৬৮৪ কোটি টাকা পাচারের সাথে যুক্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ তৃণমূল নেতা কে ডি সিং এর বিরুদ্ধে। আদালতে তথ্য পেশ করবে সেবি।

সামনে লোকসভা সেই লক্ষ্যে নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি চলছে চরমে। আর এর মধ্যে পাঞ্জাবের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও রাজ্যসভা সাংসদের নেতা কে ডি সিং এর সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এবার সেবি সংস্থা আদালতে বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন কে ডি সিংহ এর বিরুদ্ধে। এই সংস্থাটি দাবি করেন যে মুম্বইয়ের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী পরিবারের ছত্রছায়াতে থেকে কে ডি সিংহ চিটফান্ডের নামে টাকা তোলা শুরু করে।

সেই টাকার পরিমান ৬৮৪ কোটি টাকা। পরে সেই সমস্ত টাকা পাচার করে দেন তিনি। তিনি যেই সমস্ত ব্যাবসায়ীর ছত্রছায়াতে থেকে এই সমস্ত কাজ করেন তাদের পরিচয় আন্তর্জাতিক স্তরেও রয়েছে বলে জানা যায়। এমন কি তিনি সাইপ্রাসের সংস্থা কেনার জন্য চুক্তি করে ফেলেছেন গ্রিসের এক ব্যাবসায়ীর সাথে। তিনি ইউরোপে বাড়ি কেনার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন তাই মুম্বাই এর এক ব্যাবসায়ীর মাধ্যমে তিনি ইউরোপ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করে ফেলেন।

এমনকি মিকোনোজ দীপ যেটা গ্রিসে অবস্থিত সেখানেও তিনি ৪০ কোটি টাকার সম্পত্তি কিনে ফেলেছেন ইতিমধ্যে। এছাড়াও তার কলকাতাতে রয়েছে ২৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি। আদালতে সেবি সংস্থা তার বিরুদ্ধে সমস্ত তথ্য পেশ করেছেন একটি বন্ধ খামে ভরে। হাইকোর্টে সমস্তকিছু দেখার পর সেবির ডাকে সাড়া দিয়েছেন।

একদিকে যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছে তখন তার দলের সাংসদের উপর এমন গুরুতর অভিযোগ যে তৃণমূলের ছবি খারাপ করবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

#অগ্নিপুত্র

The post ৬৮৪ কোটি টাকা পাচারের সাথে যুক্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ তৃণমূল নেতা কে ডি সিং এর বিরুদ্ধে। আদালতে তথ্য পেশ করবে সেবি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vAScLH
24 ghanta

আরো একবার তৃণমূলকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও তার আক্রমণাত্মক মনোভাবের কথা কারুর অজানা নেই। অন্যায় দেখলেই তিনি যে চুপ করে থাকতে পারেন না। অন্যায় যেই করুক সে শাসক দলই হোক বা অন্য কেউ তিনি তার প্রতিবাদ করতে কখন পিছু পা হন না। তাই এবারও তাকে তার সেই চেনা মেজাজে পাওয়া গেল। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই দিন নিমতৌড়ি স্মৃতিসৌধে পূর্ব মেদিনীপুরে একটি সভায় যোগদান করেন সেখানে তিনি তৃনমূলকে কটাক্ষের শুরে বলে যে “একদিকে গাঁজা,আর একদিকে টাকা” এটাই হচ্ছে বর্তমান তৃনমূলের নীতি।

এই দিনের এই সভা থেকে তিনি তৃনমূল কংগ্রেস কে আক্রমনের সুরে বলেন যে ওরা ভেবেছে যে টাকা দিয়ে সব কিছু কেনা যায়, ওরা এটা ভুল ভাবছে। ওদের জেনে রাখা দরকার টাকা দিয়ে ছাগল, কুকুর কেনা যায় কিন্তু মানুষ কেনা যায় না। হ্যাঁ ওরা টাকা দিয়ে কয়েকজন সিপিএম ও কংগ্রেসের সস্তার বিধায়ক কে কিনে নিয়েছে। কিন্তু বিজেপির কেউ কে ওরা কিনতে পারে নি। তবে ওরা যে চেষ্টা করে নি সেটা নয়। ওরা ক্রমাগত চেষ্টা করেই চলেছে।

 

চেষ্টার কোনো খামতি রাখে নি। কিন্তু ওরা এই কাজে সফলতা লাভ করতে পারছে না। তৃনমূলের বিধায়করা এখন নিয়ম করে প্রতিটি বিজেপি নেতার বাড়ি যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে জুতো আর ধাক্কা ছাড়া আর কিছুই জুটছে না তাদের কপালে। কোনো কোনো বিজেপি নেতা তাদের কে বাড়ির চৌকাঠ অব্দি পেড়তে দিচ্ছেন না। দিলীপ বাবু অভিযোগ করে বলেন যে তৃনমূলের বিধায়করা যাবার সময় সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন গাঁজা আর টাকা।

প্রথমে টাকার লোভ দেখানো হচ্ছে কিন্তু যারা টাকা নিতে অশিকার করছেন তাদের কে ভয় দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে যে টাকা না নিলে তাদের কে গাঁজার মিথ্যা কেশ দিয়ে ভিতরে ঢোকানো হবে। দিলীপ বাবু এই দিন স্পষ্ট বলে দিলেন যে এই সব করে ভয় দেখিয়ে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। আমরা লড়াই করছি করব। সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের এই লড়াই কেউ রুখতে পারবে না।
#অগ্নিপুত্র

The post আরো একবার তৃণমূলকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nsIHtw
24 ghanta

নীচ দিয়ে হাঁটছিল শিবভক্তরা, তখন হেলিকপ্টার থেকে CM যোগী আদিত্যানাথ এমন কিছু করলেন যে খুশিতে মেতে উঠলো সকলে।

এই সময় হিন্দু ধর্মের দেবতা ভগবান শিবের পবিত্র শ্রাবন মাস চলছে। এই সময় দূর দূরান্তের মানুষজন গঙ্গাজল সংগ্রহ করে পায়ে হেঁটে ভোলানাথের মাথায় সেই জল ঢালে। শ্রাবন মাসে চলা এই যাত্রাকে কেন্দ্র করে এখন উত্তরপ্রদেশ জমে উঠেছে। বোম ভোলের জয়জয়কার করে সঙ্গীসাথীদের উৎসাহ বাড়িয়ে কাবাড় নিয়ে এগিয়ে চলেছে শিবভক্তরা। আপনাদের জানিয়ে দি, হরিদ্বার থেকে কাবাড় নিয়ে উত্তরপ্রদেশের অনেক রাজ্যে ভক্তরা পায়ে হেঁটে চলেছে। কাবাড় যাত্রাকে নিয়ে এবার যোগী সরকার যোগী সরকার পুলিশ কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে যাতে কাবাড় যাত্রীদের কোনো সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখতে।

উত্তরপ্রদেশের অনেক জায়গায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেখা গিয়েছে যা দেখে পুরো দেশ শিক্ষা নিতে পারে। মুজাফর নগর এলাকায় বহু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন কাবাড় যাত্রীদের জন্য খাওয়া দাওয়া ও ওষুধআদির ব্যাবস্থা করেছে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ দেখিয়েছে। উল্লেখ, কাবাড় যাত্রার আগে যোগী আদিত্যানাথ ঘোষণা করেছিলেন যে কাবাড় যাত্রার পথে থাকা মদ ও মাংসের দোকান যেন সরিয়ে নেওয়া হয়। এমনকি কাবাড় যাত্রীদের উপর হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণেরও ব্যাবস্থা করেন যোগী আদিত্যানাথ।

যার জন্য শিবভক্তরা শ্লোগান তৈরি হয়েছে, যোগী তেরে রাজ মে মিল রাহা হ্যায় সন্মান জাহাজ ম্যায়।’ আসলে হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করায় দুর্দান্ত রকমের খুশি হয়েছে কাবাড় যাত্রীরা। এডিজি প্রশান্ত কুমার জানান যে কাবাড় যাত্রার উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং হেলিকপ্টার থেকে পুষ্প বর্ষণ করা হচ্ছে। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে নিয়োজিত করা হয়েছে পুলিশ কর্মী।

শুধু এই নয় অখিলেশের আমলে শিবভক্তদের DJ বাজানোর অনুমতি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যোগী আদিত্যানাথ জানান যে ভক্তরা অবশ্যই DJ বাজাতে পারে এবং ভরপুর আনন্দ করতে পারে। যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে সেটা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। এমনকি অখিলেশের আমলে কিছু এলাকা দিয়ে যেতে পারতো না কাবাড় যাত্রীরা , সেই প্রতিবন্ধকতাও সরিয়ে দেন যোগী আদিত্যানাথ।

The post নীচ দিয়ে হাঁটছিল শিবভক্তরা, তখন হেলিকপ্টার থেকে CM যোগী আদিত্যানাথ এমন কিছু করলেন যে খুশিতে মেতে উঠলো সকলে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2B0F6N7
24 ghanta

বড়ো ধাক্কা খেল কংগ্রেস! মহাজোট বন্ধনে কংগ্রেসকে সমর্থন করবে না এই দল।

আগেই বলা হয়েছিল যে সব শত্রু যদি একসাথে জোট করে তাহলে কখনই সেই জোটে জোর থাকবে না। কারন তারা এত দিন একে অপরের বিপক্ষে লড়াই করে এসেছে। একে অপরকে সব সময় আঘাত করে এসেছে তাই তারা বাইরে বাইরে যতই বন্ধুসুলভ আচরণ করুক না কেন। ভিতরে যে তাদের মধ্যে একটা হিংসা আছে সেটা একদিন ঠিক ফুটে উঠবে। তাই লোকসভা ভোট যতই এগিয়ে আছে ততই তাদের মধ্যেকার সংঘাত সামনে চলে আসছে। সমস্ত বিরোধীদের একজোট হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন থেকে ক্ষীণতর হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। বিরোধীদের একজোট হয়ে মোদীর বিরুদ্ধে লড়াই করা যে এখন অনেক দূরের কথা সেটা পরিষ্কার হয়ে যায়, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে গতকাল যখন ভোটাভুটি হচ্ছিল সেই সময়ে।

এবার আম আদমি পার্টির তরফে কংগ্রেসকে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা যোগদান করতে পারবেন না বিজেপি বিরোধী মহাজোটবন্ধনে। গতকাল আপ তাদের ভোট বয়কট করে দেন। তার পরই আপ সুপ্রিমো ও দিল্লির
মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল বলেছেন, যেসব দল গুলি মহাজোটে অংশ নিয়েছে তারা কোনো দিন দেশের উন্নতিতে কোনও ভূমিকা রাখে নি। তারা দেশের কথা ভাবে নি। দেশের যাতে ভালো হবে সেই দিকে নজর না রেখে সেই দল গুলি শুধুমাত্র নিজেদের গদি বাচানোর চেষ্টা করেছে। সেই সাথে তিনি বলেন যে মোদী সরকার দিল্লির উন্নয়নকাজে বাঁধা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন যে এইসব জোটের রাজনীতি তার কাছে কোনো গুরুত্ব রাখে না। তিনি রাজনীতি মানে শুধু মানুষের উন্নয়ন বোঝেন। গতকালের ভোটাভুটিতে আপ যোগদান করেন নি। কারন হিসাবে আপের তরফে জানানো হয়েছে যে তাদের দলে কোনো নেতাকে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ফোন করে ভোট দেওয়ার কথা জানায় নি। তাই তারা ভোট বয়কট করেছেন। সঞ্জয় সিংহ নামে দলিয় এক নেতা জানিয়েছেন যে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে আলিঙ্গন করতে পারেন অথচ কেজরিবালকে ফোন করার মত সময় তার নেই।

তাই বাধ্য হয়েই তারা এই ভোটে অংশগ্রহণ করেন নি। এর ফলে বোঝায় যাচ্ছে যে এই জোট কোনো ভাবেই সফল হতে পারবে না। কারন এখন থেকেই এদের মধ্যে মতের পাথক্য তৈরি হয়ে গেছে।আসলে কংগ্রেসকে দূরে রেখে বিরোধী দলগুলিকে নিজেদের নেতৃত্বে মোদী বিরোধী জোট তৈরির প্রচেষ্টায় রয়েছে। অর্থাৎ সোনিয়া গান্ধী যখন রাহুল গান্ধীকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, তখন কেজরিওয়াল নিজে সেই একই স্বপ্ন দেখে মহাজোট এর চিন্তা ভেস্তে দিলেন।

#অগ্নিপুত্র

The post বড়ো ধাক্কা খেল কংগ্রেস! মহাজোট বন্ধনে কংগ্রেসকে সমর্থন করবে না এই দল। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vZlC5y
24 ghanta

পাকিস্থানে ইমরান খানের শপদ গ্রহণ আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সুনীল গাভাস্কারকে। তারপর উনি যা জবাব দিলেন…

সম্প্রতি পাকিস্থানে নির্বাচনের ফলাফল সামনে এসেছে যেখনে ইমরান খানের দল তেহরিকে ইনসাফ জয় লকে করেছে। ২২ বছর আগে রাজনীতিতে আসা ইমরান খান পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ১১ আগস্ট ইমরান খান শপদ গ্রহণ করবেন। আর সেই উপলক্ষে বহু বিখ্যাত খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদদের নিমন্ত্রণ করার পক্রিয়া চলছে। কিছুদিন আগেই একটা খবর উঠে এসেছিল যে কংগ্রেসের নেতা নবজোত সিং সিদ্ধুকে ইমরান খানের শপদ গ্রহন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়েছে কিন্তু নবজোত সিং সিদ্ধু ওই দাবি খারিজ করেছেন। অন্যদিকে তেহেরিক এ ইনসাফ এর এক বরিষ্ট নেতা সাফ জানিয়েছেন যে নবজোত সিং সিদ্ধুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

নবজোত সিং সিদ্ধুর পর আরেক ক্রিকেটার এর নাম উঠে আসছে যাকে ওই শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছে। লিটিল মাস্টার বলে পরিচিত বিখ্যাত ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারকে শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা হয়েছে। এই খবর সুনীল গাভাস্কার নিজে এক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে। উনি জানান যে শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমার কাছে ফোন এসেছিল। কিন্তু এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

গাভাস্কার বলেন শপদ গ্রহণে না যাওয়ার জন্য সরাসরি না বললেননি বরং তিনি বলেছেন যে ‘আমি এখন ইংল্যান্ড ও ভারতের টেস্ট ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত থাকবো তাই শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবো কিনা তা জানাতে পারছি না। শুধু এই নয় সংবাদ মাধ্যমকে সুনীল গাভাস্কার জানিয়েছেন, যে যদি আমি যাওয়ার সুযোগও পায় তাহলেও আমি ভারত সরকারের সাথে এব্যাপারে আলোচনা করবো।

যদি ভারত সরকার আমাকে যাওয়ার অনুমতি দেয় তাহলেই আমি যাব নতুন আমি সরকারের আদেশকে সন্মান জানিয়ে শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকবো। অনেকের দাবি সুনীল গাভাস্কার শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্থানে উপস্থিত হতে চান না তাই এমন মন্তব্য করেছেন। ১১ আগস্ট পাকিস্থানে ইমরান খানের সাথে আরো বেশ কিছু কেবিনেট নেতা শপদ গ্রহণ করবে বলে জানা গিয়েছে।

The post পাকিস্থানে ইমরান খানের শপদ গ্রহণ আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সুনীল গাভাস্কারকে। তারপর উনি যা জবাব দিলেন… appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nn1I0u
24 ghanta

লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই ১০ টি কেন্দ্রে তৃণমূলকে উপড়ে ফেলে জয়লাভ করতে পারে বিজেপি।

২০১৯ লোকসভা ভোট প্রায় এসেই গেল। দরজার সামনে এসে ঠক ঠক করছে ২০১৯ লোকসভা ভোট। সেই ভোটের কথা মাথায় রেখে সব পার্টি তাদের ভোটের তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। সবাই ভোট নিয়ে তাদের পরিকল্পনা স্থির করে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পিছিয়ে নেই বাংলা বিজেপি। বাকি সব দল গুলির মত তারাও তাদের পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে চলেছে।
বিজেপি নেতৃত্ব আমাদের রাজ্য থেকে ২০১৯ লোকসভা ভোটে ১০ টি আসন পাবার লক্ষ্যে নেমেছিল। কিন্তু রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সাথে মুকুল রায়ের মত একজন নেতা যোগদান করায় সেই সংখ্যা এখন অনেক বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, বিজেপি আসানসোল, দার্জিলিং লোকসভা আসন তো ধরে রাখবেই সেই সাথে মুকুল রায়ের মত একজন বিশিষ্ট নেতার যোগদানের পর বিজেপি আরও দশটা লোকসভা কেন্দ্রে জিততে আশাবাদী। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই দশটা কেন্দ্র:-

১০) বসিরহাট:-
এই লোকসভায় ভোটের সমীকরনে অনেকটাই বদল এসেছে যখন থেকে এখানে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী
ইদ্রিস আলি পেয়েছিলেন ৪ লক্ষ ৯২ হাজার ভোট। কিন্তু সমীকরণ অনুযায়ী এই অঞ্চলে তৃনমূল বিরোধী ভোটার বেশি থাকলেও সেটা ভাগ হয়ে যায় বাম ও বিজেপির মধ্যে। সেই ভোটে বাম প্রার্থীর পাওয়া ভোটের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ভোট। অপ্রত্যাশিতভাবে বিজেপি প্রার্থী সেখানে ২লক্ষ ৩৩ হাজারের মত ভোট পেয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রদায়িক হিংসার ফলে তৃনমূল বিরোধী দল গুলি ধীরে ধীরে ভরসা হারাচ্ছেন বাম সংগঠন গুলির উপর থেকে। এই লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির সংগঠন বেশ মজবুত হয়েছে বসিরহাট (দক্ষিণ), বাদুড়িয়ার মত এলাকাভুক্ত অঞ্চল গুলিতে। তবে মুকুল রায় বিজেপিতে যোগদানের পর থেকে মিনাখা, হাড়োয়া -তে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব চোখে পড়েছে। সেই সুযোগ কেই কাজে লাগিয়ে বিজেপি বাজিমাত করতে চাইছে।

৯) বর্ধমান- দুর্গাপুর:-
আগেরবার বিজেপির ভোটের পরিমান অনেকটা বেড়েছিল এই কেন্দ্রে। বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরী আর এস এস সংগঠনের উপর ভর করে এই এলাকাতে লড়েছিলেন। এবং তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোট। এই এলাকায় বিজেপি তিন নাম্বার পজিশনে থাকলেও এবার এখানে পদ্মফুল ফোটার আসায় আছেন বিজেপি। তার অন্যতম কারন হল দুর্গাপুরে মাঝে মাঝেই তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছায়। এছাড়া এই এলাকায় ভোটার থেকে শুরু করে, এলাকায় নেতা মন্ত্রী সম্ভন্ধে মুকুল রায় খুব ভালো ভাবেই জানেন। এর ফলে এখানে বিজেপির প্রাচার সুবিধাজনক হবে বলে আসা করাই যায়। ফলে এখানে বাজিমাত করাতে বিজেপির বিশেষ কোনো অসুবিধা হবে না।

৮) মালদা:-
২০১৪ লোকসভা ভোটে বিজেপি সবচেয়ে চমকানো ফলটা এখানেই হয়েছিল। অপ্রত্যাশিতভাবেই এখানে বাকি বিরোধী দল গুলিকে পিছনে ফেলে বিজেপি উঠে এসেছিল ২ নং এ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তৃনমূল ৪ নং স্থান অধিকার করেছিল। মাঝের এই কয়েকটি বছর বিজেপি কর্মীরা মন দিয়ে কাজ করেছেন মালদাতে। বিজেপি যদি বামেদের ভোটটা দখন করে নিতে পারে তাহলে এখানে পদ্মফুল ফোটানো কেউ আটকাতে পারবে না।

৭) মেদিনীপুর:-
খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্র যেটি এই লোকসভা কেন্দ্রেরই অন্তর্গত, আমাদের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সেই আসনে জিতেই বিধায়ক হয়েছেন। তাই বলাই যায় যে রাজ্যের বিজেপির এত বড় দায়িত্বশীল নেতা যেখানে জিতেছেন সেখানে এবার লোকসভা ভোটে জিততে বিজেপির খুব একটা অসুবিধা হবে না।
৬) বারাসত:-
পিসি সরকারের মত নামকরা একজন ম্যাজিশিয়ান গত বছর এই লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এবং তিনি যথেষ্ট ভালো ফল করে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। এছাড়াও এখানে পাঁচটা বিধানসভা কেন্দ্রে মুকুল রায় এর দারুন প্রভাব রয়েছে। তাই বিজেপি নেতৃত্ব এখানে জেতার পক্ষে আশাবাদী।

৫) উলুবেড়িয়া:-
এখানে রাজনৈতিক সমীকরণ একেবারে বদলে গিয়েছে সুলতান আমেদের মৃত্যুর পর থেকে। তাই এখানে বিজেপির বাজিমাত করার উপায় হল মুকুল রায় কে ভোট প্রচারে সামনের সারিতে রাখা।
৪) বালুরঘাট:-
জানা যাচ্ছে যে এই কেন্দ্রটি বিজেপি হাতছাড়া করতে চাইছে না। তাই এখানে যাতে অন্য কোনো দল মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে সেই জন্য ব্যাপকভাবে জোর দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। এর জন্য এই কেন্দ্রে মুকুল রায় কে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হবে বলা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
৯) রায়গঞ্জ:-
গতবরে এখানে বামেরা জিতেছিলেন। কিন্তু বাম নেতা সেলিম এবার আর সেই গড় ধরে রাখতে পারবে না বলেই ধরনা প্রকাশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে গতবার বিজেপি-র হয়ে দাঁড়িয়ে নিমু ভৌমিক এখানে ২ লক্ষেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন। তাই বলাই যায় যে কংগ্রেসের জনপ্রিয়তা এখানে অনেক কমে গিয়েছে। একদিকে বিজেপির ভোট বৃদ্ধি অন্যদিকে মুকুলের সাংগঠনিক ক্ষমতা এই দুটি কে কাজে লাগিয়ে বাজিমাত করার আসায় আছে বিজেপি।

২) কোচবিহার:-
দীঘ অনেক বছর ধরে বিজেপি এখানে অনেক ভালো ভালো কাজ করে এসেছে। তার ফলও পেয়েছে গতবারে। এখানে বিজেপি ২ লক্ষ ১৭ হাজার ভোট পেয়েছিল। তাই এবারও এখানে বাজিমাত করার আসায় রয়েছে বিজেপি।
১) আলিপুরদুয়ার:-
এই আসনটাকে নিয়ে অনেক আশা করে রয়েছে বাংলা বিজেপি। এই আসন ভোট ব্যাংকের উর্দে গিয়ে বিজেপির ভালোবাসায় পরিনত হয়েছে এখন। অনেক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে এখানে। আলিপুরদুয়ার কে বিজেপির রাজ্যে প্রবেশ করার দরজা হিসাবে দেখছেন দিল্লির বিজেপি নেতৃত্ববৃন্দ।

#অগ্নিপুত্র

The post লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই ১০ টি কেন্দ্রে তৃণমূলকে উপড়ে ফেলে জয়লাভ করতে পারে বিজেপি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vxImKr
24 ghanta

মোদীর দেখানো পথে হাঁটছে চীন! মোদীর স্বচ্ছ ভারত মিশনের মতোই এবার চীনে শুরু হচ্ছে টয়লেট ক্রান্তি।

দেশে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই একের এক পর বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন। GST হোক, নোটবন্দি হোক বা স্বচ্ছভারত অভিযান হোক, সকল পদক্ষেপেই বিশ্বজুড়ে সুনাম কামিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে IMF এর মত বড়ো সংস্থাগুলি স্বীকার করে নিয়েছে যে বর্তমানে ভারতের বৃদ্ধির হার সবথেকে দ্রুত। ২০১৪ এর পর থেকে ভারত যে হারে বিকশিত হচ্ছে সে হারে না চীন বিকাশ করেছিল না আমেরিকা বিকাশ করেছিল। আসলে এত দ্রুত গতিতে বিকাশের মূল কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব। জানলে অবাক হবেন যে চীন এতদিন নরেন্দ্র মোদীকে গালাগালি করে তারাও আজ মোদীর পরিশ্রমের কাছে মাথানত করেছে।সম্প্রতি চীনে সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’ নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় মুখরিত হয়েছিল।

শুধু এই নয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো রাস্তায় এবার চলতে শুরু করেছে চীনের রাষ্ট্রপতি সি জিনপিং। ২০১৪ সালে মোদী সরকার আসার পর সচ্ছভারত অভিযান মিশন এর জন্য কাজ শুরু করেছিল। আর এখন ভারতের সেই মিশন অনুসরণ করেই চীনও কাজ শুরু করে দিয়েছে। স্বচ্ছ ভারত’ মিশনের মতো করেই এবার চিনে টয়লেট ক্রান্তি মিশন শুরু করেছে সি জিনপিং। এই লক্ষ্যে সি জিনপিং দেশের টয়লেটগুলোকে আপগ্রেট করতে আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি গ্রামীন অঞ্চলগুলোতে মানুষের জীবনের স্তরকে উন্নত করার জন্য টয়লেট নির্মাণ ও আপগ্রেট করার পক্রিয়া শুরু হয়েগিয়েছে।

ইতিমধ্যে পর্যটক স্থলের কাছে থাকা ৬৮,০০০ টয়লেটকে আপগ্রেট করা সম্পন্ন হয়েছে। চীনের নিউজ এজেন্সি সিন হুয়া এর মতে ‘এই কাজে দেশের জন্য একটা বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। দেশকে উন্নত ও পরিবর্তন করার লক্ষ্যে এটা একটা ভালো স্ট্রাটেজি। ভালো প্রচেষ্টার সাথে কাজ করে লক্ষ্য পূরণ করতে হবে যাতে গ্রামীন ও শহুরে মানুষের জীবনের মানকে উন্নত করা যায়। মোদী সরকার দেশের শৌচালয় নির্মাণের জন্য ২০১৯ পর্যন্ত একটা লক্ষ রেখে কাজ করছে আর চীনও সেইভাবেই এগোতে চাইছে। যদিও ভারতে উত্তরপ্রদেশের মতো কিছু কিছু রাজ্য সেই লক্ষ্যকে পর করে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি সচ্ছ ভারত অভিযান বা শৌচালয় নির্মাণে ভারতের জনগণের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে এটা কেউ আন্দাজ করতে পারেনি। এমনকি টয়লেট নির্মাণকে দেশবাসী এতটা গুরুত্বও দেয়নি। কিন্তু এখন WHO রিপোর্ট বের হওয়ার ওর সাফ হয়ে যায় যে মোদী সরকারের পরিকল্পনা মানুষের জীবনকে কতটা পরিবর্তন করতে সক্ষম হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন সরাসরি জানিয়েছে যে এই পদক্ষেপের জন্য ভারতের গ্রামীন মানুষের জীবনে একটা বড় পরিবর্তন আসছে। বহু লক্ষ মানুষ সংক্রমণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে পারছে বলে জানিয়েছে WHO সংস্থা।

The post মোদীর দেখানো পথে হাঁটছে চীন! মোদীর স্বচ্ছ ভারত মিশনের মতোই এবার চীনে শুরু হচ্ছে টয়লেট ক্রান্তি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MyACyB
24 ghanta

তৃণমূলের উপর বদলা নিতে বিজেপিতে যোগ দেবেন ভারতী ঘোষ?

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদল হবার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একমাত্র ভরসাযোগ্য পুলিশসুপার ভারতি ঘোষ কে তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ও ঝাড়গ্রামের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। তারপর অনেক কিছু ঘটে গেছে যে তৃনমূল সরকার তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। তার স্বামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং জামিন অযোগ্য মামলা দেওয়া হয় তার বিরুদ্ধে। কিন্তু প্রাক্তন এই পুলিশসুপার এই সব কিছু চক্রান্তের বদলা নেবেন বলে জানিয়ে দিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেন যে ২০১৯ সালের আগে তিনি রাজনীতিতে নামবেন। এখন তিনি পুলিশ এর চোখে ফেরার এবং তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে। তার স্বামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি এক সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন যে, আমার স্বামী নির্দোষ এবং তিনি একজন অত্যন্ত সৎ মানুষ। আমাদের রাজনৈতিক চক্রান্ত করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যখন আমি তৃনমূলের নির্দেশ মেনে কাজ করতাম তখন আমি খুব ভালো অফিসার ছিলাম। কিন্তু যে দিন থেকে আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি।

সত্যিটা সবার সামনে তুলে ধরেছি সেদিন থেকে আমি তৃনমূলের চোখে দোষী হয়ে গেছি। তাই আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু আমি এটাও বলে রাখছি যে, এই সব কিছুর জবাব আমি দেব তৃনমূলকে। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে তাকে পুলিশসুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি যেখানে দায়িত্ব পান সেখানে তার বিরুদ্ধে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ এসেছে যে তিনি শাসক দল তৃনমূলের হয়ে কাজ করছেন। তাদের জন্য তিনি বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। এমনকী তাঁর উপর থাকে ভোট পরিচালনা করার দায়িত্ব। এমনকি রাজ্য সরকার তার কাজে খুশি হয়ে তাকে একের পর এক পুরস্কারও দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতী ঘোষকে ২০১৪ এবং ১০১৬ সালে ভোটের আগে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন কিন্তু ভোট শেষ হতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাকে আবার নিজের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়।
২০১৭ সালে মুকুল রায় যখন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি’তে যোগদান করলেন তারপর থেকে ভারতী ঘোষ ও তৃনমূলের মধ্যে সুসম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। ভারতী ঘোষ বলেন যে আমাকে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ হিসাবে ওরা আমার উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। বিরোধী দলের ভোট বৃদ্ধির জন্য তৃনমূল আমাকে দায়ি করছে। সবং উপনির্বাচনের বিজেপি যাতে কম ভোট পায় সেই দায়িত্ব দেওয়া হয় আমাকে। আমাকে বলা হয় বিজেপির ভোট আটকানোর জন্য যেকোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে কিন্তু আমি সেটা করিনি। তাই নিরাপত্তা হিনতার অভাবে আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

২০১৮ সালে ৩০ জানুয়ারি, ভারতী ঘোষ চিঠি লিখে জানান, তিনি পদত্যাগ করতে চান। তারপরই রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করতে থাকেন। তাঁর মেদিনীপুরের বাড়ি, তাঁর মাদুরদহের ও তাঁর বাঁশদ্রোণীর ফ্লাটে অভিযান চালিয়ে সোনার গয়না, ৫৭ টি বিদেশী দামী মদের বোতল, সহ প্রায় ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের জমির কাগজ, পেন ড্রাইভ, হার্ড ডিস্ক সহ প্রায় ৫ কোটি টাকা ক্যাশ উদ্ধার করে সিআইডি। কিন্তু এই প্রসঙ্গে ভারতী ঘোষ বলেন যে তিনি না থাকার সুবাধে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। সব চক্রান্তের আড়ালে সত্যি একদিন বাইরে বেরিয়ে আসবে বলে জানান তিনি। ভারতী ঘোষ এখন ফেরার। তিনি আত্মগোপন করে আছেন বলে জানা যাচ্ছে কিন্তু তিনি বলেন যে আমার আত্মগোপনের কোনো দরকার নেই। আমি শুধু অন্য রাজ্যে আছি। কিছু দিন পর অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেই আবার ফিরে যাবো। কিন্তু কোন দলে যোগদান করবেন ভারতী ঘোষ?

বর্তমান বিজেপি নেতা মুকুল রায় এর সাথে তার সম্পর্ক ভালো থাকার সুবাদে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসকে শায়েস্তা করতে বিজেপিতে যোগদান করবেন বলেই শোনা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে এক বিজেপি নেতা বলেন যে মুকুল রায় এবং ভারতী ঘোষ হল তৃনমূলের একদম ভিতরের লোক তৃনমূলের ব্যাপারে তাদের সব খুঁটি নাটি তথ্য জানা আছে। তাই ভারতী ঘোষকে বিজেপিতে সবসময় সুস্বাগত। কারন এরা তৃনমূল বিরোধী লড়ায়ে মুখ্য ভূমিকা নিতে পারে।

#অগ্নিপুত্র

The post তৃণমূলের উপর বদলা নিতে বিজেপিতে যোগ দেবেন ভারতী ঘোষ? appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Mki6Ng
24 ghanta

যা ভয় ছিল তাই হল! জঙ্গিদের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা।

‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যে হয়’- ঠিক এমনটাই হচ্ছে ভারতবর্ষের সুরক্ষা ব্যাবস্থার সাথে। আসলে কংগ্রেস সরকার বহু বছর ধরে রোহিঙ্গাদের শরণার্থী দোহাই দিয়ে ভারতে ঢুকিয়ে দেশের কতবড় সর্বনাশ করেছে তার প্রমান এবার হাতেনাতে মিলছে। জঙ্গি আতঙ্কবাদীদের সাথে যে রোহিঙ্গাদের যোগ আছে তা কেন্দ্র আগেই জানিয়েছিল কিন্তু এবার এটা নিশ্চিত হয়ে গেছে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত। আপনাদের জানিয়ে রাখি, জম্মু পুলিশ সঞ্জুয়া এলাকায় থাকা রোহিঙ্গা বস্তি থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করেছে।আপনাদের মনে করিয়ে দি, সেই সঞ্জুয়া এলাকার ঘটনা যেখানে সৈন ছাওনিতে আতঙ্কবাদী হামলা হয়ে গেছে।

পুলিশ ৩০ লক্ষ টাকা ক্যাশের সাথে ৩ রোহিঙ্গা মহিলা ও ৪ জন রোহিঙ্গা পুরুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য বন্দি করেছে। জম্মু পুলিশ জানিয়েছে যে জঙ্গি সংগঠন ভিখারির মতো থাকা এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের এই টাকা প্রদান করেছে। যাতে এই টাকার মাধ্যমে রোহিঙ্গা মুসলিমরা জঙ্গিদের সাহায্য করতে পারে। ভিখারির মতো থাকা এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সহানুভুতি দেখানো যে ভারতীয়দের উপর কতটা ভারী পড়বে তা এখন বোঝা যাচ্ছে। এখন বিষয়টি পরিষ্কার যে সেনার উপর হামলার পেছনে রোহিঙ্গাদের হাত রয়েছে।

কাশ্মীর ঘাঁটিতে সেনাদের উপর পাথরবাজ করা ও বোমা ছড়াতেও এই রোহিঙ্গারা যুক্ত রয়েছে বলে দাবি অনেকের। দেশের সুরক্ষা সংস্থাগুলি আগেই জানিয়েছিল যে সঞ্জুয়ায় যে হামলা হয়েছিল তাতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের হাত রয়েছে।এস এস পি জম্মু বিবেক গুপ্তা জানিয়েছে যে এই টাকার ব্যাপারে তদন্ত চলছে কিন্তু কিছু রোহিঙ্গা পলায়ন করেছে। জানা গেছে এই রোহিঙ্গারা মায়নামার থেকে যুবতীদের কাজ দেয়ার নামে জম্মুতে নিয়ে এসে বিক্রি করে দেয়।

সরাষ্টমন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বিতরণ করা হবে তার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে রাজ্যগুলিকে রোহিঙ্গাদের সর্বমোট সংখ্যা ও তাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। একদিকে যখন কেন্দ্র রোহিঙ্গাদের বের করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে তখন কেজরিওয়ালের মত নেতারা রোহিঙ্গাদের এদেশে নাগরিকত্ব দান করার জন্য আদালতের দারস্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় কিছু রাজ্যে তো রোহিঙ্গাদের ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে এসে নিজের রাজ্যে থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে এবং ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করার পরিকল্পনা করছে।

The post যা ভয় ছিল তাই হল! জঙ্গিদের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2KG5NWI
24 ghanta

উপসভাপতি নির্বাচনে NDA এর জয়লাভের পর PM মোদী এমন কিছু বললেন যাতে বিরোধীরাও নিজেদের হাসি আটকাতে পারলেন না।

রাজ্যসভার উপসভাপতি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।এই নির্বাচনে NDA এর তরফ থেকে দাঁড়ানো হরিবংশ নারায়ণ সিং জয় লাভ করেছে। যিনি JDU এর রাজ্যসভা সাংসদ এবং একজন পত্রকার ছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ দাঁড়িয়েছিলেন থেকে বি কে হারিপ্রাসাদ যিনি কংগ্রেস থেকে রাজ্যসভা সাংসদ ছিলেন এবং কংগ্রেসের রাষ্ট্রীয় সচিব ছিলেন উনাকে এই নির্বাচনে হারের সম্মুখীন হতে হয়। আপনাদের জানিয়ে দি, হরিবংশ নারায়ণ সিংহ নির্বাচনে জেতার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উনাকে সম্বর্ধনা জানান। সম্বর্ধনা জানানোর সময় প্রধানমন্ত্রী এমন কিছু করেন যাতে বিরোধীরা নিজেদের হাসার থেকে আটকাতে পারলেন না।

উপসভাপতি নির্বাচনকে জেতার জন্য যেকোনো পক্ষের প্রার্থীকে ১১৯ টি সিট জেতার প্রয়োজন ছিল। কারণ বর্তমানে রাজ্যসভা সদনে থাকা ২৪৪ সদস্যের মধ্যে আপ এর ২ জন, কংগ্রেসের ২ জন ও পিডিপির ২ জন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। যেকারণে ২৩৭ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার ফলে ১১৯ সংখ্যাকেই বহুমত ধরা হয়েছিল। এই লড়াইয়ে বিজেপির তরফ থেকে দাঁড়ানো হরিবংশ নারায়ণ সিংহ ১২৫ ভোট পেয়ে জয় লাভ করে অন্যদিকে হরিপ্রসাদ ১০৫ টি ভোট পেয়ে হারের সম্মুখীন হয়।

এই জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হরিবংশকজিকে রাজ্যসভার উপসভাপতি হওয়ার সম্বোধন জানান এবং বলেন ‘আগস্ট ক্রান্তিতে বালিয়ার অনেক যোগদান ছিল আর হারিবংশ বাবু ওই মাটি থেকেই আসেন। সাংসদ রূপেও উনার জীবনকাল বেশ সফল ছিল। এই নির্বাচনে দুই তরফ থেকেই হরি ছিলেন। এখন নির্বাচম সমাপ্ত হওয়ার পর মনে করি যে এবার সদন হরির ভরসায় চলবে। আশা করি যে সাংসদের উপর হরির কৃপা থাকবে।”

যেহেতু দুই তরফের প্রার্থীর নাম হরি দিয়ে শুরু সেই পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে এবার সদন চলবে হরির কৃপায় অর্থাৎ হরিবংশ এর নেতৃত্বে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, অনেকে মনে করেছিল যে এই নির্বাচনে বিরোধী দল জয় লাভ করবে। কিন্তু অমিত শাহ ও নীতিশ কুমারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে কংগ্রেস বিজেপির কাছে হার মানে এবং হরিবংশ বহুমত পেয়ে জয়লাভ করে।

The post উপসভাপতি নির্বাচনে NDA এর জয়লাভের পর PM মোদী এমন কিছু বললেন যাতে বিরোধীরাও নিজেদের হাসি আটকাতে পারলেন না। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vvNjUh
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started