বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: হিন্দু সেজে এইভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা।

বহু বছর ধরে শরণার্থীদের তকমা দিয়ে অবৈধ রোহিঙ্গা মুসলিমদের দলে দলে দেশে ঢোকানো হয়েছে। আর এখন তার খারাপ প্রভাব হাত নাতে পাচ্ছে দেশবাসী। মাত্র কয়েকদিন আগেই রোহিঙ্গা ও জঙ্গিদের একত্রে কাজ করার প্রমান পাওয়া গেছে। এমনকি সঞ্জুয়ান সেনা ছাউনিতে যে জঙ্গি হামলা হয়েছিল সেখানেও যুক্ত ছিল রোহিঙ্গা মুসলিমরা।অর্থাৎ এতদিন ধরে কংগ্রেস মানবিকতা দেখিয়ে যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতে থাকতে দিয়েছে তারাই এখন ভারতের সুরক্ষার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।সম্প্রতি রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিয়ে আরো একটা খবর সামনে আসছে যা জানার পর আপনিও কেঁপে উঠবেন। আসলে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা হিন্দু সাধু সেজে দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শুধু এই নয় এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা সাধু বেশে একলা থাকা মহিলাদের ধর্ষণ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ আসছে।

 

সম্প্রতি দিল্লিতে একটি ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে ফিরোজ খান নামের এক রোহিঙ্গা মুসলিম ও তার সহকারীদের পাকড়াও করা হয়েছে। সচেতন স্থানীয়রা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ধরে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। যদিও দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার ভোটবাঙ্কের খাতিরে রোহিঙ্গা মুসলিমদের তোষণ শুরু করেছে।ফিরোজ খান নামের ওই ব্যক্তি গেরুয়া বস্ত্র পরে এবং সম্পূর্ণভাবে হিন্দু সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। পরে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাকে তার প্রমানপত্র দেখানোর জন্য বলে। সেখানেই জানা যায় যে সে মুসলিম ধর্মাবলীর লোক এবং হিন্দু সেজে ভণ্ডামি করছে।

এই রোহিঙ্গা মুসলিমরা সাধু সেজে অপরাধমূলক কাজ করার ধান্দায় ছিল। আপনাদের জানিয়ে দি, রোহিঙ্গা মুসলিমরা সাধু সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছে কারণ সাধু সন্তদের উপর হিন্দু সমাজ ভরসা করে আর সেই ভরসাকে হাতিয়ার করে দেশের ক্ষতি রোহিঙ্গা মুসলিমরা। উল্লেখ্য ব্যাপার, এই ফিরোজ খানের মতো রোহিঙ্গা মুসলিমরা কোনো ধর্ষণ কান্ডে জড়িত হলে দালাল মিডিয়া প্রকাশ করবে যে হিন্দু সাধু ধর্ষণ করেছে। অর্থাৎ আসল সত্য গোপন করে হিন্দুদের বদনাম নাম করবে মিডিয়া।

কেন্দ্র সরকার এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের দেশ থেকে বের করার জন্য প্রস্তুত হয়েগেছে কিন্তু কিছু রাজ্য এখনো এই রোহিঙ্গাদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য পুষে রাখতে চাইছে। জানলে অবাক হবেন দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার এই রোহিঙ্গাদের জন্য প্রতি সপ্তাহে চাল, ডাল এমনকি আলো ও জলের ব্যাবস্থাও করে দিয়েছে। শুধু এই নয় কেজরিওয়ালের পার্টির এক নেতা রোহিঙ্গা মুসলিমদের সিটিজেনশিপ পর্যন্ত দিতে চাইছে।

The post বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: হিন্দু সেজে এইভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2KIEeME
24 ghanta

১৮ বছর পর সাংসদে হলো এমন কাজ যার মাধ্যমে রেকর্ড তৈরি করলো মোদী সরকার।

সাধারণত দেশে সংসদের কথা উঠলেই হাঙ্গামার মতো ঘটনা সামনে চলে আসে। আর হাঙ্গামার জন্যেই বেশিরভাগ সময় সদন খবরে ছেয়ে থাকে।কিন্তু NDA এর এই সময়কালে সদনের পরিবেশ বেশ উজ্জ্বল ছিল। সাংসদের দুই সদনে হাঙ্গামা নয়, কাজের রেকর্ড তৈরি হয়েছে। লোকসভায় ১৭ টি বৈঠকে নিন্ম সদনে ২১ বিধেয়কের মঞ্জুরি প্রদান করানো হয়েছে। সরকারের তরফে লোকসভায় ২২ টি বিধেয়ক পেশ করা হয়েছিল। সদনের কার্যকাল নিদিষ্ট সময়ের থেকে ২০ ঘন্টা বেশি সময় ধরে চলেছিল। কারণ সদনের সাংসদরা বেশি সময় ধরে উপস্থিত ছিলেন। এই বছর সদনের বর্ষাকালীন সময়কাল ১০ আগস্ট বাড়ি ক্রেতাদের জন্য একটা বিধেয়ক পাশ হওয়ার পর শেষ হয়। কাজের দিক থেকে এটা সবথেকে ভালো সময়কাল ছিল। এই সময়কালে কাজের দিক থেকে এমন কিছু রেকর্ড তৈরি হয় যা মোদী সরকারের জন্য ইতিহাস বানিয়ে ফেলে। লোকসভায়।

নির্ধারিত সময়ের থেকে ১০% বেশি সময় ধরে কাজ হয়েছে অন্যদিকে রাজ্য সভায় ৬৬% বেশি সময় ধরে কাজ হয়েছে। লোকসভার অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহানজন বলেন, লোকসভার ১৭ টি বৈঠক হয়েছে যেগুলি ১১২ ঘন্টা ধরে চলেছে। রাষ্ট্রীয় পিছড়া বর্গ আয়োগকে সাংবিধানিক মান্যতা প্রদান করা গুরুত্বপূর্ণ কানুন ছিল। এছাড়া অনুসূচিত জাতি ও অনুসূচিত জনজাতি অধিনিয়ম এ তৎকাল গ্রেপ্তারের ব্যাপারের কানুন আরেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

অন্যান্য কানুনের মধ্যে বাচ্চাদের অনিবার্য শিক্ষা দান বিধেয়ক, পলাতক আর্থিক বিধেয়ক, দুর্নীতি নিধরোক সংশোধক বিধেয়ক, অপরাধী বিধি সংশোধন বিধেয়ক,বাণিজ্য আদালত, উচ্চন্যায়লয়ের বাণিজ্য খন্ড ও বাণিজ্য আবেদন বিধেয়ক, অচল সম্পত্তি আবশ্যকতা ও অধিগ্রহণ সংশোধন বিধেয়ক সামিল রয়েছে।

রাজ্যসভা সভাপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু সদনের ভালো কাজের জন্য খুশি ব্যাক্ত করেছেন। আগের বছর শীতকালীন সময়ে ৫৩% ও এই বছর বাজেট কালীন সময়ে ২৫% এর তুলনায় এই মনসুন সময়কালে ৭৪% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১৪ বিল পাশ করাকালীন সাংসদে হাঙ্গামাও দেখা গিয়েছে। অবিশ্বাস প্রস্তাবের মতো সময় নষ্টের কিছু বিষয় লক্ষ করা গিয়েছে কিন্তু সবথেকে উল্লেখযোগ্য হলো দুই সাংসদে হওয়া কাজ যা আগে লক্ষ করা যেত না।

The post ১৮ বছর পর সাংসদে হলো এমন কাজ যার মাধ্যমে রেকর্ড তৈরি করলো মোদী সরকার। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MlYZm0
24 ghanta

এবার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর কাজ শুরু। রাষ্ট্রপতির কাছে ড্রাফ পেশ করলেন সাংসদরা।

দেশ বদলাচ্ছে, কারণ এতদিন যে দেশের মন্ত্রী সাংসদরা ভোট নেওয়ার পর নিজেদের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স বৃদ্ধি করার জন্য লেগে পড়তেন সেই দেশের নির্বাচিত সাংসদরা এখন দেশের মানুষের মনের কথা খুলে ব্যাক্ত করছেন। আসলে ভারতের মতো দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন আইন খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু ভোটব্যাঙ্কের লোভে কোনো নেতা মন্ত্রী মুখ খুলতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু এবার পরিবর্তন হয়েছে দেশের নেতা মন্ত্রীদের মানসিকতার। যার কারণে দেশের লোকসভার ১২৫ সাংসদ এবার জনগণের মনে কথা প্রকাশ করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি উঠিয়েছে।

হ্যাঁ যে সাংসদদের আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে তারা এতদিনে দেশের স্বার্থে মুখ খুলতে শুরু করেছে। এই সাংসদরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের ড্রাফও তৈরি করে ফেলেছে যেখানে তার এই আইনের নিয়ম কানুনের একটা প্রাথমিক খসড়া দেশের সামনে প্রকাশ করেছে। পরশুদিন এই সাংসদেরা এই বিষয়ে দেশের রাষ্ট্রপতির সাথেও দেখা করেন। আগের সপ্তাহে এই বিষয়ে লোকসভায় চর্চা উঠেছিল যেখানে বিজেপি, টিডিপি ও শিবসেনার সাংসদেরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর স্পষ্ট সমর্থন জানায়।

এর আসল উদেশ্য কড়াভাবে আইন তৈরি করে দেশের লাগাতার বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার উপর লাগাম লাগানো। ড্রাফে বলা হয়েছে আইন জাতি ধর্ম এর উপরে করা হবে এবং দুটো বাচ্চা নেওয়ার পর যদি কেউ তৃতীয় বাচ্চা নেয় তাহলে তাদের উপর কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হোক। ড্রাফ অনুযায়ী তৃতীয় বাচ্চার জন্ম দিলেই মা বাবার প্রাপ্ত সরকারি সমস্ত সাবসিডি বন্ধ করা হবে এবং মাতা পিতার সরকারি চাকরি থাকলে সেটাও কেড়ে নেওয়া হবে। তৃতীয় বাচ্চা হওয়ার পর যদি চতুর্থ বাচ্চা হয় তাহলে বাবা মাকে ১০ বছর জেল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে আইনে।

বিজেপি সাংসদ সঞ্জীব পালোয়ান বলেন, আজ দেশে এই আইনের খুব প্রয়োজন রয়েছে,আইন এমন তৈরি হোক যাতে আইন ভঙ্গ করলে জেলের বন্দোবস্ত করা হয়। উদয় প্রসাদ সিং বলেন, প্রত্যেক ব্যাক্তির এই ইচ্ছা যে দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনা হোক কারণ দেশ জনসংখ্যা ধারণের সর্বোচ্চ মাত্রার ব্যারিকেটকে ভেঙে ফেলেছে। বিজেপির আরেক সাংসদ বলেন, আমরা দেশের যতই উন্নতি করি না কেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন না আনলে আমার দেশকে সেই হারে কখনোই উন্নতি করতে পারবো না।

The post এবার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর কাজ শুরু। রাষ্ট্রপতির কাছে ড্রাফ পেশ করলেন সাংসদরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2B1vIbT
24 ghanta

এই মুসলিম যুবক মহাদেবের মাথায় জল অভিষেক করে শুক্রুবারদিন নামাজ পড়তে গেছিলেন। তারপর উনার সাথে যা হলো জানলে…

শ্রাবণ মাস চলছে এই সময় শিবভক্তরা দলে দলে কাবাড় যাত্রায় ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। শিবভক্তরা বাবা শিবের মাথায় জল ঢেলে ভোলানাথের অভিষেক করছে এবং পুণ্য অর্জন করছে। মহাদেব শিব হিন্দুদের দেবতা হলেও বিশ্বের অনেক ধর্মের অনেক মানুষ কাবাড় যাত্রায় অংশ নিয়ে বাবা ভোলানাথের মাথায় জল অভিষেক করেন। এই রকমই উত্তরপ্রদেশের বাগবাত জেলায় এক মুসলিম যুবক মহাদেবের মাথায় জল ঢালার জন্য কাবাড় যাত্রা করেছিলেন।

কিন্তু মহাদেবের মাথায় জল ঢালা যে তার সমস্যা সৃষ্টি করবে তা মোটেও আন্দাজ করতে পারেনি ও মুসলিম যুবক। বাগবাত জেলার রানঝাড় গ্রামের বাবু খান নামে এক মুসলিম যুবক শ্রাবণ মাস উপলক্ষে মহাদেবের মাথায় জল ঢালার জন্য গঙ্গা থেকে জল আনতে গিয়েছিলেন। বাবু খান হরিদ্বার থেকে কাবাড় নিয়ে পুরা শিব ও গ্রামের শিবমন্দির গুলোতে জল অভিষেক করেন। কিন্তু এই জল অভিষেক বাবু খানের জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করে যখন সে শুক্রুবার দিন নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে পৌঁছান।

বাবু খান শুক্রুবার দিন নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গেলে সেখানে থাকা কট্টরপন্থী মুসলিম যুবককেরা বাবু খানকে মারধর করে এবং মসজিদ থেকে বের করে দেয়। বাবু খান নামাজ পড়তে চাইলে তাকে বেধড়ক মারধর করে নামাজ পড়া বন্ধ করে দেয়। শুধু এই নয় মসজিদ থেকে বের করার পর কট্টরপন্থীরা বাবু খানকে অকথ্য জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ওই মুসলিম যুবকরা বাবু খানকে বলে যে এবার শুধু ঘন্টায় বাজা। পীড়িত বাবু খান এই মামলার অভিযোগে ৪ কট্টরপন্থী মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দায়ের করিয়েছেন।

বাবু খান বিগত ৩ বছর ধরে মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কথা ভাবছিলেন আর সেই জন্যেই এই বছর উনি হরিদ্বার থেকে কাবাড় নিয়ে যাত্রা করেছিলেন। তবে সেই সাথে উনি নিজের ধর্ম পালনের জন্য নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন মসজিদে। বাবু খান অভিযোগ দায়ের করে জানিয়েছেন যদি তাকে এইভাবে লাগাতার অত্যাচার করা হয় তাহলে উনি ধৰ্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য হবেন।

The post এই মুসলিম যুবক মহাদেবের মাথায় জল অভিষেক করে শুক্রুবারদিন নামাজ পড়তে গেছিলেন। তারপর উনার সাথে যা হলো জানলে… appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vABH2k
24 ghanta

দুর্গা বিসর্জন, সরস্বতী পুজোয় ফের বাধা দিলে নবান্নের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব- কড়া বার্তা অমিত শাহের।

আমাদের রাজ্যে যেভাবে দিনের পর দিন তোষণ বেড়ে চলেছে তা আজ সেকুলার ও বুদ্ধিজীবী ছাড়া কারোর চোখে এড়াইনি। কখনো হিন্দুদের দুর্গা বিসর্জন আটকে দেওয়া হয়, কখনো স্কুলে স্কুলে সরস্বতী পুজো হতে বাধা দিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের অধিকার নিয়ে কেড়ে নেওয়ার ঘটনা চোখে পড়ে। এই সব দেখে শনিবারের মঞ্চ থেকে অমিত শাহ জি ধারালো ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা ব্যানার্জি কে। তিনি বললেন যে তোষনের একটা সীমা আছে কিন্তু তৃনমূল সরকার সেই সবকিছুর গন্ডি পার করে দিয়েছেন।অমিত শাহ হুঙ্কার দিয়ে বললেন, অপেক্ষা করুন বিজেপি আসছে। তারপর এই রাজ্যে আবার আগের মত দুর্গা বিসর্জনও হবে সাথে খুব ভালো ভাবে স্কুলকলেজ অনুষ্ঠিত হবে সরস্বতী পূজা। এবার যদি দুর্গা বিসর্জন আটকানোর হিম্মত দেখায় তাহলে মমতার সচিবালয়ের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব।

অমিত শাহ জি এই দিন পরিসংখ্যান পেশ করে দাবি করেন যে দেশের আর্থিক উন্নয়নে অংশগ্রহনের মাত্রা অতিমাত্রায় কমে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের। দেশের আর্থিক উন্নয়নে বাংলা আগে অংশ ছিল ২৫ শতাংশ এটা স্বাধীনতার পরের সময়ের কথা। কিন্তু তারপর বাংলায় আসে কংগ্রেস তারা সেই হার কমিয়ে নিয়ে যায় ১৩ শতাংশতে। তারপর সিপিএম সেটা আরও তলানিতে নিয়ে যায় তারা বাংলার অংশ কে কমিয়ে করে দেয় ৪ শতাংশ। কিন্তু গত ৭ বছরে বাংলার অবস্থা আশংকাজনক দেশের আর্থিক উন্নতিতে বাংলার যোগদান ৩ শতাংশে নামিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জির তৃনমূল সরকার। তিনি বলেন যে বাংলার অবস্থা খুব খারাপ করে ছেড়ে দিয়েছে সিপিএম, তৃণমূল ও কংগ্রেস।

এরা সকলেই বাংলার উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই তিনি বাংলার মানুষের কাছে অনুরোধ করেছেন যে সবাইকেই তো সুযোগ দিয়েছেন। এবার একবার নরেন্দ্র মোদী কে সুযোগ দিয়ে দেখুন। আমরা বাংলার উন্নতি করব। সেই পুরনো বাংলাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসব, যে বাংলা দেশ কে পথ দেখাবে। তিনি যে কতটা পরিমানে বাংলার ক্ষমতা চায় সেটা তার কথায় স্পষ্ট হয়ে গেল। তিনি বললেন যে আমাদের পার্টি তৈরি করেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির রাজ্যে যদি আমরা উন্নতি করতে না পারি তাহলে অন্য রাজ্য দখল করা আমাদের বৃথা হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন যে আগে যে বাংলাতে রোজ সকাল বিকাল ভোজন, শ্রী কৃষ্ণের কীর্তন শোনা যেত এখন সেখানে শুধুমাত্র বোম ফাটার আওয়াজ শোনা যায়। বাংলাতে কোনো নুতন শিল্প হচ্ছে না উলটে যারা ছিল তারাও নিজেদের সব কিছু গুটিয়ে চলে যাচ্ছে তার কারন এখানকার সিন্ডিকেট রাজত্ব দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এখানে তৈরি হয়েছে বোমা, আস্ত্র কারখানা। এই সব কিছু করছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা আর তাদেরকে সাহায্য করছে রাজ্য সরকার। তিনি এটাও বলেন যে এর ফলে রাজ্যের মুসলিম ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
#অগ্নিপুত্র

The post দুর্গা বিসর্জন, সরস্বতী পুজোয় ফের বাধা দিলে নবান্নের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব- কড়া বার্তা অমিত শাহের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OZWIve
24 ghanta

চাঞ্চল্যকর তথ্য! সাধারণ মানুষের করের টাকাতেই হয়েছিল জোট সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, গোপন মমতার খরচ..

এবার সবার সামনে চলে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জোট সরকারের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকেই। রাজ্যের গরিব মানুষজন দের করের টাকাতেই হয়েছিল সেই অনুষ্ঠান। প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা খরচা করা হয়েছিল সেই শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে যার পুরোটাই গিয়েছিল রাজ্যের কোষাগার থেকে এমনই তথ্য উঠে আসছে তথ্য জানার অধিকার আইন থেকে। এই বিষয় টি সবার সামনে চলে আসতেই চারিদিকে এটা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে সমালোচনা। দেশের বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরা সেই দিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। অনেক বিজেপি বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীও সেই দিনের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন। এবং জানা গিয়েছে যে, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল ব্যক্তিদের আপ্যায়নের জন্য যে বিপুল পরিমানে অর্থ খরচ হয়েছিল সেই সমস্তটাই গিয়েছিল সরকারি কোষাগার থেকে সাধারণ মানুষের ট্যাক্স এর টাকা থেকে।

সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তি দের পিছনে কত টাকা খরচ হয়েছিল তার হিসাব চলে এসেছে সবার সামনে। দেশে বিজেপির গেরুয়া ঝড় ঠেকাতে সকল অবিজেপি দল গুলি হাতে হাত মিলিয়ে ছিল। নিজেদের শত্রুতা ভুলে সপা এবং বিএসপি কে যেমন এক হতে দেখা গিয়েছিল ঠিক তেমনি এক মঞ্চে ছিলেন মমতা ও সিতারাম ইয়েচুরি। জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী যিনি জেডি(এস) এর বিধায়ক এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডাঃ জি পরমেশ্বর যিনি হচ্ছেন কংগ্রেসের বিধায়ক তাদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান হয়েছিল গত মে মাসের ২৪ তারিখ। মাত্র ৭ মিনিট সময় লেগেছিল এই দুই ব্যক্তির শপথ গ্রহন করতে। আর মাত্র এইটুকু সময়ের জন্যই খরচ হয়েছিল বিপুল পরিমানে অর্থ।

এন চন্দ্রবাবু নাইডু যিনি হচ্ছেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তিনি মাত্র ১৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ছিলেন বেঙ্গালুরুর তাজ ওয়েস্ট এন্ড হোটেলে। আর এইটুকু সময়েই তার জন্য বিল হয়েছিল আট লক্ষ ৭২ হাজার ৪৮৫ টাকা। তিনি খরচের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল খরচ করেছেন ৭৬ হাজার ২৫ টাকা তিনিও ওই একই পরিমান সময় কাটিয়েছিলেন। একই হোটেলে ছিলেন কামাল হাসান যিনি অভিনেতা থেকে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে এসেছেন। তাঁর জন্য এক লক্ষ দুই হাজার ৪০ টাকা খরচ করা হয়েছিল কর্ণাটকের সরকারি কোষাগার থেকে।

সপা দলের নেতা অখিলেশের বিল হয়েছিল ১ লক্ষ দুই হাজার ৪০০ টাকা এবং বিএসপি-র শীর্ষ নেত্রী মায়াবতী খরচ করেছেন ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৪৩ টাকা। উত্তর প্রদেশের এই দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য কর্ণাটক সরকারকে খরচ করতে হয়েছিল প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। সীতারাম ইয়েচুরি যাকে বলা হয় সর্বহারার দল সিপিএম নেতা তিনি মাত্র ৬৪ হাজারেই থেমে গিয়েছিল তার খরচ অবশ্য লক্ষ পেরোয়নি। কিন্তু বাম নেতা পিনারাই বিজয়ন যিনি কেরলের মুখ্যমন্ত্রী তিনি আবার বিল করেছেন এক লক্ষ দুই হাজার ৪০০ টাকা। হেমন্ত সোরেন যিনি ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তিনিও সেই দিনের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি ওই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য জোট সরকারের হাতে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকার বিল ধরিয়েছেন। অপর দিকে বাবুলাল মারান্ডি তিনিও ঝাড়খণ্ডের অপর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তার জন্যও থাকা খাওয়া বাবদ একদিনের জন্য খরচ লেগেছিল ৪৫ হাজার ৪৯২ টাকা। কর্ণাটকের জোট সরকারকে একই পরিমানে অর্থ খরচ করতে হয়েছিল এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসির জন্য। এই যাবতীয় তথ্য কর্ণাটক সরকারের স্টেট হসপিটালিটি অর্গানাইজেশন এর তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। যদিও তারা তৃণমূল নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এর ব্যাপারে কোনও তথ্য প্রকাশ করতে ইচ্ছুক নয়।

#অগ্নিপুত্র

The post চাঞ্চল্যকর তথ্য! সাধারণ মানুষের করের টাকাতেই হয়েছিল জোট সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, গোপন মমতার খরচ.. appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MCmowC
24 ghanta

কেজরিওয়াল দিল্লীকে লন্ডন করতে না পারলেও, মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ করে ফেলেছেন- পুনম মহাজন।

আজ কলকাতার মেয়ো রোডের অল্প স্থানের মধ্যেই এসে জড়ো হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টির লক্ষ লক্ষ কার্যকর্তা। মেয়ো রোডের সভা থেকে মমতার উপর যেসব নেতা নেত্রীরা আক্রমণ করেন তাদের মধ্যে সবথেকে আক্রমণ রূপে ছিলেন পুনম মহাজন। সভায় ভাষণ শুরু করেই ‘মা মাটি মানুষ’ আর ‘পরিবর্তন’ শব্দ দুটির উপর জমিয়ে আক্রমন করেন। পুনম বলেন, ‘পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন মমতা দিদি কিন্তু পরিবর্তন শুধু রঙের হয়েছে।

কমিউনিস্টদের লাল রং দিদির শাড়ির নীল সাদা রঙের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তন পশ্চিমবঙ্গের মানুষের হয়নি, পরিবর্তন হয়েছে রোজ ভ্যালি ও সারদা নারদার সাথে যুক্ত দুর্নীতিগ্রস্থ লোকদের।পরিবর্তন হয়েছে তো শুধু TMC এর লোকেরদের হয়েছে।’ মহাজন বলেন, ‘মমতা মা মাটি মানুষ নিয়ে নির্বাচন লড়ার কথা বলেছিল কিন্তু মমতা যেভাবে পরিবর্তন করেছে তাতে আমি উনাকে মমতা দিদি না বলে U টার্ন দিদি বলে ডাকবো।

এখন দিদি মা মাটি মানুষ নয়, আমি দিদি অমানুষ এই বিচার নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করছে। TMC এখন তৃণমূল কংগ্রেস নয় টেরর মেকিং মেশিন এ পরিণত হয়েছে।’ শুধু এই নয়, আজ বাংলার মাটি থেকে রাহুল গান্ধী, কেজরিওয়াল ও মমতাকে একসাথে আক্রমণ করেন পুনম মহাজন। পুনম বলেন, কেজরিওয়াল বলেছিলেন দিল্লিকে লন্ডন বানিয়ে দেবে কিন্তু পারেনি, রাহুল বলেছিলেন আমেথিকে সিঙ্গাপুর বানিয়ে দেবে কিন্ত পারেনি ,তবে মমতা ব্যানার্জী চুপি সাড়ে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানিয়ে দিয়েছেন।

উল্ল্যেখ, পুনম মহাজনের পর অমিত শাহ এক হাতে নেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। অমিত শাহ বলেন যে মমতা বিজেপিকে বাঙালি বিরোধী বলে প্রচার করছে। কিন্তু আমাদের পার্টির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী পশ্চিমবঙ্গের , তাহলে কি করে আমরা বাঙালি বিরোধী হতে পারি। অমিত শাহ বলেন, আমি বাঙালি বিরোধী নয়, তবে আমি মমতা বিরোধী।

The post কেজরিওয়াল দিল্লীকে লন্ডন করতে না পারলেও, মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ করে ফেলেছেন- পুনম মহাজন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Mfelst
24 ghanta

‘আমি বাংলা বিরোধী নয় কিন্তু অবশ্যই মমতা বিরোধী’- অমিত শাহের কড়া জবাব মমতাকে।

আজ কলকাতার মেয়ো রোডে আয়োজিত হয়েছিল বিজেপির সভা। সেই সভা থেকেই মমতার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক রূপে ভাষণ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আসলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিশাল উত্থানকে আটকাবার জন্য বিজেপিকে বাংলা ও বাঙালি বিরোধী বলে প্রচার করছে তৃণমূল। এর জন্য তৃণমূল বহু জায়গায় ব্যানারেও প্রচার চালিয়েছে। আর এর উত্তর দিতে গিয়েই মমতার উপর আক্রমণ করেন অমিত শাহ। বাংলা বিরোধী এই অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, মমতা দিদি কলকাতায় ব্যানারে লিখে রেখেছে যে বিজেপি বাংলা বিরোধী।

আমার কি করে বাংলা বিরোধী হতে পারি দিদি? আমাদের পার্টির স্থাপনা যিনি করেছিলেন তিনি তো পশ্চিমবঙ্গের মহান সুপুত্র শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী। তাহলে আমরা কি করে বাংলা বিরোধী হতে পারি! শাহ বলেন, আমরা বাংলা বিরোধী নয় কিন্তু অবশ্যই মমতা বিরোধী। বাংলার প্রতি প্রেম, আদর, উচ্চভাব,ভালোবাসা ভোটের জন্য নয়, আমরা রামকৃষ্ণ পরম হংস ও স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে পুজো করি। অমিত শাহ বলেন, আমি প্রত্যেক জেলায় সভা করে আন্দোলন তুলবো এবং তৃণমূলকে উপড়ে ফেলবো।

মমতাকে উদেশ্য করে শাহ বলেন, ইতিহাস খুলে দেখে নিন যাদেরকে যত দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে তাদের আন্দোলন ততই প্রবল হয়েছে। অমিত শাহ বলেন, মমতা ব্যানার্জী NRC নিয়ে ভ্রান্তি সৃষ্টি করছে মানুষের মধ্যে। অমিত শাহ নিশ্চিত করেন যে কোনো শরণার্থীকে দেশ থেকে বের করা হবে না।

বের করা হবে বিদেশী অনুপ্রবেশকারীদের। শাহ বলেন, একসময় এই বিদেশী অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করার জন্য সদনে হাঙ্গামা করেছিলেন মমতা ব্যানার্জী কারণ তখন এই অনুপ্রবেশকারীরা বামফ্রন্টকে ভোট দিত। কিন্তু আজ এরাই তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই এদের পক্ষ নিচ্ছে মমতা ব্যানার্জী। মমতার উদ্যেশে অমিত শাহ বলেন, আমরা ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তা, আমাদের কাছে দেশ আগে, ভোটব্যাঙ্ক পরে। তাই আপনি যতই NRC প্রক্রিয়ার বিরোধ করুন না কেন আমরা এটা থামবো না।

The post ‘আমি বাংলা বিরোধী নয় কিন্তু অবশ্যই মমতা বিরোধী’- অমিত শাহের কড়া জবাব মমতাকে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2KPfVwI
24 ghanta

কাসগঞ্জ হিংসায় মৃত চন্দন গুপ্তার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে বড়ো পদক্ষেপ নিলো যোগী আদিত্যানাথ।

এই বছর ২৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের কাশগঞ্জে একটা দুর্ভাগ্যপূর্ন ঘটনা ঘটেছিল যা পুরো দেশকে শোকাহত করার সাথে সাথে ক্রোধিত করে তুলেছিল। কাশগঞ্জে চন্দন গুপ্তা নামক এক হিন্দু যুবকের হত্যা করে দেওয়া হয়েছিল। চন্দনের দোষ এই ছিল যে সে মুসলিম বহুল এলাকায় তিরঙা রালি বের করে ভারত মাতার জয় স্লোগান দিয়েছিল। যারপর ওই এলাকায় তিন ভাই ওয়াসিম, সেলিম ও নাসিম একত্রে মিলে চন্দন গুপ্তাকে হত্যা করে দিয়েছিল। একই সাথে এলাকায় লোকজন তাদের বাড়ি থেকে রালির উপর পাথর ছুঁড়েছিল। এখন এই ঘটনা নিয়ে একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যার অপেক্ষায় ছিল দেশবাসী। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জের চন্দন গুপ্তার হত্যাকারী ও হিংসা ছড়ানোর মুখ্য অপরাধী ৩ ভায়ের উপর NSA লাগু করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপ খুশি হয়েছে চন্দন গুপ্তার পরিবার ও তার সাথীরা। উল্লেখ্য, কাসগঞ্জ হিংসায় পুলিশ প্রায় ১১৭ ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করেছিল যার মধ্যে ৩৬ জন ব্যাক্তিকে গম্ভীর মমালার অপরাধী বলে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং অন্য লোকেদের শান্তিভঙ্গ করার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলার তদন্ত করার পর এসআইটি চার্জসিট দাখিল করেছিল। এই ঘটনায় চন্দন গুপ্তার পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ২০ জন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করার মামলা দায়ের করিয়েছিল যেখানে প্রধান অপরাধী সেলিম, নাসিম ও ওয়াসিম। জানলে অবাক হবেন, এত কিছু হওয়ার পরেও হাইকোর্ট এদেরকে জামানতের মঞ্জুরি দিয়েদিয়েছিল।

জানিয়ে দি, কাসগঞ্জ হিংসায় চন্দন গুপ্তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল এবং কট্টরপন্থীরা অনেক দোকানপত্র ভাঙচুর করে উপদ্রপ চালিয়েছিল। ১ ,সপ্তাহ ধরে শহরের কানুন ব্যাবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছিল যার পর যোগী সরকারের নির্দেশে উচ্চপদস্ত পুলিশ অফিসাররা কড়া হাতে কানুন ব্যবস্থাকে আবার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। চন্দনগুপ্তার হত্যা ও হিংসা ছড়ানোর পর উগ্রপন্থীরা নিজেদের শান্তিবাদী দেখানোর জন্য ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে ছিল। পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে দরজা ভেঙে ভেঙে অভিযুক্তদের ধরে জেলে ঢুকিয়ে ছিল। এমনকি অভিযুক্তদের থেকে সম্পত্তির ক্ষতিপূরণও সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। সেই সময় অখিলেশ যাদবেরও আসল রূপ হিন্দু সমাজের সামনে এসেছিল।

কারণ অখিলেশ চন্দন গুপ্তার হত্যার জন্য শোকপ্রকাশ তো দূর বরং মুসলিম হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করায় যোগীকে মুসলিম বিরোধী বলে প্রচার করেছিল। এখন সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে সমগ্র উত্তরপ্রদেশ মনে করেছিল যে চন্দন গুপ্তার অপরাধীরা সাজা হবে না কারণ যোগী সরকারও তোষণ করবে। কিন্তু যোগী আদিত্যানাথ তার একের পর এক পদক্ষেপে প্রমান করে দিলেন যে তোষণ নামক আচরণ তার সরকারে নেই।

The post কাসগঞ্জ হিংসায় মৃত চন্দন গুপ্তার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে বড়ো পদক্ষেপ নিলো যোগী আদিত্যানাথ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nrY4CD
24 ghanta

‘আওয়ার্ড ওয়াপসি করা হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীকে বদনাম করার জন্য!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন এই অধ্যক্ষ।

বিহারে বিজেপির উত্থান দেখে, বিহারে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে আটকানোর জন্য পরিকল্পনা করেই বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের একাংশ তাদের পুরস্কার ফেরত দিয়ে দিয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল যে যদি তারা তাদের পুরস্কার গুলি ফেরত দিয়ে দেয় তাহলে বিহারে বিজেপিকে কিছুটা চাপে ফেলতে পারবে তারা। তাই তারা বিজেপিকে রুখতে পরিকল্পনা মাফিক কাজ করেছিল এমনই দাবি করলেন বিশ্বনাথ প্রসাদ যিনি সাহিত্য অ্যাকাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ। সেই সাথে তিনি এটাও দাবি করেন যে এর সঠিক প্রমানও রয়েছে তার কাছে।

২০১৫ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের মন্দাক্রান্তা সেনের মতো সুনামধন্য লেখিকা সহ দেশের মোট প্রায় ৫০ জন খ্যাতনামা লেখক, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী তাদের আর্জিত পুরস্কার ফেরত দিয়ে দেন। বিশ্বনাথ প্রসাদ
তিওয়ারির দাবি করেছেন যে, এই ঘটনা টি কোনো সাধারন ঘটনা নয়। এটি পুরোপুরিভাবে রাজনৈতিক সারথে করা হয়েছিল। এর পিছনে ছিল রাজনৈতিক কারন। শুধু মাত্র কেন্দ্র সরকারকে বদনাম করার জন্য পরিকল্পনা মাফিক ‘গোটা অ্যাওয়ার্ড ওয়াপসিটাই করা হয়েছে। কিছু বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা এই পরিকল্পনানা করেছিল বিজেপিকে আটকানোর জন্য।

২০১৫ সালে তারা পুরস্কার ফেরত দেন শুধু মাত্র এই কারনে যে দেশের মধ্যে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। তাই দেশের খ্যাতনামা প্রায় ৫০ জন লেখক ও সাহিত্যিক তাদের কেন্দ্র সরকারের প্রদান করা পুরস্কার ফিরিয়ে দেন। যদিও বিজেপি প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে যে এই কাজ টি পুরোপুরি ভাবে করা হয়েছে শুধু মাত্র বিজেপি কে বদনাম করার জন্য। কবি অশোক বাজপেয়ীর পরিকল্পনা মাফিক এই কাজ করা হয়েছিল। তার কথাতেই ৫০ জন কবি ও সাহিত্যিক তাদের পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছিল এমনই দাবি করেছেন বিশ্বনাথ প্রসাদ তিওয়ারি।

বিশ্বনাথ তিওয়ারি দাবি করেন যে, ২০১৪ সালে মোদী কে আটকাতে, মোদী যাতে কোনো ভাবেই লোকসভা ভোটে ক্ষমতায় না আসে তার জন্যও তারা পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু তারা সেই পরিকল্পনায় পুরোপুরি অসফল হয়েছিল তার বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তারা ফের একই পরিকল্পনা করেন। এই সব কিছুর মূলে রয়েছে মাত্র ৫ জন কবি। তিনি আরও বলেন যে এর যথেচ্ছ প্রমান রয়েছে আমার কাছে।
#অগ্নিপুত্র

The post ‘আওয়ার্ড ওয়াপসি করা হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীকে বদনাম করার জন্য!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন এই অধ্যক্ষ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nw9K7b
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started