পাকিস্থানে ইমরান খানের শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়ে কংগ্রেস নেতা নবজোত সিং সিদ্ধু যা করলেন তাতে রেগে লাল ভারতীয়রা।

একদিকে সারা দেশ যখন অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্য শোকপালন করছে , দল পার্টি নির্বিশেষে অটলজির শেষ যাত্রায় সামিল হচ্ছেন তখন পাকিস্থানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পৌঁছালেন নভজোৎ সিং সিদ্ধু। ইতালির সোনিয়া গান্ধী হোক বা বিজেপির চরম বিরোধী মমতা ব্যানার্জী হোক সকলেই উপস্থিত হয়েছিলেন পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর অন্তিম যাত্রায়। কিছু সপ্তাহ আগেই ইমরান খানের দল তেহেরিকি ইনসাফ পাকিস্থান নির্বাচনে বড়ো দল হিসেবে উঠে এসেছে। আর সেই সূত্রেই পাকিস্থানের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আজ শপদ গ্রহণ করলেন ইমরান খান। শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অথিতিদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি অনেকদিক আগেই শুরু হয়েগেছিল।

কপিল দেব থেকে শুরু করে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল সুনীল গাভাস্কার ও নোবজোৎ সিং সিদ্ধু। কিন্তু যেহেতু জঙ্গিদেশ পাকিস্থানের সাথে ভারতের সম্পর্ক ভালো নেই তাই কপিল দেব ও সুনীল গাভাস্কার পাকিস্থান যেতে না করেছেন কিন্তু কংগ্রেস নেতা নোবজোৎ সিং সিদ্ধু পৌঁছে গেছেন পাকিস্থান। শুধু অনুষ্ঠানে হাজির থাকায় নয়, পাকঅধিকৃত কাশ্মীরের কর্তাদের সাথেই মঞ্চে বসার পড়েছিলেন সিদ্ধু।

এখানেই থেমে যায়নি, পাকিস্থানের যে আর্মি চিফ জেনারেল দিনরাত ভারতীয়দের গালিগালাজ করে সেই আর্মি চিফের সাথে গলাগলি করলেন নবজোৎ সিং সিদ্ধু। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মাসুদ খানের পাশে বসে জমিয়ে গল্পগুজব ও দহরোম-মহরম করতে দেখা গেছে নবজোৎ সিং সিদ্ধু যা দেখে রেগে লাল দেশবাসী।

পাক সেনারা সাথে নোবজোৎ এর এত প্রেম দেখে নেটিজনরা আপাতত দেশদ্রোহী তকাম দিয়েছে সিদ্ধুকে। পাঞ্জাবের মানুষ সিদ্ধুর ছবিযে জুতো মেরে প্রতিবাদ পদর্শন করেন। তবে সিদ্ধু এক নয়, সিদ্ধুর আগে কংগ্রেস নেতা মনিশঙ্কর আয়ার পাকিস্থানে গিয়ে ভারতের বদনাম করে আসেন। আপনাদের জানিয়ে দি, মনিসঙ্কর পাকিস্থানে গিয়ে বলেছিলেন যে পাকিস্থান উনাকে ভালোবাসা দিয়েছে আর ভারত থেকে উনি নাকি ঘৃণা দিয়েছেন।

The post পাকিস্থানে ইমরান খানের শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়ে কংগ্রেস নেতা নবজোত সিং সিদ্ধু যা করলেন তাতে রেগে লাল ভারতীয়রা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2nMbEkh
24 ghanta

যখন অটলজি যোগী আদিত্যানাথকে বলেছিলেন আমি তোমার গুরুজীর কাছে তোমায় নামে অভিযোগ করবো! তখন যা হয়েছিল…

১৫ আগস্ট দেশ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসে মেতে উঠেছিল। আর পরের দিনই এমন খবর সামনে আসে যা পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দেয়। পরের দিন অর্থাৎ ১৬ আগস্ট খবর আসে যে রাজনীতি জগতের সবথেকে বড়ো নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী স্বর্গবাস করেছেন। ১৬ আগস্ট সকালে এমসের তরফ থেকে মেডিক্যাল বুলেটিন জারি করা হয়েছিল যাতে জানানো হয়েছিল যে অটলজির শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে তৎপর এমসে সমস্ত বড়ো বড়ো নেতারা জমায়েত হতে শুরু করে। এরপর সারা দেশ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে শুরু করে। কিন্তু শেষমেষ ৫. ৪০ নাগাদ খবর পাওয়া যায় যে উনি আর আমাদের মাঝে নেই। এমস কর্তৃপক্ষ জানায় যে ৫.০৫ এ অটলজি দেহত্যাগ করেছেন।

অটলজির নিধনে পুরো দেশ শোক পালন করে এবং সরকারের তরফ থেকে ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়। এই সময় যোগী আদিত্যানাথ অটলজিকে নিয়ে এক ঘটনা ব্যাক্ত করেন যা অটলজির সরল সাধারণ ও হাসিখুশি মেজাজকে ব্যাক্ত করে। যোগীজি বলেন ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের জন্য অটলজি গোরক্ষপুর আসছিলেন। যোগীজি বলেন, তিনি কিছু কাজে গোরক্ষপুর থেকে বাইরে যাচ্ছিলেন। হটাৎ খবর পাওয়ার পর উনি অটলজির সাথে দেখা করতে পৌঁছান। অটলজি গাড়ি থেকে নেমে যোগিজিকে বলেন, ” তোমার নামে তোমার গুরুর কাছে আমি অভিযোগ করবো।

তোমার জন্য আমাকে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আগে আমি শুধু গোরক্ষপুরেই রালি করতে আসতাম। তুমি জানিয়েছো যে গোরক্ষপুরে কোনো রালির প্রয়োজন নেই।” অটলজির কথা শুনে যোগী আদিত্যানাথ উত্তর দিয়ে বলেন, ‘ না না এইরকম কোনো ব্যাপার নেই।আমি তো আপনার আসার জন্য আবেদন করেছিলাম। ‘

এটা শুনে অটলজি হেসে পড়েন এবং চলতে শুরু করেন। যোগী আদিত্যনাথ সাংবাদিকদের বলেন বাস্তবে প্রত্যেক কার্যকর্তার সাথে উনার খুব ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। আপনাদের জানিয়ে দি অটলজির নিধনের পরেই যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছেন। শুধু এই নয় যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন অটলজির অস্থিভস্ম উত্তরপ্রদেশের প্রত্যেক নদীতে ভাসানো হবে।

The post যখন অটলজি যোগী আদিত্যানাথকে বলেছিলেন আমি তোমার গুরুজীর কাছে তোমায় নামে অভিযোগ করবো! তখন যা হয়েছিল… appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MUUvQt
24 ghanta

অটল বিহারী বাজপেয়ীর সাথে কংগ্রেস যা করেছিল তার ইতিহাস জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

সত্তরের দশকের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সেই সময় দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। জরুরি অবস্থা জারি করার ফলে দেশের সাধারন মানুষের মৌলিক অধিকার হরন হয়েছিল। তাই দেশের সকল রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব সেই দিনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করেন। তাই সেই সব প্রতিবাদ মুখর রাজনৈতিক নেতাদের দমিয়ে রাখার জন্য তাদের কে দফায় দফায় জেলে ঢুকিয়ে দেয় ইন্দিরা গান্ধী সরকার। গ্রেফতার করা হয়েছিল মোরারজি দেশাই, চরণ সিং, জয়প্রকাশনারায়ণ সহ লালকৃষ্ণ আডবানিদের মতো নেতারা। এমনকি এই তালিকায় ছিলেন অটলবিহারি বাজপেয়ীও।

১৯৪২ সালে অটলবিহারি বাজপেয়ী ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। সেজন্য সেই সময় তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। তাই জেল খাটা তার পরিচিত। কিন্তু জরুরি অবস্থার সময় তাকে যখন জেলে ঢুকানো হয়েছিল তখন তার বয়স অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আগের মত শক্ত শরীর ছিল না। তাই তাকে জেলে ঢোকানোর কিছু দিনের মধ্যেই বাজপেয়ীজির পিঠে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়। তার ফলে তাকে সেই সময় নিজ বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। কিন্তু দিন দিন তার শরীরের অবস্থা খুব খারাপ হতে শুরু করে ফলে তাকে এইমসে কাটাতে হয়েছিল বেশিরভাগ সময়।

তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মাঠে নামেন ১৯৭৭ সালে। এবং নুতন দল ‘জনতা পার্টি’ গঠন করে তিনি সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এবং কংগ্রেস কে পরাজিত করে তার তৈরি করা জোট সরকার। বাজপেয়ীজি সেই সময় কংগ্রেসকে পরাজিত করা জোট সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই জোট সরকারের পতনের পরে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী এল কে আদভানি কে সাথে নিয়ে তিনি গঠন করেন ভারতীয় জনতা পার্টি- বিজেপি ১৯৮০ সালে। তারপর তাকে ভারত রত্নে ভূষিত করা হয় ২০১৫ সালে।

আপনাদের জানিয়ে দি আজকের যে বিজেপি সরকার পুরো ভারতে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেই চলেছে এবং প্রায় সব রাজ্য নিজেরদের শাসনে নিয়ে এসেছে এর মূল ভীত তৈরি করে গেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ীজি। রাজধর্ম পালনের মধ্যে দিয়ে কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা শিখিয়ে গিয়েছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

#অগ্নিপুত্র

The post অটল বিহারী বাজপেয়ীর সাথে কংগ্রেস যা করেছিল তার ইতিহাস জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2L5Ife7
24 ghanta

অটল বিহারী বাজপেয়ীর এই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে স্তব্ধ হয়েগেছিল বিরোধীরাও।

বাজপেয়ীজি প্রথমবারে মাত্র ১৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন। কিন্তু সেটার স্থায়িত্বকাল বেশি দিন ছিল না তা জেনেও তিনি সেই আসন গ্রহন করেছিলেন। কারন সেই সময় কংগ্রেস বিরোধী দল গুলির কোনো ক্ষমতা ছিল না। তাই তিনি কিছু দিনের জন্য হলেও সেই আসনে বসে কংগ্রেস কে দেখিয়ে দিয়েছিল তার ছোটো এই দলের ক্ষমতা । তিনি শুধুমাত্র দেশবাসী কে এটাই দেখাতে চেয়েছিলেন যে, এই দেশে কংগ্রেসের বিকল্প রয়েছে সেই জন্যই তিনি সেই সময় প্রধানমন্ত্রীর আসন গ্রহন করেছিলেন। তার কোনো ক্ষমতার লোভ ছিল না। তার মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তার দলের আদর্শ ও লক্ষ্য তুলে ধরা। সেটার প্রমান আমরা তার প্রথমবারের ভাষন থেকেই ফুটে উঠেছিল। সেই সময় সরাসরি সম্প্রচার করা হত না লোকসভা। কিন্তু সেই সময়কার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ দূরদর্শনে লোকসভার লাইভ টেলিকাস্ট চালু করে দিয়েছিলেন মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে।

আর সেই সুবর্ণময় সুযোগ কে কাজে লাগিয়েছিলেন বাজপেয়ীজি। তিনি জানতেন যে তার দল লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করতে পারবে না তাই তিনি সেই ১৩ দিনকে ভালো ভাবে কাজে লাগিয়েছিল। তিনি তার বক্তৃতার মধ্যে দিয়ে সকলকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিলেন পদত্যাগ করার আগে। তিনি বলেছিলেন যে, ‘আমি মরতে ভয় পাই না, ভয় পাই শুধুমাত্র বদনামের।’ তার ভাষনের সেই সুন্দর ভিডিও টি আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় সমান ভাবে জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে। একটি এমন দল যেটা  হিন্দুত্ববাদী নিয়ে তৈরী হয়েছে সেইরকম একটা দল কে দেশের জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা করে দেওয়া।

বিজেপিকে দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরা। বিজেপির উদ্দেশ্য ছিল সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশের বিকাশ করা ও বিজেপিকে শক্তিধর পার্টি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করানো। এই সব কিছু কিন্তু বাজপেয়ীজির প্রাপ্য। প্রথমবার তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী আসনে বসেন তখন বিজেপি দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি আসন পেয়েছিল। লোকসভা ভোটে এত পরিমান ভোট পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি, অটলবিহারী বাজপেয়ীজিকে  প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার কারনে কিছু দিনের মধ্যে সেই পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিয়ে দেন। সব বিরোধী দল গুলি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমানের দিনে বলেন যে বাজপেয়ীজির ক্ষমতার লোভ রয়েছে। সেই কথা শোনার পরই তিনি নিজের বক্তব্য পেশ
করেন লোকসভায়, যা শুনে সেই সময়কার সকল বিরোধী নেতারাই বিস্মিত হয়ে গিয়েছিল। জানলে অবাক হবেন জাতিসঙ্ঘ একটা এত ছোট দল ছিল যে বাকি দলের নেতা মন্ত্রীরা হাসাহাসি করতো। কিন্তু সেই সময় অটলজি বলেছিলেন, আজ আমার দল নিয়ে বাকিরা হাসহাসি করছে ঠিকই কিন্তু এক সময় আসবে যখন পুরো ভারতে আমাদের পার্টি থাকবে আর বাকিদের উপর জনগণ হাসবে।

#অগ্নিপুত্র

The post অটল বিহারী বাজপেয়ীর এই ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে স্তব্ধ হয়েগেছিল বিরোধীরাও। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2vSm1Yv
24 ghanta

মহান সুভাষ চন্দ্র বসুর সম্পর্কিত লুকিয়ে রাখা এই ঘটনা জানলে, আপনিও বলে উঠবেন ভারত মাতা কি জয়।

আজ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এমম একটা ঘটনা আপনাদের জানাবো যা সম্পর্কে আপনারা হয়তো আংশিক ভাবেই জানেন। এই ঘটনা মহান দেশপ্রেমিক সুভাষচন্দ্র বসু ও গান্ধিজি উভয়ের সাথে ঘটিত হয়েছিল। স্বাধীনতার আগে ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস কামরায় যদি কোনো ইংরেজ সফর করতো তাহলে সেই কামরায় কোনো ভারতীয়কে সফর করতে দেওয়া হতো না। গান্ধীজির ঘটনা খুব প্রচলিত হয়েছিল। এটা সকলেই জানে যে গান্ধীজিকে তার সামগ্রিক সহ কামরা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল যারপর উনি প্লাটফর্মেই ধর্ণায় বসেছিলেন। এবার মহান সুভাষ চন্দ্র বসুর কথা বলি, উনার সাথেও এইরকম ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু ওই ঘটনা প্রচলিত হয়নি অথবা ইচ্ছা করেই আমাদের থেকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সুভাষ চন্দ্র বসু ফার্স্ট ক্লাস কামরায় বসেছিলেন এবং একলা যাত্রা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর এক ইংরেজ মহিলা ওই ফার্স্ট ক্লাস কামরায় উঠেন।

ফার্স্ট ক্লাস কামরায় একজন ভারতীয়কে দেখে ওই মহিলা রেগে লাল হয়ে উঠেন। ওই মহিলা ভাঙা ভাঙা হিন্দিতে বলে, ‘তুম কালা আদমি ইসমে ক্যাইসে আয়া, আগলে স্টেশন পে উটার জানা।’ সুভাষ চন্দ্র বসু মহাশয় ওই মহিলার কথা শোনার পর কোনো প্রতিক্রিয়া না দিয়ে চুপ চাপ নিজের জায়গায় স্থিরভাবে বসে থাকেন। এটা দেখে মহিলা আবার জোরে বলে উঠে, যদি তুমি পরের স স্টেশনে না নেমে পড়ো তাহলে আমি চিৎকার করে সকলকে বলবো যে তুমি আমার সাথে অভদ্র ব্যাবহার ও অসভ্যতামি করার চেষ্টা করেছো। সুভাষ চন্দ্র মহাশয় তখন ওই মহিলাকে ইশারা করে বলেন যে উনি শুনতেও পান না আর বলতেও পারেন না অর্থাৎ উনি বধির ও বোবা, তাই আপনি যা কিছু বলছে তা সমস্ত লিখে দিন।

এবার মহিলা তার দ্বারা বলা বক্তব্য লিখে দেন । মহিলা স্পষ্টভাবে লিখে দেন যে যদি তুমি পরের স্টেশনে না নেমে পড়ো তাহলে তোমার উপর মিথ্যা অভিযোগ আনবো। এরপর নেতাজি ওই লেখা না পড়েই নিজের পকেটে রেখে নেন। এটা দেখে ইংরেজ মহিলা আরো জোরে চিৎকার করতে শুরু করে তখন সুভাষ চন্দ্র বসু হেসে বলেন, ‘ম্যাডাম এবার আপনি বলুন পরের স্টেশনে কে নেমে পড়বে?’ এটা শুনে মহিলা দুশ্চিন্তায় পড়ে এবং তৎপরতার সাথে পরের স্টেশনে নিজেই নেমে পড়েন। এই ঘটনা ৪৫ বছর আগে মাসিক পত্রিকা কাদম্বিনীযে রাজেন্দ্র মাথুর দ্বারা লিখিত বিশেষ লেখায় প্রকাশিত হয়েছিল। এমনিতে তো সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত অনেক ঘটনা আছে যা জেনে উনার ব্যাক্তিত্বের ছটাকে আভাস করা যায়।

আরো একটা ঘটনা আপনাদের জানাই, ভারতের স্বাধীনতার জন্য সাহায্য চাইতে সুভাষ চন্দ্র বসু মহাশয় হিটলারের সাথে দেখা করতে জার্মানি গিয়েছিলেন। সুভাষ চন্দ্র মহাশয়কে এটা বলে বাইরে বসানো হয়েছিল যে হিটলার কোনো মিটিং এ ব্যাস্ত রয়েছেন। কিছুক্ষন পরে এক এক করে ৮ জন ব্যাক্তি যারা হিটলারের ডুপ্লিকেট(বহুরুপি) ছিলেন তারা সুভাষ বসুর কাছে আসেন। কিন্তু সুভাষ চন্দ্রকে তারা কোনোভাবেই ভ্রমতি করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৯ বম ব্যাক্তি রূপে হিটলার নিজে উপস্থিত হন এবং সুভাষ চন্দ্র বসুর কাঁধে হাত রাখেন। সুভাষ চন্দ্র বসু খুব সহজেই হিটলারকে চিনে নেন এটা দেখে হিটলার চকিত হয়ে উঠেন এবং জিজ্ঞাসা করেন যে আপনি এটা কিভাবে বুঝলেন।

নেতাজি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘ বসুর কাঁধে হাত রাখতে পারে এমন ব্যক্তি হিটলারই হতে পারে।’ সুভাষ চন্দ্র বসু প্রত্যেক দিন, প্রত্যেক মুহূর্ত ইংরেজদের সাথে লড়াই করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতেন। ইংরেজদের পরাস্ত করার জন্য ও তাদের নিচ দেখানোর জন্য কোনো সুযোগ ছাড়তেন না সুভাষ চন্দ্র বসু। এমন কোনো দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি যখন ভারত মাতার এই অদম্য সাহসী কালজয়ী পুত্রকে কোনো ইংরেজ পরাস্ত করতে পেরেছে। এই ভারতভূমি একের পর এক মেধাবী ও প্রতিভাশালী পুত্রের জন্ম দিয়েছেন। এখন এটা তো আমাদের পরীক্ষা যে আমরা বিদেশিদের চরণ বন্দনা করে অযোগ্য , সার্থন্বেষী ব্যাক্তিদের তাদের উদ্দেশ্যে সফল হতে দেব নাকি আমরা সুভাষ চন্দ্র মহাশয়ের মতো মহান দেশপ্রেমিকদের হাতে দেশের শক্তি তুলে দেব যাদের অন্তরমনে সবসময় রাষ্ট্রভক্তির জ্বালা ফুটতো। স্মরণ রাখবেন আমরা যা কিছুই করি না কেন আজকের ইতিহাস যখন ভবিষ্যতে লেখা হবে তখন আমাদের ক্ষমতা, বুদ্ধি ও দেশের প্রতি কর্তব্য এর বিষয় নিশ্চিত তুলে ধরা হবে।

The post মহান সুভাষ চন্দ্র বসুর সম্পর্কিত লুকিয়ে রাখা এই ঘটনা জানলে, আপনিও বলে উঠবেন ভারত মাতা কি জয়। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MnyvRc
24 ghanta

অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে অর্ধনমিত ব্রিটেন সহ এই দেশগুলির জাতীয় পতাকা।

ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ী একদিকে যেমন ছিলেন প্রখর রাজনীতিবিদ তেমনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী ও লেখক । শত্রুদের কঠোর বার্তা দিয়ে কিভাবে রাজধর্ম পালন করতে হয় তা অটলবিহারী বাজপেয়ীর থেকে হয়তো আর কেউ ভালো জানতেন না। আপনাদের জানিয়ে দি, পরাধীন ভারতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নেমে ছিলেন ভারত মাতার এই বীর পুত্র। ১৯৪২ থেকে শুরু করে ১৯৪৭ পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে টানা সংগ্রাম চালিয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী এর জন্য উনাকে ২ বার জেলেও যেতে হয়েছিল। গতকাল হিন্দুরীতি মেনে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজির শেষকৃত।

অটলজির রাজনৈতিক জীবন এতটাই উজ্জ্বল ও সাফ ছিলো যে বিরোধীরা পর্যন্ত উনার ভক্ত ছিলেন। ৯৩ বছর বয়সে রাষ্ট্রীয়ই স্মৃতি স্থল থেকে পঞ্চভুতে বিলীন হয়ে যান দেশের অভিভাবক অটল বিহারী বাজপেয়ী। আপনাদের জানিয়ে দি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নিধনে বৃহস্পতি বার থেকেই ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছিল। দেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেও।রাজনীতি ভুলে সমস্ত দলের নেতারা এক হয়ে শোক পালন করছেন অটলজির নিধনে। আমেরিককে, রুশও অটলজির নিধনে ভারতকে সমবেদনা জানিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন অটলজি বাংলাদেশের খুব ভালো বন্ধু ছিল আমরা উনার স্বর্গবাসে মর্মাহত। নিউ দিল্লির ব্রিটিশ হাই কমিশনও অটলজিকে সন্মান জানিয়ে ইউনিয়ন জ্যাক অর্ধনমিত রেখেছে। ‘অটলজি অমর রহে’ এই হ্যাশ ট্যাগ সহযোগে ব্রিটেন সর্বদা ভারতের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে। বেলজিয়ামের দূতাবাসেও অর্ধনমিত রয়েছে তাদের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখেছে। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সরকারি সংগঠন ও ভবনগুলিতে ৭ দিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা অর্ধনমিত।

দেশের পূর্বপ্রধানমন্ত্রীর প্রতি এইভাবে সন্মান জানানোর জন্য খুশি প্রকাশ করেছে ভারতবাসী। আসলে অটল বিহারী বাজপেয়ী এমন এক চিন্তাধারার ব্যাক্তি ছিলেন যিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে বিরোধীদেরও মন জয় করে নিতেন। গতকাল মা ভারতীর শেষকৃতের সময় উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি,সেনাপ্রধান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমহোম সিং ও অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা। বিজেপির সদর দপ্তর থেকে পিতা সমান অটলজির গাড়ির সাথে ৪ কিমি হেটেই রাষ্ট্রীয় স্মৃতি স্থলে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

The post অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে অর্ধনমিত ব্রিটেন সহ এই দেশগুলির জাতীয় পতাকা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MW27Ck
24 ghanta

সারা দেশ যখন অটলজির জন্য শোকপালন করছে তখন এই দুজন যা করলো জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

এই দুজনকে ঈশ্বর মানুষের রূপ দিলেও ইনাদের চিন্তাধারা সম্পুর্ন কট্টরপন্থীদের মতো। আর এটা কোনো মুখের কথা নয় এটা এরা নিজেরাই বার বার প্রমান করে। এই সকল চিন্তা ধারার লোকেরা পাকিস্থানের লোকেরদের জন্য মরা কান্না কাঁদতে পারলেও যাদের কারণেই আজ মান সন্মান ও ধনসম্পত্তি তৈরি করেছেন তাদের একবারের জন্যেও দীপাবলি বা জন্মাঅষ্টমীর শুভেচ্ছা জানায় না এই কট্টরপন্থীরা। এদের শুভেচ্ছা জানানোতে কারোর কোনো যায় আসে বা আসে না সেটা বড়ো বিষয় নয়। বিষয় এই যে এই কট্টরপন্থীরা নিজেদের সবথেকে বড়ো সেকুলার(ধর্মনিরপেক্ষ) বলে প্রচার করে আর আমাদের সমাজ এদেরকে মহানায়ক/হিরো মনে করে নিজেদের আদর্শ বানিয়ে ফেলে।

গতকাল ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বর্গবাসের পর পুরো দেশ শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। পার্টি ধর্ম নির্বিশেষ দেশের জনগণ অটলজির জন্য শোকপালন করছে। বিজেপি বিরোধী মমতা ব্যানার্জী হোক বা ইতালির সোনিয়া গান্ধী হোক সকলেই দেশের পূর্বপ্রধানমন্ত্রীর নিধনে নিজেদের শোকপ্রকাশ করেছেন এবং শ্রদ্ধাঅঞ্জলী দিয়েছেন।এমনকি আমেরিকা, রুশ, বাংলাদেশ পর্যন্ত অটলজির নিধনে নিজেদের দুঃখ প্রকাশ করেছেন।অন্যদিকে এই দুজন কট্টরপন্থী মানসিকতার ব্যাক্তি অটলজির জন্য কোনো শোক প্রকাশ করেনি।

এই দুজন এমনভাবে হারিয়ে গেছে যেন ভারতরত্ন অটল বিহারী বাজপেয়ী এর নিধনের কোনো খবর পর্যন্ত পায়নি এনারা। শোকপ্রকাশ তো দূর এর অটলজির জন্য কোনো টুইট পর্যন্ত করেনি। সালমান খান, আমির খান ইত্যাদিরা এখনো পর্যন্ত একটা সিঙ্গেল টুইট করেনি। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের জিহাদি মনোভাবাপন্ন ব্যাক্তি ও কিছু কট্টর বামপন্থীরা এখন অটলজির সম্পর্কে গালি গালাজ ও অপপ্রচার চালানোর জন্য নেমে পড়েছে।

আসলে দোষারোপ শুধু এই দুজনকে করে লাভ নেই কারণ এদের থেকে বেশি লজ্জা তো সেই সব মানুষের হওয়া উচিত যারা এদেরকে সেকুলার ও হিরো মনে করে দীর্ঘ দিন ধরে একটা বড়ো স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। তবে এই প্রথম নয় এর আগেও ভারতের বন্ধু দেশ ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভারতে এসে বলিউড অভিনেতাদের সাথে দেখা করতে চেয়েছিলেন তখনও সব অভিনেতারা গেলেও এই খানদের দেখা যায়নি। কারণ পরিষ্কার , ইজরায়েল কোনো আতঙ্কবাদী ও কট্টরপন্থা সহ্য করে না। পাকিস্থান ,সিরিয়া, ফিলিস্তিনের জন্য কাঁদবার সময় বা তুর্কির কট্টরপন্থী রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করার সময় এদের কাছে থাকলেও কাশ্মীর থেকে বিতাড়িত পন্ডিতদের জন্য দুঃখ প্রকাশ হোক বা ইজরায়েলের রাষ্ট্রপতিকে সন্মান জানানো হয় অথবা ভারতরত্ন আতালজির জন্য শোক পালনের সময় এদের নেই। হ্যাঁ তবে হিন্দু বহুল ভারতকে অসহিষ্ণু বলার সময় এদের আছে এবং আমাদের দেশের লোকেদের কাছে এদের সিনেমা ও ভন্ড নাটক দেখার অনেক সময় আছে।

The post সারা দেশ যখন অটলজির জন্য শোকপালন করছে তখন এই দুজন যা করলো জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Minphb
24 ghanta

জামা মসজিদে ত্রিরঙ্গা তুলতে গেলে কট্টরপন্থীরা যা করলো জানলে আপনি রেগে উঠবেন।

আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৫ ই অগাস্ট ১৯৪৭ সালে। তাই এই দিন টিকে সারা দেশের মানুষ স্বাধীনতা দিবস হিসাবে পালন করে আসছেন। এই বছর আমাদের দেশের স্বাধীনতা ৭২ বছরে পা দিল। সারা দেশজুড়ে এই দিনটিতে দেশের জাতীয় পতাকা তুলে পালন করা হল। দেশের সকল শ্রেণির, সকল সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিনে এক হয়ে উদযাপন করলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী সহ সকল প্রকার উচ্চব্যাক্তিত্ব এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন দেশের পতাকা তোলার মধ্যদিয়ে।
তবে এইসব কিছুর মধ্যে দিল্লীর জামা মসজিদে পালন করা হয় নি দেশের স্বাধীনতা দিবস। সেখানে দেশের জাতীয় পতাকা তোলা হয় নি। তাই সেখানে বিজেপি নেতা আইপি সিং তার দলিয় কর্মীদের নিয়ে ঢুকে পরেন এবং দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

এই ঘটনা ঘটার পরেই সেই ভিডিও প্রকাশ করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী আইপি সিং। প্রথমে মসজিদের কিছু ব্যাক্তি তাকে সেই কাজে বাঁধা দেয়। কিন্তু তাদেরকে গুরুত্ব না দিয়ে সেই স্থানে দেশের পতাকা ওড়ান বিজেপি নেতা আইপি সিং। সেই সাথে তিনি ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিয়ে সেখানে উপস্থিত সকলকে উজ্জীবিত করেন। কিন্তু জানলে অবাক হবেন দেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যখন সকলে মিলে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিচ্ছিলেন তখন কিছু কট্টরপন্থী শাহী ইমাম জিন্দাবাদ বলে চিৎকার করছিল যা অতি লজ্জাজনক ব্যাপার।

এমনকি এই কট্টরপন্থীরা মসজিদ প্রাঙ্গনে দেশের পতাকা ফেরাতেও বাধা দেয়। তারপর সেই বিজেপি নেতা দাবি করেন যে দেশের নাগরিক হিসাবে দেশের পতাকা উত্তোলন করার অধিকার সকলের আছে আর সেটা যেকোনো জায়গাতে করা যেতে পারে। এর জন্য কারুর অনুমিত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন যে যেহেতু দেশের পতাকা উত্তোলনের বিষয় নিয়ে ব্যাপারটি ঘটেছে তাই এর বিরোধীতা করার সাহস পাই নি মসজিদ কমিটি।

ভারতের মতো দেশে যেখানে হিন্দু সংখ্যাবহুল হওয়া সত্ত্বেও ধর্মনিরিপেক্ষ দেশ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে সেখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বাধা পাওয়া যে দেশের ভবিষ্যতের জন্য খারাপ লক্ষণ তা অস্বীকার করা যায় না। কিছু মানুষের মধ্যে যে হারে দেশের পতাকার প্রতি কট্টরপন্থা বেড়ে চলেছে তা আবার দেশকে ভাগ হওয়ার পথে ঠেলে দিতে পারে। তাই কট্টরপন্থীদের শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার আগেই এই মুহূতেই অতি কঠোরতার সাথে দেশদ্রোহী মনোভাবকে নষ্ট করে দেওয়া উচিত প্রশাসনের।
#অগ্নিপুত্র

The post জামা মসজিদে ত্রিরঙ্গা তুলতে গেলে কট্টরপন্থীরা যা করলো জানলে আপনি রেগে উঠবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BiW21g
24 ghanta

প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীজির রেখে যাওয়া এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী কে জানলে…

৯৩ বছরের অটল বিহারী বাজপেয়ী দীর্ঘ সময় ধরে অসুস্থ ছিলেন। ২০০৯ থেকে উনার শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল এবং উনি ওহীল চেয়ারে ছিলেন। অটল বিহারী বাজপেয়ীর পিতা কৃষ্ণ বিহারী বাজপেয়ী পেশায় শিক্ষক ছিলেনএবং মাতা গৃহস্থ নারী ছিলেন। অটলজির পরিবারে উনার মাতা পিতার সাথে উনার তিন ভাই অবোধ বিহারী, সাদা বিহারী ও প্রেম বিহারী ছিলেন। এছাড়াও উনার তিন বোনও ছিল। অটলজির প্রাথমিক শিক্ষা গোয়ালীয়রে সম্পন্ন হয়েছিল বলে জানা যায়। গোয়ালীয়রে অটল বিহারীর ভাইজি ক্রান্তি মিশ্র ও করুন শুক্লা থাকেন। গোয়ালীয়রেই উনার ভাইপো দীপক মিশ্র ও অনুপ মিশ্র থাকেন। আপনাকে জানিয়ে দি অনুপ মিশ্র ওখানের সাংসদ পদে রয়েছেন। অটল বিহারী বাজপেয়ী ছোট থেকেই খুব প্রখর বুদ্ধিমত্তার ছিলেন। অটল বিহারী বাজপেয়ী খুব কম বয়সেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ যোগদান করেছিলেন।

পরে তিনি প্রচারক হিসেবে নির্বাচিত হন যার জন্য উনি অবিবাহিত থাকেন। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, RSS এর সয়ংসেবক প্রচারকদের বিয়ে করা নিষিদ্ধ থাকে এবং তারা সারা জীবন RSS ও দেশের জন্য সমর্পিত করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও একজন সয়ংসেবক প্রচারক হিসর্বে কাজ করেছেন। যখন উনি ১৯৯৮ এ ৭ রেসকোর্স পৌঁছান তখন উনার বন্ধু রাজকুমারী কোলের মেয়ে ও বাজপেয়ীজির দত্তক কন্যা নমিতা ভট্টাচার্য ও উনার স্বামী রঞ্জন ভট্টাচার্য অটলজির সাথে বাস করতে আসেন। রাজকুমারী কোলের ব্যাপারে বলা হয় যে জখন অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন কোল বাজপেয়ীর বাড়ির সদস্য ছিলেন।

বাজপেয়ীজির স্বর্গবাসের পর সরকারিভাবে যে প্রেস রিলিজ করা হয়েছিল সেখানে রাজকুমারী কোলকে উনার বাড়ির সদস্য বলা হয়েছে। সাল ২০০৪ এ যখন লোকসভা নির্বাচনের জন্য শপদ পত্র জমা করা হয়েছিল তখন উনার চল অচল সম্পত্তির ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৩২ টাকা ৪১ পয়সা ছিল। পূর্ব প্রধানমন্ত্রী থাকার জন্য উনি মাসিক ২০,০০০ টাকা ও সাচিবিক সহায়তার জন্য ৬০০০ টাকা দেওয়া হতো। অটলজির স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির কথা বললে ২০০৪ সালে শপদ গ্রহনের থেকে পাওয়া তথ্যে অনুযায়ী উনার নামে দিল্লির ইস্ট অফ কৈলাসে একটা ফ্লাট রয়েছে। যার মুল্য ওই সময় ২২ লাখ ছিল।

এছাড়াও উনার পৈতৃক নিবাস সিন্ধে ছবনে কমলা সিং বাগ এর মূল্য ছিল ৬ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ হিসেব অনুযায়ী ২০০৪ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীজির মোট সম্পত্তি ছিল ২৮ লক্ষ টাকা। আপনাদের জানিয়ে দি, এখন উনার মতো সম্পত্তি কাকে দেওয়া হবে বা অটলজি এই ব্যাপারে কিছু বলে গিয়েছেন কিনা তা নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে ভারতের আইন অনুযায়ী অটলজির সম্পত্তি উনার দত্তক কন্যা নমিতা ও উনার স্বামী রঞ্জন ভট্টাচার্য পেতে পারেন।

The post প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীজির রেখে যাওয়া এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী কে জানলে… appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BmzCwg
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started