নারদা কান্ডে ইডির জালে ফাঁসতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই বড়ো নেতা?

নারদা কান্ডের তদন্ত অগ্রসর না হওয়ার কারণে যতটা অসন্তুষ্ট প্রকাশ করছেন দেশবাসী ঠিক ততটাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পেশাল ডিরেক্টর রাকেশ আস্থান। দিল্লির উপর মহলে এই তদন্ত সংক্রান্ত কোনো রিপোর্ট এখনও পাঠানো হয় নি তদন্ত কোমিটির তরফ থেকে। এর ফলে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রঞ্জিত কুমার কে যিনি এই তদন্তের আইও। এবং তদন্তকারী অফিসার অভয় সিং কেও তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলেই সিবিআই নারদা মামলার রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দিয়েছেন। এবং তারা দাবি করেছেন যে নারদা মামলার সমস্ত সত্যতা বেরিয়ে আসবে আগামী ৩ মাসের মধ্যেই। সিবিআই এর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তদন্তের কাজ তারা প্রায় শেষ করে ফেলেছে।

এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট তারা বিচারক জয়মাল্য বাগচীর কাছে জমা দিয়েছেন এবং তারপর তারা আরও সময় চেয়ে নিয়েছেন আরও একটি রিপোর্ট দেবার জন্য। এখন চেয়ে নেওয়া এই তিন মাস সময়ের মধ্যে এক মাস প্রায় শেষের দিকে। ঠিক এই সময় নুতন মোড় নিল এই মামলা। এবার ইডির পক্ষ থেকে তলব করার জন্য নাম উঠে আসছে তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারির হিসাবরক্ষকের নাম।

এর আগে যখন শুভেন্দু অধিকারিকে এই বিষয়ে তলব করা হয়েছিল তখন তিনি জানিয়েছিলেন, যে টাকা তিনি ম্যাথুর কাছে নিয়েছিলেন তার সমস্তটাই খরচ হয়েছিল নির্বাচনে। তাই এবার শুভেন্দু অধিকারির হিসাবরক্ষকে ডাকা হচ্ছে সেই টাকা কি ভাবে কতটা পরিমানে খরচ নির্বাচনে খরচ হয়েছে সেটা জানবার জন্য। সেই সমস্ত রিপোর্ট ঠিকঠাক ভাবে জানার পরই আগামী পদক্ষেপ নেবে ইডি।

তবে কি এবার আবার এক নামকরা তৃনমূল নেতাকে জেলে ঢোকাতে চলেছে ইডি। তাই এখন শুভেন্দু অধিকারি কে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। একদিকে যখন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রী ও সমর্থকরা মমতা ব্যানার্জীকে ২০১৯ এ প্ৰধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তখন এমন ঘটনা সামনে আসা তৃণমূলের ছবি খারাপ করতে পারে মনে করছে বিশিষ্টমহল।
#অগ্নিপুত্র

The post নারদা কান্ডে ইডির জালে ফাঁসতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এই বড়ো নেতা? appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BvyW7T
24 ghanta

ইন্ডিয়া টুডের সমীক্ষা অনুযায়ী ইন্দ্রিরা,অটল ও নেহেরুকে টপকে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নরেন্দ্র মোদী- এটা এখন শুধু একটা নাম, বরং ব্রান্ডে পরিণত হয়েছে। এই কথাটা এই জন্যেই বলা হচ্ছে কারণ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে প্রভাবসালী নেতাদের মধ্যে একজন হিসেবে উঠে এসেছেন। আর এই বিষয়ে কিছুমাস আগেই বিশ্বের বড়ো বড়ো সমীক্ষা সংস্থাগুলি জানিয়েছে। তবে এবার এবার INDIA TODAY সংস্থা দেশের(ভারত) মধ্যেই এমন একটা সার্ভে করেছে যা জানার পর আপনিও অবাক বিস্মিত হবেন। আসলে ইন্ডিয়া টুডে এর সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতে এতদিন পর্যন্ত যত প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তাদের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জুলাই মাসের সার্ভে অনুযায়ী নরেন্দ্র মোদী পেয়েছিলেন ২৬% ভোট অন্যদিকে ইন্দিরা গান্ধী পেয়েছেন ২০% ভোট। সমীক্ষা অনুযায়ী অটল বিহারী বাজপেয়ীজি তৃতীয় সবথেকে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।

MOTN পোল অনুযায়ী অর্থাৎ মুড অফ দা নেশন এর সার্ভে অনুযায়ী দেশের মানুষ মনে করেন নরেন্দ্র মোদীই ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ এর জানুয়ারি আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাই কিছুটা হলেও কমতি এসেছিল, অবশ্য তা সত্ত্বেও তিনি নিজের জায়গা ধরে রেখেছিলেন। তবে জুলাই মাসে নরেন্দ্র মোদী আরো একবার নিজের পরিসংখ্যাকে শুধরে নিয়েছিলেন। MOTA সার্ভে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১২,১০০ অংশগ্রহণকারীদের ২৬% ভোট পেয়ে নরেন্দ্র মোদী সবথেকে বেশি ভোট পেয়েছেন এবং ২০% ভোট পেয়েছেন।

১৬ আগস্ট যিনি সর্গবাস করেছেন উনি এই সমীক্ষায় তৃতীয় জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠেএসেছেন। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু ১০% ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। আপনাদের জানিয়ে দি, অটল বিহারী বাজপেয়ী ১২% ভোট পেয়েছেন। এইচডি ডেভে গওড়া, পিভি নারসিমহা রাও সমীক্ষার টেবিলের উপরের স্থানগুলিতেই ছিলেন। চন্দ্রাশেখর ও ভিপি প্রত্যেকে ১% ভোট পেয়েছেন। ২০১৭ এর জুলাই মাস থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবথেকে বেশি সংখ্যক পরিসংখ্যান অর্জন করেছিলেন।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত পূর্ব প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নরেন্দ্র মোদীর থেকে বেশি জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু সময় পার হওয়ার সাথে সাথে দেশের মানুষদের মন জয় করতে সক্ষম হন এবং সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেন। দেশের হিন্দু ভোটারদের প্রথম পছন্দের তালিকায় আছেন নরেন্দ্র মোদী। তবে মুসলিম ভোটের দিক থেকে ইন্দিরা গান্ধীর থেকে বহু পিছিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তবে মোট সংখ্যায় উত্তর ভারত হোক, দক্ষিণ ভারত হোক অথবা উত্তরপূর্ব ভারত হোক সব সবদিকেই মানুষের প্রথম পছন্দ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

The post ইন্ডিয়া টুডের সমীক্ষা অনুযায়ী ইন্দ্রিরা,অটল ও নেহেরুকে টপকে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2NaPWS6
24 ghanta

কট্টরপন্থী মৌলবী বললো, মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত হবে না! যোগী আদিত্যানাথ নিলেন বড়ো পদক্ষেপ।

স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সংগীতের বিরোধিতা করার মামলায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছেন। মহারাজগঞ্জের মাদ্রাসা আরবিয়া আহেলি সুন্নাতে অনাভারী তাইয়াবা এর মান্যতাকে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু এই নয় মাদ্রাসার প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা প্রবন্ধ সমিতির সদস্য ও শিক্ষকদের উপর তদন্ত শুরু হয়েছে যারা রাজ্য সরকারের আদেশের অমান্য করেছে। উত্তরপ্রদেশের অল্পসংখ্যক বিষয়ক মন্ত্রী মহিসিন রাজা এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব নিয়ে তদন্ত করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়নি এই বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আসলে মাদ্রাসার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রদেশের সরকার নড়েচড়ে বসে।

উত্তরপ্রদেশের মাদ্রাসা পরিষদ এই বিষয়টিকে খুব গম্ভীর বলে মনে করেছেন। মহারাজগঞ্জের জেলা অল্পসংখ্যক কল্যাণ আধিকারিকের কাছে তলব করার পর যোগী সরকার ওই মাদ্রাসার স্বীকৃতিকে বাতিল করে দিয়েছে। তদন্তে পাওয়া গেছে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলনের পর মাদ্রাসা আরবিয়া আহেলিত সুন্নাতের মৌলানা জুবেধ আনসারী বাচ্চাদেরকে জাতীয় সংগীত গাওয়া থেকে মানা করেছিলেন।

মাদ্রাসা আধুনিকরণের শিক্ষক সুনীল কুমার ত্রিপাঠি ও অন্য দুই শিক্ষক মৌলবীর এই দেশদ্রোহিতার বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু মাদ্রাসার বাকি কট্টরপন্থী দেশদ্রোহী শিক্ষকরা বিরোধ না করায় জাতীয় সংগীত হতে পারেনি। মাদ্রাসার ওই কট্টরপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর এক ব্যাক্তি বলছেন যে এবার জাতীয় সংগীত গাওয়া হবে।

তখন মাদ্রসার কট্টরপন্থী শিক্ষকরা বিরোধ করে যে আমরা জাতীয় সংগীত গাইতে দেব না। জাতীয় সংগীত গাওয়া জায়েজ নয়। আসলে কংগ্রেস ও অন্য দলগুলি তোষণ করে ও সেকুলারিজম দেখিয়ে কট্টরপন্থীদের এমন মাথায় উঠিয়েছে যে এরা দেশদ্রোহী কাজ করতেও ভয় পায় না। তবে যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রী যে এই কট্টরপন্থীদের জব্দ করার জন্য যথেষ্ট তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

The post কট্টরপন্থী মৌলবী বললো, মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত হবে না! যোগী আদিত্যানাথ নিলেন বড়ো পদক্ষেপ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BzCO7R
24 ghanta

‘ভারত মাতা কি জয়’- মোদী ও অমিত শাহের সামনে এমন শ্লোগান দিলেন ফারুক আব্দুল্লাহ।

শনিবার দিল্লির ইন্দ্রিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে স্বর্গবাসী পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার জন্য সর্বদলীয় পার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, আরএসএস প্রমুখ মোহন ভাগবত, বিরোধী দলের নেতা গোলাম নবী আজাদ, সহ বড়ো বড়ো নেতা নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। পার্থনা সভার সম্বোধন করে জম্মুকাশ্মীরের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লা দেশের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মহাশয়কে হিন্দুস্তানীদের মনের মালিক বলেন। ফারুক আব্দুল্লা অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মহান মনের মানুষ বলেন এবং দেশবাসীকে উনার পথে চলার জন্য বলেন। এই সভা চলাকালীন ফারুক আব্দুল্লা এমন এক শ্লোগান দিয়ে বসেন যা শোনার পর আসাউদ্দিন ওয়েসির মত কট্টরপন্থী নেতারা রেগে লাল হবে।

আসলে ফারুখ আব্দুল্লাহ প্রার্থনা সভায় ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দেন। তিনি এই শ্লোগান উনার সাথে সাথে সভায় উপস্থিত সকলকে দিতে বলেন। শুধু এই নয় ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান দেওয়ার পর ‘ জয় হিন্দ’ বলেও শ্লোগান দেন। ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘অটল বিহারী বাজপেয়ী শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না একই সাথে দেশের হিন্দুস্থানবাসীর মনের প্রাণ ছিলেন তিনি। অটলজি কখনো ছোট/বোরো,ধর্ম, জাতি, সম্প্রদায় বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে বিভেদ করতেন না।

অটলজি বলতেন ভারতকে হারিয়ে ফেলবে এমন শক্তি তৈরি হয়নি।’ ফারুক আব্দুল্লা বলেন আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন অটলজির পথেই চলবো। ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, অটলজি বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন যে আমাদের শক্তি আছে কিন্তু আমরা কাউকে আক্রমন করার জন্য শক্তি বৃদ্ধি করি না। এই পার্থনা সভা থেকে ফারুক আব্দুল্লা যেভাবে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জয় হিন্দ’ শ্লোগান দেন তাতে দেশের কট্টরপন্থী নেতারা যারা ভারত মাতা কি জয় বলবো না বলে মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি দেয় তাদেরকে কড়া জবাব দেন ফারুক আব্দুল্লাহ।

 

প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে ডি হায়দ্রাবাদের কট্টরপন্থী নেতা আসাউদ্দিন ওয়েসী বলেছিলেন আমরা গলায় ছুরি ধরলেও আমি ভারত মাতা কি জয় বলবো না। শুধু এই নয়, যারা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করছে তাদেরকে আমরা ইসলাম কবুল করিয়ে ছাড়বো ইনশাল্লাহ, এই রকম উস্কানিমুলক মন্তব্য করেন। তবে এখন মোদী ও অমিত শাহের সামনে ফারুক আব্দুল্লাহ যেভাবে ভারত মাতার জয় বলে শ্লোগান দেন তা বড়ো ঝটকা দেবে কট্টরপন্থীদের।

The post ‘ভারত মাতা কি জয়’- মোদী ও অমিত শাহের সামনে এমন শ্লোগান দিলেন ফারুক আব্দুল্লাহ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BtWoT5
24 ghanta

পাকিস্থানের সাংসদে হনুমানজির গদা কি করছে জানলে আপনিও চমকে যাবেন।

পুরো বিশ্বে এমন এমন কিছু বিচিত্র ঘটনা ঘটে যা মানুষকে চিন্তা করতে বাধ্য করে তোলে। সম্প্রতি এমনি একটা ছবি এশিয়ার দেশগুলোতে ভাইরাল হয়ে পড়েছে যা ভারত সহ বাকি দেশগুলোকে ভাবতে বাধ্য করছে। আসলে ভাইরাল ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে একটা সাংসদে স্পিকার মহাশয়ের সামনে হনুমানজির গদা নামনো রয়েছে। দাবি করা হচ্ছে ছবিটি পাকিস্থানের সিন্ধ এসেম্বলির ছবি। এখন প্রশ্ন উঠছে পাকিস্থানের মতো একটা কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশের সাংসদে কিভাবে প্রাচীন হিন্দু সনাতন ধর্মের হনুমানজির ছবি থাকতে পারে। আপনাদের জানিয়ে দি, এখন ওই ছবির সাথে সাথে সাংসদে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কারণে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ছবি ও ভিডিও পাকিস্থানের সিন্ধ এসেম্বলির। হনুমানজির গদা থাকার কারণ আপনাদের জানাবো তার আগে এই ছবি দেখার পর ভারতের সাধারণ মানুষের রিয়েকশন সম্পর্কে জানিয়ে দি।

সুব্রত নামের এক ভারতীয় বলেছেন আরে আমাদের হনুমানজির গদা ওখানে কি করছে? কৌশল লিখেছেন, গাধাদের কাছে গদা কি কাজে লাগবে? সানা হোসেন লিখেছেন অবাক ব্যাপার, হনুমানজির গদা ওখানে কি করছে। বিবেক গৌতম লিখেছেন, স্পিকার মহাশয় তো হনুমান ভক্ত । জানিয়ে দি, এই গদা ভগবান বিষ্ণু, ভগবান কৃষ্ণ,মা দূর্গা এবং পাণ্ডব ভীমের মতো প্রক্রমনশালীদের হাতে দেখতে পাওয়া যায়। হিন্দু ধর্মগন্থ অনুসারে এই গদা ধারণ করার জন্য ক্ৰোধ, লোভ, অহংকার, বাসনা ও মায়া এই ৫ বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা খুবই আবশ্যক ছিল।

প্রাচীন ভারতে গদাকে শুধু একটা অস্ত্র হিসেবেই নয় সাথে সাথে স্বঅভিমান বোধ, শাসন করার অধিকার ও শাসন করার শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হতো। জানলে অবাক হবেন বর্তমান যুগেও এই বিষয়টিকে কিছুটা মেনে চলা হয়। হতে পারে যে হনুমানজির সাথে এই গদার সম্পর্ক নেই কিন্তু শুধু পাকিস্থান নয় বিশ্বের বহু লোকতান্ত্রিক দেশের বিধানসভায় এই ধরণের গদা দেখতে পাওয়া যায়। এই গদার রং বা আকার বিভিন্ন দেশ নিজের নিজের মতো করে তৈরি করে থাকে।

এমনকি কমনওয়েলথ রাষ্টের সদনেও এই গদাকে সভাপতির সামনে রাখা হয়। যার অর্থ এই বোঝানো হয় যে এই ব্যাক্তি ক্রোধ, লালসা, অহংকার, বাসনা ও মায়ার মতো পাঁচ দোষ থেকে মুক্ত এবং উনার কাছে শাসনের অধিকার ও শাসন করার শক্তি রয়েছে। স্বাধীনতার আগে ভারতের সাংসদে গদা রাখা হতো কিন্তু স্বাধীনতার পর গদাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

The post পাকিস্থানের সাংসদে হনুমানজির গদা কি করছে জানলে আপনিও চমকে যাবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OUoKI2
24 ghanta

বামপন্থীদের তোষণনীতি! বন্যার জন্যে ১৫ আগস্ট পালন বন্ধ হলেও বকরি ঈদের জন্য কেরল সরকার নিচ্ছে প্রস্তুতি।

কেরলে ব্যাপক বন্যার মধ্যেও বামপন্থীরা নিজেদের আসল রূপ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে। প্রথমত আপনাদের জানিয়ে দি, কেরালা রাজ্য স্বাধীনতার পর থেকেই বামপন্থী অথবা কংগ্রেসের অধীনে ছিল। বর্তমানে কেরল একটা বামপন্থী শাসিত রাজ্য। প্রবল বন্যার মধ্যেও কেরালার সরকার দারুণভাবে তুষ্টিকরণ(তোষণ নীতি) দেখাচ্ছে। কেরালায় বেশ কিছু দিন ধরেই বন্যার প্রলয় শুরু হয়েছে। এই কারনে রাজ্য সরকার স্বাধীনতা দিবস অর্থাৎ ১৫ আগস্ট ও অনামের অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু এই কেরল সরকার বকরি ঈদ পালনের জন্য নিরাপদ স্থানের ব্যাবস্থা করতে লেগে পড়েছে যাতে সেখানে বকরি ঈদ পালন করা যায়।কিছুদিন পরেই ইসলামিক ধর্মীয় উৎসব বকরি ঈদ আসছে আর সেই উদ্যেশে কেরলের বামপন্থী সরকার সেই প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে।

বামপন্থীরা এখন চরম পর্যায়ে নিজেদের আসল রূপ দেখাতে শুরু করেছে। এছাড়াও মিশনারি ও কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি জনগণের কাছে বন্যার নামে টাকা সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। এছাড়াও কেরলের রাজ্য সরকারকেও দেশের মানুষ ডোনেশন প্রদান করছে। এখন এই তোষণকারী রাজ্য সরকার এই দানের টাকাগুলো নিয়ে কি করতে পারে তার আন্দাজ লাগানো কঠিন ব্যাপার।

যদি আপনারা দান করেন তাহলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী রাহাত কোষে দান করুন অথবা সেবাভারতীকে দান করুন। কেরলের কিছু মন্ত্ৰী তো এখন জার্মানিতে ছুটি কাটাতে গেছেন তার খবরও সামনে এসেছে। আপনাদের মনে করিয়ে দি, এটা সেই বামপন্থী দল যারা সেনাকে রেপিস্ট বলে অপমান করে আর ধর্মনিরপেক্ষতার নামে তোষণ চালায়।

তবে শুধু বামপন্থীরা নয় আমরাও তো সেই জনগণ যারা সমস্ত বিপদে সেনাকে ডাকি আর কোনো কিছু অনুষ্ঠানে বা উদ্বোধনে ফিতে কাটতে শারুখ খান, সালমান খানকে ডাক দি। পাথরবাজি হলে সেনাকে ডাক দি, আতঙ্কবাদী হামলা হলে সেনাকে ডাক দি, বন্যা হলে সেনাকে ডাক দি, আর যখন হিরো বলে ডাকবার সময় আসে তখন বলিউডের ভন্ডগুলোকে হিরো বলে ডাক দি। আমরা এখন এটা শিখতেই পারিনি যে আসল হিরো কারা, আর নকল ভন্ড হিরো কারা।

The post বামপন্থীদের তোষণনীতি! বন্যার জন্যে ১৫ আগস্ট পালন বন্ধ হলেও বকরি ঈদের জন্য কেরল সরকার নিচ্ছে প্রস্তুতি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MGxR1l
24 ghanta

বকরি ঈদে গো হত্যার উপর কড়া পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকে অনেক বড়ো বড়ো ও চমৎকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বড়ো সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা ছিল যোগী আদিত্যানাথকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো। আপনাদের জানিয়ে দি, উত্তরপ্রদেশ রাজ্য দেশের সবথেকে বড়ো রাজ্য। অখিলেশ ও মায়াবতী এক বিশেষ সম্প্রদায়ের তোষণে সম্পুর্ন উত্তরপ্রদেশকে গুন্ডারাজ্য পরিণত করেছিল। নরেন্দ্র মোদী উত্তরপ্রদেশকে গুন্ডারাজ থেকে মুক্তি দিয়ে উত্তমপ্রদেশে পরিণত করার জন্য যোগী আদিত্যানাথকে রাজ্যের দায়িত্ব দিয়েছেন।

আপনাদের জানিয়ে দি, সামনে বকরি ঈদ আর সেই হিসেবে যোগী আদিত্যনাথ এমন সিধান্ত নিয়েছেন যা উত্তরপ্রদেশের সকল হিন্দুর মন জয় করে নিয়েছে। আসলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বকরি ঈদে যাতে কোনোভাবে গো হত্যা বা গরুর চোরাকারবারি না হয় সেদিকে নজর রাখতে। বকরি ঈদ ইসলাম ধর্মাম্বলী ব্যাক্তিদের জন্য একটা বড়ো উৎসব, কিন্তু কিছু কট্টরপন্থী ব্যাক্তি বকরি ঈদ পালনের নামে অন্য ধর্মাম্বলীর মানুষদের আস্থাকে আহত করে।

কিছুজন বকরি ঈদের নামে খোলাখুলি প্রচুর পরিমানে গো হত্যা করে হয় যাতে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের আস্থা আহত হয়। যোগী সরকার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রদেশের প্রত্যেক জেলার প্রশাসনকে নির্দেশ দেন যেন বকরি ঈদের নামে অসামাজিক কাজকর্ম না ঘটে তার দিকে নজর রাখতে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ জানিয়েছেন প্রত্যেক জেলার কোনে কোনে এবং বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালাতে।

ধর্ম পালনের নামে অন্য ধর্মকে আঘাত করা বা অসামাজিক কাজকর্ম যে উত্তরপ্রদেশে কোনো ভাবেই চলবে না তা স্পষ্ট করে দেন যোগী আদিত্যানাথ। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, গো হত্যা নিয়ে কিছুদিন আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন আরএসএস এর নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। ইন্দ্রেশ কুমার বলেছিলেন, গো হত্যার মতো মহাপাপ কাজ বন্ধ হলে তবেই গণধোলাইয়ের মতো সমস্যা বন্ধ হবে।

The post বকরি ঈদে গো হত্যার উপর কড়া পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2ORBAqi
24 ghanta

পাকিস্তানে যাওয়া নিয়ে এবার সিদ্ধুকে কড়া ভাষায় আক্রমন করলেন বিখ্যাত সাংবাদিক লুবিকা লিয়াকত।

ক্রিকেটার থেকে নেতা হওয়া পাকিস্থানের ইমরান খান শনিবার পাকিস্থানের ২২ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপদ গ্রহণ করেছে। পাকিস্থানে হওয়া সাধারণ নির্বাচনে পর ইমরান খানের পার্টি তেহেরিকি ইনসাফ সবথেকে বড় পার্টি হিসেবে উঠে এসেছে। শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি মামানুন হোসেন ইমরান খানকে শপদ বাক্য পাঠ করান। উকন্ট শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠনে অংশগ্রহণ করার জন্য ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও পাঞ্জাবের মন্ত্রী(কংগ্রেস) নবজোৎ সিং সিদ্ধু পাকিস্থানে পৌঁছেছিলেন। ইমরান খান নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্য নোবজোৎ সিং সিদ্ধু , কপিল দেব ও সুনীল গাভাস্কারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

যদিও পাকিস্থানের সাথে ভারতের খারাপ সম্পর্কের দিকে লক্ষ রেখে কপিল দেব ও সুনীল গাভাস্কার শপদগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাননি। অন্যদিকে সিদ্ধু পাকিস্থানে গিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাষ্ট্রপতির সাথে বসে যান। এমনকি কাশ্মীরে জিহাদি জেনারেল জাভেদ বাজওয়ার সাথে গলাগলি করেন ইমরান খান। যার জন্য দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে যায়। এই বিষয়ে চুপ করে বসে থাকেনি সাংবাদিকরাও।

জী নিউজের বিখ্যাত সাংবাদিক লুবিকা লিয়াকত সিধুর উপর আক্রমণ করেন।লুবিকা লিয়াকত সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেন, “সীমান্তে ভারতীয় সেনারা আপনাকে আমাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য মৃত্যুকে গলাগলি করছে আর আপনি সেই হত্যাকারী জেনারেলের সাথে গলা মিল করছেন। ভালোবাসা ও শান্তির প্রতি কারোর আপত্তি নেই কিন্তু সেটা একতরফা হলে সেটার সমর্থন করাকে বোকামি বলা হয়।”

আপনাদের জানিয়ে দি পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিয়ে ভারত ও পাকিস্থানের মধ্যে বহু বছরের বিবাদ রয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্থান গিয়ে ভালোবাসার মাধ্যমে এর সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু বদলে মিলেছিল বিশ্বাসঘাতকতা। যার পর থেকে ভারতবাসী পাকিস্থানের উপর চরম ক্রুদ্ধ রয়েছে। সাংবাদিক শ্বেতা সিং পর্যন্ত নোবজ্যোত সিং সিদ্ধুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে ছাড়েননি।

The post পাকিস্তানে যাওয়া নিয়ে এবার সিদ্ধুকে কড়া ভাষায় আক্রমন করলেন বিখ্যাত সাংবাদিক লুবিকা লিয়াকত। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MIQZMo
24 ghanta

কেরলে যখন বন্যার তান্ডব চলছে তখন এই বামপন্থী নেতারা যা করলেন জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

‘অতীতে যা বপন করবেন ভবিষ্যতে তারই ফলন পাবেন’- কেরলের জনগণ এখন বামপন্থী ও সেকুলারদের সেই ফলন ভালো ভাবেই পাচ্ছেন। কথাটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। যে ব্যক্তির ছবি আপনারা উপরে দেখতে পাচ্ছেন ইনার নাম মহম্মদ মুহসিন। ইনি কেরলের বাসিন্দা কিন্তু JNU থেকে পড়াশোনা করেছেন। JNU তে বামপন্থী নেতা কানায়াকুমারের খুব ঘনিষ্ট ছিল এই মহম্মদ মুহসিন। ভারত ও হিন্দু বিরোধী কার্যকলাপেও বেশ সক্রিয় ছিল এই মহম্মদ মুহসিন। এনার গতিবিধির উপর লক্ষ রেখে বামপন্থী পার্টি সিপিআইএম এনাকে কেরলের পাতাম্বি সিট থেকে বিধায়কের টিকিট প্রদান করে।

পাতাম্বি সিটের জনতা যেখানে হিন্দু সংখ্যা বেশি তারা বামপন্থী ও তথাকথিত সেকুলার চিন্তাভাবনায় লিপ্ত হয়ে এই মহম্মদ মুহসিনকে নিজেদের বিধায়ক বানিয়ে নেন। এখন যখন পাতাম্বিতে বিশাল বন্যা এসেছে এবং জনগণনের ঘরবাড়ি তো দূর একবেলা খাবার পর্যন্ত জুটছে না তখন এই মোহমদ মুহসিন জার্মানিতে ছুটি কাটাতে ব্যাস্ত রয়েছে। মোহমদ মুহসিন যিনি নিজেকে সেকুলার ও খুবই সাধারণ বলে দাবি করতেন তিনি আজ জার্মানিতে হলিডেতে আনন্দফুর্তি করছেন।

এখন ভুলটা কি আর একা মহম্মদ মুহসিনের ? জনগণ বামপন্থী ও সেকুলারিজম চিন্তাধারায় মুগ্ধ হয়ে এই রকম বিশ্বাসঘাতক বিধায়ক বানিয়েছে তার ফল তো এখন হাতেনাতে পেতেই হবে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, কেরলে যে প্রবল বন্যার তান্ডব চলছে তাতে কোনো বামপন্থী বা কংগ্রেসি বা মিশনারি সংগঠনগুলি উদ্ধারকাজে নামেনি। নেমেছে সেনা, NDRF ও রাষ্ট্রীয় সয়ংসেবকদের ২০ হাজার কার্যকর্তা। যে ভারতীয় সেনাকে বামপন্থীরা রেপিস্ট বলে সম্বোধন করতো সেই সেনাই আজ দেবদূত হয়ে জনগণের প্রাণ রক্ষা করছে।

যে সয়ংসেবকদের বামপন্থীরা আতঙ্কবাদী বলে অপমান করতো তারাই আজ নিজের প্রাণ দিয়ে উদ্ধারকাজে নেমে পড়েছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, কেরলে যে ২০,০০০ সয়ংসেবক নেমেছেন উদ্ধারকাজ চলাকালীন তাদের মধ্যে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন অন্যদিকে বামপন্থীরা ও কট্টরপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদী ও RSS কে গালাগালি করছে এবং কিছুজন জার্মানিতে হোলিডে কাটাচ্ছেন।

The post কেরলে যখন বন্যার তান্ডব চলছে তখন এই বামপন্থী নেতারা যা করলেন জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Ld96F8
24 ghanta

আধিকারিকরা মিউজিয়ামে রাখতে চেয়েছিলেন PM মোদীর মোমের পুতুল! মোদীজি যা জানালেন তা আপনার মন জয় করবে।

মাদাম তুসা এমন একটা পদর্শনী স্থল যেখানে দেশ দুনিয়ার বিখ্যাত মানুষদের মোমের পুতুল দেখানো হয়। একটা বিশাল সংখ্যায় মানুষজন এই পদর্শনীতে যোগদান করেন এবং বিখ্যাত মানুষদের মোমের পুতুলের সাথে ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। মাদাম তুসা পদর্শনীর একটা বিশেষত্ব এই যে এখানে রাখা সমস্ত পুতুলকে দেখতে আসল ব্যাক্তির মতোই মনে হয়। আসলে এই মোমের পুতুলগুলির নির্মাণের জন্য এক্সপার্টরা আসল ব্যাক্তির দেহের প্রত্যেক অঙ্গের সঠিক পরিমান ও রং যাচাই করে তারপর কাজ শুরু করেন । যার জন্য ম্যাডাম তুসায় উপস্থিত জনগণ এই পদর্শনীর মজা খুব ভালভাবে নিতে পারেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বলিউডের নানা বিখ্যাত অভিনেতাদের ছবি সাজানো থাকে।

আগের বছর দিল্লিতে এক জাদুঘরে মাদাম টুসার আয়োজন করা হয়েছিল। দিল্লীতে ম্যাডাম তুসার আয়োজনকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেছিলেন যা দেশবাসীর মন জয় করেছিল। আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের সবথেকে জনপ্রিয় ব্যাক্তি হওয়ায় তারা পদর্শনীতে মোদীজির মোমের পুতুল লাগানোর জন্য অনুমতি চেয়েছিল। মোদীজির মোমের পুতুল লাগানো নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেছিলেন যে সকলে অবাক হয়েছিলেন। মোদীজি বলেছিলেন মিউজিয়ামে গান্ধীজির মোমের পুতুলের হাতে ঝাড়ু ধরিয়ে দিতে।

আসলে মোদীজির এইকথা বলার কারণ মোদীজি চেয়েছিলেন গান্ধীজির ঝাড়ু সহিত ছবি দেখে যাতে মানুষের মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মনোভাব ফুটে উঠে এবং সকলে দেশকে সাফাই কাজে এগিয়ে নিয়ে যায়। গান্ধীজির ছবি দেখে যাতে দেশবাসী অনুপ্রাণিত হতে পারে তাইজন্যেই এমন কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উল্লেখ্য, মাদাম তুসার আধিকারিকদের সাথে ইন্টারভিউ এ তারা জানিয়েছিল যে দিল্লিতে মাদাম তুসার যে মিউজিয়াম খোলা হবে তাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুতুল প্রথমে লাগানো হবে।

তখন আধিকারিকদের উপদেশ দিয়ে নরেন্দ্র মোদীজি বলেন আমরা পুতুল না লাগিয়ে এলাকার আসে পাশে গান্ধীজি সাফাই কাজ করছে সেইভাবে একটা পুতুল লাগাতে যাতে দেশের মানুষ গান্ধীজির পুতুল থেকে প্রেরণা পেতে পারে। মোদীজি আধিকারিকদের বলেন আমি আপনাদেরকে গান্ধীজির ঝাড়ু লাগানো একটা ছবি পাঠাবো সেটার অনুরূপ আপনারা পুতুল তৈরি করবেন। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, অন্যান্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জায়গায় অন্যকোনো রাজনীতিবিদ হলে তারা নিজেদের মোমের পুতুল তৈরি জন্য তৎক্ষনাৎ প্রস্তুত হয়ে যেতেন কিন্তু মোদীজি সবক্ষেত্রেই দেশের বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন কথা ভেবে সিধান্ত নিয়ে দেশবাসীকে চমকে দেন।

The post আধিকারিকরা মিউজিয়ামে রাখতে চেয়েছিলেন PM মোদীর মোমের পুতুল! মোদীজি যা জানালেন তা আপনার মন জয় করবে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2wdInD8
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started