ঔরঙ্গজেবের শাসন চাইনা, চাই সবকা সাত সবকা বিকাস..

যিনি গত লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে চা-ওয়ালা বলে খোঁচা দিয়েছিলেন। তবে এটা বলে তিনি বিজেপির অনেকাংশে উপকারই করেছেন। যখন রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের সদর দন্তরে বসে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন, তখনই নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের ভালসাদে বাজিমাত করলেন। গুজরাটে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী খোঁচা দিয়ে বললেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে তাঁরা মুঘলদের থেকে কিছু কম যান না। সেটা কংগ্রেস নেতারা প্রমান করে দিলেন। আমরা ঔরঙ্গজেবের শাসন চাই না। কংগ্রেসকে আমরা এটার জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। তবে এই শাসন আমরা চাই না।’
প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করার কোনো সুযোগ ছাড়েন না নরেন্দ্র মোদী। এ দিনেও সেটা আবার প্রমান করলেন তিনি। প্রথম রাতে তিনি পিঁপড়ে মারার মতো রাহুল আর অভিষেকের প্রস্তুতিতেই আক্রমণটা শানালেন। তিনি বললেন, “যিনি জামিনে মুক্ত, যাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে, তিনি দলের সভাপতি হলেন। এই বার বুঝতে পারছি, ওরা কেমন সংস্কৃতি নিয়ে চলে।” মোদী এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছিলেন। কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রের উপর আঘাত ও গুজরাটের নির্বাচনী প্রচারে রাহুল গান্ধীর অভিষেককে মুঘল সম্রাটের সঙ্গে তুলনা করে মেরুকরণের প্রয়াসও করেছেন।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started