বারাণসী হয়ে যাওয়ার সময় যোগী আদিত্যানাথের রাস্তায় দেখা গেল আবর্জনার স্তূপ! এর পর যোগীজি যা করলেন জানলে..

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ যে শহরেই যান সেখানের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ও মানুষের চাহিদা এবং প্রশাসনের উপর বিশেষ নজর রাখেন। যোগী আদিত্যনাথের এই আন্দাজের জন্য উপরমহলের সরকারি আধিকারিকরা চিন্তায় থাকেন যে কখন যোগিজির চোখে ভুল ধরা পড়ে যাবে এবং চাকরি নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যাবে। একথা নিজেরাই স্বীকার করেছে উপরমহলের সরকারি কর্মচারী এমনকি যোগীর মন্ত্রীরাও। সম্প্রতি যোগী আদিত্যনাথ বারাণসী গিয়েছিলেন এবং সেখানে উনি নির্মাধীন ডিমাপুর নিকাশি ট্রিটমেন্ট প্রণালীর ধীরগতিতে কাজ চলা দেখে আধিকারিকদের বকা দেন।

এছাড়াও উনি গঙ্গা দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রযোজনা প্রবন্ধককে কড়া ভাষায় ধমকি দেন এবং সেই সাথে কোম্পানির বিরূদ্ধে প্রাথমিকি দায়ের করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও বড় নালী সাফাইয়ের কাজে বার বার সময় বেড়ে যাওয়ার জন্য শ্রীরাম ইওপিওসিও এর বিরুদ্ধে তদন্তের অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দেন। এরপর যখন যোগী আদিত্যনাথ পুলিশ হাউস থেকে সার্কিট হাউসের দিকে আসছিলেন তখন উনার নজর আবর্জনার স্তুপের উপর পড়ে যা দেখার পর যোগী আদিত্যনাথ রেগে লাল হয়ে উঠেন।

তৎপর উনি নগর নিগমের আধিকারিকদের জোর ধমক দেওয়ার পর যুদ্ধস্তরে সফায়ের কাজ চালানোর নির্দেশ দেন এবং এই সাফাই অভিযানের উপর নজর রাখার জন্য একটা কিমিটি গঠন করারও নির্দেশ দেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য সাফাই অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন যার পর দেশের শহরগুলিতে সাফাই কাজের উপর জোর দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে চাপ দেওয়া হয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে দি, যোগী আদিত্যনাথ উটোরপ্রদেশ পৌঁছে বহু বিভাগীয় আধিকারিকদের সাথে আলোচনা করেন এবং কিছু কাজে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগের উনি বিখ্যাত মহাদেবের মন্দিরে যান এবং বৈঠকের পর কাশির বিশ্বনাথ মন্দিরের দর্শন ও পুজো করেন। যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশকে উত্তমপ্রদেশ করার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করছেন তাতে এটা নিশ্চিত যে যোগীজির হাত ধরে আগতদিনে উত্তরপ্রদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

The post বারাণসী হয়ে যাওয়ার সময় যোগী আদিত্যানাথের রাস্তায় দেখা গেল আবর্জনার স্তূপ! এর পর যোগীজি যা করলেন জানলে.. appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2M4BsGa
24 ghanta

NRC এর পর এবার জম্মুকাশ্মীরে ধারা ৩৭০ এর ৩৫-A বিলুপ্তির কথা ভাবছে মোদী সরকার!

কেন্দ্র সরকার অসমে নাগরিক পুঞ্জের তালিকা প্রকাশ করার পর সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল আলোচনা। দেশের রাজনীতি এখন NRC ইস্যু নিয়ে তোলপাড়। কিন্তু কেন্দ্র সরকার এই বিতর্ক কে গুরুত্ব দিতে নারাজ। এই এত কিছু আলোচনা বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্র সরকার এবার নিতে চলেছে আরও বড় এক সিদ্ধান্ত।  ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।   তবে কি এবার জম্মু- কাশ্মীরে বিলোপ পেতে চলেছে সংবিধানের ধারা নং ৩৫ সেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে আর কিছু দিনের মধ্যেই। সুনীল শেট্টি যিনি বিজেপির মুখপাত্র তিনি জানান যে এই বিষয়টি নিয়ে অর্থাৎ সংবিধানের ধারা নং ৩৫ নিয়ে সব বিরোধী দল গুলির সাথে আলোচনা করতে রাজি আছে বিজেপি। তিনি বলেন যে এই ইস্যুতে দেশের সব বিরোধীদের মতামত শোনা হবে। বিজেপি মুখপাত্র সুনিল বাবু এই দিন এনসি ও কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন যে,  মানুষকে বিভ্রান্ত করছে বিরোধীরা এই ”অনুচ্ছেদ ৩৫ ইস্যু নিয়ে।

তিনি মনে করছেন যে এই অনুচ্ছেদটি বিলোপ করার ফলে বিশেষ লাভবান হবেন সেই এলাকাভুক্ত মানুষজন। ৩৭০ ধারার অংশ ৩৫A অনুযায়ী একদিকে যেমন বাইরের রাজ্যের লোকজন জম্মুকাশ্মীরে জায়গা কিনতে পারেন না তেমনি যদি কোনো পুরুষ বা মহিলা বাইরের রাজ্যে বিয়ে করেন তাহলে তারও জম্মুকাশ্মীরের সম্পত্তি থেকে অধিকার শেষ হয়ে যায়।  ‘We the Citizens’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টের জনস্বার্থ মামলা করেছে অনুচ্ছেদ ৩৫এ বিলোপের আর্জি জানিয়ে। এই সংস্থাটি কিছুটা আরএসএস ঘেঁষা বলে জানা যাচ্ছে।  উপত্যকায় শুরু হয়ে গিয়েছে বিক্ষোভ এই অনুচ্ছেদ কাযকর রাখার দাবি জানিয়ে। তাই সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই অনুচ্ছেদ নং ৩৫ এ নিয়ে শুনানি থাকলেও জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল এনএন ভোরা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে শুনানি পিছিয়ে দেবার জন্য আবেদন করেছিলেন।

এখন জনতা যেভাবে বিক্ষোভ মুখি হয়ে আছেন। এই পরিস্থিতিতে অনুচ্ছেদ ৩৫এ নিয়ে শুনানি হলে রাজ্যে যে অশান্তি আরও বাড়বে তা বলাই যায়। এবং কিছু দিন পরেই রাজ্যে পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আর্জি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে।
বিচ্ছিন্নতাবাদীরা এই শুনানি নিয়ে দুইদিনব্যাপী বন্ধের ডাক দিয়েছে কাশ্মীরে ফলে সেখানকার সাধারন জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

হিন্দুবহুল জম্মুর জনগণ একদিকে যেমন ৩৭০ ধারার অংশ ৩৫ A বিলুপ্তি করার সমর্থনে রয়েছে তেমনি কাশ্মীরের কট্টরপন্থী নেতারা ৩৫A বিলুপ্ত হলে দাঙ্গা করার হুমকি দিয়েছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি কাশমীরেট বিচ্ছিন্নবাদী নেতাদের উদেশ্য যেকোনো প্রকারে কাশ্মীরকে আলাদা করার ইসলামিক রাজ্য করে ফেলা। আসলে এই কট্টরপন্থী বিচ্ছিন্নবাদী মুসলিম নেতারা ভারতকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে সম্পুর্ন ইসলামিক ভারতবর্ষ গঠনের স্বপ্ন দেখে। শুনানিকে কেন্দ্র করে অমরনাথ যাত্রাও ব্যাহত হয়ে পড়েছে। ফলে সেখানে যাতে কোনো রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেই দিকে নজর রেখে নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে পুরো উপত্যকা অঞ্চল।
#অগ্নিপুত্র

The post NRC এর পর এবার জম্মুকাশ্মীরে ধারা ৩৭০ এর ৩৫-A বিলুপ্তির কথা ভাবছে মোদী সরকার! appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nj3GPi
24 ghanta

শশী থারুর জিজ্ঞাসা করেছিলেন, মোদীজি কেন মুসলিম টুপি পরেন না? এরপর শশী থারুর যা জবাব পেলেন জানলে..

কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর আরো একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর নিশানা করেছেন। থারুর বলেন, মোদী তার মাথায় আলাদা আলাদা টুপি তো পরিধান করেন কিন্তু মুসলিম টুপি পরা থেকে এড়িয়ে যান। শশী থারুর এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবও চেয়েছেন। এই সময় তিরুভান্তাপুরপম এ উপস্থিত ছিলেন শশী ঠাকুর। সেখানে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোপ উগরে দিচ্ছিলেন হিন্দু বিরোধী নেতা শশী থারুর। উনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকমের পোশাক পড়েন কিন্তু কখনো মুসলিম টুপি পরেন না কেন? থারুর আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবুজ রং এর পোশাক কেন পরিধান করেন না?

থারুর ভন্ড স্বামী অগ্নিবেশের নাম করে বলেন যে, ঝাড়খণ্ডের পাকুড়ে উনার উপর হামলা করা হয়, আজ যদি স্বামী বিবেকানন্দ থাকতেন তাহলে উনাকেও এই গুন্ডাদের সম্মুখীন হতে হতো। আপনাদের জানিয়ে রাখি, শশী থারুর অগ্নিবেশকে মহান বানানোর চেষ্টা করলেও আসলে অগ্নিবেশ শ্রী ব্যাক্তি যিনি ভারত বিরোধী কথা বলার জন্য মানুষের রাগের শিকার হয়ে ছিলেন। টুপি পরা নিয়ে প্রশ্ন করায় শশী থারুরকে জমিয়ে আক্রমণ করেন টুইটার ইউজাররা। কার্তিকেই ভদ্রারাজ নামে এক ইউজার বলেন, ‘এটা তালিবান নয়, এটা হিন্দুস্থান, আমাদের সেই স্বাধীনতা আছে যে আমরা কি পরবো আর কি পরবো না।’

রাগভেনড্রো উপাধ্যায় নামে এক ইউজার বলেন, “থারুর তুমি কে জিজ্ঞাসা করার যে মোদী মুসলিম টুপি পরবে না, না মিলিটারি টুপি পরবে না অন্যকিছু কিছু টুপি পরবে। প্রত্যেকের স্বাধীনতা আছে যে সে তার ইচ্ছা মতো পোশাক পরতে পারে। যাইহোক তুমি মুসলিম টুপি বা বোরখাও পরতে পারো আমাদের কোনো সমস্যা নেই।” সাধারণ জনগণের এমন জবাব শোনার পর যে শশী থারুর নিশ্চুপ হয়ে যাবেন তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী কেন মুসলিম টুপি পরেন না এর উত্তর উনি নিজের বহু বছর আগে দিয়েছিলেন। নরেন্দ্র মোদীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি বিভিন্ন স্থান তাদের মতো করে পোশাক পরেন, তদের টুপিও পরেন তাহলে মুসলিম টুপি পরেন না কেন?

এর উত্তরে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “আমি যখন কোনো জায়গায় গিয়ে পোশাক বা টুপি পরিধান করি সেটা সেই স্থানের মানুষদের সঙ্গস্কৃতির সাথে জড়িত থাকে। কোনো ধর্মের সাথে জড়িয়ে থাকে না। আমি অন্য ধর্মের সন্মান করি , অন্য ধর্মের আদর করি কিন্তু পালন শুধু মাত্র নিজের ধর্মের করি। ভোটের লোভে টুপি পরে কোনো পাপ আমি করতে পারবো না।’ প্রসঙ্গত, শশী ঠাকুর সেই কংগ্রেসি নেতা যিনি এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোট নেওয়ার জন্য ‘হিন্দু পকিস্থান, গেরুয়া আতঙ্কবাদ’ এর মত শব্দ ব্যবহার করার হিন্দু সমাজকে বদনাম করেছিলেন।

The post শশী থারুর জিজ্ঞাসা করেছিলেন, মোদীজি কেন মুসলিম টুপি পরেন না? এরপর শশী থারুর যা জবাব পেলেন জানলে.. appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vnO3e8
24 ghanta

M.S ধোনির সাথে দেখা করলেন অমিত শাহ। জানুন কি হলো তারপর…

কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে দেশে একের পর এক বড় চমৎকারী সিধান্ত নিয়েছে যে কারণে আজ ভারত একের পর এক শক্তিশালী দেশকে বিকাশের দিক থেকে পেছনে ফেলে আসছে। আজ বিশ্বে ভারত সামরিক মহাশক্তি হওয়ার সাথে সাথে অর্থনৈতিক মহাশক্তি রূপে উপস্থাপিত হচ্ছে। অন্যদিকে মোদী সরকারের ৪ বছরের বেশি শাসনকাজ চালানো সম্পূর্ন হয়েছে। যার জন্য আরো একবার লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হয়েগেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শাসন ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি ভারতীয় রাজনীতিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, ২০১৯ নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিরোধীদলগুলি এক হয়ে মোদী সরকারকে আটকাতে চাইছে।

দেশের অধিকতর রাজ্যে হারের মুখ দেখা রাহুল গান্ধী প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন অন্যদিকে বিজেপির চানক্য নামে পরিচিত অমিত শাহ উনার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। মোদী সরকারের ৪ বছর পূর্ন হওয়ার জন্য অমিত শাহ ‘সম্পর্ক ফর সমর্থন’ এর উদ্দেশ্যে দেশের বড় বড় ব্যাক্তিত্বদের সাথে দেখা করে, জনগণের জন্য মোদী সরকারের উপলদ্ধিগুলি জানাচ্ছেন। এই উদ্দেশ্যেই রবিবার দিন দিল্লিতে বিখ্যাত ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির সাথে সাক্ষাৎ করেন অমিত শাহ।

ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনির সাথে দেখা করে উনাকে মোদী সরকারের ৪ বছরের কাজ সম্পর্কে অবগত করান অমিত শাহ। এই সাক্ষাৎকারের সময় অমিত শাহের সাথে পীযুষ গোয়েলের মতো বড় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ধোনির সাথে দেখা করার পর অমিত শাহ নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে এই বিষয়টি জানিয়েছেন এবং খুশি ব্যাক্ত করেছেন। শাহ লিখেছেন, সম্পর্ক ফর সমর্থনের উদ্দেশ্যে বিশ্ব ক্রিকেটের সবথেকে মহান ফিনিশারের সাথে দেখা করলাম এবং উনার সাথে মোদী সরকারের ৪ বছরের অসাধারণ কাজের উপলদ্ধি শেয়ার করলাম।

জানিয়ে দি, এই বছরেই মোদী সরকারের চার বছর পূর্ণ হয়েছে যার পর ‘সম্পর্ক ফর সমর্থন’ নামে একটা মিশন শুরু করা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। পার্টির ৪০০০ থেকে বেশি কার্যকর্তার উপর এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে তারা দেশের ১ লক্ষ বিশেষ ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করে মোদী সরকারের চার বছরের কাজের উপলদ্ধি জানান এবং সমর্থন আদায় করেন।

The post M.S ধোনির সাথে দেখা করলেন অমিত শাহ। জানুন কি হলো তারপর… appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vmIaxy
24 ghanta

NRC ইস্যুতে মুলায়মের ছোট পুত্রবধূ এমন কিছু বললেন যাতে মমতা ও তার সহযোগীদের হুশ উড়ে যাবে।

২০১৯ এ লোকসভার জন্য প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক দল নির্বাচনের লড়াইয়ে কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে। দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে হারের সম্মুখীন হওয়ার পর রাহুল গান্ধী দেশের বিরোধী দলগুলির সাথে এক হয়ে নির্বাচন লড়ার সিধান্ত নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অসমে NRC এর প্রাথমিক রিপোর্টের পর ৪০ লক্ষ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম উঠে এসেছে। যদিও তাদের মধ্যে কিছু ভারতীয় রয়েছে যাদের নাম পরবর্তীকালে প্রমাণের পর বৈধ তালিকায় প্রকাশ করা হবে। আসামের NCR নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোপ প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন।

NCR নিয়ে অভিযোগ অনাভিযোগ চরমে ছিল সেই মুহূর্তে অমিত শাহ এবং দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে সেখানেও NCR করা হবে। যার পর মমতা ব্যানার্জী রক্তগঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের মতো বিতর্কিত বক্তব্য দেন। এইরকম বক্তব্যের জন্য মমতা ব্যানার্জীকে বহু প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়। অনেকের দাবি পশ্চিমবঙ্গে বহু সংখ্যায় রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাংলাদেশি রয়েছে যারা মমতা ব্যানার্জীর ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে কাজ করে আর সেই জন্যেই মমতা বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন।

এখন এই ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশের পূর্বমুখ্যমন্ত্রী থাকা মুলায়ম সিং যাদবের পুত্রবধূ অপর্ণা যাদব যা বলেছেন তা শোনার পর অখিলেশ যাদবও অবাক হবেন। মুলায়ম সিং যাদবের পুত্রবধূ বলেন, ‘দেশের আইনি ভাবে থাকা শরনার্থীদের নিয়ে কারোর কোনো সমস্যা নেই, সমস্যা সেটা যখন কেউ নিয়ম শৃঙ্খলার বিপরীতে গিয়ে দেশে ঢুকে পড়ে।’

অপর্ণা যাদব বলেন, মমতাজির এই সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সমৰ্থন করা উচিত নয় যারা বেআইনিভাবে দেশে বসবাস করছে। অপর্ণা যাদব এই বিষয়ে আরো বলতে গিয়ে বলেন যে মমতাজির এই বিষয়ে আরো ভালোভাবে বিচার করা উচিত, কারণ এটা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার একটা বিষয়। অর্থাৎ একটা বিষয় স্পষ্ট যে বিজেপি বিরোধিতার সময় মমতা ব্যানার্জী বহু দলের সমর্থন পেলেও NRC ইস্যুতে কোনো দল মমতা ব্যানার্জীকে সাথ দিচ্ছে না।

The post NRC ইস্যুতে মুলায়মের ছোট পুত্রবধূ এমন কিছু বললেন যাতে মমতা ও তার সহযোগীদের হুশ উড়ে যাবে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Mk48I3
24 ghanta

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে এই নিয়ম চালু করতে চলেছে কমিশন।

দেশের বহু সাধারন মানুষ কাজের সূত্রে বা ব্যাবসায়ীক নানান কারনে বাইরে থাকেন। কেউ কেউ এতটাই দূরে থাকেন যে বছরে হয়ত খুব কম সময় বাড়ী আসার সুযোগ পান। তাই তাদের সুবিধার্থে তাদের সব রকম অসুবিধার কথা মাথায় রেখে এবার নির্বাচন কমিশনের মুখ্যসচিব ওপি রাওয়াত নিতে চলেছেন এক বড় সিদ্ধান্ত যেটাতে দেশের সকল স্তরের মানুষের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি সব কিছু সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধন্ত নিয়েছেন যে এবার থেকে ভারতবর্ষে যেসব নাগরিক কাজের সূত্রে বা অন্য কারনে বাইরে থাকেন এবং যারা দেশের বৈধ ভোটার তাদের কে ভোট দেওয়ার জন্য কাজের ছুটি নিয়ে আর বাড়ি আসতে হবে না।

তারা দেশের যেকোনো জায়গা থেকেই দিতে পারবেন ভোট। এই ব্যাবস্থা চালু হয়ে যাবে বছর খানেকের মধ্যে। বর্তমানে ভারতে এই নিয়ম চলে আসছে যে দেশের সাধারণ মানুষ শুধু মাত্র তার নিজের পাকাপাকি ভাবে বাসস্থানেই ভোট দিতে পারেন। তিনি যেখানেই থাকুক না কেন ভোট একমাত্র নিজের বাসস্থানে ভোটকেন্দ্রতেই দিতে পারবেন। এর ফলে বহু এমন লোক আছেন যারা কোনো কারন বসত আসতে পারেন না নিজের বাড়ি তাই তাদের ভোট দেওয়া হয়ে উঠে না।

তাই তাদের কথা মথায় রেখেই এই সিদ্ধন্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তরফে জানানো হয়েছে যে, এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। যে কোনও জায়গা থেকে যে কোনও ভোটার যাতে তার নিজের নাগরিক অধিকার সরুপ ভোট দিতে পারেন তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় এটিএমের মতো ভোটযন্ত্র বসানো হবে। নিজের পরিচয়ের সরুপ বিভিন্ন ডোকমেন্স জমা দিয়ে সেখানে ভোট দিতে পারবেন বৈধ ভোটাররা।

এই সুন্দর ব্যাবস্থাটি করা হবে নির্বাচন কমিশনের তরফে শুধু মাত্র প্রবাসী ভিনরাজ্যবাসি নাগরিকদের কথা ভেবে। এছাড়াও অনেক এমন ব্যাক্তি আছেন যাদের নাম একাধিক জায়গার ভোটার লিস্টে রয়েছে। তাদের কে চিহ্নিত করে তাদের নাম যাতে যেকোনো এক জায়গাতে থাকে তার জন্য বিশেষ ব্যাবস্থা করবেন নির্বাচন কমিশন।
#অগ্নিপুত্র

The post দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে এই নিয়ম চালু করতে চলেছে কমিশন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2ALdkUz
24 ghanta

সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ভাঙার অভিযোগে মমতা ব্যানার্জী ও তৃণমূলের ৮ নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হলো FIR

অসমের NRC এর পর থেকে সবথেকে বেশি কোন নেত্রীর নাম যদি রাজনৈতিক মহলে বার বার উঠে এসেছে তাহলে তিনি হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। আসলে NRC প্রকাশিত হওয়ার পর একদিকে যখন সারা দেশ এই পদক্ষেপের সমর্থন করছিলেন তখন কেন্দ্র সরকারকে আক্রমন করতে শুরু করেছিলেন মমতা ব্যানার্জী। শুধু এই নয় কেন্দ্র যখন অসমে বহু সংখ্যায় অর্ধসেনা নিয়োজিত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তখন মমতা ব্যানার্জী গৃহযুদ্ধ ও রক্তগঙ্গার মতো শব্দ ব্যবহার করে নিজের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষোপ উস্কে দিয়েছিলেন। এবার এক অসমবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে গোয়াহাটির গীতানগর থানায়
এফআইআর দায়ের করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধে। সেই সাথে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তার দলে আট নেতার বিরুদ্ধে।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ মমতা সহ তার দলের লোকেরা এনআরসি নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন অসমে। ধ্রুবজ্যোতি তালুকদার যিনি এই অভিযোগ করেছেন তিনি অসমের বাসিন্দা। উনি অভিযোগে লেখেন, মমতা ব্যানার্জী কোনো কারন ছাড়ায় অসমের ব্যাপারে অযথা মাথা ঘামাচ্ছেন। অসমে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ মেনে যে এনআরসি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বার বার সেই শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়াকে ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন তিনি। এমন কি তিনি নানান মিথ্যা প্রচার করে ক্রমাগত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো চেষ্টা করে যাচ্ছেন অসমে।

অভিযোগকারীর অভিযোগ অনুসারে ৩০ শে জুলাই একটি প্রেস কনফারেন্সে মাধ্যমে মমতা ব্যানার্জী অসম এনআরসি নিয়ে দ্বায়িত্বহীন মন্তব্য করেছিলেন। যেটা করার কোনো অধিকার তার নেই কারন তিনি অসমের কেউ নয়। তার সেই মন্তব্যের ফলে ক্ষোভ জেগে উঠেছে মানুষের মধ্যে। যার ফলে এলাকাতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা।তার আরও অভিযোগ যে এলাকাতে অশান্তি ছড়ানোর জন্য তৃনমূলের লোকেরা ইচ্ছা করে সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন। মমতা ব্যানার্জী তার একটি সভায় বলেন যে যদি এই ভাবে NRC চলতে থাকে তাহলে দেশে গৃহ যুদ্ধ লাগিয়ে দেবেন তিনি এবং তিনি আরও বলেন যে রক্ত গঙ্গা বয়ে যাবে পুরো দেশ জুড়ে।

মুলত তার এই সব উক্তিতেই ওই ব্যাক্তির অভিযোগ। মমতা ব্যানার্জী গৃহযুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে দেশর যে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম সেই তালিকায় নেই তাদের মধ্যে অনেক সংখ্যক বাঙালি আছে শুধু তাই নয় সেই তালিকায় আছে বিহারি ও মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত লোকজন। তার এই উক্তিকে কেন্দ্র করে তিনি বলেন যে মমতা রাজ্যের সাধারন মানুষের মধ্যে বাঙালি ও বিহারি কথা উল্লেখ করা তাদের মধ্যে বিভেদ সৃস্টি করার চেষ্টা করছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ভাঙার অভিযোগে মমতা ব্যানার্জী ও তৃণমূলের ৮ নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হলো FIR appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nczFAR
24 ghanta

শেষপর্যন্ত কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে ‘মুঘল সরাই’ নাম মুছে দেশের স্বঅভিমান পুনঃস্থাপন করলেন যোগী আদিত্যানাথ।

শেষপর্যন্ত মুখলসরাই স্টেশন এর নাম বদলে পন্ডিত দীন দয়াল উপাধ্যায় জংশন রাখা হয়েছে। যদিও সিধান্ত অনেক আগেই নেওয়া হয়েছিল কিন্তু এখন সেই দিন এলো যখন আতঙ্কি কা নিশানি মুঘল সরাই নামকে সম্পূর্ণভাবে মুছে দেওয়া হলো। এবার থেকে স্টেশন এর নাম মহান স্বতন্ত্র সেনানী পন্ডিত দীন দয়াল উপাধ্যায় এর নামে ডাকা হবে। এটা কোনো ছোট খাটো ব্যাপার নয়। অনেকের ধারণা একটা স্টেশনের এক নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম রাখা হয়েছে কিন্তু আসলে এই বিষয়টি শুধু নাম পরিবর্তন পর্যন্ত একটা সাধারণ বিষয় নয়। এটা আতঙ্ক এর চিহ্নকে মুছে ফেলে নিজস্বতার পতাকা উড়ানোর বিষয়। এই সিদ্ধান্ত যখন নেওয়া হয়েছিল তখন সমগ্র তথাকথিত সেকুলার সমাজ বিরোধ করেছিল কারণ তারা আতঙ্কের চিহ্নকে নিজেদের ঐতিহ্য মনে করে। মুখল সরাই একটা বড় স্টেশন যার নাম আমরা শৈশবকাল থেকেই শুনে আসছি।

ছোটবেলা থেকে আমাদের মনে একটা প্রশ্ন সবসময় জাগত , প্রশ্নটা এই যে মুঘলরা ভারতে আক্রমণ করেছিল, ভারতকে লুটেপুটে খেয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের ধর্ম পরিবর্তন করেছিল তাদের নামে কেন স্টেশনের নাম রাখা হবে। বিষয়টি এইরকম , যে ব্যাক্তি আপনারা বাড়িতে আক্রমণ করে আপনার পূর্বপুরুষদের উপর অত্যাচার করেছে তাদেরকেই মহান বানিয়ে তাদের নাম স্মরণ করে রাখা। আসলে পুরোটাই সাভিমানের ব্যাপার। যাদের মধ্যে স্বঅভিমান রয়েছে তারা কখনোই এই মুখল সরাই নামটা মেনে নিতে পারতেন না।

অন্যদিকে যারা এই মুঘল সরাই নাম রাখতে চাইতেন সেই তথাকথিত সেকুলাররা যাদের মধ্যে না আছে নিজস্বতা, না আছে স্বঅভিমান , না রয়েছে রাষ্ট্রপ্রেম। এই তথাকথিত সেকুলারপন্থীরা তো টাকার জন্য ধর্ম পরিবর্তন করতেও পিছুপা হয় না। মুঘল সরাই নামক আতঙ্কি নাম মুছে ফেলার শ্রেয় পরম পূজনীয় যোগী আদিত্যানাথের যিনি দেশের সবথেকে বড় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যোগীজির একটা বড় বিশেষত্ব এই যে উনি নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বার বার আতঙ্কি চিন্হ মুছে ফেলতে পারেন। এর আগে যখন তিনি গোরক্ষপুরের সাংসদ ছিলেন সেখানেও তিনি আতঙ্কি চিন্হ মুছে ফেলছিলেন। আর এখন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে তিনি সমগ্র উত্তরপ্রদেশ জুড়ে এই কাজ করছেন।

আজ মুঘল সরাইকে উনি মিটিয়ে দিলেন এবার কিছুদিনের মধ্যে এলহাবাদের নাম পরিবর্তন করে ‘প্রয়াগরাজ’ করা হবে, আর লখনও এর নাম পরিবর্তন করে লক্ষ্মণপুরী রাখা হবে। ধন্য সেই মাতা যিনি যোগীজির মতো সুপুত্রের জন্ম দিয়েছেন। আজ দেশে এমন নেতা এসেছেন যিনি দেশের স্বঅভিমান, সমাজের স্বঅভিমান এর খেয়াল রেখে তা পুনরায় স্থাপিত করছেন। আজ যোগী আদিত্যানাথের যত প্রশংসা করা হোক না কেন তা কম হবে কারণ আজ তিনি কট্টরপন্থী ও তথাকথিত সেকুলারদের মুখে ঝামা ঘষে দেশের নিজস্বতার পূর্নস্থাপন করলেন।

The post শেষপর্যন্ত কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে ‘মুঘল সরাই’ নাম মুছে দেশের স্বঅভিমান পুনঃস্থাপন করলেন যোগী আদিত্যানাথ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2KvshtI
24 ghanta

SC,ST, OBC দের সাথে এবার জেনারেল বর্গকে সংরক্ষণ দিতে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে মোদী সরকার।

দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একজন শক্তিশালী নেতা এনিয়ে কোনো ব্যক্তির সন্দেহ থাকতে পারে না। উনি ভোটবাঙ্কের কথা না ভেবেই কঠোর সিধান্ত নিতে পারেন এবং আগেও নিয়েছেন। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী এবার মোদী সরকার সংবিধানকে সংশোধিত করার চিন্তাভাবনা করছে।প্রথমত আপনাদের জানিয়ে রাখি, আমাদের দেশে ৫০% সংরক্ষণের নিয়ম রয়েছে। অর্থাৎ ৫০% এর বেশি সংরক্ষণ হওয়া সম্ভব নয়। এমন পস্থিতিতে sc, st, obc বর্গের ব্যাক্তিরা প্রথম থেকেই এই সংরক্ষণের অন্তর্ভুক্ত। দেশে প্রায় সময় সংরক্ষণ নিয়ে মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ হয়ে থাকে। এমনকি দেশের হিন্দুদের মধ্যে একতা না থাকার একটা মূল কারণ এই সংরক্ষণ প্রথা। এমনকি এই সংরক্ষণ নিয়ে অনেক সময় দেশে আন্দোলন এবং হিংসার ঘটনাও চোখে পড়ে।

মোদী সরকার এবার সংবিধানকে সংশোধন করার উপর বিচার করছে। যে সকল ব্যাক্তিরা বা বর্গের মানুষেরা সংরক্ষণ পেতেন তাদের সংরক্ষণ বজায় রেখেই সরকার ৫০% এর বেশি সংরক্ষণের নিয়ম আনার জন্য চিন্তাভাবনা চলছে। অর্থাৎ sc,st, obc দের জন্য যে সংরক্ষণ রয়েছে তা যেমন আছে তেমনি থাকবে কিন্তু সেই সঙ্গে সাধারন বর্গের মানুষজন ১৫% থেকে ১৮% সংরক্ষণ পাবেন। ১৫% থেকে ১৮% এই সংরক্ষণ আর্থিক দিকের বিচার করে দেওয়া হবে। মনে করা হচ্ছে ৫০% এর যে সংরক্ষণের সীমা রয়েছে তা সংবিধান সংশোধন করে বাড়িয়ে ৬৫% থেকে ৬৮% করবে মোদী সরকার।

যার পর সাধারণ বর্গের জনগণ ১৫% থেকে ১৮% সংরক্ষণ পেতে পারেন। যার ফলে sc,st,obc এর সাথে ব্রাহ্মণ,রাজপুত, মারাঠা, প্যাটেল এবং অন্যান্য যে সব বর্গের মানুষজন রয়েছেন তারাও আর্থিক আধারের ভিত্তিতে সংরক্ষণ পাবেন। এর থেকে একটা বড় লাভ এই হবে যে সংরক্ষণের নামে দেশে যে ভেদাভেদ বা হিংসা ছড়িয়ে পড়ে তা অনেকটা কমে যাবে। যার ফলে সমাজ একজোট হবে, সমাজ একজোট হলে দেশের একতা বাড়বে এবং দেশ শক্তিশালী হবে। শেষ সিধান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে থাকবে।

আর নরেন্দ্র মোদী যে ধরনের ব্যাক্তি তাতে তিনি কংগ্রেসের জাতি ভিত্তিক সৃষ্টি এই সংরক্ষণ প্রথাকে গোড়া থেকে উপরে ফেলত প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গতকারী মন্তব্য করেছেন, “জাতির ভিত্তিতে নয় বরং গরিবীর ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়া উচিত।কারণ গরিবের ভাষা,জাতি বা ক্ষেত্র হয় না।” অনেকের দাবি, কংগ্রেস ভোটের লোভে যে জাতি ভিত্তিক সংরক্ষণ প্রথা করে গিয়েছে সেটাকে আর্থিক ভিত্তিতে করার জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন। বহুজনের দাবি, এক ধাপেই যদি সংরক্ষণ প্রথা মুছে ফেলা হয় তাহলে দেশে বৃহত্তর আন্দোলন এবং হিংসা ছড়িয়ে পারে। তাই কারোর মনে অসন্তুষ্টতা না জাগিয়ে অন্যরকমভাবে পদক্ষেপ এমন পদক্ষেপ নিতে পারে মোদী সরকার।

The post SC,ST, OBC দের সাথে এবার জেনারেল বর্গকে সংরক্ষণ দিতে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে মোদী সরকার। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LR9XAy
24 ghanta

চার বছরে বিজেপি কি করেছে এর উত্তরে অমিত শাহ যা বললেন তাতে প্রশ্ন করা ভুলে যাবে সোনিয়া পুত্র রাহুল গান্ধী।

লোকসভা নির্বাচনের এবং তার আগে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য রাজস্থানে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজের সাথে “চার ভুজানাথ” মন্দিরে পুজা করেন বিজেপির সর্ব্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ মহাশয়। সেখানে পূজা শেষ করে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে সাথে নিয়ে গৌরব রথযাত্রা এর শুভারম্ভ করলেন। তারপর তিনি সেখানের কাজ সেরে চলে যান কাঙ্করৌলিতে, সেখানে গিয়ে তিনি সম্বোধিত করেন একটি বিশেষ জনসভার। সেখানের জনসভায় ভাষন চলাকালীন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী কে নিশানা করে অমিত শাহ জি বলেন যে, ” রাহুল বাবা তুমি আমাদের কাছে এই চার বছরে দেশের কাজের হিসাব চাইছো? কিন্তু ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষ যে তোমার কাছে পুরো চার পুরুষের হিসাব চাইছে।

তিনি আরও বলেন যে মোদী সরকার এই চার বছরে যে কি কি করেছে সাধারণ মানুষেরর জন্য সেটা তুমি গুনে যাও যদি তুমি হিন্দি ভাষা জানো। কারন আমিতো ইতালির ভাষা জানি না নাহলে তোমাকে ওই ভাষাতেই বলে বুঝিয়ে দিতাম যে আমাদের সরকার কতটা কাজ করেছে এবং মানুষ কে কি কি দিয়েছে। রাজস্থানের জন্য মোদী সরকার নানান উন্নয়ন মূলক কাজ করার পাশাপাশি ১১৬ টি প্রকল্প চালু করেছে যাতে সাধারন মানুষ অনেক উপকৃত হয়েছেন। আর এর পরেও কংগ্রেস জিজ্ঞাস করছে যে আমারা কি কি করেছি সাধারণ মানুষের জন্য।

আসলে রাহুল গান্ধীকে আক্রমন করে অমিত শাহ বুঝিয়ে দেন যে হিন্দির থেকে ইতালিয়ান বেশি বোঝেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। আপনাদের জানিয়ে রাখি, কিছুদিন আগে রাজস্থানে মোদী সরকার কি কাজ করেছে সেই নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এর উত্তরে অমিত শাহ, রাহুল গান্ধীকে নিয়ে কটাক্ষ করেন। অমিত শাহ রাজস্থানে আয়োজিত এক রালি থেকে বলেন, যদি রাহুল গান্ধী ইতালিয়ান এর জায়গায় হিন্দি তাহলে বুঝতে পারতো যে রাজস্থানে কি কি যোজনা চলছে।

অমিত শাহের বক্তব্যের উপর এখনো তেমন কোনো কথা বলেনি কংগ্রেসের নেতারা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এখন তো শুধু অমিত শাহ রাজস্থানে রালির সূচনা হলো এবার কেন্দ্রের আরো অনেককে দেখতে পাওয়া যাবে রাজস্থানের মাটিতে। আপনাদের জেনে রাখা ভালো যে রাজস্থানের এই মহা রথযাত্রাটি চলবে ৫৮ দিন ধরে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করা হবে এর মধ্য দিয়ে।

#অগ্নিপুত্র

The post চার বছরে বিজেপি কি করেছে এর উত্তরে অমিত শাহ যা বললেন তাতে প্রশ্ন করা ভুলে যাবে সোনিয়া পুত্র রাহুল গান্ধী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OKrLLG
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started