পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সম্পর্কিত দুঃখজনিত খবর! নরেন্দ্র মোদী পৌঁছালেন এমস।

এক মাস আগেই ১১ জুলাই দেশের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে নিয়ে একটা দুঃখজনক খবর সামনে এসেছিল যার পর পুরো দেশ স্তব্ধ হয়েগেছিলো। আপনাদের জানিয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ীজি অসুস্থ হওয়ার সাথে সাথে উনাকে ভর্তি করা হয়েছিল এমএস হসপিটালে। কিছুদিন পরেই উনার শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা জানতে পারা গেছিলো। তবে সম্পূৰ্ণরূপে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ার জন্য এমস এই ভর্তি রাখার সিধান্ত নিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষরা। যার পর দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বড়ো বড়ো রাজনৈতিক নেতারা বাজপেয়ীজির সাথে দেখা করতে পৌঁছেছিলেন।

তবে এখন আরো একবার দুঃখের খবর সামনে আসছে। অতি দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে প্রিয় অটলজির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বুলেটিন জারি করেছে এমস কর্তৃপক্ষ। এমস কর্তপক্ষ বুলেটিন রিলিজ করে জানিয়েছে যে অটল বিহারী বাজপেয়ীজির অবস্থা খুবই সংকটজনক অবস্থায় রয়েছে। বিগত ২৪ ঘন্টায় উনার শারীরিক অবস্থা লাগাতার খারাপের দিকে গেছে যার জন্যেই এই বুলেটিন প্রকাশ করেছে এমএস কর্তৃপক্ষ।

এখন অটলজি লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে উপর রয়েছেন। আপনাদের জানিয়ে দি কিছু ঘন্টা আগেই খবর পেয়েও খোঁজ নিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অটলজি কিডনি সমস্যা, ইউকিআই ইনফেকশন,সুগার সমস্যা সহ নানান ব্যাধিতে ভুগছিলেন। ৯৩ বছরের অটলজি উপর লাগাতার মনিটরিং করার পর বুলেটিন প্রকাশ করেছে এমএস কর্তৃপক্ষ।

আপনাদের জানিয়ে দি ১১ আগস্ট অর্থাৎ মাত্র কয়দিন আগেই অটলজির অবস্থার অবনতি খবর সামনে এসেছিল। সেই সময় রাজনাথ সিং ও অমিত শাহ সহ বহু বড়ো নেতা মন্ত্রীরা খোঁজ নিতে পৌঁছেছিলেন। পরে অনেক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ায় মিডিয়ার কাছে কোনো আপডেট জানায়নি এমস কিন্তু বিগত ২৪ ঘন্টায় অবস্থা সংকটজনক হয়ে পড়ায় বুলেটিন প্রকাশ করেছে এমএস কর্তৃপক্ষ।

The post পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সম্পর্কিত দুঃখজনিত খবর! নরেন্দ্র মোদী পৌঁছালেন এমস। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PecGlV
24 ghanta

নরেন্দ্র মোদীর বড়ো ফ্যান এই ৪ বিখ্যাত অভিনেতা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এনাদের সাথে বহুবার বিশেষ কারণে দেখা করেছেন মোদীজি।

কিছু মানুষ ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করেন ঠিকই, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জোরালো ব্যাক্তিত্ব ও দৃঢ়তা থেকে কেউ বাঁচতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে সকলেই মনোযোগ সহকারে শোনেন, সেটা মোদীজির ভক্তরা হোক বা বিরোধী দলের নেতারা হোক। এছাড়াও বিশ্বের শক্তিশালী নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর থেকে খুব প্রভাবিত হন এবং উনাকে ফলো করেন।২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হন তাও আবার পূর্নবহুমতের সাথে। এর পরেই দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নেমে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক মজবুত করার জন্য অনেক বড়ো বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীজি। এমনকি দেশের মধ্যে বিভিন্ন যোজনা ও সচ্ছ ভারত অভিযানের মতো নীতি গুলির জন্য বড়ো ফিল্মিজগতের মানুষদের সাথে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই কারণে ফ্লিম জগতের কিছু মানুষও মোদীজির ফ্যান হয়ে উঠেছেন। আপনারা জানলে অবাক হবেন নরেন্দ্র মোদীজির ব্যক্তিত্ব এতটাই শুদ্ধ ও দৃঢ় যে ফিল্মি জগতের ৪ অভিনেতা প্রধানমন্ত্রীকে সর্বদা ফলও করেন। এই কারণে এই ৪ অভিনেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে বহুবার দেখা করেও ফেলেছেন।

এরমধ্যে প্রথমেই রয়েছেন অক্ষয় কুমার যিনি বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সিনেমাও তৈরি করেন এবং দেশবাসীকে জাগ্রত করেন। আগের বছরের অক্ষয় কুমার ‘টয়লেট এক প্রেম কথা’ নামক একটা সিনেমা করেন যা সচ্ছ ভারত অভিযানে দেশের স্বার্থে বেশ লাভজন হয়েছিল। এই সিনেমার রিলিজের প্রথমেই মোদীজি অক্ষয় কুমারের সাথে দেখা উনাকে শুভ কামনা জানান। এমনকি এই সিনেমাটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র।মোদী নিয়ে দেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অক্ষয় কুমারের দেশাত্মবোধক শুটিংয়ের উপর বহুবার মন্তব্য করেছেন।

দ্বিতীয় আছেন দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত অভিনেতা বিজয় যিনি বেশিরভাগ একশন ভিত্তিক সিনেমা করেন। ইনি ইনার ক্যারিয়ার এ একের পর এক হিট মুভি দেশকে উপহার দিয়েছেন। বিজয় দক্ষিণ ভারতের সিনেমা জগতের মধ্যে ও পুরো ভারতে তার নাচের জন্য খুবই জনপ্রিয়। বিজয় বহু দেশপ্রেম ভিত্তিক মুভি করেবহেন এবং অনেক সিনেমার আগে উনি মোদীজির সাথে দেখা করেন।

বলিউডের দাবাং সালমান খানও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পছন্দ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সুনাম করতে ক্লান্ত হন না সালমান খান। জানা গেছে সালমান খান নরেন্দ্র মোদীজিকেই ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সাথে ঘুড়ি উড়িয়েছেন সালমান খান। এর জন্য কট্টরপন্থী আসাউদ্দিন ওয়েশি সালমান খানকে বাজে ভাষায় গালি গালাজও করেছিল। কারণ একজন মুসলিম বিখ্যাত অভিনেতা হয়ে মোদীজির সাথে ঘুড়ি উড়াচ্ছেন এটা মেনে নিতে পারেনি ওয়েসী।

এছাড়াও রয়েছেন সিনেমা জগতের বাহুবলি অর্থাৎ প্রবাস। বাহুবলি ও বাহুবলী এর আরো একটা পার্টের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বেশ ভালো রকম প্রশংসা করেছিলাম প্রভাসের। মোদীজি প্রভাসের সাথে তোলা ছবিকেউ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়েছিলেন।

পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: এই ৪ জন বিখ্যাত অভিনেতা মধ্যে আপনার প্রিয় কে?

The post নরেন্দ্র মোদীর বড়ো ফ্যান এই ৪ বিখ্যাত অভিনেতা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এনাদের সাথে বহুবার বিশেষ কারণে দেখা করেছেন মোদীজি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Befix4
24 ghanta

লালকেল্লায় জাতীয় সংগীত হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন কিছু হলো, যা জানালে আপনারও লোম খাঁড়া হবে।

দেশ আজ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার এই ৫ বছরের এই কার্যকালের শেষ ভাষণ লালকেল্লা থেকে দিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের উপর আজ শুধু দেশের মানুষের নয়, পুরো বিশ্বের সচেতন মানুষদের নজর ছিল মোদীজির ভাষণের উপর। আজ সকাল সকাল প্রধানমন্ত্রী রাজঘাট পৌঁছে যান এবং সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর উনি লালকেল্লা পৌঁছে যান যেখান উনি একটু ভাবুক হিসেবে নজরে পড়েন। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় পৌঁছালে হাততালিতে ভরিয়ে তুলেন জনগণ।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ত্রিরঙ্গা উত্তোলন করেন এবং তারপরেই জাতীয় সংগীত বেজে উঠে যা শুনে ভারতীয়দের বুক চওড়া ও শরীরের লোম খাঁড়া হয়ে যায়। তবে সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভাবুক মনে হয়। ত্রিরঙ্গাকে সেলামি জানানোর পর যখন রাষ্ট্রগান চলছিল তখন প্রধানমন্ত্রীকে খুব ভাবুক মনে হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চোখে আবেগের একটা স্পষ্ট ছবি ফুটে উঠছিল যা তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করেননি বলে মনে করা হচ্ছে।

যদিও তারপর প্রধানমন্ত্রী জোরদার ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহিলা, কৃষক, দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া, দলিত সহ ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রাক্রমনশালী লড়াই এর ব্যাপারে পক্ষ রাখেন। দেশের ভবিষ্যৎসময়কালের সম্পর্কেও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীজি দেশকে পুনরায় বিশ্বগুরু করার জন্য সর্বচেষ্টা প্রয়োগ করেছেন তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই আর সেই লক্ষ্যে ভারতবর্ষ কতটা এগিয়েছে তারও সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রসঙ্গ আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী আজ লালকেল্লা থেকে টানা ৮২ মিনিটের ভাষণ দিয়ে একটা নতুন রেকর্ডও তৈরি করে ফেলছেন বলেও খবর এসেছে। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জম্মু কাশ্মীর থেকে শুরু করে মাওবাদী ও তিনতালাক বিল কিছুই বাকি রাখেননি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের একজন অন্যতম বক্তা হিসেবে পরিচিত তাই উনার বক্তব্য সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকে তবে এবারের বক্তব্য একটু বেশি উল্লেখযোগ্য ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

The post লালকেল্লায় জাতীয় সংগীত হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন কিছু হলো, যা জানালে আপনারও লোম খাঁড়া হবে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OxDEDy
24 ghanta

লালকেল্লা থেকে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভেঙে দিলেন নিজের রেকর্ড। দেখে আপনিও বলবেন হর হর মোদী।

আজ পুরো দেশ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। পুরো দেশ আজ দেশভক্তিতে ডুবে রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাল কেল্লায় ধজ্জা আরোহণ করেন এবং ত্রিরঙ্গকে সেলামি দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লা থেকে জোরদার ভাষণ দেন। এমনিতে তো লালকেল্লা থেকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ স্মরণীয় হয়ে থাকে কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নিজের রেকর্ড নিজেই ভেঙে দিলেন। আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কার্যকালের এটা শেষ ভাষণ ছিল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে সম্বোধিত করে নিজের রেভর্ড নিজেরাই ভেঙে দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসের এটা তৃতীয় সবথেকে লম্বা ভাষণ দিয়েছেন। ত্রিরঙ্গা আরোহনের পর প্রধানমন্ত্রী ৭.৩৩ মিনিটে ভাষণ শুরু করেন এবং যা ৮.৫৫ মিনিটে শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ টানা ৮২ মিনিট চলে অন্যদিকে আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ তে প্রধানমন্ত্রী ৫৪ মিনিটের সবথেকে ছোট ভাষণ দেন।

আপনাদের আরো জানিয়ে দি, যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৫ আগস্ট ২০১৪ তে লালকেল্লা থেকে প্রথম ভাষণ দিয়েছিলেন তখন সেটা ৬৫ মিনিটের ছিল। ২০১৫ তে প্রধানমন্ত্রী ৮৬ মিনিটের ভাষণ দিয়েছিলেন। সাল ২০১৬ তে প্রধানমন্ত্রী দেড় ঘন্টার ভাষণ দিয়েছিলেন। লালকেল্লা থেকে সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য অভিযান, দেশের আর্থিকব্যাবস্থার উন্নতি, মুদ্রা যোজনা ও স্বচ্ছ ভারত মিশনের ভালো প্রভাব সম্পর্কে বক্তৃতা দেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জম্মুকাশ্মীর, পূর্বউত্তর, মাওবাদী, তিন তালাক বিরোধী বিধেয়কের মতো বড়ো ইস্যুতে নিজের বক্তব্য পেশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী উনার ভাষণে সরকারের উপলদ্ধি সম্পর্কে বলেন, নতুন যোজনা সম্পর্কে জানান, সকারের সফলতা ও বিফলতা জনগণের কাছে রাখেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির ভাষণ শোনার জন্য দেশ বিদেশের মানুষ ভারতবর্ষের দিকে মুখ চেয়ে থাকেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিশ্বের একজন বড়ো বক্তা হিসেবেও ধরা হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে সম্বোধিত করে ৯৬ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন।

The post লালকেল্লা থেকে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভেঙে দিলেন নিজের রেকর্ড। দেখে আপনিও বলবেন হর হর মোদী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nFytGx
24 ghanta

কংগ্রেস প্রবক্তা সাংবাদিককে বললেন ‘ আপনি মোদীজির জন্য ভয়ভীতি।’ এর উত্তরে রোহিত সারদান যা জবাব দিলেন তাতে চুপ কংগ্রেসিরা।

দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে যেদিন থেকে নরেন্দ্র মোদীজি বসেছেন সেদিন থেকে দেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে শুরু করেছে। দেশে প্রতিদিন নতুন নতুন যোজনা দ্বারা পরিচিত হচ্ছে এবং লাভবান হচ্ছে দেশের গরিব জনগণ। আজ নরেন্দ্র মোদী সেই সমস্ত কাজ করে চলেছেন যা বহু যুগ ধরে শাসন ক্ষমতায় থাকার পরেও কংগ্রেস করতে পারেনি। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস প্রায় সময় মোদী সরকারের উপর আক্রমণ করে বিজেপিকে ছোটো করার চেষ্টা করে।এখন কংগ্রেসের নেতারা ও প্রবক্তারা প্রায় দিন তাদের ভুলভাল বক্তব্যের জন্য খবরের শিরোনামে থাকেন।

সম্প্রতি কংগ্রেসের এক প্রবক্তা দেশের বড়ো চ্যানেল আজ টাক এ ভুলভাল মন্তব্য করার জন্য চ্যানেলের এনকার রোহিত সারদানার কাছে কড়া জবাব পান। আসলে রোহিত সারদানার মতো এনকাররা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাজগুলি মানুষের সামনে তুলে ধরেন এবং মোদীজির কাজ সম্পর্কে মানুষকে অবগত করেন। আর এই ব্যাপারটা কংগ্রেসের কখনো হজম হয় না। সেই কারণে কংগ্রেসের প্রবক্তা প্রবন কেডা টুইটারে ভুলভাল পোস্ট করেন যার যোগ্য উত্তর দেন রোহিত সারদান। কংগ্রেস প্রবক্তা পবন কেডা লিখেন, ” এটা রোহিত সারদানার ভুল নয়, উনি মোদীজির থেকে সবসময় ভয়ভীত থাকেন।

আজকাল কিছু সাংবাদিক ভয়ের ছায়ায় রয়েছেন। এটা কখনোই পত্রকারিতা হতে পারে না। সাংবাদিকদের আছে দিন খুব তাড়াতাড়ি আসবে।” এরপর বিখ্যাত সাংবাদিক রোহিত সারদান যা জবাব দেন তা কংগ্রেস প্রবক্তা প্রবন কেডা জন্মজন্মান্তরেও ভুলবে না। রোহিত সারদান বলেন, ” কেমন আচ্ছে দিন আসবে সাংবাদিকদের যেমন ইন্দিরা গান্ধীর সময় এসেছিল? মোদীজির থেকে কেউ ভয়ভীতি কিনা সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তিত নন বরং আপনারা চিন্তিত এই ব্যাপারে যে এখন কেউ কেন আপনাদের থেকে ভয়ভীতি হচ্ছে না।”

প্রসঙ্গত, আপনাদের জানিয়ে রাখি ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে আপাতকাল লাগু হয়েছিল এবং সেইসময় দেশের সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেই আমলে কংগ্রেস বিরোধী কোনো খবর চাপলেও সাংবাদিকদের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। এই সূত্রেই কংগ্রেস প্রবক্তাকে জবাব দিয়ে চুপ করিয়া দেন রোহিত সারদান।

The post কংগ্রেস প্রবক্তা সাংবাদিককে বললেন ‘ আপনি মোদীজির জন্য ভয়ভীতি।’ এর উত্তরে রোহিত সারদান যা জবাব দিলেন তাতে চুপ কংগ্রেসিরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MsXlPJ
24 ghanta

ভারতকে বিশ্বগুরু করার জন্য RSS কিভাবে এগিয়ে চলেছে জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

আজ থেকে প্রায় ৯২ বছর আগে যে সঙ্ঘের চারা গাছ ডক্টর হেডগেওয়ার রোপণ করেছিলেন তা যে আজ এত বিশাল একটা বৃক্ষে পরিণত হবে এটা কেউ চিন্তাও করতে পারেনি। কেউ এটার আভাস পর্যন্ত পায়নি যে সঙ্ঘের শাখা দেশের ভেতরে নিজেদের শাখা এমন শক্তভাবে জমিয়ে নেবে যা পরবর্তীকালে দেশের দিশা ও দশা সমস্তকিছুই নির্ধারণ করবে। সঙ্ঘের সাধনা আজ রঙ দেখাচ্ছে যার কারণেই হিন্দুস্থানের রাষ্ট্রপতি হোক বা প্রধানমন্ত্রী সকলেই শাখার পাঠশালা থেকে বেরিয়েছেন। আজ সঙ্ঘের সাথে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা যুবকদের মধ্যে প্রবল হচ্ছে। এমনিতে বিশ্বের ৪০ টি দেশে সঙ্ঘের শাখা লাগানো হয়। কোথাও ই শাখা লাগানো হয় কোথাও বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগ হন। দেশেই প্রায় ৫০ লক্ষের বেশি স্বয়ংসেবক রয়েছে।

রোজ প্রায় ৫০ হাজার শাখা লাগানো হয়। সঙ্ঘ  থেকে কত দ্বিগজ বেরিয়েছেন তার সমস্ত কিছুই আপনাদের জানাবো তবে তার আগে সয়ংসেবকদের অনুশাসন সম্পর্কে একটু জানিয়ে দি। সঙ্ঘ সংস্কার, রাষ্ট্রবাদ, সমাজসেবার ভাবনার প্রাথমিক পাঠশালা। পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ উপরাষ্টপ্রতি ভেঙ্কাই নাইডু, গোয়ার মুখমন্ত্রী মনোহর পারিকর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাতকরি, বিজেপি নেতা মুরলি মনোহর জসী, মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফোড়নবিশ, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি, বিজেপির দ্বিগজ নেতা রাম মাধম এর মত বহু ব্যাক্তিরা সঙ্ঘ থেকেই বেরিয়েছেন।

যদি কেউ সঙ্ঘের সাথে জুড়তে চাই তাহলে তাকে সঙ্ঘের শাখায় যোগদান করতে হয় যা সকাল ও সন্ধ্যে এই সময় হয়ে থাকে। শাখায় ধজ্জ প্রণামের পর খেলাধুলা ও ব্যায়াম শেখানো হয়। শাখায় সামিল হওয়ার পরই আপনাকে স্বয়ংসেবক হিসেবে গণনা করা হয়। এর পর সঙ্ঘের তিন প্রশিক্ষন শিবির হয় , সবার প্রথমে আইটিসি অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষা বর্গ যেখানে ৭ দিন ধরে স্বয়ংসেবকদের প্রশিক্ষন দেওয়া হয় যার পর সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ প্রথম বর্ষ অর্থাৎ ওটিসি ফার্স্ট ইয়ার হয় যেখনে ২০ দিন ধরে স্বয়ংসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফার্স্ট ইয়ার এর পর ২০ দিনের আরো একটা প্রশিক্ষণ হয় যেটাকে ওটিসি সেকেন্ড ইয়ার বলা হয়। এরপর হয় ওটিসি থার্ড ইয়ার যা সবথেকে দীর্ঘ সময় ৩০ দিনের হয় যা সঙ্ঘের হেডকোয়াটার নাগপুরে করা হয়।

যারা ওটিসি থার্ড ইয়ার করে নেন তারা অনেকেই সঙ্ঘ প্রচারক হয়ে যান। এবার আপনাদের জানাই, সঙ্ঘ প্রচারক কাদের বলা হয়। আসলে সঙ্ঘ তাদের বিস্তারের জন্য প্রচারক নিযুক্ত করে। প্রচারক এর নিযুক্তি ক্ষেত্র, প্রান্ত, বিভাগ, জেলা ও নগরে হয়ে থাকে। যেসব স্বয়ংসেবক প্রচারক হিসেবে সময় দেন তাদের প্রথম নিযুক্তি বিস্তারক রূপে হয় এরপর তাদের প্রমোনশন হয়। এমনটা নয় যে সঙ্ঘের প্রচারক শুধু সঙ্ঘের প্রচারক হিসেবেই থেকে যাবেন। ক্ষমতা ও যোগদানের ভিত্তিতে তাদের নিযুক্তি সঙ্ঘের যেকোনো সংগঠনে করা যেতে পারে যেমন বিজেপি, মজদুর, বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল। আপনাদের জানিয়ে রাখি RSS এর ২০ এর বেশি আরো সংগঠন রয়েছে। সঙ্ঘ প্রচারক হওয়ার জন্য অনেক সাধনা করতে হয় কারণ প্রচারক হওয়া কোনো মুখের কথা নয়। অনেক শর্ত পালনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় সঙ্ঘ প্রচারক। সঙ্ঘের প্রচারক থাকাকালীন কোনো ব্যক্তি না বিয়ে করতে পারে না পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারে। প্রচারক কোনো বেতন পান না শুধু মাত্র তার প্রয়োজনীয় খরচের টাকা পান মাত্র।

সঙ্ঘ কার্যালয়ের আরো একটা বিশেষ বিষয় এই যে সেখানে কোনো রান্না ঘর থাকে না।ভোজনের জন্য প্রচারকদের বিভিন্ন পরিবারের কাছে যেতে হয়। এই নিয়ম এই জন্যেই তৈরি করা হয়েছে যাতে পরিবারের মধ্যে গিয়ে পরিবারকে সঙ্ঘের সাথে জুড়তে পারা যায়। এখন আপনাদের জানায় যে এত বড়ো একটা সংঘটন চালানোর জন্য টাকা কোথায় থেকে আসে। আসলে সঙ্ঘ গেরুয়া পতাকাকে নিজেদের গুরু মনে করে এবং বছরে একবার গুরুদক্ষিণের আয়োজন করা হয়। এই কার্যক্রমে প্রত্যেক স্বয়ংসেবক তাদের নিজেদের মতো করে গুরুদক্ষিনা প্রদান করে। এই দক্ষিণ একটা বন্ধ কাগজের মধ্যে দিতে হয়। কোনো স্বয়ংসেবক একটা ফুল থেকে শুরু করে যতইচ্ছা পরিমান দক্ষিনা প্রদান করতে পারে।

এই গুরুদক্ষিণ সঙ্ঘের যোগান দেওয়ার একমাত্র রাস্তা। আরএসএস এর লক্ষ জাতপাত থেকে উপরে উঠে জটিভিত্তিকে ভেঙে পড়া হিন্দু সমাজকে এক করা। সঙ্ঘের এই ৯৩ বছর অতিক্রম করা কোনো সহজ ব্যাপার ছিল না। কংগ্রেসের চোখের বলি এই RSS এর উপর বহুবার ব্যান লাগানো হয়েছে। সর্বপ্রথম গান্ধীজির মৃত্যুর পর RSS এর উপর ব্যান লাগানো হয়েছিল। অপপ্রচার করা হয়েছিল যে RSS এর ব্যাক্তি গান্ধীকে হত্যা করেছে । পরে অবশ্য আদালতে সত্য সামনে এলে ব্যান সরে যায়। যদিও সেই সময়েও কংগ্রেসের জওহরলাল নেহেরু সঙ্ঘের উপর ব্যান সরিয়ে দিতে রাজি ছিলেন না। এরপর ১৯৭৫ এ এমার্জেন্সির সময় সঙ্ঘের উপর ব্যান লাগে।

সেই কালো সময়ে নরেন্দ্র মোদীজি সঙ্ঘের প্রচারক ছিলেন এবং তিনি গ্রেপ্তারি থেকে বাঁচবার জন্য লুকিয়ে সঙ্ঘের প্রচার চালাতেন। বলা হয় সময় তার হিসেব ঠিক নিয়ে নেয়। আজ সেই সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক দেশের প্রধানমন্ত্রী, ওই সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক দেশের রাষ্ট্রপতি , ওই সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক দেশের উপরাষ্ট্রপতি এছাড়া শাসন ক্ষমতায় থাকা এমন অনেক দ্বিগজ রয়েছেন যারা সঙ্ঘ থেকে বেরিয়েছেন। সঙ্ঘের সফর এখনো জারি রয়েছে। ভারতকে বিশ্বগুরু করার জন্য সঙ্ঘ দিনে দ্বিগুণ ও রাতে চারগুন গতিতে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

The post ভারতকে বিশ্বগুরু করার জন্য RSS কিভাবে এগিয়ে চলেছে জানলে আপনিও গর্বিত হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OxTiPC
24 ghanta

উত্তরপ্রদেশে ৮০ টি সিটের মধ্যে ৭৪ টি আসনে নিশ্চিত জয়ী হবে বিজেপি: অমিত শাহ।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির গলায় আবার শোনা গেলো বিজেপির জয়ের কথা। তিনি বলেন দিলেন যে তিনি বিজেপি জয় লাভের পক্ষে অনেক আশাবাদী। তিনি এবার বিরোধী পক্ষের মহাজোট কে চ্যালেঞ্জ করেই বললেন যে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। উত্তরপ্রদেশের মানুষরা যেভাবে বিজেপির পাশে আছে সেটা দেখে তিনি খুব আশাবাদী তাই তিনি বললেন যে আগামী লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে ৮০ টি আসনের মধ্যে ৭৪ টি আসনে বিজেপি ব্যাপকহারে জিতবে। এবং সেই সব গুলি আসনই বিজেপি পাবে।

গতকাল অমিত শাহ উপস্থিত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশ বিজেপির পক্ষ থেকে আয়োজন করা কার্যনির্বাহীর বৈঠকে সেখানে তিনি বলেন যে, মহাগঠবন্ধনের ক্ষমতায় নেই বিজেপিকে আটকানোর মতন। তিনি আরও বলেন যে বিজেপির উত্তরপ্রদেশ সংগঠন খুব মজবুত এখানে মহাগঠবন্ধনের কোনো প্লানই কাজ করবে না। আমরা এখানে ২০১৪ সালে যত গুলি আসন পেয়েছিলাম তার চেয়ে এবার আরও অনেক বেশি আসনে জয়যুক্ত হব।

GDP ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়াও কথা বললেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজ্য কার্যনির্বাহীর বৈঠক থেকে তিনি কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বললেন যে, কংগ্রেস তাদের শাসনকালে দেশকে পিছিয়ে নিয়ে গেছে। দেশের উন্নয়নশীল কোনো কাজ তারা করেন নি। শুধু মাত্র নিজেদের সুবিধার জন্য তারা দেশের মানুষ কে ভোট ব্যাংক হিসাবে ব্যাবহার করেছে।

কিন্তু মোদীজি এবং যোগীজি সব সময় গরিবদের কথা ভেবেছেন। তাদের জন্য ঘর করে দিয়েছেন। তাদের রুজিরোজগারের জন্য নানান উন্নয়নমুখী কাজ করেছেন। তাই তিনি আশাবাদী যে উত্তরপ্রদেশের মানুষ যোগীজির কাজে জন্য বিজেপির পাশে থাকবেন। এবং এবার বিজেপি এই রাজ্য থেকে ৮০ টির মধ্যে ৭৪ টি আসন পাবে।
#অগ্নিপুত্র

The post উত্তরপ্রদেশে ৮০ টি সিটের মধ্যে ৭৪ টি আসনে নিশ্চিত জয়ী হবে বিজেপি: অমিত শাহ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MIPBFX
24 ghanta

রাহুল গান্ধী ফ্লাইটে এমন কান্ড ঘটালো, যে যাত্রীরা ‘হর হর মোদী’ শ্লোগান শুরু করে দিলো।

কংগ্রেস অধ্যক্ষ রাহুল গান্ধী ১০ আগস্ট ছত্রিশগড়ের যাত্রায় ছিলেন। রাজধানী রায়পুর যাওয়ার জন্য রাহুল গান্ধী দিল্লি থেকে রায়পুরের ফ্লাইট ধরে ছিলেন। এরপর ফ্লাইট এ এমন কিছু ঘটে যার জন্য বাকি যাত্রীরা হাঙ্গামা শুরু করে দেয়।কিছু যাত্রী তো ‘হর হর মোদী ঘর ঘর মোদী’ বলে শ্লোগান দিতে শুরু করে। আসলে রাহুল গান্ধী ইন্ডিগো এর ফ্লাইটে যাত্রা শুরু করলে এসপিজিরা যাত্রীদের সুরক্ষা চেকিং শুরু করে দেয়। যাতে যাত্রীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং যাত্রীরা রেগে গিয়ে রাহুল গান্ধীকে নিয়ে নিজেদের মতো করে ট্রল করতে শুরু করে দেয়।

১০ আগস্ট রায়পুর যাওয়ার জন্য রাহুল গান্ধী ইন্ডিগোর একটা সাধারণ ফ্লাইট ধরেন যাতে সমস্যায় সম্মুখীন হতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। সুরক্ষা চেকিং ও ফ্লাইটের দেরির জন্য জোরদার হাঙ্গামা করেন যাত্রীরা। যাত্রীরা যখন হর হর মোদী বলে শ্লোগান তোলে তখন রাহুল গান্ধীর সমর্থকরাও রাহুলের সমর্থনে শ্লোগান দেয়।

আপনাদের জানিয়ে দি রাহুল গান্ধী উইন্ডো সিটে বসেছিলেন এবং উনার আগে ও পিছনে এসপিজি ক্যামান্ড এর জওয়ানরা বসেছিলেন। ফ্লাইতে যাত্রীদের শ্লোগানের উপর কোনো প্রতিক্রিয়া না করে রাহুল গান্ধী শুধু হাসছিলেন। এরপর যাত্রীদের এই সমস্যায় রাহুল হাসছে দেখে আরো রেগে যান তার এবং আরো জোর জোরে শ্লোগান দিতে থাকে।

এমনকি রাহুল গান্ধীর নাম ধরেও শ্লোগান দিতে শুরু করে তখনও রাহুল গান্ধী হাসতে থাকেন। এর মধ্যেই ফ্লাইটে থাকা মহিলাদের একজন রাহুলের দিকে এগিয়ে এসে বলেন যে দেখুন আপনার জন্য ফ্লাইট লেট হচ্ছে। আসলে যাত্রীরা চাইছিলেন যে তাদের সমস্যায় ফেলার জন্য রাহুল গান্ধী ক্ষমা চান কিন্তু রাহুল গান্ধী ক্ষমা চাওয়া তো দূর শুধু হাসতেই থাকেন যা দেখে প্রচন্ড ক্রুদ্ধ হন যাত্রীরা।

The post রাহুল গান্ধী ফ্লাইটে এমন কান্ড ঘটালো, যে যাত্রীরা ‘হর হর মোদী’ শ্লোগান শুরু করে দিলো। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BkTRKX
24 ghanta

হিন্দুদের আস্থার স্বার্থে এই বিজেপি নেতা যা করলেন তাতে গর্বিত হবে বিজেপি সমর্থকেরা।

বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য খ্যাত হায়দ্রাবাদের সাংসদ টি রাজা আরো একবার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছে। আসলে দেশের কিছু স্থানে গো হত্যা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ রয়েছে ।আর কিছু কট্টরপন্থী ওই স্থানগুলিতেই গো চুরি বা গো মাংস বিক্রির মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। এখন স্থানীয় লোকজন বা গোরক্ষাকারীরা ওই গরু চোরদের ধরে পুলিশের কাছে তুলে দিলে, দেশের দালাল মিডিয়া কট্টরপন্থীদের পক্ষ নেওয়ার জন্য ও মোদী সরকারের বদনাম করার জন্য মবলিনচিং বলে প্রচার শুরু করেছে। এই অবস্থায় হাদরাবাদের বিজেপি বিধায়ক টি রাজা এমন পদক্ষেপ নিয়েছে যা সকলকে অবাক করেছে।

আসলে বিজেপি নেতা ও বিধায়ক টি রাজা সম্পতি বিজেপি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এবং নিজেকে গো রক্ষার জন্য সমর্পিত করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান যে গো রক্ষার জন্য উনি নিজের প্রাণ দিতেও প্রস্তুত আর এই জন্য তিনি কোনো মতেই নিজের দলের বা মোদীজির নাম খারাপ করতে রাজি নন। মোদী সরকারের উপর যেন কোনো প্রকার দাগ না লাগে সেই দিকে নজর রেখেই উনি বিজেপি থেকে ইস্তফা দিয়ে গোরক্ষার কাজে নামতে চান।

টি রাজা সিং জানান যে উনি ৪ দিন আগেই পার্টি অধ্যক্ষ কে লক্ষ্মণকে তার ইস্তফা জমা দিয়েছেন। রাজা সিং বলেন উনি পার্টিকে আলাদা রেখেই বরাবর গোসেবা করে এসেছেন, কিন্তু যেহেতু মিডিয়া গো রক্ষার জন্য বিজেপিকে গালিগালাজ করছে তাই উনি পার্টি থেকে আলাদা হয়েয় গো রক্ষা অভিযানে কাজ শুরু করবেন এবং মনোযোগ সহকারে গো সেবা করবেন।

রাজা সিং বলেন, তেলেঙ্গানার বকরি ঈদে উপলক্ষে কিছু নেতা হিন্দুদের আস্থায় আঘাত করে মুসলিম ভোটের জন্য প্রচুর গো হত্যার পরিকল্পনা করেছেন যা তিনি কোনোভাবেই হতে দেবেন না। এর আগেও নিজের বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য উনি খবরের হেডলাইনে উঠে এসেছিলেন। কিবহুদিন আগেই রাজা সিং বলেছিলেন, যদি রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারীরা ভদ্রভাবে দেশ না ছাড়ে তাহলে তাদেরকে গুলি করে মেরে ফেলা উচিত তাহলেই ভারতীয়রা সুরক্ষিত থাকবে। জানলে অবাক হবেন বিজেপি নেতার এইরকম কড়া মন্তব্যের জন্য পুলিশ বহুবার উনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

The post হিন্দুদের আস্থার স্বার্থে এই বিজেপি নেতা যা করলেন তাতে গর্বিত হবে বিজেপি সমর্থকেরা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vF99F4
24 ghanta

ইতিহাস তৈরী করলো মোদী সরকার! ৪৭ বছর আগে ‘ভারত-পাকিস্থান যুদ্ধে’ উড়িয়ে দেওয়া ব্রিজের পুণনির্মাণ করলো ভারত।

দেশে সবথেকে বেশি সময় ধরে যে রাজনৈতিক দল রাজত্ব করেছে তা হলো কংগ্রেস। আর এই কংগ্রেসই আমলেই দেশ সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষমতা হাতে পাওয়ার লোভে একদিকে যেমন দেশকে ধর্মের নামে বিভক্ত করে পাকিস্থান তৈরি করেছিল তেমনি এই কংগ্রেস পরবর্তী কালে জম্মুকাশ্মীরের একটা বিশাল অংশ পাকিস্থানকে দিয়ে (যা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত) ও আরেকটা অংশ চীনকে দিয়ে(যা অক্সাই চীন নামে পরিচিত) দেশকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীজি বসার পর তিনি এটা সাফ করে দিয়েছিলেন যে ভারতের এক ইঞ্চি জমি কোনো দেশকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আর তার প্রমানও ডোকালাম এ দেখিয়ে মোদী সরকার। আসলে মোদী সরকার দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য কোনো খামতি রাখতে রাজি নয়। সম্প্রতি মোদী সরকার আরো একটা বড়ো কাজ সম্পন্ন করেছে যা নিয়ে একটা টু শব্দও করেনি দেশের দালাল মিডিয়া।

পাঞ্জাবের হুসেনওয়ালাতে রাজনৈতিকদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্রিজের পূর্ননির্মাণ করা হয়েছে যা ১৯৭১ যুদ্ধের সময় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আপনাদের জানিয়ে দি, ভারতের সীমান্তের সুরক্ষার দিক থেকে এই হুসেনওয়ালা ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আগের সোনিয়া চালিত সরকার দুর্নীতি করতে এতটাই ব্যাস্ত ছিল যে এই দিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ করেনি। রবিবার দিন সুরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সিতারামান এই ব্রিজের উদঘাটন করেন। এই ব্রিজ পুরানো ফিরোজপুর লাহোর রাজমার্গকে ফিরোজপুর ও হুসেনওয়ালার সাথে যোগ করে। হুসেনওয়ালার প্রায় ১০-১২ টি গ্রাম দেশের বাকি অংশের সাথে যোগ করার জন্য এটি একমাত্র ব্রিজ।১৯৭১ এর সময় এই ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়েছিল যাতে পাকিস্থানি সেনা ভারতের দিকে অগ্রসর হতে না পারে।

যুদ্ধের পর সেনা একটা ব্রিজ নির্মাণ করেছিল কিন্তু সেটা বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়নি। এবার প্রায় ৪৭ বছর পর মোদী সরকার এই ব্রিজ পূর্ননির্মাণ করে ইতিহাস তৈরি করেছেন। দেশের সুরক্ষা নিরাপত্তার খাতিরে এই ব্রিজ নির্মাণ খুবই অপরিহার্য ছিল।পাকিস্থানের লাহোরের দক্ষিণে অবস্থিত কাসুরের দিকে আক্রমক অভিযানের সময় ভারতের রক্ষাসামগ্রীকে সেনা অবধি পৌঁছানোর জন্য এই ব্রিজ খুবই সাহায্যকারী। ঐতিহাসিক দিক থেকেও এই ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রক্ষামন্ত্রী নির্মলা সিতারামান বলেন, ডিসেম্বর ৩-৪, ১৯৭১ এ উড়িয়ে দেওয়া এই ব্রিজের পূর্ননির্মানের উদঘাটন করে আমি খুব গর্ব অনুভব করছি।

উনি বলেন এই ব্রিজ বাণিজ্য, কৃষির জন্য উপযোগী হওয়ার সাথে সাথে রক্ষা সামগ্রী পৌঁছানোর জন্যেও সাহায্যকারী হবে। সময়সীমার আগে ব্রিজ নির্মাণের জন্য উনি বিআরও এর প্রশংসা করে বলেন, ‘ আমরা ভারতের এক গজ জমির উপরে পাকিস্থানকে কব্জা করতে দেব না।’ জাতীয় শহীদ মেমোরিয়াল এ উনি শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন এবং জওয়ানরা পশ্চিম কামান জিন্দাবাদ ও ভারত মাতা কি জয় শ্লোগান দেন । আগে দেশ এই নীতি নিয়ে মোদী সরকার দেশের সীমান্তগুলিকে সুরক্ষিত করতে নেমে পড়েছে এবং পাকিস্থান, বাংলাদেশ সীমান্তের গ্রামগুলিকে সিল করে ও মূলভুত ব্যাবস্থা উন্নত করে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।

The post ইতিহাস তৈরী করলো মোদী সরকার! ৪৭ বছর আগে ‘ভারত-পাকিস্থান যুদ্ধে’ উড়িয়ে দেওয়া ব্রিজের পুণনির্মাণ করলো ভারত। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2B8qkUn
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started