রাখিবন্ধন উৎসব উপলক্ষে যোগী সরকার মহিলাদের জন্য ঘোষণা করলেন বড়ো উপহার।জানলে আপনিও প্রশংসা করবেন।

রাখীবন্ধন একটা পবিত্র উৎসব যেখানে বোন বা দিদি তার দাদা বা ভাইয়ের হাতের কব্জিতে রাখি বেঁধে ঈশ্বরের কাছে ভাইয়ের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করে। রাখি বন্ধনের এই পবিত্র উৎসব উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার মহিলাদের জন্য একটা বড়ো উপহার ঘোষণা করেছে যার জন্য পুরো প্রদেশের মহিলাদের জন্য খুশির জোয়ার বয়ে গিয়েছে। এর আগের সরকারগুলি অর্থাৎ সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদী পার্টি মহিলাদের জন্য এইরকম কোনো উপহার ঘোষণা করতে পারেনি যা বর্তমান যোগী সরকার করেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ অনুযায়ী পরিবহন নিগম এক বড়ো ঘোষণা করেছে।

পরিবহন নিগম ঘোষণা করেছে, রাখীবন্ধন উৎসবের দিন যেকোনো বাসে মহিলারা ফ্রী যাত্রা যাত্রা করতে পারবেন। রাখি বন্ধন উৎসবের দিন যাতে কোনো বোনকে তার ভাইয়ের কাছে পৌঁছাতে অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয় তার দিকে লক্ষ রেখে যোগী সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিবহন নিগমের এই আদেশ সমস্থ বাসের জন্য জারি করা হয়েছে সেটা এসি হোক বা ননএসি। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ এই খবর নিজে টুইট করে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বোনেদের জন্য এই সুবিধা ২৫ আগস্ট রাত ১২.০০ টা থেকে ২৬ আগস্ট রাত ১২.০০ পর্যন্ত উপলব্ধ থাকবে।

এই বারের রাখিবন্ধন উৎসব ২৬ আগস্ট শ্রাবণ পূর্ণিমার দিন পালন করা হবে অন্যদিকে আগের বছর এটা ৭ আগস্ট পালন করা হয়েছিল।আগের বছর সরকারের এমন ঘোষণার পর প্রদেশের প্রায় ১ লক্ষ মহিলা পরিবহন নিগমের বাসে সফর করেছিল। ২০১৭ সালে যোগী সরকার রাখি বন্ধন উপলক্ষে ফ্রী যাত্রার ঘোষণা করেছিল এবং বাসের কর্মী পরিচালকদের বাস বেশি সময় ধরে চালানোর পস্তাব দিয়েছিল। এর জন্য যোগী সরকারের তফরে বাস কর্মচারীদের আলাদা করে অর্থও প্রদান করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, আপনাদের জানিয়ে দি যোগী সরকার রাজ্যের উন্নয়নের দিকে যতটা লক্ষ রাখেন ঠিক ততটাই লক্ষ রাখেন প্রদেশবাসীর জীবনযাত্রার মানের উপর। যেকোনো পুজো-পার্বন বা উৎসবে যোগী সরকার জনগণকে উপহার ও সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিছুদিন আগে কাবাড় যাত্রার সময় শিব ভক্তদের উপর হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষন করার ব্যবস্থা করেছিল যোগী সরকার। শুধু এই নয় DJ চালানোর উপর যে ব্যান ছিল সেটাও তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যানাথ। কাবাড়িয়াদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তার জন্য রাস্তার দুপাশে প্রাথমিক চিকিৎসার ও সুরক্ষার জন্য পুলিশ নিযুক্ত করা হয়েছিল।

The post রাখিবন্ধন উৎসব উপলক্ষে যোগী সরকার মহিলাদের জন্য ঘোষণা করলেন বড়ো উপহার।জানলে আপনিও প্রশংসা করবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PDpJx9
24 ghanta

সুরক্ষাকর্মী ছাড়াই, কাউকে না জানিয়ে কেন মায়ের কাছে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী!

দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি ভারত মাতার সুপুত্র যিনি দেশকে পুনরায় বিশ্বগুরু করার পন নিয়েছেন। আর এই কারণে বহু বছর আগেই ঘর বাড়ি ত্যাগ করে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। সম্প্রতি মাননীয় নরেন্দ্র মোদীজি গত বৃহস্পতিবার সোমনাথ ট্রাস্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল গান্ধীনগরে একটি রাজভবনে। এই বৈঠকটি শেষ হবার ঠিক পরেই তিনি কাউ কে কোনোরকম খবর না দিয়ে একেবারে অপ্রত্যাশিত ভাবে তার মা সাথে দেখা করার জন্য চলে যান। গান্ধীনগরে থাকেন উনার মা, সেখানেই হঠাৎ চলে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ তবে Eisamay এর তথ্য অনুযায়ী এই ব্যাপারটি যতটা অপ্রত্যাশিত মনে হচ্ছে তার থেকেও অনেক বেশি পরিমানে অবাক করার মত। কারন তিনি যখন সেখানে যান তার সাথে ছিল না কোনোরকম নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একা একাই মায়ের সাথে দেখা করার জন্য সেখানে চলে যান। মা হীরাবেন মোদী সাথে সময় কাটান তিনি। আপনাদের জানিয়ে দি, মোদীজির মা ছোট ভাই পঙ্কজ মোদীর সাথেই থাকেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী সেখানে বসে ১৫ মিনিট তাদের সাথে গল্প করেন।
উল্লেখ্য, গুজরাতের ভালসাদের জুজওয়া গ্রামে এক জনসভায় মোদীজি বক্তব্য রাখেন। সেই সময় তিনি বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী আভাসযোজনার মাধ্যমে দেশের সমস্ত গরিব নাগরিকদের নিজের বাড়ি তৈরী করে দেবে সরকার। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ২০২২ সালে আমদের দেশে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন হবে। আর তার আগেই মোদীজি দেশের সমস্ত মানুষের জন্য নিজের বাড়ি করে দেবেন। তিনি এটাও বলেন যে সেই সমস্ত বাড়ি তৈরী করার জন্য এক টাকাও লাগবে না সমস্ত খরচায় বহন করবে সরকার। এবং সেই সমস্ত বড়ি গুলির উপকরণ গুলি হবে যথেষ্ট উন্নতমানের।

সেই সাথে তিনি আরও বলেন যে, তার জীবনে গুজরাতের অবদান অনস্বীকার্য। কিভাবে মানুষের পাশে গিয়ে তাদের জন্য কাজ করতে হয় সেই সব কিছু তিনি তার রাজ্য থেকেই শিখেছেন। কেমন করে নির্দিষ্ট সময়ে নিজের সপ্ন গুলিকে পূরন করতে হয় সেটাও তাকে তার রাজ্য শিখিয়েছে। তাই তিনি সেই আদর্শকে অনুকরণ করেই দেশের প্রত্যেক গরিব পরিবারকে নিজের বাড়ি করে দেওয়ার সপ্ন দেখাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি মোদী সরকার আবাস যজোনার উপর জোর দিয়ে বেশ দ্রুতগতিতে কাজ করে চলেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের ভালো তালমেল থাকার জন্য কাজের গুণমান ভালোই হচ্ছে। বিজেপি না থাকা রাজ্যগুলির সাথেও কোনো রকম দুর্ব্যবহার করেনি কেন্দ্র। যদিও কেন্দ্রের কিছু কিছু প্রকল্প রাজ্য সরকার নিজেদের রাজ্যে লাগু করতে দিচ্ছে না যার জন্য দেশের প্রত্যেক এলাকা সমানভাবে উন্নত হচ্ছে না যাতে সংঘাত বাড়ছে রাজ্য ও কেন্দ্রের।
#অগ্নিপুত্র
The post সুরক্ষাকর্মী ছাড়াই, কাউকে না জানিয়ে কেন মায়ের কাছে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2MNdPCo
24 ghanta

বন্যা থেকে কেরলবাসীকে উদ্ধার করলো সেনা ও RSS, কিন্তু পোষ্টার লাগিয়ে ধন্যবাদ জানানো হলো UAE দেশকে।

আরো একবার সীমাহীন নির্লজ্জতার পরিচয় দিলো বামফ্রন্ট ও কিছু কট্টরপন্থী। কেরালায় বন্যাদুর্গত মানুষদেরকে সাহায্য করার সময় হাত এগিয়ে দিয়েছিল সেনা, NDRF ও আরএসএস এর সয়ংসেবকরা। কেরালার উদ্ধারকাজ চলবার সময় বিশাল ও পি রাঘুনাথ নামের দুই সয়ংসেবক প্রাণ হারান। কিন্তু তাতে আর কি যায় আসে কমিউনিস্ট আর কট্টরপন্থীরা ভারতকে ছোট দেখানোর জন্য যেকোনো পর্যায় পর্যন্ত নীচে নামতে পারে। কেরালার বন্যার জন্য কেন্দ্র সরকার ছাড়াও দেশের আলাদা আলাদা রাজ্য কোটি কোটি টাকা সিপিএম শাসিত কেরালায় পৌঁছায়। দেশের সাধারণ জনগণও নিজেদের সাধ্য মতো অনলাইনে হোক বা অন্যভাবে হোক অর্থ দান করে সাহায্য করেন। কিন্তু কেরালার বামফ্রন্ট সরকার ধন্যবাদ জানালো UAE কে যারা ১ আনা পর্যন্ত কেরালকে দান করেনি।

নিচের ছবি সম্প্রতি কেরালা থেকেই নেওয়া হয়েছে।এই পোস্টার কেরালার প্রত্যেক প্রান্তে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং প্রচার করা হচ্ছে যে UAE আমাদের সাহায্য করেছে। কেরালার প্রত্যেক জেলার প্রত্যেক বড়ো বড়ো শহরে এই রকম ব্যানার লাগানো হয়েছে যেখানে UAE এর শাসকদের ছবি রয়েছে। ছবিতে পুরো কেরলার মানচিত্রকে সবুজ করে দেওয়া হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে যে UAE এর হাত ডুবন্ত কেরলাকে বাঁচিয়ে নিয়েছে। কেরালার বন্যায় ভারতীয় সেনা নিজেদের প্রানের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার কাজে নেমেছিল।

জানলে অবাক হবে জনগণের প্রাণ বাঁচানোর জন্য সেনা তাদের নিজেদের নিয়ম পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছিল। যেখানে হেলিকপ্টার নামানো বারণ সেখানেও হেলিকপ্টার নামিয়ে মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিল, সয়ংসেবকরাও প্রতিদিন হাতে হাত মিলিয়ে উদ্ধারকাজ ও সেবার কাজে নেমে পড়েছিল। কিন্তু এই বামপন্থীরা সেনা , RSS বা অন্য রাজ্যের জনগণের প্রতি একবারের জন্যেও পোষ্টার লাগিয়ে ধন্যবাদ জানাইনি। হ্যাঁ তবে যারা ১ কানা কড়ি দেয়নি সেই UAE কে ধন্যবাদ জানিয়েছে। জানলে অবাক হবেন এটা সেই কেরালার সরকার যারা

জানলে অবাক হবেন কেরালায় বন্যার জন্য ১৫ আগস্ট পালন করা হয়নি ঠিকই তবে দেশের জনগণ যে টাকা কেরালার মুখ্যমন্ত্রী ফান্ডে দান করেছিল সেই টাকায় বকরি ঈদ পালনের সুব্যবস্থা করেছিল সরকার। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার পর থেকেই কেরালা কখনো বামপন্থী কখনো কংগ্রেসিদের হাতে ছিল যার জন্য কেরালায় হিন্দুদের ধর্মান্তরণ সবথেকে দ্রুত গতিতে হয়েছে। এত বছর ধরে বামপন্থীরা ও কংগ্রেসিরা রাজত্ব করায় কেরালার শিক্ষার মধ্যেও কমিউনিস্ট চিন্তাধারা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে কেরলবাসী প্রতিবাদের ভাষা পর্যন্ত ভুলে গেছে।

The post বন্যা থেকে কেরলবাসীকে উদ্ধার করলো সেনা ও RSS, কিন্তু পোষ্টার লাগিয়ে ধন্যবাদ জানানো হলো UAE দেশকে। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Pyceix
24 ghanta

‘ভারতে নারীরা অসুরক্ষিত’- জার্মানিতে গিয়ে এইভাবেই ভারতের অপমান করলেন রাহুল গান্ধী।

রাজনৈতিক ক্ষমতায় যে সরকার থাকে তার বিরোধিতা করায় বিরোধীদের মূল কাজ। শুধু ভারত নয় প্রত্যেক লোকতান্ত্রিক দেশে এই নিয়ম রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের দুর্নাম ও দেশের ক্ষতি যদি কোনো দেশের বিরোধীরা করে থাকে তাহলে সেটা একমাত্র ভারতেই। হ্যাঁ আরো একবার মোদী সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের এক বিশাল ক্ষতি করে বসলো সোনিয়া পুত্র কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী। আসলে এখন রাহুল গান্ধী জার্মানিতে রয়েছেন। জার্মানি এই মুহূর্তে ইউরোপের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে কারণ জার্মানির জিডিপি সবথেকে বেশি রয়েছে। জানিয়ে দি, রাহুল গান্ধী ইউরোপে গিয়ে বেশকিছু বক্তব্য রেখেছেন যার মধ্যে ২ টি বক্তব্য মিডিয়ার খুব বেশি চর্চিত হচ্ছে। প্রথমত রাহুল গান্ধী জার্মানিতে বলেছেন ভারতে নারীরা খুবই অসুরক্ষিত, ভারতের পুরুষ সমাজ নারীদের উপর ভীষণ অত্যাচার করে।

দ্বিতীয়ত রাহুল বলেন বেকারত্বের কারণে কম বয়সী যুবকরা isis যোগ দান করে। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যে ভারতের কি এমন ক্ষতি হবে। ভারত একটা দেশ প্রাচীন দেশ যার সঙ্গস্কৃতি খুবই আকর্ষণীয় আর এই দিকেই লক্ষ রেখে বহু বিদেশি পর্যটক প্রত্যেক বছর ভারতে বেড়াতে আসেন। এই কারণে এই পর্যটক ব্যাবস্থার উপর দেশের প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষের রোজকার দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাতে সেটা বিভিন্ন পর্যটন স্থানে থাকা হোটেলের সাথে জুড়ে থাকা মানুষ হোক , গাইডের কাজ করা ব্যাক্তি হোক বা অন্য কোনোভাবে পর্যটন কেন্দ্রের সাথে জুড়ে থাকা ব্যাক্তি হোক।

রাহুল গান্ধী ভারতের সবথেকে পুরানো দল কংগ্রেসের সভাপতি হয়ে যখন এই কথা বলেছেন তখন নিশ্চিতভাবে ইউরোপের কিছু শতাংশ মহিলার উপর এই বক্তব্যের প্রভাব পড়বে আর এতে ক্ষতি হবে ভারতের পর্যটনক্ষেত্রের সাথে জুড়ে থাকা ব্যাক্তিদের। লক্ষণীয় বিষয় এই যে রাহুল গান্ধী শুধুমাত্র নিজের ব্যক্তিগত লাভের জন্য ভারতের সম্পর্কে এই রকম কুমন্তব্য রোটিয়েছে। এটা সকলের কাছেই স্পষ্ট যে ভারতে নারীরা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত। যদিও কিছু ব্যাক্তি ভারতের দুর্নাম করার জন্য কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশগুলির থেকেও ভারতকে অসুরক্ষিত বলে ঘোষণা করে।

দ্বিতীয়ত, রাহুল গান্ধী বলেছেন যুবকেরা বিনা রোজকারের জন্য isis এ যোগ দান করেন। আসলে এই বক্তব্যের মাধ্যমে রাহুল গান্ধী আত্নকবাদীদের মূল শিকড়ে মাটি দিয়ে সেটাকে লুকানোর চেষ্টা করছেন। একই সাথে রাহুল গান্ধী বেকার যুবকদের অপমানও করেছেন। এটা এখন যেকোনো সচেতন ব্যাক্তি জানেন যে আতঙ্কবাদীর মূল শিকড় ধর্মীয় গোঁড়ামি। কিন্তু রাহুল গান্ধী ও বামপন্থী নেতারা নিজেদের স্বার্থে মূল কারণকে লুকিয়ে রেখে এই আতঙ্কবাদীদের বাঁচানোর কাজ করে যায়।

The post ‘ভারতে নারীরা অসুরক্ষিত’- জার্মানিতে গিয়ে এইভাবেই ভারতের অপমান করলেন রাহুল গান্ধী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Myi85h
24 ghanta

শিব সেনাকে নিজের দলে টেনে কংগ্রেসকে ঝটকা দিতে অমিত শাহের নতুন নীতি! মাঠে নামালেন দ্বিগজ অভিজ্ঞ এই নেতাকে।

আগামী লোকসভার উপর নজর রেখে ভারতীয় জনতা পার্টি তাদের সযোযোগী দলের সাথে তালমেল বজায় রাখার সমগ্র প্রচেষ্টা করছে। প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ NDA এর অংশ থাকা শিব সেনার সাথে এই বিষয়ে কয়েকবার আলোচনায় বসে ফেলেছে। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা খুবই মজবুত থাকায় বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পুরানো সাথী শিবসেনার সাথে থেকেই লড়াই করতে পারে। এই কারণেই অমিত সহ এক বড়ো খেলা দিয়ে এক দ্বিজগ নেতাকে শিবসেনার কাছে পাঠিয়েছে। মিশন ২০১৯ এর জন্য বিজেপি একটা বড় লক্ষ রেখেছে এবং ১৯ নির্বাচনে বড়ো জয়লাভের জন্য বিজেপি যেকোনো মাস্টারপ্ল্যান খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের সাথে শিব সেনা প্রমুখ উদ্ধত ঠাকুরের কয়েকবার কথাবার্তা সম্পন্ন হয়েছে।
তবে এখনো যেহেতু দূরত্ব একটু রয়েছে সেটাকে কমানোর জন্য আরো একটা মাস্টারস্টোক খেলেছে বিজেপির চানক্য নামে পরিচিত সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এবার অমিত শাহ শিবসেনার সাথে কথা বলার জন্য এক বহু অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নেতাকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে। বিজেপির মুরলি মনোহর জোশীকে এবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিব সেনাকে বিজেপির লোকসভা ও বিধানসভার  নীতি নিয়ে অবগত করতে। মুরলি মনোহর জোশী বান্দ্রায় উপস্থিত উদ্ধব ঠাকরের বাড়িতে দেখাও করে নিয়েছেন।

যদিও দুজনের বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে সেটা এখনো সামনে আসেনি। তবে মিডিয়া এটা নিশ্চিত করেছে যে আগামী লোকসভা নির্বাচন নিয়ে শিব সেনার সুপ্রিমোর সাথে মুরলি মনোহর জোশীজি আলোচনা করেছেন। আপনাদের জানিয়ে দি, মহারাষ্ট্রের বিধানসভা কার্যকাল পরের বছর অক্টোবর-নভেম্বরে করা হতে পারে। কিন্তু বিজেপি ৬ মাস আগেই সেই নির্বাচন করানোর উপর চিন্তাভাবনা করছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফরণবিশ কয়েকটি বৈঠকে এ নিয়ে বলেছেন।

তিনি বলেছিলেন যে বিজেপির প্রস্তুতি ভালো আর নির্বাচন কয়েক।মাস আগেই করানো হতে পারে। শিবসেনার সঞ্জয় রাউত বলেছেন এটা উদ্ধত ঠাকরে ও মুরলি মনোহর জোশীর মধ্যে বৈঠককে শিষ্টাচারের মধ্যে একটা সাক্ষাৎ বলে এড়িয়ে গেছেন। কিন্তু মনে করা হচ্ছে এই বৈঠকের মাধ্যমে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ও লোকসভাকে মাথায় রেখে বিজেপি তাদের মার্গদর্শন মন্ডলের মুরলি মনোহর জোশীকে বৈঠকের জন্য মাঠে নামিয়েছিলেন।এখন অমিত শাহের এই মাস্টারপ্ল্যান সাফল্য পেলে বিরোধীদের চিন্তা আরো বেড়ে যাবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

JNU এর দুর্দান্ত সিধান্ত! পরিবর্তন করা হবে নামের,এবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর নামে JNU..

দেশের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপায়ীজির স্বর্গবাসের পর দেশের মানুষ নিজের নিজের মতো করে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করছে। অটলজির প্রতি সম্মান জ্ঞাপনের জন্য বহু জায়গায় ও স্থানের নাম পরিবর্তন করে অটলজির নামে রাখা হচ্ছে। এইভাবেই দিল্লীর নামকরা জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়তেও একটা বড়ো পরিবর্তন করা হচ্ছে। আপনাদের জানিয়ে দি JNU সেই বিশ্ববিদ্যালয় যা ভারত বিরোধী শ্লোগানের জন্য দেশজুড়ে কুখ্যাতি লাভ করেছিল এবং মিডিয়ার চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়ে উঠেছিল। এই ইউনিভার্সিটির একটা ভিডিও খুব ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে দেখা যাচ্ছিল যে JNU ক্যাম্পাসে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে ইনশাল্লাহ ইনশাল্লাহ, পাকিস্থান জিন্দাবাদ ও আফজল গুরুর সমর্থনে শ্লোগান দিচ্ছিল কিছু ছাত্রছাত্রী।

এখন অটলজির নিধনের পর আরো একবার JNU এর চর্চা তুঙ্গে উঠে এসেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, JNU নিজেরদের একটা সংস্থার নাম পরিবর্তনের সিধান্ত নিয়েছে। JNU এই তরফে প্রেস রিলিজ করে এই পস্তাব এর কথা বলা হয়েছে। কংউন্সিলের বৈঠকে ঠিক হয়েছে স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট এন্ড এন্টারপিনিওরশিপের নাম বদলে অটল বিহারী বাজপেয়ী স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট এন্ড এন্টারপিনিওরশিপ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই স্কুল JNU এই অন্তর্গত।  কাউন্সিলের এই সিধান্ত এ যে বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের বড়ো জোর ধাক্কা লাগবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বৃহস্পতিবার দিন JNU এর ২৭৫ এর কার্যকরী সমিতির বৈঠকে আধিকারিকভাবে বলা হয়েছে ২০১৯-২০ বছরেই স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট এন্ড এন্টারপিনিওরশিপ এর নাম বদলে অটলজির নামে রাখা হবে। এর আগে ছটত্রিশগড়ের রাজধানী রায়পুরের নাম বদলে অটল নগর নাম রাখার ঘোষণা করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পর শাহেলা রাশিদি, উমর খালিদ ও কানায়াই কুমারের মতো লোকেদের বড়ো ঝটকা লাগবে কারণ এরা মোদী সরকার ও বিজেপির তীব্র বিরোধী। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি এই কট্টরপন্থীরা JNU তে জাতীয় পতাকা লাগানো বিরোধিতা করেছিল। এমনকি JNU ক্যাম্পাসে সেনার পুরানো ট্যাঙ্ক লাগানোর বিরোধিতা করেছিল এই কট্টরপন্থীরা।  আপনাদের জানিয়ে রাখি মোদী সরকার কিছুদিন অভ JNU তে একটা বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছিল। মোদী সরকার JNU তে ওয়াল অফ হিরোস এর একটা সৌর্জ দেয়াল তৈরি করেছে। যার মাধ্যমে JNU তে নতুন আগত ছাত্রছাত্রীদেরকে বামপন্থীদের চিন্তা ধারা থেকে দূরে রেখে তাদের মধ্যে রাষ্ট্রভক্তি ও দেশপ্রেম জাগানো যায়।

The post JNU এর দুর্দান্ত সিধান্ত! পরিবর্তন করা হবে নামের,এবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর নামে JNU.. appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2wmLFnv
24 ghanta

ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে এক উত্তরেই চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বিরোধী হোক বা সমর্থক এটা সকলেই জানে যে, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির ব্যাক্তিত্ব এমন যে যিনি নিজের প্রতিভা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে দেশ তথা বিশ্বের মানুষের কাছে পরিচিত। যার কাজের প্রশংসা না করে থাকতে পারেন না দেশ তথা বিশ্বের তাবর তাবড় নেতারা। সম্প্রতি, বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এমনি একটা ঘটনার কথা সকলের সামনে তুলে ধরলেন। আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি গত এপ্রিল মাসে ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি প্রথমে সাক্ষাৎ করেছিলেন প্রিন্স চার্লস ও মহারানী এর সাথে। তাদের সাথে সাক্ষাৎ করার পর তিনি চলে যান ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এর সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে। যেই সময় যখন তিনি থেরেসা মের সাথে দেখা করেন তখন এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল সেটা আপনাকেও অবাক করবে।

আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও থেরেসা মে যিনি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী তাদের মধ্যে যে মিটিং হবার কথা ছিল। মোদীজি ঠিক যে কারনে ইংল্যান্ড গিয়েছিল তার মূল কারন ছিল বিজয় মালিয়া। মূলত বিজয় মালিয়াকে নিয়েই তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। কারন সেই সময় ইংল্যান্ড কোর্টে বিজয় মালিয়াকে নিয়ে একটা কেস চলছিল যেটা করা হয়েছিল ভারতের তরফ থেকে। তাদের দুজনের মধ্যে আলোচনার সময় থেরেসা মে বলেন যে বিজয় মালিয়া যদি অপরাধী প্রমাণিত হয় তাহলে তাকে রাখা হবে ইংল্যান্ড জেলে কারন তার বিচার ব্যাবস্থার সব কিছু হচ্ছে ইংল্যান্ড থেকে। আর আপনারা যদি চান যে বিজয় মালিয়াকে ভারতের কারাগারে রাখতে তাহলে ইংল্যান্ড থেকে আমাদের নিজস্ব আধিকারিক গিয়ে সেখানকার জেল দেখে আসবে, দেখে আসবে জেলের মান কেমন সেটার মান ইংল্যান্ডের মত উন্নত কিনা। তারপর ভারতে পাঠানো হবে বিজয় মালিয়াকে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জবাব :

থেরেসা মে যখন এই কথা বললেন তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি যা জবাব দিলেন সেটা শোনার পর থেরেসা মে একদন চুপ করে যান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেলেন যে, “আপনাদের কি প্রয়োজন আছে ভারতে গিয়ে সেখানকার জেল গুলি সার্ভে করার, সেখানকার সব জেল তো আপনারাই তৈরী করে দিয়ে এসেছেন। মহাত্মা গান্ধীর মত বড়ো বড়ো নেতাদের সেইসব জেলেই তো আপনারা বন্দি করে রাখতেন। সেই সময় মহাত্মা গান্ধীর মত বিশিষ্ট ব্যাক্তিকে রাখতে আপনাদের কোনো রকম লজ্জাবোধ হয় নি। তাহলে এখন বিজয় মালিয়ার মত একজন ক্রিমিনাল কে সেই জেলে রাখতে কেন লজ্জাবোধ করছেন?

আপনারা জানলে সত্যি অবাক হবেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই কড়া জবাব দেওয়ার পরই একদম বাকরুদ্ধ হয়ে যান ইংল্যান্ড এর প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে। আসলে থেরসা মে প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন ব্যাবহার করতে চেয়েছিলেন যেন ভারত এখনো পরাধীন পিছিয়ে পড়া দেশ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার উত্তরের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেন যে ভারত একটা আত্মমর্যাদা সম্পন্ন দেশ তাই সেই দেশকে ছোট করে দেখার আগে যে কাউকে ১০০ বার ভাবতে হবে তাতে সে যত বড়ই দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হোক না কেন।

#অগ্নিপুত্র

The post ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে এক উত্তরেই চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2P34hk3
24 ghanta

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকল্পগুলিকে হুবুহ নকল করে কিভাবে পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ঘোষণা করলেন জানলে অবাক হবেন।

কিছু দিন আগে পাকিস্তান নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার ইমরান খান। যিনি প্রথম একজন প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আসনে বসেছেন।
প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পরই তিনি দেশের খারাপ অবস্থা শোধরানোর জন্য নানান পদক্ষেপের কথা ঘোষনা করেছেন। তার ঘোষিত পদক্ষেপের মধ্যে এমন ৭ টি প্রকল্প রয়েছে যেগুলি দেখে মনে করা হিচ্ছে তিনি যেন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই সেগুলি ঘোষনা করেছেন। সম্প্রতি যে প্রকল্প গুলি ইমরান পাকিস্তানে ঘোষনা ঘোষণা করেছেন সেগুলি আমাদের দেশে মোদীজি অনেক দিন আগেই ঘোষনা করে দিয়েছেন।
১) মোদীজির তৈরী প্রকল্প পাকিস্তানে ?
পাকিস্তান কে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ইমরান খান “স্বচ্ছ পাকিস্তান” নামে প্রকল্প শুরু করলেন। তিনি মনে করেন যে এর ফলে বিশ্বের কাছে পাকিস্তানের সম্মান বাড়বে। এই “স্বচ্ছ পাকিস্তান” প্রকল্পটি মোদীজির “স্বচ্ছ ভারত মিশন” এর অনুকরনে তৈরি করা হয়েছে।
২) প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রকল্প পাকিস্তানে?
আমাদের দেশে মোদীজি চলু করেন আয়ুষ্মান প্রকল্প। সেখানে যেমন বলা আছে যে দারিদ্রসীমা নীচে মধ্যে পড়া মানুষজন দের ৫ লক্ষ টাকা অব্দি চিকিৎসা ক্ষেত্রে সাহায্য করবে সরকার। তেমনিভাবে ইমরান খান পাকিস্তানেও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প শুরু করলেন। উল্লেখ্য সেখানেও ৫ লক্ষ টাকার কথাই বলা হয়েছে। জানিয়ে দি এই প্রকল্প রাজ্য সরকারের বিরোধিতায় পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়নি। তাই এ রাজ্যের মানুষ অনেকে এব্যাপারে নাও জানতে পারেন।

৩) নরেন্দ্র মোদীর প্রকল্প পাকিস্তানে?
মোদীজি দেশের গরিব মানুষদের জন্য আবাস যজোনার আওতায় বিনামূল্য বাড়ী করবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই লক্ষ্য ২০২২ সালের মধ্যে তিনি পূরন করবেন বলেও জানিয়েছেন। তার জন্য তিনি অনেক দূত কাজ করছেন এবং সেই লক্ষ্যে অনেকদূর এগিয়েছেন। আর মোদীজির এই প্রকল্পকে নকল করে পাকিস্তানে গরিবদের জন্য ৫০ লক্ষ বাড়ি করার কথা জানিয়েছেন ইমরান খান।
৪) প্রধানমন্ত্রী মোদীজির প্রকল্প পাকিস্তানে?
সজল নামে একটি প্রকল্প চালু করেছেন মোদীজি। সেই প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্য হল যে গ্রাম এলাকাগুলিতে পানীয়জল পৌছেঁ দেওয়া। ঠিক একইভাবে মোদীজির প্রকল্পকে অনুকরন করে ইমরান খান পাকিস্তানেও শুরু করতে চলেছে জল পৌঁছে দেওয়ার প্রকল্প।
৫) মোদীজির তৈরী প্রকল্প পাকিস্তানে ?
“স্কিল ইন্ডিয়া যোজনার” সূচনা করে মোদীজি দেশের অনেক বেকার যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিতকরণ করেছেন। ঠিক একইভাবে পাকিস্তানে স্কিল ডেভেলপ প্রোগ্রামের সূচনা করতে চলেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্থানের নবনির্মিত সরকার।

৬) মোদীজির তৈরী প্রকল্প পাকিস্তানে ?
মোদী আমাদের দেশের বেকারত্ব দূর করার জন্য বেকার যুবকদের ব্যাবসা করার কাজে বিনা সুদে যেমন ব্যাংক থেকে ঋন নেওয়ার ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন। পাকিস্তনেও সেইরকম করতে চলেছেন ইমরান খান।
আসলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রকল্পগুলি ভারতের পরিবর্তন ঘটাতে অনেকটা সক্ষম হয়েছে এই কারণেই ইমরান খান মোদীজিকে অনুসরণ করছে বলে অনেকের দাবি। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার নরেন্দ্র মোদীর যে প্রকল্পগুলিকে ইমরান খান নকল করেছেন প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসনীয় হয়েছিল।
Anandabazar

অনেক তো গুজব শুনলেন শেয়ার করলেন!এবার জানুন আসল সত্য। কেরালা বন্যায় কোন সেলিব্রেটি কত সাহায্য করলেন।

সম্প্রতি কেরালায় বন্যা নিয়ে দেশজুড়ে হাহাকার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। যার পর থেকে দেশের কেন্দ্র সরকার কেরালার জনগণকে উদ্ধারের জন্য সমগ্র প্রচেষ্টা লাগিয়ে কাজে নেমে পড়েছিল। সরকার জনগণকে উদ্ধার করার জন্য ১ লক্ষ সেনা ও হেলিকপ্টার, নৌ সেনা ও বায়ু সেনা সহ পানীয় জলের পরিষেবা পাঠিয়ে ছিল। এছাড়াও কেন্দ্র সরকার কেরলের জন্য মোট ৯২০ কোটি টাকা ঘোষণা করেছিল যার মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রথমেই ১০০ কোটি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৫০০ কোটি ও পরে ডিজাস্টার রিলিফ ফান্ড থেকে ৩২০ কোটি টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। কেন্দ্র সরকার ছাড়াও দেশের রাজ্য সরকারগুলি নিজেদের মতো করে টাকার ঘোষণা করেছিল। তবে কেরলের এই দুর্যোগের দিনেও গুজব ও রাজনীতি কমেনি ভারতে। জানলে অবাক হবেন দেশের বড়ো সংবাদ মাধ্যমগুলি পর্যন্ত মিথ্যা গুজব রোটিয়েছিল। কিছুদিন আগেই সংবাদ মাধ্যমগুলি দাবি করেছিল UAE ভারতকে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছে কিন্তু পরে জানা যায় ওই দেশের সরকারি তরফে এই রকম কোনো ঘোষণা করা হয়নি। টিভি চ্যানেল ও সংবাদ মাধ্যমগুলি দাবি করেছিল যেহেতু কেরলের বহু মানুষ UAE তে কাজ করেন তাই ওই দেশের সরকার কেরলের বন্যায় ৭০০ কোটি টাকা দান করতো চাইছে। কিন্তু পরে টিভি চ্যানেল ও মিডিয়ায় দ্বারা প্রচারিত এই খবর আংশিক গুজব বলে জানা যায়। কেরালার বন্যায় সবথেকে বেশি গুজব রটিয়েছিল বলিউডে অভিনেতাদের ফ্যান ও ফলোয়ারা। কেরলে বন্যার পর শারুখ থেকে সালমান সকলের ফ্যান ফলোয়াররা নিজেদের মনগড়া সংখ্যা বসিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে নেমে পড়েছিল। আসলে এই গুজবের মাত্রাটা এতটাই প্রবল ছিল যে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এটা ধরে ফেলা জনগণের কাছে কঠিন হয়ে উঠছিল। কেরলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কোন অভিনেতা কি সাহায্য করেছেন জেনে নেওয়া যাক-

অমিতাভ বচ্চন যিনি বলিউডের বিগ বি নামে পরিচিত উনি কেরলের বন্যা দুর্গতদের জন্য ৫১ লক্ষ টাকা অনুদান ও নিজের বহু পোশাক,জামা কাপড়, জুতো ইত্যাদি উজাড় করে দান করেছেন।

বলিউড অভিনেত্রী এসা গুপ্তা তার এক দিনের আয় পাঠিয়েছেন কেরলের বন্যাদুর্গতদের জন্য।

দক্ষিণের বিখ্যাত অভিনেতা বিজয় কেরালার জন্য ৭০ লক্ষ টাকা অনুদান পাঠিয়েছেন।

কুনাল কাপুর কেরালার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য পাঠিয়েছেন ১.২ কোটি টাকা।

বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা কিং খান অর্থাৎ শারুখ খান তার এক সংস্থার মাধ্যমে ২১ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

অভিনেত্রী পুনম পান্ডে জানিয়েছেন পরের সিনেমায় যে পারিশ্রমিক পাবেন তার পুরোটাই দান করবেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী তহবিলে।

বিদেশি অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ কেরালার পাশে দাঁড়িয়ে ৫ লক্ষ অনুদান পাঠিয়েছেন।

দক্ষিণের আরেক অভিনেতা লরেন্স বন্যায় দুর্গত মানুষদের জন্য পাঠিয়েছেন ১ কোটি টাকা।

সালমান খান যিনি বলিউডের ভাইজান নামে পরিচিত তিনি প্রত্যেকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে কেরলের মানুষের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতো বলেন। তিনি নিজে কেরালার মানুষের পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন যদিও তেমন কোনো পাশে থাকার ছবি এখনো অবধি সামনে আসেনি।

ঋত্বিক রোশন অসহায় কেরাবাসীর জন্য অনুদান দিয়েছে বলে এখন পর্যন্ত কোনো খবর আসেনি তবে উনি অন্যভাবে সাহায্যে হাত বাড়িয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

The post অনেক তো গুজব শুনলেন শেয়ার করলেন!এবার জানুন আসল সত্য। কেরালা বন্যায় কোন সেলিব্রেটি কত সাহায্য করলেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2BFVvXG
24 ghanta

দেশদ্রোহী শক্তিকে উপড়ে ফেলতে মোদী সরকারের এই মাস্টারপ্ল্যান জানলে আপনিও গর্বিত হবেন।

দেশের জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি বিগত কয়েক বছরে ধরে কিভাবে কট্টরপন্থী বিচারধারা নিয়ে দেশের ছবি খারাপ করছিল তা আর কারোর কাছে লুকিয়ে নেই। দেশের জনগণ সেই ছবি দেখেছে যে কিভাবে নকশালী, জিহাদি ও ভারতবিরোধী মানসিকতার ছাত্রছাত্রী JNU বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনা করে। JNU তে ড্রাগস এর ধান্দা সাধারণ ব্যাপার ছিল কিন্তু এরপর JNU যা রূপ নিয়েছিল তা যেকোন দেশভক্তের বুকে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। আসলে বিগত কয়েক বছরে JNU এর মধ্যে ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে, আজাদী চাওয়া গ্যাং, জঙ্গি আফজল গুরুর সমর্থনে খোলাখুলি শ্লোগান, পাকিস্থান জিন্দাবাদ ও isis এর পোস্টার লাগানোর মতো দেশদ্রোহী কাজ লাগাতার মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর চোখে আসতে শুরু করে।

আপনাদের জানিয়ে দি এটা হটাৎ করেই শুরু হয়ে যায়নি। এই দেশদ্রোহী শক্তি বহু বছর ধরে দেশের ভেতরে লুকিয়ে নিজের এজেন্ডা চালিয়ে এসেছে। ড্রাগসের মতো নেশায় যুবসমাজকে মতিভ্রম করে তাদের মধ্যে দেশবিরোধী মানসিকতা ঢুকিয়ে দেওয়া- এটা খুব পুরানো, সহজ ও কার্যকরী পদ্ধতি। আর এই পদ্ধতিকে ব্যাবহার করেই বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই দেশবিরোধী মানসিকতা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দেশবিরোধী এই শক্তি আমাদেরই যুবসমাজকে দেশের বিরুদ্ধে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রকে খোলসা করার কাজ করে আসছে। কিন্তু এখন দেশভক্ত নামক স্প্রে ছড়ানোর সাথে সাথে এই শক্তি আরশোলার মতো ছত্রভঙ্গ হয়ে এদিক ওদিক করতে শুরু করে দিয়েছে।

এই দেশদ্রোহীদের ছত্রভঙ্গ করার দায়িত্ব যিনি নিয়েছেন তিনি হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যাঁ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটা পদক্ষেপে পুরো দেশকে বদলে দিচ্ছে। ভারত বিরোধিতা করা ছাত্রছাত্রীরা এবার দেশকে সন্মান জানতে বাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এমন কিছু কাজ করেছেন যে বিগত ৬০ বছর ধরে হয়নি। বিদ্যা বীরতা অভিযানের মাধ্যমে JNU প্রাঙ্গনে WALL OF HEROES প্রতিস্থাপন করা প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। এর জন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে ১৫/২০ ফুটের শৌর্য দেয়ালের উদঘাটন করা হয়েছে।

এই দেয়ালে ছবি সহ ২১ পরমবীর বিজেতাদের চক্র লাগানো হয়েছে। যে JNU তে দেশকে গালি দেওয়া সামান্য ও তুচ্ছ ব্যাপার ছিল সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার দেশের বীর শহিদদের প্রনাম ও শ্রদ্ধা জানানো এবার পরম্পরায় পরিণত হতে শুরু করেছে। উল্লেখ্যভাবেই এবার JNU তে একটু হলেও পরিবর্তন লক্ষ করা যেতে শুরু হয়েছে। এখন নিয়মিত JNU ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা প্রথমে এসেই বীর সাহসী শহীদদের প্রমান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছেন যার মাধ্যমে তাদের মধ্যে দেশের প্রতি ভক্তি আরো ফুটে উঠছে। ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত বলিদানিদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সময় তাদের প্রত্যেকের নাম এবং তারা কোথায় কিভাবে শহীদ হয়েছিলেন তার বিশদ তথ্যে পড়েন যা শোর্য দেয়ালের মধ্যেই লেখা থাকে। আপনাদের জানিয়ে দি কেন্দ্র সরকারের এই সিধান্ত এর চরম বিরোধ করেছিল বামপন্থী ও তথাকথিত সেকুলারবাদীরা।

মোদী সরকার দেশদ্রোহীদের কোনো তোয়াক্কা না করেই ওয়াল অফ হিরোস এর প্রতিষ্ঠা করেছে। স্পষ্টতই এটা কোন ছোট ব্যাপার নয়, এটা অতি প্রশংসার বিষয়। উল্লেখ্য, মোদী সরকার ঠিক করেছে পরমবীর চক্র পাওয়া শহীদের স্মরণে এই দেওয়াল দেশের প্রত্যেক কলেজে ও ইউনিভার্সিটিতে তৈরি করা হবে। জানলে অবাক হবেন এরা আগেও বামপন্থী সংগঠন JNU ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা লাগানোর বিরোধিতা করেছিল। এছাড়াও ছাত্রদের মধ্যে দেশভক্তি জাগানোর জন্য সেনাদের পুরানো ট্যাঙ্ককে সরকার ক্যাম্পাসে রাখতে চেয়েছিল কিন্তু সেক্ষেত্রেও বামপন্থীরা বিরোধে নেমেছিল। এমনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৫ শতাংশ উপস্থিতিরও বিরোধ করেছিল বামপন্থীরা মানসিকতার ছাত্রছাত্রীরা।

এই সকল বিরোধিতায় এদের সাহায্য করেন বামপন্থী শিক্ষকরা। এমনি ছাত্রদের মধ্যে নকশালী ও দেশ বিরোধী চিন্তাভাবনা ঢুকিয়ে দেওয়ার পেছনেও এই তথাকথিত সেকুলার ও বামপন্থীদের হাত রয়েছে। শিক্ষকরা বীর ভগত সিং এর জায়গায় লেনিন ও এস্টারলিন এর অনুপ্রেরণা ছাত্রদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। এখন এবার যে নতুন ছাত্রছাত্রী কলেজে আসবে তারা বামপন্থীদের নোংরা ষড়যন্ত্রে পা না দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশভক্তে পরিণত হবে। এটাকেই বলা হয় সোজাসুজি শিকড়ে আঘাত করা।

The post দেশদ্রোহী শক্তিকে উপড়ে ফেলতে মোদী সরকারের এই মাস্টারপ্ল্যান জানলে আপনিও গর্বিত হবেন। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2wi8ngy
24 ghanta

Design a site like this with WordPress.com
Get started