অর্থিকদিক ও সামরিক দিক থেকে মজবুত হওয়ার সাথে এবার মহাকাশ ক্ষেত্রেও শ্রেষ্ঠতা প্রদর্শন করছে ভারতের বিজ্ঞানীরা।

একদিকে যখন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব ভারত বিশ্বে সামরিক ও অর্থনৈতিক মহাশক্তি রূপে উঠতে শুরু করেছে তখন ভারতের ইসরোও বিশ্বের নিজের দাপট দেখাতে শুরু করেছে। এই বিষয়টি আমেরিকা এজেন্সি NASA স্বীকার করেছে। মোদীযুগে ভারত যেমন একের পর এক দেশকে পেছনে ফেলে ক্রমাগত এগোচ্ছে তেমনি ভারতে ISRO এর বিজ্ঞানীরাও মহাকাশে নিজেদের দক্ষতা পদর্শন করে বিশ্বকে অবাক করছে। এটা কোনো ছোট ব্যাপার নয়, এটা প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী NASA ও এখন ISRO এর সাহায্যে নিতে শুরু করেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, নাসা আমেরিকার রিসার্চ সেন্টার হলেও সেখানের ৩৩% বিজ্ঞানী ভারতীয় শুধু এই নয় বর্তমানে আমেরিকার সবথেকে শিক্ষিত কমিউনিটি হলো ভারতীয় কমিউনিটি।
এর কারণ একটাই ভারতের সেই দেশ যাদের মুনি ঋষিরা প্রাচীনকাল থেকেই সনাতন ধর্ম ও বিজ্ঞানকে এক করে এগিয়ে নিয়ে গেছিলো এবং বড়ো বড়ো আবিষ্কার করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।
আসলে কিছু বছর আগে ভারত যে চন্দ্রযান ছেড়েছিল তা মহাকাশে ভারতের ছবি উজ্জ্বল করে তুলেছে। চন্দ্রযান চাঁদে বরফ আছে এই তথ্য আগেই জানিয়েছিল এখন NASA চন্দ্রযানের দেওয়া এই তথ্যকে সত্য বলে স্বীকার করেছে। বিজ্ঞানীদের মতে চাঁদের ডার্ক সাইট বা চাঁদের পোলার রিজিওনের দিকে বরফ থাকার তথ্য জানিয়েছিল চন্দ্রযান।
Eisamay এর তথ্য অনুযায়ী PTI থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী চন্দ্রমার সবথেকে ঠান্ডা ও অন্ধকার ধ্রুবীয় সাথে জলের বরফ জমা হয়ে রয়েছে। এখন উল্লেখযোগ্য বিষয় এই যে এই বরফের খোঁজ পাওয়ার পর পরবর্তী অভিযান ও চন্দ্রমায় থাকার জন্য জলের উপলদ্ধিতার সম্ভাবনা আরো একবার বেড়ে গিয়েছে। বরফের আকারে জল থাকার বিষয়টি বিজ্ঞানীরা নিশ্চত করেছে। জানিয়ে দি, বরফের খোঁজ দেওয়ার আগেও চন্দ্রযান চাঁদে জল থাকার সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে উদঘাটিত করেছিল।
চন্দ্রযান থেকে পাওয়া তথ্যেগুলি পরবর্তী অভিযানে বিজ্ঞানীদের আরো সাহায্য করবে বলে মনে করছে।বিজ্ঞানীরা নাসার M3 থেকে পাওয়া পরিসংখ্যা হিসেব করে দেখিয়েছে যে চন্দ্রমাযে চাঁদের ভূমিতে জলহিম রয়েছে। আসলে চন্দ্রমাতে জনবসতি গড়ে তোলার জন্য যে চিন্তা ভাবনা চলছে তার দিকে লক্ষ্য রেখেই বিজ্ঞানীদের গবেষণা জারি রয়েছে। এখন চন্দ্রমা২ কে চাঁদে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে। এই বছর অক্টোবর মাসেই চন্দ্রমায় মহাকাশ যান পেরণ করা হতে পারে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কিছুদিন আগেই ভাষণে বলেছিলেন, আমাদের দেশ মহাকাসক্ষেত্রে লাগাতার উন্নতি করেই চলেছে। আমরা ও আমাদের বিজ্ঞানীরা স্বপ্ন দেখেছি যে ২০২২ এর স্বাধীনতা দিবসের দিন ভারত মায়ের কোনো পুত্র বা কন্যা মহাকাশে যাবে হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে।  প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই এই স্বপ্ন পূরণের একটা ইচ্ছা আমাদের রয়েছে।

যোগী আদিত্যনাথের এই পদক্ষেপে ক্রান্তিকারী পরিবর্তন দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক বড়ো পদক্ষেপ নেন। অবৈধ জবাই খানার উপর তালা লাগান, অপরাধবিহীন উত্তরপ্রদেশ তৈরির জন্য ইউপি পুলিশের হাত খুলে দেন, রাষ্ট্রগীত না গাওয়া বা জাতীয় পতাকার অপমান করা ব্যাক্তিদের উপর সোজাসুজি দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করান। এই সকল তো যোগীজি কড়াভাবে করেন কিন্ত আসল পরিবর্তন তো সেটাকে বলে যেটা মানুষের মনের মধ্যে নিজের থেকেই হয়। আর এটা তখনই সম্ভব যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভোটব্যাঙ্ক বা তুষ্টিকরন করার ব্যাক্তি না হন এবং একই সাথে কোনোভাবে না হচকচিয়ে কঠোরভাবে সিধান্ত নিতে পারেন। এই বকরি ঈদে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশে এইরকমই কিছু ক্রান্তিকারী পরিবর্তন চোখে পড়েছে যার কল্পনাও আজ পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশবাসী করেননি।

অখিলেশ হোক বা মায়াবতী এদের আমলে রাজ্যে উগ্রবাদী ঘটনা ও দাঙ্গায় উত্তরপ্রদেশের খবরের পৃষ্ঠা সম্পুর্নভাবে পূর্ন হয়ে যেত। তবে এখন যোগী সরকারের আসার পর এর ব্যাপক পরিবর্তন চোখে পড়ছে। সম্প্রতি যোগী সরকার এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল যা সকলকে বড়ো চমক দিয়েছিল। এইসময় বহু জায়গায় বকরি ঈদ পালনের তোড়জোড় চলছে। সাধারণত এই উৎসবে ছাগলের কুরবানী দেওয়া হয় কিন্তু এইবার বকরি ঈদে ক্রান্তিকারী পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। লখনউতে এইবার কিছু মানুষ ইকো ফ্রেন্ডলি বকরি ঈদ পালনের সিধান্ত নিয়েছিল।এইবার এই সকল মানুষের ছাগলের জায়গায় কেক কেটেছিলেন এবং কেকে ছাগলের ছবি এঁকেছিলেন। লখনউ এর এক বেকারিতে এইরকম কেক কেনা এক ব্যক্তির বক্তব্য বকরি ঈদে ছাগলের কুরবানী দেওয়া ঠিক নয়।

আমি সবার কাছে আবেদন করছি যে এবারের বকরি ঈদ ছাগল কুরবানী দিয়ে নয় কেক কেটে উৎযাপন করুন। আপনাদের জানিয়ে দি, এর আগে সিয়া মৌলবী মৌলানা সেফ আব্বাস বলেছিলেন,পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজির নিধনের জন্য আমাদের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রয়েছে তাই মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ করছি যে বকরি ঈদের উদযাপন সাধারণভাবে পালন করুন। নামাজ পড়ুন, কুরবানী দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং সীমার মধ্যে থেকে বকরি ঈদ পালন করুন। এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকে পুরো বামপন্থী সংগঠনের হুশ উড়ে গেছে। জানিয়ে দি, সমস্ত বুদ্ধিজীবী হোলিতে জলের অপচয় ও দিপাবলীতে পটকা ফাটানোর হৈচৈ মাতিয়ে দিতেন কিন্তু তোষণের জন্য এই উৎসবে বিনা রক্তপাতে উৎসব পালনের কথা মুখে পর্যন্ত আনতে পারেন না।

দেশের মুখ্য মুসলিম সংগঠনগুলি বকরি ঈদে থেকে গাই ও ষাঁড়ের কুরবানী না দেওয়ার অনুরোধ করেছিল। ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার অধ্যক্ষ মৌলানা খালিদ রশিদও মুসলিমদের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যে বকরি ঈদে হিন্দু ভাইদের আস্থার জন্য গাইয়ের কুরবানী দেওয়া থেকে বঞ্চিত থাকুন। রাশিদ জানান মুসলিমদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে যে তারা যেন কোনোভাবেই গলিতে, নালার সামনে বা সার্বজনীন জায়গায় কোনোভাবেই কোনো পশু কুরবানী না করে যাতে মানুষের সমস্যার সৃষ্টি না হয়। অন্য দিকে এই বিষয়টি যোগী সরকার উত্তরপ্রদেশে প্রত্যেক মুখ্য মৌলানকে দিয়ে জনজনের কাছে প্রচার করেছিল।

The post যোগী আদিত্যনাথের এই পদক্ষেপে ক্রান্তিকারী পরিবর্তন দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PvUfcl
24 ghanta

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ লক্ষ কোটি টাকা বাঁচিয়ে ও বিশ্বে ২য় স্থান দখল করে এই নতুন রেকর্ড গড়ল মোদী সরকার।

কেন্দ্রের মোদী সরকার ভারতকে সর্বশ্রেষ্ঠ করার যে পন নিয়েছে তাতে জোরদারভাবে কাজ করে চলেছে। নোটবন্ধি থেকে GST এর মতো বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে দেশকে অনেকটা দুর্নীতিমুক্ত করার সাথে সাথে মেক ইন ইন্ডিয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়ে দেশের কর্মনিয়োগ ও দেশী প্রযুক্তিতে প্রয়োনজনীয় সামগ্রী তৈরি করার পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি ইন্ডিয়া সেলুলার এন্ড ইলেক্ট্রনিক এসসিয়াশন একটি চমকে দেওয়ার মতো রিপোর্ট বের করেছে।রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতে মোবাইল হ্যান্ড সেট বানানোর জন্য ইকো সিস্টেম তৈরি হওয়ার জন্য দেশের প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা বেঁচে গিয়েছে। এই রিপোর্ট বর্তমান মোদী সরকারের খুলে প্রশংসা করা হয়েছে। রিপোর্ট জানিয়েছে এত বড়ো একটা উপলব্ধির জন্য শ্রেয় কেন্দ্র সরকারের পলিসি মেক ইন ইন্ডিয়া।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী বিগত ৪ বছরে মোবাইলে হেডসেট বানাতে ও এসেম্বল করার কাজে অনেক দ্রুতগতি এসেছে। এর আগের ৩ বছর অবধি ভারত ৮০% মোবাইলে বাইরে থেকে আমদানি করতো বলে জানা গিয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়া লঞ্চ হওয়ার পর ভারতে মোবাইল উৎপন্ন করার কাজে অনেক গতি এসেছে। জানলে অবাক হবেন মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্য ভারত এখন মোবাইল তৈরিতে বিশ্বে চীনের পর স্থান অধিকার করেছে। অর্থাৎ মোবাইল তৈরিতে ভারত এখন দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।

২০১৭-১৮ তে ভারতে ২২ কোটির বেশি মোবাইল এসেম্বল করা হয়েছে যা এই বছরের মার্কেট ডিমান্ডের প্রায় ৮০ শতাংশ। এছাড়াও এই কারণে ভারতে শুদ্ধ বিদেশি মুদ্রার বেঁচে যাওয়ার পরিমান ৬০ হাজার কোটি রয়েছে। এছাড়াও এই বিগত ৪ বছরে মোবাইল হ্যান্ডসেট ও মোবাইলে কম্পোনেন্ট উৎপাদনে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষের থেকে বেশিজন রোজকার পেয়েছেন। ভারতের আলাদা আলাদা রাজ্যতে ১২০ এর বেশি মোবাইল উৎপাদন ইউনিট লাগানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই বিশ্বের সবথেকে বড় মোবাইল তৈরির ফ্যাক্টরি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের নয়ডাতে। যার উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ নিজে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার এই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত যে নতুন ভারত হয়ে উঠার এক স্বপ্ন দেখছিল তা এবার সত্যি করেই কাজের মাধ্যমে ফুটে উঠতে শুরু করেছে।আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত এখন বিশ্বের ৬ তম আর্থিক শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। অথচ এই ভারত কংগ্রেস আমলে আর্থিকভাবে শক্তিশালী দেশের তালিকায় ১০ তম স্থানে থাকতো। শুধু এই নয় ইস এন্ড ডুইং বিজনেস এও ভারত আগের তুলনায় অনেক উপরে(১৪২ থেকে ১০০) এসে নতুন রেকর্ড করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে মোদী সরকারের উপলদ্ধি কথা দেশের জনগণের থেকে লুকিয়ে মিডিয়া শুধুমাত্র নিজেদের এজেন্ডা চালানোয় ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে।
Anandabazar

এবার এই জেলায় তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিলেন ৫০০ জন সক্রিয় নেতা কর্মী ।

বর্তমানে আমাদের দেশের রাজনীতিতে অন্যপার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়াটা হয়ে উঠেছ নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় রোজকার ঘটনা হয়ে উঠেছে দলবদল। এখন সব দল ছেড়ে অন্য দলের নেতাকর্মীরা ঝুঁকে পড়ছেন বিজেপির দিকে। ধীরে ধীরে বিজেপির দিকে এই ভাবে ঝুঁকে পড়ার একমাত্র কারন হিসাবে উঠে আসছে বিজেপির দেশপ্রেম। যদিও এই ধরণের সমস্ত সংবাদ এড়িয়ে চলছে রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমগুলি। বিজেপি যেভাবে দেশের জন্য কাজ করে চলেছে সেটা দেখেই এখন বিরোধীরা বিজেপির বিরোধীতা ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করছেন। বিশেষজ্ঞদের অনুসারে, বিজেপির নীতি ও নিষ্ঠা দলের জন্ম থেকে একই রকমের রয়েছে যার জন্য দলে দলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে মানুষের মধ্যে।

আর এই কারণেই আজ বিজেপি বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিচক্ষণদের। তাই দেশের সব প্রান্ত থেকেই মানুষ এখন বিজেপিতে চলে আসছে। পিছিয়ে নেই আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গও। অন্য সবাইকে টেক্কা দিয়ে আমাদের রাজ্যের সবথেকে বেশি মানুষ এখন যোগদান দিচ্ছেন বিজেপিতে। আমাদের রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসে ফের একবার ভাঙন দেখা দিল। এবার আর গুটি কয়েকজন নয়। একেবারে ৫০০ জন তৃনমূলের নেতাকর্মী তৃনমূল ছেড়ে যোগদান দিলেন বিজেপিতে।

সেইসব নেতাকর্মীদের মধ্যে আছেন তৃনমূলের নাম করা কয়েকজন নেতাও। তারাও তৃনমূল ছেড়ে বিজেপির উপর ভরসা রাখলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান। এছাড়াও রয়েছেন বেশ কয়েকজন এমন নেতাকর্মী যারা এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃনমূলের হয়ে লড়াই করেছেন এবং জয়লাভ করেছেন। তাদের সেই সমস্ত এলাকাতে ভালো প্রভাব রয়েছে। এলাকায় এই কর্মীদের দাপট ও জনসংযোজ বেশ ভালোরকমের যা এবার সম্পূর্নভাবে বিজেপির হাতে মুঠোয় চলে এসেছে।

দল পরিবর্তনের এই ঘটনাটি ঘটেছে মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার অন্তভুক্ত ধানপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতে যেটা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির কার্যালয়ে দলবদলের এই অনুষ্ঠানটি হয় বুধবার। সেখানেই দলের কিছু প্রভাবশালী নেতার উপস্থিতিতে তৃনমূল ছেড়ে আসা পাঁচশোজন কর্মী বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেয়। মনে করা হচ্ছে অন্যদলের দুর্নীতি ও তোষণ নীতি থেকে অতিষ্ঠ হয়েই বিজেপিতে যোগ করেছেন এই সক্রিয় কার্যকর্তারা।
#অগ্নিপুত্র

The post এবার এই জেলায় তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিলেন ৫০০ জন সক্রিয় নেতা কর্মী । appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PvnDzs
24 ghanta

বিশ্বের শক্তিশালী নেতাদের তালিকায় আরো একবার নরেন্দ্র মোদী। তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর স্থান জানলে চমকে যাবেন।

২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে বিপুল পরিমাণ মানুষের সমর্থন নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদী সরকার। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বিশ্বের দরবারে আমাদের দেশের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিধর দেশ গুলির সাথে চোখে চোখ রেখে টক্কর নেওয়ার মত মনবল গড়ে উঠেছে। আপনারা জানলে সত্যি অবাক হয়ে যাবে যে, আগে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীদের বিশ্বস্তরে গুরুত্ব দেওয়া হত না, তাদের শক্তির কোনো বিশেষ মর্যদা ছিল না। কিন্তু এখন মোদীজি কে বিশ্বের রাজনীতি মঞ্চে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শক্তিধর প্রধানমন্ত্রীদের তালিকায় মোদীজিকে রাখা হয় একেবারে প্রথম সারিতে। কিছুদিন আগে ফোবস নামে একটি বিখ্যাত সংস্থা জানিয়েছেন যে, মোদী সরকার এই মুহুতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বিশ্বস্থ সরকারের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন। ফবসের দাবি ছিল বিশ্বের সবথেকে ভরসাযোগ্য সরকারের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার।
Eisamay এর তথ্য অনুযায়ী তবে এবার এক প্রতিষ্ঠিত সংস্থা মোদী সরকারের সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন যেটা শুনলে আপনিও চমকে যাবেন। আসলে গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েশন নামে একটি বিখ্যাত সংস্থা কিছুদিন আগে একটি সার্ভে করেছিল। এই সার্ভের পর তারা জানিয়েছেন যে, এই মুহুতে বিশ্বের ৩ য় শক্তিশালী নেতা হিসাবে মোদীজির নাম তারা প্রকাশ করেছেন। এই তালিকায় প্রথম স্থানে রাখা হয়েছে জার্মানির চান্সলোর এঞ্জেলা মর্কেলকে এবং দ্বিতীয় স্থান দেওয়া হয়েছে ফ্রেঞ্চ রাষ্ট্রপতি ম্যাক্রোনকে।

আর ঠিক এরপরেই অর্থাৎ তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয় কে। সবচেয়ে বড়ো এবং ভারতবাসী দের জন্য খুশির খবর হচ্ছে যে, চিন ও আমেরিকার মত দেশের রাষ্ট্রপতিরাও এই তালিকায় মোদীজির পিছনে রয়েছেন। তারাও টক্কর নিতে পারেন নি মোদীজির সাথে। প্রভাবশালী নেতার তালিকায় চীনের রাষ্ট্রপতি এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম রাখা হয়েছে মোদীজির পরে।

আপনাদের সুবিধার্থে জানিয়ে রাখি, GIA সংস্থা তাদের লিস্টে যষ্ট স্থান দিয়েছেন রুশ রাষ্ট্রপতি পুতিনকে। তারপরে অষ্টম স্থানে রয়েছেন ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ২০১৫ সালের সার্ভে অনুযায়ী মোদীজি ছিলেন পঞ্চম স্থানে। এবং আমেরিকার প্রাপ্তন রাষ্ট্রপতি বারাম ওবামা ছিলেন প্রথম স্থানে। কিন্তু এবারের সার্ভেতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন দেশের প্রধান নরেন্দ্র মোদী। বর্তমানে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ট ট্রাম্পের প্রাপ্ত স্থান ১০ ম। অপরদিক মোদীজি রয়েছেন ৩ য় স্থানে।
#অগ্নিপুত্র
The post বিশ্বের শক্তিশালী নেতাদের তালিকায় আরো একবার নরেন্দ্র মোদী। তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর স্থান জানলে চমকে যাবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PysMXk
24 ghanta

UAE কেরালা বন্যায় 700 কোটি দিতে চাইলে, মোদী সরকার মানা করে দেয়,এর পেছনে কারণ জানলে আপনিও সমর্থন করবেন !

সম্প্রতি কেরালার বন্যা নিয়ে দেশে হাহাকার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিগত ১০০ বছরের ইতিহাসে কেরল এমন বিধ্বংসী বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়নি। কেরলের বন্যায় প্রায় ১৪ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং ৩৫০ থেকে বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই সময় দেশের সমস্ত প্রান্ত থেকে কেরলে সাহায্য পৌঁছাচ্ছে। মোদী সরকারের তরফ থেকে কেরালায় নৌ সেনা(৪৬ টি টিম) থেকে বায়ু সেনা(১৬ টি টিম) ও স্থল সেনাকে(১৮টি টিম) লাগানো হয়েছে। আরএসএস( এর তরফ থেকে ২০ হাজারের বেশি সয়ংসেবককে উদ্ধার ও সেবার কাজে নেমে পড়েছে। এই বিপদের দিনে দেশের বাইরে থেকেও বিভিন্নভাবে সাহায্যে প্রস্তাব লাগাতার আসছে। UAE(সৌদি আরব আমিরাত) এর তরফ থেকে ৭০০ কোটি টাকার প্রস্তাব এসেছিল, এছাড়াও মালদ্বীপ, কাতার,মোর্গেস কোটি কোটি টাকা সাহায্যের প্রস্তাব রেখেছিল।যা ভারত সরকার প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে। আর এর পেছনের কারণ না জেনেই কিছু কট্টরপন্থীরা ও বিরোধীরা মোদী সরকারের বিরোধিতায় নেমে পড়েছে।

আপনাদের জানিয়ে দি ভারতের প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ UAE তে কাজ করেন যার মধ্যে ৮০% কেরলের বাসিন্দা। এই বিপর্যয়ের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমেই ১০০ কোটি টাকার ঘোষণা করেছিলেন। তারপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিপর্যয়ের সাথে লড়াই করার জন্য ৫০০ কোটি টাকা ঘোষণা করেন। শুধু এই নয়, প্রধানমন্ত্রী রাহাত কোষ থেকে দুর্যোগে মৃতদের পরিবারকে ২-২ লক্ষ করেছেন এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এমনকি মোদী সরকার ডিজাস্টার রিজার্ভ ফান্ড থেকে আরো ৩২০ কোটি টাকা ঘোষণা করেছে। যাদের বাড়ি এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রত্যেকের জন্য ফ্রী হাউসিং এর ঘোষণা, ক্ষতিগ্রস্তদের সমস্তরকমের স্কিম এর ঘোষণা, যতগুলি জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেইসমস্ত সড়কের দ্রুতপূর্ননির্মাণ ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন্দ্রের তফরে উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে ১ লক্ষ সেনা। উদ্ধারের জন্য মোদী সরকার ৬৭ টি হেলিকপ্টার, ২৪ টি এয়ার ক্র্যাফট,৫৪৮ টি মোটরবোটস, ৬৯০০ টি লাইফ জাকেটস,১৬৭ টি ইনফ্লাটেবলে টাওয়ার লাইট,২১০০ টি রেইন কোর্ট, ১৩০০ টি গামবোটস, ১৫৩ টি চেইনস্ব এর ব্যবস্থা পরিপোক্ত করেছে। এছাড়াও ৩০০,০০০ খাবারের প্যাকেট, ৬০০,০০০ মিলিয়ন টন দুধ, ১,৪০০,০০০ লিটার পানীয় জল, ১০০,০০ লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন ১৫০ পটাবল ওয়াটার পিউরিফিকেশন কিটস। এছাড়াও দেশের প্রত্যেক রাজ্য তাদের সরকারের তরফ থেকে কোটি টাকা সাহায্যের ঘোষণা করেছে।আপনাদের জানিয়ে দি ভারতের সবথেকে ভালো বন্ধু ইজরায়েল সাহায্যের জন্য টিম পাঠিয়েছিল যার মনখুলে স্বাগত জানিয়েছে মোদী সরকার।

এখন আর কিছু তথ্য আপনাদের জানিয়ে দি যা দালাল মিডিয়া ও লজ্জাহীন বামপন্থী ও কংগ্রেসিরা অপনাদের থেকে লুকিয়ে রেখেছে। ২০০৪ সালের Adequate Ability এর ভারতের নিয়ম অনুযায়ী ভারত কোনো বিদেশি সাহায্য গ্রহন করবে না কারণ ভারত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে। এটা দর্শন করাই যে ভারত একটা স্বাবলম্বী স্বভিমান দেশ আর এই কারণে ২০০৪ সালে সুনামিতে ভারতের যা ক্ষতি হয়েছিল তার সাহায্যের জন্য বিদেশ থেকে আসা আর্থিক সাহায্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ফিরিয়ে দিয়েছিল। ২০০৪ সালের সুনামির যে ক্ষতি হয়েছিল তা কেরালার বন্যা থেকে বহুগুন বেশি তা সত্ত্বেও ভারত বৈদেশিক আর্থিক সাহায্য নেয়নি। কারণ স্পষ্ট, আর্থিক সাহায্য দিয়ে পরে পরোক্ষভাবে ভারতেই ক্ষতি করবে অন্য দেশগুলি। যেহেতু ভারত উন্নয়নশীল দেশগুলোর তালিকায় প্রথম সারিতে থাকে সেই কারণে যদি নিজেদের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমরা বাইরের সাহায্য নি তাহলে ভারতের মান অনেকটা কমে যাবে যার জন্য বিদেশি লগ্নি ভারতে আসাও কমে যাবে। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে ক্ষতি হবে ভারতেরই। আসলে বিষয়টি এই যে কোনো দেশ নিজের স্বার্থ ছাড়া কখনোই অন্যদেশের সাহায্য করবে না, প্রত্যেক সাহায্যের পেছনে আন্তর্জাতিক কারণ, চুক্তি ও স্বার্থ থাকে।

শুধু এই নয় বামপন্থী, কংগ্রেস ও কিছু দালাল মিডিয়া দাবি করেছে যে বিদেশ থেকে ডোনেশন আশা সত্ত্বেও ভারত নিচ্ছে না। এটা নিলে ভারতের কি ক্ষতি হবে সেটা জানানো তো দূর আপনাদের তারা এটাও জানাচ্ছে না যে ডোনেশন আর লোনের মধ্যে পার্থক্য কোথায়। আসলে কিছু বিশেষ দেশ ভারতের প্রাকৃতি দুর্যোগে টাকা দিয়ে নিজেদের ব্যাবসা খুলতে চাইছে। সধারণ মানুষ এই বিষয়টি বুঝতে না পারলেও একজন বিচক্ষণ রাজনীতিবিদের চোখ থেকে এটা কখনোই এড়িয়ে যেতে পারে না। জানলে অবাক হবেন ২০১৩ সালে কংগ্রেস আমলে যখন উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ বন্যা(কেরলের বন্যার থেকে ২০ গুন বেশি ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল) এসেছিল যাতে মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৪৮ জনের, তখন কেন্দ্রে ও রাজ্যে দুই জায়গায় ছিল কংগ্রেস। সেই সময় কেন্দ্রে থাকা কংগ্রেস সরকার মাত্র ১০০০ কোটি টাকা, ১০ টি হেলিকপ্টার, ৩৬ টি এয়ারক্রাফট ও ৩,৩৬,৯৩০ কেজি রিলিফ ম্যাটেরিয়াল ও সামগ্রী নামিয়ে হাত গুটিয়ে নিয়েছিল।

অন্যদিকে মোদী সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে কিভাবে লড়াই করতে হয় তার দারুন দৃষ্টান পেশ করে চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর পরেও দালাল মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারে ব্যাস্ত রয়েছে। আজ যখন দেশের প্রত্যেক রাজ্য ও কেন্দ্র হাতে হাত মিলিয়ে কেরলকে উদ্ধার করার জন্য লাগাতার সাহায্য পাঠাচ্ছে তখন এটা স্পষ্ট যে দেশ মোদী সরকারের আমলে এই রকম বিপর্যযের সাথে লড়াই করতে প্রস্তুত এবং সক্ষম। আর এই অবস্থায় অন্য কোনো দেশ থেকে সাহায্য নেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। আজ দেশবাসীর গর্ব করা উচিত যে তারা কেন্দ্রে এমন সরকারকে নিয়ে এসেছে যারা যেকোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার জন্য আগের সরকারের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষমশীল।

 

Source-
eonomicestimes.indiatimes.com
Hindustantimes.com
insistposthindi.com

The post UAE কেরালা বন্যায় 700 কোটি দিতে চাইলে, মোদী সরকার মানা করে দেয়,এর পেছনে কারণ জানলে আপনিও সমর্থন করবেন ! appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2o0YMXD
24 ghanta

অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য যোগী সরকারের বড়ো ঘোষণা।

রাম মন্দিরের ইস্যু কয়েক বছর ধরে টান চলে আসছে যেখানে কংগ্রেসের উকিল তাদের সমগ্র প্রচেষ্টা ঝুকে দিয়েছে রাম মন্দির তৈরি আটকানোর জন্য। কিন্তু এবার ভগবান শ্রী রামের ভক্তদের বেশি অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। এবার উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার রাম মন্দিরকে নিয়ে বড়ো ঘোষণা করে দিয়েছে। এবার কোর্ট রাম মন্দির তৈরির উপর আদেশ না শোনালে সাংসদের সাহায্যে রাম মন্দির তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হবে যার দাবি বহু বছর ধরে মানুষ করে আসছে। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী যোগী সরকারে থাকা উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌযা রাম মন্দির নিয়ে বড়ো ঘোষণা করে হিন্দু বিরোধী কংগ্রেসের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে এবং একই সাথে দেশের মধ্যে একটা আশা জাগিয়েছেন। কেশব প্রসাদ মৌর্যা বলেন, আমার সম্পুর্ন ভরসা আছে যে যদি প্রয়োজন পড়ে এবং কোনো রাস্তা না পাওয়া যায় তাহলে মোদী সরকার অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য বিধাইকার রাস্তা বেছে নেবে।

এই বিষয়ের দাবি বহুদিন ধরে চলে আসছে কারণ সাংসদে রাম মন্দিরের উপর বিধেয়ক আনা হয় না। উপমুখমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য বলেন সাংসদের রাস্তায় তখনই রাম মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন হবে যখন আমরা দুটি সদনেই মজবুত স্থিতে চলে আসব। উনি বলেন, বর্তমান সময়ে দুই সদনে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যাবল নেই। আমার এটা লোকসভায় তো নিয়ে চলে আসব কিন্ত রাজ্যসভায় আমাদের সংখ্যাবল কম আছে আর এটা প্রত্যেক রামভক্ত জানে। ২০ রাজ্যে মোদী সরকার নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করেছে কিন্তু দুই সাংসদে আমাদের সংখ্যাবল মজবুত রাখতে হলে আগত ৫ বছর একইভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

তবেই কোর্টের অনুমতি না নিয়েই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করা সম্ভব হবে। বর্তমানে তিন তালাক, হালালা, খতানর মতো বিষয়ে বাধ্য হয়ে সরকারকে কোর্টের মুখ দেখতে হচ্ছে কিন্তু আজ বিজেপি সরকার প্রমান করে দিয়েছে যে তাদের নিশানা লক্ষ্য বরাবরই রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সময়ের এবং রাজ্যসভায় বহুমতের। তার পরে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মানের পথে কোনো কাঁটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। মৌর্যা বলেছেন, আমাদের কাছে মজবুত সংখ্যাবল থাকলে আমরা এটার সৎব্যাবহার করবো, কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার করবো না। উনি বলেন রামমন্দিরের শুনানি সুপ্রিম কোর্টে হচ্ছে আর যদি রাম মন্দির নির্মাণ এখন সম্পন্ন হয় তাহলে বিশ্বহিন্দু পরিষদের মহান নেতা অশোক সিংগেল, মহন্ত রামচন্দ্র দাস পরমহংস এবং নিজের বলিদান দেওয়া করসেবকদের সত্য শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হবে।

আপনাদের জানিয়ে দি, এটা চরম সত্য যে রাজ্যে আগত প্রত্যেক নির্বাচন ও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি লাগাতার জয়লাভ করতে থাকে তাহলে রাজ্যসভায় বিজেপি নিশ্চিত বহুমত লাভ করবে। রাজ্যসভায় বহুমত পেলে ধারা ৩৭০,৩৫A, অথবা রাম মন্দিরের মতো বিষয়গুলির সমস্যার সমাধান করা বিজেপির কাছে খুবই সহজ হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, আপনাদের জানিয়ে দি রাম মন্দির হোক বা হালালা হোক প্রত্যেক বিষয়ে কংগ্রেস মোদী সরকারের বিরোধ করবে কারণ তাদেরই উকিল কোর্টে এই সব বিষয়ে সরকারের বিরোধে কাজ চালাচ্ছে।

The post অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য যোগী সরকারের বড়ো ঘোষণা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2OWvoxe
24 ghanta

কেরালার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য খাজনা ভান্ডার খুলে মুকেশ আম্বানি দান করলো এত কোটি টাকা।

কেরলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সাহায্যের লক্ষে বড়ো পদক্ষেপ নিলো মুকেশ আম্বানি ও তার সংস্থা রিলায়েন্স। রিলায়েন্স কোম্পানির একটি বিভাগ হল রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন, যারা জনসেবামূলক কাজকর্ম গুলি দেখাশোনা করেন। সেই রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন কেরলের বন্যাদুর্গত দের জন্য ২১ কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যদান দেওয়ার ঘোষনা করল সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে। সেই সাথে এই রাজ্যে ৫০ কোটি টাকার ত্রাণ সামগ্রী পাঠাচ্ছে রিলায়েন্স রিটেল। মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নিতা আম্বানি যিনি রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন উনিও এই কেরালার বন্যার উপর দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, একজন সহনাগরিক ও দায়িত্বশীল কর্পোরেট ফাউন্ডেশন হিসাবে “কেরলবাসী ভাই বোনেরা যে ভাবে কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন, অসুবিধার মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছেন সেই পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো ও ত্রাণে সহায়তা করা আমাদের কর্তব্যবোধের মধ্যে পড়ে। ”

রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা অম্বানী জানিয়েছেন যে, দেশের যেকোনো জায়গায়, যখনই কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছে ঠিক সেই সময় দেরি না করে সেখানকার বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশ। তারা সবার আগে গিয়ে ওষুধ, ত্রান সামগ্রী পাঠিয়েছেন। আর্থিকভাবে সাহায্য করেছেন সেখানকার সরকারকে।

রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন কেরলের ছ’টি জেলাতে বন্যা ত্রাণ সামগ্রী ও উদ্ধারের কাজ চালানো শুরু করে দিয়েছে গত ১৪ অগস্ট থেকে। এছাড়াও রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে যোগাযোগ ব্যাবস্থার জন্য টোল ফ্রি নাম্বার চালু করে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই আবহাওয়া ও বিভিন্নরকম খবর খুব সহজেই পাচ্ছেন সেখানকার মানুষজন।

মুকেশ অম্বানীর ফাউন্ডেশন কেরলের বন্যা বিদ্ধস্ত এলাকাভুক্ত বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ১৫০০০ আক্রান্ত পরিবারকে শুকনো খাবার, ওষুধ এবং অন্যান্য ত্রানসামগ্রী দিয়ে সাহায্যদান করছেন। এছাড়া বাড়ি ঘরহীন অনেক পরিবার আছে যাদের বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে। বন্যার জলে সব কিছু ভেসে গিয়েছে তাদেরকে আবার বাড়িঘর বানিয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন।
#অগ্নিপুত্র

The post কেরালার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের জন্য খাজনা ভান্ডার খুলে মুকেশ আম্বানি দান করলো এত কোটি টাকা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LeFlny
24 ghanta

‘পশ্চিমবঙ্গ শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্য’ -বিজেপি নেত্রী রুপা গাঙ্গুলি।

একদিকে যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পদ্মফুল ফোটানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন বিজেপির রাজ্য সভা সাংসদ এমন মন্তব্য করলেন যা সকলকে অবাক করে দিয়েছে। তিনি বলেন যে, শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্যই তৈরি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। এই দিন একটি সাক্ষাৎকারে তিনি অংশ নেন সেখানে তিনি বলেন যে, দেশভাগ করা হয়েছিল শুধুমাত্র ধর্মের উপর ভিত্তি করে। পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বাংলাদেশ কে ভাগ করা হয়েছিল সেখানে বাঙালি মুসলিমরা থাকবে বলে। এটি বলেই তিনি থেমে যান নি, এরপর তিনি বলেন যে হিন্দুদের জন্যই তৈরি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ।

এরপরই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ঘিরে। রুপা গঙ্গোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলায় ভোট প্রচার করতে এসে বলেছিলেন যে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অধিক পরিমানে মুসলিম অনুপ্রবেশকারী অনুপ্রবেশ করছে। তাদের কে প্রমাণ করতে হবে নিজেদের নাগরিকত্বের বৈধতা সেটা যদি তারা না পারে তাহলে চলে যেতে হবে দেশ ছেড়ে। ঠিক তারপর করা হয় আসমের এনআরসি।

তাই যেসব অনুপ্রবেশকারী ভারতে অবৈধভাবে রয়েছে তাদের মধ্যে ভয়ের সৃস্টি হয়েছে। রাজনৈতিক পরবেক্ষকদের এক অংশ মনে করেন যে, ২০১৯ লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে ততই বিজেপির বিভিন্ন নেতামন্ত্রীদের মুখে শোনা যাবে এই ধরনের মন্তব্য। আসলে অসমে NRC হওয়ার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গেও ওই পক্রিয়া চালু করার কথা জানিয়েছিল অমিত শাহ।

শুধু এই নয় অমিত শাহ সাফ জানিয়েছিলেন যে কোনো হিন্দু শরণার্থীদের দেশ থেকে বের করা হবে না। যারপর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। এখন রূপা গাঙ্গুলি বিতর্কিত মন্তব্য করে এই বিষয়ে চর্চা আরো বাড়িয়ে তুললেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, হিন্দুশরণার্থীরা বাংলাদেশের অত্যাচার থেকে বাঁচবার জন্য ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।

#অগ্নিপুত্র

The post ‘পশ্চিমবঙ্গ শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্য’ -বিজেপি নেত্রী রুপা গাঙ্গুলি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LkSknH
24 ghanta

এই বিশেষ ছয় শত্রুর কারণে চিরতরে বিনাশ হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের বাম রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা ব্যানার্জির দল। তিনি রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। অনেক সংগ্রাম করে তিনি রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। তিনি ক্ষমতায় আসার পর কিছু ভালো কাজ করার পরেও, সারদা ও নারদা কান্ডের মত ঘটনায় তার দলের নেতা মন্ত্রীদের নাম জাড়িয়ে পরাই তিনি অখুশি। এখন তার রাজনৈতিক জীবন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখন তিনি রাজ্যের বাইরেও তার দল কে নিয়ে যেতে চাইছেন জাতীয় রাজনীতিতে। ২০১৯ এ মমতাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসাতেও চাইছে তৃণমূল সমর্থকেরা।কিন্তু মোদীজির নেতৃত্বে বিজেপি যেভাবে একের পর এক রাজ্য দখল করছেন সেখানে দাঁড়িয়ে নিজের রাজ্যতেই টিকে থাকা মমতার কাছে এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এই মুহুতে দাঁড়িয়ে মমতা ব্যানার্জির রাজনৈতিক জীবনে সবচেয়ে বড় ছয়জন শত্রু কে। তবে রাজ্য তথা দেশের রাজনীতি থেকে প্রায় মুছে যাওয়া সিপিএম এখন মমতার শত্রু নয়। তার সংগ্রামী জিবনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, জ্যোতি বসু, গৌতম দেব এর মত প্রমুখ সিপিএম নেতারা আর তার শত্রুর তালিকায় নেই।

মমতার সবচেয়ে বড় শত্রুর তালিকায় কারা কারা রয়েছেন দেখুন-

৬) মুকুল রায়:–
মমতা ব্যানার্জি এর আদর্শে বেড়ে উঠেছেন মুকুল রায়। তিনি মমতার সব সময়ের সাথি ছিলেন। দলের যেকোনো বড় কাজে সবার আগে মমতা দিদি মুকুলকে ডাকতেন। মুকুলকে দায়িত্ব দিতেন দল সামলানোর। মমতা ব্যানার্জি প্রশাসনের দিক টা দেখতেন তাই পার্টির সবকিছু দেখার সময় তার হত না, সেই কারনে তিনি পার্টি সামলানোর সমস্ত দায়িত্ব মুকুল রায় কে দিয়ে দিয়েছিলেন। মুকুল ছিল মমতা ব্যানার্জি সবচেয়ে ভরসাযোগ্য ব্যাক্তি। সেই সুবাদে তিনি তৃনমূল কংগ্রেসের ভিতরের সব খবর জানতেন। এক কথায় বলা যায় তৃনমূল কংগ্রেসের 2nd Man ছিলেন মুকুল রায়। বিজেপি সেই মুকুল রায়কেই টেনে নিলো নিজেদের দলে। মোদী ও অমিত শাহ জুটি ত্রিপুরা, অসম সহ বেশ রাজ্যে বিরোধী দলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের কাজে লাগিয়ে বাজিমাত করেছে। তাই মুকুল রায় কে নিয়েও বিজেপি যাতে সেই রকম কিছু না করতে পারে সেই চিন্তায় এখন ভাবাচ্ছেন তৃনমূল শিবির কে। আসলে বড় ব্যাপার হল যে মুকুল রায় তৃনমূলের থাকার সুবাদে তাদের সমস্ত নেতামন্ত্রীদের ব্যাপারে সব কিছুই জানেন। তাই এক সময়কার ভালো বন্ধু মুকুল রায় এখন বড় শত্রু হয়ে উঠেছেন মমতা ব্যানার্জি এর কাছে।

৫) সিবিআই:–
সারদা, নারদা কেলেঙ্কারিতে একের পর এক তৃনমূল নেতার নাম জড়িয়েছে। তাদের কে সিবিআই জেরা করে তাদের দোষী প্রমান করে দিয়েছেন। তাই মমতা অভিযোগ করেছেন যে কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিরোধীতা করছি বলেই আমাদের একের পর এক নেতাদের ফাঁসানো হচ্ছে। যারাই মোদীর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে তাদের কেই জেলে ঢোকানো হচ্ছে। কিন্তু তার অভিযোগ কে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিবিআই। তারা মদন মিত্র, তাপস পাল, সুদিপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায় এর মত ক্ষমতাধর তৃনমূল নেতার বিরুদ্ধে দোষ প্রমান করে দিয়েছেন। তাই এই সময় রাজনীতির মঞ্চে সিবিআই মমতার বড়ো শত্রুর ভূমিকা পালন করতে পারেন।

৪) অধীর চৌধুরী:–
এখন বাংলার রাজনীতিতে মমতার বিরুদ্ধে যদি কেউ সবচেয়ে বেশি সুর চড়ান সেটা হল অধীর চৌধুরী। তার মত করে সিপিএমও এখন মমতার বিরুদ্ধে কিছু বলে না যতটা তিনি বলেন। তিনি পুরো মুর্শিদাবাদে একত্রে নিয়ে চলে এসেছিলেন মমতার বিরুদ্ধে কিন্তু সেই সময় মমতা তার শক্ত ঘাটি ভেঙে দেয়। সবাই মনে করেন যে এত সিরিয়াসলি ভাবে মুর্শিদাবাদ কে নেওয়ার কারন হল অধীর চৌধুরির দক্ষতাকে ভয় পেয়েছেন মমতা। এর ফলে বলায় যায় যে, অধীর চৌধুরি এখন তৃনমূলের শত্রুতার তালিকায় বেশ উপরের দিকেই রয়েছেন।

৩) নরেন্দ্র মোদী:–
এখন মমতার সবচেয়ে বড় শত্রু হলে নরেন্দ্র মোদী। মোদীজি হারানোয় সবচেয়ে বড় টার্গেট মমতার কাছে। তিনি মোদিজিকে কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরাবেন বলেছিলেন কিন্তু এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে তিনি নিজের দল কে বাঁচাতেই হিম সিম খেয়ে যাচ্ছেন। মমতা রাজ্যে জিতলেও দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে তিনি মোদীজির ধারে কাছেও যেতে পারছে না। তাই ২০১৯ শে মোদী সুনামি রুখতে মমতা যা খুশি করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। এমনকি মোদীজিকে হারানোর জন্য মমতা তার চির প্রতিদন্ধি সিপিএমকেও বন্ধু বানাতে রাজি আছেন বলে দাবি অনেকের।

২) দলের নেতাদের আত্মতুষ্ট :–
তৃণমূলের নেতাদের এক অংশ মনে করেন যে মমতার জন্য তারা জিতে যাবেন। মমতা ম্যাজিকে তাদের কেউ হারাতে পারবেন না। আর এই বিষয়টি দেখেই দিদি অবাক। রাজনৈতিক মহলের মতে এই আত্মতুষ্ট ২০২৯ শে তৃনমূলের শত্রু হয়ে উঠতে পারেন। এক দল জেতার জন্য গুন্ডামি হোক বা অন্যকিছু অসামাজিক কাজ সবকিছুতেই রাজি।এদেরকে নিয়েই সমস্যায় পড়েছেন মমতা।

১) দলের এক শ্রেণীর সুবিধাবাদী কর্মীদের আর্থিক দুর্নীতি:–
মমতার এখন চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার দলের নেতাদের আর্থিক দুর্নিতির দিক টি। তার দলের নেতাদের নাম বিভিন্ন সিন্ডিকেট মামলায় জড়িয়ে পড়ছে, এটাই এখন তার বড়ো চিন্তা। এছাড়াও বড় বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ আসছে বিভিন্ন জেলা স্তরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
#অগ্নিপুত্র

The post এই বিশেষ ছয় শত্রুর কারণে চিরতরে বিনাশ হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2LgQwfw
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started