দিনের পর দিন এক বিশেষ কায়দায় নিজের মেয়েকেই ধর্ষণ করত বাবা,কিভাবে শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

দেশে ধর্ষণ যেভাবে বাড়ছে এই কথা মাথায় রেখে প্রতিটি স্কুলেই এখুন ছাত্র ছাত্রীদের যৌন শোষণ সম্ভব্য বিষয় সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে

photo by google.com


কিন্তু এই প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের বাজঘড়া জেলার বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা এক ভয়ংকর সত্যর সামনে হলো।

প্রতিদিনের মতো সেদিনও ওই স্কুলের ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছিল। বছর ১২-এর এক কিশোরী যে সে প্রায় ৭ বছর ধরে ধর্ষিতা হচ্ছে। আর ধর্ষক অন্য কেউ না তার বাবা। বিষয়টি শিক্ষিকাকে জানানোর পরে তিনিও হতবাক হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল এবং ওই শিক্ষিকার ওই ছাত্রী তার বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে। বিষয়টি জানাজানি হতেই রীতিমতো অবাক সকলে।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানৌজ জেলার একটি গ্রামে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মোবাইল টাওয়ারে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করে বলে জানা গেছে। সে দীর্ঘদিন ধরেই তার নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করছে বলে অভিযোগ। তার মেয়ে বিষয়টি স্কুলে জানালে স্কুলের থেকে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ওই স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকেও বিষয়টি জানান। আপাতত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাই ওই কিশোরীর দেখভাল করছে বলে জানা গেছে।
ওই কিশোরী আরও জানায় তার যখন ৫ বছর বয়স তখন থেকেই তার বাবা তার ওপর যৌন অত্যচার করতো। সে প্রতিবাদ করায় তাকে মারধরও করা হত বলে সে জানিয়েছে। এমনকি তার মাও বিষয়টি জানত। শুধু সে একা নয় তার ছোট বোনকেও ধর্ষণ করত তার বাবা বলে সে জানিয়েছে। তার বাবার বিরুদ্ধে আইপিসি সেকশন ৩৭৬ এবং ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
[বি: দ্র:~ সুপ্রভাত.ইন ,বাংলাতে প্রকাশিক নতুন ব্লগ এ আপনাকে স্বাগত , আপনাদের প্রতি অনুরোধ আমাদের ব্লগ এ আপনার ইমেইল টি সাবস্ক্রাইব করুন পরবর্তী পোস্ট সর্বপ্রথম পেতে । আপনি Google Chrome ব্যবহারকারী হলে , লাল ঘন্টা বোতাম এ টিপে সাবস্ক্রাইব করে দিন। আমাদের পোস্ট গুলি ভালো লাগলে আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে অবশ্যই শেয়ার করুন ]

x

‘ব্লু হোয়েল’ খেলেই কি গলায় দড়ি পড়ুয়াদের



শুক্রবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয় একটি গাছ থেকে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখা যায়। দেহ উদ্ধারের পর শরীরে কাটা দাগ এবং অন্য সব তথ্য-প্রমাণে পুলিশের অনুমান শশী ‘ব্লু হোয়েল’ খেলে আত্মঘাতী হয়েছেন।১১টা নাগাদ শেষ বারের মতো বাড়িতে ফোন করেছিলেন শশী

তাঁর বাবা রাম বরি জানান, ছেলের কথায় কিছু টের পাননি তাঁরা। পরিবার এখনও মানতে পারছে না যে ছেলে আত্মঘাতী হয়েছে। পুলিশ অবশ্য ওই পড়ুয়ার ল্যাপটপ মোবাইল ঘেঁটে, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছে, অসমে থাকাকালীনই ‘নীল তিমি’র খপ্পরে পড়েছিলেন শশী।

আপনারাও যদি এই গেমের কোনো লিংক পান তাহলে দয়া করে share করবেন না

[বি: দ্র:~ সুপ্রভাত.ইন ,বাংলাতে প্রকাশিক নতুন ব্লগ এ আপনাকে স্বাগত , আপনাদের প্রতি অনুরোধ আমাদের ব্লগ এ আপনার ইমেইল টি সাবস্ক্রাইব করুন পরবর্তী পোস্ট সর্বপ্রথম পেতে । আপনি Google Chrome ব্যবহারকারী হলে , লাল ঘন্টা বোতাম এ টিপে সাবস্ক্রাইব করে দিন। আমাদের পোস্ট গুলি ভালো লাগলে আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে অবশ্যই শেয়ার করুন ]

নীল তিমি: মোবাইলে রাশ টানতে আবেদন,নীল তিমির আসক্তিতে পৃথিবীর প্রথম ৫০টি শহরের ৩৩টিই ভারতের।

ব্লুহোয়েল বা ‘নীল তিমি’ খেলার নেশা রুখতে স্কুলে ছাত্র ও শিক্ষকদের মোবাইল ব্যবহার বন্ধ রাখার পরামর্শ দিচ্ছে শিক্ষা দফতর। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্রোপাধ্যায় জানান, স্কুলে শিক্ষক এবং পড়ুয়ারা যাতে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ রাখেন, তার জন্য আবেদন করবেন।

যদিও শিক্ষামহলের একাংশ মনে করাচ্ছেন, স্কুল চত্বরে মোবাইলের ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্কুলে মোবাইল আটকে বা সার্বিক ভাবেই মোবাইলে রাশ টেনে জোর করে আসক্তি কমানো যাবে না বলেই তাঁদের মত। তাঁরা জোর দিচ্ছেন কাউন্সেলিংয়ে। পুলিশ প্রশাসনের তরফে সে কাজও শুরু হয়েছে। শিক্ষক-অভিভাবকদের সচেতন করা কাজও চলছে।এ দিনই বারাসতের একটি স্কুলে এই মারণ খেলার নেশা ছড়িয়েছে বলে খবর মিলেছে। গুগলের সমীক্ষা জানাচ্ছে, নীল তিমির আসক্তিতে পৃথিবীর প্রথম ৫০টি শহরের ৩৩টিই ভারতের।দেশের মধ্যে পয়লা নম্বরে কোচি। তার পরেই কলকাতা। এ ছাড়া এ রাজ্যের শিলিগুড়ি ও হাওড়াও রয়েছে প্রথম ৫০-এ।

ব্লু হোয়েল নিয়ে ছাত্রীদের মধ্যে আগ্রহের খবর শুনতে পেয়েছিলেন বারাসত গার্লস স্কুলের শিক্ষিকারা। এর পরেই ছাত্রীদের ওই নিয়ে একটি রচনা লিখতে দেন তাঁরা। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা পাপিয়া বসু জানান, কী ভাবে এই খেলা খেলতে হবে কয়েকটি মেয়ে নিখুঁত ভাবে তা লেখে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নবম শ্রেণির দু’টি মেয়ে ওই গেমে আসক্ত। বুধবার তাদের ডেকে দেখা যায়, হাত ব্লেডে চেরা।আতঙ্কিত শিক্ষিকারা স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি, বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায়কে সব জানান। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওই দুই ছাত্রী ও পরিবারকে বুধবার রাত পর্যন্ত কাউন্সেলিং করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার স্কুলে যান বিধাননগরের সাইবার ক্রাইম শাখায় অফিসারেরা। দেখা যায়, আরও কয়েক জন ওই খেলার প্রাথমিক পর্বে রয়েছে।  স্কুলশিক্ষা দফতরে সূত্রে খবর, ইউনিসেফ-এর পক্ষ থেকে শহরের মোট ৩০টি স্কুলে অনলাইন সতর্কতার পাঠ শেখানো হবে।

source-anandabazar ptrica
24 ghanta live news

বিনা অনুমতিতে ভাঙা হলো পুরানো হাসপাতাল ভবন, কাটা হলো গাছও

জামুরিয়া: কারও অনুমতির তোয়াক্কা না করেই ভেঙে ফেলা হয়েছে, জামুরিয়ার আখলপুরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরানো হাসপাতাল ভবনটি।শুধু তাই নয়,কাটা হয়েছে ওই চত্বরের একাধিক গাছও। এই ঘটনায় বিএমওএইচ কে শো-কজ করলেন এসডিও প্রলয় রাইচৌধুরী।আগামী ২৪ঘন্টার মধ্যে  বিডিও র কাছে  এসে এই বিষয়ে জবাবদিহি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাকে।অন্যদিকে বৃহস্পতিবার পৌরসভার বোর্ড মিটিং এ জামুরিয়ার সিপিএম কাউন্সিলার তাপস কবি এই বিষয়ে মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি র দৃষ্টিও আকর্ষণ করেন।মেয়র বলেন ‘এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তদন্ত করতে বলা হবে।’ যদিও আখলপুরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিএমওএইচ  অবিনাশ মুর্মুর ,’রোগী কল্যাণ সমিতির সিদ্ধান্ত মেনেই এই ওই পুরানো ভবন ভাঙা হয়েছে ও গাছ কাটা হয়েছে। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সাধন রায়  এনজিও কে এই গাছ কাটা করিয়েছেন।ওখানে  সাপ ছিল।বহু আগে দু তিনজন কে সাপে কামড়েছে।’
এই ঘটনার দায় অবশ্য নিজের ঘাড়ে নিতে নারাজ জামুরিয়ার পুর এলাকায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সাধন রায়।ঘুরিয়ে  তিনি আঙ্গুল তুলেছেন বিএইমওএইচ এর দিকে।সাধন বলেন,’আমাকে এখানকার বিএমএইচ এবং দু জন চিকতসক বলেন, পুরানো ভবন তা ভেঙে দিন।এই প্রাচীন ভবন টা এমনিতেও কোনো কাজে লাগে না।আমি তখন প্রশ্ন করি ফান্ড কে দেবে?বিএমএইচ বলেন, আমাদের কোনো ফান্ড নেই।আপনি ব্যবস্থা নিন।ওদের কথা শুনে আমি নিজের পকেট থেকে কিছু টাকা দিয়ে মিশিন আনিয়ে ভাঙ্গায়।আমার জানা ছিল না যে এমন কোনো ভবন ভাঙতে হলে পৌর,পিডব্লিউড ই বা সিএইমওএইচ এর অনুমতির দরকার।বিএইমএইচ আমাকে এসব বলেননি।আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি।তদন্ত হলে আমি বলবো  এই বিষয় তা জানতাম না।’
এই প্রসঙ্গে বিডিও অনির্বান চক্রবর্তী বলেন, মহকুমা শাসকের  নির্দেশে আমরা ওই হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত করেছি ।অনেক প্রশ্ন উঠে এসেছে।বিএইমএইচ কে শো-কজ করা হয়েছে।উনি কি জবাব দেন তা দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

নেই পড়ুয়া, স্কুল বাঁচাতে আর্জি কিন্তু কেন এমন হাল উৎকলমনি গোপবন্ধু প্রাথমিক স্কুলের!

জামুরিয়া: শিক্ষকেরা নিজেদের মধ্যে আড্ডা দিচ্ছেন। কিন্তু ক্লাসে যাওয়ার নাম নেই। কারণ, পড়ুয়াই যে নেই। বেশ কয়েক বছর ধরে পড়ুয়ার অভাবে এমনই ছবি জামুড়িয়ার নিউকেন্দায় ওড়িয়া মাধ্যম প্রাথমিক স্কুলে। শিক্ষক ও ওড়িয়াভাষী মানুষদের দাবি, সরকারি উৎসাহের অভাব এবং এলাকায় ওড়িয়াভাষী মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ায় উৎকলমণি গোপবন্ধু প্রাথমিক স্কুলটির এমন হাল।
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে চার জন শিক্ষক রয়েছেন। খাতায়-কলমে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৩ জন। তারাও স্কুলে আসে না। পড়ুয়া না থাকায় ২০১৬ সাল থেকে স্কুলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে মিড-ডে মিল। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০০ সালে খাসকেন্দার খনিকর্মী আবাসনে ২৩০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে স্কুলটি চালু হয়। ২০১০ সালে পড়ুয়ার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৮৯ জনে। কিন্তু তার পরে থেকেই সংখ্যাটা দ্রুত কমতে থাকে।
বঙ্গ-উৎকল সমাজ সাংস্কৃতিক মঞ্চের জেলা সম্পাদক প্রহ্লাদ বিসোয়াই জানান, “নয়ের দশকে তৎকালীন বাম সরকারকে স্কুল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।’’ প্রথমে এই এলাকার খাসজমিতে ২০০০ সালে স্কুল ভবনের শিলান্যাস হয়। কিন্তু সেই সময়ে ইসিএল কর্তৃপক্ষের আপত্তিতে ওই জমিতে ভবন তৈরি করা যায়নি। সেই সময়ে পাঁচ জন ওড়িয়াভাষী খনিকর্মীর আবাসনে স্কুল শুরু হয়। পরে বিধায়ক তহবিল এবং অন্যান্য সরকারি সহযোগিতায় কেন্দা ফাঁড়ির কাছে স্কুলের নতুন ভবনের উদ্বোধন করা হয়।
কিন্তু প্রহ্লাদবাবুর অভিযোগ, ‘‘প্রতি বছর পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়ছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেই বই পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়। দু’বছর কোনওক্রমে চললেও বর্তমানে স্কুলের সব পরিকাঠামোই বেহাল।’’ বাবুলি প্রধান নামে এক অভিভাবকেরও প্রশ্ন, ‘‘ওই স্কুলে বই মেলে না। ছেলেমেয়েকে পাঠাব কোন ভরসায়।’’
স্কুলের শিক্ষিকা অনিতা বর্ধন, সঙ্ঘমিত্রা মল্লিকদের দাবি, পড়ুয়া ভর্তির জন্য তাঁরা বাড়ি বাড়ি দরবার করছেন। কিন্তু লাভ হয়নি। প্রধান শিক্ষক রোহিতকুমার বেহেরা বলেন, “স্কুলটা বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি। স্কুলের ভবিষ্যৎ এখন শিক্ষা দফতরের হাতে। একটাই আবেদন, স্কুলটা বাঁচান।”
কিন্তু কেন এমন হাল? এর মূল কারণ, এক সময়ে খনি এলাকায় বহু ওড়িয়াভাষী মানুষ জীবিকা সূত্রে থাকতেন। কিন্তু তাঁরা অবসর নেওয়ায় সেই সংখ্যাটা বর্তমানে তলানিতে ঠেকেছে। স্থানীয় বাসিন্দা তথা তৃণমূলের জামুড়িয়া ২ নম্বর ব্লক সভাপতি মুকুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এক দশক আগে খাসকেন্দা ও ইস্টকেন্দা এলাকায় তিনশোটি ওড়িয়া পরিবার বাস করত। বর্তমানে সেই সংখ্যাটা মেরেকেটে ৮০টি।

 বিডিও (জামুড়িয়া) অনুপম চক্রবর্তী বলেন, ‘‘স্কুলটিকে বাঁচাতে ওড়িয়ার বদলে অন্য কোনও মাধ্যম করা যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’

source-Anandabazar patrica

নজরুলের ৪১ তম প্রয়াণ দিবস

জামুরিয়া: কাজী নজরুল ইসলামের ৪১ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নজরুল বিশ্ববিদ্যলয় ও নজরুল একাডেমির যৌথ উদ্যোগে কবির মঙ্গলবার জন্মস্থান চুরুলিয়ায় শ্রদ্ধা জানানো হয়।কবির সমাধিক্ষেত্রে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা  জানান অতিথিরা।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নজরুল বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য সাধন চক্রবর্তী,ডেপুটি রেজিস্টার শ্রীকান্ত রায় চৌধুরী, নজরুল একাডেমির সভাপতি  প্রশান্ত দে সরকার,একাডেমির ভারপাপ্ত সম্পাদক সুপ্রিয় কাজী সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যলয় এর ছাত্র ছাত্রী রাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।সেখানে নজরুলের গান ও আবৃতি পরিবেশিত হয়।অন্য দিকে আসানসোলের আশ্রম মোড়ে  নজরুল মূর্তি তে এদিন মাল্য দান করেন কর্পোরেশন এর প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম সহ আরো কয়েক জন।কবির প্রতিকিতে মালা ও ফুল দিয়ে সন্মান জানান তারা।তবে ওই জায়গায় পারথেনিয়াম গাছ ও জঙ্গল পরিষ্কার করলে ভালো হতো বলে মনে করেন সাধারণ নাজরুলপ্রেমীরা।যদিও ওখানে দাঁড়িয়ে রবিউল ইসলাম আশ্বাস দেন ওইদিনই জঙ্গল পরিষ্কারর করে দেয়া হবে।।ইউনিভার্সিটি এর ছাত্র ছাত্ররি রা কবির প্রতিকিতে ফুল-মালা দিয়ে এবং কবির স্মরণে বক্তব্য রেখে একটা ছোট অনুষ্ঠানও করেন।
Source-Ei samay 

কেন্দায় কয়লা চুরির নালিশ খনি বাঁচাতে টহল কর্মীদের

পরিত্যক্ত খনির আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে লাগোয়া বৈধ খনি। পরিত্যক্ত খনিটি বালি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। কিন্তু তার পরেই সেখানে কয়লা চোরেরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। ফের আগুন লেগে যাতে বৈধ খনিটি বিপজ্জনক হয়ে না ওঠে, সে জন্য জামুড়িয়ার নিউকেন্দায় পরিত্যক্ত খনিতে চুরি রুখতে পাহারা দিতে শুরু করেছেন খনিকর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যেরা।
মাসখানেক আগে ইসিএলের কেন্দা এরিয়ায় পরিত্যক্ত ওয়েস্ট কেন্দা খনিতে আগুন লাগে। তা লাগোয়া নিউকেন্দা কোলিয়ারির ৪ নম্বর খনিতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। ইসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিরেক্টর জেনারেল অব মাইনস সেফটি (ডিজিএমএস)-এর নির্দেশে কর্মীদের নিরাপত্তার কারণে খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিত্যক্ত খনির আগুন নেভাতে মাটি ভরাট করা হয়।
কিন্তু মাস ঘুরতেই পরিত্যক্ত খনিটিতে কয়লা চোরেরা অবৈধ খনন শুরু করেছে বলে অভিযোগ। তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বন্ধ ৪ নম্বর খনির কর্মীরা। তাঁদের দাবি, ওই পরিত্যক্ত খনির সঙ্গে চালু খনির কয়লাস্তরের যোগ রয়েছে। তাই পরিত্যক্ত খনির আগুন ছড়িয়ে যেতে পারে এই খনিতেও। তাতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আছে। বছর তিনেক আগে একই কারণে কোলিয়ারির ৩ নম্বর খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের দাবি, একই ভাবে ৪ নম্বর খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কায় ভুগছেন তাঁরা। তাই পরিত্যক্ত খনিটি যাতে বেআইনি খননের জেরে ফেল বিপজ্জনক না হয়ে পড়ে, সে জন্য পাহারা শুরু করেছেন তাঁরা খনিকর্মী ইন্দ্রজিৎ কৈরি, মহেন্দ্র ধোবী, রূপলাল সাউদের বক্তব্য, ‘‘১৯৯৫ সালে যখন ৩ নম্বর খনিতে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছিল, তখনও ৪ নম্বর খনি বন্ধ করা হয়নি। কিন্তু এখন খানিক দূরে পরিত্যক্ত খনিতে আগুন লাগলেও খনি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই যাতে কোনও ভাবেই খনি বন্ধ করা না যায়, সে জন্য আমরা পাহারা দিচ্ছি।’’ সিটু নেতা মনোজ দত্তের অভিযোগ, ‘‘বৈধ খনির পাশে কয়লা চুরি হলে কোলিয়ারি বিপন্ন হবে। তাতে ইসিএল কর্তৃপক্ষ সহজেই খনিটি বন্ধ করে বেসরকারি হাতে তুলে দিতে পারবে।’’ 

কেন্দা এরিয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার এমএন যোশী অবশ্য জানান, ডিজিএমএসের নির্দেশে ৪ নম্বর খনিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শীঘ্রই খনিটি চালু করা হবে। ইসিএলের এক আধিকারিক জানান, প্রশাসনের কাছে নিয়মিত তাঁরা অবৈধ খননের অভিযোগ জানান। এর আগে নর্থ সিহারশোলে অবৈধ খননের জেরে বিপন্ন হয়ে উঠেছিল বৈধ খনি। প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় শেষে ওই কোলিয়ারির ভূগর্ভস্থ খনি বন্ধ করে খোলামুখ খনি চালু করতে হয়েছে। ৪ নম্বর খনির কর্মীরা কোলিয়ারি বাঁচাতে যে পদক্ষেপ করেছেন, তা প্রশংসনীয় বলেও তাঁর দাবি। পুলিশ অবশ্য অবৈধ খননের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা মানতে চায়নি। পুলিশকর্তারা জানান, কয়লা চুরি রুখতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ।
Source-Ananbazar patrica

ব্লু-হোয়েল গেম নিয়ে সতর্কতা জারি।লিংক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ কেন্দ্রের

  • অনলাইন গেম ব্লু-হোয়েল চ্যালেঞ্জ খেলতে গিয়ে আত্মহত্যা
  • করে ভারতের বেশকয়েকটি শহরের স্কুল ছাত্র।ওয়েস্টবেঙ্গল ও এই গেমের খপ্পর থেকে রেহাই পাইনি।পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরের এক ছেলে এই গেম খেলতে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে।তাই গুগল,ফেসবুক,হোয়াটআপ সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এই গেমের লিংক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলো কেন্দ্র সরকার।তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের থেকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেট জায়ান্টএর কাছে এই গেমের লিংক সরানোর চিঠি পাঠানো হয়।এই গেমের নামে অন্য গেম থাকলে সেটাও সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়।

ব্লু হোয়েল একটা মারণ গেম যেটা তে 50 দিনের টাস্ক দেওয়া হয় যাতে প্রথম দিকে উচু জায়গায় গিয়ে বসা,কারোর সাথে কথা না বলা,হাতে ব্লেড বা ধারালো কিছু দিয়ে দাগ কাটা,ইত্যাদি এইভাবে এমন ভাবে মগজধোলাই করা হয় যাতে শিকার গেম খেলা বন্ধ করতে পারে না 50 তম দিন পর্যন্ত এবং 50 তম দিনে আত্মহত্যা করতে বলা হয়।এই গমের স্রষ্টা philipp Budeikin কে সম্প্ৰতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এই গেম তা কিভাবে খেলা হয় সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই যাচ্ছে।কিছু জন বলছেন প্লে স্টোরে ইনস্টল এর মাধ্যমে,কিছু জন বলছেন ইনস্ট্রাগ্রামে বা ফেইসবুক এর মাধ্যমে কিছু লিংক থেকে।তাই বর্তমানে মা বাবা দের একটু সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া দের বাবা মা দের।
সতর্ক করার উদ্দেশেই এই পোস্ট।

Narada Sting Operation (Part – 2), এই ভিডিও টির সত্যতা আমরা যাচাই করি নি৷ এর দায় কোনো ভাবেই আমাদের ব্লগের নয়৷

রোহিঙ্গা মুসলিমদের গ্রেফতার করে বিতাড়িত করা হবে, জানাল কেন্দ্র

নয়াদিল্লি: এ দেশে ঘাঁটি গাড়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের সনাক্তকরনের কাজ চলছে, তাদের গ্রেফতার করে ফরেনার্স অ্যাক্টে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে। আজ এ কথা জানিয়ে দিল কেন্দ্র।

গত ৫-৭ বছরে মায়ানমার থেকে বেআইনিভাবে এ দেশে এসে বসবাস করছে অন্তত ৪০,০০০ রোহিঙ্গা। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে তারা, বড় একটা সংখ্যা বাসা বেঁধেছে জম্মুতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, মায়ানমার ছাড়া রোহিঙ্গারা তিনভাবে ঢুকেছে এ দেশে- সমুদ্রপথে, বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ও মায়ানমার সীমান্তে চিনা এলাকা দিয়ে।
৫,৫০০-৫,৭০০ রোহিঙ্গা শুধু জম্মুতেই রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আশঙ্কা, ঠিকমত গণনা হলে এই সংখ্যা ১০,০০০ থেকে ১১,০০০ দাঁড়াবে। গোটা ভারতের প্রেক্ষিতে জম্মুতে জড়ো হওয়া এই রোহিঙ্গাদের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কিছুদিন আগে তাদের বস্তিতে তল্লাশি চালিয়ে আধার কার্ড সহ বেশ কিছু পরিচয়পত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব মেহঋষি গতকাল এ নিয়ে একটি বৈঠক ডাকেন। কীভাবে রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে বিতাড়ন করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। জম্মু কাশ্মীরের মুখ্য সচিব, ডিজিপি, বিএসএফের বরিষ্ঠ আধিকারিকরা ও গোয়েন্দা অফিসাররা বৈঠকে ছিলেন।
জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে এই রোহিঙ্গাদের যুক্ত থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মূলত ভারতীয় মুসলিমদের থেকে এদের জঙ্গি কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন।
Design a site like this with WordPress.com
Get started