স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বানাচ্ছেন প্ল্যান, উপত্যকায় খুব তাড়াতাড়ি হতে চলেছে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘর ওয়াপসি Bangla News

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এবং ওনার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বরিষ্ঠ আধিকারিকদের টিম উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘর ওয়াপসির জন্য যুগান্তকারী রণনীতি বানাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ সুত্র জানান, অমিত শাহ এই ব্যাপারে গত এক মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাশ্মীরি ডিভিশন এর প্রধান আধিকারিকদের সাথে বেশ করেকবার বৈঠক করে ফেলেছেন। অমিত শাহ জম্মু কাশ্মীরে সক্রিয় রণনীতির সাথে বাহারি এবং অন্দরের সন্ত্রাসবাদের সাথে মোকাবিলা করে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসন করাতে চান। ১৯৮৯ সালের পর থেকে কাশ্মীরে কট্টরপন্থী দের অত্যাচারে প্রায় তিন লক্ষ কাশ্মীরি পণ্ডিত তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পলায়ন করতে বাধ্য হয়েছিল।
সুত্র জানায় যে, কেন্দ্র সরকার উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের জন্য সুরক্ষিত বসবাস যোগ্য এলাকা বানানোর প্ল্যান করছে। এই পরিকল্পনা এর আগে ২০১৫ সালে কাশ্মীর সরকার দ্বারা নেওয়া পদক্ষেপের থেকেও বেশি কার্যকারী হবে। পুনর্বাসন যোজনা ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কল্যাণকারী যোজনা গুলোতেও নজর রাখছেন। বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ প্রভাবিত রাজ্যে বসবাসকারী বিধবা, সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া মানুষ, বিকলাঙ্গ আর প্রবীণ নাগরিক সম্বন্ধিত কল্যাণমূলক পরিকল্পনা গুলোতে বেশি করে নজর রাখা হচ্ছে। জম্মু কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক শুক্রবার আভাস দিয়েছেন যে, উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় রণনীতি বানাচ্ছে।
রাজ্যপাল এই ব্যাপারে আশ্বস্ত যে, যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই এই পরিকল্পনার ঘোষণা করা হবে। সুত্র জানায় যে, আগামী মাসে অমরনাথ যাত্রা শেষ হলেই, সরকার তাঁদের পরিকল্পনার ঘোষণা করবে। সরকারের এই পরিকল্পনা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের জন্য এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা বিগত তিন দশক ধরে নিজেদের পুনর্বাসনের জন্য সুরক্ষিত নীতির অপেক্ষা করছে। এর আগে লোকসভাতে ১৬ই জুলাই এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র রাজ্য মন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি বলেছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৯২০ কোটি টাকা কাশ্মীরের জন্য ঘোষণা করে ৬০০০ ট্রান্সিট আবাসের নির্মাণের মঞ্জুরি প্রদান করেছেন।
কেন্দ্র সরকার প্রত্যেক প্রবাসী পরিবারকে প্রতিমাসে ১৩ হাজার করে ত্রান দিচ্ছে। সুত্র জানায় যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কাশ্মীরের রাজ্যপাল এবং ওনার উপদেষ্টাদের রাজ্যে দুর্নীতি বিরোধী তদন্তের আওতা আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ-র অনুযায়ী, কিছু রাজনেতাদের সাহাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারেরা জনকল্যাণমূলক আর উন্নয়নের প্রকল্পের অর্থ নয়-ছয় করছে। সুত্র জানায় যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পুলিশ আর পুলিশ আর প্রশাসনকে আলগাঁওবাদী নেতা আর তাঁদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
Bangla News

মধুর প্রতিশোধ! যোগীকে আটকেছিল মমতা, এবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে বিমান বন্দরে আটকে দিলো যোগী Latest Bengali News

যোগী আদিত্যনাথ শাসিত উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রে  জমি সংঘর্ষে মৃত পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনের নেতৃত্বে তৃণমূলে প্রতিনিধি দল। সকালে বারাণসী বিমান বন্দরে নামার সাথে সাথেই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে সেখানেই আটকে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পরে বারাণসী বিমান বন্দর থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। তিনি জানান, ওপরতলার নির্দেশ মেনেই এহেন কাজ করেছে উত্তর প্রদেশের পুলিশ আধিকারিক।
ডেরেক অভিযোগ করে জানান, আমরা সোনভদ্রে নিহত পরিবারের সাথে দেখা করে, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে যাচ্ছিলাম। তাঁদের সবরকম সাহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম আমরা। কিন্তু যোগীর নির্দেশে আমাদের সেখানে যাওয়া তো দূরের কথা, আমাদের বিমান বন্দর থেকেই বের হতে দেয়নি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ডেরেক এবং তৃণমূল এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন।
কিন্তু ওনার ক্ষোভ উগড়ে দেওয়া কি আদৌ যুক্তিযত? কারণ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এইরকম আচরণ তো মমতা ব্যানার্জীর থেকেই শেখা। কারণ লোকসভা ভোটের তারিখ ঘোষণার আগে এরাজ্যে যোগী আদিত্যনাথের পরপর তিনটি সভা আটকে দিয়েছিল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। যোগ আদিত্যনাথের হেলিকপ্টার পর্যন্ত নামতে দেওয়া হয়েছিল না এরাজ্যে, এমনকি বালুরঘাটে যোগী আদিত্যনাথের সভার মাঠে রাতারাতি জল ছেড়ে মাথ ডুবিয়ে দিয়ে সভা পণ্ড করা হয়েছিল তৃণমূলের পক্ষ থেকে।
শুধু যোগী কেন? রামনবমীর দিনে আসানসোলে দাঙ্গা ছড়ানোর পর, এরাজ্যের বিজেপি প্রতিনিধিদের সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কেও আসানসোলে ঢুকতে বাধা দিয়েছিল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। তাহলে আজ মমতা ব্যানার্জীর দলের নেতারা অন্য রাজ্যের ঘটনায় কেন নাক গলাচ্ছে?
লোকসভা ভোটের পর বসিরহাট লোকসভা অন্তর্গত সন্দেশখালিতে শুধুমাত্র পতাকা লাগানো কে কেন্দ্র করে বিজেপির পাঁচ কর্মীকে গুলি করে খুন করেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনকি ওই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান এর বিরুদ্ধে মুখ খোলেনি তৃণমূল নেতৃত্ব। তখন ডেরেক ওব্রায়েনের নেতৃত্বে কোন প্রতিনিধি দলই সন্দেশখালিতে নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো অথবা দেখা করার জন্য যায়নি।
শুধু তাই নয়, সন্দেশখালি কাণ্ডে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে মৃত বিজেপি কর্মীদের দেহ কলকাতায় নিয়ে আসার সময় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গাড়ি আটকে দিয়েছিল প্রশাসন। এছাড়াও এরাজ্যে তৃণমূল বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রাও হতে দেয়নি। নিজের রাজ্যেই যখন বিরোধী দলকে এরকম ভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়, তখন অন্য রাজ্যে গিয়ে তৃণমূলের এহেন মাতব্বরি কি তৃণমূল বিরোধী দল সহ্য করবে?
Latest Bengali News

MYINDIANEWS

গান্ধী- নেহেরু জুটি নিজেরদের স্বার্থে লুকিয়েছে নেতাজিকে জুড়ে থাকা রহস্য! এবার খোলা হোক নেতাজির অন্তর্ধানের ৭৭ টি ফাইল।

এবার ‘দেশনায়ক সুভাষ জাগরণ মঞ্চ” পরিকল্পনা নিয়েছিল যে, দেশের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে নেতাজির ইতিহাস তুলে ধরে সকলের মধ্যে নেতাজি প্রেমকে আরও প্রকোট করে তোলার। তারা দাবি করেন যে, ১৯৪৫ সালে যে প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর দাবি করা হয় সেটা আসলে পুরোটাই সাজানো ঘটনা। সেইরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি, তখন নেতাজি বেঁচে ছিলেন। তারা আরও দাবি করেন যে, নেতাজির আপ্রান লড়াই করার জন্যই ভারতবর্ষতে স্বাধীনতা এসেছে।‘দেশনায়ক সুভাষ জাগরণ মঞ্চ’ এবার সোচ্চার হয়েছেন এই দাবি নিয়ে যে, নেতাজির অন্তর্ধানের যে ৭৭ টি ফাইল এখনও খোলা হয় নি সেই গুলি যেন অতিশীঘ্রয় খোলা হয়। তারা ১৮ অগাস্ট পথে নেমেছিলেন কারন সেই দিনই ১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটে। নেতাজির মতো সাধারন মানুষ কেও জাতীয়তাবাদী মনস্ক করে তোলার লক্ষ্যে তারা এবার সারা রাজ্যব্যাপী পথে নামবেন। Ebela অনুযায়ী !
নেতাজি তার নিজের হাতে তৈরী করা আজাদ হিন্দ ফৌজ কে সাথে নিয়ে লড়াই করে আমাদের দেশে প্রথম স্বাধীন সরকার গঠন করেছিলেন। নেতাজির তৈরী সেই আজাদ হিন্দ ফৌজ এখন আর নেই। কিন্তু রয়ে গিয়েছে তাঁর সেই আদর্শ, যেটা এখন ভারতবর্ষের বুকে উজ্জ্বলিত হয়ে রয়েছে। আর নেতাজির সেই আদর্শকে সারা দেশের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতেই বদ্ধপরিকর হয়ে উঠেছেন “দেশনায়ক সুভাষ জাগরণ মঞ্চ”।

কুণাল বসু যিনি প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক তিনি বলেন যে, ফাইল প্রকাশ করতে দেরি করছে কেন্দ্র সরকার। তাই এবার তারাই উদ্যোগ নিয়েছেন তারা সারা রাজ্য, দেশ ভ্রমন করবেন। দেশের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে যাবেন। বিভিন্ন স্কুলকলেজ ঘুরে ঘুরে তারা মানুষকে নেতাজির কথা বলবেন। বলবেন নেতাজির সংগ্রামের কথা। দেশের জন্য নেতাজি কি কি করেছিলেন সেই সব নানান অজানা তথ্য তারা জানাবেন দেশের সাধারণ মানুষজনকে। দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলকে তিনি এই বিষয় নিয়ে তাদের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুধু এখানেই থেমে যান নি, কুণাল বসু আরও জানিয়েছেন, নেতাজী বেঁচেছিলেন তার প্রমান মিলেছে এখন অব্দি যেসমস্ত ফাইল প্রকাশ করা হয়েছে তার মধ্য দিয়ে। তিনি তৎকালীন কংগ্রেস দলের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থের উদ্দেশ্যে নেতাজির মত একজন দেশপ্রেমীকের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিল গান্ধী-নেহরু জুটি। এবং সবশেষে তিনি এটাই বলেন যে, একদিন সত্য সবার সামনে ঠিক উদঘাটিত হবে।
#অগ্নিপুত্র
Ebela

ব্রিটেনে কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হলো isi এর আতঙ্কবাদীদের। ভারত সরকারের তৎপরতায় ব্রিটেন পুলিশ নিল পদক্ষেপ।

যদি বাইরের থেকে কোনো ভাইরাস দেহের ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করে তাহলে সেটাকে প্রতিরোধ করা তেমন কোনো বড়ো ব্যাপার নয়। কিন্তু যদি দেহের ভেতরেই ক্যান্সারের মতো ব্যাধি থাকে তাহলে সেটার প্রতিরোধ করা খুব শক্ত ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আর এই ঘটনায় ঘটছে ভারতের সাথে। স্বাধীনতার পর থেকে যে কংগ্রেস পার্টি ভারতে এত বছর ধরে শাসন করেছে তারাই ভারতের জন্য ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের জানিয়ে দি, ব্রিটেনে কংগ্রেস পার্টি ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর দেশদ্রোহী গতিবিধি দেখা গেছে। যেখানে কংগ্রেস ওভারসিজ কার্যক্রমে আতঙ্কবাদীদের আমন্ত্রিত করা হয়েছিল ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য। ভারত সরকারের অভিযোগের পর ব্রিটেন পুলিশ আতঙ্কবাদীদের হেফাজতে নেয়। জানিয়ে দি, ISI জিহাদিদের শিখদের ছদ্মবেশে বিদেশে ভারতবিরোধী কার্যক্রম করায়।
খালিস্থানের যতজন সন্ত্রাবাদী আছে প্রত্যেকেই এক একটা জিহাদি যারা শিখের ছদ্মবেশে ভারতকে টুকরো টুকরো করার পরিকল্পনা চালায়। আর কংগ্রেস এই আতঙ্কবাদীদের নিজেরদের কার্যক্রমে আমন্ত্রণ করেছিল যেখানে ভারত বিরোধী গতিবিধি করার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল। আসলে কংগ্রেস মোদী সরকারকে চাপে ফেলতে ও ভারতকে আরো একবার টুকরো করতে খালিস্থান আতঙ্কিদের উৎসাহ প্রদানে নেমে পড়েছে আর এই কারণে কিছুদিন আগে কংগ্রেস নবজোৎ সিং সিদ্ধুকে পাকিস্থান পাঠিয়েছিল। এখন আবার ব্রিটেন নিজের কার্যক্রমে কংগ্রেস খালিস্থান আতঙ্কিদের আমন্ত্রিত করেছিল।

উদেশ্য ছিল ভারতের বিরুদ্ধে জোরদার ষড়যন্ত্র করা, খালিস্থান আতঙ্কিদের আরো সক্রিয় করা ও ভারত বিরোধী গতিবিধি চালানো। যেহেতু মোদী সরকার এখন দেশের সুরক্ষা নিয়ে খুবই তৎপর তাই সাথে সাথে ভারত সরকার ব্রিটেনকে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানায়। যারপর ব্রিটেন পুলিশ সন্ত্রাসীদের হেফাজতে নেয়। যখন ব্রিটেন পুলিশ এই আতঙ্কি সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল তখন এরা ‘কংগ্রেস পার্টি জিন্দাবাদ, হিন্দুস্থান মুর্দাবাদ’ বলে শ্লোগান দেয়। অর্থাৎ কংগ্রেস পার্টি যে সরাসরি ভারতকে ভাঙার জন্য ও ভারতে সন্ত্রাসবাদী গতিবিধি চালানোর জন্য কাজ করছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এখন এটা আমাদের সৌভাগ্য যে মোদী সরকারের মতো একটা মজবুত সরকার কেন্দ্রে থাকায় কড়াভাবে বিষয়গুলির উপর নজর রেখে ভারতীয়দের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করছে। প্রসঙ্গত , কংগ্রেস সেই পারি যারা ক্ষমতার লোভে ধর্মের জিন্নার সাথে মিলে নামে ভারত মাতাকে ভারত,পাকিস্থান এই দু ভাগে ভাগ করেছিল। শুধু এই নয় এর পরেও চুক্তি করে কাশ্মীরের কিছু অংশ পাকিস্থানকে দিয়ে দেয় যে এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত। আর কিছু অংশ চীনকে দান করে যা অক্সাই চীন নামে পরিচিত। আপনাদের জানিয়ে দি ব্রিটেনে কংগ্রেসের কার্যক্রমে আতঙ্কবাদীদের ডাকা হয়েছিল এই বিষয়ে মুখে লাগাম লাগিয়েছে দেশের দালাল মিডিয়া।
Anandabazar

বেরিয়ে এলো মোদী সরকারের দেওয়া চাকরির পরিসংখ্যান! দেখলে চোখ কপালে উঠবে বিরোধীদের।

২০১৪ সালে দেশের বিপুল পরিমান মানুষের সমর্থন পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে একজন দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বসেছিলেন মোদীজি। মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হবার আগে দেশের সাধারণ মানুষ কে কথা দিয়েছিলেনন যে তিনি প্রধানমন্ত্রী হবার পর দেশে অনেক কর্মসংস্থান করবেনন। তিনি তার কথা রাখেছেন। এমনটাই দাবি করেছেন এক নামি সংস্থা।সেন্ট্রাল স্যাটিক্সটিক অফিস তাদের একটা রিপোর্ট পেশ করেছেন। সেখানে তারা যথেষ্ট প্রমান সহকারে দাবি করেছেন যে, বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা হয়েছে মোদী সরকারের আমলে। তারা ২০১৮ সালের জুন মাস অব্দি হিসাব দিয়ে দাবি করেছেন যে, ১.২ কোটি কর্মসংস্থান করা হয়েছে মাত্র ১০ মাসের মধ্যে। এর ফলে মোদীজির হাতে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় অস্ত্র চলে এল বলেই দাবি করা হচ্ছে। সবথেকে বড়ো ব্যাপার এই যে বিরোধীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল মোদী আমলে মানুষের রোজকার নেই, UPA আমলের পর থেকে তেমন কোনো নতুন সরকারি বা বেসরকারি চাকরি হচ্ছে না। কিন্তু এখন যা পরিসংখ্যান বেরিয়ে এলো যা রীতিমত চাপে ফেলবে বিরোধীদের।

এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্সুরেন্স, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড ও ন্যাশানাল পেনশন স্কিমের দেওয়া তথ্য কে গুরুত্ব দিয়ে, সেই অনুসারে সিএসও এই পরিসংখ্যাটি তৈরি করেছে। সিএসও তাদের দেওয়া রিপোর্টে বলেছেন যে, এমপ্লয়িজ স্টেট ইনস্যুরেন্সে দেশ থেকে গত দশ মাসে নতুন ব্যাক্তি যোগ দিয়েছেন ১,১৯,৬৬,১২৬ সংখ্যক জন। তারা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ২০১৮ সালের জুন মাস অব্দি যে পরিসংখ্যা প্রকাশ করেছেন সেখানে বলা হয়েছে সবচেয়ে বেশি পরিমানে লোক যোগদান করেছেন এই বছর মে মাসে তাদের সংখ্যা ১৩,১৮,৩৯৫ জন।

অন্যদিকে, গত দশ মাসে ১,০৭,৫৪,৩৪৮ জন নতুন ব্যাক্তি পিএফ-এর আওতায় এসেছেন। সেই সাথে পেনশনের সুবিধা ছেড়ে দিয়েছেন ৬০,৪০,৬১৬ জন ব্যাক্তি । একইঙ্গে ৬,১০,৫৭৩ জন কে আনা হয়েছে ন্যাশনাল পেনশন স্কিমের আওতায়। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান বিচার করা হয়েছে। বিরোধীরা বরাবর কর্মসংস্থান ইস্যুকে কেন্দ্র করা মোদী সরকারকে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু এই পরিসংখ্যান বেরোনোর ফলে তাদেরকে যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। লক্ষণীয় বিষয় এই যে রোজগারের পরিসংখ্যান নিয়ে যে রিপোর্ট বের হয়েছে তা শুধু মাত্র সরকারি বা বেসরকারি ক্ষেত্রে যত মানুষ একটা নির্দিষ্ট বেতন পাপ্ত তাদের সংখ্যাকে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন কর্মসংগস্থানকে কেন্দ্র করে বহু গরিব মানুষ নিজেদের মতো করে যে রোজকার করার পদ্ধতি তৈরি করেছে অথবা মুদ্রা যজোনার আওতায় যে সংখক মানুষ রোজকার পেয়েছেন তাদের সংখ্যা এখানে ধরা হয়নি।

আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে নোটবন্দি, GST এর মত বড়ো পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথে কর্মসংগস্থান তৈরির জন্য মেক ইন ইন্ডিয়ার মতো প্রকল্প চালু করেছিল যার জন্য সরকার দেশের বহু লক্ষ কোটি টাকা বাঁচানোর সাথে সাথে দেশে কর্মসংগস্থান তৈরি করতে পেরেছে। জানলে অবাক হবেন আগে ভারত যেখানে ৮০% মোবাইল বাইরে থেকে আমদানি করতে সেখান থেকে মেক ইন ইন্ডিয়ার হাত ধরে উঠে এসে আজ ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় সবথেকে বড়ো মোবাইল উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

#অগ্নিপুত্র

The post বেরিয়ে এলো মোদী সরকারের দেওয়া চাকরির পরিসংখ্যান! দেখলে চোখ কপালে উঠবে বিরোধীদের। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2Nk0kXW
24 ghanta

মিশনারিদের সাথে মিলে গরিব হিন্দুদের ধর্ম পরিবর্তন করছে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার।

ভারতের হিন্দুরা এতটাই উদার মনের যে কে আসল হিন্দু আর কে নামধারী হিন্দু একটুকুও পর্যন্ত বোঝার ক্ষমতা হয়না। বার বার হিন্দু নামধারী ভণ্ডদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেশকে শেষ করার কাজ করেছে। কথাটা খারাপ লাগলেও এটাই সত্য, কারণ বার বার নামধারী হিন্দুদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নিজেরাই দেশের ৮ টি রাজ্যে সংখ্যালঘুতে পরিণত(অবশ্য এই রাজ্যগুলিতে সংখ্যালঘু হওয়ার প্রাপ সুবিধা পায় না হিন্দুরা) হয়েছে। কিছু রাজ্যে তো প্রায় সাফ হতে বসেছে নিজেদের উদারতার কারণে। এত বড়ো বড়ো ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরেও যে হিন্দুরা ভন্ডদের চিনতে পেরেছে তা কিন্তু নয়। এই কারণে ১৯৯২ সালে , টেরেসা সংস্থা দ্বারা ধর্মান্তরিত হওয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দেশের রাজধানী দিল্লির ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছে। কেজরিওয়াল যিনি টেরেসার মিশনারীতে ৬ মাস কাজও করেছেন তার আসল রূপ ধরতে পারেনি দিল্লীবাসী। কেজরিওয়ালও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নিজের কাজ করতে শুরু করে দেয়। Ebela অনুযায়ী !
দিল্লিতে কেজরিওয়াল মিশনারিগুলির সাথে মিলে গরিব হিন্দুদের ও বিশেষ করে দলিতদের ধর্মপরিবর্তন করার খেলায় নেমে পড়েছে।কেজরিওয়াল ও উনার মন্ত্রী সিশোধিয়া মিশনারিদের সাথে একত্র হয়ে দিল্লির তালকাটরা স্টেডিয়ামে রামবাবু নামক ভন্ডের কার্যক্রম আয়োজন করেন। যার মাধ্যমে দিল্লির গরিব হিন্দুদের ধর্মান্তরণ করা যেত। কিন্তু বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র ও তেজেন্দ্র বাঘার মতো নেতারা এই কার্যক্রমকে আটকে দেন। এরপর কেজরিওয়াল হাইকোর্টের দারস্থ হন এবং মাইলর্ড এই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়ে দেন। গতকাল এই কার্যক্রম দিল্লির তালকাটোরা স্টেডিয়ামে সম্পন্ন হয়।

কপিল মিশ্র ও তার সহযোগীরা এর বিরোধিতায় ধর্ণায় বসলে কেজরিওয়াল সরকার পুলিশ নামিয়ে দেয়। পুলিশ কপিল মিশ্র ও বাকি বিজেপি নেতাদের হেফাজতে নিয়ে নেয়। কেজরিওয়াল দিল্লির পরিবর্তন করবে বলে ক্ষমতায় এসেছিলেন কিন্তু এখন গরিব হিন্দুদের অন্ধবিশ্বাসের মধ্যে ফেলে ধৰ্মপরিবর্তন করার জন্য নেমে পড়েছেন যেখানে ডেপুটি চিফ মিনিষ্টার পর্যন্ত উপস্থিত থাকছেন। রাজধানী দিল্লিতে এইভাবে খোলাখুলি হিন্দুদের ধর্মপরিবর্তনের কাজ করছে মিশনারি ও কেজরিওয়াল সরকার।

আর যারা প্রতিবাদ করছে তাদেরকে নেওয়া হচ্ছে পুলিশ হেফাজতে। ফ্যামিলি অফ লর্ড যীশুশু নামে এক সংস্থা এই অনুষ্ঠান করিয়েছিল যেখানে রামবাবু ছিলেন মুখ্য অথিতি। প্রসঙ্গত, রামবাবু একজন খ্রিস্টান ধর্মগুরু যিনি নিজের ওয়েবসাইটে দাবি করেন যে প্রত্যেক বছর ১০ লক্ষ হিন্দুকে ধর্মান্তরণের কাজ আমরা করি। জানিয়ে দি, দিল্লির অনুষ্ঠানের টিকিট এই বলে বিলি করা হয়েছিল যে “অন্ধ দেখতে পাবেন, খোঁড়া চলতে পারবে, বোবা বলতে পারবে ।” অর্থাৎ পুরোটাই গরিব হিন্দুদেরকে কুসংস্কারের দিকে টেনে এনে যেনতেন প্রকারে ব্রেইনওয়াশ করে ধর্মপরিবর্তন করার একটা চাল মাত্র।
The post মিশনারিদের সাথে মিলে গরিব হিন্দুদের ধর্ম পরিবর্তন করছে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PE6vYj
24 ghanta

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রাখি পাঠিয়ে কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে দিলেন বারাণসীর মুসলিম মহিলারা।

বিগত কয়েক বছরের মত বারাণসীর মুসলিম উইমেন ফেডারেশনের (এমডব্লুএফ) সদস্যরা এই বছরও মোদীজিকে রাখি পরাবার জন্য রাখি তৈরি করেছেন। অন্য বছর গুলির মত এই বছরও তাদের অন্যথা হয় নি। নাজিমা আনসারি যিনি সেই সংস্থার একজন দায়িত্বশীল সদস্য তিনি জানান যে, মোদীজির মত একজন দেশপ্রেমিক নেতাকে তারা সেই সংস্থার তরফ থেকে বড়ো ভাই হিসাবে গন্য করেন। তাই রাখিবন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে তারা মোদীজির জন্য রাখি তৈরি করেছেন। এবং সেই রাখি তারা মোদীজির কাছে পাঠিয়ে দেবেন বলেও জানান।

সংস্থার সদস্য নাজিমা বলেন যে, মোদীজি আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একজন ব্যাক্তিত্ব। মোদীজি কে প্রথমবারের জন্য আমাদের সংস্থার তরফে রাখি পাঠানো হয় ২০১৩ সালে, তারপর মোদীজি দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেশের জন্য মোদীজির কাজ করা দেখে তাদের সংস্থা আফ্লুত। তাই এবারও প্রধানমন্ত্রীকে রাখি পাঠানো হয়েছে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে। কারন মোদীজি বিপদের সময় আমদের বড়ো ভাই হিসাবে আমাদের রক্ষা করবেন। আমাদের নিজের দিদি বোন মনে করে সাহায্য করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও দেশের সকল দিদি-বোনদের পাশে মোদীজি ভাই এর মতন থাকেন।

নাজিমার সুরেই বারানসির সংস্থার আরেক সদস্য শাবানা ফতিমা বলেন যে, আমাদের নিজেদের সমাজে যেভাবে আমাদের অত্যাচারিত হতে হয়। অনেক কষ্ট সহ্য করে জীবনের সাথে সংগ্রাম করতে হয়। সেই সব খারাপ সপ্ন গুলিকে জীবন থেকে চিরতরে মুছে দিতেই আমাদের সাহায্য লাগবে মোদীজির। এছাড়াও তিনি আরও দাবি করেন যে, তিন তালাকের মত বিভিন্ন অত্যাচারী বিষয় থেকে আমাদের রক্ষা করার একমাত্র উপায় হল মোদীজি। তিনি একমাত্র পারবেন আমাদের সেই সমস্তপ্রকার অত্যাচারী নিয়ম থেকে মুক্তি দিতে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বারাণসীর মুসলিম মহিলারা তুষ্টিকরনের মতো ব্যাপার থেকে উপরে উঠে রক্ষাহেতু ধন্যবাদ জানিয়েছে। সুন্দর পাথর বসানো ও মোদীজির ছবি বসানো রাখি নিজের হাতে তৈরি করে কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে। আপনাদের জানিয়ে দি রাখির সাথে মহিলারা চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সমাজের ত্রুটি দূর করার জন্য কড়া সিধান্ত নিতে ও মহিলাদের পাশে এইভাবে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।বারাণসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সংসদীয় এলাকা আর সেই এলাকার মুসলিম মহিলারা বিশ্বাস, সৎভাবনা ও দেশভক্তির ছবি ফুটিয়ে তুলেছে।

 

#অগ্নিপুত্র

The post প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রাখি পাঠিয়ে কট্টরপন্থীদের মুখে ঝামা ঘষে দিলেন বারাণসীর মুসলিম মহিলারা। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PBVXc9
24 ghanta

আতঙ্কবাদীদের অস্ত্র জোগান দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের এই নেতাকে কে গ্রেপ্তার করলো ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।

জৈন মুনি তরুণ সাগর একবার বলেছিলেন, পাকিস্থানে যত না আতঙ্কবাদী আছে তার থেকে বেশি বিশ্বাসঘাতক ভারতে রয়েছে। আসলে জৈন মুনিজির এই বক্তব্য দেশে সঠিকভাবেই খাপ খায়। আসলে ভারতের ইতিহাস সাক্ষী আছে যে ভারতীয়দের সাথে টক্কর নিতে বিদেশিরা কোনো দিনই পারেনি। শুধু মাত্র দেশের ভেতরে থাকা দেশদ্রোহীদের জন্যেই ভারতকে পরাধীন হতে হয়েছে। আর সেই ইতিহাসকে এখনো ধরে রেখেছে দেশের কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা। এখন যখন মোদীযুগে ভারত তরতর করে নিজেদের আর্থিক বৃদ্ধি করছে, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে, সুরক্ষা ব্যাবস্থা কঠোর করে রাখার জন্য দেশের ভেতরে বিগত ৪ বছরে মুম্বাই হামলার মতো কোনো আতঙ্কবাদী হামলা হয়নি। তখন দেশের ভেতরে থাকা কিছু বিশ্বাসঘাতক দেশকে সন্ত্রাসবাদীদের কব্জায় ফেলে দিতে চাইছে।
আপনাদের জানিয়ে দি, কংগ্রেস MLA ইয়ামতুং হাওকিপকে NIA গ্রেপ্তার করেছে। সন্ত্রাসবাদীদের হাতিয়ার জোগান দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি কংগ্রেসি কংগ্রেসি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। ইয়ামতুং হাওকিপকে মনিপুরের কংগ্রেস MLA যিনি ৫৬ বন্ধুক ও এর থেকেও বেশি কিছু ম্যাগাজিন আতংকবাদীদের সাপ্লাই করার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে। মনিপুরে কংগ্রেস সরকার থাকাকালীনও উনি বিধায়ক পদে ছিলেন। সেই সময়েয় ইনি সরকারি অস্ত্রাগার থেকে ৫৬ এর বেশি বন্ধুক উধাও করে আতংকবাদীদের সরবরাহ করে দেন। এখন মনিপুরে বিজেপি আসার পর জানা যায় যে অস্ত্রভান্ডার থেকে ৫৬ টি বন্ধুক উধাও করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর মোদী সরকার এই বিষয়ে NIA তদন্ত শুরু করায়। টানা তদন্তের পর NIA এই কংগ্রেসি নেতাকে গতকাল গ্রেপ্তার করে। ইম্ফল আদালতে কংগ্রেসি নেতাকে পেশ করার পর আদালত ইয়ামতুং হাওকিপকে হেফাজতে দেয়।কংগ্রেসের এই নেতা আতঙ্কবাদীদের অস্ত্র সরবরাহ করছিল আর এই সন্ত্রাসবাদীরা এই হাতিয়ার ব্যাবহার করে মনিপুর ও অন্যান্য রাজ্যে নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার সাথে সাথে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছিল।

এখন বিধায়কের গ্রেপ্তার হওয়ার পর আর কিছু বড়ো পর্দাফাঁসের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এবার আরো বড়ো বড়ো কংগ্রেসি নেতাদের মাথা সামনে আসবে যারা সন্ত্রাসবাদীদের সাথে লিপ্ত রয়েছে। কংগ্রেস নেতারকে আরো একবার প্রমাণ করে দিলো যে ভারতের জন্য চীন বা পাকিস্থান তত বড়ো শত্রু নয় যতটা কংগ্রেসের এই নেতার।
The post আতঙ্কবাদীদের অস্ত্র জোগান দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের এই নেতাকে কে গ্রেপ্তার করলো ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। appeared first on India Rag.

from India Rag https://ift.tt/2PF7O9F
24 ghanta

UAE এর ৭০০ কোটি টাকা অনুদানের গুজব কারা রটিয়ে ছিল? বেরিয়ে এলো মিথ্যাপ্রচারকারীদের নাম।

‘কোনো জিনিস নেই অথচ সেই জিনিসের উপর দাবি দেখবার জন্য লড়াই লেগে যাওয়া’- ঠিক এমনটাই ঘটেছে বিগত কয়েকদিনে ভারতে। বিষয়টি হচ্ছে কেরালার বন্যার জন্য গুজব রোটানো UAE এর ৭০০ কোটি টাকা অনুদান নিয়ে। আর এই টাকা নেবে না বলে জানায় কেন্দ্র সরকার কারণ ভারতের নীতির এটার অনুমতি দেয় না যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে বিদেশি সাহায্য নেওয়া হোক। কিন্তু এখন এটা সকলের কাছেই পরিষ্কার, যে টাকার জন্য রাজনৈতিক দল একে অপরের সংঘর্ষে নেমে পড়েছিল , যে টাকার জন্য বিরোধীরা নিজের দেশের সরকারকে নিচু দেখানোর কাজে লেগে পড়েছিল সেই টাকার পস্তাব আসলে কখনোই UAE দেয়নি। UAE সাফ জানিয়ে দেয়, আমরা সাহায্যের কথা বলেছিলাম কিন্তু ৭০০ কোটি টাকার পরসংখ্যান কোথায় থেকে এসেছে তা আমরা জানিনা। তাহলে প্রশ্ন উঠছে যে এই গুজব রোটালো কে? কোটি কোটি দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করে কেন্দ্র সরকারকে নিচু দেখানোর চেষ্টা করলো কে?

কেন্দ্র সরকারকে নিচু দেখানোর কথা উঠছে এই কারণেই কারণ দালাল মিডিয়াগুলি প্রকাশিত করেছিল যে UAE ভারত সরকারের থেকে বেশি টাকা কেরালাকে দান করলো। জানলে অবাক হবেন UAE ৭০০ কোটি টাকা অনুদান করবে এই গুজব সামনে আসতেই কেরালার বামপন্থী ও কট্টরপন্থীরা মিলে রাতারাতি পুরো কেরালা জুড়ে ‘ধন্যবাদ UAE’ বলে প্রচার করে বন্যার, পোষ্টার লাগিয়ে দেয়। চমকে দেওয়ার বিষয় এই যে, UAE থেকে ৭০০ কোটি টাকা অনুদানের কথা সর্বপ্রথম কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ান বলেন। উনার দপ্তরের তরফ থেকে ২১ আগস্ট এর রাতে ৯.৫৬ মিনিটে একটা প্রেস রিলিজ ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। যেখানে উনি UAE এর প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহানকে ধন্যবাদ জানান এই বলে যে প্রিন্স কেরালার বন্যার জন্য ৭০০ কোটি টাকার সাহায্যের ঘোষণা করেছেন।

এই প্রেসরিলিজ মুখ্যমন্ত্রী দপ্তরের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইটও করা হয়। ২২ আগস্ট UAE এর প্রিন্স এর তরফ থেকে একটা টুইট করেন। টুইটে প্রিন্স কেরলের রি সংকটে সাহায্যের ভরসা দেন কিন্তু সেখানে কোথাও লেখা ছিল না যে UAE কেরালার বন্যার জন্য ৭০০ কোটি টাকা অনুদান দেবে। প্রিন্স এটাও লিখেন যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে নিজের পস্তাব রেখেছেন। এরপর নরেন্দ্র মোদীর তরফেও প্রিন্সের টুইটের জবাবে ধণ্যবাদ জানানো হয় সেখানেও এটা উল্লেখ ছিল না যে UAE ৭০০ কোটি টাকা সাহায্যের ঘোষণা করেছে। কিন্তু এতক্ষনে বামপন্থী ও তথাকথিত সেকুলার দালালরা জোরতার করে প্রচার করে যে মোদী সরকারের থেকে UAE বেশি টাকা দিয়ে সাহায্য করছে।কেরালার সরকারি তরফ থেকে প্রচার শুরু হয় যে মোদী সরকারের থেকে UAE বেশি টাকা সাহায্য করছে।

এই চর্চা আরো বেড়ে যায় যখন ভারত UAE থেকে কোনো আর্থিক সাহায্য না নেওয়ার কথা জানায় এবং বামপন্থীরা অভিযোগ করে যে মোদী সরকার অনুদান না নিয়ে কেরালার সাথে ভেদাভেদ করছে। অবশ্য ভারত সরকার কোথাও কোনোভাবেই ৭০০ কোটির উল্লেখ করেনি। সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে বর্তমান যুগে মানুষ খবরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গুগলের সাহায্য নেয়। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতি বিষয়ে গুগলের উপর সবথেকে বেশি দাপট বামপন্থী ও কংগ্রেসিদের যার কারণে গুগল খুললে সার্চ করলেও গুজব খবর সামনে আসতে শুরু করে। গুজব পৌঁছে যায় চরম স্তরে কিন্তু কথায় আছে সত্যের জয় নিশ্চিত , আর তাই শেষমেষ বেরিয়ে আসে আসল সত্য। ভারতে থাকা UAE এর রাজদূত জানাই যে আমরা কেরলবাসীর এই সংকটে পাশে আছি, কিন্তু ৭০০ কোটি টাকার পরিসংখ্যান কোথায় থেকে এসেছে তা আমাদের জানা নেই। লজ্জায় বিষয় এই , যে টাকার ঘোষণাই কোনোদিন হয়নি সেই পরিসংখ্যান নিয়ে বামপন্থী,কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দল ও কিছু দালাল মিডিয়া নিজের দেশের সরকার ও দেশকে বিশ্বের সামনে ছোট দেখাতে লেগে পড়ে। এখন প্রশ্ন উঠছে কেরল সরকার, কংগ্রেস ও দালাল মিডিয়া কোটি কোটি মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য কি ক্ষমা চাইবে?কেরালার এই বিধ্বংসী বন্যাকে হাসি মজায় পরিণত করে মোদী সরকারকে ছোট দেখানোর মিথ্যা প্রয়াসের জন্য কি এরা লজ্জিত?
Ei Samay
Design a site like this with WordPress.com
Get started