তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলেন দুই হেভিওয়েট নেতা ও তাদের অনুগামীরা।

বর্তমান দিনে অন্য পার্টি ছেড়ে বিজেপি তে যোগ দেওয়াটা নৃত্য নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। খবর নিলে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো এলাকাতে কেউ না কেউ বিজেপিতে যোগ যোগদান করছেন। তার একমাত্র কারন হল দেশের জনগনের জন্য বিজেপি নিষ্ঠা ভাবে কাজ করে চলেছে তাই মানুষের ভরসা দিন দিন বেড়েই চলেছে বিজেপির উপর। তাই দেশের সব জায়গা থেকে বিজেপির দিকে মানুষ ঝুঁকে পড়ছেন। পিছিয়ে নেই এ রাজ্যও। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের রাজ্য এখন ধীরে ধীরে সবাইকে পিছনে ফেলছে।

অবশেষে বর্ধমান জেলা পরিষদের অন্তভুক্ত রুবী ধীবর এবং গোলাম জার্জিস নামে দুই ক্ষমতাশালী তৃনমূল নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করলেন। অশোক মালাকার যিনি আউশগ্রাম-২ এর তপশীলি জাতি, উপজাতি ও অনগ্রসর সেলের কার্যকরী সভাপতি তিনিও তাদের সাথে এই দিন তৃনমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। এছাড়াও তাদের সাথে বিজেপিতে যোগদান করছেন শিবনাথ সিং নামে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের এক সাধারণ সম্পাদক।

তাদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয় শনিবার। সেই অনুষ্ঠানে তারা বিজেপির সদর দফতরে কৈলাশ বিজয়বর্গী হাত থেকে দলীয় পতাকা নেন। তাদের কে বিজেপিতে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কৈলাশ বিজয়বর্গীর পাশাপাশি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, মুকুল রায় প্রমুখরাও। গোলাম জার্জিস তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদ থেকে। সেই সময় তিনি কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতিতে ভালো দাপট দেখিয়েছেন।

সেই সাথে তিনি একজন দায়িত্ব পরায়ণ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব হিসাবে কংগ্রেসের একাধিক পদেও ছিলেন। তাকে বহুবার বাম রাজনীতির হাতে আক্রান্তও হতে হয়েছে। যখন কংগ্রেস নেতা কাশীনাথ কে খুন করা হয়েছিল তখন তিনি অল্পের জন্য প্রানে বেচেঁছিলেন। তারপর তিনি বেশ কিছু দিন আত্মগোপন করে ছিলেন। এরপর বর্ধমান জেলায় কংগ্রেস কে পতন করে তৃনমূলের উত্থানে যে চারজন তৃনমূল নেতা মূল ভূমিকা নিয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই গোলাম জার্জিস।
#অগ্নিপুত্র

The post তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করলেন দুই হেভিওয়েট নেতা ও তাদের অনুগামীরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LXqMdr
24 ghanta

বিরোধী জোটে বড়ো ভাঙ্গন! জোট ছেড়ে নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও।

একদিকে যখন ২০১৯ নির্বাচনে জন্য বিজেপি বিরোধী দলগুলি নরেন্দ্র মোদীকে হারাতে এক হচ্ছে তখন নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন করার জন্য এগিয়ে এলো দক্ষিণ ভারতের একটা দল। বিরোধী দলের উদ্যেগকে বড়ো ঝটকা দিয়ে শনিবার তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা টিআরএস নেতা কে চন্দ্র শেখর রাও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে দেখা করেন। কে চন্দ্র শেখর রাও জানান ২০১৯ এর নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন করতে আপত্তি নেই তার। জানা গেছে দিল্লিযে শনিবার দিন ১ ঘন্টা বৈঠক করেন কে চন্দ্র শেখর রাও। ২০১৯ এর আগে জোট করলে অন্য প্রভাব পড়তে পারে কিন্তু নির্বাচনের পর যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে বিজেপিকে সমর্থন করতে পারে তারা এমনটাই বলেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির সুপ্রিমো কেসিআর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ১১ দফা দাবিসনদ জমা দিয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। দাবিগুলি বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে। গতমাসে যখন টিডিপি বিজেপির বিরুদ্ধে অবিশ্বাস প্রস্তাব এনেছিল তখনও ভোটাভুটির সময় লোকসভা থেকে গরহাজির ছিলেন। তারপর টিআরএস NDA তে যোগদান করতে পারে বলে একটা খবর ছড়াচ্ছিলো।

জানলে অবাক হবেন, বিজেপি বিরোধী যে জোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তার অন্যতম বড়ো মুখ ছিলেন চন্দ্র শেখর রাও। গত মার্চে ফেডারেল ফ্রন্ট নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়েছিল নবান্নে মমতা ব্যানার্জীর সাথে। সেই সময় উনি কংগ্রেস বা বিজেপি কারোর সাথে জোট করবেন বলে জানাননি কিন্তু এখন নির্বাচন সামনে আসতেই বিজেপিকে সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্র শেখর রাও।

তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর এমন সিধান্ত যে বিরোধী দলের কপালে ভানঞ্জ তৈরি করে বিরোধীদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দেবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। একদিক পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যখন রাহুল ও সোনিয়ার সাথে মিটিং করে মহাজোট শক্তিশালি করার চিন্তা করছে তখনই চন্দ্রশেখর রাও নরেন্দ্র মোদীর সাথে বৈঠক করে বড়সড় ঝটকা দিলো মহাজোটের দলগুলিকে।

The post বিরোধী জোটে বড়ো ভাঙ্গন! জোট ছেড়ে নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vkYnn8
24 ghanta

কখনো হিন্দু কখনো মুসলিম সেজে ঘুরে বেড়ানো লালু প্রসাদের ছেলেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন এই মহিলা।

RJD পার্টির এর সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজ প্রতাপ এখন তার নতুন রূপের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ও খবরে ছেয়ে রয়েছে। সম্প্রতি তেজ প্রতাবের একটা ছবি দেওঘর থেকে সামনে এসেছে যা সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয়ে পড়েছে। ছবিতে তেজ প্রতাবকে ভগবান শিবের অবতারে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য এইসকল রূপে সাজা হচ্ছে তা বুঝতে বাকি রাখেনি দেশের জনগণ। কারণ তেজ প্রতাব যেইমাত্র শিব ছেড়ে ছবি ভাইরাল করতে শুরু করেছে সেই মাত্র দেশের জনগণ আরেকটা ছবি সামনে এনেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে লালু প্রসাদের ছেলে তেজ প্রতাব এক বিশেষ সম্প্রলদায়ের তোষণের জন্য তাদের টুপি পরে তাদের উৎসবে মেতে উঠেছে।

আর অন্যদিকে এখন হিন্দু সমাজের ৩% থেকে ৪% মানুষ যেইমাত্র একতা আনতে শুরু করেছে সেই তেজ প্রতাব হিন্দুদের উৎসবগুলিতে নানা রূপে দেখা দিতে শুরু করেছে। আসলে নব জাগ্রত হিন্দু সমাজের ভোট যাতে হাতছাড়া না হয়ে তার জন্য হিন্দু দেবদেবীর নানা রূপে এসে হিন্দুসমাজের মন জয় করার চেষ্টা করছে তেজ প্রতাব। এর আগেও তেজ প্রতাব ভগবান কৃষ্ণের মতো সেজে সামনে এসেছিলেন। শুধু ভগবান কৃষ্ণের মতো সেজেই আসেননি সেই সাথে ভগবান কৃষ্ণের মতো করে বাঁশি নিয়ে হিন্দুদের মন গলানোর কাজ করছিলেন।

বসন্ত পঞ্চমীতেও তেজ প্রতাব সরস্বতী পূজা করে চর্চায় এসেছিলেন। সেই সময় উনার জিলিবি বানানোর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েপড়েছিলো। এরপর কয়েকবার তো এমন এমন কৃতি করেছিলেন যা সভ্য সমাজের কাছে বলাও লজ্জাজনক। এর অর্থ একদম সাফ এতদিন তেজ প্রতাব শুধু এক বিশেষ সম্প্রদায়ের তোষণ করে এবং তাদেরকে খুশি করে ভোটব্যাঙ্ক গড়ে বলার ধান্দায় ছিল কিন্তু এখন দেশে হিন্দুদের একতা বৃদ্ধি পাওয়া দেখে দুই সম্প্রদায়কে খুশি করতে লেগে পড়েছে।

তবে শুধু তেজ প্রতাব নয় দেশে মোদী ও যোগীর মতো ক্ষমতাশীল নেতা আসার পর থেকে কংগ্রেস থেকে RJD , এমনকি বড়ো বড়ো সেকুলারপন্থীরাও হিন্দুত্বের সামনে হাঁটু গাড়তে শুরু করে দিয়েছে। এই বিষয়ে দেশের জনগণ জমিয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করেছে। সোনাম মহাজন নামে এক মহিলা ইউজার এই বিষয়ে লিখেত গিয়ে বলেছেন, আমার দেশ বদলাচ্ছে। কল্পনার বিষয় এই যে শুধু মাত্র ৩% থেকে ৪% শতাংশ হিন্দু একটু জেগে উঠায় দেশের নেতাদের রূপ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। তাহলে যদি দেশের ৫০ শতাংশ হিন্দু সম্পুর্নভাবে জেগে উঠে তাহলে নেতাদের কি অবস্থা হবে।

The post কখনো হিন্দু কখনো মুসলিম সেজে ঘুরে বেড়ানো লালু প্রসাদের ছেলেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন এই মহিলা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nbkoQL
24 ghanta

বিজেপির সাথ ছেড়ে কংগ্রেসের সাথে যুক্ত হতে গিয়ে শিবসেনা পেল বড়ো ঝটকা।

NDA তে যুক্ত শিবসেনার নেতারা প্রায় মোদী সরকারের উপর আক্রমণ করে। আসলে রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য কংগ্রেসের মতের সাথে মিল রেখে শিব সেনা বিজেপির সাথে অন্যরকম ব্যাবহার করতে শুরু করেছিল। ২০১৯ এর নির্বাচনে শিবসেনা বিজেপির সাথ ছেড়ে একা নির্বাচন লড়ার জন্য সিধান্ত নিয়েছিল। অন্যদিকে সাংসদে অবিশ্বাস প্রস্তাবের উপরেও শিবসেনা বিজেপিকে সমর্থন করেনি। অবশ্য শিবসেনা অবিশ্বাস প্রস্তাবে বিরোধীদেরও সমর্থন করেনি এটাও সত্য। কিন্তু অবিশ্বাস প্রস্তাবে রাহুল গান্ধী সংসদে যে ভাষণ দিয়েছিল তার সমর্থন করেছিল উধাব ঠাকরে। যার পর থেকে কংগ্রেস ও শিবসেনার মধ্যে জোটের সম্ভাবনা লক্ষ করা যাচ্ছিল।

আপনাদের জানিয়ে রাখি ২০১৯ নির্বাচনে NDA তে বিজেপির সাথে যুক্ত হয়ে লড়াই করে শিবসেনা কিন্তু এখন তারা রাজনৈতিক লাভ উঠাতে পারছে না বলে কংগ্রেসের সাথে যুক্ত হওয়ার চিন্তা ভাবনা করছিল। যদিও আপাতত শিবসেনা এক লড়াই করার সিধান্ত ঘোষণা করেছে। তাই কংগ্রেসের সাথে শিবসেনা কবে জোটের কথা ঘোষণা করবে সেই নিয়ে রাজনীতি তুঙ্গে ছিল। কিন্তু এখন কংগ্রেস এমন পক্ষ নিয়েছে যাতে বড়ো ধাক্কা খেয়েছে শিব সেনা। আসলে কংগ্রেস শিবসেনার সাথে জোট করার সিধান্ত খারিজ করেছে।

এই খবর সামনে আসার সাথে সাথে শিবসেনার নেতাদের কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর কংগ্রেসের বড়ো নেতারা জানিয়েছে যে কংগ্রেস সেইসব পার্টির সাথে জোট করতে পারবে যাদের চিন্তাধারা কংগ্রেসের সাথে মিল খায়। কংগ্রেস ও শিবসেনার বিচারধারা আলাদা তাই এই দুই দলের জোট সম্ভব নয়। আপনাদের জানিয়ে রাখি, কংগ্রেস ও শিবসেনার সমঝোতার কথাবার্তা তখন সামনে এসেছিল যখন থেকে শিবসেনা সেনা কয়েকটি বিষয়ে রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে সমর্থন করেছিল।

দেশে মোদী ঝড় এর জন্য এখনো বিরোধী দলগুলি বিজেপির থেকে ভয় পেয়ে রয়েছে কারণ তারা এটা উপলদ্ধি করতে পারছে যে মোদী সরকারকে হাঁটানো এত সহজে যাবে না। অন্যদিকে যে শিবসেনা এতদিন মহারাষ্ট্রে বড়ো পার্টি হিসেবে উঠে আসছিল তারা এখন নিজেদের অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম করতে শুরু করেছে। কারণ এখন মহারাষ্টে যতগুলি নির্বাচন বা উপনির্বাচন হয়েছে তাতে প্রত্যেকটিতে বিজেপি বহুমত পেয়ে জয় লাভ করেছে। এই অবস্থাতে কংগ্রেরসে কাছে থেকে শিবসেনা এমন খবর পেলো যা তাদের কাছে দুঃস্বপ্নের থেকে কিছু কম নয়।

The post বিজেপির সাথ ছেড়ে কংগ্রেসের সাথে যুক্ত হতে গিয়ে শিবসেনা পেল বড়ো ঝটকা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OcsNid
24 ghanta

চীনকে ঝটকা দিয়ে আমেরিকা ভারতকে দিলো STA-1 এর মর্যাদা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাছে ভারত যাতে সবরকমের সুবিধা পাই এবং মহাকাশে অসামরিক কাজে তাদের দরকারের জন্য সমস্ত রকম ব্যবহৃত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যাতে তারা সহজেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে পারে সেই সুযোগ করে দেবার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে স্ট্যাটেজিক ট্রেড অথরাইজেশন-১ এর মর্যাদা দেওয়া হল ভারতকে। এর আগে দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ এই মর্যাদা পায় নি। ভারতবর্ষ দক্ষিণ এশিয়া মহাদেশের প্রথম দেশ যা এই মর্যাদা পেল । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে মাত্র ৩৬ টি দেশকে এই মর্যাদা দিয়েছেন। ভারত ৩৭তম দেশ হিসাবে সেই তালিকায় প্রবেশ করল। স্ট্যাটেজিক ট্রেড অথেনটিকেশন-১ ব্যাপার টি আসলে কী? আপনাদের জানিয়ে রাখি এটিকে এক ধরনের লাইসেন্সও বলা যেতে পারে।

কোনো দেশ যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু প্রযুক্তি সামগ্রী কিনতে চাই তাহলে তাদেরকে অনেক সময় কিছু বিধিনিষেধ এর মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু যদি কোনো দেশের কাছে এই স্ট্যাটেজিক ট্রেড অথেনটিকেশন-১ এর মর্যাদা থাকে তাহলে সেই দেশকে বিধিনিষেধ থেকে মুক্ত হিসাবে গন্য করা হয়। উল্লেখ্য এই বিশেষ মর্যাদাটি চিন এবং ইসরায়ল এর মতন দেশকেও এখন দেয় নি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এত দিন অব্দি শুধু যারা এনএসজি গ্রউপের সদস্য তারাই পেত এই মর্যাদা। কিন্তু ভারত এনএসজি গ্রুপে না থাকার সত্ত্বেও ভারতকে ওই মর্যাদা দেওয়া

হচ্ছে তার কারন হিসাবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ মনে করেন যে, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথা ভেঙে ওই পদক্ষেপ নেওয়ার কারন হল তারা চাই চিন চাপে থাকুক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরম বন্ধু ইজরায়েলকেও এনএসজি গ্রুপে না থাকার কারন দেখিয়ে ওই মর্যাদা দেয়নি। কিন্তু তারা ভারতকে দিল তাই এর পিছনে আসল বিষয়টি সহজেই অনুমেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর তরফে জানানো হয়েছে যে এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একে অপরের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

উল্লেখ্য কোরিয়া ও জাপানের মতো উন্নতিশীল দেশ গুলি তাদের এই তালিকায় জায়গা পেয়েছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এসিয়ার ভারত, চিন ও পাকিস্তান এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই দেশ গুলির শুধু মাত্র রাজনৈতিক দিক দিয়েই নয় বরং ব্যাবসায়িক দিক দিয়েও সমান গুরুত্ব রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহল মনে করছেন যে, স্ট্যাটেজিক ট্রেড অথেনটিকেশন-১ এর ফলে ভারত যেমন সুবিধা পাবে তেমনি এতে অনেকটাই চাপে পড়বে চিন।
#অগ্নিপুত্র

The post চীনকে ঝটকা দিয়ে আমেরিকা ভারতকে দিলো STA-1 এর মর্যাদা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2M01bQ8
24 ghanta

সেনা আতঙ্কিদের খুঁজে খুঁজে মারছিল কিন্তু সেনার কাজে বাধা দিতে এলো পাথরবাজরা, তারপর সেনা যা করলো..

যখন থেকে কাশ্মীর ঘাঁটিতে সেনার হাত খুলে দেওয়া হয়েছে তখন থেকে প্রায় দিন সেনার সাথে আতঙ্কবাদীদের সংঘর্ষ লেগেই থাকে। কাশ্মীরে এখন সেনা আগের তুলনায় অনেক শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কারণ জম্মুকাশমীরে বর্তমানে রাজ্যপাল শাসন জারি রয়েছে। এই কারণে সেনা জঙ্গি সাফাই অপেরাশনে লেগে পড়েছে। এর মধ্যে ৪ আগস্ট আতঙ্কবাদীদের সাথে সেনার একটা সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। সেনা যখন আতঙ্কিদের সাথে সংঘর্ষ করছিল সেই সময় পাথরবাজরা আতঙ্কিদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিল এবং সেনার উপর পাথর।ছুড়তে শুরু করেছিল।

দৈনিক জাগরণের খবর অনুযায়ী সেনা ৪ আগস্ট অর্থাৎ শনিবার ৫ আতঙ্কিকে শেষ করেদিয়েছে। এই সংঘর্ষ শোপিয়ানের কিলোর গ্রামে হয়েছে। জেইমাত্র এলাকার পাথরবাজরা খবর পেয়েছে যে সেনা আতঙ্কিদের উপর ভারী পড়ছে সেই মাত্র তারা দলে দলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে এবং সেনার উপর পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। পাথরবাজরা সেনার কাজে বাধা দেওয়ার জন্য বিশাল সংখ্যায় পাথর ছুঁড়তে থাকে।

একদিকে সেনা আতঙ্কিদের সাথে লড়াই করছিল অন্যদিকে বহু সংখ্যায় পাথরবাজেরা সেনার উপর পাথর ছুড়ছিলো।মেহেবুবা সরকারের আমলে সেনার হাত এমনভাবেই বাধা ছিল যে পাথরবাজরা পাথর ছুড়লেও সেনা কিছু করতে পারতো না। কারণ পাথরবাজদের গায়ে হাত তুললেই মেহবুবা মুফতির সরকার সেনার জওয়ানদের উপর মামলা দায়ের করতো।

কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অন্য ছিল, ঘাঁটিতে রাজ্যপাল শাসন ছিল তাই সেনাও পাথরবাজের উপর উল্টো আক্রমণ করতে শুরু করে যাতে প্রায় ২০ পাথরবাজ আহত হয়ে যায়। সেনার এই উল্টো আক্রমণে পাথরবাজদের সাহস সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়, যার পর সেনার জওয়ানরা তাদের কাজ শুরু করে দেয়। আপনাদের জানিয়ে দি, শুক্রুবার থেকে শুরু হওয়া লাগাতার সংঘর্ষে ৫ আতঙ্কি মারা যাওয়ার খবর রয়েছে। বিগত ৩ দিন থেকে আতঙ্কিদের সাথে সেনার যে লড়াই চলছে তাতে মোট ৮ আতঙ্কিকে মারা হয়েছে।

The post সেনা আতঙ্কিদের খুঁজে খুঁজে মারছিল কিন্তু সেনার কাজে বাধা দিতে এলো পাথরবাজরা, তারপর সেনা যা করলো.. appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MnSxIg
24 ghanta

গান্ধী/নেহেরু পরিবারের বিনাশ হবে, ঋষি কারপার্থী মহারাজের এমন অভিশাপেই জর্জরিত কংগ্রেস।

বতর্মান যুগে অভিশাপ এর মতো কথা উল্লেখ করলে তা হয়তো আপনার বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু আজ আমরা আপনাদের জানাবো এক অভিশাপের কথা যা আজও কংগ্রেসের পেছন ছাড়েনি। হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যাকে ব্রহ্মহা হত্যা বলা হয়েছে। হিন্দু ধর্মে বরাবরই গো মাতা পূজনীয় হিসেবে থেকেছে এবং গো মাতাকে হিন্দু দেবদেবীর রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়। গোপাষ্টমীর দিন ১৯৬৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী এক অভিশাপ পেয়েছিলেন। বলা হয় তার প্রভাব এখনো কংগ্রেসের উপর রয়েছে। আসলে ১৯৬২ সালে ইন্দিরা গান্ধী সাধু সন্তদের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি গো হত্যা দেশে নিষিদ্ধ করে দেবেন।

কিন্তু কংগ্রেসের সাথী কিছু দল ও কট্টরপন্থীদের চাপে ইন্দিরা গান্ধী গো হত্যা বন্ধ করার সিধান্ত নিতে পারেননি। আর সেই থেকেই ক্ষোপ প্রকাশ করে সাদু সন্তরা আন্দোলনে নামে গো হত্যা বন্ধ করার আইন তৈরির দাবিতে। স্বামী কারপার্থী মহারাজের নেতৃত্বে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ১৯৬৬ সালের ৭ নভেম্বর দিল্লিতে সাংসদ ঘিরে বিক্ষোপ প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং গো রক্ষার আইন তৈরি করার দাবি করেছিলেন। কিন্তু ইন্দ্রিরা গান্ধী ক্ষমতার প্রভাবে এতটাই অন্ধ হয়েগেছিল যে উনি সাধু সন্তদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। স্বামী কারপার্থীর নেতৃত্বে চলা জৌলুসে আগে সামনে মাতা রেখে পরে সাধুরা দাঁড়িয়ে আইন তৈরির জন্য আন্দোলন করছিলেন।

শোনা যায় ওই গুলি কান্ডে বহু সাধু সন্ত মারা গেছিলেন এবং গো হত্যাও হয়েছিল গুলি দ্বারা। শোনা যায় সেই সময় স্বামী কারপার্থী মহারাজ তার সাথীদের রক্তাক্ত দেহি ভূমি থেকে তুলছিলেন এবং ইন্দিরা গান্ধীকে বলেছিলেন, ‘ তুই নির্দোষ সাধুদের হত্যা করিয়েছিস তার দুঃখ নেই কিন্তু তুই গো মাতার হত্যা করিয়েছিস যা ক্ষমার যোগ্য নয়, তাই আমি তোকে অভিশাপ দিলাম যে এই গোপা অষ্টমীর দিনেই তোর বংশের বিনাশ হবে।’

এই বক্তব্যগুলি তখন বিশেষ কোনো সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি কারণ তখন সমস্ত সংবাদ মাধ্যম ইন্দিরা গান্ধীর ভয়ে কাজ করতো। তবে দু একটা সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল এবং আন্দোলনে উপস্থিত সকলে এই কথা জানিয়েছিলেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গোপাঅষ্ঠমী একটা পবিত্র দিন যেদিন গোমাতার পুজো করা হয় । আর সেই দিনের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গো মাতা ও সাধুদের হত্যা করিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। যার জন্য কংগ্রেসে শেষ হয়ে যাওয়ার অভিশাপ দিয়েছিলেন রুদ্র ও সিদ্ধপুরুষ স্বামী কারপার্থী মহারাজ বলে শোনা যায়। সবথেকে উল্লেখ্য ব্যাপার এই যে মহারাজের সাপের সাথে গান্ধী পরিবারের বিনাশের ব্যাপার অনেকটাই মিলে যায়। আসলে ইন্দিরা গান্ধী হোক, রাজীব গান্ধী বা সঞ্জয় গান্ধী সকলেই গোপাঅষ্টমীতেই মারা গেছিলেন যেমনটা কারপার্থী মহারাজ অভিশাপ দিয়েছিলেন।

The post গান্ধী/নেহেরু পরিবারের বিনাশ হবে, ঋষি কারপার্থী মহারাজের এমন অভিশাপেই জর্জরিত কংগ্রেস। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2AIDVlk
24 ghanta

অসমের পর এবার এই রাজ্যেও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উপর করা হবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক NRC!

আগে কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শাসন কালে আটকে ছিল এই NRC তালিকা। কিন্তু অসমে বিজপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই তালিকা প্রকাশ করে দিল মাত্র ২ বছরের মধ্যে। এর ফলে একদিকে অসমবাসী ঠিক যতটা আনন্দিত ও উচ্ছসিত হয়েছেন, তার থেকে অনেক বেশি খারাপ লেগেছে মুসলিম তোষনকারী দল গুলির। মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস এর চরম বিরোধীতা করেছেন ফলে তার দল যে মুসলিম তোষনকারী দল সেটা এখন সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

তবে এত চাপের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে এল আরও একটি বড়ো খবর। যার প্রভাব এই রাজ্যের উপর সরাসরি পড়বে বলা জানা যাচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযয়ী জানা যাচ্ছে যে এবার আরেক বিজেপি শাসিত রাজ্য ঝাড়খন্ডে চালিত হতে চলেছে NRC যেটা বাংলার প্রতিবেশী রাজ্যও ।

অবৈধ বাংলাদেশিরা যে ভাবে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য গুলিতে অবাধ অনুপ্রবেশ করছে। তাতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঝাড়খণ্ড সরকারের। সেই কারনে অবাধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার জন্য কেন্দ্র কে তারা জানিয়েছেন যে তাদের রাজ্যেও করা হোক NRC.। তাদের তরফে জানানো হয়েছে যে কেন্দ্র যে দিন সবুজ সংকেত দেবে সেই দিন থেকেই তারা NRC তালিকা বানানোর কাজ শুরু করে দেবে।

তবে শুধু ঝাড়খণ্ড নয়, আগত দিনে আরো বহু রাজ্যে এই NRC এর দাবি উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসলে কগ্রেস আমলে দেশের রাজ্যগুলিকে ধর্মশালা মনে করে অবাধে প্রবেশ করানো হয়েছে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের। এখন সেই বজ্য পদার্থগুলিকে বের করতেই পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এলেই NRC করে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা ছটাই এর কাজ শুরু করা হবে।
#অগ্নিপুত্র

The post অসমের পর এবার এই রাজ্যেও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উপর করা হবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক NRC! appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2viW9EH
24 ghanta

জয় শ্রী রাম বলে বজরং দলের কাছে সাহায্য চাইতে পৌঁছালো মুসলিম মহিলা।

আমাদের মধ্যে একটা ধারণা আছে যে মুসলিম সমাজ কখনো বজরং দলকে পছন্দ করে না বরং উল্টে একটু খারাপ চোখেই দেখে। আসলে বজরং দল কোনো ধর্মের উগ্রপন্থার জবাব বেশভালোভাবেই দেয় , এইকারনে বজরং দলের নামে অনেক কুমন্তব্য ছড়িয়ে সেকুলারপন্থীরা। এই পরিস্থিতি কেউ কল্পনা করতে পারবে না যে কোনো মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনো ব্যাক্তি বা মহিলা বিপদে পুলিশের কাছে না গিয়ে বজরং দলের শরণাপন্ন হবে।

কিন্তু এমনি একটা ঘটনা হয়েছে যখন এক মুসলিম মহিলা তার স্বামীর সাথে আলগভ হওয়ার পর পুলিশের কাছে না গিয়ে বজরং দলের কার্যালয়ে পৌঁছে যান এবং সেখানে গিয়ে সকলকে জয় শ্রী রাম বলেন এবং সাহায্য চান। মহিলা বজরং দলের সদস্যদের জানান যে ভাইয়া আপনারাই একমাত্র আমার সাহায্য করতে পারবেন। ঘটনাটি দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন এলাকার। ৪০ বছরের রাইস খুরেসি ২টি বিয়ে করে রেখেছে।

যে ২১ বছরের মহিলা বজরং দলের কাছে কাছে পৌঁছেছিল উনি খুরেসির ২য় পত্নী এবং কিছুমাস আগেই রাইস এনাকে বিয়ে করেছিল। সম্প্রতি রাইস খুরেসি এই মেয়েটিকে তিন তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে এই মেয়েটিকে এমন সময় বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল যখন মেয়েটি গর্ভবতী ছিল। মেয়েটি খুব গরিব পরিবারের বলে জানা গিয়েছে। বিয়ে হওয়ার কয়েকমাস পর থেকে খুরেসি ও তার প্রথম বিবি এই মেয়েটির উপর চরম অত্যাচার করতে শুরু করে।

মেয়েটি প্রতিবাদ করতে চাইলে এখন রাইস খুরেসি তিন তালাক দিয়ে দেয়। মেয়েটি শেষ পর্যন্ত কিছু রাস্তা না পেয়ে স্থানীয় বজরং দলের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয় এবং ন্যায় পাইয়েও দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। বজরং দলের সদস্যরা মেয়েটির দুর্গতি দেখে তাকে সাহায্য করে এবং পুলিশ মূখ্যলয়ের কাছে নিয়ে যায়। পুলিশের আধিকারিকরা উনাকে ন্যায় দেওয়ার অস্বাসন করেছেন।

The post জয় শ্রী রাম বলে বজরং দলের কাছে সাহায্য চাইতে পৌঁছালো মুসলিম মহিলা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LPS70R
24 ghanta

এবার অমিত শাহ করতে চলেছেন এমন কিছু, যাতে রাতের ঘুম উড়ে যাবে তৃণমূলের।

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ১১ আগস্ট কলকাতা যাবেন। এই সফরের আগে অমিত শাহ জানিয়েছিলেন যে তিনি প্রত্যেক মাসে কলকাতা যাবেন এবং সেখানে তিনদিন থাকবেন। পশ্চিমবঙ্গের একটা প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্রকে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় তিনি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করেছিলেন। ওই ইন্টারভিউতে উনি জানিয়েছিলেন যে তিনি প্রতি মাসে একবার কলকাতা যাবেন এবং সেখানে ৩ দিন কাটাবেন। এই জন্য তিনি একটা বাড়ি ভাড়ার নেওয়ার ব্যাপারেও ভাবছেন।

অমিত শাহ বলেন, রাজ্যের মানুষ উনার পার্টি এবং উনার সাথে ভালোবাসা প্রকাশ করেন আর সেই ভালবাসা উনিও লোকজনকে দিতে চান। অমিত শাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যে আপনি কি মনে করেন , পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করতে পারবেন? এর উত্তরে শাহ বলেন, ‘আপনি কি কখনো ভেবেছিলেন যে আমরা ত্রিপুরায় সরকার গঠন করতে সক্ষম হবো? আমরা যেভাবে ত্রিপুরায় সফল হয়েছি সেই একইভাবে আমরা পশ্চিমবঙ্গেও সফল হবো।’

শাহ আরো বলেন, পশ্চিমবঙ্গের জমি স্তরে দুর্নীতি চলছে, সাধারণ অমানুষ সরকারের দেওয়া কোনো সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না। বামপন্থীদের আমলে এখানে তেমন কোনো শিল্প ছিল না আর মমতা আমলেও সেই একই হচ্ছে। সম্প্রদিকতার অভিযোগে অমিত শাহ বলেন, আসলে মমতা সমস্ত রাজ্যবাসীর কথা বলে না শুধু মাত্র উনি অল্পসংখ্যকদের ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি খেলেন যা সমস্ত নাগরিকের সমান অধিকারের বিরুদ্ধে। শাহ বলেন, আমি মনে করি বাঙালিরা সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আর আমি এই মানুষদের সাথে আছি।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, অমিত শাহ এবার পশ্চিমবঙ্গ জয়ের জন্য গিয়ার চেঞ্জ করতে শুরু করে দিয়েছেন। আর অমিত শাহের এই সংকেত শাসকদল তৃণমূলের ভেতরে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অমিত শাহ এমন একজন সভাপতি যিনি খুব সহজেই বুঝে নেন যে কোন রাজ্যের চাহিদা কেমন আর সেই হিসেবেই তৈরি করি করেন রণনীতি। বর্তমানে অমিত শাহ যেভাবে পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে তা অবশ্যই মমতার দলের নেতাদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দেবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অমিত শাহ কয়েকদিন আগেই জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে তাদের সরকার গঠন হলে NRC করানো হবে এবং অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে।

The post এবার অমিত শাহ করতে চলেছেন এমন কিছু, যাতে রাতের ঘুম উড়ে যাবে তৃণমূলের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vwJxJi
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started