মা ভারতীর সুপুত্র ও রাষ্ট্রনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ভারতীয়রা যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে: যোগী আদিত্যনাথ

২৩ শে জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Subhas Chandra Bose) জন্মদিন উপলক্ষে দেশজুড়ে মানুষ তাদের আবেগ প্রকাশ করছেন। bangla khobor দেশজুড়ে স্কুল, কলেজে একদিকে পালিত হচ্ছে সুভাচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী। অন্যদিকে দেশের বড়ো বড়ো নেতা মন্ত্রীরাও নেতাজিকে প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সকালেই নেতাজী কেন্দ্রিক একটা ভিডিও প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অবদানের জন্য ভারতীয়রা চিরকাল ঋণী হয়ে থাকবে। তিনি ভারতীয়দের উন্নতির জন্য বড়ো সংগ্রাম করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ছাড়াও দেশের অন্যান্য সমস্থ নেতারা রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সুভাষচন্দ্র বসুকে প্রণাম জানিয়েছেন ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ টুইট করে লিখেছেন, অসংখ্য যুবকদের প্রেরণাপুঞ্জ তথা মা ভারতীর সুপুত্র, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী, আজাদ হিন্দ ফৌজের মহানায়ক ও রাষ্ট্র্বনায়ক সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীতে উনাকে জানাই কোটি কোটি প্রণাম।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আরো লিখেছেন যে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণে রাখবেন এবং যুগ যুগ ধরে উনি ভারতীয়দের প্রেরণা দেবেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। উনাকে বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মান্যতাও দিয়েছিলেন। যদিও বর্তমানে ভারতের ইতিহাস থেকে সমস্থকিছুকে মুছে ফেলা হয়েছে।

জনেতাজি শুধু ভারতের নেতা ছিলেন না। সুভাষ চন্দ্র বসু পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নেতা হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তখনকার দিনে হিটলার সহ সব বড়ো নেতাদের ৬ থেকে ৭ জন করে বহুরূপী থাকতো। কিন্তু নেতাজির ছিল ১৬ জন বহুরূপী। যারা ছিলেন প্রায় নেতাজির মতোই দেখতে। নেতাজি যদি একদেশ থেকে অন্য দেশে যেতেন, তাহলে তার আগে ওই রাস্তায় বহুবার টেস্ট করে দেখা হতো যে পথ নিরাপদ কিনা। কারণ নেতাজি তখনকার দিনে পুরো দক্ষিণ এশিয়াকে মুক্তির জন্য কাজ করেছেন।

from India Rag https://ift.tt/36ruOjp

১৪৪ টি আদিবাসী পরিবারকে ধর্মান্তকরণ করছিল খ্রিস্টান মিশনারিরা! তাদের সনাতন হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনলো এক হিন্দু সংগঠন

কোনো এক আফ্রিকান নেতা বলেছিলেন, ” যখন খ্রিস্টান মিশনারীরা আমাদের দেশে এসেছিল তখন তাদের কাছে ছিল বাইবেল আমাদের কাছে ছিল জমি সম্পত্তি। কিন্তু কিছু বছর পরে আমাদের হাতে হাতে চলে এলো বাইবেল তাদের কাছে চলে গেল জমিজমা সম্পত্তি।” এখন আরো একবার ভারতবর্ষের খ্রিষ্টান মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণ এর ব্যাবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আগেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রাজনাথ সিং খ্রিস্টান মিশনারিদের এবিষয়ে সাবধান হয়েছিলেন। কিন্তু পরিস্থিতি যেন এখনও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ইংরেজরা যখন ভারতবর্ষে এসেছিল তখন থেকেই ভারতীয়দের খ্রিস্টানে ধর্মান্তকরণ এর প্রয়াস চালিয়েছিল। তবে সেই সময় হিন্দু সমাজ ধর্মের প্রতি বেশি নিষ্ঠাবান হওয়ার কারণে ইংরেজরা দ্রুত সফল হতে পারেনি। তবে সময়ের সাথে থেকে ভারতে ইংরেজদের মেকেলে শিক্ষা বিস্তারের কারণে ভারতের জনগন নিজের সভ্যতাকে সংস্কৃতিকে হারিয়ে পাশ্চাত্য সভ্যতা সংস্কৃতি প্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। যার দরুন ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিরা ব্যাপকহারে ধর্মান্তকরণ এর ব্যাবসা চালায়।
জানিয়ে দি, ধর্মান্তকরণ এর জন্য বিশ্বের খ্রিস্টান দেশগুলি মোটা টাকা ফান্ডিং হয় যা খ্রিস্টান মিশনারি ও NGO এর হাত ধরে সঞ্চালিত হয়। আসলে ভারতের ভূমি বিশ্বের সবথেকে উর্বর জমি, এটা মাথায় রেখেই সমস্থকিছু পরিকল্পনা করা হয়। তবে বিগত কিছু দশকে হিন্দু সমাজ কোণঠাসা হয়ে পড়ার পর সামান্য কিছু সংখ্যায় সক্রিয় হতে শুরু করেছে।

গুজরাট থেকে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যেখানে ১৪৪ টি আদিবাসী পরিবারকে খ্রিস্টানে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছিল। এখন তাদেরকে আবার ‘ঘরে ফেরানো’ হয়েছে তথা সনাতন ধর্মে নিয়ে আসা হয়েছে। গুজরাটের ডাঙ জেলায় এমন বিশ্বহিন্দু পরিষদ, অগ্নিবীর ইত্যাদি সংগঠনের উদ্যোগে ১৪৪ টি আদিবাসী পরিবার সনাতন ধর্মে পুনরায় ফিরে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে খ্রিস্টান মিশনারিরা অধিবাসীদের দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে তাদের ধর্মান্তকরণ করে এবং ধীরে ধীরে তাদের জমির উপর কব্জা বসায়।

from India Rag https://ift.tt/2TXmkhu

ভারত ভাগের বয়ান দেওয়ার পর থেকেই ভয়ে পলাতক JNU এর ছাত্র শারজিল! হন্যে হয়ে খুঁজছে তিন রাজ্যের পুলিশ

আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে (AMU) আরও একবার দেশ বিরোধী বয়ান দেওয়ার কারণে শারজিল ইমাম (sharjeel imam) এর উপর দিল্লী পুলিশ আরও একটি মামলা দায়ের করল। এর আগে আলীগড়ে শারজিল ইমামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। শারজিলের তল্লাশিতে উত্তর প্রদেশ, দিল্লী আর বিহার পুলিশ লেগেছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) মডার্ন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি এর ছাত্র শারজিল ইমাম আলীগড় মুসলিম বিদ্যালয়ের মুখ্য দ্বারা হওয়া ধর্নায় গত ১৬ই জানুয়ারি এক উসকানিমূলক এবং দেশ বিরোধী স্লোগান দিয়েছিল। ওই ভাষণে ইমাম বলেছিলে, যদি আমরা উত্তর-পূর্বের রাজ্য গুলোকে ভারত থেকে আলদা করে দিই তাহলে আমরা আমাদের মানতে বাধ্য করতে পারব সরকারকে।
ভাইরাল ভিডিওতে আরও অনেক আপত্তিজনক কথাও বলা হয়েছিল। এই বিষয় গম্ভীর ভাবে নিয়ে পুলিশ থানা সিবিল লাইনে দেশদ্রোহ এর মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত ছাত্রকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের দল তল্লাশি চালাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।

https://platform.twitter.com/widgets.js
আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দেড় মাস ধরে নাগরিকতা সংশোধন আইন, এনআরসি, এনপিআর, জেএনইউ আর এএমইউতে হওয়া হিংসা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছে। আর সেখানে নিজেকে জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রুপে পরিচয় দেওয়া শারজিল ইমাম ১৬ই জানুয়ারি ধর্না স্থলে যায় আর উসকানিমূলক ভাষণ এবং দেশ বিরোধী কথা বলে। আর সেই ভাষণের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

from India Rag https://ift.tt/2O3tA7M

নয় ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাস্ট গঠন, তিন মাসের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণ শুরুঃ যোগী আদিত্যনাথ

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, অযোধ্যা রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের জন্য নয় ফেব্রুয়ারির মধ্যে ট্রাস্ট গঠন হবে আর তিন মাসের মধ্যে মন্দির নির্মাণ শুরু হয়ে যাবে। বিরোধীদের উপর আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ভোট ব্যাংকের রাজনীতির দোকান বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় মানুষকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে সিএএ (CAA) এর বিরোধিতা করা হচ্ছে। সরকার প্রদর্শনের চাপে আসবেনা। যারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি করেছে, তাঁদের কাছ থেকে যে করেই হোক ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শনিবার লখনউয়ের একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন, সেখানে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় তিনি প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর উপর আক্রমণ করে বলেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর আধ্যাত্মিকতা কোন অনুভব আর জ্ঞান নেই। উনি বলেন, ইতালি আর ভারতের সংস্কৃতি আলদা। উনি বলেন, বিরোধীরা যাতে ‘গেরুয়া” শব্দের মানে বুঝতে পারে সেই জন্য রাজ্যে তানহাজী সিনেমা ট্যাক্স ফ্রি করে দিয়েছি। যোগী আদিত্যনাথ দাবি করে বলেন, ২০২২ সালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গঠন করবে আবার।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্ত সংবিধানের উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরাই বলছে, যারা দেশ ভাগের জন্য দায়ী। যারা পরিকল্পনা লাগু করা থেকে শুরু করে যেকোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শুধু ধর্মের রঙ খুঁজেছে তাঁরাই বিজেপির উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমদের সরকার গরিবদের জন্য কাজ করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, যারা হিংসা আর উপদ্রব করে সিদ্ধান্তকে বদল করার স্বপ্ন দেখছে, তাঁরা গভীর নিদ্রায় আছে। শান্তিপূর্ণ বিরোধ স্বীকার করা হবে, কিন্তু হিংসা আর আগুন জ্বালানো কখনো বরদাস্ত হবেনা। উপদ্রবিরা এটা যেন না ভাবে যে, মুখ্যমন্ত্রী আবাসে ডেকে তাঁদের মালাদান করা হবে। এই সরকার দোষীদের উপযুক্ত শিক্ষা দেবে।

from India Rag https://ift.tt/2RvmzPg

রাজপথে নারী শক্তিঃ তানিয়া, সীমা আর মিনা চৌধুরী করলেন শৌর্যের প্রদর্শন

গোটা ভারত (India) জুড়ে আজ সারম্বরে পালিত হচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day)। আরেকদিকে দেশের রাজধানী দিল্লীতে আজ ভারত গোটা বিশ্বের সামনে নিজেদের সৈন্য ক্ষমতার প্রদর্শন করে। আরেকদিকে, আজ রাজপথে মহিলা শক্তির প্রদর্শনও দেখা যায়।

 
তানিয়া শেরগিল

সিগন্যাল কোরে ক্যাপ্টেন তানিয়া শেরগিল (tania shergill) কোর অফ সিগন্যাল দলের নেতৃত্ব দেন। তখন আরেকদিকে, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এর র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের ইনস্পেকটর সীমা নাগ (seema nag) আর সিআরপিএফ হেড কনস্টেবল মীনা চৌধুরী (mina chowdhury) রাজপথে নারী শক্তির প্রদর্শন করেন।
তানিয়া শেরগিল পরিবারের চতুর্থ প্রজন্ম যিনি সেনাতে ভর্তি হয়েছে। ওনার বাবা আর্টিলারি, ঠাকুরদাদা আর্মড আর প্রোপিতামহ শিখ রেজিমেন্টে ইনফ্যান্ট্রি সেনায় থেকে দেশের সেবা করেছেন। তানিয়া শরগিল সিগন্যাল কোরে ক্যাপটেন। উনি ইলেক্ট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশনে বিটেক করেছেন। তানিয়া এবার প্রথম গণতন্ত্র দিবসে পুরুষ দল্কে নেতৃত্ব দেন। এর আগে গত বছর ক্যাপ্টেন ভাবনা কস্তুরি গণতন্ত্র দিবসে পুরুষ দলের নেতৃত্বে ছিলেন।

 
সীমা নাগ

ইনস্পেক্টর সীমা নাগ সিআরপিএফ এর র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের সদস্য। সিআরপিএফ বিশ্বের সবথেকে বড় আধাসামরিক বাহিনী। এই বাহিনীতে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার জওয়ান আছে।
সীমা নাগ চলন্ত মোটর সাইকেলে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে স্যালামি দেন। এর আগে সীমার কাছে রাজপথে হওয়া গণতন্ত্র দিবসের প্যারেডের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন সীমা জানান আমি অনেক দিন ধরেই এই প্যারেডের অংশ হওয়ার অপেক্ষা করছিলাম। আমি এটা নিয়ে খ্যবই উৎসাহিত।

 
মীনা চৌধুরী

হেড কনস্টেবল মীচা চৌধুরী সিআরপিফ এর সদস্য। হেড কনস্টেবল মিনা অবাক করা স্টাইলে চলন্ত বাইকে দুই হাতে নয় এমএম এর পিস্তল নিয়ে সাবধান মুদ্রায় শক্তি প্রদর্শন করেন।

from India Rag Bengali : Bengali News, Bangla News, latest bengali news, Bangla Khobor, Bangla, বাংলা খবর https://ift.tt/2TSBmFc

from India Rag https://ift.tt/3aLhNEQ

CAA-NRC এর বিরোধিতায় গ্রামে গ্রামে ঘুরছিলেন সিপিএম নেতা! গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে ছাড়লেন ময়দান

বামপন্থী নেতা সিএএ আর এনআরসির (CAA and NRC) বিরোধিতা করা ভারি পড়ল। বাম নেতা জনজাগরুকতা অভিযান চালিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে সিএএ আর এনআরসির বিরোধিতা করছিলেন। এই অভিযানের সময় গ্রামের কিছু যুবক বাম নেতাকে অভিযান থামিয়ে ফিরে যেতে বলে। যখন যুবকদের বিরোধিতার পরেও বাম নেতা নিজের প্রচার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল, তখন গ্রামের যুবকেরা ওনাকে তাড়িয়ে দেয়।
বামপন্থী নেতাকে তাড়িয়ে দেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে গ্রামবাসীরা বলছেন যে, আমরা সিএএ আর এনআরসিকে সমর্থন করি। এখানে দেশ বিরোধী কাজ করবেন না, আপনি চলে যান। শোনা যাচ্ছে যে এই ভিডিও ১৬ই জানুয়ারির। আর এই ভিডিওতে যেই নেতাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে গ্রামবাসীরা ওয়ান্র নাম বিদ্যা সিং কুশবাহ। তিনি সিপিএমএর বিহারের গোপালগঞ্জ এলাকার বরিষ্ঠ নেতা।
ভিডিওতে পরিস্কার দেখা যাচ্ছে যে, বাম নেতা জনজাগরণ অভিযান রথ চালিয়ে কুচাইকোটের বাঘউচ মোড়ে পৌঁছে সেখানে মাইক লাগানো শুরু করে সিএএ আর এনআরসির বিরুদ্ধে কিছু বলছিলেন। আর সেই সময় কিছু যুবক যারা সেখান দিয়েই যাচ্ছিল, তাঁরা এনআরসি আর সিএএ এর সমর্থন করে ওনাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। যুবকদের বিরোধিতার পরেও বাম নেতা যখন ফেরত যাচ্ছিলেন না, তখন যুবকেরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে আর ওনাকে বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী অভিযান না চালানোর পরামর্শ দিয়ে মাইক বন্ধ করে তাড়াতাড়ি চলে যেতে বলেন। শেষে নেতাজি যুবকদের আমনে হার মেনে সময়ের আগেই সেখান থেকে চলে যান।
প্রায় এক মিনিট সাত সেকেন্ডের এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব ভাইরাল হচ্ছে। অনেকেই এই ভিডিও শেয়ার করে দেশ বিরোধীদের এভাবেই জবাব দেওয়ার আবেদন করছেন। এই ভিডিও নিয়ে বাম নেতার সাথে কথা বললেন, উনি ভিডিওর সত্যতা স্বীকার করেন।

from India Rag Bengali : Bengali News, Bangla News, latest bengali news, Bangla Khobor, Bangla, বাংলা খবর https://ift.tt/2TWBeV9

from India Rag https://ift.tt/36v0rZg

৪৮ বছর পুরনো নিয়ম ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বানালেন নতুন পরম্পরা

ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) ৪৮ বছরের পুরনো পরম্পরা ভেঙে এক নতুন পরম্পরার সৃষ্টি করলেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদী যুদ্ধবীরদের বলিদানকে স্যালুট জানাতে ইন্ডিয়া গেটে (India Gate) অমর জওয়ান জ্যোতি (Amar Jawan Jyoti) যাননি, উনি সম্প্রতি বানানো রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন।

এটাই প্রথম যে, কোন প্রধানমন্ত্রী অমর জওয়ান জ্যোতি না গিয়ে যুদ্ধ স্মারকে গেলেন, আর সেখানে গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দিলেন। এই অবসরে দেশের প্রথম চীফ অফ ডিফেন্স স্টাফ ছাড়াও তিন সেনার প্রধান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দিল্লীর ইন্ডিয়া গেটে ১৯৭২ সালে অমর জওয়ান জ্যোতি স্মারক বানানো হয়েছিল।। প্রথমে তিন সেনার প্রধান স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবসরে সেখানে গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতেন। এবার প্রথম সিডিএস গণতন্ত্র দিবসে অংশ নেন। উল্লেখ্য, প্রাক্তন সেনা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত ১লা জানুয়ারি থেকে সিডিএস পদের দায়িত্ব নিয়েছেন।

অমর জওয়ান জ্যোতি একটি বন্দুকের উপরে জওয়ানের হেলমেট রাখা আছে, আর সেটির নীচে অবিরাম একটি প্রদীপ জ্বলে। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে শহীদ হওয়া জওয়ানদের স্মরণে ইন্ডিয়া গেটে এই স্মারক নির্মাণ করা হয় ১৯৭২ সালে। প্রায় ৪০ একর এলাকায় থাকা রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ স্মারকে চারক চক্র অমর চক্র, বীরতা চক্র, ত্যাগ চক্র আর রক্ষক চক্র আছে, সেখানে গ্রানাইটের পাথরে স্বর্ণাক্ষরে ২৫ হাজার ৯৪২ জন জওয়ানের নাম লেখা আছে।
রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ স্মারকে ১৫.৫ মিটার উঁচু একটি স্মারক স্তম্ভ, অবিরাম জ্বলতে থাকা জ্যোতি আর কাঁসা দিয়ে ভারতীয় সেনা, বায়ু সেনা আর নৌসেনা দ্বারা লড়াই করা প্রসিদ্ধ লড়াই গুলোর ছবি আঁকা আছে। এই স্মারক ১৯৬২ ভারত চীন যুদ্ধ, ১৯৪৭, ১৯৬৫ আর ১৯৭১ এর ভারত-পাক যুদ্ধ, ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধ তথা সংযুক্ত শান্তি রক্ষা অভিযানের সময় শহীদ জওয়ানদের সমর্পিত করা হয়েছে।
৪২ মিটার উঁচু ইন্ডিয়া গেট প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) আর তৃতীয় অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ (১৯১৯) এ শহীদ জওয়ানদের সন্মানে অল ইন্ডিয়া ওয়ার মেমোরিয়াল আর্চ রুপে ব্রিটিশ রাজ দ্বারা বানানো হয়েছিল।

from India Rag https://ift.tt/3aNvt2e

শুধুমাত্র সরস্বতী পুজো করতে চেয়ে রাস্তায় নেমেছিল ছাত্র ছাত্রীরা! লুঙ্গিবাহিনী কট্টরপন্থীরা করলো আক্রমন, মারধর

ধৰ্মনিরপেক্ষতা পালনের আড়ালে দিন দিন পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পরিস্থিতি কোন দিকে এগিয়ে চলেছে তা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতো এখন পশ্চিমবঙ্গের সরস্বতী পুজোর অধিকারকে দমন করার চেষ্টা চলছে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাড়োয়া থেকে এমন ঘটনা সামনে এসেছে। যেখানে একটা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা সরস্বতী পুজো চালু করার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিল। প্রায় ৮ বছর ধরে বন্ধ থাকা সরস্বতী পুজো চালু করার দাবিতে পথ অবরোধ করেছিল ছাত্র ছাত্রীরা। কিন্তু বিষয়টি মোটেই এলাকার কট্টরপন্থীদের পছন্দ হয়নি। যার কারণে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের উপর আক্রমন চালিয়ে দাবি দমনের চেষ্টা চলে।

শুক্রুবার সকাল থেকে চৌহাটা আদর্শ বিদ্যালয়ে ছাত্ৰছাত্রীরা সরস্বতী পুজোর দাবি তুলে রাস্তা অবরোধ করেছিল। ছাত্ৰ। ছাত্রীরা প্লে কার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল যেখানে লেখা ছিল, আমাদের দাবি মানতে হবে, স্কুলে পুজো চালু করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। স্কুলের নামে সাথে আদর্শ যুক্ত থাকলেও স্কুলে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে সরস্বতী পূজো পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। সরস্বতী পুজোর দাবিতে রাস্তায় নামলে কট্টরপন্থীরা আক্রোশিত হয়ে পড়ে।
বিকেল হতেই কট্টরপন্থীরা ছাত্র ছাত্রীদের দিকে ইট,পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। বেশকিছু ছাত্র ছাত্রীকে মারধরও করে সরস্বতী পুজো বিরোধী এই কট্টরপন্থীরা। সন্ধ্যার দিকে কট্টরপন্থীরা সশস্ত্রে হাজির হয়ে যায়। এরপর দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। প্রায় ১৫ টি বাড়ি ভাঙচুরও করে এই কট্টরপন্থীরা।

বাংলাদেশে কট্টরপন্থীরা যেভাবে উপদ্রব করে ঠিক একইভাবে চলে উপদ্রব। ঘটনা নিয়ে এলাকার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সরস্বতী পুজো চালু হবে কিনা সেই ব্যাপারে এখনও কোনো আশ্বাসন পাওয়া যায়নি।

from India Rag https://ift.tt/2RP6xP4

অসমে পর পর ৪ টি গ্রেনেড বিস্ফোরণ! প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন কেঁপে উঠলো পুরো অসম

প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন একদিকে যখন পুরো দেশ এক হয়ে দেশের প্রতি, দেশের সংবিধানের প্রতি সন্মান জ্ঞাপন করছে তখন অসম থেকে এক চাঞ্চল্যকর খবর সামনে আসছে। পর পর ৪ টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের দরুন সেরাজ্যের ডিব্রুগড়, গ্রাহাম বাজার সহ একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে মূলত ULFA সমর্থকদের হাত রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পরেই পুলিশ ও বাকি প্রশাসনিক অধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। এখনও অবধি কোন প্রাণ হানি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশ আপাতত এই নিয়ে সক্রিয়ভাবে তদন্ত শুরু করেছে। সমস্থকিছু খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, কট্টরপন্থীরা অসমকে টার্গেট করে রেখেছে। শাহীন বাগের মাস্টারমাইন্ড JNU এর ছাত্র সারজিল ইমাম ভারতকে ভাঙার পুরো পরিকল্পনা করে ফেলেছে তা সে নিজের মুখেই প্রকাশ করেছে। সারজিল ইমাম ভিড়ের সামনে বলেছে ‘আমরা উত্তর-পূর্ব কে ভারত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দিতে পারি। সম্পূর্ণভাবে না পারলেও আমরা কিছুদিনের জন্য আলাদা তো করতেই পারি। আসাম কে আলাদা করা আমাদের দায়িত্ব।’
সারজিল ইমাম আরো বলেছে যে, আসাম ও ভারতকে আলাদা করতে হবে, কেটে আলাদা করতে হবে। এমত অবস্থায় অসমকে নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিও সক্রিয় হবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। মাত্র কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল ও সেনার উপস্থিতিতে ৬৪৪ জন জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছিল।
২৩ শে জানুয়ারি জঙ্গিরা আত্মসমর্পণ করেছিল আর আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন অসমে পর পর চারটি বিস্ফোরণ দেশকে ভাবিয়ে তুলেছে। CAA, NRC নিয়েও কট্টরপন্থীরা অসমকে ঊত্তপ্ত করার প্রয়াস করেছিল। অসমকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র নিয়ে সমস্থ ঘটনা ঘটছে নাকি অন্য কোনো ইস্যু রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। India Rag 

from India Rag https://ift.tt/36uYps8

জম্মু কাশ্মীরের শ্রীনগরে সেনার উপর গ্রেনেড হামলা, আহত দুই জওয়ান

জম্মু কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) শ্রীনগর থেকে বড় বাংলা খবর সামনে আসছে। শ্রীনগরের নুরবাগ এলাকায় জঙ্গিরা গ্রেনেড অ্যাটাক (Grenade Attack) করেছে বলে জানা যাচ্ছে। এই জঙ্গি হামলায় এক সিআরপিএফ (CRPF) কর্মী আর জম্মু কাশ্মীর পুলিশের এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। শোনা যাচ্ছে যে, ওই জওয়ানদের পা আর চোখে আঘাত লেগেছে, আর তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js
জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় বুধবার সেনার এনকাউন্টারে এক জঙ্গি খতম হয়। মৃত জঙ্গি পাকিস্তানের বাসিন্দা বলে জানা যায়। আর ওই জঙ্গি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-এ-মোহম্মদ এর সাথে যুক্ত ছিল। এক বরিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক শুক্রবার এই তথ্য দেন। উনি বলেন, মৃত জঙ্গি দক্ষিণ কাশ্মীরে আবু সৈফুল্লা আর আবু কাসিমের নামে সক্রিয় ছিল।
আধিকারিক জানান, মৃত জঙ্গি দুজনের অপহরণ আর হত্যার সাথে জড়িত। আর সাথে সাথে সে বিশেষ পুলিশ আধিকারিক (এসপিও) আর অ-কাশ্মীরি শ্রমিকদের উপত্যকা ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিত। উনি বলেন, ২০১৩ সালে কুপওয়ারায় সেনার এনকাউন্টারে খতম হওয়া কুখ্যাত জইশ এর জঙ্গি পাকিস্তানি কম্যান্ডার কারী ইয়াসির এর ঘনিষ্ঠ ছিল।

from India Rag https://ift.tt/2NXev7o

Design a site like this with WordPress.com
Get started