যুবমোর্চা ডিব্রুগড়ের জেলার এক থানায় মমতার নামে কমপ্লইন্ট দায়ের করেন।

 

একদিকে যখন কেন্দ্র সরকার প্রচুর পরিমানে অর্ধসেনাবাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে তখন দেশের এত বড় নেত্রী হয়ে এমন উত্তেজনক ভাষণকে নিন্দিনীয় বলে দাবি করেছেন আসামবাসী। এমনি দেশের মিডিয়ায় এই বিষয়ে মমতাকে চাপ দিতে শুরু করেছে।

বিখ্যাত সাংবাদিক অর্ণব গোস্বামি মমতার উপর ক্ষোপ প্রকাশ করে বলেন, আমি একজন আসামী, আর আসাম শুধু মাত্র ভারতীয়দের জন্য। মমতা ব্যানার্জী বাংলাদেশি অবৈধ মুসলিম ভোটের লোভে বাঙালি ও আসামিদের মধ্যে যুদ্ধ লাগানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, মমতার উপর আক্রমন করে বলেছেন যে উনার সাধারণ জ্ঞান বাড়ানো উচিত, কারণ উনি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিয়ে খেলা করছেন।

The post বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা! গুরুতর অভিযোগ মমতা ব্যানার্জীর উপর। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2n2sNWN
24 ghanta

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বড়ো মন্তব্য করলেন উনার স্ত্রী যশোদাবেনজি।

২০১৯ নির্বাচন সামনে আসতে চলছে আর সেই ভিত্তিতে কংগ্রেস সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে এক করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে আসার মাত্র ৪ বছরের মধ্যে কংগ্রেসের অবস্থা এমন করেছে যে তারা এখন একা একা নির্বাচন লড়ার ব্যাপারে ভাবতেও পারছে না। তাই কখনো সুপ্রিম কোর্টের জাজের বিরুদ্ধে মহাভিযোগ প্রস্তাব আনে আবার কখনো পূর্নবহুমত প্রাপ্ত সরকারের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস প্রস্তাব এনে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে শিবসেনাও বিশ্বাসঘটকতা করা শুরু করে দিয়েছে। এই রকম অবস্থায় যখন সকলে বিরোধিতায় নেমে পড়েছে সেই সময় তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্ত্রী যশোদা বেন নিজে প্রধানমন্ত্রীর সাথ দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, বাল্য অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল যার পর উনি ঘর বাড়ি ছেড়ে দেশের সেবা করার জন্য বেরিয়ে পড়েছিলেন। অন্যদিকে যশোদাবেন উত্তরাখণ্ডে একটা সংগঠন এর স্থাপনা দিবস উপলক্ষে পৌঁছেছিলেন। সেখানে যশোদাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে চমকে দেওয়ার বক্তব্য রেখেছেন। যশোদাবেন বলেন দেশ আগে বাড়ুক এই আমার কামোনা।

উনি বলেন, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এই সন্দেশ জনগণের কাছে পৌঁছান। যশোদাবেনের এই কোথায় ভরপুর তালি পড়ে এবং সভায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। যশোদাবেন ভারত মাতা কি জয় এবং বন্দেমাতরাম বলে সভার উদ্বোধন করেন। সভায় উনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাজের খুব প্রশংসা করেন এবং ২০১৯ এ মোদীজিকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য জনগণের কাছে সমর্থন চান।

এটা খুবই বড়ো ব্যাপার যে যশোদাবেন নিজে মোদীজিকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চান এবং বলেন, মোদীজি আগের থেকে অধিক আসন পাবেন। এটা বলার সাথে সাথে উপস্থিত জনতা উঠে দাঁড়িয়ে যশোদাবেনকে সমর্থন করেন। নরেন্দ্র মোদীজির স্ত্রীর এইরকম ভাষণ থেকে এটা পরিষ্কার যে মোদীজিকে ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী হতে কেউ আটকাতে পারবেন না। সএতে সাথে যারা প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী ও মোদীজির সম্পর্ক নিয়ে কটু কথা বলতেন তাদেরও মুখ চুপ করিয়া দিলেন যশোদাবেন। তবে এই প্রথম নয় এর আগেও উনি বলেছিলেন, মোদীজি আমার কাছে রামের মতো।

The post প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বড়ো মন্তব্য করলেন উনার স্ত্রী যশোদাবেনজি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OBkzBA
24 ghanta

আফরিনের প্রশংসায় কেন মুখরিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? জানলে অবাক হবেন।

হয়ে গেল ৪৬ তম মন কি বাত অনুষ্ঠান। গতবারের মত এবারও সেখানে নিজের বক্তব্য পেশ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয়। কিন্তু এবারের মন কি বাত অনুষ্ঠানের বিশেষ আকষণ হল তিনি এবার সেখানে বক্তব্য রাখার সময় নিলেন আফরিন শেখ নামে এক বালিকার নাম। কিন্তু এই আফরিন শেখ কে? কেনই বা প্রধানমন্ত্রী তার নাম নিলেন মন কি বাত অনুষ্ঠানে? এখন এই প্রশ্ন গুলি ঘোরাঘুরি করছে দেশের সংবাদ মাধ্যম গুলির কাছে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতেও এর আলোচনা তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তার মন কি বাত অনুষ্ঠানে তার নাম নেওয়ার কারন হল এই মেয়েটির সাফল্য।

এই মেয়েটির সাফল্যকে বাকিদের অনুপ্রেরণা দেবার জন্যই তার নাম করেছেন মোদীজি। আফরিন শেখ নামে এই মেয়ে গুজরাতের এক রিক্সাচালকের মেয়ে। এই মেয়েটি এত দরিদ্র এবং প্রতিকূলতা মাথায় নিয়েও ৯৮.৩১শতাংশ নাম্বার নিয়ে গুজরাত বোর্ডের দশম শ্রেণির পরিক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখে নিজের নাম শুনে আফরিন শেখ জানান যে তিনি খুব খুশি যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তার নাম করেছেন নিজের মুখে। আফরিন শেখ বড় হয়ে ডাক্তার হবার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আফরিন। তার পরিবারও তার ইচ্ছাকে সম্মান করেন বলেই জানা যাচ্ছে।

সেই দিন আরও অনেকের কথা মোদীজির মুখে উঠে এসেছে তারা হলেন দিল্লির প্রিন্স কুমার, যিনি হলেন সরকারি স্কুলের টপার। তার বাবা একজন বাস চালক হওয়ার সত্ত্বেও তিনি বিজ্ঞান বিভাগে ৯৭শতাংশ নম্বর পেয়ে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হয়েছেন।হরিয়ানায় এক চৌকিদারের ছেলে কার্তিক, যিনি ৫০০ এর মধ্যে ৪৯৮ পেয়ে পুরো হরিয়ানায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। এছাড়া কলকাতাবাসী অভয় গুপ্তা, যিনি তার লড়াই চালিয়েছেন স্ট্রীট লাইটের নিচে পড়াশোনা করে। তার মুখে শোনা যায় স্কুল বাস চালকের মেয়ে খুশির কথা, খুশির প্রাপ্ত নাম্বার হল ৯৩.২শতাংশ।

ঝাড়খন্ডের রমেশ সাহু, যিনি পড়াশোনা করার পাশাপাশি নিজের পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য খেলনা বিক্রি করেন। গুরগাঁওয়ের অনুষ্কা, যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য পিছিয়ে থাকেননি বরং সেটাকে অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে এসেছেন। এবং তিনি এখন সাফল্যের শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post আফরিনের প্রশংসায় কেন মুখরিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? জানলে অবাক হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Av6OB5
24 ghanta

অমিত শাহকে কলকাতায় সভা করার অনুমতি না দেওয়ায়, ক্ষোপ প্রকাশ বিজেপি সমর্থকদের।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ক্ষমতা দিন দিন বেড়েই চলেছে আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ২০১৯ এর জন্য জনতাকে বিজেপি কাজের ব্যাপারে আরো ভালোভাবে সচেতন করার সিধান্ত নিয়েছে।সেই উপলক্ষে, রাজ্যে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এর একটি জনসভা করার কথা ছিল। সেই জনসভা আয়োজন করার কথা ছিল রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু সেই জনসভা করার অনুমতি দিল না কলকাতা পুলিশ। রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে অমিত শাহ জির এই সভা করার কথা ছিল রানি রাসমণি রোডে।

মাননীয় অমিত শাহ জি ১১ ই অগাস্ট রাজ্যে আসছেন। এই রাজ্যে এসে এবার তিনি একটি সভা করতে চেয়েছিলেন। সেই অনু্যায়ী রানী রাসমনি রোডে অমিত শাহজির সভা করার কথা ছিল। কিন্তু হটাৎ করে বিজেপিকে জনিয়ে দেওয়া হয় কোলকাতা পুলিশের তরফ থেকে ওই স্থানে আগেই সভা করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে।

তাই বিজেপিকে অনুমতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না ওই একই স্থানে সভা করার জন্য। কিন্তু রাজ্য বিজেপি কোলকাতা পুলিশের হটাৎ করে এমন সিদ্ধান্ত বদলকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। তাই তারা পুলিশ এর এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যাওয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে কংগ্রেস ওই জায়গার সভা করার জন্য অনুমতি চেয়েছিল, কিন্তু কলকাতা পুলিশের এই বক্তব্যেও শাসক দলের হাত দেখতে পাচ্ছে বিজেপি সমর্থকরা।উল্লেখ্য, রাখি এর আগে যখন অমিত শাহ সভা করেছিলেন সেই সময় কলকাতায় লাগানো বিজেপির বিভিন্ন পোস্টার ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা সামনে এসেছিল। অমিত শাহ ১১ আগস্ট আসার পর মেগা রালি করার কথাও উঠে এসেছিল কিন্তু এখন কলকাতা পুলিশের কাছে সভার অনুমতি না পাওয়ার পর অনিশ্চয়তায় পড়লো বঙ্গবিজেপির মেগা রালি।

#অগ্নিপুত্র

The post অমিত শাহকে কলকাতায় সভা করার অনুমতি না দেওয়ায়, ক্ষোপ প্রকাশ বিজেপি সমর্থকদের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2M8x1aa
24 ghanta

ন্যাশনাল হেরাল্ড এর অনুযায়ী মধ্যেপ্রদেশ নির্বাচনে কোন দল বহুমত পেতে চলছে জানলে অবাক হবেন।

২০১৯ সামনে, তাই প্রত্যেকটি নির্বাচনের উপর দেশের জনগণের নজর প্রখরভাবে রয়েছে। সম্প্রতি ন্যাশনাল হেরাল্ড এ মধ্যেপ্রদেশের আগামী নির্বাচনকে নিয়ে একটা সার্ভে হয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড এ ছাপা এই সার্ভে সকলকে চমকে দিয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড এ বলা হয়েছে মধ্যেপ্রদেশে কংগ্রেস ও বহুজন সমাজবাদী পার্টির মধ্যে জোটবন্ধন অতিআবশ্যক। কারণ জোট না তৈরি হলে বিজেপিকে হারানো খুবই মুশকিল হবে । ন্যাশনাল হেরাল্ড এ এটাও বলা হয়েছে যে মধ্যপ্রদেশ নির্বাচনে বহুমত লাভ করবে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। ন্যাশনাল হেরাল্ড এ এটাও স্বীকার করা হয়েছে যে যদি জোটবন্ধন হয়েও যায় তাহলেও বিজেপির বহুমত পাওয়ার সুযোগ অনেক বেশি রয়েছে। কিন্তু যদি কংগ্রেস ও বসপার জোটবন্ধন না হয় তাহলে ক্ষমতা থেকে বিজেপিকে কেউ সরাতে পারবে না। তামিলনাড়ুর স্পিক মিডিয়ার দ্বারা ২৭ জুলাই একটা সমীক্ষা জারি করা হয়েছিল।

হেরাল্ডে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় বলা হয়েছে যদি, কংগ্রেস ও বসপা জোট না করে লড়াই করে তাহলে বিজেপি ১৪৭, কংগ্রেস ৭৩, বিএসপিকে ৯ এবং অন্যান্যদের ১ সিট মিলবে। আর যদি কংগ্রেস ও বহুজন সমাজবাদী পার্টির জোট হয় তাহলে বিজেপি ১২৬, কংগ্রেস ও বিএসপি ১০৩ এবং অন্যান্যরা ১০৩ টি সিট পেটে পারে।

তামিলনাড়ুর স্পিক মিডিয়া এই সমীক্ষা প্রকাশ করার পর জানিয়েছে যদি কংগ্রেস ও বিএসপি জোট না হয় তাহলে রাজ্যে সরকারের পরিবর্তনের কোনো আশা নেই। এখন মজাদার বিষয় এই যে ন্যাশনাল হেরাল্ড কংগ্রেসেরই মুখ্যপত্র। কিন্তু এই সমীক্ষা প্রকাশের পর কংগ্রেস নেতা অভয় ডুবে বলেন, ‘ন্যাশনাল হেরাল্ড এ প্রকাশিত সমীক্ষা আমাদের নয়, মধ্যপ্রদেশে এবার কংগ্রেসের সরকার হবে।’

উল্লেখ্য, কংগ্রেসের মুখ্যপত্র বলে ন্যাশনাল হেরাল্ড কিছুদিন আগে রাফেলের নিয়ে লেখা প্রকাশ করেছিল যেখনে তারা লিখেছিল রাফেল বফোর্স ঘোটালা, এই বিষয় নিয়ে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে যে রাফেলের বাহানায় কংগ্রেস স্বীকার করলো, তাদের আমলে বফোর্স ঘোটালা হয়েছিল। তখন তারা স্বীকার করেছিল যে ন্যাশনাল হেরাল্ড তাদের মুখ্যপত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে হইচই শুরু হয়েগেছিল কারণ যে কংগ্রেস এতদিন বফোর্স ঘোটালা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতো তারা আজ বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে বিষয়টি স্বীকার করেছিস।

এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে কংগ্রেস তাদের মুখ্যপত্রে স্বীকার করেছে যে তারা মধ্যেপ্রদেশে আরো একবার হারের সম্মুখীন হতে চলেছে। কিন্তু তা সত্বেও জোটবন্ধন করে তারা শেষ প্রচেষ্টা করার ইচ্ছায় রয়েছে।

The post ন্যাশনাল হেরাল্ড এর অনুযায়ী মধ্যেপ্রদেশ নির্বাচনে কোন দল বহুমত পেতে চলছে জানলে অবাক হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2n1FjWc
24 ghanta

মমতা ব্যানার্জীর সততার পর্দাফাঁস করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।

প্রাপ্তন তৃনমূল নেতা এবং বর্তমান বিজেপি নেতা মুকুল রায় যাকে তৃনমূলের 2nd Man বলা হত। যিনি ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে কাছের মানুষ। তাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ডান হাত হিসাবেই ধরা হত। এবার সেই মুকুল রায় অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দুর্নীতি ও মুসলিম তোষণ থেকে জর্জরিত হয়ে তৃনমূল ত্যাগ করে চলে আসা মুকুল তার প্রাপ্তন দলনেত্রীর তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ঘোরতোর অভিযোগ আনলেন। মুকুল রায় বলেন যে, বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর রয়েছে বিপুল পরিমানে সম্পত্তি। তার আরও দাবি যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততার প্রতীকভাবমূর্তির আড়ালে রয়েছে বিরাট পরিমানে গোপন সম্পত্তি। সেই সম্পত্তির পরিমান প্রায় ১২০০ কোটি।

এক সংবাদ পত্রের কাছে মুকুল রায় দাবি করেন যে কিছু দিন আগে মমতা একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান করেন সেই অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পত্রের দাম ছিল ৪০০ টাকা। তিনি আরও বলেন যে “রাজ্যের যারা আইপিএস ও আই.এএস অফিসার রয়েছেন তারা এখন থেকেই সততার সঙ্গে কাজ করা শুরু করে দিন। কারন আর মাত্র তিন বছর পরই পশ্চিমবঙ্গ থেকে মমতার সরকার ক্ষমতা চ্যুত হবে। তৃনমূলের প্রাপ্তন এই নেতা বলেন যে এখন বাংলাতে যেভাবে কাজকর্ম চলছে সেটা বিজেপি আর বেশি দিন হতে দেবে না। এর বিরোধীতা খুব ভালো করেই করতে জানি আমরা।

মুকুল রায় এই দিন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের উপর আরও গুরুতর অভিযোগ করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দেওয়া কথা রাখতে পারে নি তৃনমূল। যেভাবে বদল আনার কথা ছিল রাজ্যে তার বিন্দু মাত্র কাজ করতে পারে নি তৃনমূল সরকার। বাংলার মানুষ কে ঠকিয়েছে এরা। এই কারনে রাজ্যের ভালোর জন্য, রাজ্যের উন্নয়ন করার জন্য সাধারন মানুষকে তিনি বলেছেন বিজেপিকে সাপোর্ট করবার জন্য।

বাংলার জন্য কাজ করার সু্যোগ চেয়ে তিনি বলেন এবার বাংলায় বিজেপি সরকার আনতে হবে। দিকে দিকে রাজ্যের সমস্ত মানুষকে তিনি একযোগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। মুকুল বলেন যে আমার জন্য পরম সৌভাগ্য যে আমি প্রধানমন্ত্রীর মত একজন মানুষের দেখানো পথে চলতে পারছি এবং তার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে বাংলার উন্নতি করতে চাই আমি।
#অগ্নিপুত্র

The post মমতা ব্যানার্জীর সততার পর্দাফাঁস করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2KgH9M6
24 ghanta

সেনা জওয়ানদের নিয়ে নোংরা মন্তব্য করায় আজম খনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ যোগী আদিত্যানাথের।

যত দিন যাচ্ছে ভারতে দেশবিরোধী শক্তিগুলি আরো প্রবল হয়ে উঠছে যারা ভারতের সেনাবাহিনীকে গালিগালাজ করে দেশ ছোট করে থাকে। এমনি এক ব্যাক্তি হলেন সমাজবাদী পার্টির নেতা এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ক্যাবিনেট মন্ত্রী আজম খান। এখম সেই আজম খান এক বড় অপরাধী মামলায় ফেঁসেই চলেছেন। বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য বদনাম আজম খানের সমস্যা আরো একবার বেড়ে চলেছে। আসলে আজম খান রামপুরের এক সভা থেকে ভারতের বীর জওয়ানের জন্য অমর্যাদাপূর্ন ভাষণ দিয়েছিল।

এখন এই সমাজবাদী নেতার বিরুদ্ধে রামপুরে মামলা চলবে। সেনার জওয়ানদের নিয়ে কুমন্তব্য করায় এক বিজেপি নেতা বাহাদুর সাক্ষসেনার ছেলে আকাশ সাক্ষসেনা এক বছর আগে আজম খানের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দায়ের করেছিল। এখন বিজেপি নেতৃত্ব যোগী আদিত্যনাথের সরকার আজম খানের বিরুদ্ধে কেস চালানোর অনুমতি প্রদান করেছে।

সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক জুন ২০১৭ তে রামপুরে এক সভাকে সম্বোধিত করে কেন্দ্রের মোদী সরকার ও যোগী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোপ প্রকাশ করছিল।মোদী ও যোগী সরকারের উপর আক্রমণ করতে করতে আজম খান উত্তেজিত হন এবং সেনার বিরুদ্ধেও অসভ্য ভাষায় আক্রমণ করেন।

সেনার গুলির চালানোর উপর মন্তব্য করতে গিয়ে আজম খান বলেছিলেন, জম্মু কাশ্মীর ও মিজোরামের মতো রাজ্যগুলিতে মহিলারা সেনার ধর্ষণের বদলা নিয়েছে। সেনা জওয়ানদের যে অংশ থেকে মহিলাদের সমস্যা ছিল সেই অংশ মহিলারা কেটে নিয়ে গেছে। আজম খানের এই নোংরা মন্তব্যের পর উনার উপর মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এরপর পুলিশ চার্জসিট তৈরি করে শাসনব্যবস্থাকে তা জমা দেয় যারপর এখন যোগী আদিত্যনাথের সরকার এই কেস চালানোর অনুমতি দিয়েছে।

The post সেনা জওয়ানদের নিয়ে নোংরা মন্তব্য করায় আজম খনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ যোগী আদিত্যানাথের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2O2MhGj
24 ghanta

‘২০১৯ এ হারলেও যেন জীবনসঙ্গিনী পেয়ে যান রাহুল গান্ধী, এই প্রার্থনা গোরক্ষনাথ মন্দিরে।’

২০১৯ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাহুল গান্ধী জোরতার প্রচার শুরু করে দিয়েছে। কংগ্রেসে মহলের দাবি ২০১৯ এ দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বসবেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু মহাজোট বন্ধন একদিকে যেমন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তেমনি সম্প্রতি সার্ভে জানিয়ে দিচ্ছে যে ২০১৯ এ ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার সৌভাগ্য সোনিয়া পুত্র রাহুলের হবে না। আপনাদের জানিয়ে রাখি কংগ্রেসে রাহুল গান্ধী যুব নেতা বলে পরিচিত হলে রাহুল গান্ধী বয়স ৪৮ এর বেশি যার কারণে মাঝে মধ্যেই রাহুল গান্ধীর বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে মজা নেন বিজেপি সমর্থকরা। সম্প্রতি রাহুল গান্ধীর বিয়ে নিয়ে এমনি মজা করলে বিজেপি নেত্রী স্বাধ্বী প্রাচী। ইনি বলেন ২০১৯ এ কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় তাহলেও যেন রাহুলের কপালের একটা বউ জুটে যায়।

সোমবার দিন গোরক্ষপুরের গোরক্ষনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন স্বাধ্বী প্রাচী। আর তার পরেই এমন মন্তব্য করেন তিনি। স্বাধ্বী প্রাচী বলেন, শ্রাবণ মাসের প্রথম সোমবার, গোরক্ষনাথের কৃপা পেতে এসেছিলাম সেই সময় রাহুল গান্ধীর জন্য গোরক্ষনাথের কাছে প্রার্থনা করেছি যে যদি কংগ্রেস নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় তাহলেও যেন একটা জিবনসঙ্গিনী পেয়ে যায়।

আপনাদের জানিয়ে রাহুল গান্ধী দেশের সবথেকে পুরানো পার্টির সভাপতি হলেও বহুবার ভুলভাল ভাষণের জন্য রাজনৈতিক জগতের মজার পাত্রে পরিণত হয়েছেন তিনি। বিজেপি নেত্রী স্বাধ্বী প্রাচী এর এইরকম মন্তব্যর জন্য ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের নেতা নেত্রীরা।

কিছুদিন আগেই রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মন্তব্য করে কটাক্ষ করেছিলেন বসপার সুপ্রিমো মায়াবতী। মায়াবতীর এক ঘনিষ্ট বলেছিলেন, রাহুল গান্ধীর মা বিদেশিনী। বাবার থেকে মায়ের সাথে বেশি মিল রয়েছে রাহুলের তাই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না তিনি।

রাহুল গান্ধীর উপর বার বার এইভাবে আক্রমন করছে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি যা সামলাতে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কংগ্রেস।আসলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, রাহুল রাজনীতির জন্য যোগ্য নয়, তার উপর আবার কংগ্রেসের মতো পুরানো দল চালানো তার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা মুশকিল হচ্ছে তাই এমন আক্রমন আসছে অন্যান্য দলগুলি থেকে।

The post ‘২০১৯ এ হারলেও যেন জীবনসঙ্গিনী পেয়ে যান রাহুল গান্ধী, এই প্রার্থনা গোরক্ষনাথ মন্দিরে।’ appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LM9S0p
24 ghanta

অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন অমিত শাহ।

NRC বিষয় নিয়ে দেশের রাজনীতি তুঙ্গে, এমত অবস্থায় তৃণমূল,কংগ্রেস ও বামপন্থীরা এক হয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করতে নেমে পড়েছে। আসলে বহু বছর ধরে বাংলাদেশ লাগোয়া রাজ্যগুলিতে বাংলাদেশিরা অবৈধভাবে প্রবেশ করে বসবাস করছিল। এমনকি কিছু কিছু জেলায় আসামের মূল নিবাসীদের তাড়িয়ে সেখানে বসবাস করতে শুরু করেছিল অবৈধ বাংলাদেশিরা। বহুবার আন্দোনের পর সুপ্রিম কোর্ট NRC করে ভারতীয় ও বিদেশিদের নাম নির্বাচনে জন্য সরকারকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু ২০১৯ নির্বকচন সামনে থাকায় দেশের নিরাপত্তার ইস্যু নিয়েও রাজনীতি শুরু করেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে এক হাতে নিয়ে ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন। প্রথম দিকে বিজেপি বিরোধীদের জানিয়েছিল যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সবকিছু করা হচ্ছে, কিন্তু বিরোধীরা এতেও চুপ না হওয়ায় এবার একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছে বিজেপির উচ্চস্তরের নেতা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কংগ্রেস ও TMC এর তুমুল নিন্দা করে বলেন, দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জলাঞ্জলি দিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করছে বিরোধীরা।

শুধু এই নয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সাধারণ জ্ঞান নিয়েও কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। শাহ বলেন, তৃণমূলের কাছে রাজনীতির স্বার্থ দেশের থেকে আগে হয়ে গেছে, নিজের সাধারণ জ্ঞান বাড়ানো উচিত মমতা ব্যানার্জীর। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গতকাল রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ NRC সম্পকে মন্তব্য করতে গিয়ে এ রাজ্যেও ওই পক্রিয়া করার কথা বলেন, এবার দিলীপ ঘোষের কথার মতো করেই অমিত শাহ জানান পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলেই করা হবে NRC

গতকাল NRC এর রিপোর্ট বেরোনোর পরেই কেন্দ্রকে আক্রমণ করে মমতা বলেছিলেন যে কেন্দ্র বাঙালি খেদাও, বিহারী খেদাও করতে চাইছে। এখন সেই ব্যাপারে পাল্টা জবাব দিতেই মমতার সাধারণ জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অমিত শাহ। অমিত শাহ বলেন, অসমে যারা দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশ করে বসবাস করছে তারা দেশের স্বার্থকে নষ্ট করছে।

The post অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন অমিত শাহ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vlOLb2
24 ghanta

ভোট অধিকার বাতিল হবে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যাওয়া ৪০ লক্ষের জানালো নির্বাচন কমিশন।

অনেক বিতর্ক আর জটিলতা সৃস্টি হয়েছিল নাগরিকপঞ্জি এর তালিকা প্রকাশ করা নিয়ে। কিন্তু সব জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে প্রকাশ করা হয়েছে সেই নাগরিকপঞ্জি এর তালিকা। সেই তালিকায় নাম নেই প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের যারা অবৈধ ভাবে ১৯৭১ এর পর প্রবেশ করেছিল ভারতবর্ষতে। যদিও উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে যাদের নাম বাদ গেছে তাদের আরো কয়েকবার সুযোগ দেওয়া হবে। এবার সেই নাগরিকত্ব বিতর্কের সাথে যুক্ত হল নুতন বিতর্ক সেটা হল ভোটাধিকার বিতর্ক। এনআরসি তাদের তালিকা প্রকাশ করার পর রেজিস্ট্রার জেনারেল শৈলেশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতবর্ষে লোকসভা ও বিধানসভা এই দুটি নির্বাচন প্রক্রিয়া চালনা করা হয় সম্পূর্ন অন্য একটি সংস্থার মাধ্যমে।

তাই নাম না থাকা নাগরিকরা ভোট দিতে পারবেন কি না সেই বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেন নি। ঠিক এই ঘটনার পরই ও.পি রাওয়াত যিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার তিনি এক সংবাদ মাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকারে সাফ জানিয়েছেন শুধু মাত্র ভারতবর্ষের নাগরিকদেরই ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। যারা ভারতবর্ষের নাগরিক নয় তারা কোনো পরিস্থিতিতেই ভোট দেওয়ার অধিকার পাবেন না। সুতরাং, তাঁর কথা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে সেই তালিকায় নাম না থাকা লোকেরা ভোট দিতে পারবেন না। আপনাদের জানিয়ে রাখি ৪০ লক্ষ সংখ্যা এতটাই বিশাল যে তারা যখন তখন সরকার পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখবে। আর বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের হাতে এইভাবে কোনো প্রকারেই ক্ষমতা ছেড়ে দেবে না কেন্দ্র।

এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন অসমের নির্বাচন কমিশনের কাছে ৭–১০ দিনের মধ্যে একটি রিপোর্ট চেয়েছেন। এনআরসি নিয়ে শাসক দলের উপর ইতিমধ্যেই চড়াও হয়েছেন বিরোধীরা। কংগ্রেস থেকে শুরু করে তৃনমূল, সিপিএম সব দল বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন এই ইস্যু নিয়ে। দেশের লোক হয়েও তাদের কে রিফিউজি হয়ে থাকতে হবে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই রকম অবস্থা সৃস্টির জন্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে দায়ী করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

মনে করা হচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা সম্পূর্নভাবে ঘোষণা করার পর কেন্দ্র একটা ডিটেনশন এরিয়া গঠন করতে পারে এবং সেই সঙ্গে তাদের ভোটের অধিকার বাতিল করে বাংলাদেশের সরকারের সাথে লাগাতার কথাবার্তা চালাতে পারে।

#অগ্নিপুত্র

The post ভোট অধিকার বাতিল হবে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যাওয়া ৪০ লক্ষের জানালো নির্বাচন কমিশন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2AsF6VR
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started