২০০% মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে অসমে, পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গ! বলছে জনগণনার পরিসংখ্যান।

অসমে কিছু দিন আগে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল তাতে থেকে বাদ গিয়েছিল ৪০ লক্ষ মানুষের নাম। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবার নাগরিক পঞ্জি আপডেটের  কাজ কে সাপোর্ট করলেন। অরুন জেটলি তার যুক্তিতে বলেন যে, অসমে যে হারে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে তাতে হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ছাপিয়ে গিয়েছে তাদের বৃদ্ধির হার।  বেশ কিছু মাস ধরে অসম বাসীরা অভিযোগ করেন যে, তাদের রাজ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী দের পরিমান খুব বেড়ে গেছে। তার জেরেই তাঁদের জনবিন্যাস বদলে যাচ্ছে বলে তাদের দাবি। এরপরই অসমবাসীদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্র সরকার NRC তৈরি করেছেন।

সেই NRC তালিকা প্রকাশ করা হয় সোমবার। সেই তালিকায় নাম নেই ৪০ লক্ষ মানুষের। তাই কেন্দ্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে যাদের নাম সেই তালিকাতে নেই তাদের কে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে নাহলে তাদের কে অনুপ্রবেশকারী হিসাবে ঘোষনা করা হবে। জেটলি তার একটি পরিসংখ্যানে লিখেছেন যে, ১৯৬১ – ২০১১ সাল পর্যন্ত অসমে মাত্র ২.৪ গুণ বেড়েছে হিন্দুদের জনসংখ্যা। সেখানে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩.৯ গুণ। তিনি আরও জানিয়েছেন যে এর ফলে বিপুলভাবে  প্রভাবিত হচ্ছে অসমের জনবিন্যাস।

তিনি তার ব্লগে লিখেন যে, সুপ্রিম কোর্টের তরফে মেনে নেওয়া হয়েছে যে অসমে এই কয়েক মাসে এত অনুপ্রবেশকারী প্রবেশ করেছে যে সেই রাজ্যের কয়েকটি জেলাতে এখন মুসলিমরা সংখ্যাগুরু হয়ে উঠেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে পরে এই সব জেলাগুলিকে বাংলাদেশে সামিল করার দাবি উঠতে পারে সেই সব

অনুপ্রবেশকারীদের তরফে।  এব্যাপারে তিনি অসমের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের নামও উল্লেখ করেছেন।

তিনি দাবি করেছেন যে এই ব্যাপারে অসমের সাথেই পাল্লা দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। তাদের রাজ্যেও প্রচুর পরিমানে অনুপ্রবেশকারী রয়েছে। অনুপ্রবেশের ফলে জনবিন্যাসের পরিবর্তন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গতেও।  ফলে সব দিক দিয়ে বিচার করে বলা হচ্ছে যে অসমে মুসলিম জনংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ, যেখানে হিন্দুদের বেড়েছে মাত্র ৮০.৯ শতাংশ।
#অগ্নিপুত্র

The post ২০০% মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে অসমে, পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গ! বলছে জনগণনার পরিসংখ্যান। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MivA92
24 ghanta

‘বাঙালি আবেগের আড়ালে বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে অবৈধ বাংলাদেশিদের।’

অসমে কয়েকদিন আগেই বের হলো এনআরসির রিপোর্ট । রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া ৩ কোটি ২৯ লক্ষ আসামবাসির আবেদন পরিক্ষা করে সব নথিপত্র যাচাই করার পর একটি তালিকা প্রকাশ করেন সেখানে নাম নেই প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের। ফলে তাদেরকে প্রাথমিকভাবে অবৈধ বসবাসকারী হিসাবে গন্য করা হয়েছে। তবে সুপ্রিমকোর্ট এর তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নাম না থাকা মানুষ দের কে সুযোগ দেওয়া হবে তাদের নথিপত্রের সঠিক প্রমান করার জন্য সেই জন্য সুপ্রিমকোর্ট এর তরফে ৩০ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পযন্ত দিন ধায্য করে দেওয়া হয়েছে। তার পরই প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত তালিকা। এখন, এই জাতীয় পঞ্জীকরণকে ‘বাঙালি খেদাও’ অভিযান বলে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন দলের নেতা মন্ত্রীরা।

বিভিন্ন সোশ্যাল সাইড সহ সংবাদ মাধ্যমে এখন খবরের শিরনামে রয়েছে এই বিষয় টি। আসলে এই সব কিছু বিরোধীরা করছেন তার একমাত্র কারন হল বিজেপিবিরোধিতা কার্যক্রম এবং ভোট ব্যাংক। যদিও বিজেপি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে যাদের নাম সেই তালিকায় নেই তারা বেশিরভাগ বাংলাদেশি মুসলিম। শুধু মাত্র বাংলা ভাষাতে কথা বলা সাধারণ বাঙালি নন। আরও বলা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে সেটা হল সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ কে মান্যতা দিয়েই তারা এই পুরো কাজটি করেছে।

এই ভাবে বারবার ‘বাংলাদেশি মুসলমান’ দের তাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলার কোনো কারন নেই। কারন আইনেই দিক দিয়েতো কোনো ভাবেই নয়। ইউনাইটেড নেশনস হাইকমিশন ফর রিফিউজিস জেনেভা তে উদ্বাস্তু বা রিফিউজিদের একটা সংজ্ঞা তৈরি করেন সেখানে বলা হয় যে, একজন সাধারন মানুষ যদি তার নিজের দেশের ভিতর গভীর ভাবে অত্যাচারিত হয়। যুদ্ধ বা অন্যান্য সন্ত্রাসজনিত কারনের সেই দেশের সরকারের কাছে কোনো রকম সাহায্য না পেয়ে সেই দেশ ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নেই তাহলেই একমাত্র তিনি অন্য দেশে গিয়ে উদ্বাস্তু বা শরণার্থী হিসাবে থাকতে পারবেন।

এই রকম পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে বাংলাদেশী হিন্দুদের। তাদের উপর একতরফা অকথ্য অত্যাচার করা হয়, তাদের বাড়ি ঘর সব জালিয়ে দেওয়া হয়। তাদের দোকান পাঠ সব কিছু লুট করে নেওয়া হয় সেই দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের দ্বারা। তাই সেই দেশ থেকে আগত বৌদ্ধ ও হিন্দুদের শরণার্থী হিসাবে ধরা হয়। কিন্তু অনেক মুসলিম বাংলাদেশ থেকে অর্থনৈতিক কারণে ভারতে চলে আসে এবং আর ফিরে যায় নি।

এই ভাবে কোনো গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র থেকে অর্থনৈতিক কারনে চলে আসাকে শরণার্থী হিসাবে স্কিকৃতি দেওয়া হয়নি সেই আইনে তাই বাংলাদেশ থেকে আগত মুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী। তাই ভারত সরকার চাইলে তাদের কে দেশ থেকে বের করে দিতে পারেন। এর ফলে বলা হয়েছে যে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যে যে হিন্দু ভারতে এসেছেন তাদের কোনো কিছু করা হবে না। তারা সুরক্ষার সাথে ভারতে থাকতে পারবেন।

এর ফলে বাংলাদেশি হিন্দু উদ্বাস্তুরা বিশেষ উপকৃত হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোট লোভী পার্টির নেতারা জেনে বুঝে ভুল করেছেন কারন এর ফলে তাদের অনেক লাভ হয়েছে। সেই ভুল হল তারা অনুপ্রবেশকারী এবং শরণার্থীদের একই লাইনে দাড় করিয়েছেন যাতে কোনো ভাবেই তাদের নিজেদের দেশে না ফেরত পাঠানো যায়। তাদের এই ইচ্ছাকৃত ভুলের মাসুল দিতে হয়েছে বাংলাদেশি হিন্দুদের।

অনেক মুসলিম অঅনুপ্রবেশকারী কে শরণার্থীদের সাথে একসুত্রে রেখে দেওয়ায় তারা হিন্দু শরণার্থীদের উপর হামলা চালায়, বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে। অত্যাচার করার ফলে ধীরে ধীরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের সংখা কমে গিয়েছে। তারা নিজেদের প্রান বাচানোর জন্য পালিয়ে গিয়েছে অন্য এলাকায়। তাই দেশ কে বাঁচাতে দেশের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে এই অনুপ্রবেশকারী এবং শরণার্থীদের মধ্যে তফাৎ করে, খুঁজে বের করতে হবে সেই সকল অনুপ্রবেশকারীদের। বিশিষ্ট মহলের মতে এই ব্যাপারে একমাত্র বড়ো ভূমিকা নিতে পারে এনআরসি। কিন্তু দুঃখের বিষয় কিছু বিজেপি বিরোধী দলগুলো শরণার্থী ও অনুপ্রবেশকারীদের পার্থক্য জনগণকে না বুঝিয়ে উল্টে বাঙালি খেদাও বলে বা কখনো সাম্প্রদায়িক রঙ দিয়ে জনগণের ব্রেনওয়াশ করছে।
#অগ্নিপুত্র

The post ‘বাঙালি আবেগের আড়ালে বাঁচানোর চেষ্টা হচ্ছে অবৈধ বাংলাদেশিদের।’ appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vDWm4E
24 ghanta

অভিনেতা পরেশ রাওয়াল বিরোধীদের এমন মন্তব্য করলেন যে তারা ২০১৯ এর আগেই হার মানবে।

আসামে প্রকাশিত NRC নিয়ে রাজনীতি চরমে রয়েছে। ৪০ লক্ষ অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে প্রাথমিক রিপোর্ট বেরোবার পর বিরোধী দলগুলি মোদী সরকারকে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে। মূলত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এই ইস্যুতে কেন্দ্র সরকারের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে অবৈধ বাংলাদেশিরা এতদিন ভোট দেওয়ার সুযোগ পেতো তাদের কাছে থেকে সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। অর্থাৎ এতদিন ধরে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট আসামে যে ভোট ব্যাঙ্ক গড়ে তুলেছিল তা সম্পূর্নরূপে ভেঙে পড়ার অবস্থায় রয়েছে। আর এই বিষয়ের উপর মন্তব্য করতে গিয়ে বিখ্যাত বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল বিজেপি বিরোধীদের উপর আক্রমণ করেছেন। পরেশ রাওয়াল টুইট করে লিখেন, ২০১৯ এর ফলাফলের প্রথম দৃষ্টান এসেগেছে, বিরোধীরা ৪০ লক্ষ ভোটে পিছিয়ে রয়েছে। পরেশ রাওয়াল এর এই টুইট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। প্রচুর সংখ্যক মানুষ পরেশ রাওয়াল এর টুইটকে রিটুইট করেছেন এবং বহু কমেন্ট ও পড়েছে।

বিমল পান্ডে নামক এক ইউজার পরেশ রাওয়াল এর টুইট রিটুইট করে বলেছেন,” আজব পরিস্থিতি! কংগ্রেস সপাকে(সমাজবাদী পার্টিকে) বাঁচানোর চেষ্টা করছে, সপা বসপাকে(বহুজন সমাজবাদী পার্টিকে) বাঁচানোর চেষ্টা করছে, বসপা কংগ্রেসকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছও, তৃণমূল বামফ্রন্টকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আর সকলে মিলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে।”

শৈলেন্দ্র বার্মা নামক এক ইউজার রিটুইট করে লিখেন, ” ২০১৪ এর জোয়ার ২০১৯ এ তুফান হিসেবে সামনে আসছে। ভক্তদের সাথে পাঙ্গা নেবেন না, ২০১৯ এ আরো একবার মোদী সরকার আসছে।”

ব্রীজেশ শর্মা নাকম এক ইউজার রিটুইট করে লিখেছেন, ২০১৯ এর ফলাফল তো এখন শুধু একটা রাজ্য থেকে এসেছে, মহাশয় পশ্চিমবঙ্গ এখনো বাকি আছে।”

রাহুল নামক এক ইউজার লিখেন, “কীটনাশক নামক ওষুধ এখন শুধু আসামে প্রয়োগ হয়েছে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের পোকা মাকর বেশি লাফাচ্ছে।”

এই টুইটের পরিপেক্ষিতে কানসাল নামক এক ব্যক্তি লিখেন, “পোকামাকড় যত না বিলবিল করছে তার থেকে তাদের আম্মি বেশি বিলবিল্লাছে।”

অলকা সিংহ নামক এক ইউজার বলেন, “এতদিন যারা ১৫ লক্ষ টাকার লিস্টে নিজেদের নাম খুজত তারা আজ ৪০ লক্ষে নাম এসেগেছে কিনা সেই চিন্তায় পড়েগেছে। জয় হিন্দ।’
পরেশ রাউলের টুইটের ভিত্তিতে মানুষ যা প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করেছে তা নিজে নিজে এটা প্রমান করে NRC উপর দেশবাসীর মনোভাব কেমন রয়েছে। দেশবাসী যে NRC এর পর বেশ খুশ মেজাজেই রয়েছেন তা দিন দিন পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে।

তবে এই ৪০ লক্ষের মধ্যেও যারা এখনো নিজেদের ভারতীয় বলে করেন তাদেরকে প্রমাণপত্র দেখানোর আরো সুযোগ দেওয়া হবে। সবথেকে উল্ল্যেখ ব্যাপার এই বিষয় নিয়ে অনেকে অপপ্রচার করছে।আপনাদের জানিয়ে দি, দেশ থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের বের করার সিধান্ত নেওয়া হবে কিন্তু শরণার্থীদের সাথে কোনোরকম ভেদভাব করা হবে না সরকারের পক্ষ থেকে। অনেক মানুষ হিন্দু শরণার্থী ও অবৈধ বাংলাদেশিদের এক করে গুজব রটাচ্ছেন যা দেশের শান্তির বাতাবরণ নষ্ট করছে।

The post অভিনেতা পরেশ রাওয়াল বিরোধীদের এমন মন্তব্য করলেন যে তারা ২০১৯ এর আগেই হার মানবে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2ABR7YU
24 ghanta

মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হলো বিজেপি।

আবার বিজেপির জয় জয় কার। আবার একতরফা ভাবে সমস্ত বিরোধীদের হারিয়ে এগিয়ে গেল বিজেপি। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার ফল পেল বিজেপি। সাধারণ মানুষ যে এখন বিজেপিকেই চাই সেটা এবার প্রমান হয়ে গেল।
মহারাষ্ট্রের জলগাঁও এবং সাংলি পৌরসভার ভোট হয়েছিল সেই ভোটের গণনা ছিল আজ। গননার ফলাফলে শাসক দল বিজেপি বিরোধী দল গুলি কে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছে। মহারাষ্ট্রের দুটি জেলা জলগাঁও জেলাতে এ ৭৫ সিট এবং সাংলি জেলায় ৭৮ সিট মোট ১৫৩ টি সিটের লড়াই চলছে। সেখানে মোট প্রাথি আছে ৭৫৪ জন। আজ সেই সমস্ত সিটের গননা হয়েছে।

মোট ৫৭% মানুষ সেই সমস্ত সিটে ভোট দিয়েছেন। এই নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে একজোটে লড়েছেন বিরোধী কংগ্রেস এবং এনসিপি। অপর দিকে বিজেপির একদা সাথি যারা আগে বিজেপির সাথে একযোগে লড়াই করত সেই শিবসেনাও এবার বিজেপির বিরুদ্ধে আলাদাভাবে লড়াই করেছেন। এখনো পর্যন্ত যে খবর পাওয়া গিয়েছে সেই খবর অনুযায়ী, সাংলি-মিরাজ- পৌরসভার নির্বাচনে যে ৭৮ টি সিটের লড়াই হয়েছিল তার মধ্যে শিবসেনা-০, এনসিপি-১৪, কংগ্রেস-১০ এবং বর্তমান শাসক দল বিজেপি সবথেকে বেশি ৩৭ টি সিটে এগিয়ে আছে।

উল্লেখিত যে বিজেপি এবার সবথেকে বেশি আসন দখল করেছেন সেই বিজেপি ২০১৩ সালের নির্বাচনে এখান থেকে একটাও আসন পায় নি। এবার বিজেপির এই বিরাট ব্যাবধানে এগিয়ে যাওয়া প্রমান করছে যে সাধারণ মানুষ বিজেপিকে কতটা ভরসা করছে। অন্য দিকে কংগ্রেস কে যে মানুষ আর চাই না এই ভোট তারই প্রমান কারন এবার কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়ে হয়ে গেছে তার প্রমান আগের বার এই নির্বাচনে কংগ্রেস ৪১ টি আসন পেয়েছিল।

 

অপরদিকে ২০১৩ সালে জলগাওঁ পৌরসভাতে মাত্র ১৫ টি আসন দখল করা বিজেপি এবারের নির্বাচনে পেয়েছে ৭৫ এর মধ্যে ৫৭ টি আসন। আর আগের বারে ভালো ফল করা শিবসেনা এবার পেয়েছে ১৫ টি আসন। কিন্তু কংগ্রেসের পতন অব্যাহত এখানেও তাদের আসন সংখ্যা শূন্য এবং এনসিপি শুন্য।

মহারাষ্ট্রে ‘মারাঠা’ আন্দোলন বিজেপির ভোটে যে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে নি সেটা একদম পরিষ্কার। তার কারন হল বিজেপির সাধারন মানুষের জন্য কাজ করা এবং বিজেপির উপর মানুষের ভরসা। সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে শিবসেনার মতো পার্টি যার সাথে জোট করে মহারাষ্টে সরকার চলছে সেই পার্টিকেও হার মানিয়েছে।

#অগ্নিপুত্র

The post মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হলো বিজেপি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MifSLd
24 ghanta

টাকা লুটে পলাতক মেহুল চোকসির সাথে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতার বড়সড়ো পর্দাফাঁস করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

একদিকে কংগ্রেস নীরব মোদী ও মেহুল চকসি মতো লোকেদের ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে দেশকে সমস্যায় ফেলেছে অন্যদিকে মোদী সরকার সমস্ত চেষ্টা প্রয়োগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদের দেশে ফেরানোর চেষ্টায় লেগে রয়েছে। আর সেইজন্যে সরকার পালিয়ে যাওয়া যাওয়া ব্যাক্তিদের জন্য দেশে আইন পাশ করিয়ে ফেলেছে।সরকারের উদেশ্য ভবিষ্যতে টাকা লুটে পালিয়ে যাওয়া বাক্তিদের তৎকাল ফিরিয়ে অনার ব্যাবস্থা করা। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদের নিয়ে বড় তথ্যের ফাঁস করেছেন।

রবিশঙ্কর জানান কিভাবে কংগ্রেস ভুলভালভাবে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা পাইয়েই দিয়েছে পলাতকদের। রবিশঙ্কর জানান যে মেহুল চকসির উকিল নিজে জানিয়েছেন যে উনি কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তি । প্রসাদ জানান যে ২০১১ ও ২০১৩ তে চকসির সম্পত্তি অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি পায় তখন চকসি কংগ্রেসের খুব ঘনিষ্ট ছিল। রবিশঙ্কর প্রসাদ এই বিষয়ে কংগ্রেসের কাছে সোজাসাপটা জবাব চেয়েছেন। প্রসাদ বলেন, বিজেপি প্রথমের এটা ফাঁস করেছে যে কংগ্রেস এর সময়ে অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম হীরা আমদানি করার জন্য খোলা অধিকার রাখা কোম্পানিগুলোর সূচনা বিস্তার করেছিলেন। মেহুল চোকসির কোম্পানি এটার দ্বারা অনেক লাভবান হয়েছিল। এই সিধান্ত ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেস এখনো দেশের সামনে এটার জবাব দেয়নি যে তাদের এমন সিদ্ধান্তের কারণে কি ছিল।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, মেহুল চকসি PNB ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির মাস্টারমাইন্ড এবং সে এখন এন্টিগাতে রয়েছে।সেখানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছে। যদিও ভারত সরকার ওই দেশের সরকারের সাথে লাগাতার কথা বলে চকসির প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এন্টিগা ও বার্বুদা সরকার জানিয়েছে যে তারা নীরব মোদীর মামা মেহুল চকসির বৈধ প্রত্যাবর্তনের জন্য চেষ্টা করছে। এর জন্য তারা কানুনি সমস্ত রকমের বিষয় ঘেঁটে দেখছে।

অন্যদিকে CBI নীরব মোদি ও মেহুল চকসিকে আর্থিক পলাতক বলে ঘোষণা করে তাদের সম্পত্তি অধিগ্রহণের জন্য আদালতের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।মোদী আমলে ভারত একদিকে যেমন বিজয় মালিয়ার মতো লোকেদের ব্যাঙ্কের টাকা ফেরত করতে বাধ্য করছে তেমনি অন্যদিকে নীরব মোদীর মতো ব্যাক্তিদের দেশ ফেরানোর সমগ্র চেষ্টা চালাচ্ছে।

The post টাকা লুটে পলাতক মেহুল চোকসির সাথে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতার বড়সড়ো পর্দাফাঁস করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2ObbPRE
24 ghanta

চীনের যে মিডিয়া একদিন মোদী সরকারের দুর্নাম করতো, তারাই আজ প্রধানমন্ত্রীর নিয়ে যা বলছে জানলে অবাক হবেন।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রচন্ড বহুমতের সাথে প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছিলেন। বিগত ৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের বিকাশের জন্য গরিবদের উন্নতি ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য অনেক বড়ো বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। মোদী সরকার দেশের প্রগতির জন্য যেভাবে কাজ করছে তার সুনাম শুধু দেশের মিডিয়া নয়, বিদেশের মিডিয়াও করতে শুরু করেছে।

কিছু দেশের মিডিয়া তো প্রায় দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুনামে মুখরিত হয় আর এর মধ্যে চীনের মিডিয়াও প্রধানমন্ত্রীর সুনামে লেগে পড়েছে। মোদী সরকার আসার পর যেভাবে দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে তার কারণ হিসেবে চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস মোদী সরকারের ভালো চিন্তাভাবনাকে আছে বলে দাবি করেছে।

সংবাদপত্রে যে লেখা প্রকাশ হয়েছে তা অনুযায়ী, দেশের রাজ্যগুলিতে যেভাবে বিজেপি জয়লাভ করছে তা এটা বোঝায় যে নরেন্দ্র মোদী ভারতের ইতিহাসে সবথেকে প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে রয়েছে আর বর্তমানে উনাকে টক্কর দেওয়ার মতো কেউ নেই। চীনের সরকারি সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস এ ছাপানো লেখা ‘ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট এন্ড রিফর্ম কমিশন’ এ লেখা হয়েছে যে ‘মোদী সরকারের ৪ বছর পূর্ণ হয়েছে এখনো সরকার দেশের বিকাশে ভালো কাজ করে চলেছে কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতে এই বিতর্কে চলেই আসছে যে মোদী বিরোধীদের তুলনায় দেশের জন্য ভালো কিনা। তবে এটা সত্যটা দেশের সামনে যে কে সবথেকে ভালো।’

২০১৯ এ লোকসভা নির্বাচনে হতে চলেছে আর এই সময় দেশের জনতা মোদী ও তার সরকারের কাজে খুশি রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যা দেশে আন্দাজ করা হচ্ছে যে দেশের জনতা কাকে চাইছেন। সংবাদপত্রের লেখা অনুযায়ী,’ দেশের ভবিষৎ ভারতীয়দের উপর রয়েছে। দেশে রাজনৈতিক অভিযোগ অনাভিযোগ চলতেই থাকবে কিন্তু যেটা সবথেকে বড় ইস্যু সেটা হলো আর্থিক ব্যাবস্থার উন্নতি। যেটা মোদী সরকার লাগাতার উন্নতি করেই চলেছে। মোদী সরকারের আনলে যেভাবে দেশের আর্থিক বিকাশ হয়েছে তা এখন বিশ্বের সামনে ফুটে উঠেছে।’

লেখায় বলা হয়েছে, এখনো কিছু লোকের মনে হয় যে GST এবং নোটবন্ধি কোনো কাজে আসেনি। কিন্তু সত্য এটা যে GST ও নোটবন্ধির জন্যেই দেশের অর্থিল ব্যাবস্থা উন্নত হয়েছে। কোনোকিছু ক্ষতি হলে তা তৎক্ষনাৎ চোখে পড়ে কিন্তু দেশে ভালো কিছু পদক্ষেপ নিলে তার সুফল দেখা দিতে কিছুটা সময় লাগে যা এখন দেখা যাচ্ছে। নোটবন্দি ২ বছর সম্পূর্ন হয়েছে অন্যদিকে GST একবছর সম্পুর্ন হয়েছে যার ফলাফল এখন প্রদর্শিত হচ্ছে। IMF এর অনুযায়ী ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি বেড়ে ৭.৪ রয়েছে সেইজায়গায়২০১৯ এ তা ৭.৮ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

The post চীনের যে মিডিয়া একদিন মোদী সরকারের দুর্নাম করতো, তারাই আজ প্রধানমন্ত্রীর নিয়ে যা বলছে জানলে অবাক হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OFXNZe
24 ghanta

৬৮৪ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগ তৃনমূলের এই রাজ্যসভার সদস্যের নামে।

এবার রাজ্যসভার তৃনমূল সংসদ কে ডি সিংহ এর বিরুদ্ধে উঠল টাকা জালিয়াতির অভিযোগ। সেই টাকার পরিমান ৬৮৪ কোটি। তিনি একজন ব্যবসায়ী, সেখান থেকে তার রাজনীতিতে পদার্পণ তৃণমূলের হাত ধরে। তারপর তিনি হয়ে যান তৃনমূলের রাজ্যসভার সংসদ। এক সংবাদ মাধ্যমের খবরের সূত্র অনুযায়ী, সেবি সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা দায়ের করা হয় কে ডি
সিংহের বিরুদ্ধে।

সেই সাথে একটি হলফনামা দাখিল করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে। তাদের দাবি যে চিটফান্ডের নাম করে কে ডি সিংহ ৬৮৪ কোটি টাকা আদায় করেছে এবং সেই সব টাকা কে ডি সিংহ ও তার সহযোগীরা পাচার করে দেন।

সেবির তরফে আরও দাবি করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত আছে এমন এক প্রভাবশালী ব্যাবসায়ী কে ডি কে সাহায্য করে। সেই সাথে গ্রিস, ইউরোপ প্রভৃতি নানা দেশে সম্পত্তি আছে তৃনমূলের এই রাজ্য সভার সদস্যের। তিনি নানা জায়গাতে বাড়ি করে রেখে দিয়েছেন। সেই সাথে রাজ্যসভার এই সাংসদ চেষ্টা করছেন বিভিন্ন দ্বীপে সম্পত্তি কেনার।

এমনকি সেবি অভিযোগ করেছেন যে কলকাতার বিভিন্ন জায়গাতেও তার ২৫০ কোটি টাকার বেনামি সম্পত্তি রয়েছে। অর্থাৎ আবার একবার তৃনমূলের সংসদের জালিয়াতির ছবি সবার সামনে এল।
#অগ্নিপুত্র

The post ৬৮৪ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগ তৃনমূলের এই রাজ্যসভার সদস্যের নামে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LNbNm2
24 ghanta

সোনিয়া, রাহুলের সাথে দেখা করার পরেই বড়ো ঝটকা পেল মমতা ব্যানার্জী।

দেশের প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাকে দেখে বিরোধী দলগুলি চিন্তায় পড়েছে। মোদীজির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিপক্ষ একজোট হয়ে নির্বাচন যুদ্ধের রণনীতি তৈরি করছে। কিন্তু একজোট হয়ে মহাজোট গঠন করতে গিয়ে এখন তারা নিজেরাই গর্তে পড়ছেন। মোদী সরকারের বিরুদ্ধে যে মহাজোট বন্ধন গড়ার কথা সেখানে এখন দুই পার্টির মধ্যে মতভেদের লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। অপনাদের জানিয়ে রাখি, NRC ইস্যু নিয়ে যে মমতা ব্যানার্জী বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করছিলেন তিনি এখন সমস্যায় পড়েছেন। একদিকে যখন উনি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা করেন সেই সময় পশ্চিমবঙ্গেরই কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী মমতা ব্যানার্জীর উপর আক্রমন করে বসেছেন।

অধীররঞ্জন চৌধুরী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীকে একটা বড় ঝটকা দিয়েছেন যার পর মমতা আর কংগ্রেসের জোট ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অধীর চৌধুরী মমতা ব্যানার্জীকে প্রধানমন্ত্রী পদের লোভী বলে কটাক্ষ করেছেন। আসলে পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, মমতা গিরগিটির মতো রং পরিবর্তন করে এবং উনার উপর কখনোই ভরসা করা উচিত কাজ হবে না। উনি নিজের স্বার্থের জন্য মহাজোটকে ব্যাবহার করবেন এবং বাকিদলগুলির ক্ষতি করবেন।

অধীর মমতাকে স্বৈরাচারী শাসক বলে অভিহিত করেন এবং বলেন যে, মমতা বাংলার অবস্থা এমন করে রেখেছে যেন রাজনীতি করাই এখন পাপ। নির্বাচনে তৃনমূল অন্য দলেদের দাঁড়াতে পর্যন্ত দেয়নি সেই ব্যাপারেও মমতার নিন্দা করেন অধীর চৌধুরী।

একদিকে যখন মমতা ব্যানার্জী কংগ্রেসের সাথে জোট করার জন্য দিল্লীত আলোচনায় বসছেন তখন পশ্চিমবঙ্গেরই কংগ্রেস সভাপতি মমতার উপর ভরসা না করার উপদেশ দেন। এর থেকে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে মহাজোট বন্ধন হতে এখন অনেক দেরি রয়েছে। এটাও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে যদি কোনোক্রমে মহাজোট বন্ধন হয়েও যায় তাহলে তাদের মধ্যে শিগ্রই গৃহযুদ্ধ লেগে সব শেষ হয়ে যাবে এবং মহাজোট ভেঙে যাবে।

The post সোনিয়া, রাহুলের সাথে দেখা করার পরেই বড়ো ঝটকা পেল মমতা ব্যানার্জী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LZ0xSL
24 ghanta

বেরিয়ে এল কাশ্মীরে সেনার অল আউট অপেরাশন এর রিপোর্ট: ২ বছরে মৃত্যু নিশ্চিত আতঙ্কবাদীদের।

কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার অপেরাশন অল আউট এর রিপোর্ট কার্ড চলে এসেছে, তবে এবার এই রিপোর্টকার্ড ভারত সরকার নয় বরং আমেরিকার এক বড়ো সংবাদপত্র নিউওয়ার্ক টাইমস বের করেছে। নিউওয়ার্ক টাইমস জানিয়েছে কিভাবে ভারতীয় সেনা কাশ্মীরে আতঙ্কবাদীদের কোমর ভেঙে দিয়েছে। কাশ্মীরে আতঙ্কবাদী সংগঠন সংখ্যায় তো কমেছে সেই একই সাথে আতংকবাদীদের সংখ্যা ২৫০ তে এসে দাঁড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে ভারতের আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্থান কাশ্মীরে আতঙ্কবাদীদের সাহায্য কমিয়ে দিয়েছে।নিউওয়ার্কস টাইমস এর অনুযায়ী কাশ্মীরে আতঙ্কবাদীরা আর খুব বেশি হলে ২ বছর টিকে থাকতে পারবে।

ঘাঁটিতে আগত বেশিভাগ আতঙ্কবাদীরা অটোমেটিক হাতিয়ার দ্বারা মারা যায়। কাশ্মীরে বর্তমানে উপস্থিত ২৫০ আতঙ্কবাদীদের মধ্যে ৫০ জন কাশ্মীর থেকেই এসেছেন। বছর আগে পাকিস্থান কাশ্মীরে অস্থিরতা আনার জন্য হাজার হাজার আতঙ্কিকে কাশ্মীরে পাঠিয়েছিল যে কারণে বহু মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছিল।

আসলে পিডিপি সরকারের সাথে বিজেপির জোট ভেঙে যাওয়া বর্তমানে রাজ্যপাল শাসন লাগু করা হয়েছে যাতে সেনা তাদের একশন ঠিক মতো চলতে পারছে। মেহেবুবা মুফতি সবসময় আতঙ্কবাদীদের সমর্থন করে তাদের বাঁচানোর জন্য লেগে থাকতো যাতে সেনা সমস্যায় পড়তো।

এক বিবরণে নিউওয়ার্কস টাইমস জানিয়েছে যে পাকিস্থানের সরকার পরিবর্তনের প্রভাব কাশ্মীরে পড়বে এবং ঘাঁটিতে ছোট খাটো লড়াই হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এখন কাশ্মীর ঘাঁটিতে ২.৫ লক্ষের বেশি সেনা জওয়ান,BSF ও পুলিশ কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। এই রিপোর্ট এমন সময় এসেছে যখন সেনা জওয়ানরা আতঙ্কিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে এবং ২ বছরের মধ্যে প্রত্যেক আতঙ্কবাদীর মৃত্যু নিশ্চিত করেছে।

The post বেরিয়ে এল কাশ্মীরে সেনার অল আউট অপেরাশন এর রিপোর্ট: ২ বছরে মৃত্যু নিশ্চিত আতঙ্কবাদীদের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2AHZan0
24 ghanta

অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

এবার বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন মমতা কে অসমের নয়াগরিকপঞ্জীর বিষয়ে আক্রমণ করলেন। তিনি বলেন যে সহায়-সম্বলহীন বাঙালিদের জন্য কোনো রকম সহানুভূতি নেই মমতার মনে। তাদের জন্য কোনো দিন তিনি কিছু করবেন না। যদি তাদের জন্য তার মনে সামান্য পরিমান জায়গা থাকতো তাহলে আমাকে তার রাজ্য থেকে বের করে না দিয়ে সেখানে থাকতে দিতেন। কিন্তু তিনি সেটা কোনো দিন করেন নি। তিনি এখন শুধুমাত্র ভোটের লোভে নয়াগরিকপঞ্জীর তালিকা থেকে বাদ যাওয়া মানুষদের বাংলায় আশ্রয় দিতে চাইছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নাগরিকপঞ্জীর দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হয় সোমবার। ৪০ লক্ষেরও বেশী মানুষের নাম নেই সেই তালিকায়। মূলত বাংলাভাষী মানুষ বেশি থাকায় মমতা অভিযোগ করেন যে কেন্দ্র ও অসম সরকার মিলে বাঙালি দের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

যদিও সরকারের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে নাগরিকপঞ্জীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কারন এর সাহায্যে সহজেই বাংলাদেশিদের খুঁজে বের করা যাবে। এবং তারা মনে করিয়ে দেন যে সুপ্রিমকোর্ট এর কথা মতই কাজ হয়েছে এতে তাদের কোনো নিজস্ব মতামত নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ আনেন যে বিজেপি সরকার ‘বাঙালি খেদাও’ অভিযানে নেমেছে। তাই যদি কোনো বাঙালি বিতাড়িত হন তাকে ঠাই দেবে তৃনমূল সরকার। ঠিক এই কথার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের লেখিকা তসলিমা তার সমস্ত রাগ উগড়ে দেন দু’টি ট্যুইট করে।

প্রথম ট্যুইটে তিনি মমতার প্রশংসা করে বলেন যে, মমতা যে সহানুভূতিশীল মনভাব প্রকাশ করেছেন বাংলা ভাষায় কথা বলা ৪০ লক্ষ মানুষের উপর সেটা দেখে ভালো লাগল আমার। তিনি ঘোষনা করেছেন যে সমস্ত বিতাড়িত বাঙালিদের তিনি বাংলাতে আশ্রয় দেবেন। তারপর তিনি মমতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করে বলেন যে “তার যদি বাঙালিদের প্রতি এতই দরদ থাকে তাহলে আমার প্রতি নেই কেন। ওনার বিরোধী রাজনৈতিক দলইতো বাংলা থেকে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই বিষয়ে উনি কেন এখন চুপ করে আছেন।

তসলিমা নাসরিন ইসলাম সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন তার ফলে ১৯৯৩ সালে তাকে দেশছাড়া হতে হয়। সেই সময় তিনি আশ্রয় নেন কলকাতায়। কিন্তু সেখানেও তিনি বেশি দিন থাকতে পারেন নি কারন একাধিক মুসলিম সংগঠন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে তিনি ইসলাম নিয়ে মিথ্যাচরণ করছেন। বিতর্ক কিছুতেই তার পিছু ছাড়ছিল না। তাই তিনি কলকাতা থেকে দিল্লি চলে যান ২০০৭ সালে। বামফ্রন্ট সরকারের ক্ষমতাধীন পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিদায় নিতে হয়। শুধু মাত্র জিহাদিদের সমর্থন করার জন্য সেই সময়কার বামফ্রন্ট সরকার মুসলিম সংগঠন গুলির সাথে মিলে তাকে রাজ্য ছাড়া করে।

ঠিক একঘণ্টা পরে তিনি দ্বিতীয় ট্যুইট করেন। সেখানে তিনি বলেন যে ” সকল গৃহছাড়া বাঙালিদের প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সহানুভূতি দেখাচ্ছেন সেটা শুধু মাত্র ভোটব্যাংকের জন্য। কারন এই রকম পরিস্থিতি যখন আমার সাথে হয়েছিল তখন কিন্তু উনি একটু প্রতিবাদ করেন নি। তিনি আরও বলেন যে শুধু মাত্র ভোট ব্যাংকের জন্য মমতা তার দেশকে খারাপ পরিস্থিতির দিকে ঠিলে দিচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ত ভুলে গেছেন যে রাজনীতি করা মানে দেশের সেবায় নিজেকে উৎসুক করে দেওয়া। তা না করে তিনি নিজের জন্য দেশ কে বিপদে ঠিলে দিচ্ছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OC4VWB
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started