ভারত বিশ্বের সবথেকে বিপদজ্জনক দেশ, থাকার অযোগ্য: জাভেদ জাফরি, বলিউড অভিনেতা

দেশের বিরুদ্ধে বলার কারণে বলিউডের তারকারা বহুবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। কখনো ভারত দেশকে অসহিষ্ণু বলা আবার কখনো ভারতকে বাঁচার অযোগ্য বলা ইত্যাদি নান রকম মন্তব্য সামনে আসতেই থাকে। এখন আরো একবার অভিনেতা জাভেদ জাফরি (Javed Jaffrey)বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। জাভেদ জাফরি বলেছেন, ভারত (India) বিশ্বের সবথেকে বিপজ্জনক দেশ। জাভেদ জাফরি পাকিস্তানের একটি ওয়েবসাইট অবলম্বন করে দেশকে কুখ্যাত করার চেষ্টা করেছেন। যা নিয়ে বেশ বড়ো বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। জাভেদ জাফরি তথ্য যাচাই না করেই ভারতকে সবথেকে বিপজ্জনক দেশ বলে দাবি করেছিলেন।

পাকিস্তানের এক ওয়েবসাইট News BOX এর খবর শেয়ার করে জাভেদ জাফরি ভারতকে বিপদজনক দেশ হিসেবে দাবি করেছিলেন। যার পরেই দেশের মানুষ টুইটের প্রতিক্রিয়ায় জবাব দিতে শুরু করেন। সকলে উনাকে তথ্য যাচাইয়ের জন্য বলেন। তৎপর জাভেদ জাফরি নিজের ভুল বুঝতে পারেন। পাকিস্তানের ওয়েবসাইট যে ভারতের নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে তা বোঝা মাত্র জাভেদ জাফরি নিজের টুইট ডিলেট করেন।
একই সাথে উনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে নেন।The Spectator Index কে অবলম্বন করে পাকিস্তানের ওয়েবসাইট তাদের দাবি করেছিল। The Spectator Index মূলত ভিন্ন ভিন্ন পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে। পাকিস্তানের ওয়েবসাইটটি ভুয়ো তথ্যের ভিত্তিতে ভারতের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেছিল।

The Spectator Index তাদের রিপোর্টে ভারতকে ৫ নাম্বার স্থানে রেখেছিল। কিন্তু পাকিস্তানের ওয়েবসাইট লিখেছিল যে ভারত বিশ্বের সবথেকে বিপজ্জনক দেশ। ওয়েবসাইটের খবর জাভেদ জাফরি ​​তার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করে একটা ক্যাপশনও দেন। যার পর বিতর্ক বেড়ে যায় এবং জাভেদ নিজের তথ্য যাচাই করেন। তথ্য যাচাই এর পর উনি টুইট ডিলেট করে দেন এবং ক্ষমা চেয়ে নেন। তবে এখনও এই বিষয়ে বিতর্ক থামার নাম নিচ্ছে না, এখনও অনেকে জাভেদ জাফরিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারত বিরোধী প্রচারের জন্য তুলধোনা করছেন।

from India Rag https://ift.tt/2sYWSwZ

করোনা ভাইরাসের কারণে হাহাকার পরিস্থিতি চীনে! মৃত ৪০ এরও বেশি, আক্রান্ত ১২৮৭ জন, এক ভারতীয়ও আক্রান্ত

চীনের (China) মধ্যে হাহাকার পরিস্থিতি উৎপন্ন হয়েছে, কারণ করোনা (Coronavirus) নামের ভাইরাস। প্রায় ৪১ জন মানুষ এই ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখনও অবধি চীনে ১২৮৭ জন মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। আসল পরিসংখ্যান আরো বেশি হতে পারে বলে অনেকে মত প্রকাশ করছে। এই ভাইরাসের আতঙ্কের কারনে প্রায় ৪২ মিলিয়ন বা সাড়ে ৪ কোটি মানুষকে নজদারিতে রাখা হয়েছে বলে খবর সামনে আসছে। করোনা ভাইরাস চীন থেকে শুরু করে পুরো বিশ্বে যেভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে, তা অত্যন্ত ভয়ানক বলে মনে করা হচ্ছে।

ভয়ঙ্করতম বিষয় এই যে, চীনের ১৬ টি শহরকে সম্পূর্ন লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ১৬ টি শহরে বিমান, ট্রেন চলাচল একেবারে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। ১৬ টি শহরের অভ্যন্তরীণ অবস্থায় মোটেই ভালো নেই। যোগাযোগ ব্যাবস্থা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকায় মানুষজন প্রায় বন্দির মতো স্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
অবস্থা এতটাই ভয়ানক যে, চীনের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল কম পড়ছে। মানুষজনের আতঙ্ক পুরো চীনবাসীকে কাঁদিয়ে ফেলেছে। এমন এমারর্জেন্সী পরিস্থিতিতে চীন মাত্র ৬ দিনের মধ্যে একটা বড়ো হাসপাতালে গড়ার সিধান্ত নিয়েছে। মাত্র ৬ দিনের মধ্যে ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল গড়ার সিধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও পাকিস্তান অবধি এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতে এখনও অবধি এই ভাইরাস প্রবেশ করেনি।Bengali তবে খবর ছড়িয়েছে যে, চীনে থাকা এক ভারতীয় এই ভাইরাসে আক্রান্ত। যদিও কোনো ভারতীয় চীনে আক্রান্ত কিনা সেই বিষয়ে আমরা সত্যতা যাচাই করতে সক্ষম হয়নি। পাকিস্তান ও নেপালে ১ জন ১ জন করে ব্যাক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। চীন থেকে যারা ভারতে ফিরছে তাদেরকে বিমান বন্দরে স্পেশাল চেকিং করা হচ্ছে। যাতে ভাইরাসের দ্বারা পুরো দেশ আক্রান্ত না হয়ে পড়ে। এই ভাইরাসের সবথেকে ভয়াবহ বিষয় এই যে, ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তি থেকে প্রায় ৩, ৪ জন করে ব্যাক্তি আক্রান্ত হতে পারে।

from India Rag https://ift.tt/2NXOTYo

পশ্চিমবঙ্গ ও কাশ্মীরের নিয়ে বিশেষ মাস্টারপ্ল্যান করছে মোদী সরকার! কাশ্মীরের জন্য ৮০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের ঘোষণা কেন্দ্রের

বাংলা (West Bengal) ও কাশ্মীর (Kashmir) নিয়ে কেন্দ্রের মোদী সরকার একটা বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে তার আভাস অনেক আগেই থেকেই মিলেছে। কারণ কাশ্মীর ও বাংলা এমন দুটি স্থান যা ভারতের অর্থনীতিকে দ্রুতগতিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। তার জন্য অবশ্য সঠিক পরিকল্পনা ও নীতির প্রয়োজন রয়েছে। এক সময় অখন্ড ভারতের হৃদয়স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল বঙ্গদেশ তথা বঙ্গভূমি। অন্যদিকে কাশ্মীর পৃথিবীর ভুসর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কালচারের দিক থেকে পুরো ভারতকে নেতৃত্ব দিত এই বঙ্গভূমি। পুরো ইউরোপের সম্পত্তিকে ৪ গুন করলে বঙ্গের এক প্রান্তের সম্পত্তির সমানে আসতো না। এই কারণেই ইংরেজরা বঙ্গভুমিকে পরিকল্পনা মাফিক খণ্ড খন্ড করে দিয়েছে। এখন ভারতে পড়ে রয়েছে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ, অবশ্য এই ভুমিকে কাজ লাগাতে পারলে দেশ অনেক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবে।

যদিও বাংলাকে নিয়ে সরকারের কি পরিকল্পনা বা সরকার কিভাবে কাজ শুরু করবে তা নিয়ে কোনো রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক ভাষণে বলেছিলেন যে পূর্ব ভারতের ইঞ্জিন হিসেবে উনি পশ্চিমবঙ্গকে তৈরি করার স্বপ্ন দেখেন। অন্যদিকে কাশ্মীর থেকে ধারা ৩৭০ অপসারণের পর কেন্দ্র সরকার তার কাজ শুরু করে দিয়েছে। এমনকি POK পুনরুদ্ধারের জন্যেও জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাপক উন্নয়ন প্রয়োজন রয়েছে। কেন্দ্রের বেশকিছু মন্ত্রী এর উপরে আগেই বিবৃতি প্রকাশ করেছিলেন।ভারতের মধ্যে থাকা কাশ্মীরকে উন্নয়নের শিঘরে পৌঁছে দিলে POK এর জনভাবনা ভারতের পক্ষে নিয়ে আসা খুবই সহজ হবে।
মোদী সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ৮০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। বুধবার কাশ্মীরে উন্নয়ন সম্পর্কিত কাজের জন্য প্যাকেজটি সরকার অনুমোদন দিয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এই তথ্য দিয়েছে।

কাশ্মীরকে তারা আসল রূপ ফিরিয়ে দিতে কেন্দ্র সরকার বেশকিছু প্রয়াস চালাচ্ছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নির্দেশ মেনে বেশকিছু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কাশ্মীরের সফরে রওনা দিয়েছিলেন। ৩৭০ অপসারণের পর সেখানে সামগ্রীক পরিস্থিতির উপর রিপোর্ট তৈরি করতে ও বেশকিছু প্রকল্পের উপর সমীক্ষা করতে এই টিম পৌঁছেছিল।

from India Rag Bengali : Bengali News, Bangla News, latest bengali news, Bangla Khobor, Bangla, বাংলা খবর https://ift.tt/2GjJk26

from India Rag https://ift.tt/2NZialq

মোদী সরকার আমার স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে, আমাকে হেনস্থা করা হচ্ছে: ইলতাজা মুফতি, মেহেবুবা মুফতির কন্যা

পিডিপি প্রমুখ এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির (Mehbooba Mufti)কন্যা ইলতিজা মুফতি SSG ( Special Service Group)এর উপর হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। ইলতিজা বলেছেন যে আমার মতো মেয়েদের প্রতি নজর রাখার পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে এর সংস্থান ব্যবহার করা। তাতে করদাতাদের অর্থের ভাল ব্যবহার করবে।
ইলতিজা অভিযোগ করেছেন যে এসএসজি, আইবি এবং সিআইডির মতো সংস্থা তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে। ইলতিজা তার টুইটে বলেছিলেন যে এসএসজি আমাকে হেনস্থা ও অবৈধভাবে আটক করার পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট করেছিল। আমাকে এইভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

সুরক্ষার নামে আমার স্বাধীনতা চূর্ণ করা যায় না। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া জে কে পুলিশের ডিএসপি উদাহরণ দিয়ে ইলতিজা বলেছিলেন যে আমি এই লোকদের ছাড়া নিরাপদে আছি। এর আগেও ইলতাজা তার মাকে গৃহবন্দি করে রাখা নিয়ে প্রশ্নঃ তুলেছিলেন।
প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, মেহেবুবা মুফতির মেয়ে ইলতাজা মুফতি এখন তার মেয়ের টুইটার হ্যান্ডেল ব্যাবহার করেন। ইলতাজা তার মায়ের টুইটার একাউন্ট থেকে প্রায় সময় মোদী ও অমিত শাহের উপর আক্রমন করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নির্দেশে কেন্দ্র সরকারের একটা প্রতিনিধি দল কাশ্মীরে গিয়ে জনসাধারণের সাথে সাক্ষাৎ করেছে।

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নিতে এই টিম কাশ্মীরে পৌঁছে ছিল। তবে তাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মেহবুবা মুফতির কন্যা। অমিত শাহের এক মন্তব্যের উপরেও আক্রোশ প্রকাশ করেছেন মেহেবুবা মুফতির মেয়ে। আসলে অমিত শাহ সম্প্রতি বলেছেন NRC ও NPR এর মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই, জনসংখ্যা রেজিস্টার নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। ইলতাজা মুফতি বলেছেন এইভাবেই তো কাশ্মীরেও অস্বাসন দেওয়া হয়েছিল ৩৭০ অপসারণ না করার।

from India Rag Bengali : Bengali News, Bangla News, latest bengali news, Bangla Khobor, Bangla, বাংলা খবর https://ift.tt/3aJrK5q

from India Rag https://ift.tt/36m0SVW

অভিনেতা শক্তি কাপুর করলেন খোলাখুলি বিজেপির সমর্থন! দিল্লীর নির্বাচনে মনোজ তেওয়ারী পাশে দাঁড়ালেন শক্তি কাপুর

সম্প্রতি রাজনীতি ও বলিউড জগত এর একটা রেষারেষি শুরু হয়েছে। বলিউড জগৎ থেকে আক্রমন, সমালোচনা, প্রশংসার মতো প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক জগতের জন্য সামনে আসছে। Bangla News বিগত দুদিন ধরে নাসিরউদ্দিন ও অনুপম খেরের মধ্যে যে দ্বন্দ শুরু হয়েছে তাও রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে। আর এখন বলিউডের পুরানো ও বিখ্যাত অভিনেতা শক্তি কাপুর মাঠে নেমেছেন। পুরানো সময়ের বলিউড স্টার ও বিখ্যাত অভিনেতা শক্তি কাপুর দিল্লীর রাজনৈতিক আবহাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছেন। দিল্লীতে আম আদমি বনাম বিজেপির যে লড়াই শুরু হয়েছে তাতে শক্তি কাপুর বিজেপিকে সমর্থন জানিয়ে দিয়েছেন।

শক্তি কাপুর (Shakti Kapoor) খোলাখুলিভাবে বিজেপিকে সমর্থন জানিয়েছেন। দিল্লীর বিজেপি রাজ্য সভাপতি মনোজ তেওয়ারীকে নিয়েও উনি বিবৃতি দিয়েছেন। দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন রয়েছে। বিজেপি থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে হবেন তা এখনও পরিষ্কারভাবে জানানো হয়নি।
তবে শক্তি কাপুর ইঙ্গিতে তার বক্তব্যে জানিয়েছেন যে মনোজ তিওয়ারিও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। শক্তি কাপুর বলেছেন, ‘মনোজ তিওয়ারি একজন সৎ ব্যক্তি। তারা খুব পরিশ্রমী। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে কোনও শিল্পী যখন নিজের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে পর্দায় তারকা হয়ে উঠতে পারেন, তখন তিনি রাজনীতিতেও তারকা হতে পারেন। আমরা সবাই তাদের শ্রদ্ধা করি।

শক্তি কাপুর আরো বলেন, “মনোজ তেওয়ারী কখনো স্পেশাল ফেবার করেন না। যেটা সঠিক, যা সত্য সেই দিকেই তিনি ঝুঁকেন। উনি আমার বন্ধু তাই জন্য বলছি না। আমি নিজে উনার সাথে মিশে এটা অনুভব করেছি। লক্ষণীয় বিষয় হল, অভিনেত্রী শক্তি কাপুরকে দীর্ঘদিন পর ভোজপুরি ছবিতে দেখা যাবে। এই সিনেমা সংক্রান্ত এক প্রেস কনফারেন্সে শক্তি কাপুর এই মন্তব্য করেছেন।

from India Rag https://ift.tt/2uwyD9K

রাম-জন্মভূমির দর্শন করার পর তারিক ফতেহ বললেন, মুসলিম ইউনিভার্সিটি থেকে সরানো হোক জিন্নার ছবি

বিখ্যাত লেখক তারেক ফাতাহ (Tarek Fatah) বলেছেন, মুসলিম মহিলারা NRC, CAA এর বিরোধিতা করছে না। বরং মুসলিম মহিলাদের রাস্তায় বসিয়ে রেখেছেন তাদের স্বামীরা, দাবি তারেক ফাতাহের। উনি আরো বলেছেন, প্রথমে মুসলিম পুরুষরা মহিলাদের বোরখা থেকে বের করুক, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিক। ভগবান শ্রী রামের শহর অযোধ্যায় পৌঁছে তারেক ফাতাহ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হিয় একথা বলেন। Bangla Khobor সেখানে তিনি হনুমান গড়ি এবং রাম জন্ম্ভভূমিতে পূজা দেন ও সাধুদের সাথে সাক্ষাত করেন। এরপর সাংবাদিক মহলের মুখোমুখি হতেই কট্টরপন্থীদের উপর আক্রমন শুরু করেন।

তারিক ফতেহ বলেন যে মুসলিম মহিলারা এনআরসি এবং সিএএ-এর বিরোধিতা করছেন না। আসলে তাদের স্বামী তাদের প্রতিবাদে বসিয়েছে। উনি বলেন একদিকে পুরুষরা নিজেদের মা বোনকে বোরখায় বন্দি বানিয়ে রেখেছে অন্যদিকে শহীনবাগে এসে NRC/CAA এর বিরোধিতা করতে বলছে, এটা দ্বিচারিতা।
তারিক ফতেহ বলেন, বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা আসার ফলে মুসলিমরা মনে করছে যে তারা সংখ্যায় কম হয়ে যাবে।বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দুরা তাদের জনসংখ্যা কমিয়ে দেবে। হিন্দুরা বাড়লে আমাদের কী হবে? এইরকম একটা ভ্রান্তি ধারণা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

তারিক ফতেহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মের কি কাজ? কি কারণে বিশ্ববিদ্যালয় মুসলিমদের ৫০% সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। মুসলিম ইউনিভার্সিটিগুলি বন্ধ করার দাবিও তোলেন তারিক ফতেহ। উনি বলেন, প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিন্নার ছবি সরিয়ে নেওয়া হোক তবেই বুঝবো আপনারা দেশের কাজের। আপনার জিন্নার ছবি সরাতে দেন না, অন্যদিকে NRC/CAA এর বিরোধিতা করেন। রাম মন্দির প্রসঙ্গে মুখ খুলে তিনি বলেন, ভারতে তো মসজিদের অভাব নেই তাহলে কেন মুসলিমদের ৫ একর জমি দেওয়া হবে?

from India Rag https://ift.tt/37skJE5

৭২ বছরে $2 ট্রিলিয়ন , ৫ বছরে $3 ট্রিলিয়ন ইকোনমি: ভারতের অর্থব্যবস্থায় দুরন্ত গতি দিল মোদী সরকার

একদিকে ভারত (India) সহ পুরো বিশ্বের অর্থনীতি মন্দার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে এ বিষয়টিও লক্ষণীয় যে, গত পাঁচ বছরে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুত গতিতে বেড়েছে। ভারত মাত্র 5 বছরে 2 ট্রিলিয়ন ডলার থেকে 3 ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির হয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেছিলেন যে আগামী কয়েক বছরে ভারত 5 ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে সক্ষম হতে পারবে। লক্ষণীয় যে 2014 সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতা গ্রহণের সময়, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তির মধ্যে ভারত 11 তম স্থানে ছিল। আজ 5 বছর পরে, ভারত বিশ্বের ৫ তম বৃহত্তম অর্থনীতি।

ভারতীয় রাজদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। হর্ষবর্ধন বলেছিলেন যে এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃড় ইচ্ছা এবং ভারতের দৃড় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি চমৎকার যা গত কয়েক বছরে অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বড়ো সাফল্য এনে দিয়েছে।
1 ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হতে ভারতের 60 বছর সময় লেগেছে। পরবর্তী 12 বছরে দেশের 2 ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। এর পরে, ভারত একটি অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে মাত্র 5 বছরে 3 ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হয়ে বিশ্বকে অবাক করেছিল। ভারতীয় রাজদূত জানিয়েছিলেন যে এটি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৫ বছরের সময়কাল। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি পরের ৫ বছরে ২ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি বৃদ্ধি করার কথা বলেছেন।

 
Narendra Modi

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন বলেছিলেন যে শীঘ্রই এমন সময় আসবে যখন ভারত বিশ্বের বৃহত্তম মানব সংশাধন তালিকা যুক্ত হবে। মঙ্গল গ্রহে উপগ্রহ প্রেরণকারী ভারত বিশ্বের তৃতীয় দেশ। সবচেয়ে বড় কথা হ’ল এই মিশনে কর্মরত বিজ্ঞানীদের গড় বয়স মাত্র 29 বছর। এটি দেখায় যে ভারতের একই বিজ্ঞানীরা অভিজ্ঞ হওয়ার পর ভবিষ্যতে কি করার ক্ষমতা অর্জন করবে।

from India Rag https://ift.tt/2O3zPbI

সিএএ এর সমর্থনে র‍্যালিতে উপদ্রবিদের হামলা! আহত পুলিশ জওয়ান সমেত সাধারণ মানুষ

ঝাড়খণ্ডের লোহরদাগা (Lohardaga) জেলার নাগরিকতা সংশোধন আইন আর নাগরিকপঞ্জির সমর্থনে বৃহস্পতিবার একটি র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। Bangla Khobor বিশাল জুলুসে উপদ্রবিরা পাথরচ ছোঁড়ে! এরপর এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এরপর উপদ্রবিরা গাড়িতে ভাঙচুর চালায় আর আগুন লাগিয়ে দেয়, এরপর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ফায়ার ব্রিগেড ডাকে। উপদ্রবিদের পাথর ছোঁড়ার কারণে অনেক মানুষ আহত হন। পুলিশের অনেক জওয়ান এই ঘটনায় আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এরপর পুলিশ গোটা এলাকায় কারফিউ জারি করে, আর গোটা মামলার তদন্তে নামে।

পুলিশ জানায় যে, পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠান অনুযায়ী সিএএ আর এনআরসি সমর্থনে মানুষ র‍্যালি করছিল, আর সেই সময় অজ্ঞাত পরিচয় মানুষেরা লোহরদগা অমলাটোলি চৌকের পাশে তাঁদের উপর পাথর ছোঁড়ে। পুলিশ জানায়, এরপর উপদ্রবিরা আশেপাশের মোটর সাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ সুত্র থেকে জানা যায় যে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় আর উপদ্রবিরা দোকানে ভাঙচুর আর লুঠপাট চালায়। পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পুলিশ হাওয়ায় কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ার পর পাকর জেলার কমিশনার আকাঙ্খা রঞ্জন এবং পুলিশ ইনচার্জ অলোক পুরে পুলিশ দলের সাথে সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।

যদিও এই ঘটনায় কোন হতাহত হওয়ার কোন অফিসিয়ালি ঘোষণা হয়নি। পরিস্থিতিও উত্তেজক আছে বলে জানা যাচ্ছে, তবে এখন আগের থেকে অনেক নিয়ন্ত্রণে।

from India Rag https://ift.tt/36oVSzX

মেডিক্যাল ট্যুরিজমে ব্যাপকহারে উন্নতি করছে ভারত! এ বছর মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল পৌঁছে যাবে ৯ বিলিয়ন ডলারে

চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য ভারত দেশ প্রাচীনকাল থেকে বহু খ্যাতি অর্জন করেছে। Bangla Khobor আয়ুর্বেদিক, সার্জারি, প্লাস্টিক সার্জারির ক্ষেতে ভারতের তুলনায় কোনো দেশ দাঁড়াতে পারতো না। অবশ্য সেই সময় ভারত চিকিৎসা ও শিক্ষা এই দুটির জন্য কোনো অর্থ লাগতো না। বিগত কিছু দশকে পরাধীনতার কারণে ভারতের চিকিৎসা ব্যাবস্থা একেবারে তলানিতে পৌঁছে ছিল। তবে সম্ভবত এখন আরো একবার ভারত তার পুরানো পথে হাঁটার দিকে পা বাড়িয়েছে।

মেডিক্যাল ট্যুরিজমের দিক থেকে ভারতের জন্য একটা ভালো খবর সামনে আসছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ভারত মেডিকেল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে উন্নতি করছে। আসলে বিগত বেশিকিছু বছরে ভারত চিকিৎসা ক্ষেত্রের পরিকাঠামোর স্তর বাড়িয়ে তুলেছে। একই সাথে ভারতের স্বদেশী চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রচার জোরদার হয়েছে। যার ফল এখন হাতে নাতে পাওয়া যাচ্ছে। FICCI এর সম্প্রতি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত এই বছর মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল (MVT) মার্কেটে ৯ বিলিয়ন ডলার পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
আসলে কম খরচের মধ্যে ভারত চিকিৎসা ব্যবস্থায় যে পরিষেবা প্রদান করেছে তা পুরো বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। পরিষেবা ছাড়াও ভারতে আসার সুবিধা ও কম খরচের নানা সুবিধার জন্য মেডিকেল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে ভারতের উন্নতি চরম সীমায় পৌঁছেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যে পূর্ব, আফ্রিকা ও সার্ক দেশগুলি ভারতের চিকিৎসার উপর ব্যাপক হারে আগ্রহ দেখিয়েছে। যার কারণে এই সমস্থ দেশগুলি থেকে বহু সংখ্যায় মেডিকেল ট্যুরিজম ভারতে আসতে দেখা যাচ্ছে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ভারতের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক ভালো না হওয়া সত্ত্বেও সেখানে থেকে প্রচুর সংখ্যায় মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতে আসেন।

এমনকি আরেক প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ থেকেও বড়ো সংখ্যায় বিশ্বের মানুষজন মেডিক্যাল ক্ষেত্রে ভারতকে বিকল্প হিসেবে নেওয়ার বেশকিছু কারণকে বিশেষজ্ঞরা ধরেছেন। কম ওয়েটিং টাইমের মধ্যে চিকিৎসা, কমিউনিকেশন বাধা না হওয়া ( প্রায় সকল চিকিৎসক ইংরাজি জানেন) ও তৃতীয় সবথেকে বড়ো কারণ হলো আয়ুর্বেদ এর উপর মানুষের বৃদ্ধি পাওয়া আকর্ষন।

from India Rag https://ift.tt/2uxDR55

সাত সমুদ্র পার করে পোঁছাল মোদীর উজ্বলা যোজনা, বিদেশের সাথে চুক্তি করল বিশ্ব নেতা ভারত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের (Modi Sarkar) মহত্বকাঙ্খি উজ্বলা যোজনার (Ujjwala Yojana) আওয়াজ এবার আফ্রিকা মহাদেশের ঘানাতেও পৌঁছে গেছে। ঘানা নিজেদের ন্যশানাল এলপিজী প্রোমোশন পলিসিকে প্রভাবি ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতের প্রজুক্তির সাহায্য চেয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এটি নিয়ে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে।

এই চুক্তি অন্তর্গত ভারত ঘানাকে এলপিজির সাথে জড়িত নীতিকে বাস্তবায়িত কোর্টে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে। দিল্লীতে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আর ঘানার হাই কমিশনার মাইকেল এরানের উপস্থিতিতে ইন্ডিয়ান অয়েল ঘানার ন্যাশানাল পেট্রোলিয়াম অথরিটির সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
উল্লেখ্য, ঘানা দেখেছে যে ভারত উজ্বলা যোজনার মাধ্যমে একদিকে যেমন আর্থিক দিক থেকে কমজোর মানুষের কাছে দূষণ মুক্ত এলপিজি সিলেন্ডার উপলব্ধ করানোয় সফলতা অর্জন করেছে। আরেকদিকে, সামাজিক, আর্থিক এবং স্বাস্থের সাথে জড়িত অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। আর এই কারণেই আফ্রিকার দেশ পেট্রোলিয়াম এবং গ্যাস ভিত্তিক বৃহত এবং ঐতিহ্যবাহী অর্থনীতির পরিবর্তে, নতুন শক্তি নেতা ভারতের কাছে সহায়তা চেয়েছে।

বিগত কিছু সময়ে ভারত গ্রামীণ এলাকা গুলোতে উজ্বলা আর শহরের এলাকা গুলোতে সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের বিস্তার করে যেভাবে ক্লিন ফুয়েলের দিকে দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাঁর ফলে বিকাশশীল দেশ গুলোর সামনে ভারত এলপিজি আর পেট্রো টেকনোলোজির নতুন নেতা হয়ে উঠে এসেছে। আর এর ফল স্বরুপ ঘানার আগে রাশিয়ার মতো শক্তিধর দেশ গুলোতে পেট্রোলিয়াম সেক্টরে ভারতের তরফ থেকে করা বিনিয়োগ পরিকল্পনা গুলোকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

from India Rag https://ift.tt/38HoupG

Design a site like this with WordPress.com
Get started